এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ২৯ মে ২০১৯ ০৪:৪৩409860
  • ১৫? এই যে সেদিন বলল ২১? ঃ-)
  • Amit | ২৯ মে ২০১৯ ০৪:৪০409859
  • পাবলিক ঠিক করেছে যত দিন না ১৫ লক্ষ দিচ্ছে মোদিকে যেতেই দেবে না :) :)
  • S | ২৯ মে ২০১৯ ০৪:২৮409858
  • ২০২১ অবধি বাংলার জন্য বিজেপি সব ঢেলে দেবে। চেক করে দেখুন তো আপনাদের অ্যাকাউন্টে ১৫ লাখ এসে গেছে কিনা?
  • Atoz | ২৯ মে ২০১৯ ০৪:০৪409857
  • যদুপতি তো তার পরেও নিজের বোনকে পর্যন্ত ওর ঘাড়ে গছিয়ে দিল। রীতিমতন শিখিয়ে পড়িয়ে হরণ করিয়ে দিল। ঃ-)
  • Amit | ২৯ মে ২০১৯ ০৩:৫০409856
  • অত গুলো বিয়ে করলে প্রবলেম হবেই। মানে মহাভারতের অর্জুনের কথা বলছি :) :)
  • Atoz | ২৯ মে ২০১৯ ০৩:৪৭409855
  • পান্ডব আর কৌরব সবাই অর্জুনকেই খুঁজতো। এমনকি যাদবরাও খুঁজতো। ঃ-)
  • Amit | ২৯ মে ২০১৯ ০৩:৩৩409854
  • বোঝো, আমি একা নয়, সবাই অর্জুন কেই খুঁজছে। :) :) কি জ্বালা।
  • Atoz | ২৯ মে ২০১৯ ০৩:১৯409853
  • অর্জুন, আছেন? নেতাজীর নাতি এই চন্দ্রকুমার বসু সম্পর্কে একটু লিখুন তো! ইনি নাকি বিজেপিতেই আছেন।
  • Amit | ২৯ মে ২০১৯ ০৩:১৭409852
  • অর্জুন, আপনার 05:13 PM এর পোস্টের প্রেক্ষিতে:

    আপনি আর আমি বোধহয় এক প্লাটফর্ম থেকে ঠিক জিনিসটা দেখছি না। শুধু আবেগ বা কথার জার্গন নয়, আমি কিছুটা টু দা পয়েন্ট জানতে চাইছিলাম ঠিক কি কি কারণে আপনি বললেন যে নেহেরু ডিকলোনিজশন করে যেতে পারেন নি বা ব্রিটিশ লিগেসি কে উনি চালিয়ে গেছেন। এটাও জানতে চাইসিলাম তাহলে কি করা উচিত ছিল। ব্যক্তি আক্রমণ বা পূজা নয়, সিস্টেম টার চয়েস নিয়ে জানতে চাচ্ছি। আর কি কি অপসন ছিল বা করা যেত।

    যে উদাহরণ গুলো আপনি দিলেন, যেমন দলিত সমস্যা, ব্রিটিশ রা দলিত দেরি জন্য কিছু করে নি, কিছুটা সত্যি, কিন্তু পুরোটা নয়। কিন্তু সেটা কি ব্রিটিশ দের লিগেসি বা তাদের তৈরী করা ? একটা একটা করে বললে হয়তো একটু পরিষ্কার হবে।

    ১। দলিত সমস্যা হিন্দু কাস্ট সিস্টেম এর তৈরী করা। হাজার বছর বা আরো বেশি ধরে চলছে। ব্রিটিশ রা তৈরী করে নি, কিন্তু সেটা মেটাতে খুব একটা চেষ্টাও করে নি। ওদের দরকার ও ছিল না। ওরা এসেছিলো ব্যবসা করতে, সেখান থেকে শাসক হয়ে বসেছিল। ইন্ডিয়ার লোকের মঙ্গল সাধন ওদের প্রাইমারি অবজেক্টিভ ছিল না। ইন্ডিয়ার লোহা, কয়লা, তুলো, মসলা এগুলো ছিল তাদের প্রাইম অবজেক্টিভ। সুতরাং দলিত দের বঞ্চিত করে রাখার জন্য তাদের কে দশ দেওয়া মাথায় এলো না।

    ২। যেকোনো সাম্রাজ্যবাদী শাসনের কিছু অফস্যুট বেনিফিট থাকে, কেও সেসব চাক বা না চাক। যেমন ব্রিটিশ রা ওদের মডেল এ এডুকেশন সিস্টেম তৈরী করেছিল ভারতীয় দের উন্নতির প্রাইমারি অবজেক্টিভ নিয়ে নয়, তাদের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সাপোর্ট এর জন্যে বা কেরানি বানাতে লোকাল ওয়ার্ক ফোর্স কাজে লাগানোর জন্য। কিন্তু সেটার সুবাদে উচ্চবর্ণ ছাড়াও সাধারণ গরিব লোকজন, খুব অল্প হলেও কয়েক জন দলিত লেখাপড়ার সুফল পেয়েছিলেন। ব্রিটিশ স্কুল সিস্টেম এর আগে পাঠশালা বা টোল এ কতজন পড়াশোনার সুযোগ পেতেন ? তথাকথিত ন্যায়শাস্ত্র উচ্চবর্ণের এক চেটিয়া ছিল। কিন্তু নতুন ইন্ডাস্ট্রিয়াল দুনিয়াতে সেটার আর কোনো রেলেভ্যান্সি রইলো না। এর সাথে নেহেরু র কানেকশন ঠিক পরিষ্কার হয় নি।
    ইন্ডাস্ট্রিয়াল আগে এ গোটা দুনিয়া তাই এডুকেশন সিস্টেম একটা মেজর রেভ্যাম্প হয়েছে গত ১০০-১৫০ বছরে। সব দেশেই এখন বেসিক মডেল মোটামুটি একই। ইতিহাস, ভূগোল নয়, ম্যাথস, সাইন্স এর কথা বলছি। এখন চতুস্পাঠীতে কেও পড়ে কি ? পড়লে হয়তো কারোর ভিক্ষা ছাড়া কিছু কিছু করার থাকে না। সেটা একদিকে অত্যন্ত ভালো সুফল। এডুকেশন হ্যাস বিন এ গ্রেট একুয়ালিসের।

    এক কথা রেলওয়ে নিয়েও। ব্রিটিশরা রেলওয়ে তৈরী করেছিল লোহা, কয়লা, চা সব পোর্ট গুলো অবধি নিয়ে আসার জন্য। আর মাস মিলিটারি মুভমেন্ট। কিন্তু তার সুফল সাধারণ লোকেও পেয়েছে। সেই সুবাদে একটা পান ইন্ডিয়া ন্যাশনালিস্ম তৈরী হয়েছে। নাহলে তার আগে যা হয়েছে, বেশির ভাগ লোকাল বিদ্রোহ ফর লোকাল ইন্টারেস্ট।

    ২। দলিত দের উন্নতি সাধন নিয়ে ব্রিটিশ দেরি বিশেষ মাথা ব্যাথা ছিল না, খুব সত্যি কথা। কিন্তু ভারতীয়দের কি ছিল ? বেঙ্গল বা মাড্রাস্ রেসিডেন্সি বাদ দিলে বাকি বেশির ভাগ অংশেই ব্রিটিশরা দেশীয় রাজাদের রাজত্ব চালাতে দিয়েছিলো। তারা ট্যাক্স পেলেই খুশি। এবার সেই রাজারা কি করছিলেন ? একটা চট্ট উদাহরণ দিলে পরিষ্কার হবে, তামিলনাড়ুতে বা কেরালার কিছু অংশে দলিত মেয়েদের ব্লউজ পড়ার অধিকার ছিল না এবং রাস্তা দিয়ে কোনো ব্রাহ্মণ গেলে তাদেরকে বুকের কাপড় সরিয়ে দাঁড়াতে হতো। ব্রিটিশ রাজ্ আসার পর কিছু মিশনারি র চেষ্টায় এই প্রথা বন্ধ হয়। এই সব অন্ধকার নিয়ে আমরা হাজার বছর বেঁচে আছি। আর আশা করছি নেহেরু এক হাতে সব নোংরা সাফ করে ফেলবেন কয়েক বছরে।

    আম্বেদকর যে সংবিধান বানিয়ে ছিলেন, তার মধ্যে দলিত দের উন্নতির জনই সংরক্ষণ রাখা ছিল। এবার তিনি প্রধানমন্ত্রী কেন হলেন না বা হলে আরো হতে পারতো, এটা নিয়ে কিছু বলার নেই। আম্বেদকর জন নেতা ছিলেন না। মন মোহন সিংহ ও জন নেতা ছিলেন না, ঘটনা চক্রে প্রধান মন্ত্রী হয়ে গেছিলেন। এসব নিয়ে সত্যি আলোচনা হয়না যতক্ষনা স্পেসিফিক না বলা হচ্ছে আম্বেদকর এলে ঠিক কি হতে পারতো বা ওনার ডেভেলপমেন্ট মডেল কি ছিল ?

    যেমন অনেক বাঙালি বলে থাকেন নেতাজি প্রধান মন্ত্রী হলে কোনো সমস্যা থাকতো না। সবই কবির কল্পনা। আবার বলছি, ব্যক্তি নয়, সিস্টেম, মেথড, মডেল টা জানা জরুরি।

    ৩। রাজা রামমোহন বা বিদ্যাসাগর যখন সমাজ সংস্কারের চেষ্টা করেছিলেন, তখন সব থেকে বেশি রেসিস্টেন্স এসেছিলো হিন্দু দের থেকেই। রাধাকান্ত দেব র মতো সমাজের মাথা (মাথাব্যথা বললে আরো ভালো ) রা চিঠি লিখেছিলেন ভাইসরয় কে যে ব্রিটিশ রাজ্ যেন হিন্দু সমাজের নীতি-আচার কে নষ্ট না করে, এসব মনুস্মৃতির আইন। যেমন আজকে তিন তালাক নিয়ে আইন হলে অনেক মুসলিম দাবি করেন কোরান ধ্রুব সত্য, ভগবানের লেখা, একই স্টাইল এ। আমি নিশ্চিন্ত এখন ওসব করতে গেলে বিদ্যাসাগর কে গৌরী লঙ্কেশ বানিয়ে দিতো। তখন ভাগ্যে ব্রিটিশ পুলিশের ভয়ে ওনাকে মারতে পারে নি, চেষ্টা হয়েছে যদিও।

    ৪। আমাদের নেতারা বেশির ভাগ এসেছেন সমাজের এলিট ক্লাস থেকে। বিচিত্র কি ? এই আবাল কাস্ট সিস্টেম আমাদের তো ভেতর থেকে শেষ করে দিয়েছে। দলই দের চিন্তা শক্তি টাই কেড়ে নেওয়া হয়েছে হাজার বছর ধরে। আমার নিজের অভিজ্ঞতা কলেজ এ পড়ার সময় এক জন সহপাঠীর গ্রামের বাড়িতে যাই, ঘোতক্রমে সে দলিত। তার বৃদ্ধা ঠাকুমা আমাদের দু জনকে ঢিপ করে প্রণাম করে ফেললেন, আমরা কোথায় পালাবো ভেবে পাই না তখন। এতটাই অন্ধ আর কুসংস্কার এ ঢাকা এই সমাজে। সেখানে নেহেরু কে একা গালি দিয়ে কি লাভ ?

    এখনো কি চেঞ্জ হয়েছে ? বেশিত ভাগ নেতা আসেন কোটি পতির ঘর থেকে। রাজতন্ত্র গেছে, তার জায়গায় তাকাতন্ত্র এসেছে। তাকাই এখন রাজা। আম্বানি, আদানি ইচ্ছেমতো সরকার চালাতে পারে। কে আটকাবে ? সব দেশেই তাই চলছে। সেটা নিয়েও নেহেরু আলাদা করে কিছু বলা যাই না বোধ হয়, সব ই লঙ্কা আর রাবন র কেস।

    ৫। ডিনাস্তিক পলিটিক্স আমাদের রক্তে। নেহেরু ফ্যামিলি একা নয়। আর একটা রিজেওনাল পার্টি দেখান যেখানে লিডার পার্টি কে তার বাপের সম্পত্তি ভাবে না। বরং কংগ্রেস এ তও বলবো পার্টি টাই নেহেরু ফ্যামিলি কে চায়, বাকি রা তো না চাইতেই বাপ্ ছেলের, পিসি ভাইপো র রাজত্ব চলছে।

    ইন্ডের মালহোত্রার "ডিন্যাসটি- ইন্ডিয়া এন্ড বিয়ন্ড" একটা বই আছে। টাইম পেলে পড়ে ফেলুন ঝট করে। নেহেরু ফ্যামিলি একা কালপ্রিট নয়, বহু আছে। না হলে খুব ভালো হতো, কিন্তু হয়নি। ইতিহাস আমাদের পছন্দ মতো চলে না, সময় পাল্টে যায়, টেকনোলজি পাল্টে যায়, disruption আসতেই থাকে। এতো আর একতা কাপুর এর সিরিয়েল নয় যে যা চাই বানিয়ে নিলুম। :) :)

    ৬। আর্টিস্ট দের প্রতি আমার পুরো শ্রদ্ধা আছে। ওনারা সমাজের দর্পন। মৃণালিনী একা নন, অনেকেই এসব নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। পানসারে বা কালবুর্গি কে নিশ্চয় জানেন। কুসংস্কার নিয়ে আন্দোলন করতে গিয়ে তাদের অন্তিম হাল ও অজানা নয়। অসুখটা যেখানে সমাজের এতো গভীরে, সেখানে সরকার একা সব করতে পারে না, সবাইকে এগিয়ে আসতে হয়। যারা আসছে, তাদের হাল ও অবশ্য দেখা যাচ্ছে।

    শেষে একটা কথা বলছি। নেহেরু কে পুজো করা উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু ওনার যে বড়ো কিছু প্রজেক্ট ছিল, ভাকরা নাগাল, বোকারো, ভিলাই দুর্গাপুর স্টিল প্লান্ট, IIT, IIM, HAL, BEL, এগুলো ইন্ডিয়াতে একটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল যুগের সূচনা করে। হয়তো ওনার এটাই আশা ছিল যত industrialization বাড়বে, ওয়ার্কফোর্সে ডিমান্ড বাড়বে, আরো বেশি লোকজন ইনক্লুডিং দলিত বা মুসলিম শিক্ষা বা ওয়ার্কফোর্সে এ জয়েনও করার সুযোগ পাবে, সেই সুবাদে উন্মুছাবিলিটি, হেট্রেড কমবে। তখনকার হিসেবে সেই সব প্রজেক্ট বেঞ্চমার্ক। এবার কালের নিয়মে, টেকনোলজি উন্নতি হয়েছে, প্লান্ট গুলো সুস্টাইন করতে পারে নি। ৪০-৫০ বছর পরে কি হবে সেটা ভেবে কেও প্রজেক্ট করে না। সেক্যুলারসীম নিয়ে উনি স্পেসিফিক কি কাজ করেছেন একটু খুঁজেতে হবে, কিন্তু পাকিস্তান যখন পুরোপুরি ইসলামিক দেশ হিসেবে ঘোষণা করলো, উনি সোজাসুজি ইন্ডিয়া কে হিন্দু রাষ্ট্র বানাতে পারতেন। কোনো অপোজিশন আসতো না, বেশির ভাগ লোক দু হাত তুলে আশীর্বাদ করতো। কিন্তু সেই রাস্তায় উনি হাটেন নি। এবার তার জন্য যদি ওনাকে anglophile বলা হয়, হোক।

    হ্যা, anglophile হলে কি দোষের সেটাও বুঝি নি এখনো। কারোর যদি ব্রিটিশ দের কিছু জিনিস, কালচার, ভালো লাগে, সেসব অনুসরণ বা অনুকরণ করতে চান, সেখানে দোষটা ঠিক কোথায় ? বাকি দের তাতে ঠিক কি ক্ষতি হচ্ছে ? আগেই বলেছি আমাদের জুডিশিয়ারি, মিলিটারি, অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, এডুকেশন সব ব্রিটিশ মডেল এ বেশ করা হয়েছে, কারণ তার আগে কোনো প্রভেন মডেল ছিল না। এতে প্রব্লেম টা ঠিক কোথায় ? আর কি অন্য রকম করা যেত ? আবার বলি, আবেগ বা জেরগণ নয়, একটু গুছিয়ে পয়েন্ট বই পয়েন্ট বললে ভালো হয়। আর্টিস্ট বা কোনো ঘটনার রেফারেন্স দিয়ে নয়, সিস্টেম এর গলদ দেখিয়ে।

    একই সময়ে ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ (ওটাকেও ধরছি ৭১ র স্বধীনতা ধরেও ), শ্রীলংকা, মায়ানমার জার্নি শুরু করেছিল নতুন দেশ গড়ার। আজকে ৭০ বছর পড়ে যখন ঘুরে দেখি আর তুলনা করি, মনে হয় খুব খারাপ হয়নি জার্নি টা। আরো ভালো হতে পারতো, হয়তো কোরিয়া বা সিঙ্গাপুর হয়নি, কিন্তু খারাপ ও হয়নি। গ্লাস হাফ খালি বা হাফ ভর্তি যে যেভাবে দেখেন আর কি। কিন্তু যখন অভিযোগ করছি, তখন অল্টারনেট সিস্টেম বা মডেল টা দেখানোটাও জরুরি।
  • Atoz | ২৯ মে ২০১৯ ০৩:১৬409851
  • এই যে
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=48789&boxid=50736
    এটা তুমুল চাল দিয়েছে। বিরাট সংখ্যক বাঙালি অত্যন্ত আপ্লুত হয়েছেন। ফেবু ভেসে যাচ্ছে শেয়ারে শেয়ারে।
  • Atoz | ২৯ মে ২০১৯ ০৩:১৪409850
  • নেতাজী সুভাষের টইটা কই? কেউ টেনে তুলুন প্লীজ।
    নেতাজীকে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী দেখিয়ে কী একটা যেন উদ্যোগ নিতে চলেছে নতুন সরকার।
  • Du | ২৯ মে ২০১৯ ০২:৪২409849
  • পেয়েছি।
  • Du | ২৯ মে ২০১৯ ০২:২৫409848
  • ত্রিপুরি কংগ্রেসের টইটা খুঁজে দাও প্লীজ।
  • Du | ২৯ মে ২০১৯ ০২:২৩409847
  • বামেরা বসে কেন এইগুলো লেখার দরকার ওমুক বইয়ে আছে করে যাক, আর বিজেপি ভারতের ইতিহাস জিফ বানিয়ে হোয়ায় ছড়িয়ে দিনকে রাত করে দিক।
  • অর্জুন অভিষেক | ২৯ মে ২০১৯ ০০:৫০409846
  • এবার লোকসভায় কংগ্রেসের ৫৪ শতাংশ, বিজেপির ৫৩ শতাংশ সাংসদ ডাইনেস্টিক।
  • S | ২৯ মে ২০১৯ ০০:১৮409845
  • এইবারে ঘী খাওয়ার কথা বললে লোকে রেগে যাবে। দুদিন আগে বললেন যে আমি আর পলিটিক্স করবোনা। এখন রাত পোহাতে না পোহাতে উইনিং টীমে নাম লেখাচ্ছে।
  • গবু | ২৮ মে ২০১৯ ২৩:৫৯409844
  • অ পাই দিদি, এ কি করলেন! ইট্টু বুক ধড়ফড় করচে যে!
  • pi | ২৮ মে ২০১৯ ২৩:২১409843
  • মুনমুন সেন বোধহয় বিজেপিতে।
  • অর্জুন অভিষেক | ২৮ মে ২০১৯ ২২:০৪409842
  • একশো বার @টি ঃ-) ঃ-)

    স্মৃতি ইরানী বিজেপির প্রেসিডেন্ট। অমিত শাহ ডিফেন্স মিনিস্টার।
  • T | ২৮ মে ২০১৯ ১৭:১৮409841
  • আহা, চিমটি নয়। সামান্য রসিকতা মাত্র। ঃ)
  • অর্জুন অভিষেক | ২৮ মে ২০১৯ ১৭:১৩409840
  • নেহেরু সেক্যুলার ছিলেন না সেটা একবারো বলছিনা। নিশ্চয় সেক্যুলার ছিলেন কিন্তু @Icm নেহেরুর যে quoteটি দিলেন সেইরকম নেহেরুর সুলিখিত অনেক বিষয়ের ওপর মন্তব্য আছে।

    @অমিত বাবু, পণপ্রথা সম্পূর্ণ একটা ভিন্ন বিষয় কিন্তু আমি দেশের সামাজিক চিত্রটা দিতে চেয়েছি বলে ওটার উল্লেখ করেছি। এই ব্যাপারে যে উদাহরণটা দিলাম সেটা আমি দিল্লীতে পড়ার সময় একটি সেমিনারে একজনের পেপারের বিষয় ছিল 'পারফর্মিং আর্ট কি ভাবে সোশ্যাল চেঞ্জ এনেছিল আমাদের দেশে'। তাতে এই ঘটনাটার উল্লেখ ছিল তামিল মৃণালিনী স্বামীনাথন যখন বিক্রম সারাভাইকে বিয়ে করে আমেদাবাদে গেলেন তখন গুজরাতি ভাষা শেখা ও চর্চা করার জন্যে রোজ গুজরাতি দৈনিক পড়তেন। কাগজে প্রায়ই পড়তেন গ্রামের অনেক নব বিবাহিতা আত্মহত্যা করে। প্রায়ই বাড়ির কুয়োতে এখানে, সেখানে লাশ পাওয়া যায়। ব্যাপারটা খোঁজ করতেই জানতে পারে, বিয়ের পরে নববধূদের পণের জন্যে শ্বশুরবাড়ি থেকে অত্যাচার করা হয়, নিরুপায় মেয়েগুলি বাবা, মার কাছেও স্থান হয়না, তখন তারা আত্মহননের পথ বেছে নেয়। এই ঘটনাটা মৃণালিনীকে এতটাই নাড়া দিয়েছিল যে উনি সেটা নিয়ে একটি কোরিওগ্রাফি করেন। সেই নাচ দেখে নেহেরু এতটাই মুভড হন যে উনি dowry commission বসান। দেশের প্রথম dowry commission।

    এটা একটা social history। তার পর থেকে মৃণালিনী সারাভাইয়ের নাচের বিষয় বস্তু হয়েছিল সামাজিক সব বিষয় নিয়ে। উনি বিশ্বাস করতেন performing art যদি social change না আনে তাহলে সেই শিল্প static হয়ে যায়।
  • অর্জুন অভিষেক | ২৮ মে ২০১৯ ১৬:৫৯409839
  • @T আবার আমার চিমটি কাটল বলে। উফফ কি এটা ইংরেজি লিখলেই দিতে হয়! এটা এবার বদলান তো!

    'decolonised মডেলটা ঠিক কি' হবে
  • অর্জুন অভিষেক | ২৮ মে ২০১৯ ১৬:৫৬409838
  • "দেোলোনিএদ মডেলটা ঠিক কি ? কোনো হিন্দুবাদী পার্টি এলে কি তারা জাতপাত সরিয়ে দিতো? কোন মডেল ফলো করা যেত ?" 'দেোলোনিএদ মডেল' অর্থে 'কোনো হিন্দুবাদী পার্টি' এর ধারপাশ দিয়েও আমি যাইনি। আমি বলছি সরাসরি ব্রিটিশ সিস্টেমে না গিয়ে একটা paradigm shift র প্রয়োজন ছিল। আমি political scientist নই, এখানে সে ব্যাপারে কেউ থাকলে ভাল ভাবে আলোকপাত করতে পারবেন।

    আম্বেদকরের মত মানুষ কি সেটা পারতেন না? কিন্তু মুশকিল কি আম্বেদকর ব্রিটিশদের থেকেও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসকে অনেক বেশী শত্রুর চোখে দেখতেন। তার অন্যতম কারণ Ambedkar Gandhi feud। নেহেরু যে তাকে ভারতীয় জাতীয় সংবিধান রচনার দায়িত্ব দিয়েছে এই স্বীকৃতি তাকে খুসী করলেও নেহেরু আম্বেদকরকে জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতির ব্যাপারে তার মতামত বদল করতে সক্ষম হননি। দুজনের সম্পর্ক simply cordial ছাড়া আর কিছুই ছিল না।

    ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে আম্বেদকরপন্থীরা আশীর্বাদের চোখেই দেখেছিল। নইলে ২০১৮ তে পুনের কাছে ভীমা কোরেগাঁওতে লক্ষ লক্ষ দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ মিছিলে হাঁটতেন না। কি উপলক্ষে এই বিজয় পদযাত্রা 'to commemorate the injured in 1818 battle in which the British Army comprising dalits defeated the Peshwa who was known as an oppressor of dalits.

    ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ দলিতদের জন্যে এক ফোঁটা কিছু করেনি, বরং তাদের অনেক কাছের লোক ছিল দেশের রাজন্যবর্গ যারাই দলিতদের করত অত্যাচার। যে বিজয় দিবস তারা পালন করল তাতে তাদের নিজেদের লোকগুলো যুদ্ধ করতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ দিয়েছিল। যুদ্ধ শেষে তাদের হাতে ব্রিটিশরা রাজ্যপাট দিয়ে দেয়নি।

    এই divide টা গত বাহাত্তর বছর আমাদের সিস্টেমটাকে শেষ করে দিয়েছে।

    ভাগ্যিস কোনো হিন্দু মডেলে কিছু হয়নি। হলে যে কি সর্বনাশ হত সে বোধহয় আমরা সবাই জানি।
  • অর্জুন অভিষেক | ২৮ মে ২০১৯ ১৬:৩৩409837
  • আমি আমার বক্তব্যটাকে গুছিয়ে বলতে পারিনি। জাতীয় কংগ্রেসের anti- colonial struggle নিশ্চয় ছিল ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে, ততটা ব্রিটিশ সিস্টেমের বিরুদ্ধে নয়। কিন্তু ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের মূলে ছিল রাণীর রাজ্যশাসন। অর্থাৎ একটা সেন্ট্রালাইজড কন্ট্রোলিং পাওয়ার!

    ব্রিটিশরা দেশ থেকে চলে গেলে সেই সিস্টেম যদি চলতে থাকে তাহলে দেশে একজন 'রাজা' বা 'রাণী' র দরকার। একথা ভুলেও বলছিনা জাতীয় কংগ্রেসের লোকজন আরেকজন 'রাজা' বা 'রাণী' তৈরি করে ওই একই ভাবে স্বাধীন ভারতবর্ষ চালাবে! কিন্তু ওই ব্রিটিশ সিস্টেমকে হুবহু পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে, অর্থাৎ ওই মডেল ব্যবহার করতে গিয়ে একটা কেন্দ্রীয় শক্তি লিখিত বা অলিখিত ভাবে তৈরি হয়ে যায়। এবং সেটাই আল্টিমেটলি হল! দিল্লী একটা মসনদে পরিণত হল। জন্ম ছিল Lutyen's Delhi। দেশের রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হতে হলে এই Lutyen's Delhi র যে fraternity তার অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। এরই একটা ফলপ্রসূ নেহেরু- গান্ধী পরিবার যারা যেকোনো দেশের মত এ দেশে রাজ পরিবারের মর্যাদা পায়।

    এই সিস্টেমে আঞ্চলিক, গ্রামীণ, আন্ডার ডেভলপড যে স্তর, যেটা সংখ্যায় বেশী তারা সম্পূর্ণ ভাবে বাদ পড়ে গেল। দিল্লীর মসনদের লোক ঠিক করল কোন রাজ্যকে বেশী টাকা দেওয়া হবে, কোন রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার অবস্থা খারাপ, সেখানে সামরিক বাহিনী পাঠাতে হবে। এই সিস্টেমে basic বা fundamental human rights definitely violated হয়।

    সুট পরিহিত আম্বেদকরের ডিসকোর্সটা সম্পূর্ণ অন্যরকম। Ambedkar was another stalwart. In fact stature এ ওঁকে আমি নেহেরুর চাইতেও আগে বসাই অনেক ব্যাপারে। কিন্তু আম্বেদকরের কাস্ট পলিটিক্স কি সত্যি খুব উপকারে পরে এসেছে? উনি নিম্নবর্গের অধিকার লড়াইয়ে যে সেপারেট সিস্টেমটা চালু করতে চাইলেন, সেটায় অনেকটা সুযোগ, সুবিধে হল, সবচেয়ে বড় কথা ওই সম্প্রদায়ের মানুষদের একটা representation পাওয়া গেল কিন্তু তারা main stream politics থেকে অনেকটাই ব্রাত্য রইল। সংরক্ষণ কোটা থেকে উঠে আসা নেতা, নেত্রীদের Lutyen's Delhi র এলিটবর্গ গ্রহণই করেনি। অনেক পরে যে সব নেতা যেমন ধরুন জগজীবন রামের মত মানুষ তারা কিন্তু দিল্লীর মসনদের লোক হয়ে গেছিলেন, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন স্বজাতির লোকদের। তার কন্যা মীরা কুমার সাসারামের আঞ্চলিক রাজনীতির সঙ্গে কতটা যুক্ত। তারা তো দিল্লীর লোক হয়ে গেল।

    এই ব্রিটিশ সেন্ট্রালাইজড সিস্টেমটা খুব প্র- এলিট যা আমাদের দেশের একদম সাধারণ স্তরের মানুষের প্রতি বেমানান।

    গান্ধী- নেহেরু পরিবারের ভোট ব্যাঙ্ক আমেঠী ছিল চরম দারিদ্র ক্লিষ্ট
    constituency কিন্তু তারা ইন্দিরা গান্ধী ভোট চাইতে গেলে তাকে 'দেবী'র আসনে বসিয়ে পুজো করে ভোটে জয়যুক্ত করত।

    ভারতের একদম সাধারণ অনেক অনেককাল ছিল শুধুই গিনিপিগ ভোটার। এটার একটা পরিবর্তন এসেছে যার জন্যে আমি খুব খুসী, যদিও তার ফল এবারের ইলেকশনে কোনোভাবেই ইতিবাচক মনে হয়নি।
  • Kaju | ২৮ মে ২০১৯ ১৬:১৯409836
  • মোদি বেস্ট পোধানপোন্তি।

    "হিন্দুস্তান কি মিট্টি কি সৌগন্ধ, দেশ হাম মিটনে নেহি দেঙ্গে।" শুনেই গায়ে কাঁটা দেয় মশাই। তাই তো ফির একবার মোদি সরকার।
  • lcm | ২৮ মে ২০১৯ ১৫:৪০409835
  • হ্যাঁ, টেকনিক্যালি - সংবিধানে 'সেকুলার' শব্দটা ঢুকিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। ১৯৭৬ সালে, সংবিধানের ৪২-তম সংশোধনে (অ্যামেন্ডমেন্ট) সেকুলার শব্দটি যোগ হয়।
    The 42nd Amendment amended Preamble and changed the description of India from "sovereign democratic republic" to a "sovereign, socialist secular democratic republic".
    খেয়াল রেখো, 'সোশালিস্ট' শব্দটাও ঢুকেছিল এই অ্যামেন্ডমেন্টে।
  • S | ২৮ মে ২০১৯ ১৫:০০409834
  • লসাগুদা, নেহেরুকে কেউ সেকুলার নয় তা বলছেনা। কিন্তু দেশে সেকুলারিজম ছড়ানোর জন্য কি কাজ করেছিলেন সেটা সত্যিই জানা নেই। সেই নিয়ে একটু লেখাপত্তর দেখলে ভালো হয়।
  • নেহেরু | ২৮ মে ২০১৯ ১৪:৫৩409833
  • বলেছিলেন কালোবাজারিদের ল্যাম্পোস্ট এ ঝোলাবেন
  • Amit | ২৮ মে ২০১৯ ১৩:৩৭409832
  • "যে সিস্টেমের বিরুদ্ধে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের আন্দোলন ছিল, সেই সিস্টেমকে রিপ্লেস করা বা মডেল হিসেবে গ্রহণ করাটা contradictory শোনাচ্ছে না?"

    আমার কাছে একেবারেই কন্ট্রাডিক্টরি শোনাচ্ছে না। নেহেরু, গান্ধী, জিন্নাহ এঁরা কেও বেসিক ব্রিটিশ সিস্টেম এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন নি, এঁরা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন। রানীর শাসন শেষ করে স্বাধীন ভাবে ইন্ডিয়ান রা একটা ব্রিটিশ ডেমোক্র্যাক্টিক মডেল এ থাকবে এটার জন্যই আন্দোলন করেছিলেন। কারণ তার আগে ইন্ডিয়া তে কোনো ডেমোক্রেটিক মডেল বলে কোনো কিচ্ছু ছিল না, সবই রাজতন্ত্র। কেও নিশ্চয় ইটা চাননি যে ব্রিটিশ রা চলে গেলে আবার রাজতন্ত্র চালু হবে। শুধু ইন্ডিয়া নয়, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, আফ্রিকার গুচ্ছ দেশে ব্রিটিশ, ফ্রেঞ্চ বা বেলজিয়ান রা চলে যাওয়ার পরে বেশির ভাগ দেশেই কোনো না কোনো ফর্মে পার্লামেন্টারী ডেমোক্রেসি চালু করার চেষ্টা হয়েছে, কেও ব্রিটিশ মডেল, কেও ফ্রেঞ্চ মডেল বা আমেরিকা মডেল। কেও কিন্তু শুরুতে পুরোনো রাজতান্ত্রিক মডেল এ ফেরত যেতে চাইনি। এবার কোনো দেশে ডিকটেটরশীপ চালু হয়ে গেছে, সেট অন্য গল্প। সেটাতো মডেল র failure নয়।

    বহু archaic আইন ব্রিটিশরা চালু করেছিল, ক্রিমিনাল ট্রাইবে একট তার মধ্যে একটা। তাদের নিজেদের শাসনের সুবিধার জন্য। তার মধ্যে অনেক গুলোই অনেক দেরিতে সরানো হয়েছে। বিচিত্র কিছু নয়। ইন্ডিয়ান কনস্টি ওয়ার্ল্ড র লার্জেস্ট। তার মধ্যে গুচ্ছের এমেন্ডমেন্ট। জুডিশিয়ারি তে আরো পাহাড়। সেখানে সব বৈষম্য এক সাথে দূর করা অসম্ভব। কিছু কাজ হয়েছে, হয়তো এখনো অনেক কিছু বাকি। কিন্তু তার জন্য নেহেরু কে আঙ্গুল তুলে কি হবে ?

    আমি নেহেরু র হয়ে সওয়াল করছি না, জাস্ট আপনার ডিকলোনিজশন বলতে কি বোঝাতে চাইছেন সেটা বোঝার চেষ্টা করছি।
  • lcm | ২৮ মে ২০১৯ ১৩:২৫409831
  • সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে নেহেরুর যে বক্তব্য আমি কোট করেছি, সেই প্রসঙ্গে অর্জুন লিখেছে ওটি নেহেরুর rhetoric।

    রেটোরিক (rhetoric) শব্দটির যে মানে জানি সেটি হল - অলংকরণ উক্তি, বাগাড়ম্বরপূর্ণ উক্তি, বা, কথার কথা আসল কথা নয়।

    অর্থাৎ, আসলে নেহেরু সেকুলার ছিলেন না, বক্তব্যের অলংকরণ হিসেবে বলতেন।

    নেহেরুর বিভিন্ন পলিসি নিয়ে অনেক সমালোচনা শোনা গেলেও, নেহেরুর সেকুলারিজ্‌ম নিয়ে এমন কথা কাউকে বলতে শোনা যায় না, এমনকি নেহেরু বিরোধীদেরও নয়, তাই সেক্ষেত্রে অর্জুনের এই মন্তব্যও বেশ - ইয়ে মানে আবার ঐ naive মনে হল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত