এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কনসিলিয়েরি | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ১১:০২416880
  • তা টেসিও আর ক্লেমেঞ্জাদের লোকে তো ঘেন্না করবেই। যেমন করত কানা অতুল্যকে।
  • Ela | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ১০:৪১416879
  • যত দোষ বিমান বোস
  • Amit | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ১০:৩৩416878
  • সিপিএম কি আর এই যুগের? সেই বিগ ব্যান্গ থেকেই মনে হয় যাবতীয় সব কিছু ভুলের দোষ সিপিএম এর।
  • MAGA | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ১০:২৮416877
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ১০:২৬416876
  • ইয়ে মানে এটার জন্যেও সিপিএম দায়ী??
  • T | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ১০:১০416875
  • আহা, কী কষ্ট।
  • অর্জুন | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৯:২৮416874
  • আমার স্কুল জীবনে ব্যবসাদার পরিবারের সন্তান হওয়া মানে অধিকাংশের চক্ষুশূল। বিজনেস মানেই তাদের বাড়িতে ট্রাঙ্ক ট্রাঙ্ক টাকা এরকম একটা ধারণা আবার তাদের যদি একটা হেড অফিস আর কারখানা থাকে তো হয়েই গেল। এদিকে আমার স্কুল জীবনের ক্লাস ফাইভ অবধি দক্ষিণ ২৪ পরগণায় থাকার দরুন লোকাল ট্রেনে করে দুঃসহ রোজকার যাওয়া আসা। কলকাতায় এলে, প্রথমে স্কুল বাস। কিন্তু পিক আপ ড্রপে এত দেরী হত যে নিজেই বাসে যেতাম। অটো সঙ্গে কোনো অভিভাবক থাকলে। টাকা বাঁচাতে হেটেও ফিরেছি।

    তখন সংস্কৃতিটাই এমন যে যত পারো কষ্ট করো। দাদু বেঁচে থাকতে দিনে দু টাকা পেতাম। পরে সেটা বেড়ে পাঁচ হয়েছিল। ক্লাস নাইনের আগে স্কুলে মনি ব্যাগ, রিস্ট ওয়াচ অ্যালাউড ছিল না। মনিটররা পেলে বাজেয়াপ্ত করত। গার্ডিয়ান কল হত। নাইন থেকে মনি ব্যাগ পেলেও মনে পড়েনা ত্রিশ টাকার বেশী কোনোদিন থাকত।

    মা ক্লাস সেভেন থেকে ইলেভেন প্রায়শই টিফিন বক্স নেবার নেওয়ার বাহানায় ব্যাগ সার্চ করত।

    তখন চ্যায়েনসে সুখ করার সংস্কৃতিটা ছিল না। সেই অভ্যাস এখনও এমন হয়ে গেছে যে উবের বুক করার আগে খালি অটো যাচ্ছে কিনা দেখে বাটন প্রেস করি।

    এটার জন্যেও সিপিএম দায়ী।
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৮:৫২416873
  • এলার কথায় মনে পড়লো। আমাদের স্কুলে একটা ছেলে পড়তো সুমন্ত্র ভৌমিক।
    ওরকম মিটমিটে শয়তান আমি খুব কম দেখেছি। তো একবার কী হল সে একটা ৫০ টাকা নিয়ে স্কুলেে এল। আমরা ষারা তার ক্লোজ ফ্রেন্ড তাদের সিঙারা আর জিলিপি খাওয়ালো। পরে জানা গেল বাবার পকেট থেকে ঝেঁপেছেে। আর যাতে কেউ বুঝতে না পারে তাই ব্লেড দিয়ে পকেট টা কেটে রেখেছে।।
  • অর্জুন | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৮:৪৫416872
  • আমি তখন পঞ্চগণীতে পড়াই। এক কলিগের সঙ্গে আমার খুব বন্ধুত্ব ছিল। সে আমার বেশ কিছু আগেই চাকরি ছেড়ে দেয়। পুনে বাসিনী। একবার উইকএন্ডে পুনে গেলে তার বাড়ি রয়েছি। খুব হার্ড ড্রিঙ্কার সে। সময় ও সুযোগ হলে আমিও। আড্ডা, হাসাহাসি, নিজেদের জীবন নিয়ে মনখারাপ করা, অপছন্দের লোকেদের শ্রাদ্ধ করে হঠাৎ ডিনারের সময় দেখি এত ড্রিঙ্ক হয়েছে যে ডিনার করতে পারছিনা। আধা খেয়ে আরও কিছুক্ষণ গেজিয়ে ঘুমতে গেছি। আমি বাড়ির নীচের তলায় একটা ঘরে। ঘণ্টা খানেক বাদে ভীষণ খিদে পেয়েছে। আমার ঘরের সামনেই ঢাউশ ফ্রিজ। ফ্রিজ খুলতেই আমি তো আনন্দে আত্মহারা। কি নেই? কেক, পেসট্রি, চকলেট, স্ত্রবেরী, জুস, আইস্ক্রিম আরো কত কিছু। আমি তো একটা বড় কেক, কেটে শাটা লাম। সঙ্গে জুস আর চকলেট। তারপর ঘুম, পরের দিন চলে আসা।

    দুদিন পরে ওই কলিগের ফোন, গল্প করতে করতে হেসে সে বলে 'সেদিন কি কাণ্ড জানো? আমাদের সঙ্গে বাবাও ড্রিঙ্ক করেছিল। করে না খেয়ে শুতে গেছে, বোধহয় রাতের বেলা খিদে পেয়েছিল, ফ্রিজ খুলে অর্ধেক খাবার সাফ। আবাকে যখন জিজ্ঞেস করছি, রেগে মেগে পুরো অস্বীকার করছে। বাবা এর আগেও একবার ওরকম করেছে।'

    আমি আর কি বলি! অবশ্য ওদের বাড়িতে দুটো ফ্রিজ ছিল। কিন্তু একই সময় গৃহকর্তা ও তার কন্যার অতিথি একই দুষ্কর্ম করেছিল কিনা বলতে পারব না। ঃ-) ঃ-) ঃ-)
  • Ela | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৮:৩৯416870
  • যাত্রার নামকরা অভিনেত্রী বীণা দাশগুপ্তার ছেলে আমাদের সাথে পড়ত। ক্লাস মনে হয় সেভেন তখন। একদিন তার পকেট থেকে একটা ৫০ টাকার নোট আবিষ্কার হল। অ্যাতো টাকা নিয়ে ঘোরার ফাইন হিসেবে ক্লাসসুদ্ধু সব ছেলে-মেয়ে সেদিন ঐ টাকা দিয়ে ঝালমুড়ি খেয়েছিল। জনা ৬০-৭০ পড়ত ক্লাসে।

    ঐ আটোজ যেমন বলল, ডাক্তার-ইন্জিনীয়ার থেকে শুরু করে আমাদের স্কুলের মালী বাল্মীকিদার মেয়েও সব একসঙ্গেই পড়তাম তখন। সেদিনের ঝালমুড়ি সবাই মিলেই খাওয়া হয়েছিল, এমনকি সক্কলে একমত ছিল যে ফাইনটি যুক্তিগ্রাহ্য, কারণ একসঙ্গে অত টাকা নিয়ে ঘোরাটা একটা অপরাধ।
  • T | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৮:৩৯416871
  • ব্রো, তুমি নিশ্চয়ই রসগোল্লা সাফ করে যোগসর্পের হাঁড়িটি ফ্রিজেই রেখে দাও।
  • abcd | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৮:৩৪416869
  • বেশি রাত জাগতে নেই, মাথা বোদা হয়ে যায়, এগারোটার মধ্যে ঘুম। উঠতে হয় ভোর চারটে থেকে সাড়ে চারটের মধ্যে। রাত আর ভোরের দোলাচল অনেক কিনফিউশন দূর করে। পড়াশোনাতেও খুব মন বসে। বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম কংগ্রেস সবকিছুকেই 'বাল' বলে মনে হয়।
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৮:২৮416868
  • না না টি ডিমের দাম নিয়ে রসিকতা নয়। ২০১০ সালে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে আমি সেই অসাধারণ পদ্দো টি লিখেছিলুম।

    রুমঝুম রুমঝুম রিমঝিম রিমঝিম
    সে দিন ও পাওয়া যেত এক টাকায় দুটো ডিম!!
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৮:২৪416867
  • এই মরেছে। ব্রম্ম চৈতন্য র গেরুয়া নাম কী?

    শিরিশ মহারাজ র ক্লাস করার সৌভাগ্য হয়েছে। ওরকম অসাধারণ টিচার জীবনে খুব বেশি পাই নি। যেমন পন্ডিত তেমন অসাধারণ শিক্ষক। আর সব থেকে বড় কথা একেবারে মাটির মানুষ।
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৮:১৮416866
  • ইয়ে মানে আমি এখনো মাঝে মাঝে মুঠো মুঠো চিনি খাই ( কোন মিষ্টি না পেলে)।
    আমার সোজা হিসেব। যতদিন না সুগার ধরছে মস্তি করে
    নাও।
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৮:১৫416865
  • আমরা যখন পাস করেছি (৯৯)তখন ২৫ পয়সা করে রসগোল্লা (এখনকার ৫ টাকা সাইজের)। ১০ পয়সা চা, ২।৫০ টাকা ফ্রায়েড রাইস। লেকজন ৮/১০ টা রসগোল্লা দিয়ে লাঞ্চ সারতো। পরেও অনেক বার গেছি ২৫ পয়সাই আছে তবে সাইজ ছোটো হয়ে গেছে
  • | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৮:০৯416864
  • বা বা অর্জুনের সাথে আমার ও মিল আছে। বেশির ভাগ দিন ই অনেক রাত অবধি জাগি।তাই খানিকটা পরে নীচে নেমে ফ্রিজ হাঁটকাই। রসোগোল্লা, সন্দেশ পান্তুয়া ( মায়ের জন্য মিষ্টি কেনা থাকে) যা পাই চুপচাপ সাফ করে দি। একান্ত কিছু না পেলে চা করার গুঁড়ো দুধ!!
  • T | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৮:০১416863
  • এককেজি আলু, লঙ্কা আর চারটে ডিম।
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৭:৩৮416862
  • ৯১-৯২ সালে দশটাকায় কী কী কেনা যেত? হয়তো আলু-লঙ্কা-পেঁয়াজ ইত্যাদি হয়ে যেত। কুচোমাছ। কয়েকটা ডিম।
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৭:৩৫416861
  • এক খুব সাবধানী আত্মীয় ছিলেন, তিনি মাইনের টাকা আপিসের ড্রয়ারেই রেখে চাবি দিয়ে আসতেন। অল্প অল্প করে বাড়ি নিতেন যখন যা দরকার হয় সেইভাবে।
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৭:৩২416860
  • আরে ঠাকুমাকে তো পুজোর জামাগুলোর দাম বেশ অনেক কমিয়ে টমিয়ে বলতে হত, নইলে বৃদ্ধা মনে হয় মূর্ছা যেতেন দুনিয়ার কী হল ভেবে।
  • Ela | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৭:০৪416859
  • পুরোনো কালের অথবা নিজেদের ছোটবেলার দাম নিয়ে এত পোস্ট দেখে একটা গল্প বলার লোভ সামলাতে পারছি না।

    দাদার এক বন্ধুর বাবা, ভদ্রলোক ছিলেন বিসিএস অফিসার। তখনও সরকারি চাকুরেদের মাইনে হাতে হাতে দেওয়া হত, অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফারের গপ্প তো এই সেদিন শুরু হল। আমাদের স্কুলের এক শিক্ষক পকেটমারের ভয়ে মাইনের দিন ফুলহাতা শার্ট পরে আসতেন যাতে হাতার এক-একটা ভাজে ভাজে (ফোন থেকে নো চন্দ্রবিন্দু) নোট লুকিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, যা হোক সে অন্য গল্প।

    এবার এই বিসিএস ভদ্রলোকের একমাসের মাইনেটি বাড়ি ফেরার পথে পকেটমারি হয়। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ি ফেরার পর তাই নিয়ে উত্তেজনা, রাগারাগি (কোনদিকে খেয়াল থাকে), হাহাকার (সারা মাস এখন কী করে চালাবো) ইত্যাদির একটা ঝড় বয়ে গেল, আবার একসময়ে থিতিয়েও গেল, যেমন হয়ে থাকে আর কি। বন্ধুর দাদু চুপচাপ পুরোটা শুনে ঘরে চলে গেলেন, যাওয়ার আগে বৌমাকে বলে গেলেন, আজ রাতে কিছু খাবো না, ডেকো না।

    পরদিন সকালে চা খাওয়া হলে ছেলে আর বৌমাকে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন, দেখো অত চিন্তা কোরো না। আমি কাল রাতে সব দিক ভেবে ঠিক করেছি, এই মাসটা আমিই চালিয়ে নেব, আমার পেনশন থেকেই সব হয়ে যাবে। এই বলেটলে, কোনও আপত্তিতে কর্ণপাত না করে দেরাজ থেকে দশটা টাকা নিয়ে ছেলের হাতে দিয়ে বললেন, “যা ভাল করে বাজার কর, ভাল মাছ আনবি, অন্তত দু-তিন রকম, ছোট বাচ্ছাগুলো আশা করে আছে (মাইনের পরদিন বাড়িতে একটু স্পেশ্যাল খাওন-দাওনের ব্যবস্থা থাকত, ‘ছোট বাচ্ছারা’ অবশ্য সব কলেজে তখন)। আর ফুরিয়ে গেলে বলিস, আবার দিয়ে রাখব’খন।”

    এটা মনে হয় ১৯৯১ কি ৯২ সাল। হাসাহাসির উপর দিয়েই ব্যাপারটা গিয়েছিল। এখন হলে বোধহয় মারামারি হয়ে যেত।
  • S | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৩:৫০416858
  • লসাগুদা, হাইস্কুলের মাইনে আলাদা করে পাওয়া যাবে?
  • S | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৩:৪৯416857
  • পাবলিক পলিসির একাধিক পেপারে পড়েছিলাম যে আমেরিকাতে সরকারি কাজে বেসরকারির থেকে মাইনে বেশি।
  • lcm | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৩:৪১416856
  • ইউএসএ-তে টিচার স্যালারি - ন্যাশন্যাল অ্যাভেরেজ ৩৮,০০০ ডলার (প্রসঙ্গত, ইউএস জিডিপি পার ক্যাপিটা ইনকাম ৫৬,০০০ ডলার)। একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল ইউএসএ-তে পাবলিক স্কুলের টিচারদের মাইনে প্রাইভেটের থেকে বেটার, স্কুল মানে K1-12 গ্রেড, কলেজ নয়।
  • একক | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৩:২১416855
  • রাতেরবেলা খাবার চোরি সে ইয়াদ আয়া, আমার দাদুর বাপের কৃষ্ণপক্ষ ও শুক্লপক্ষ ছিলেন। প্রকৃতই একজন শ্যামা ও শৃঙ্গী এবং অপরটি নামেও শ্বেতবরণী। তো এই শ্বেতবরণীর এক বাল্যবিধবা বোন, তাঁর কথা আরকি। ভদ্রমহিলা খুবই হাসিখুশি ছিলেন কিন্তু স্বামীর মৃত্যুর ঘটনাটি বলতে গেলেই বড় আতান্তরে পড়তেন। সে ঠিক বর হারানোর দুঃখে নয়, মিনসেকে দেখেছেন মাত্র দুই দিন, তৃতীয়দিন মধ্যযামে সেই অস্টাদশবর্ষীয় অলপ্পেয়ে ছোঁড়া, সদ্য শ্বশুরবাড়ির রান্নাঘরে গিয়ে এক ঝুড়ি মাছভাজা চুরি করে খায়। সারাদিন বাড়ির পুকুরে জাল টানা দেকেছিলো জুলজুল করে। যাই হোক, ভোর থেকে বমি এবং বাঁচানো যায়নি। তো, এই বরের মাছ চুরি করার নিদারুন ও হাস্যকর স্ক্যান্ডাল, রসিকা মহিলা সারা জীবন ভাইপো -বোনঝি দের সঙ্গে গপ্পো করেছেন, কখনো যেচে, কখনো জিজ্ঞেস করলে, হাস্তে হাসতেই, অদৃষ্টকে দুটো গাল পেড়ে হয়তো !
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০৩:০৫416854
  • আরে চন্দ্রযানের কী হল? কোনো আপডেট?
    ওদিকে পিসি বলেছেন দীঘায় তিনি জগন্নাথমন্দির বানাবেন। ঃ-)
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০২:৩৭416853
  • আরে ইলেট্রোস্ট্যাটিকের আবার ফীডব্যাক কী? ও তো স্ট্যাটিক জিনিস! নড়ে না, চড়ে না, ওড়ে না। চিলনী মায়ের মেয়ের জবানিতে, "ওড়োও না, পোড়োও না, আমার স্মরণও করো না।"
    ঃ-)
  • Atoz | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০২:২৩416852
  • দেখুন এলেবেলে, মাস্টেররা চিরকালই গরীব। তাঁরা যখন বড়লোক হন, তখন আশেপাশের বেশিরভাগ লোকই আরো বেশি বড়লোক হয়ে যান। তাই হরেদরে ব্যাপারটা একই থেকে যায়।
    তবু মাণিক বন্দ্যোর গল্পগুলোতে যেরকম অবস্থা দেখা যায় মাস্টেরদের, সিপিএম আমলে সেই অবস্থার থেকে যে বের হয়ে আসা সম্ভব হয়েছিল, সেটা তো সত্যি।
    আমার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ছিলেন রোগাভোগা ইশকুল মাস্টার, সেই ব্রিটিশ আমলের ভারতে। অধুনা বাংলাদেশের লাখপুর শিমূলিয়া অঞ্চলের একটি সদ্যপ্রতিষ্ঠিত ইস্কুলে তিনি বাংলার শিক্ষক ছিলেন। তখন গত শতকের কুড়ির দশক। মাইনে পেতেন মাসে পনেরো টাকা। জমিজমা কিছু ছিল, ভিটেবাড়ি ছিল, তাই কষ্টেসৃষ্টে চলে যেত। তিনি আবার ভাবুক মানুষ, কবিতা টবিতা লিখতেন, সংসার যে কীভাবে চলে সেই নিয়ে তেমন ধারণা ছিল না। তাঁর স্ত্রী সবদিক সামলে সুমলে সংসার চালাতেন, ছেলেপিলে মানুষ করতেন আর উদ্দাম গালাগাল দিতেন ভদ্রলোককে। আসলে সেসব ছিল নিন্দাচ্ছলে স্তুতির মতন গালাগালির ছলে প্রেম। ভদ্রমহিলা স্বামীর কবিত্বে একেবারে যাকে বলে তাব্ধা হয়ে ছিলেন সারাজীবন। ঃ-)
  • Du | ২৪ আগস্ট ২০১৯ ০২:১৬416851
  • টিএমসি আমলে গরীব স্কুলমাস্টার উঠে গিয়েছে। দুলাখ টাকা নগদে কোন গরীব বা স্কুলমাস্টার হতে পারবে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত