এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Kaju | ০৬ জুন ২০১৯ ১৩:৫৩410190
  • মণিহারা গল্পে বুড়ো ফণিভূষণের শেষে মৃত্যুর কথা বলল, গল্প শোনালো জীবিত ফণিভূষণকে, এটা কী ব্যাপার আমি বুঝিনি কোনোদিন। শেষের কথাগুলো পড়ে তাই মনে হয়, যে এ মোটেই সেই ফণির ভূত নয়।

    - আপনার নাম কী?
    - ফণিভূষণ
    - আপনার স্ত্রীর নাম কী?
    - নৃত্যকালী

    যাব্বাবা।

    সিনেমা-তে বুড়ো যে ফণিভূষণের ভূতকেই গল্প শোনাচ্ছিল সেটা দেখিয়ে দিলেন সত্যজিৎ। এই বদলটাও কেন? গল্পের শেষটা কি উনিও মানতে পারেন নি?
  • Kaju | ০৬ জুন ২০১৯ ১৩:৩৮410189
  • মাইকে মানে বহুদূর থেকে আসা শব্দ, কানের গোড়ায় নয়। আর এই দূর থেকে বলেই তাতে আবেদন আরো বাড়ে এই গানটার।
  • Kaju | ০৬ জুন ২০১৯ ১৩:৩১410188
  • "বাজে করুণ সুরে" আমাদের নাগেরবাজারে এই গত দুর্গাপুজোর সময় মাইকে বাজাচ্ছিল মাঝেমধ্যে। তবে রাত একেবারে নিস্তব্ধ শুনশান হয়ে এলে যখন বাজছিল, সে যে কীভাবে ভেদ করছিল বুকের ভেতর। বিশেষ করে দশমীর রাত্তিরে। শেষ না হওয়া অব্দি ঘুমোতে পারছিলাম না। ভয়ঙ্কর নির্জন একাকীত্বের আর কী গান আছে আরেন্টির মনেই পড়ে না। আর এতে তো যন্ত্রানুষঙ্গ সেভাবে ব্যবহৃত হয় না, সম্ভব না কোনোদিনই, যেহেতু দক্ষিণ ভারতীয় গান "নিদু চরণমূলে" ভাঙা, তাই বেহালা বাজছিল যেটা দক্ষিণ ভারতীয় গানে বাজে, যন্ত্রের নাম সম্বন্ধে জ্ঞান নেই বিশেষ, মার্জনীয়। সেটাও না থাকলে আরো ভালো লাগে।

    এ গানটায় ঋতু গুহ আমায় একেবারে খুন করে রেখেছেন, আর কাউকে ভাবতেই পারি না।
  • সৈকত | ০৬ জুন ২০১৯ ১৩:০৩410187
  • মণিহারা সিনেমাটি খাপছাড়া, গানের মধ্যে লাইন বাদ দেওয়া হয়েছে বলে নয়, তিন কন্যা বিদেশে পাঠাবার সময়ে দুটি কন্যাকে পাঠানো হয়েছিল। মণিমালিকার বিদেশ যাত্রা ঘটেনি। রায় বাবু বুঝতে পেরেছিলেন, সর্ব সমেত সিনেমাটি বিশেষ দাঁড়ায়নি। বিশেষতঃ অপু ট্রিলজির লিরিক্যাল রিয়ালিজমের পরে, এই বিষয়বস্তুটি সত্যজিত রায়ের কাজের সাথে ঠিক মেশে না, অপিচ, তিনকন্যার বাকী দুটি গল্পের সাথেও হয়ত। হয়ত, হিচককের প্রভাবে তখন, অদ্ভুত রসের সিনেমার দিকে গেছিলেন অথবা আরও একটু পিছিয়ে গিয়ে কার্ল ড্রেয়ারের কিছু সিনেমার প্রভাবে।

    কিন্তু একটা জিনিস চোখে পড়ার মত, গানের এই দৃশ্যটিতেই। কালী ব্যানার্জী যে গান শুনতে শুনতে ঘর থেকে ধরের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে আসছে, ইন্টিরিয়রিটির এই ছবি ক্যমেরায় তোলা মনে হয় সত্যজিতের সিনেমায় প্রথম। দেবী-তে থাকলেও থাকতে পারে, কিন্তু মনে হয়না আছে। অনেক বেশী করে থাকবে পরে চারুলতাতে; যেন এই দৃশ্যটিই চারুলতাতেও ঢুকে যেতে পারত।
  • অর্জুন | ০৬ জুন ২০১৯ ১১:৩০410186
  • *রবীন্দ্রনাথের ডকুমেন্টরিটি করেছিলেন।
  • অর্জুন | ০৬ জুন ২০১৯ ১১:২২410185
  • বিশ্বভারতী সত্যজিৎ রায়ের ছবিতে রবীন্দ্র সংগীতের প্রয়োজনীয় অদল বদলে যে ঝামেলা করেনি তার অন্যতম কারণ হতে পারে উনি সত্যজিৎ রায়। ১৯৬১ তে 'তিন কন্যা' বাদেও উনি NFDC প্রযোজিত সত্যজিৎ রায়ের ডকুমেন্টরিটিও করেন।

    বিশ্বভারতীর প্রাক্তন ছাত্র এবং রায় পরিবারের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের তিন পুরুষের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। সত্যজিতের মা সুপ্রভা ও মাসি কনক দাস-ও রবীন্দ্রনাথের খুব পছন্দের গায়িকাদের দুজন।

    '৬১ তে বিশ্বভারতী আপত্তি করল না, কিন্তু '৬৬, '৬৭ থেকেই জর্জ বিশ্বাসের গানে তালিবানি ফরমানা জারি করেছিল তারা!!
  • sm | ০৬ জুন ২০১৯ ১১:২০410184
  • কপিরাইট খুব গুরুত্ব পূর্ন জিনিষ।একজন খেটে খুটে নিজের মেধা দিয়ে মাথা খাটিয়ে বার করলেন আর আপনারা সব কেড়ে নেবার জন্য হামলে পড়লেন?
    তবে কি ইউজ করার সময় এট্টু কৃতজ্ঞতা স্বীকার লিকে দেবেন।তাহলেই হবে।
  • সৈকত | ০৬ জুন ২০১৯ ১১:১৪410183
  • দেখবেন, কপিরাইট পেয়ে আবার ল্যাজমোটা না হয়ে যায়।
  • dc | ০৬ জুন ২০১৯ ১০:৫২410182
  • বেশ তাই হবে। আপাতত ল্যাজতালির একটা ভিডিও থাক, কার্টেসি এস দাশগুপ্ত।

  • :) | ০৬ জুন ২০১৯ ১০:৪৮410181
  • জনতা,
    "ল্যাজতালি" শব্দবন্ধ কপিরাইটেড। নিজ লেখায় ব্যবহার করলে "(কার্টেসি এস দাশগুপ্ত)" লিখে দেবেন। আগাম ধন্যবাদ।
  • dc | ০৬ জুন ২০১৯ ১০:৩২410179
  • তাও হয়। ল্যাজে ল্যাজ, হাতে হাত, চোখে চোখ। একেবারে তুলকালাম কান্ড হবে।

    শুধু পায়ে পা না পড়লেই হলো।
  • saikat | ০৬ জুন ২০১৯ ১০:২৮410178
  • দুই ল্যাজে গিঁট বেঁধে সাত পাক দিতে সুবিধে হবে ?
  • dc | ০৬ জুন ২০১৯ ০৯:৫৮410177
  • সেই ভেবেই তো বলা! প্রেমিকার সাথে ল্যাজতালি দিতে বড়ো ভাল্লাগতো। বা ল্যাজে ল্যাজ জড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখতে।
  • b | ০৬ জুন ২০১৯ ০৯:৪৪410176
  • ওর জন্যে হুঁকোমুখো হতে লাগবে। এক ল্যাজে কি তালি বাজে?
  • dc | ০৬ জুন ২০১৯ ০৯:৪২410175
  • ল্যাজতালি কথাটা আমারও খুব ভাল্লাগলো। ইশ যদি ল্যাজতালি দিতে পারতাম!
  • pi | ০৬ জুন ২০১৯ ০৯:১৯410174
  • আমাদের তো প্রায় রোজই কম্বল!
  • i | ০৬ জুন ২০১৯ ০৮:৪৬410173
  • সইকত,
    অনেক ধন্যবাদ। গতকাল যে কথা ভাবছিলাম, আমার অনুমান না কি কোথাও পড়েছিলাম, মনে করতে পারছিলাম না, সে ভাবনার সপক্ষে একটি উদ্ধৃতি খুঁজছিলাম-নবীন গীতিনাট্যের(?)- 'দূরের ধ্বনিকে জাগিয়ে দিয়ে গেল পথিক। এমনি করেই বারে বারে সে কাছের বাঁধন আলগা করে দেয়। একটা অপরিচিত ঠিকানার উদ্দেশ বলে দিয়ে যায় কানে কানে, সাহসের সুর এসে পৌঁছয় বিচ্ছেদ সমুদ্রের পরপার থেকে-মন উদাস হয়ে যায়'। এর পরেই ঐ গানটি-বাজে করুণ সুরে।

    মণিহারায় কাছের বাঁধন আলগা হয়ে যাওয়া, অপরিচিত ঠিকানা, সাহসের সুর, বিচ্ছেদ এসব আসবে গানের সঙ্গে মিলিয়ে, কিন্তু 'দূরের ধ্বনিকে জাগিয়ে দিয়ে গেল পথিক' ব্যাপারটা বাদ রাখতে গেলে তব চরণতলচুম্বিত পন্থবীণা বাদ দিতে হয়। কাল একথা মনে হয়েছিল। লিখিনি কারণ এই উদ্ধৃতিটা হাতের কাছে ছিল না।
    এখন আপনার বক্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে, সত্যজিত রায়ের বক্তব্যই আমি পড়েছিলাম/ শুনেছিলাম কারো কাছে, তার ওপর আপন মনের মাধুরী মিশিয়েছি খানিক।

    ছোটাই
  • dd | ০৬ জুন ২০১৯ ০৮:৩৮410172
  • ইদিকে স্বর্গের আগের ইশ্টিশন অর্থাৎ লুরুতে ফুরফুরে হাওয়া, মেঘে ভরা আকাশ, পারদের গুমোড় চুর্ণ আজি।

    ফ্যান ছাড়াই দিব্বি চলে যায়। শেষ রাতে চাদর না থাকলে বেশ সিড়সিড়ে শীত।

    আজি কী বসন্তো।
  • dc | ০৬ জুন ২০১৯ ০০:৫৬410171
  • সে আর বলতে! জঘন্য গরম।
  • একক | ০৬ জুন ২০১৯ ০০:৪১410170
  • কী বিদঘুটে গরম। ধুরধুরধুর।
  • এলেবেলে | ০৬ জুন ২০১৯ ০০:১৩410169
  • এদিকে মণিহারা চলছে দিব্যি, ওদিকে নেতাজি মণি হারা ফণী হয়ে বসে আছেন। বলি সেদিকে খ্যাল আচে অর্জুন?
  • অর্জুন | ০৫ জুন ২০১৯ ২৩:৪৫410168
  • 'মণিহারা' য় 'বাজে করুণ সুরে' গানটির ব্যবহারে ইতিহাস জেনে সমৃদ্ধ হলাম। এই বিষয়টা ভাসা ভাসা জানা ছিল।

    'বিষয় চলচ্চিত্র' বইটি আমার কাছে আছে। যদি ওখানে কিছু উল্লেখ থাকে, জানাব।

    তবে আপনারা বিষয়টার বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
  • saikat | ০৫ জুন ২০১৯ ১৮:০৭410167
  • i, কাজু। ধন্যবাদ, দ্বিতীয় লাইনটাই। আমারও মনে নেই, সত্যজিতের বক্তব্য কোথায় পড়েছিলাম, কিন্তু বক্তব্য ছিল যে গানটা ব্যবহার হয়েছিল ঐ অদ্ভুত সুর আর তার মাধ্যমে মনিমালার মনোভাব বোঝানোর জন্য। বিতর্ক কিছু একটা হয়েছিল, ঠিক জানিনা, হয়ত সেই জন্যই বক্তব্যটা।

    অনলাইনে গীতবিতানে গানটা আবার পড়লাম। দ্বিতীয় লাইনটা দারুন, পথ বীনার মত বেজে উঠছে, যে পথ দিয়ে তুমি চলে গেছ। গানটা তো প্রেম পর্যায়ের অথচ মনিমালিকার তো প্রেম নেই, 'তব' শব্দটা এলে দ্বিতীয় ব্যক্তি এসে পড়বে, সেটা কে এইসব প্রশ্ন আসবে, কার উদ্দ্যেশ্যে গানটি গাইছে, ফলে এই লাইনটা বাদ দিতে হয় সত্যজিতকে কারন গানটাকে সুরের জন্য ব্যবহার করবেন। অথচ বাকি গানটিতে কিন্তু বিচ্ছেদের কথা থাকেই, বিচ্ছেদ মানেই দু'জন ফলে পুরো রক্ষা হয়না। গানটির ব্যবহার শেষ পর্যন্ত কেমন যেন, গায়কীটাই মাত করে দেয় !!
  • S | ০৫ জুন ২০১৯ ১৭:৩১410166
  • ওয়ার্ল্ড কাপে স্টেডিয়ামে জনগন মোদি মোদি চিল্লাচ্ছে কেন?
  • Kaju | ০৫ জুন ২০১৯ ১৬:১২410165
  • ওঃ এই লাইনটায় ঋতু গুহ-র গলা কানে বেজে উঠে দুপুরের প্রান্তর খাঁ খা করে দিয়ে গেল যেন।
  • i | ০৫ জুন ২০১৯ ১৬:১১410164
  • সইকত,
    হ্যাঁ ঐ লাইনটাই। শুনে নিলাম। কিন্তু এব্যাপারে সত্যজিত রায়ের বক্তব্য কিছু পড়ে থাকলেও আজ আর মনে নেই। এমনকি এই যে লাইনটা গানের অংশে ছিলই না, এ ও ভুলে গিয়েছিলাম, আপনি বললেন বলে মনে পড়ল। কাল ও এই গান নিয়ে প্রশ্ন করার সময়ও মনে হয় নি এমনকি।

    আবছা একটা কিছু মনে হচ্ছে-কিন্তু সেটা মনে হয় আমার নিজের অনুমান...
    যাই হোক, কেউ নিশ্চয়ই বলতে পারবেন। আপনার একেবারেই মনে নেই?
  • Kaju | ০৫ জুন ২০১৯ ১৬:০৮410163
  • ঠিকই ওটাই। তখন বিশ্বভারতীর কপিরাইটের ঘোরতর কালে এগুলো নিয়ে বিতর্ক করত না?
  • i | ০৫ জুন ২০১৯ ১৫:১৬410161
  • সম্ভবত তব চরণতলচুম্বিত পন্থবীণা লাইনটা গাওয়া হয় নি। শুনে বলছি।
  • S | ০৫ জুন ২০১৯ ১৫:১৬410162
  • বুমরা কিসব বল করছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত