এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৯:৫৩414179
  • ওহ, পোস্ট টা অৰ্জুন কে ছিল। মাঝে আরো কটা পরে গেছে।
  • Amit | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৯:৫১414178
  • তাবলে সাধারণ মানুষের একেবারে গায়ের ওপর এসে হামলে পড়ে অভিনন্দন জানানোটাও তো কোনো কাজের কথা নয়। অথবা পুরস্কার পাওয়ার পরে পরেই তেনাদের কাছের লোক হিসেবে নিজেদের জাহির করাটাও। কলকাতায় যেমন যারাই নাকি বেহালা বাসি ছিলেন, তারাই সৌরভ গাঙ্গুলী র সাথে এক দোকানে চা খেতেন এক কালে। :) :)

    আমাদের দেশে অতিভক্তি অনেক সময়েই উত্তক্তের চরম পর্যায়ে চলে যায়। পুরস্কার গুলো পেয়ে ওনারা আমাদের যদি উদ্ধার নাই করে থাকেন, তাহলে এই অতি ভক্তি বা কাছের লোক দেখানোর নাটক না করলেই ল্যাটা চুকে যায়।
  • sm | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৯:৪৯414177
  • আপনার মনের মধ্যেও অনেক ধূলো জমে আছে।আপনি যেমন পাশ্চাত্য দেশ ছাড়া কোন কিছুকেই কৃতিত্ব দিতে চান না,সেরকম।
    সুববা রাও,খাঁটি ভারতীয়।গ্র্যাজুয়েশন ভারতে।অনেক মৌলিক আবিষ্কার করেছেন।কিন্তু আপনি পুরো কৃতিত্ব দিয়ে দিলেন,আম্রিকা কে।
    অমর্ত্য সেন ও বিদেশেই প্রচুর কাজ করেছেন।
    কিন্তু ওনাকে ভারতীয় স্বীকৃতি দিতে কারোর আপত্তি দেখি না।কারণ,উনি নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন নি।ও সব আর কি!
  • ন্যাড়া | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৯:৪৫414176
  • চিন্তা করবেন না। নোবেল পাবার পরে আমি প্রথম গুরুতে এসে বক্তৃতা দিয়ে যাব।
  • PT | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৯:৪৪414175
  • "বিদ্যা বিনয় দান করে" সেটা যেমন সত্যি, বিদ্যা প্রকৃত ও অপবিজ্ঞানের মধ্যেও ফারাক করতে শেখায়। তখন science congress-এ "ব্যাদে সব আছে"-র প্রস্তাবনাকে সার্কাস মনে হওয়াটা স্বাভাবিক।
  • মানিক | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৯:৪২414174
  • ভারতের প্রধানমন্ত্রী বা কোন চীফ মিনিস্টারের মেসেজও ট্রিনিটি আটকাতে পারত বলে মনে হয় না।

    অভিমানের কথা বললে সে রবীন্দ্রনাথেরও ছিল। আম্রকুঞ্জে সংবর্ধনার উত্তরে ওনার বক্তৃতা, মৃদুভাষণ, কিন্তু স্পষ্টকথন।
  • অর্জুন | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৯:৩২414173
  • পুরষ্কার পেলে বেশীর ভাব লোকের মাথায় একটা পোকা কিলবিল করে ওঠে, সে ভেঙ্কি হোক আর অমর্ত্য সেন!

    '৯৮ এ সেন মহাশয় যখন নোবেল পেলেন, তার ছ মাস আগে ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার পদ পেয়েছেন। তখন ফ্যাক্স ছিল। শুভেচ্ছা বার্তার বন্যায় ট্রিনিটি দিশেহারা। তখনও ইন্টারনেট জাঁকিয়ে বসেনি। বিল্ডিঙের গেটের সামনে নাকি প্ল্যাকার্ডে পড়েছিল।

    This our 30th nobel laureate. Hence we are happy but not excited.

    সাধারণ মানুষদের সব সময়ে আটকানো সবচেয়ে বড় বর্ণবিদ্বেষ। সে বইমেলায় আনন্দ'র স্টলে ক্যু হোক, কি একডালিয়ার অষ্টমী পুজো বা সেন্ট পলস ক্যাথিড্রেলের মিডনাইট প্রেয়ার!

    ট্রিনিটির হিম্মত হত ইউরোপের কোনো প্রধানমন্ত্রী বা অ্যামেরিকার কোনো রাজ্যের গভর্নরকে এই মেসেজ দিতে!

    আর এই পুরষ্কার গুলো পেয়ে ওরা আমাদের কি ভাবে উদ্ধার করেছেন, সেটা পরিষ্কার নয়!
  • sm | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৯:১২414172
  • ভেঙ্কি কে আইদার ঠোঁট কাটা অথবা বেশ অহংকারী বলে মনে হয়।বিদ্যা বিনয় দান করে।ওনার উষ্মা সঙ্গত কিন্তু ওনার মাপের লোকজন এসব জিনিস ক্ষমাসুন্দর চোখেই দেখে থাকেন।
    নোবেল পুরস্কার পৃথিবীতে অনেকেই পেয়েছেন।
    আমার মনে হয়,কোন কারণে ওনার মনের ভিতর অনেক অভিমান জমা আছে।এগুলো তার বহিঃ প্রকাশ।
  • sm | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৯:০৮414171
  • এটা সঠিক এক্সপ্লানেশন।অর্জুন কে অস্ত্র হিসাবেই ব্যবহার করেছে,বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি।কখনো গুরু দ্রোণ, কখনো যুধিষ্ঠির,কখনো দ্রৌপদী,কখনো কৃষ্ণ স্বয়ং।

    আমার মতে মহাভারতের দুই নায়ক।কৃষ্ণ ও শকুনি।
    এঁদের চরিত্রে প্রচুর লেয়ার।
    কৃষ্ণ,ধুরন্ধর রাজনীতিবিদ,তুখোড় বক্তা,নিজের মতবাদ কে ধর্মের পথ বলে সহজেই প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।কপট নিদ্রা,কর্ণ বধ এর সময় ভূমিকা,গদা যুদ্ধে ভূমিকা, বিস্ময় প্রদান করে।কেন ?এই প্রশ্ন ঘুরপাক খায়।অর্থাৎ ওনার চরিত্র একমুখী নয় ও ধরা ছোঁয়ার বাইরে।
    অন্যদিকে শকুনি,ধুরন্ধর রাজনীতিবিদ।কুরু বংশের ওপর লয়াল, কিন্তু ধৃতরাষ্ট্রের ওপর প্রতিশোধ নিতে উদগ্রীব।
    শকুনি মনে করে,তার বোনের দুর্দশার জন্য ধৃতরাষ্ট্র দায়ী।তাঁর পিতার হত্যার জন্য ভীষ্ম দায়ী।
    সে,ধৃতরাষ্ট্র কে মারতে চায় না।খালি কষ্ট পায়,সেটা দেখতে চান।
    দূর্যোধন কে সে,নিজের প্রাণাধিক মনে করে,কিন্তু ওই দূর্যোধন কে হত্যা করিয়েই ধৃতরাষ্ট্রের ওপর প্রতিশোধ নিতে চায়।
    তুখোড় বক্তা।নিজের স্বাপেক্ষে যুক্তিজাল বিছতে অনন্য।এমন কি স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ অবধি, যুক্তিতে শকুনির সঙ্গে এঁটে উঠতে পারেন না।
    এই দুই চরিত্র সত্যি সত্যি অসাধারন। বাকি সবাইকে এঁদের ক্রীড়নক বলে মনে হয়।
  • PT | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৮:৫১414170
  • নোবেল পাওয়ার আগে পর্যন্ত কোন ভারতীয় গবেষণা সংস্থা (একবার IISc বাদে) ভেঙ্কিকে কোন বক্তৃতা দেওয়ার জন্যেও আমন্ত্রণ জানায়নি, এমনটাই কথিত আছে। পরে অবিশ্যি সারা ভারতের সকলেই "তিনি আমাদের লোক" বলে তাঁর ওপরে হামলে পড়ে!!
  • dc | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৭:৫৭414169
  • অর্জুন আর কিছু না, একটা অস্ত্র। সেই অস্ত্রটাকে নানা সময়ে নানা লোক ব্যবহার করেছে। ইউস ওফ ওয়েপনস বইটা পড়ে দেখতে পারেন, শেরাডেনিন জাকালওয়ের সাথে অর্জুনের খুব মিল আছে।
  • pi | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৭:২৫414168
  • কেলোদা, থ্যান্কু থ্যান্কু! একবার কৌস্তুভকে ফোন করে নেবেন?
  • Atoz | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৫:৪৮414167
  • কী সর্বনাশ!!! এত শয়ে শয়ে লোক ওঁকে ইমেইল করতেন?????
  • Amit | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৫:৩৫414166
  • সেই ভেঙ্কি রামকৃষ্ণন কেমব্রিজ থেকে ২০০৯ এ নোবেল পাওয়ার পরে তামিল নাড়ু তে তার গ্রামের আশে পাশে নাকি শো তিনেক মামা, কাকা, আর শো পাঁচেক অঙ্ক, কেমিস্ট্রি টিচার খুঁজে পাওয়া গেসলো। তিনি ইন ফ্যাক্ট স্টেটমেন্ট দিয়েছিলেন এতো আজে বাজে ইমেইল পাঠিয়ে তার একাউন্ট ব্লক না করতে।
  • T | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৫:৩০414165
  • অ্যাঁ!!! হায় খোদা। এ আমি কী দেখছি! কয়েকপাতা আগে এই ব্রতীন টি কেএএএএ? সেই ব? মানে ব্রো নাকি! আইশ্লা! সেই পুরুষসিংহ কী সত্যিই ফিরে এলেন! ওঁকস।
    অবশ্য, সকালে যখনই দেখেছি নর্থবেঙ্গলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার খুঁজে পেয়েচে তখনই জানি যে গুরুতর কিছু একটা না হয়ে যায় না। তো গুরুউউউ, ওয়েলকাম ব্যাক ফ্যাক ওশব রাখো, মফজ ধিফাই মানে অ্যাদ্দিন বাজার কী কল্লে সেশব আগে শুনি। :)))
  • Atoz | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৫:০৭414164
  • এদিকে চন্দ্রযানের ব্যাপারে এক বিজ্ঞানী, তিনি হুগলী জেলার এক গ্রামের ছেলে। স্থানীয় কাগজে কাগজে তাঁকে নিয়ে প্রায় যাত্রাপালা শুরু হয়েছে। তিনি কার ছেলে কার নাতি তাঁর মামাশ্বশুরের ভায়রাভাই কারা---কী নেই খবরে? ঃ-)
  • Atoz | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৫:০০414163
  • শুধু মহান ভারতে না, অন্য বেশিরভাগ দেশেই এইরকমই অবস্থা। মহান চীনেও তো শোনা যায় ঘোরালো অবস্থা। সেখানে এককাঠি বাড়া। হুকৌ না কী এক সিস্টেম আছে। সবাইকে প্রভুগণ ঠাসঠাসিয়ে খাঁচায় পুরে রেখেছে। বলেছে, "যা যা বলছি যদি তা না করেছিস কি মরেছিস। স্রেফ খুল্লুয়া করে উড়িয়ে দেবো। "
    মহান সোভিয়েতে ও তাই ছিল, প্রভুগণের কথা না শুনলেই সো ও ও জা সাইবেরিয়া। সেখানে রাজ আতিথ্য।
  • Atoz | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৪:৫৩414162
  • প্রভুগণ এসে মেরেধরে এক খাঁচায় ঢুকিয়ে খড় বিচালি খেতে দিয়ে বলেছে, "ব্যাটারা ট্যাঁ ফোঁ করেছিস কি মরেছিস। স্রেফ রান্না করে খেয়ে ফেলব।"
  • Amit | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৪:৪৮414161
  • ইন্ডিয়া দেশ টাকেই একটা জোর করে ধরে রেখে দেশ বানানো হয়েছে, এতো ভাষা, এতো কালচার, অন্যের প্রতি এতো ঘৃণা, এতো ডিফারেন্স নিয়ে কি করে একটা দেশ এক সাথে টিকে থাকছে কে জানে ? ওই জন্যেই এতো মিলিটারি নিয়ে হুঙ্কার, এসব করে ভেতরের ময়লা যত চাপা যায় আর কি।

    ইভেন বাইরের দেশে থেকেও দেখি, সেই বেশির ভাগ ই নিজের নিজের বাঙালি, তামিল, তেলেগু, গুজরাটি সক্কলেই নিজের আলাদা কমিউনিটি বানিয়ে থাকে। যদি কোনো কমন অনুষ্ঠান হলো কখনো, যেমন ১৫থ অগাস্ট বা দিওয়ালি, সেখানেও কোন কমিউনিটি বেশি এডভ্যান্টেজ পেলো, করা পেলো না, সেটা নিয়ে নিজেদের দলে কানাকানি হয়। যদিও ব্যক্তিগত বন্ধু আছে অনেক অন্য রাজ্যের, কিন্তু সে তো অন্য দেশের ও আছে। কিন্তু কমিউনিটি লেভেল এ সেই আকচা আঁকছি চলতেই থাকে, আড়ালে সবাই অন্যের নিন্দে করতে ব্যস্ত। বাঙালি রাও অবশ্য ব্যাত্যয় নয় কিছু। তারাও পুরোদমে করে।

    হয়তো ব্রিটিশ রা না এলে, প্যান ইন্ডিয়া একটা মুভমেন্ট ফর্ম না হলে আজকের যুগে এটা হয়তো ১০-১৫ টা আলাদা আলাদা দেশ হতো। ইতিহাস বড়ো বিচিত্র জিনিস।
  • Atoz | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৪:৩৯414160
  • আর এই শ্রেষ্ঠত্ব বোঝানো যে কী সূক্ষ্ম, যে যারা এর থেকে বের হতে চায় তারাও এর ফাঁদে পড়ে যায়। এই যেমন সেই জমির পাশ দিয়ে ব্যাস যাচ্ছেন সেই গল্পটা। পতিত জমি, ফসল হয় না। কৃষক তাকে বললেন বেশ কয়েক বছর ফেলে রাখো আবর্জনা ঢালো,তারপরে কয়েক বর্ষা গেলেই আবার জমি সুফলা হবে। ব্যাসের মগজে বাতি জ্বলল। তিনি বুঝলেন সমাজেও তাই, সমাজশরীরে ব্রাহ্মণেরা হলেন জ্ঞানের বর্ষা আর শূদ্রেরা অভিজ্ঞতার জৈবসার। লিবেরালরা উলুতপুলুত হয়ে শোনালেন কৃষক কেমন ব্রাহ্মণ শূদ্র সব মিলিয়ে টিলিয়ে দিলেন। ব্রাহ্মণেরা হলেন জ্ঞানের বর্ষা আর শূদ্রেরা অভিজ্ঞতার জৈব সার।
    বুঝুন। ঃ-)
    আপাদমস্তক জ্বলে যায়।
  • Atoz | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৪:২৮414159
  • শুধু মেইনস্ট্রিম নয়, প্রতিটি জনজাতির মধ্যেই তাদের নিজস্ব মিথ আছে/ছিল। তারাই শ্রেষ্ঠ, সদাচারী ও ধর্মপথের পথিক। বাকীরা নিকৃষ্ট, কদাচারী, বিশ্বাসঘাতক ও অধর্মে রত। সমস্ত জাতিরই আত্মপরিচয় এইসব মিথের উপরেই নির্ভরশীল।
  • Atoz | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৪:২১414158
  • কারুরই কিছু বলার ছিল না, সে পুরুষই হোক কি মহিলা। প্রভু যা বলবেন। হুজুর "মা বাপ"। জনগণ অজপাল, অর্থাৎ কিনা ছাগল। ঃ-)
  • Amit | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০৪:১৩414157
  • অটোজ, সেটাই তো। এসব প্রথা সব ই সমাজসচল ছিল, কিন্তু তাতে মেয়ে দের বা রানী দের বিশেষ কিছু বলার ছিল বলে মনে হয়না, সমাজের মাথারা যেটা বলতেন সেটাই মুখ বুজে মেনে নিতে হতো। পুরো দেশটাই একটা বিরাট খাপ পঞ্চায়েত আর কি :) পিরামিড এর ওপরে যারা বসে আছেন, ফুর্তির যাবতীয় অধিকার তাদের, বাকিরা স্রেফ চাকর বাকর।

    মহাভারতে অরিজিনাল গল্পে হয়তো এতো নীতি কথা ছিল না, পরে সেগুলো জোর করে ঢোকানো হয়েছে। মূল কাহিনী কে এমন ভাবে ম্যানিপুলেট করা হয়েছে টেনে টেনে যাতে লোক জনকে ব্রাহ্মণ্যবাদের শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া যায়। গীতা র আখ্যান তো পরিষ্কার মনে হয় পারে জোর করে ঢোকানো। সৈকত লিখেছেন ভীষ্মের শরশয্যা তে ইচ্ছামৃত্যুর আগে গুচ্ছ গুচ্ছ জ্ঞান দেওয়া, সেটাও পরে ঢোকানো। ১০০-% একমত। ইন ফ্যাক্ট, ইন্ডিয়াতে বহু জায়গাতে গেলে গুহা ইত্যাদি দেখে গল্প শুনবেন সেখানে নাকি পান্ডব রা বনবাস বা অজ্ঞাতবাসের সময় এসে ছিল, অথচ জায়গা গুলো কাশ্মীর থেকে তামিল নাড়ু পর্যন্ত ছড়ানো। এগুলো যে লোকাল কমিউনিটি র সাথে ইডেন্টিফাই করানোর জন্য পারে গল্পে ঢোকানো বোঝা যায়। পুরো মেগা সিরিয়েল এর স্টাইল এ।

    তবে রামায়ণ বা মহাভারতের যত চরিত্র দেখেন, যাই বলেন আপনারা, সেরা হলো কুম্ভকর্ণ। বাকিরা কেও রাজ্যের জন্য, কেও বৌয়ের জন্য, কেও জুয়া খেলে সারা জীবন হয় টেনশন, নয় যুদ্ধ নিয়ে কাটালেন, কুম্ভকর্ণ নিজের প্রায়োরিটি একদম ঠিক থাকে বেছে নিয়েছিলেন। শুধু খাওয়া আর ঘুম, আবার খাওয়া, আবার ঘুম, জেবনে আর কোনো সমস্যা নেই। লাইফ হো তো আইসা।
  • গুরুচণ্ডা৯ | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০২:৩০414155
  • রং নাম্বার - হিরণ মিত্রর সঙ্গে কথোপকথন

    ছবি কী? শিল্পীর তুলির ছোঁয়ায় ভাবনাগুলো কেমনভাবে হয়ে ওঠে ছবি? সেই ছবির সামনে দাঁড়িয়ে দর্শক কেমনভাবে স্পর্শ করতে পারবেন শিল্পীর মনোজগৎ? ছবি আঁকার প্রকরণের মতো, দেখারও কি রয়েছে কোনো পৃথক পদ্ধতি? আরেকদিকে, ছবির বাজার শিল্পকে, শিল্পীকে কেমনভাবে প্রভাবিত করে? আদৌ করে কি? শিল্পীর সৃষ্টি কতোখানি বহির্জগতের প্রভাবমুক্ত? একগুচ্ছ প্রশ্ন নিয়ে শিল্পী হিরণ মিত্রর সাথে কথোপকথন।

    কয়েক বছর আগে হিরণ মিত্রকে প্রশ্ন করেছিলেন প্রয়াত অদ্রীশ বিশ্বাস। 'রঙ নম্বর' নামে সেই সাড়াজাগানো বই দীর্ঘদিনই আউট-অফ-প্রিন্ট। এইবার ফিরল নতুন চেহারায়। সাথে জোড়া হয়েছে আরেকখানা নতুন কথোপকথন।

    নতুনটি ঠিক সাক্ষাৎকার নয়, জমাটি আড্ডা। হিরণদার সাথে বিষাণ বসু। বাধহীন খোলামেলা সেই আড্ডা প্রকাশ করা হলো প্রায় আন-এডিটেড।

    অনবদ্য কিছু ছবি আর ফটোগ্রাফ দিয়ে বইখানা সাজিয়েছেন শিল্পী হিরণ মিত্রই। ছবি ও কথার আশ্চর্য মেলবন্ধনে এই বই শিল্পপ্রেমী তো বটেই, চিত্রশিল্প বিষয়ে আপাত অনাগ্রহীদেরও আকর্ষণ করবে, নিশ্চিত।

    #####################################

    বইটির আংশিক দত্তক নিতে কেউ আগ্রহী হলে [email protected] এ ইমেল করুন।
  • Atoz | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০১:৫৯414154
  • উলুপীর সঙ্গে তো খুব সামান্য কিছুদিন থেকেই চলে যান অর্জুন, সম্ভবতঃ ওটা জাস্ট ভিকি ডোনার টাইপ কেস। ইরাবানের জন্মের সূচনার জন্য যতটুকু থাকার কথা। মহাভারতে এরকম ব্যাপার তো বহু দেখা যায়। পান্ডু ধৃতরাষ্ট্রের জন্মাবার জন্যও তো বিধবা অম্বিকা অম্বালিকার ডোনার লাগল। পান্ডবরা পাঁচ ভাই ই তো ভিকি ডোনার টাইপ কেস। এগুলো সমাজসচল ব্যাপার ছিল।
  • অর্জুন | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০১:৪৯414153
  • তাহলে এ বিবাহ অসবর্ণ বিবাহ। স্বামী অপহৃত ছিলেন অর্থাৎ এক স্বামী থাকতেই দ্বিতীয়বার বিবাহ! ইন্টারেস্টিং।
  • Atoz | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০১:৪৫414152
  • নাহ, উলুপীর নাগ স্বামী সুপর্ণ কর্তৃক অপহৃত ছিলেন, মারা যান নি। উলুপী বহুকাল অপেক্ষা করে পিতৃগৃহে ফিরে যান। তাতে তার দেওর আর এক নাগ খুব চটে যান, তিনি প্রস্তুত ছিলেন বৌদিকে বিবাহ করার জন্য।
    ওদের জাতিতে সম্ভবত ওসব ব্যাপার স্বীকৃত ছিল। ওরা ভিন্ন জনজাতি, মেইনস্ট্রিমের বাধানিষেধ অনুশাসন ইত্যাদি খুঅব বেশি ছিল না ওদের।
  • অর্জুন | ৩০ জুলাই ২০১৯ ০১:৪০414151
  • দুর্যোধনকে নিয়েও তো Bhasa র 'ঊরুভঙ্গম'। দুর্যোধন হল মাথা মোটা। স্পয়েল্ট ঘাম্বাট।

    ভারতীয় ইতিহাসে প্রথম বিধবা বিবাহ করেছে অর্জুন। বিদ্যাসাগর তখন কোথায়! নাগরাজ কন্যা উলুপী তো বিধবা ছিল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত