এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আগামীর অবয়ব

    dri
    অন্যান্য | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১১ | ২৬৫৮১১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ২৫ অক্টোবর ২০১৭ ২৩:০৩489000
  • গুড তালিবানও আছে নাকি? ঃ-)
  • S | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ০১:৪১489001
  • তাইলেই বুঝুন।
  • Atoz | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ০২:০৭489002
  • আর ওই যে মঙ্গলগ্রহে ছেলেপিলে পাচার করে দিত, সেই তারা? তারা এখন কী করছে? গোটা পঞ্চাশ তালিবান, শ পাঁচেক চীনা, আর শ তিনেক ভারতীয়কে পাচার করে দিলে পারে তো! ঃ-)
  • S | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ০৩:৪৯489003
  • দ্রি | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ২২:১৫489005
  • ট্রাম্প কি তবে আর ইমপীচড হবে না?
  • দ্রি | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ২২:২০489006
  • এদিকে সিরিয়ার সিচুয়েশান খুবই কম্প্লিকেটেড হয়ে উঠেছে।

    ইন আ বিজার টুইস্ট অফ ফেট, ওয়াইপিজিকে সাপোর্ট করে সৈন্য পাঠালো সিরিয়া, টার্কীর বিরুদ্ধে।

    রাশিয়ার একটা প্লেন ম্যানপ্যাড দিয়ে নামিয়ে দিয়েছে আইসিস। কতগুলো ড্রোনও পাঠিয়েছিল রাশিয়ার লাটাকিয়ে বেসের দিকে।

    অন্যদিকে ইজরায়েলের এফ-১৬ এস-২০০ এর ঘায়ে মাটিতে পড়ে গেছে।

    নর্থ কোরিয়ার ওপর আরো স্যাংশান।
  • cb | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৩:৩৪489009
  • জেরেমি করবিন নিয়ে ট্যাবলয়েডগুলোর স্মিয়ারের এগেন্সটে লোকজন বেশ খচে গেছে মনে হচ্ছে। করবিন বলেছে সবাইকে ট্যাক্স দিতে হবে :)

    থেরেসা মে পার্লামেন্টে এই নিয়ে পেঁয়াজি করতে গিয়ে করবিনের "yawn" খেয়ে হাসির খোরাক হয়েছেন।

    এদিকে ব্রেক্সিটের প্রথম মিটিং য়ে একঘন্টার মধ্যে মিটিং শেষ করে এক মন্ত্রী ট্যাবলয়েডের এডিটরের সাথে ডিনার খেতে ফিরে এয়েছেন
  • cb | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৩:৪৫489010
  • http://metro.co.uk/2018/02/24/tory-mp-says-sorry-jeremy-corbyn-wholly-untrue-communist-spy-smear-7339117/

    এবং বেন ব্র্যাডলির পাছা খুলে হাতে ধরিয়ে দিলেন করবিন। লিগাল ফিস, অ্যাপোলজি আর চ্যারিটি তে টাকা দিয়ে এ যাত্রা রক্ষা পেলেন বেন ব্র্যাডলি। না হলে অবস্থা হলহলে হয়ে যেত
  • দ্রি | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৮:২৬489011
  • এ ব্যাপারে বেন ব্র্যাডলি তো কিছু জানেন না। কাগজে ছাপিয়েছে, আর জোশে উনিও চেঁচিয়েছেন। কিন্তু, উনি এর প্রাইমারী সোর্স নন। কোর্টে উনি কিছুই প্রমাণ করতে পারবেন না। অতয়েব চ্যারিটিতে টাকা দিয়ে দিয়েছেন।

    প্রাইমারী সোর্স হলেন ইয়ান সারকোচি। করবিন যদি খুব কনফিডেন্ট থাকেন, তাহলে ওনাকে স্যু করার কথা ভাবতে পারেন।

    সারকোচি করবিনের সাথে মীট করেছিলেন ৮০র দশকে। এটা সত্যি। কিন্তু তার থেকে ঠিক কী তথ্য সারকোচি পেয়েছিলেন তাই নিয়ে ডিসপিউট আছে।

    একজন কমেন্টেটর, রাডেক শোভানেক বলেছেন, He (Sarcocy) signed a list of documents in the UK which said Corbyn was an intelligence contact, not an agent.

    ইন্টেলিজেন্স ফাইলে করবিনকে কোয়ালিফাই করা হয়েছে ইন্টেলিজেন্স কনট্যাক্ট হিসেবে।

    কন্ট্যাক্ট টেকনিক্যালি এজেন্ট নয়, মানে যে খবরের বিনিময়ে পয়সা নেয়। কিন্তু কন্ট্যাক্টও বিভিন্ন রকম তথ্য দিতে পারে। কীরকম তথ্য সেটা বলা তো সোজা নয়।

    অন দা আদার হ্যান্ড, বৃটিশ পার্লমেন্টারিয়ান জন স্টোনহাউস, উইলিয়াম আওয়েন, রেইমন্ড মবি এনারা (টেকনিকালি) এজেন্ট ছিলেন।
  • দ্রি | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৮:৫১489012
  • এদিকে ডিএনসি প্রাইমারীতে ইরেগুলারিটির কেস কোর্টে গেছে। তাতে ডিএনসির ডিফেন্স হল ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট।

    Even if there were such an injury, it could not be remedied without impermissibly infringing on the Defendants’ First Amendment rights to free speech and association.

    http://jampac.us/wp-content/uploads/2018/02/2-20-18-Ds-Response-Brief.pdf
  • | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ২০:১৫489014
  • ওদিকে সিরিয়া যে কি প্রকান্ড প্যাঁচালো হয়ে দাঁড়িয়েছে!
  • দ্রি | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ২০:৪৭489017
  • সিরিয়া এখন নামেই সিরিয়া। আসলে একটি জিওপোলিটিকাল প্লেগ্রাউন্ড। আমেরিকা চাইছে কুর্দদের কাজে লাগিয়ে সিরিয়ার একটা পার্ট খুবলিয়ে নিতে। অথবা টার্কিকে কাজে লাগিয়ে একটা বড় যুদ্ধ স্টার্ট করতে।
  • cb | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০২:৫৮489018
  • করবিনের এগেন্স্টে স্মিয়ার ক্যাম্পেন যত হচ্ছে তত ওনার জনপ্রিয়তা বাড়ছে
  • cb | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৩:০৪489019
  • করবিন কেন স্যু করতে যাবে? থেরেসা মে কেই ধুর্বাল বলে কাটিয়ে দিয়েছে তো সারকোচি কে? একটা ফ্যান্টাসিস্ট, বলে নাকি নেলসন ম্যান্ডেলা কনসার্ট অ্যারেন্জ করেছিল :)
  • | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:১২489020
  • সিরিয়াতে আম্রিকা, ন্যাটো, টার্কি, আসাদ, রাশিয়া ইজরায়েল সবাই মিলে চুষে দিয়েছে :-(((
  • আর্কাদি | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৪:০৫489021
  • সিরিয়াতে মৃত এবং আহত শিশুর ছবি দেখে অনেকের টনক নড়েছে যে সিরিয়া বলে একটি দেশ আছে, এবং সেখানে কিছু একটা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই, মানুষ যেটা করে অভ্যস্ত, মানে হলো পক্ষ বাছা, সেটাই করছে। এই পক্ষ বাছার ক্ষেত্রে প্রধান অন্তরায় যা হয়ে দাঁড়ায় তা হলো তথ্য। তাই মনে হয় সিরিয়ার এই ঘটনাবলী সমন্ধে কিছু তথ্য দিয়ে মানুষকে পক্ষ বাছবার কাজে সাহায্য করা উচিত।

    ১)সিরিয়ার যিনি শাসক, মানে আসাদ, তাকে পশ্চিমী দুনিয়া (অর্থাৎ আমেরিকা আর নেটো কোয়ালিশন) 'একনায়ক' হিসেবে প্রচার করে। যেমন সাদ্দাম, গদ্দাফি ইত্যাদি। আমেরিকা এবং নেটো চায় যে গদ্দাফি এবং সাদ্দামের মতন একটি 'গণঅভ্যুত্থান' এর মাধ্যমে আসাদকে সরাতে, যাতে তারা সেখানে 'গণতন্ত্র' এক্সপোর্ট করতে পারে এবং তেল, ব্যাবসা আর ভৌগলিক ঘাঁটির সুযোগ সুবিধে পেতে পারে। এর জন্যে অনেকদিন ধরেই নেটো এবং আমেরিকা আসাদকে আক্রমন করে আসছে।

    ২)আসাদের বিরোধীরা মূলত তিনরকম। এক, যারা গণতন্ত্রপ্রেমী। দুই, কুর্দরা। তিন, ইসলামিক মৌলবাদীরা।

    ৩)এর মধ্যে কুর্দদের ব্যাপারটা আলাদা করে বলতে হয়। কুর্দরা হলো মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় ভৌগলিক অঞ্চল জুড়ে বসবাস করা লোক। কিন্তু ব্রিটিশরা যখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ওটোমান সাম্রাজ্যের ভাগবাটোয়ারা করছিলো, তখন উপনিবেশবাদের নিষ্ঠুর পরিহাসে কুর্দদের ভৌগলিক অঞ্চলটা পেনের দাগে ভাগ হয়ে যায় চারটে দেশের বর্ডারের মধ্যে - টার্কি, সিরিয়া, ইরাক, ইরান। অর্থাৎ এই চার দেশেই কুর্দরা সংখ্যালঘু হয়ে যায়। এর মধ্যে ইরানের সরকারের সাথে কুর্দদের সম্পর্ক ভালো, তাদের ক্যাবিনেটে কুর্দদের মন্ত্রীও রয়েছে। বাকি তিনটে দেশেই কুর্দরা বহুদিন ধরে আত্মনিয়ন্ত্রণের লড়াই লড়ছে। এবং টার্কি, ইরাকের সাদ্দাম, বা সিরিয়ার আসাদ - এদের সবার হাতেই কুর্দরা ঐতিহাসিকভাবে অত্যাচারিত। কুর্দদের একটি বিশাল অঞ্চল আছে যা তারা নিজেরা পরিচালনা করে। তাদের একটি সরকার, কাউন্সিল, প্রশাসন রয়েছে। তাদের বাহিনী রয়েছে। এই কুর্দ জাতীয়তাবাদী বাহিনী হলো পেশমার্গা। এই পেশমার্গাদের মধ্যে বড় অংশ হলো বামপন্থী এবং কমিউনিষ্টরা। রোহাভাতে একটি বিকল্প সমাজব্যাবস্থার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে কুর্দরা - ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক এক ব্যাবস্থা, মধ্যপ্রাচ্যের অন্ধকারের মধ্যে যা এক আলোর দ্বীপের মতন - যার নাম রোহাভা বিপ্লব।

    ৪)কুর্দদের পশ্চিমী দুনিয়া সন্ত্রাসবাদী মনে করে। টার্কির চাপে আমেরিকা, নেটো এবং আরও অনেকেই কুর্দদের 'সন্ত্রাসবাদী' সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তার মধ্যেই কুর্দরা লড়ে চলেছে।

    ৫)সাদ্দাম বা আসাদ বা গাদ্দাফিরা ধর্মনিরপেক্ষ ছিলো এই নিয়ে সন্দেহ নেই। তারা গায়ের জোরে ধর্মীয় মৌলবাদীদের দমন করে রেখেছিলো। তেল এবং ক্ষমতার লোভে তাদের সরাতে আমেরিকা সামরিক অভিযানের সাথে সাথে মধ্যপ্রাচ্যে জুড়ে ধর্মীয় মৌলবাদীদের কে তোল্লাই দিয়েছে, অস্ত্র এবং অর্থসাহায্য করেছে, এবং গোটা অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। আজকে মধ্যপ্রাচ্যে যে ধর্মীয় মৌলবাদীদের এরকম দাপাদাপি, তার পেছনে অন্যতম কারন মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী লোভ। আসাদকে সরাতেও নেটো ফ্রি সিরিয়ান আর্মি, আল নুসরা ফ্রন্ট জাতীয় গ্রুপকে তোল্লাই দিয়েছে, যারাই পরে গিয়ে আইসিস নামক রাক্ষসের জন্ম দিয়েছে। এটা মোটামুটি সেই সোভিয়েত তাড়াতে আফঘানিস্তানে তালিবানের সৃষ্টির গল্প।

    ৬) সাথে সাথে এটাও মনে রাখতে হবে যে আসাদ বা সাদ্দাম নিজ নিজ দেশে বামপন্থী, কমিউনিষ্টদের নিষ্ঠুর ভাবে দমন করেছে, খুন করেছে। ইরাক এবং সিরিয়ার কমিউনিষ্ট পার্টির ইতিহাস পড়লেই এই বিষয়ে ভালো করে জানা যাবে।

    ৭) সিরিয়াতে যে গৃহযুদ্ধ চলছে তার ৪টি প্রধান গোষ্ঠী রয়েছে। এক হলো আসাদের সরকারী বাহিনী। যাদের সমর্থন করে ইরান, হেজবোল্লা, রাশিয়া। দুই হলো ফ্রী সিরিয়ান আর্মি। এদের মধ্যে আসাদ বিরোধী বহু ছোটখাট দল রয়েছে। এদের প্রধান সমর্থক আমেরিকা আর নেটো। তিন হলো সিরিয়ান ডেমোক্রাটিক ফোর্স বা এসডিএফ। এদের মধ্যে প্রধান শক্তি কুর্দ পেশমার্গা, বামপন্থী এবং কমিউনিষ্টরা। এরা রোজাভা বিপ্লবের আদলে ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, সমাজতান্ত্রিক সিরিয়া গড়ে তুলতে চায়। আর চার হলো আইসিস। এই চারটি দলই বিভিন্ন সময় নিজেদের মধ্যে লড়াই করেছে। আবার একসাথে জোট বেধে অন্য দলের সাথে লড়েছে। এবং সেই রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং বাধ্যকতাকে মেনেই এদের সমর্থকরাও নিজেদের স্বার্থরক্ষার্থে অস্ত্র, অর্থ ইত্যাদি দিয়ে এই দলগুলোকে সাহায্য করেছে। যেমন ধরুন এসডিএফকে বিগত কয়েকদিনে আমেরিকা সাহায্য করেছে। যদিও তারা তার আগে ফ্রী সিরিয়ান আর্মিকে সাহায্য করতো। আবার আইসিসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় অনেকক্ষেত্রে সিরিয়ান আর্মি আর এসডিএফ একসাথে লড়েছে, তখন তাদের সামরিক সাহায্য করেছে রাশিয়া। আবার আইসিস পিছু হটার পরেই যখন পেশমার্গাদের অবস্থান শক্তিশালী হচ্ছে দেখে নেটোর আরেক পার্টনার টার্কি কুর্দদের ঘাটিতে বোমা ফেলেছে তখন আমেরিকা কোন আওয়াজ করেনি।

    ৮) এই যুদ্ধে বিগত ৭ বছর ধরে শিশু এবং সিভিলিয়ানরা খুন হচ্ছে। আমেরিকা, নেটো, রাশিয়া, টার্কি, আসাদ বিভিন্ন লোক বিভিন্ন সময় তার জন্যে দায়ী। বিগত কয়েকদিনে যা ঘটেছে, তা হলো আল ঘৌটা নামক শহর, যা আপাতত মৌলবাদী বাহিনীর ঘাটি, সেই শহর দখল করতে আসাদের সিরিয়ান আর্মি বোমাবর্ষণ করছে নির্বিচারে। এবং তাতে যেই শিশু আর নাগরিকরা মারা যাচ্ছে, তার ছবি নিয়ে চারিদিকে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রশ্ন হলো এর চেয়ে দশগুন শিশু এর আগে মারা গেলেও এরকম হাহাকার শোনা যায়েনি কেন? কারন হলো ওই ম্যানুফ্যাকচারিং কনসেন্ট। সিরিয়াতে 'গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা' করতে নেটোর হানার আগে বিশ্বের সামনে আসাদের বিরুদ্ধে পয়েন্ট স্কোর করা সম্মতি নির্মাণ করা। আর রাশিয়ার আসাদকে সমর্থনের কারনও ওই আমেরিকাকে প্রতিহত করা আর আগামী নির্বাচনের আগে পুতিনের একটি সফল প্রজেক্ট রাশিয়ানদের সামনে আনা।

    ৯)তাহলে এবার আপনি পক্ষ বাছবার সময় ভাবতে বসবেন যে আপনি হাজার শিশুর খুনির পক্ষ নেবেন না দুশো শিশুর খুনির পক্ষ নেবেন? আপনি কি মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বা স্বৈরাচার বা ধর্মীয় মৌলবাদের মধ্যে যেকোন একটা পক্ষ বেছে নেবেন? পক্ষ নিতে হলে তো একটাই পক্ষ আছে। সেটা হলো ওই নাগরিক, ওই শিশুদের পক্ষ। এই তেল, ব্যাবসা, ক্ষমতার বিপক্ষ। এই যুদ্ধের বিপক্ষ। পক্ষ নিতে হলে এসডিএফের পক্ষ নিন। রোহাভা বিপ্লবের পক্ষ নিন।
  • দ্রি | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ২৩:৫১489022
  • এসডিএফকে এক সময় আমেরিকা খুব সাহায্য করেছিল। এখন সাহায্য কমেছে। এখন ওয়াইপিজি সিরিয়ান আর্মির সাথে ডীল করেছে। সিচুয়েশান খুব কমপ্লিকেটেড।

    সিরিয়া একটা সভারিন দেশ। সেখানে আমেরিকার বেস রয়েছে কিসের জন্য। কার পারমিশানে? সিরিয়ান সরকারের কোন পারমিশান নেই। ইউএনের কোন ম্যান্ডেট নেই। রাশিয়া এবং ইরানের মিলিটারী সিরিয়ায় রয়েছে সিরিয়ার ইনভিটেশানে। বিগ ডিফারেন্স। ইউ চার্টার এ ব্যাপারে খুব ক্লিয়ার।

    একটা দেশে ডিসকন্টেন্ট থাকতেই পারে। সব দেশেই আছে। সেই এক্সকিউজে অন্য একটা দেশ ডিসাইড করতে পারে না কখন কিভাবে সেই দেশে পাওয়ার বদল হবে এবং কার হাতে যাবে। এই জিনিষ যে বার দুয়েক চেষ্টা করা হয়েছে, তার পরিণাম ডিজাস্ট্রাস হয়েছে বললেও কম বলা হয়।

    আমেরিকা মনে করল আসাদ অত্যাচারী। আর অমনি বিরোধীদের হাতে গাদা গাদা অস্ত্র দিয়ে ধর্মযুদ্ধে পাঠিয়ে দিল। এবং মিডিয়া বলতে শুরু করল এটাই মরাল। এই নোশানটা খুবই প্রবলেম্যাটিক।

    শিশুদের মৃত্যুতে ওয়েস্টের এত সুবিধে, বিরোধীদের অস্ত্র সাপ্লাইয়ের সময় সেটা মনে রাখা উচিত ছিল। আক্রমণ করলে যে কোন স্টেটই নিজেকে প্রোটেক্ট করার চেষ্টা করবে। সিরিয়া এখনও স্টেট হিসেবে বেঁচে আছে রাশিয়া, ইরান ও হেজবোল্লার সাহায্যর জন্য। তা না হলে লিবিয়ার মত অবস্থা হত। যেটা আরো সাংঘাতিক। কিছুদিন আগে ইউটিউবে এসেছিল, লিবিয়ায় স্লেভ মার্কেটে স্লেভ বিক্রি হচ্ছে। সেটা মেইনস্ট্রীম মিডিয়া পিকাপ করেনি। কারণ সেটা একটু ইনকনভিনিয়েন্ট।

    এখন মিডিয়ায় চিৎকারের একটাই কারণ। শিশুদের সাথে এক্সট্রিমিস্টরাও মারা পড়ছে যাদের ওয়েস্ট বাঁচিয়ে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করছে।
  • দ্রি | ০১ মার্চ ২০১৮ ১৩:৪৮489023
  • কিছুদিন আগে কাশ্মীরে খুব টেররিস্ট অ্যাটাক হল। প্রত্যুত্তরে ভারত লাইন অফ কন্ট্রোলে তুমুল আক্রমণ করে পাকিস্তানে বেশ কিছু সৈন্য মেরেছে। পাকিস্তান বলেছে, They said that India has killed many of our soldiers, we will take revenge for it after we bury our dead today. People are advised to take safety precautions. আর ভারত বলেছে Pakistan had been “punished” for its “misadventure”,।

    https://www.express.co.uk/news/world/924492/World-War-3-Pakistan-promises-revenge-for-India-LoC-border-attack-New-Delhi-Islamabad
  • h | ০১ মার্চ ২০১৮ ১৪:০৪489024
  • ইরাকের যুদ্ধের ডিজাসটারের পরে সিরিয়ায় গিয়ে এই চুলকানি টার কোন মানে হয় না। তবে এটাও ঠিক ইরাকের ডিজাসটার হয়েছে বলেই এতদিনেও ডাইরেক্ট ঘোষিত যুদ্ধ আমেরিকা শুরু করে নি সিরিয়া তে।

    ভারত পাকিস্তান বড় করে যুদ্ধ হতেই পারে ১৮ ১৯ এ, লিডারশিপ রা যা সিনিকাল, এটা অসম্ভব কিসু না।
  • h | ০১ মার্চ ২০১৮ ১৪:০৬489025
  • ওবামা (হিলারি কে শুধু দোষ দিলে তো হবে না) এই সিরিয়ায় যা করেছে, ক্ষমার অযোগ্য। ইরাণে ডিল করেছে আর ওখানে ভুল ভাল লোককে ব্যাক করে সিরিয়া কে ডিস্টেবিলাইজ করার চেষ্টা করেছে। অসহ্য সিনিকাল একটা জায়গা, এই ফরেন অ্যাফেয়ার্স।
  • দ্রি | ০১ মার্চ ২০১৮ ১৪:২৫489026
  • মানে হবে না কেন? প্রত্যেকটা মুভেরই মানে আছে। কাতার সৌদি আরব দিয়ে সিরিয়া হয়ে টার্কি দিয়ে গ্যাস পাইপলাইন নিয়ে যাওয়া হবে। তাতে সৌদি, কাতার, ইউএস, ইজরায়েলের কাট মানি থাকবে। এই প্রোজেক্টে সিরিয়া রাজি না। তাদের ইচ্ছে ইরান, ইরাক, কাতার দিয়ে পাইপলাইন। সেই দিক দিয়ে দেখতে গেলে প্রত্যেকেই নিজের ইন্টারেস্ট দেখছে। সাফ সাফ সেই কথাটা বললেই হয়। এর মধ্যে শিশু, নারী ইত্যাদি মানবতাবাদ এনে ফেললে তো সেগুলোকে খুব সিরিয়াসলি নেওয়া যায় না। অ্যাট ইটস পীক, আইসিস ছিল রিচেস্ট টেরর অর্গানাইজেশান। কিকরে? সিরিয়ান সব অয়েলফীল্ডগুলো দখল করে। রাশিয়া তো লাইন দিয়ে যাওয়া তেলের ট্যাঙ্কার টার্কিতে ঢুকছে এই স্যাটেলাইট ইমেজ ইউ এনে দেখিয়েছিল। এখনও ইউফ্রেটিসের পুব দিকে যত অয়েলফীল্ড সব অ্যামেরিকান ব্যাক্ড মিলিশিয়ার কন্ট্রোলে। এক একটা করে আইসিস হেল্ড সিটি ফল করেছে, ইউ এস সেই সব শহরের টপ মিলিট্যান্টদের এয়ারলিফ্ট করে সেফ জায়গায় নিয়ে গেছে। দারেজরের ফলের পর সব মিলিট্যান্ট এনে এই ইস্টার্ন ঘুটায় এনে ফেলেছে। তারা রাশিয়ান বেস আক্রমণ করেছে। সিরিয়ান রিকনসিলিয়েশান সেন্টার আক্রমণ করেছে। রাশিয়ান মিলিটারী বেসে ড্রোন পাঠানোরও চেষ্টা করেছিল। এইবার বম্বিং শুরু হতেই ইন্টারন্যাশানাল কমিউনিটি নারী, শিশু ইত্যাদি কান্না জুড়েছে, ঠিক অলেপ্পো উদ্ধারের আগে যেরকম করেছিল। পুতিন ক্লিয়ারলি বলে দিয়েছে, ঐসব চালাকি চলবে না।
  • dc | ০১ মার্চ ২০১৮ ১৫:০১489028
  • পুটিন ঠিক বলেছে। এইসব নারী শিশুটিশু যতো বাজে ঘ্যানঘ্যানে ব্যাপার,সব ওয়েস্টার্ন মিডিয়ার ছল।
  • h | ০১ মার্চ ২০১৮ ১৫:১৮489029
  • পুতিনের উত্থানে ওয়েস্ট এর বাঁশ হয়েছে এটা খারাপ না, সারাজীবন অন্যের ডেমোক্রাসি তে নাক গলিয়ে এখন হায় হায় আমাদের দেশে পুতিন এয়েচেন বলে চেচাতে হচ্ছে এখন, এটা সত্যি কথা বলতে কি এনজয় ই করা উচিত, কিন্তু কেস হল, ইনটারনাল রেকর্ড। পুতিন এর ইন্টারনাল রেকর্ড, রাষ্ট্র প্রধান হওয়ার আগে ও পরে, এবং সে দেশের সমসাময়িক ফার রাইটের উত্থান, শত্রুর কম্প্লিট অ্যানিহিলেশন, এইসব একটা থুৎকুড়ি জাগায়।
  • দ্রি | ০১ মার্চ ২০১৮ ১৬:১১489030
  • না না। আমার কোন থুৎকুড়ি জাগে না।

    ফার রাইটের উত্থান। দেখুন ফার রাইটের উত্থানের জন্য পুতিনকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ফার রাইট এখন সারা পৃথিবীতেই উত্থিত হয়েছে। কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, সমগ্র ইওরোপ, ফ্রম সী টু শাইনিং সী। এর জন্য দায়ী স্বয়ং লেফট। বরো অ্যান্ড স্পেন্ড তো অনন্তকাল চলে না। তারপর মানুষের গলা দিয়ে গ্লোবালাইজেশান পুশ করা, এতে তো লেফটের একটা বড় অংশ শামিল ছিল। ফার রাইট উঠতোই, সুযোগের অপেক্ষায় ছিল।

    শত্রুর অ্যানাইহিলেশান। এটা বরং অনেক বড় ডিসকাশানের দাবী রাখে। এটা টু সাম এক্স্টেন্ট ট্রু। কিন্তু দেখতে হবে এইসব শত্রু কারা। সেটা বুঝতে গেলে ভালো করে দেখতে হবে সোভিয়েতের পতনের পর কারা চট পরে পাওয়ার ইউসার্প করল। যারা করেছিল তারা ছিল সব ইন্টারন্যাশানাল পাওয়ারের সাথে অ্যালইন্ড এজেন্টস। এইসব খোদোরকভস্কি, বেরেজভস্কির মত পাবলিক। দীজ পীপ্‌ল রেপড রাশিয়া, অ্যান্ড বিকেম বিলিয়ানেয়ার্স। যেহেতু এরা ইন্টারন্যাশানাল পাওয়ারদের হেল্প করেছিল ওরাও এদের প্রোটেক্ট করেছিল। পুতিন এসে এদের হুটাউট করার পর ওয়েস্টার্ন মিডিয়া খুব পার্সিকিউশানের গল্প শুনিয়েছিল। কিন্তু রাশিয়ার পার্স্পেক্টিভ থেকে রাশিয়ার পুনরুত্থান হয় পুতিনের পর থেকেই। যে কারণে পুতিন রাশিয়ায় খুবই পপুলার। মোর দ্যান ৮০% অ্যাপ্রুভাল রেটিং। যা ট্রাম্প, ওবামা কেউই স্বপ্নেও ভাবতে পারবে না।

    আসলে কি জানেন। গরীব দেশে ডেমোক্রেসি ব্যাপারটা প্রায়ই ব্যাকফায়ার করে। বড়লোক দেশ টাকা ছড়িয়ে অপোজিশান ক্রিয়েট করতে পারে। এই যেমন জর্জ সোরোস রেগুলার করেন। দিস আউতসাইড মানি (যেটা অনেক সময় নানারকম এনজিওর থ্রুতে আসে) ডিসটর্টস ডেমোক্র্যাসি। একটা দেশে বিভিন্ন পার্টি আছে। তারা ডেমোক্র্যাটিকালি কপিট করছে। এই যে হ্যাপি চিত্রটা আমাদের মনে আছে, এর একটা বেসিক প্রেমিস হল যারা ঝগড়া করছে, তারা সকলেই আদতে দেশটাকে ভালোবাসে। যা বলছে সেটা দেশের মানুষের ইন্টারেস্টের কথা মাথায় নিয়েই বলছে। শুধু তাদের ভাবনাটা আলাদা। কিন্তু বিদেহী পয়সা (বিশেষ করে খুব বেশী অ্যামাউন্টে) ঢুকে গেলে দেশের ভালোটা প্রায়োরিটি থাকে না। ফাইন্যান্সারের ভালোটা মুখ্য হয়ে যায়। তাতে ডেমোক্র্যাটিক প্রোসেস ঘঁটে যায়।

    আসাদ বলেছিলেন, এক ইন্টারভিউতে, যারা অস্ত্র ধরেছে তাদের সাথে আবার ডেমোক্র্যাটিক প্রোসেস কি? আলোচনা আমরা করব সব প্যাট্রিয়টিক সিরিয়ানদের সাথে। ফরেন মার্সিনারীদের সাথে নয়।
  • দ্রি | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১০:১৭489032
  • দীর্ঘদিনের গ্লোবালিজমের ব্যাকল্যাশ আসতে চলেছে। গাড়ী, স্টীল, অ্যালুমিনিয়ামে ট্যারিফ বসানোর হুমকি ট্রাম্পের।

    https://www.rt.com/usa/420401-trump-car-tariffs-eu/

    হার্লে-ডেভিডসন, বুর্বন, জীনসে ট্যারিফ বসানোর হুমকি ইইউর।

    http://nymag.com/daily/intelligencer/2018/03/eu-prepares-tariffs-on-u-s-exports-as-trump-vows-trade-war.html

    ট্রাম্প এখন ন্যাফটা থেকে উইথড্রয়ালের কথাও বলছে।

    এসে গেল ট্রেড ওয়ার, প্রোটেকশানিজমের যুগ।
  • দ্রি | ০৬ মার্চ ২০১৮ ১০:২৪489033
  • নতুন অস্ত্রের কথা ঘোষনা করলেন পুতিন।

    https://sputniknews.com/russia/201803011062108691-putin-russia-weapons-us-missile-treaty/

    এতে ব্যালেন্স অফ পাওয়ার সিগনিফিক্যান্টলি শিফট করল।

    পুতিনের অ্যাড্রেসঃ

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন