এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অর্জুন | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:৪২412650
  • দূরদর্শনে দর্শকের দরবারে খুব উপভোগ্য ছিল। পঙ্কজ সাহার সঙ্গে কখনও শ্বাশতী গুহঠাকুরতা, কখন ও চৈতালি দাশগুপ্ত।
  • অর্জুন | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:৩৯412649
  • ঐ উনুনের ডিজাইন ঠাকুমা নিজেও পারবেন না বলতেন। ওঁর মা মাটি দিয়ে অনায়াসে সেসব করতেন। ঠাকুমার অবশ্য উনুন বানানোর দরকার হয়নি। বছর ছাব্বিশ, সাতাশ আগে, পিকনিকে গেলেও নিজেদের উনুন বানাতে হত।

    রাস্তার ধারে বাঞ্জারাদের খুদে খুদে উনুনগুলো দেখতে সুন্দর লাগে আমার।
  • Atoz | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:৩৮412648
  • এই পাথুরে কয়লা- গুলকয়লা-এলপিজি এই বিবর্তনের সমান্তরালে বিবর্তন চলছিল আরেকটা জিনিসের। রেডিও-সাদাকালো টিভি -রঙীন টিভি-ভিসিআর-ভিডিও। রেডিওর সব ভালো ভালো প্রোগ্রামগুলো, সেই শ্রাবন্তী মজুমদার--বোরোলীনের সংসার ---গুল কয়লার উনুনের লোপ পাবার সঙ্গে সঙ্গে রেডিওর প্রোগ্রামও সব লোপ পেল। শ্রাবন্তী চলে গেলেন আইল অব মান এ।
    তারপর ইন্টার্নেট আসার পর আগের সব কিছু একেবারে ধূল পরিমাণ হয়ে গেল। ফেবু আসার পর তো বলাই বাহুল্য।
  • Ekak | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:৩৭412647
  • ও হ্যাঁ, প্রচন্ড রেগে গেলে লাত্থি মেরে উনুন উল্টে ও ভেঙে দিতে হয়। একটু সাবধানে ক্যারি করতে হয় ব্যাপারটা, যাতে বীররসের প্রাবল্যে নিজের পায়ে বেদম ছ্যাঁকা না লাগে। এই ব্যাপারটাও দৃশ্যত খুব মজার :))

    এবার ঘুমাই ......
  • Ekak | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:৩৩412646
  • উনুনের অনেক রকম ডিজাইন হয় বটে ! দেখেছি, কিন্তু নিজে পারবোনা। আমি মাত্র একরকম পোর্টেবল উনুন বানাতে শিখেছিলুম। খুবই সাদামাটা, ঐযে একটা বালতির বেস -এর কাছে রেকট্যাঙ্গুলার উইন্ডো বানিয়ে তার ওপর বরাবর এপাশ ওপাশ ফুটো করে শিক ঢুকিয়ে একটা ঝাঁঝরি বানিয়ে দাও, তারপর বালতির কানা বরাবর তিন ভাগে মানে ১২০ ডিগ্রি এঙ্লে তিনটে ঢেউ খেলিয়ে মাটি দিয়ে আঙুলের কায়দায় চেপে চেপে। খুবই সাধারণ ডিজাইন তবে পোর্টেবল এবং ঘুঁটে -গুল কয়লা এসব দিয়ে রান্না করা যায়।

    প্রাণান্তকর ধোয়াঁ হয় মাল্টার :)))
  • Atoz | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:২৪412644
  • আহা, কত যে সাধ ছিল সোলার সেলের কারখানা বানিয়ে আমার অজ পাড়াগাঁ ও তার আশেপাশের সব অজ পাড়াগাঁ সোলার সেলে ভরে দেবো, কোনো পাওয়ার-কাট এর কোনো সীন থাকবে না। অত্যন্ত চমৎকার পরিবেশ-বান্ধব গ্রীন এনার্জী। রান্নাবান্না ফ্রীজ হাওয়া আলো এয়ারকুলিং জলগরম সবই হবে ওতেই।
    কিন্তু বুদ্ধিমান ব্যাটারা এখনও ভালো সোলার সেলই তো বানাতে পারল না ল্যাবেই। কবে সে বস্তু তেমন তেমন এফিশিয়েন্ট হবে উপরওয়ালাই জানেন।
  • অর্জুন | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:২৪412645
  • *বাজে
  • অর্জুন | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:২৩412643
  • ঠাকুমার কাছে শুনেছি ওঁর মা অসাধারণ সব ডিজাইনের উনুন বানাতেন নোয়াখালীতে। অসম্ভব গুণী মহিলা ছিলেন বাবার দিদা।

    আমার ছোটবেলায় অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে কাঠ কয়লা ও নারকেলের ছোবড়া দিয়ে ঠাকুমা কেক বেক করতেন। মিশ্রণটা ঠাকুমার বানানো কিন্তু বেকিং এর সময় আমরাও সাহায্য করতাম। এক একটা লেয়ার বেক হত আবার তার ওপর মিশ্রণ লেপা হত। এই ভাবে বেশ কয়েকবার। সে কেকের স্বাদ আর গন্ধ অমৃততুল্য। বাড়িতে আভেন ছিল কিন্তু তখন দক্ষিণ ২৪ পরগণায় এত লোডশেডিং হত যে কেক তৈরির সময় কয়েকবার নাজে অভিজ্ঞতার পরে আর রিক্স দেওয়া হত না।
  • Atoz | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:১৭412642
  • উনুনের বিবর্তন একটা খুবই ইন্টারেস্টিং ব্যাপার। এর মধ্য দিয়ে কতকিছুই না ধরা পড়ে ! টেকনোলজি, ইকোনোমিক্স, পলিটিক্স, সোশ্যাল ডাইনামিক্স ইত্যাদি ইত্যাদি।
    আসলে ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই যদি স্মুথ আর রেগুলার হত(পাওয়ার-কাট কম বা নেই), তাহলে এতদিনে ইলেক্ট্রিক-উনুনই বেশিরভাগ জায়্গায় বসে যেত মনে হয়।
  • একক | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:১০412641
  • কাছিম তো মফস্বলের বাজারে পাওয়া যেত নব্বুই এর গোড়ার দিকেও।
  • অর্জুন | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:০৮412640
  • আগরতলায় কাছিমের মাংস খেয়েছিলাম। তারপরে আর কখনো খাওয়া হয়নি।
  • Ekak | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:০৭412639
  • এই এলপিজি জিনিসটা বহুদিন রয়েছে। এ কিন্তু সভ্যতা থেমে থাকার ইঙ্গিত। খেয়াল কর দেখুন কাঠের আঁচ - কয়লার উনুন - বালতি ভাঙা উনুন - কেরোসিন স্টোভ -কেরোগ্যাস -এল্পিইজি এই পুরো ট্রানজিশন টা হয়েছিল ম্যাক্সিমাম ১০/১২ বছরের ব্যবধানে।

    সেখানে গত প্রায় পঁচিশ বছর আমরা এলপিজি নিয়ে ঘষটে চলেছি। এরমধ্যে ইলেকট্রিক -ইন্ডাকশন -মাইক্রো এসব এসেছে কিন্তু কস্ট এফেকটিভ হয়নি টেকনোলজিগুলো। পুরো থমকে থেমে আছে সব। খুবই দুঃখের খবর।
  • PM | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:০৪412638
  • নেহাত খ বাবু ঘুমুচ্ছেন। Kআল সকালে উঠে উনি একটা ৪ পাতার প্রবন্ধ নামাবেন গুল কয়্লার গুড়োর ওপোর।

    ততক্ষন আপনারাকুমির ডাঙ্গা খেলুন
  • Atoz | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:০২412637
  • গুঁড়ো দুধ আসতো আমূলের টিনে। বেশ হ্যাজার্ডাস ছিল, কারণ মুখটা যে ফয়েল দিয়ে সিল করা থাকত, সেটা কাটতে হত ছুরি দিয়ে, ফয়েলটা শক্ত হত আর কাটার পর প্রান্তগুলো ধারালো থাকতো। ওরকম কন্টেনারে যে কেন আমূল দুধ বেচতো কেজানে! হয়তো তখন ওটাই ছিল পড়তায় পোষানো বেস্ট টেকনোলজি।
  • অর্জুন | ২৯ জুন ২০১৯ ০০:০১412636
  • আমার দাদুর বাড়িতে সারা শীতকাল কাঠের উনুনে চানের জন্যে জল গরম করা হত।

    @আতোজ, আমিও ঊননব্বই সালে ত্রিপুরা গেছিলাম বড়পিসির কাছে। সেই প্রথম প্লেনে ওঠা।
  • Atoz | ২৮ জুন ২০১৯ ২৩:৫৭412634
  • গুল কয়লার গুঁড়ো অতি ফাইন, মেখে খুব চমৎকার ভূত সাজা যায়। ঃ-)
  • Ekak | ২৮ জুন ২০১৯ ২৩:৫৭412635
  • গুল কয়লা -কাঠের আখা - গ্যামাক্সিন - ব্লিচিং পাউডার -মিউরিটিক এসিড ভর্তি হলদেটে বোতল - গুঁড়ো রবিন ব্লু -গুঁড়ো দুধের টিন

    কমপ্লিটলি ডিফারেন্ট সেট অফ কনজিউমেবল প্রোডাক্টস, ব্যবহার উঠে গেছে এগুলোর। প্রত্যেকটা আইটেম বেশ হ্যাজার্ডাস। একমাত্র ব্লিচিং টা মাঝে মধ্যে আনি।
  • Ekak | ২৮ জুন ২০১৯ ২৩:৫০412633
  • আমি বিস্তর গুল কয়লা ঘেঁটেছি, একটা পুরোনো ছবি ছিল হাতের কাছে নেই এখন, সারা গায়ে পায়ে গুল কয়লা মেখে খেলছি বছর তিনেক বয়েসে। কোক কয়লার দোকান, গুলের দোকান ছিল আলমবাজার -বনহুগলি সব জায়গায় একটা দুটো করে।

    গুলের ছাই খুব মিহি হতো। আবার, গুলের ধোয়াঁ তে কালো ফাইন পার্টিকল থাকতো বেশি, সাদা শাড়ি জামা শুকোতে দেওয়া থাকলে তার ওপর জমে যেত।

    গুল কয়লা মেখে ভূত সাজার মধ্যেও হেব্বি মজা, যায় বলুন।
  • Atoz | ২৮ জুন ২০১৯ ২৩:৪৭412632
  • ঊননব্বই সালে ত্রিপুরা বেড়াতে গিয়ে কাঠের জ্বালে রান্না হচ্ছে দেখে তো আমরা চমৎকৃত। ঃ-)
  • Atoz | ২৮ জুন ২০১৯ ২৩:৩৯412631
  • আমাদের এক জ্যাঠাইমা গুল-কয়লার গুঁড়োতে(বস্তার মধ্যে অনেক গুল গুঁড়ো হয়ে যেত, নরম কিন, নাড়াচাড়ায় ভেঙে যেত) ভাতের ফ্যান ঢেলে তারপরে ফের গুল বানাতেন। সেই বুদ্ধি বাকীরাও শিখে নিল। ঃ-)
  • Atoz | ২৮ জুন ২০১৯ ২৩:৩৬412630
  • আমাদের ওদিকে ছিল গুল-কয়লার উনুন(তার আগে নাকি ছিল পাথুরে কয়লার উনুন, হাতুড়ী দিয়ে পাথুরে কয়্লা ভেঙে ভেঙে উনুনে দিয়ে তারপরে রান্নাবান্না), গুল-কয়লা তৈরী হত একরকম মেশিনে, কয়লার গুড়োর সঙ্গে আরো নানা কিছু মিশিয়ে জলে গুলে তারপরে মেশিনে দিত, গুল কয়লা (ছোটো ছোটো উপগোলকীয় আকারের) তৈরী হলে সেগুলো গুল-কারখানার উঠোনে মেলে দিত শুকানোর জন্য, শুকিয়ে গেলে বস্তায় ভরে ভরে বিক্রি হত।
    সেই ব্যবসাও উঠে গেল কালক্রমে, যখন কুকিং গ্যাসের সিলিন্ডারের প্রচলন হয়ে গেল আর উপযোগী উনুন এসে গেল।
  • r2h | ২৮ জুন ২০১৯ ২৩:২৭412629
  • হ্যাঁ, তাইতো। কলের মাটি দিয়ে কর্মশিক্ষার মাটির জিনিস।
    আমাদের ওদিকে তো আবার লালমাটি বেশি, গভীর গর্ত হলে এমনি মাটি।
    পাহাড়ি জায়গায় গভীরতর নলকূপ আরো শক্তপোক্ত চৌকো মতো দেখতে।
  • r2h | ২৮ জুন ২০১৯ ২৩:২৩412628
  • সেই সময় দক্ষ কলমিস্তিরীদের কদর ছিল। আস্তে আস্তে পেশাটা উঠে গেল। আমাদের সন্ধ্যাদিদির বিয়ে হয়েছিল চড়িলামের নামকরা কলমিস্ত্রীর সঙ্গে, বিশালগড় বিশ্রামগঞ্জ আগরতলা সর্বত্র যেতো কল বসাতে। তারপর আস্তে আস্তে কল বসানো কমে গেলে ওদের বেশ দুর্ভোগ হয়েছিল।

    আরেকটা পেশা উঠে যেতে দেখেছি, লাকড়িওয়ালা। পাহাড় থেকে বাঁকে বাঁধা জ্বালানিকাঠের বোঝা নিয়ে বাড়ি বাড়ি লাকড়ি বিক্রি করার ব্যাপার ছিল, তবে সে অবশ্য আরেকটু আগে আর আরেকটু প্রত্যন্ত জায়গায়। আমাদের ওদিকে আবার কয়লার উনুনের চল ছিল না।
  • Atoz | ২৮ জুন ২০১৯ ২৩:১২412627
  • হ্যাঁ, মাটিতে গভীর গর্ত করা জিনিসটার মধ্যেই একটা থ্রিল আছে। তার উপর আবার জল উঠবে! কুয়ো খোঁড়া দেখাও ইন্টারেস্টিং, কয়েক হাত খোঁড়া হয়ে গেলে নিচের মাটি অন্যরকম, তারও নিচের মাটি আরো অন্যরকম, আরো নিচ থেকে ওঠে এঁটেল মাটি। তারপরে একসময় জল উঠতে থাকে, তখন খোঁড়া বন্ধ। আমাদের একটা কুয়ো ছিল চল্লিশ হাত(সেটা শুকনো সীজনে খোঁড়া) আর আরেকটা কুয়ো মাত্র ২৪ হাত(ভেজা সীজনে খোঁড়া বলে অত গভীর হবার আগেই জল উঠে পড়ল, আর বেশি খোঁড়া গেল না)
    কুয়োর মাটি কত লোকে নিয়ে যেত চেয়ে, এঁটেল মাটি দিয়ে কলা, আপেল, আম, সন্দেশ, কাপ, প্লেট এইসব বানাবে বলে। প্রাইমারি স্কুলে "হাতের কাজ" এ ওসব বানাতে হত তখন।
  • PT | ২৮ জুন ২০১৯ ২৩:১১412626
  • ঢালবাবু, আপনার কথা অনুযায়ি ২০১১-র মাঝামাঝি পর্যন্ত যে স্কুলগুলো পবতে ছিলই না তিনোরা সেগুলোকে স্বীকৃতি দিয়ে দিল নাকি তিনোরা ক্ষমতারোহনের সাথে সাথেই স্কুলগুলো গজিয়ে উঠল? তাহলে তো তিনো-rss মাখামাখির তত্ব আরো বেশী করে প্রতিষ্ঠিত হয়!!
  • Ekak | ২৮ জুন ২০১৯ ২৩:০১412625
  • আরে টিউব কল খোঁড়ার গল্প মনে পরে গ্যালো। হাজার ফিট, পাঁচশো ফিট এরকম সব নাম। গান গায়ে আর রেঞ্চ ঘোরায়, পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে তলায় ঢুকতে থাকে। প্রথম কদিন জলের কী বিটকেল স্বাদ।

    প্রথম প্রথম সেই কলতলায় আঁশ নাবাতে দেওয়া হতো না। আমি খালি ছিমরি ( শোলের বাচ্চা) ধরে এনে কলতলায় ফেলে মজা দেখতুম। আর বড়োরা টের পেলেই ধুম চেঁচামেচি। অবশ্য কিছুকাল পরে এসব উঠে গ্যালো।

    মাটিতে ফুটো করে একটা কিছু করা হচ্ছে ---- এই ব্যাপারটা ইটসেলফ বেশ মজার না ?
  • তিনোর ঢাল | ২৮ জুন ২০১৯ ২২:৫২412624
  • "বাম আমলে স্কুলগুলোকে যে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি সেটা তো প্রতিষ্থিত সত্য। "

    বাম আমলে বাকি রাজ্যগুলোতে শাখা স্কুলের বৃদ্ধিহারের সঙ্গে তুলনা করে বলছেন তো ? করবেন কোত্থেকে, তার আগে গোবলয়ের নির্বাচিত রাজ্য ছাড়া সারা ভারতেই শাখা স্কুলের সংখ্যা লিমিটেড ছিল। কতগুলো এরকম স্কুলের এপ্লিকেশন জমা পড়েছিল বাম আমলে সেটা দেখতে পারলেও হবে।

    মানে, যখন বাঘ ছিল সাকুল্যে কটি, তখন আপনারা প্রচুর বাঘ মেরেছেন। বাহবা ! বিডন স্ট্রিট থেকে কিনে ন্যাতানো জুঁইফুলের মালা দেওয়া হলো এক বান্ডিল। অনেক হাসিয়েছেন, ক্ষেমা দিন এবার :)
  • Atoz | ২৮ জুন ২০১৯ ২২:৪৯412623
  • আমাদের গাঁয়ে যখন ওরকম কুয়ো আর টিউবওয়েল সম্বল অবস্থায় আমরা আশির দশক ও নব্বইয়ের প্রথমার্ধের সুবর্ণযুগ কাটাচ্ছি, তখন কোনো কোনো ধনী গৃহস্থ দুত্তোর বলে নিজের বাড়ির উঠোনেও টিউবওয়েলের ব্যবস্থা করলেন। সেরকম এক বাড়ির মেয়ে ছিল আমাদের বন্ধু। সে বলল, ওদের বাড়ির ঐ টিউবওয়েলে নাকি জল ওঠে বর্ষাকালে। ঃ-)
  • PT | ২৮ জুন ২০১৯ ২২:৪৬412622
  • বাম আমলে স্কুলগুলোকে যে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি সেটা তো প্রতিষ্থিত সত্য। তার জন্য পব-তে ২০১০ পর্যন্ত কেউ লাফালাফি করেছিল বলে তো মনে করতে পারিনা।
    ঢালবাবু আপনি পারেন?

    তবে একটা কথা ঠিকই বলেছেন। সিপিএম সিঙ্গুর থেকে আবাল ছাবাল্দের ফুটিয়ে দিতে পারলে আজকে সিঙ্গুর হয়ত গাড়ি তৈরির হাব আর নন্দীগ্রাম কেমিকাল হাব হয়ে যত। তখন হয়্ত এত সহজে ও কম পয়সায় গ্রামের হাটে মাঠে বখাটে লুম্পেন বিক্কিরি হত না।
  • Ekak | ২৮ জুন ২০১৯ ২২:৪৪412621
  • জলের কষ্ট ৮৫/৮৮ সাল অবধি দেকেছি। কাশিপুরে -বরানগরে জলের গাড়ি আস্ত। তার বিশাল লম্বা লাইন। ওদিকে টাইমকলের লাইন। জল ধরে রাখার জন্যে আমাদের একটা পেল্লাই সিন্টেক্স এর ট্যাংক ছিল, যার ভেতর ঢুকে বসে থাকতে পছন্দ করতুম ছোটবেলায়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত