এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ব্রতীন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০১:১৫414420
  • ইয়েস কি
  • hmm | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০১:১০414419
  • এদিকে যে দেখলাম সুপ্রিম কুর্ত আজকে নির্দেশ দিয়েছে উন্নাও এর নির্যাতিতাকে ২৫ লক্ষ টাকা দিতে, আর ওদিকে তো আপনারা তাকে তিন দিন আগেই মেরে ফেলেছেন!!

    সুপ্রিম কোর্টের কাছেও যে খবর নেই, সে খবর আপনারা পেলেন কোথায় থেকে?
  • অর্জুন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০১:০৬414418
  • ব্রতীন বাবু, অগাস্ট মাস পড়ল আজ।

    রামমোহন, বিদ্যাসাগর অনেক হএয়ছে। অরবিন্দ ঘোষকে নিয়ে লিখুন না! এই লোকটি রণে ভঙ্গ দিয়ে দেশকে ১০০ বছর পিছিয়ে দিয়ে ফরাসীদের সাহায্যে একটি রহস্যজনক আশ্রম চালালেন। এখনও অবধি একে কেউ ছোঁয়নি।
  • একক | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০১:০৫414417
  • কী নয়, কি :)
    যেক্ষেত্রে উত্তর হ্যাঁ বা না দিয়ে হয় সেখানে হ্রস্ব ই। যেখানে ব্যাখ্যামূলক উত্তর হয় সেখানে দীর্ঘ ই।
  • অর্জুন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০১:০২414416
  • ইয়ে, আপনি কোন দলের ?
  • ব্রতীন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০১:০১414415
  • আটোজ, জাতির ঘোর দৃর্দিন।

    মুলো ছেড়ে এখন পুরোপুরি দাবায়।কত বিনিদ্র রজনী ওই করে কেটে গেল
  • ব্রতীন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৫৭414413
  • কুমু দি কেমন আছো?

    একক কী আগের মতো বানান ভুল করে?
  • ইয়ে | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৫৭414414
  • রোহিণী ধর্মপাল উচ্চমাত্রায় ইস্লামোফোব এবং সফট চাড্ডি, আগে ছুপা বলা যেত, এখন বেশ কিছু ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে। সাহিত্যিকদের মধ্যে বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোই প্রকাশ্যে বিজেপি করছেন, লাইনে অনেকেই, সিনেমা সিরিয়াল জগতের মত।

    অনেক মণিমুক্তো আছে রোহিণী ধর্মপালের। এগুলো সামান্য কিছু নমুনা, ওপেন পোস্ট। এগুলি অবশ্য কিছুই নয়, আরো রীতিমত সাম্প্রদায়িক কিছু পোস্টের তুলনায়!

    "শওকত আলী রচিত প্রদোষে প্রাকৃতজন বলে একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস পড়লাম। লক্ষণসেনের রাজত্বকাল এবং বঙ্গদেশে মুসলিম প্রবেশ, এই হল মূল বিষয়। ভাষায় হঠাৎ হঠাৎ যেন জোর করে কিছু প্রাচীন তৎসম শব্দ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাবলীও তাই, যাকে বলে দানা বাঁধা, তা একেবারেই হয় নি। তাও পড়ছিলাম।

    অদ্ভুত লাগল, যে লেখক যবন আক্রমণকে শুধু অনিবার্য বলেন নি, পুরো কাহিনী জুড়ে নানা ভাবে তা সমর্থন করেছেন। যবনরা নিষ্ঠুর, এটা দুয়েকবার বলেছেন ঠিকই, কিন্তু ঘটনাপ্রবাহ এমন ভাবে দেখিয়েছেন যে তাদের তুলনায় সহস্র গুণ অত্যাচার ও নিষ্ঠুরতা তখন সামন্তরাজারা করে চলেছে। তাদের হাতে সাধারণ গ্রামবাসী থেকে বণিক, নারী থেকে শিশু কেউ নিরাপদ নয়। বরং পথিমধ্যে আক্রান্ত মেয়েদের যবনেরা তুলে নিয়ে গিয়ে তাদের শুশ্রূষা করছে! এবং সাধারণ মানুষ যেন চাইছে যবন আক্রমণ হোক। সাধারণ মানুষ চাইছে যবন-কেন্দ্রে দীক্ষা নিতে।
    এই পটভূমির ঐতিহাসিক সত্যতা আছে কিনা জানতে ইচ্ছে করছে। অন্ততপক্ষে যেভাবে যবন আক্রমণকে প্রয়োজনীয় বলা হয়েছে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে, তা রীতিমতো আশ্চর্য করেছে!"

    "Binayak Bandyopadhyay এই মাসের দেশে একটি লেখা লিখেছেন। একটি আশ্চর্য লেখা। এমন একটা লেখা পড়ার জন্য বহুদিন মন যেন তৃষিত হয়ে ছিল। ধর্ম নিয়ে, দেশ নিয়ে, আমাদের ঐতিহ্য সংস্কৃতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাটাছেঁড়া চলছে তলায় তলায়, আমাদের ভারত-চেতনাকে রক্তাক্ত করার, অথবা তা যাতে ঠিক করে গড়েই না ওঠে; তার চক্রান্ত চলছে, সেই সময় এই লেখা যেন সেই সমস্ত ব্যথায় স্নিগ্ধ প্রলেপ! লেখাটি পড়তে পড়তে যেন মানস-স্নান সম্পন্ন করলাম, এমন মনে হল।

    কীভাবে এই লেখাটি পরিবেশন করা হয়েছে, কী উঠে এসেছে এর মধ্যে দিয়ে, তা কিছুই বলব না। চাইব লেখাটা পড়ুন।
    আর নিজের দেখার চোখটাকে, অনুভব করার মনটাকে আর একবার রগড়ে নিয়ে নতুন করে দেখুন।"
    ধর্মান্ধ কারা??

    যারা স্রেফ ভোটের খাতিরে একটা বিশেষ সম্প্রদায়কে চটাতে চায় না বলে তিন তালাক আইনের পক্ষে কথা বলা দূরে থাক্, বিপক্ষে বলে, মেয়েদের সেই অন্ধকারেই রেখে দেয় এবং শেষ পর্যন্ত আইনটি পাস হতে দেয় না, তারা তো?

    যারা ভারতে বসবাসকারী মাত্রেই ভারতীয় এবং এক আইনের অন্তর্গত, এই কথাটি নিয়ে একটাও শব্দ ব্যয় করে না, তারা তো?

    যারা তসলিমা নাসরিনকে ঢুকতে না দেওয়াকেই সমর্থন করে, তারা তো?

    যারা বুক ফুলিয়ে বলে হিন্দু ধর্ম সবচেয়ে অসহ্য, তারা তো?

    যারা নারীবিরোধী কথা আছে আছে বলে মনুসংহিতা পোড়ায়, লাথি মারে, কিন্তু কোরানেও তো নারীবিরোধী কথা আছে বললে চুপ করে থাকে, তারা তো?

    নিজের দেশের ঐতিহ্য নিয়ে কথা বললেই যারা 'তুমি তো বিজেপি ', এই বলে, তারা তো?

    ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে যারা মূলত একটি সম্প্রদায়ের পাশে থাকে, তারা সবাই তো??

    হ্যাঁ, হিন্দু ধর্মে সব ভালো, এটা যারা বলে, তারা ধর্মান্ধ, এটা জানি। কিন্তু বাকিগুলো তো বুঝছি না। কারণ তারা মুখে ধর্মনিরপেক্ষতার বুলি আউড়ে কাজগুলো করছে এমন, যাতে সেই ধর্মান্ধতাই প্রকাশ পাচ্ছে, তাই না?"

    "
    এই মুহূর্তে ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় সমস্যা কী? জনসংখ্যা বৃদ্ধি? পরিবেশ দূষণ? বেকারত্ব? অশিক্ষা? স্বাস্থ্য? অথবা এই প্রত্যেকটাই।
    অথচ সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলে সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে। কোন একটা অপরাধ ঘটলে সবার আগে চুলচেরা বিচারসভা বসে যায়, অপরাধী আর নিগৃহীতের ধর্ম নিয়ে। একদল হিন্দুদের পক্ষ নিয়ে রে রে করে ওঠেন, একদল মুসলিমদের গায়ে আঁচটি পড়লে সব গেল বলে রব তোলেন। আর এই করে আসল অপরাধটি, অপরাধের কারণটি, এমনকী অপরাধী আর নিগৃহীত মানুষটিও চাপা পড়ে যান।
    কিন্তু সত্যি সত্যি যদি আমরা এই হিন্দু মুসলিম দ্বন্দ্ব থেকে মুক্তি পেতে চাই, তাহলে সবার প্রথমে কি এক আইন চাওয়া উচিত নয়? যে সংবিধান সব ধর্মকে সমান করে দেখতে বলেছে, সেই দেশের আইনে এত বড় ফাঁক কেন!! ওই ফাঁকটি দিয়েই তো পরস্পরের প্রতি অবিশ্বাস, ও বেশি সুবিধা পাচ্ছে, এই ভাব ঢুকছে আর ফাল হয়ে বেরোচ্ছে। সুবিধা হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর, মরছে সাধারণ মানুষ এবং দেশটা উচ্ছন্নে যাচ্ছে।

    এক দেশ এক আইন কেন হবে না?? এক দেশের নাগরিক অথচ কেন আলাদা সুবিধা পাবে? তফশিলি জাতি উপজাতি সংখ্যালঘু এবং অন্যান্য, সুবিধা দিতে হলে একমাত্র মেধা ও আর্থিক অবস্থা বুঝে তা দাও। নিজেরা জাত ধর্ম বর্ণ দেখে দেখে সুবিধা দেবে আর প্রতিবাদ হলে ধর্মনিরপেক্ষতার বুলি আওড়াবে!!!????

    সবাই এক হও মানে সমস্ত ক্ষেত্রে সবাইকে এক করে তোল। আমরা সবাই সবার আগে ভারতীয়, তারপর বাঙালী মুসলিম মারাঠী তামিল। বনে থাকি বা পাহাড়ে, শহরে থাকি বা গ্রামে, সমস্যা সবখানে। সেই বুঝে সুযোগ দাও। কিন্তু কোথাও তো একটা সীমারেখা টানো। শহরে ঝাঁ চকচকে বাড়িতে থেকে তফসিলি জাতির সুবিধা কেন পাবে কেউ!!! ভেদাভেদের যে রেখা টেনেছ, সব হয়ত মোছা যাবে না, তবে আরো আরো ক্ষোভ উথলে ওঠার আগে খানিক সামলানো যাবে। এখনও আছে সময়!"

    এবং ভোটের ফলের পরপরই।

    "অনেকে হায় হায় করছে ভারতীয় ভাষা সংস্কৃতি আর বাক্ স্বাধীনতা নাকি এইবার শেষ হয়ে গেল!!! হাসি পাচ্ছে পড়ে!!!

    সংস্কৃতকে সবার আগে কোণঠাসা করল, সবচেয়ে বেশি যারা এই ভাষাটিকে নিয়ে তাচ্ছিল্য করে, তারা এখন ভারতীয় ভাষা বিপদে পড়েছে বলছে।
    এমনকী, ইংরেজি তুলে দিয়ে একটা গোটা প্রজন্মকে পিছিয়ে দিয়েছিল কারা! কম্পিউটার প্রযুক্তি ভারতে আনার সময় সবচেয়ে বিরোধিতা করেছিল কারা!!!

    ভারতীয় সংস্কৃতিকে সবচেয়ে হেয় করেছে যারা, রীতিমতো পরিকল্পনা করে, সচেতন ভাবে, তারা এখন হঠাৎ ভারতীয় সংস্কৃতি নিয়ে ভাবছে!!

    আর বাক্ স্বাধীনতা!!! সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মত বামপন্থী নেতাকে দল কেন যেন বহিষ্কার করেছিল!!!! দলের মতের বিরুদ্ধে ইতিবাচক কথা বললেও কোন দল সবসময় বহিষ্কার করে যেন!!! সেই "কালবেলা" মনে পড়ছে!!!"

    "
  • Atoz | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৫৪414412
  • রামমোহনকে "ব্রিটিশ চামচা" বলে পোস্ট দিয়েছে যে অভিনেত্রী, সেই পোস্টটা অনেক জায়্গায় ঘুরছে। এইমাত্র এক গ্রুপে সেটা দেখতে পেলাম। সতীদাহ প্রথা নাকি খুবই ভালো জিনিস ছিল, ভালো হিন্দু নারীদের পাজি পাজি বদমাইশ বদমাইশ ইনভেডারদের হাত থেকে রক্ষা করাই ছিল এই বীরোচিত ব্যাপারের লক্ষ্য, রামমোহন সেই ভালো জিনিসের বিরুদ্ধে লড়ে খুব খারাপ কাজ করেছিলেন--এটাই দাবী দেখলাম।
  • Atoz | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৪৪414410
  • মেঘনাদবধে আছে এক যোদ্ধার কথা, তিনি পিছন ফিরে দৌড় দেন নি। যুদ্ধ করতে করতে পিছিয়েছেন। রাজাকে বলছিলেন, "পৃষ্ঠে মোর নাহি অস্ত্রলেখা"।
    কিন্তু ভদ্রলোক কে ছিলেন? রাবণকে যুদ্ধের পরিস্থিতি জানাতে এসেছিলেন যিনি?
  • অর্জুন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৪৪414411
  • ফেসবুকে লেখেন উনি। এখন পুরাণ নিয়ে গবেষণা করছেন। অতীতের ক্রাইম বিষয়ক গ্রন্থের অনেক রেফারেন্স আছে ওর কাছে।
  • একক | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:৩১414409
  • সামনে দিয়েই যদি মারবে তাহলে আর যোদ্ধা আর অপরাধীতে তফাৎ কী রইলো :) :))

    রোহিনী ধর্মপালের লেখা কিছু পড়েছি ফেসবুকে যদ্দুর মনে পড়ছে, পরিচয় নেই, অন্য কেও শেয়ার করেছিল সেই সূত্রে।
  • অর্জুন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:২৫414408
  • পিছন দিয়ে মারার ব্যাপারটা আরেকটু খোলসে করুন। এই পেছন দিক থেকে অ্যাটাক করা ব্যাপারটা খুব আন- ডেমোক্র্যাটিক। মারতে হয় সামনে এসে মারো কারণ আমাকেও আক্রমণের সুযোগ দিতে হবে। আর সত্যিই মরতে হয় তো পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জে মরব।

    ওই দিদির নাম রোহিণী ধর্মপাল। 'আলোচনা চক্র' র কোনো একটা সংখ্যায় বেরিয়েছিল ওর লেখা বছর তিনেক আগে। জেনে বলব। রোহিণী-দির পি এইচ ডি'র বিষয় ও উনিশ শতকের ক্রাইম সংক্রান্ত।
  • একক | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:১২414407
  • @অর্জুন

    কোনোভাবে ওনার লেখা পড়ার সুযোগ পাওয়া যায় ? আমার অপরাধতত্বে বিশেষ উৎসাহ আছে। বই প্রকাশ হলে প্লীজ নাম-পাবলিশার ইত্যাদি শেয়ার করবেন :)
  • Kumu | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৯414405
  • আতোজের পোস্ট পড়ে ন লিখে থাকতে পারলাম না। একদোম ঠিক কোথা।
  • অর্জুন | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৯414406
  • আমার পরিচিত রোহিণী-দি উনিশ শতকের বাংলার ক্রাইমের ধরণ ও ক্রিমিনালদের মনস্তত্ত্ব নিয়ে প্রবন্ধ লিখেছে।
  • একক | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৫414404
  • আমার "নলেজ " মানে শোনা বা দিক ওদিক পড়া। সত্যিকার ক্লিনিক্যাল নলেজ তো ডাক্তারবাবুদের। বিশেষ করে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশনের সঙ্গে যে ডাক্তারবাবুরা পেশাগত ভাবে জড়িত তাঁদের নলেজ এসব ব্যাপারে চোস্ত।
  • Atoz | ০২ আগস্ট ২০১৯ ০০:০৩414403
  • এক ভদ্রলোক বহুদিন ধরেই লম্বা লম্বা প্রবন্ধ লিখে বলে আসছেন, বিদ্যাসাগরের ঠাকুমার আমলেই হাজারে হাজারে পাঠশালে লাখো লাখো মহিলা পড়াশোনা করতেন। অর্থাৎ মহিলাদের শিক্ষার ব্যাপারে আদতে বিদ্যাসাগর কিসুই করেন নি। (আগে এই সাইটেও ভদ্রলোক আসতেন, বহুদিন দেখি না সাইটে। ফেবুতে মাঝে মাঝে দেখতে পাই। তখন দেখি অনেকে গান করেন,"মাঝে মাঝে তব দেখা পাই চিরদিন কেন পাই না?" ঃ-) )
  • অর্জুন | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫৮414401
  • @এলেবেলে, শেষমেশ রামমোহনের উইচ হান্টার হয়ে গেলেন! রামমোহনের নাম শুনলেই উনি চালে কাঁকড় দেখতে পান আর 'রে রে' করে তা ঝেড়ে ফেলতে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

    রামমোহন, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ তিনজনেই গেরুয়া শিবিরের অনেকদিনের নিশানা। কিছুদিন আগেই একজন অভিনেত্রী রামমোহনকে সতীদাহ প্রসঙ্গে ব্রিটিশের চ্যালা বলে গাল পেড়েছে।

    আলটিমেটলি আপনার অনেক জানা, পড়া অ্যানালিসিসও যদি সেই সিধান্তে আসে, তাহলে এই শিবির আপনাকে লুফে নিল বলে কারণ আপনি তাদের পথ পরিষ্কার করে দিতে প্রভূত সাহায্য করলেন।
  • Atoz | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫৮414402
  • রামমোহন আর বিদ্যাসাগর বিষয়ে আলোচনা পড়ে সুকুমারকে মনে পড়ে গেল।
    "পড়িয়া কালের ফেরে মোরা কি হনু রে/ কোথায় বা সে যাজ্ঞবল্ক্য কোথায় বা সে মনু রে "
    ঃ-)
  • Atoz | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫৫414400
  • বিপ্পালকেও বহুদ্দিন দেখা যায় না। ভদ্রলোকের হল কী?
  • অর্জুন | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫২414399
  • @একক, খুনের ব্যাপারে যারা রোমাঞ্চ বোধ করে তাদের কি বলে! যাইহোক, আপনার এ বিষয়ে ক্লিনিক্যাল নলেজ ভাল।
  • | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫১414397
  • মিসিং অরিজিৎ, আয়ারল্যান্ডের একমাত্র তরুণ বাঙালি কবি, বিক্রম ইত্যাদি।
  • Atoz | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫১414398
  • আরে ব্রতীন, শুনলাম তুমি মুলোপার্টি ছেড়ে দিয়েছ? তাহলে আজকাল কাকে নিয়ে আছো? কী নিয়ে আছো?
  • | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৪৯414396
  • এই একটা ব‍্যাপারে প্র‍্যাকটিকাল এক্সপেরিয়েন্স না থাগলে কেউ লজ্জা পায় না
  • Atoz | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৪৮414395
  • নির্মোহ ব কিন্তু ব্রতীনের না, বিপ পালের কয়েনেজ। ঃ-)
  • Atoz | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৪৬414394
  • ওটা মফজ ধিকাই ঃ-)
  • Atoz | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৪৫414393
  • ল্যাম্ব টু দ্য স্লটার।
  • একক | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৪১414392
  • মাথার পেছনে বাড়ি খাওয়া খুবই ইন্টারেটিং ব্যাপার। যদি ধারালো এজ ওয়ালা কিছু দিয়ে মারে যেমন চপার বা চাপাতি তাহলে, তালশাঁস কেটে ফেলার মতো দেখতে স্কাল ইনজুরি হবে সেটা খুবেক্টা ইন্টারেস্টিং না। কেসটা হলো যখন আপনাকে ভোঁতা কিছু দিয়ে জোরে মারবে মারবে মাথার পেছনে। তখন একচুয়ালি হেড ইনজুরি দেখা যায় সামনের দিকে। কেন এরকম হয়, ঘিলু আর খুলির মধ্যে কন্ট্যাক্ট ফোর্স কিভাবে ডিভাইডেড হয় এসব ডাক্তারবাবুরা বলতে পারবেন। তবে ফেনোমেনাটা বেশ ইন্টারেস্টিং। কন্ট্রাকুপ ইনজুরি বলে একে। তবে, সাক্সেসফুলি এরকম হতে হলে ধাঁই করে ব্লান্ট হিট চালাতে হবে, যেভাবে মাঠে বেসবল ব্যাট তুলে চালায়, বুঝতে পারছেন নিশ্চই :)
  • | ০১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৩৬414391
  • দমু মাইরি বতিন কে সিরিয়াস আপনি আজ্ঞে কচ্ছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত