এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ৩০ জুন ২০১৯ ১৭:২৪412710
  • সৃজনশীল বইয়ের বাজার কমেছে লেখক নেই বলে না উল্টো টা ?

    মানে, মোদ্দা কথা সৃজনশীল বই হাতে আসেনা, এ নিয়ে একশো ভাগ একমত আপনার সঙ্গে।

    খুব হাই ফাই কিছু দাবি নয়, জাস্ট পড়ে উঠে একটা ভালো চুরুট খাওআর মত আমেজ হভে, যে, বাহ বেড়ে লিকেচে, এরকম বাঙ্গলা উপন্যাস গত বছর দশে পড়িনি।
  • ষষ্ঠ পাণ্ডব | ৩০ জুন ২০১৯ ১৬:২৮412709
  • @এককঃ “এতে এটুকু বোঝা যাচ্ছে যে বিশেষ ধরণের লেখার বাজার কমেছে “ — আমার মনে হয় ব্যাপারটা উলটো। অর্থাৎ, বিশেষ বিশেষ ধরনের বইয়ের বাজার তৈরি হয়েছে বিশেষ বিশেষ টার্গেট গ্রুপের কাস্টোমারের জন্য। অমনিভোরাস ধরনের পাঠকের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে, এবং মোট পাঠক সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে। ফলে, সৃজনশীল বইয়ের মোট বাজার কমেছে।

    বাংলাদেশের বইয়ের বাজারটা একটু অদ্ভুত। সারা বছর বইয়ের দোকানে সৃজনশীল বা সাহিত্যের বই বলতে মূলত হাতে গোনা কিছু লেখকের বই প্লাস পশ্চিমবঙ্গের লেখকদের বই বিক্রি হয়। বইমেলাগুলোতে বাংলাদেশী লেখকদের বই বিক্রি হয় বটে তবে মেলার সময়ের বাইরে সেগুলোর বেশিরভাগের আর খোঁজ পাওয়া যায় না। ঢাকার বাইরে জেলা শহরগুলোর বইয়ের দোকানে স্থানীয় লেখকদের বই পাওয়া যায় যেগুলো আবার অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। দশ/পনের বছর আগেও যে পরিমাণ লোকে বই পড়তেন এখন সেই সংখ্যা বেশ কমে গেছে। তবে বই অনেকেই কেনেন। বই কেনার হার বই পড়ার হারের চেয়ে বেশি।

    বাংলাদেশে প্রতি বছর ৩৫ থেকে ৪০ কোটি পিস্‌ পাঠ্যপুস্তক সরকারের তরফ থেকে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। বাংলাদেশী প্রকাশকদের ধ্যানজ্ঞান হচ্ছে এই পাঠ্যপুস্তক প্রকাশের কাজের ভাগ পাওয়া। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের ছাপাখানা থেকেও এই বই ছাপিয়ে আনা হয়। সত্য কিনা জানি না, শুনেছি কিছু বই গণচীন থেকে পর্যন্ত ছাপিয়ে আনা হয়েছে।

    বইকে ঘিরে নানা আয়োজন আর পুরস্কারের সংখ্যা এদিকেও বেড়েছে। তবে এর বেশিরভাগ ওষধি গাছ — একবার ফল দিয়ে মারা যায়। যাদের ট্যাঁকসহ নানা প্রকার জোর ও ধান্ধা আছে তারা চালিয়ে যায়। এই প্রকার আয়োজনের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কে পুরস্কার পাবেন, কারা নেমন্তন্ন পাবেন, কারা মঞ্চ আলো করবেন সেসব আগেভাগে ঠিক করা থাকে।

    বাংলাদেশে ‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ’ ধরনের বইয়ের বাজার ও কাটতি তৈরি হয়েছে। (লিংক দেখুনঃ https://www.quraneralo.com/paradoxical-sajid/ )

    আমি বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বলতে পারি, এখানে রাজনৈতিক ধান্ধাসহ নানা প্রকার ধান্ধা বিবেচনা করে বই প্রকাশে ইনভেস্টমেন্ট বেড়েছে, কিন্তু সেসব বই বিক্রি হয় না বলে রিটার্ন বাড়েনি। ওসব বইয়ের বড় অংশ বিনি পয়সায় বিলিয়ে দিতে হয়। এখানে বইয়ের দাম বেশি, কারণ মার্কেটিং-এর ব্যাপারটি গড়ে না ওঠায় মধ্যসত্ত্বভোগীদের স্তর বেশি, সংখ্যা বেশি। ফলে বই বিক্রি হলে মার্জিন ভালো থাকে।

    বই প্রকাশের অল্প দিনের মধ্যে অনলাইনে বিনামূল্যে সফটকপি পাওয়া যায় বলে বই বিক্রির হার কিছুটা হলেও কমেছে। এর মানে এই না যে, লোকে হামলে পরে সফটকপি বই পড়ছে। পাঠকের সংখ্যা আসলেই কমেছে সেটা লোকজনকে জিজ্ঞেস করলে বোঝা যায়। প্রতিদিন সোশ্যাল মিডিয়াতে, ভিস্যুয়াল মিডিয়াতে কয়েক ঘন্টা করে সময় খরচ করতে লোকের অসুবিধা হয় না, শুধু বই পড়ার কথা জিজ্ঞেস করলে বলে, “সময় পাইনা। এতো ব্যস্ত”।

    বাংলা সিনেমার প্রসঙ্গে কিছু বললাম না। এই ব্যাপারে কেউ টই খুললে সেখানে বলবো।
  • dc | ৩০ জুন ২০১৯ ১৪:৩৩412708
  • আমি শীর্ষেন্দুর বড়োদের জন্য লেখা পড়িনি, ছোটদের লেখাগুলোই পড়েছি শুধু। সেগুলো তো এখনও ভালো লাগে। তবে এই ছোটদের উপন্যাসগুলোর মধ্যেও পরের দিকেরগুলো বোরিং হয়ে উঠেছে, আগেরগুলো এখনও মাঝে মাঝেই পড়ি। এখনও বেশ ভাল্লাগে। ইংরেজি ফ্যান্টাসি গল্পের দুয়েকটা এলিমেন্ট আছে মনে হয়।
  • একক | ৩০ জুন ২০১৯ ১১:৪৪412707
  • এতে এটুকু বোঝা যাচ্ছে যে বিশেষ ধরণের লেখার বাজার কমেছে।

    বাংলাদেশের বইয়ের বাজার সম্বন্ধে কোনো ধারণা নেই আমার, প্রতিবছর বাংলদেশী লেখকদের এদিকের বইমেলায় আগমন এবং সেটা ঘিরে প্রচার চোখে পরে শুধু। যেমন এইবছর দেখলুম সাদাত হোসাইন নামে এক তরুণ লেখকের বই নিয়ে বিশাল ক্রেজ। পাঠকরা হামলে পরে সই টই নিচ্ছিলেন।

    এপার বাংলাতেও, বইকে ঘিরে পুরস্কারের সংখ্যাবেড়েছে। শারদীয়া বেড়েছে। একাডেমির একটা যুব এডিশন বেরিয়েছে শুনেছি, আগে এর নাম শুনিনি। আন্তর্জাতিক পুরস্কারের মধ্যে, এরভিল -সেকার এর অনূদিত গল্প বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে একজন বাঙালি লেখকের গপ্পো।

    থ্রিলার -পৌরাণিক -জাতীয়তাবাদী লাইনে প্রচুর নতুন বই বিক্রি হচ্ছে, উচ্ছসিত প্রশংসা শুনি তাদের।

    এইরকম খন্ড খন্ড ছবি। এগুলো জুড়ে, বাংলা সাহিত্যে দারুন সময় চলছে এটা বলতে পারিনা, কারণ হতেই পারে ছোট অংশের মধ্যে দামি বই বিক্ৰী করে বই ব্যবসার রিটার্ন বেড়েছে, আদতে মোট পাঠক কমছে। আমি আদৌ নিশ্চিত নোই এরকমটা ঘটছে কিনা, তবে বাংলা সিনেমার ক্ষেত্রে এটাই ঘটেছে দেখে সন্দেহ করছি।
  • ষষ্ঠ পাণ্ডব | ৩০ জুন ২০১৯ ১১:২২412706
  • @একক/দঃ ডাটা আমার হাতেও নেই। ব্যাপারটা আমি বুঝি আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে। আগে বইয়ের বাজারে গেলে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত ছোট পত্রিকার ব্যাপারে খোঁজ নিতাম, সেখান থেকে দেখেশুনে কিছু কিনতাম। বন্ধুদের কাছ থেকেও কিছু নিয়ে পড়তাম। গত দশ/বারো বছরে সেই ব্যাপারটা কমতে কমতে শূন্যের কোঠায় নেমেছে। কারণ, কনটেন্টের মানের অধোগতি। দোকানদারও এখন তেমন আর ছোট পত্রিকা রাখেন না। কারণ, মানের অধোগামিতার দরুণ ক্রেতা হ্রাস পাওয়া। একই ঘটনা ঘটেছে শারদীয় সংখ্যাগুলোর ক্ষেত্রে। অথচ আগে এগুলো বাজারে এসে পড়তে না পড়তে শেষ হয়ে যেতো। এই আমি এককালে একটা বিশেষ শারদীয় সংখ্যার জন্য শাহ্‌বাগ থেকে নীলক্ষেত, নিউ মার্কেট চষে বেড়িয়েছি; আর আজ আমি শারদীয় সংখ্যার খোঁজও বিশেষ রাখি না। ক্রমাগত ঠকতে ঠকতে এই অবস্থায় এসেছি। বইয়ের দোকানে দাঁড়িয়ে থাকলে দেখা যায় ক্রেতা আজও সুনীল-শীর্ষেন্দুর বই খোঁজেন, হর্ষ দত্ত-রূপক সাহাদের বই নয়।

    @দঃ ' কাম অন উই আর নট টেরোরিস্ট ইউ নো' বাক্যটি কি পার্থক্য বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত নাকি ঘৃণা প্রকাশের জন্য বলা?
  • | ৩০ জুন ২০১৯ ১১:১১412705
  • হ্যাঁ এককের প্রশ্নটা আমারো। খরা বলার কারণ জানতে চাই।

    @পান্ডব, না এখানে নেগেটিভলিই ব্যবহার করা হয়েছে। ৪৯ এর দশকে ঢাকা শহরে আন্ডারগ্রাউন্ড কম্যুনিস্ট সিমপ্যাথেইজার এর মুখ দিয়ে বলইয়েছেন ' কাম অন উই আর নট টেরোরিস্ট ইউ নো'
  • PM | ৩০ জুন ২০১৯ ১১:১০412704
  • ইংরাজী টেররিস্ট শব্দ টা কানে লাগে কিন্তু আমরাও তো ইতিহাস বই তে সন্ত্রাস বাদী আন্দোলন হিসেবেই পড়েছি।
  • ষষ্ঠ পাণ্ডব | ৩০ জুন ২০১৯ ১১:০৩412703
  • @দঃ যুগান্তর, অনুশীলন সমিতি ইত্যাদি বিপ্লবী দলকে বাংলা ভাষায় লেখা অনেক বইয়ে (মায় পাঠ্যপুস্তক, ইতিহাসের বই) ‘সন্ত্রাসবাদী সংগঠন’ বলা হয়েছে। এটা ঋণাত্বক অর্থে নয়। আইআরআই-এর আমলে ‘টেরোরিস্ট’ আর ‘সন্ত্রাসবাদী’ শব্দগুলোও সম্ভবত বিপ্লবী বোঝাতে ব্যবহৃত হতো।
  • একক | ৩০ জুন ২০১৯ ১০:৫৮412702
  • ষষ্ঠ পান্ডব :

    আশংকাজনকভাবে কমে যাচ্ছে, এটা কীকরে বোঝা গেলো ? আমি আপনাকে কন্ট্রাডিক্ট করছিনা কারণ আমার কাছে কোনো ডেটা নেই, কিন্তু যাঁরা সর্বদা বলেন কমে যাচ্ছে : তাঁরা নিশ্চই কোনো হিসেব ধরে বলেন, সেটা কী ?
  • ষষ্ঠ পাণ্ডব | ৩০ জুন ২০১৯ ১০:৫৭412701
  • @ন্যাড়াঃ কেউ যদি বলেন, বিশেষ একজন লেখকের সব লেখা তার ভালো লাগে, তাহলে বুঝতে হবে তিনি rational মানুষ নন্‌। একজন মানুষের সব চিন্তা, সব রুচি, সব দর্শনের সাথে আরেকজন মানুষের সব মিলে যেতে পারে না। যারা অমনটা করেন তারা চিন্তায় অন্ধ। বাবা/পীরের অন্ধ ভক্ত/মুরীদ, রাজনৈতিক দল/নেতার অন্ধ সমর্থকরা এই গোত্রের।

    শীর্ষেন্দু, শরদিন্দু বা বঙ্কিম কেনো আরও বড় নামের লেখকের লেখাতেও যথেষ্ট আপত্তিকর জিনিস আছে। তাই বলে তাদের সব কাজকে এক কথায় নাকচ করে দেয়া যায় না। আপনিও বোধকরি সেটা বোঝাননি।

    সিপিএম দেবদূতদের দল না। কোন দলই দেবদূতদের দল না। মানুষ দিয়ে গড়া দলের নীতি, কৌশল, সিদ্ধান্তে ভুল হতেই পারে। যারা সেই ভুলটা স্বীকার করেন, শোধরাবার চেষ্টা করেন তারা সমর্থনযোগ্য। আর কেউ যদি নিজেদের ভুল স্বীকার না করে উলটো এঁড়ে তর্ক করতে থাকে তাহলে তারা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংসের পথ খুলে দেয়। সিপিএম এর মধ্যে কোন দিকে পড়ে সেটা পশ্চিমবঙ্গের মানুষরা ভালো জানেন। আর প্রতিক্রিয়াশীল না হয়েও সিপিএম-এর কাজের সমালোচনা করা যায়। যারা বিচার বিবেচনা না করে গয়রহ গালি দিয়ে যান তাদের নিয়ে আলোচনা করে আমরা বরং সময় নষ্ট না করি।
  • | ৩০ জুন ২০১৯ ১০:৫২412700
  • *জিনিষ পেলাম
    (অটোকারেক্টের নিকুচি করেছে)
  • | ৩০ জুন ২০১৯ ১০:৫০412699
  • @বোধি, না না ওটা কোন্ডোয়াতে একটা হাউসিঙের পাঁচিল পাশের মেকশিফট বস্তির উপর ভেঙে পড়ে ১৫জন মারা গেছে। পরশু রাত্রে সারারাত বিষ্টির সময়।

    একটা ইন্টারেস্টিং জিনগত ষ পেলাম বুঝলা। কুররাতুল আইন হায়দার দেখলাম অনুশীলন সমিতি ইত্যাদি বিপ্লবীদের কথা লিখতে গিয়ে টেরোরিস্ট শব্দটা লিখেছেন। অনুবাদ ওঁর নিজের করা, কাজেই শব্দ ব্যবহারটা বেশ ইন্টারেস্টিঙ।

    @ছাগলছানা, ইশানকে ss দিছি। কাল থেকে আবার সমস্যা হচ্ছে।
  • ষষ্ঠ পাণ্ডব | ৩০ জুন ২০১৯ ১০:৩৯412698
  • @Ekak: উইকির ভূক্তিটা ঠিক নেই। সেখানে অনেক বইয়ের নাম নেই। উপন্যাস নয় এমন বইকে উপন্যাস হিসাবে দেখানো হয়েছে। ডাবল পোস্টিংও আছে। আলাদা করে সার্চ দিতে গেলে আমাকে তো প্রকাশিত সব বইয়ের নাম জানতে হবে। সেই তথ্যইতো নেই।

    @র২হঃ ঠিক বলেছেন। যদি এই প্রকার উদাহরণ একজন লেখকের বিভিন্ন প্রকারের লেখায় ভুরি ভুরি মেলা শুরু করে তাহলে বোধকরি নিতান্ত চরিত্রের সংলাপ বলে পাশ কাটানো সম্ভব নয়। শক্তিমান লেখকের চিন্তার প্যাটার্নে সমস্যা থাকলে বিষয়টা আসলেই আশংকার।

    @T: উনার ছোটদের লেখা বইতেও এমন আবর্জনার পরিমাণ খুব কম না।

    @aranya: মেল শভিনিস্ট বা কাস্টিস্ট চিন্তাভাবনা তাঁর কিশোর উপন্যাসেও পাবেন।

    বড় লেখক আর জনপ্রিয় লেখক এক হতে পারেন আবার নাও হতে পারেন। আমার কাছেও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আর শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় বড় লেখক। এবং এনারা জনপ্রিয় লেখকও বটে।

    উনাদের জেনারেশনের পর পশ্চিমবঙ্গের বাংলা সাহিত্যের খরাটা বেশ টের পাই। মূলধারা তো বটেই বিকল্পধারার বাংলা সাহিত্যেও খরা চলছে বলে বোধ হয়। বইপড়া মানুষের সংখ্যা আগে যে খুব বেশি ছিল তা নয়, তবে এখন সেটা আশংকাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। এটাও একটা কারণ হতে পারে।
  • একক | ৩০ জুন ২০১৯ ০৯:৫৭412697
  • পন্ডিতরা বিপদে পড়লে অর্ধেক ত্যাগ করেন। টাকা ফেরত চাইতে কেও যতক্ষণ না অভিষেক অবধি যাচ্চে, নীচুতলার যারাগ্যরা দের এগেনস্টে পাবলিক লেলিয়ে দেওয়া, কিছুটা ভাবমূর্তি ম্যানেজ করবে আর কী।
  • dd | ৩০ জুন ২০১৯ ০৯:৩৩412696
  • এই কাটমানির কিসসা সত্ত্যি সত্ত্যি প্রশান্ত কিশোরের প্ল্যান?

    এ তো অদ্ভুত প্ল্যান দেখছি।
  • PT | ৩০ জুন ২০১৯ ০৮:৫৪412695
  • aranya
    সংঘকে তিন মিনিটে সিধে করার কথা বলিনি। সংঘ পরিচালিত একটি স্কুল (আমার দেখা একটি) প্রসঙ্গে ঐ কথা। সেখানে লাঠির ব্যবহারের কথাও বলিনি। ওটা আপনার সংযোজন।

    স্কুলকে স্বীকৃতি না দিয়েই অনেক সমস্যা তৈরি করা যায়। আর অসাম্প্রদায়িক থাকতে চাইলে মাদ্রাসা ও সংঘের স্কুল দুটোকেই সিলেবাসের অজুহাতেবারংবার স্বীকৃতি বাতিল করা যেতেপারে। বারকতক ওরকম করলে বাপ-মায়েরাই সন্তানদের আর ঐসব স্কুলে পাঠাবে না।

    সরকারের হাত কতটা লম্বা সেটা সম্পর্কে আমাদের ধারণা কম। চাইলে তারা অনেক কিছুই করতে পারে। এই যেমন ত্রিপুরাতে অনেকগুলো সরকারি স্কুলকে ইস্কনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে!! তুলে যদি দেওয়া যায় তাহলে নিয়েও নিশ্চয়ই নেওয়া যায়।
    https://www.indiatoday.in/education-today/news/story/tripura-govt-to-hand-over-20-government-schools-to-iskcon-1554003-2019-06-22
  • Ekak | ৩০ জুন ২০১৯ ০৮:২১412694
  • জার্নালিস্ট, এমপি
  • PM | ৩০ জুন ২০১৯ ০৮:০৭412693
  • আইটি সেল এর প্রচার --

    "Swapan Dasgupta (next CM of Bengal), Som Mandal (next Bengal law minister) and Anirban Ganguly (next Bengal education minister). These three will be in charge from 2021 onwards".

    এদের চেনেন ?
  • | ৩০ জুন ২০১৯ ০৭:৫২412692
  • দমু দের ওদিকে একটা দেওয়া ল ভেঙে অ্যকসিডেন্ট হয়েছে, দমু সেফ তো?
  • Du | ৩০ জুন ২০১৯ ০৭:৩৯412691
  • আরেসেস কে ব্যান করে রাখাই উচিত ছিল চিরদিন। আইসিস এর মতই একটা অর্গ মূলতঃ। এখন যে যে স্টেটে যেই পাওয়ারে আছে সদিচ্ছাসম্পন্ন (বিজেপি হলেও) যতটুকু সম্ভব অন্ততঃ এই লোককে জয়রাম বলিয়ে মারা, এবং হিংসা আর উসকানিমূলক পোস্টের জন্য জেল, কেস দিয়ে ডিটার করার চেষ্টা করাই উচিত, এইটা হবে প্রকৃত অসাম্প্রদায়িক 'তোষণ' নিরাপত্তা এবং বিশ্বাস রক্ষা করার জন্য মাস্ট। কোচবিহারে এইসব করছে, সাহস কি!!!!
  • ন্যাড়া | ৩০ জুন ২০১৯ ০৫:০২412690
  • প্রতিক্রিয়াশীল হবার এই সুবিধে, শীর্ষেন্দু, শরদিন্দু, বঙ্কিম - সব ভাল লাগে বলা যায়। এমনকি সিপিয়েম খারাপ তাও বলা যায়।
  • Atoz | ৩০ জুন ২০১৯ ০৪:৩৪412689
  • আজ খ দা এসে বেদম খচে বোম হয়ে যাবেন। ঃ-)
  • aranya | ৩০ জুন ২০১৯ ০০:২৫412688
  • পুরনো ভাট পড়ছিলাম। পিটি দেখলান ৩ মিনিটে সঙ্ঘ-কে সিধে করে দেবেন লিখেছেন, যেটা গা জোয়ারি ছাড়া সম্ভব নয়।

    সৎ উদ্দেশ্যে লাঠৌষধি - এন্ড জাস্টিফাইস মিনস ব্যাপারটা ভাল লাগে না
  • aranya | ৩০ জুন ২০১৯ ০০:১৪412687
  • সিরিয়াসলি স্পিকিং কোন বড় লেখক জনপ্রিয় নাই হতে পারেন, এন্ড ভাইসি ভার্সা।

    শীর্ষেন্দু-র চিন্তা ভাবনায় বহু সমস্যা তো আছেই, বড়দের জন্য লেখা ওনার কোন উপন্যাসই বোধহয় ফিরে পড়ি নি, 'যাও পাখি' ছাড়া।

    তবে কিশোর উপন্যাসে উনি রাজা। আর ঐ মেল শভিনিস্ট বা কাস্টিস্ট চিন্তা ভাবনা গুলো সেখানে ঢোকান নি, এটা একটা ভাল কাজ করেছেন, বলতেই হয়।

    জনপ্রিয়তা তো প্রমাণ করার কিছু নাই, দুই বাংলায় বইয়ের কাটতি দেখলেই বোঝা যায়।

    আর বড় লেখকের সংজ্ঞা পাঠক ভেদে বিভিন্ন, সুনীল, শীর্ষেন্দু এরা আমার চোখে খুবই বড় লেখক।

    বস্তুতঃ, ওদের জেনারশনের পর পশ্চিম বাংলায় মূল ধারার সাহিত্যে টানা খরা চলছে, মধ্য মেধার খেলাধুলো
  • aranya | ৩০ জুন ২০১৯ ০০:০৩412686
  • আরে আমি ঠাট্টা করে লিখলাম, এট্টু খ-র ঠ্যাঙ টানার জন্য। সচলায়তন নিয়মিত পড়ি। ষষ্ঠ পান্ডবের ঐ লেখাটা + কমেন্টস আগেই পড়েছি
  • অর্জুন | ২৯ জুন ২০১৯ ২৩:৫২412685
  • আবার 'আপনি' কেন ? @রঞ্জন-দা।
  • অর্জুন | ২৯ জুন ২০১৯ ২৩:৫১412684
  • থ্যাংক ইউ @রঞ্জন-দা

    আমি এখন দিল্লীতে। বেশ কিছু কাজ নিয়ে আসা। আরও কিছু জায়গায় যেতে হবে। প্রায় এক যুগের বেশী সময় পরে দিল্লীর গরম উপভোগ করছি।

    ট্রাই করে দেখছি।
  • dc | ২৯ জুন ২০১৯ ২৩:৪৭412683
  • পুরো চেন্নাইতেই যে জলজষ্ট চলছে তা নয়। তবে যেসব জায়গায় জল পাওয়া যাচ্ছে না সেখানে নাকি পরিবারপিছু মাসে প্রায় দশ হাজার পর্যন্ত খর্চা হচ্ছে জলের পেছনে।
  • রঞ্জন | ২৯ জুন ২০১৯ ২৩:৪৫412682
  • অর্জুন,
    কখনও OYO ট্রাই করেছেন? বাজেট হিসেবে আমার কাছে সন্তোষজনক। বেশ কয়েকটি শহরে ট্রাই করেছি। আমার অভিজ্ঞতা --মন্দ নয়।
    একদম আপনার রেঞ্জে পাবেন।
  • dc | ২৯ জুন ২০১৯ ২৩:৩৮412681
  • জলের বোতল চারশো টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সেরকম ঠিক না। সব দোকানেই জলের বোতল মজুত আছে আর সেগুলো কুড়ি টাকাতেই বিক্রি হচ্ছে। সমস্যা হলো, বেশ কিছু জায়গায় পাম্প করে জল উঠছে না আর মেট্রোওয়াটার, মনে কর্পোরেশানের জলও ভয়ানক অনিয়মিত হয়ে গেছে। কলের জল হয়তো সপ্তাহে দুতিনবার করে দিচ্ছে। ফলে এসব জায়গায় যারা থাকেন তাঁরা ভয়ানক জল কষ্টে ভুগছেন আর ট্যাংকার বা জলের ট্রাক নিয়ে এসে তাঁদের জল নিতে হচ্ছে। সুযোগ বুঝে ট্যাংকারওলারা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে, কিছু কিছু জায়গায় নাকি এক লরি জলের দাম চার পাঁচ হাজারও নিয়েছে। তবে লাস্ট এক সপ্তাহ হলো সরকার কিছুটা দাম নিয়ন্ত্রন করেছে। কয়েকদিন আগে নাকি বৃষ্টিও হয়েছে, তখন আমি চেন্নাইতে ছিলাম না। ফলে জলের কষ্ট বোধায় খুব অল্প হলেও কমেছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত