এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অর্জুন | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:৪১418110
  • বলতে পারব না।
  • এলেবেলে | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:৩৫418109
  • এ তো দেখছি আচ্ছা বিপদ! বারবার বলছি আপনার পছন্দের ভূমিকা লেখকরা সে ব্যাপারে কী লিখেছেন তার আগামাথা কিছুই জানিনা। অরুন্ধতী সম্পর্কেও ততোধিক অজ্ঞ। তাই জিগ্যেস করছি তাঁরা সে ব্যাপারে ঠিক কী (মানে কী) বলেছেন তা যদি অধমকে জানান তবে সে বিস্তর খুশি হয় আর কি। তা না, তকুন থেকে নাক কাটা গোঁসাই, জজ ইত্যাদি বলেই চলেছেন!! বলেন না ওজ্জুন ওই আশিস নন্দী কী বলেছেন 'ডিসকোর্স'-এর ব্যাপারটায়।
  • অর্জুন | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:২৩418108
  • @পিটি বাবুরও দেখা নেই। কাল উনিও কারণ জানতে চেয়েছিলেন।

    @খ বাবুও বেপাত্তা।
  • অর্জুন | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:২১418107
  • ২৪ ঘণ্টার ওপর হয়ে গেল তাও আপনার পাত্তা নেই কেন, ভাবছিলাম এবং এখুনি সেটা লিখতাম। একদম পায়ে পায়ে আপনি জজ বাবু হাজির। আপনার শতবর্ষাধিক পরমায়ু হোক।

    তবে এত রাতে বেশী হাসলে পেট ব্যথা উঠতে পারে। একটু রয়ে সয়ে।

    আমি মনে করি আমি প্রকাশক। 'অ্যানিহিলেশন অব কাস্ট' আমি পুনঃপ্রকাশ করব উইথ আ ওয়েল রিটেন ইট্রোডাকশন তখন আমার উল্লেখ করা নামগুলো থেকেই কাউকে বাছব। অরুন্ধতী রায়কে নয়।

    আমি লেখা, গবেষণা ও অ্যানালিসিস সম্পর্কে ওয়াকিবহাল আমি তো তাদেরই রাখব তাই নয় কি!

    এখন সেটা যদি লোকের হাসির খোরাক হয়, তবে হবে!

    আমার কিছু এসে যায়না।
  • ন্যাড়া | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১৫418105
  • সমষ্টিগত মানবিকতার ওপর বেশিদিন ভরসা করা যায়না। আশ্রয়কারীর ইকনমিক ইন্টারেস্ট আছে। আশ্রয়দাতার নেই। অন্ততঃ শর্ট টার্মে নেই। যদ্দিন না এই ইকনমিক ব্যালেন্স ম্যাক্রো লেভেলে সলভ করা যাবে আশ্রয়দাতা আর আশ্রয়কারীর টানাপোড়েন ও চোরা অপছন্দ চলতেই থাকবে।
  • S | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:১৫418106
  • ঈশান্ত শর্মা রিভার্স সুইপ মারছে, এই দিনও দেখতে হলো।
  • S | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৬418104
  • সেরেছে ঈশান্ত শর্মা টেস্টে ফরেন পীচে হাফ সেন্চুরি করলো?
  • b | ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৪418103
  • এই দর্শীবাবু কি ঘটি? এসব কথা বল্লে তো বিজেপি-র পেন্টুল হরিদ্রাবর্ণ ধারণ করবে।
  • অর্জুন | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫৯418102
  • এটা একটা অদ্ভুত মানসিকতা। যখন কেউ রেফিউজি এবং এক চিলতে আশ্রয়ের জন্যে হন্যে হচ্ছে, কিছুকাল পরেই সে একটু মাথা গোঁজার জায়গা পেলে আরও পরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে সেই জায়গায় অন্য কেউ রেফিউজি হয়ে এলে সে সবার আগে বাধ সাধে। লীলা মজুমদারের বইতে আছে তার বাড়ির পরিচারিকা আমোদিনী জনম দুঃখিনী, কোথাও যাবার জায়গা ছিল না। তাই মজুমদারের পরিবারেই তার শেষমেশ স্থান হয় কিন্তু ওই লীলা মজুমদারদের এক আত্মীয়া যখন তার নাবালিকা মেয়েদের নিয়ে তাদের বাড়ি আশ্রয় নেয় তখন এই আমোদিনীর নাকি পিত্তি জ্বলে গেছিল এবং যখন তখন অসহযোগিতা করে বসত এবং গৃহক্ত্রীকে পরামর্শ দিতে ওদের অন্যত্র ব্যবস্থা করে দিতে, যত উটকো ঝামেলা!
  • এলেবেলে | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৫৭418101
  • প্পোচুর কাকুতিমিনতির পরেও গান্ধী-আম্বেদকর 'ডিসকোর্স' সম্পর্কে জানতে চেয়ে মোদ্দা যে ব্যাপারটা জানা গেছে তা এইরকম ---

    // আমি বি আর আম্বেদকরের 'অ্যানিহিলেশন অব কাস্ট' বইটির পুনঃপ্রকাশিত সংস্করণে 'ভূমিকা' লিখিয়েদের যে তালিকা দিয়েছিলাম গতকল্য তাদের অরুন্ধতী রায়ের তুলনায় কেন যোগ্য মনে করেছি তার ফিরিস্তি দিয়েছি গতকল্যই কিন্তু আমার উল্লিখিত লিখিয়েরা কেন সুযোগ্য তা জানাইনি।

    ১ আশিস নন্দী- সুপরিচিত সমাজতাত্ত্বিক। গান্ধী ও আম্বেদকরকে নিয়ে তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজ আছে অনেক।

    ২ অমর্ত্য সেন- অর্থনীতিবিদ হয়েও ইতিহাস নিয়ে বহুকাল চর্চা করেন এবং তার কিছু বই যথা 'আরগুমেন্টেটিভ ইণ্ডিয়ান ' সর্বজন মহলে সমাদৃত। সুলেখক

    ৩ যোগেন্দ্র যাদব- পলিটিক্যাল সায়েন্সের অধ্যাপক। প্রাবন্ধিক ও সুলেখক। গান্ধী, আম্বেদকর নিয়ে তাঁর বিস্তৃত গবেষণা আছে।

    ৪ রামচন্দ্র গুহ- সুপরিচিত ইতিহাসবিদ। গান্ধী নিয়ে অজস্র বইয়ের লেখক, প্রায় সব কটাই সমাদৃত

    ৫ গোপালকৃষ্ণ গান্ধী- সুলেখক, প্রাবন্ধিক। পিতামহকে নিয়ে কয়েকটি মনোজ্ঞ বই লিখেছেন।

    আশা রাখি আমার নাক কাটবার গোঁসাইগণ এবার খুসী হবেন। //

    আমি যদিও নাক কাটবার গোঁসাই নই, কিন্তু মাইরি বলছি এ ব্যাখ্যা পড়ে আমার কুলকুলিয়ে হাসি পাচ্ছে তো পাচ্ছেই, থামার নাম অবধি নিচ্ছে না। আরে মোয়ায়, একে পাতি বাংলায় বলে নেমড্রপিং। আশিস নন্দীর 'গান্ধী ও আম্বেদকরকে নিয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ' বা যোগেন্দ্র যাদবের 'গান্ধী, আম্বেদকর নিয়ে বিস্তৃত গবেষণা' কিংবা রামচন্দ্র গুহ যিনি কিনা 'গান্ধী নিয়ে অজস্র বইয়ের লেখক, প্রায় সব কটাই সমাদৃত' সম্পর্কে, বিশ্বাস করুন, আমি বিন্দুবিসর্গ জানি না। তাই তো বারে বারে আপনাকে জিজ্ঞাসা করে জানতে চাইছি এই বিষয়টায় ঠিক কী মত তাঁরা রেখেছেন বা লিখেছেন? এ তো দেখি আজব কালেকশন!
  • র২হ | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৪৫418100
  • কোনদিনই কি শিখবে? আজ যারা বাগানবাড়ি হারিয়ে গেল বলে লাফাচ্ছে, তারা পবঙ্গের হিন্দু বিরাদর কেমন বাঙাল রিফ্যুজিগুলির জন্যে কলকাতা ছারখার হয়ে গেল বলে নাক সিঁটকেছিল সেসব ভুলে গেছে।

    আজও লোক বাঙালের পিঠে তারকাঁটার দাগ বলে তামাশা করে সেটাকে রসবোধের পরাকাষ্ঠা ভাবে।
  • S | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ২৩:৪১418099
  • রিফিউজিদের দুরবস্থার কথা কবে যে লোকে ভাবতে শিখবে? রিফিউজিরা পার্পেট্রেটার নয়, ভিক্টিম।
  • অর্জুন | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ২২:২১418098
  • ওদের জ্ঞাতি গুষ্টি আছে এখনো বাড়িতে। এর অবস্থা ভাল। শ্রীনগরে নিগিন লেকের কাছে বাড়ি। কিন্তু ওখানে ওর শালের ব্যবসা চালানো অসম্ভব আর কলকাতায় গত ১১-১২ বছর ধরে বছরে ২-৩ বার আসে। এখানে বাড়ি ভাড়াও পেয়ে গেছে। আমি বললাম কলকাতায় কি ব্যবসা ভাল জমবে ? মুম্বাই, দিল্লী, অন্য কোথাও তো দেখতে পারো। বলল নর্থ ইণ্ডিয়ায় কলকাতা ছাড়া আর কোনো জায়গা ওদের পক্ষে সেফ নয়।

    শ্রীনগরে মিলিটারি বাড়ি বাড়ি উইচ হান্টিংয়ে বেরোচ্ছে। প্রতিবাদ নাকি হয়েছিল। কিন্তু গুলি চলায় এখন কেউ বাড়ি থেকে বেরোতে চায়না।
  • S | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ২১:৪৪418097
  • কোনটা কারণ তাহলে?
  • Ram | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ২১:৪২418096
  • কারণ যাই হোলনা কেন, ঠিক যেভাবে কাশ্মীরি শালওয়ালা কলকাতায় পরিবার নিয়ে এসে সেটল করর অধিকার দেখাতে পারে, বাকি ভারতও যাতে সেই অধিকার কাশ্মীরে প্রয়োগ করতে পারে তার জন্যই তো ৩৭০ রদ।
  • ১২৩৪৫৬৭৮৯০ | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ২১:৪০418095
  • স্থানীয় কাশ্মিরীদের এই ঘরবাড়ি জমি জিরেত ফেলে পালিয়ে যাওয়াটাই ভবিতব্য ও কাঙ্ক্ষিত ছিল। "উন্নয়ন"এর জন্য শিল্পপতিদের প্রয়োজনীয় "স্পেস" দিতে হবে তো!
  • অর্জুন | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ২১:২৬418094
  • আজ আমার কাশ্মীরি শালওয়ালা এসে এসে হাজির। ওর সঙ্গে এবার যোগাযোগ করে উঠতে পারিনি। ওর ঠিকানা নিয়ে যাইনি আর কলকাতার নম্বর ওখানে কাজ করেনা। বেচারা লাদাখ পালিয়ে গেছিল। শুনলাম ওখানকার খবর। বলল এখান থেকে বসে আন্দাজ করতে পারবেনা। মিডিয়া কিছুই দেখাচ্ছেনা। ওখানে কোনো রোজগার নেই। এবার ফ্যামিলি নিয়ে চলে এসেছে ফ্লাইটে। আমাকে এখানে স্কুলের কথা জানতে চাইল।
  • T | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ২১:১৮418093
  • অ্যাঃ, ভাটে ওই রামপাঁঠাটার লেখা পোস্ট হচ্ছে!
  • পব বিজেপি | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ২০:৩৭418092
  • লিখেছেন প্রখ্যাত/কুখ্যাত ভাজপা ব্লগার দীপ্তরূপ সাম্যদর্শী-

    "অসমের এনআরসিতে উনিশ লাখ বাংলাদেশী পদাহত। আমি অত্যন্ত খুশী। বাংলাদেশীদেরও ধর্মহীন ট্রাকের মতোই কোন ধর্ম থাকতে পারে না। ওখানে অত্যাচারিত হবার কথা আগে মনে পড়েনি যাদের, এমনকি ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হবার পরও, এপারে আমাদের দেশে ঢুকে আমাদের ইকোনমির উপর চাপ বাড়ানো, আমাদের কর্মসংস্থান লুটে নেবার কোন অধিকার তাদের থাকতে পারে না। পারে না মানে, পারে না।
    ভারত গরীব দেশ। নিজে খেতে না পেয়ে দরিদ্রনারায়ন সেবার খোয়াব না দেখাই মঙ্গল। বাংলাদেশীদের বুঝতে হবে তাদের এক ও একমাত্র পরিচয় তারা বাংলাদেশী। এবং তারা আমাদের দেশে আমাদের মতো মানুষের কাছে ওয়েলকাম নয়। ছেচল্লিশ, চৌষট্টি ইত্যাদি সময়ে উত্তাল কর্তিতাঙ্গমথিত হয়েও যাদের প্রেম একটুও কমেনি, ওখানে তনুহ্রদ পেতে রয়ে গেছিল, তারা পরে মারা খেলে ভারতকে ধর্মশালা ভেবে গরুর পালের মত ঢুকে পড়ে আমাদের হকের জায়গা মারবে, এটা মানা সম্ভব না। সারাদেশে এনআরসি চাই। কোন ধর্ম টর্ম দেখার দরকার নেই। উদ্বাস্তু হয়ে এলে উদ্বাস্তু কার্ড নিয়ে থাকবে। সেইমতো আইন হোক। চেকিং হোক। ওখানে গুছিয়ে এখানে এসে চারতলা বাড়ি তোলা যাবে না। সে ধর্ম যাই হোক।
    ওখানে এতদিন প্রেম করেছ। দ্যাশের বাড়ি তোমাগো। তো এখানে কি? ভারতকে খিস্তানোর সময় তো ভাইজানদের আগে থাকো হে।
    আমার জমিতে কেউ লুকিয়ে ঢুকে জবরদখল করে পঞ্চাশ বছর কাটিয়েছে মানেই আমার জমি তার হয়ে যেতে পারে না। ভাগ ওরা করেছে, প্রেম ওরাই করেছে। ফিরতেও ওদেরই হবে। না ফিরলে ভোটের সুবিধা কাড়া হোক, সরকারি সুযোগ বন্ধ হোক। ব্যস। মানুষের উপর দরদ নেই। জমি খেতে দেয়। জমির উপর আছে।
    অসমীয়াদের সাহসিকতার প্রশংসা করছি। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালীরও ওরকম সাহস হোক। বাংলাদেশীদের ঘাড় ধরে আমাদের জমি থেকে সরানো হোক।
    এখানেও এনআরসি চাই।"
  • মৃত্যুমিছিল চলছে চলবে | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ১৮:০৪418090
  • #NRC
    চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর প্রথম অঘটন !
    স্বামী ও পুত্রের নাম বাদ পরায় তেজপুরে মহিলার আত্মহত‍্যা
  • ব্যুমেরাং | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ১৬:৪৮418089
  • গুয়াহাটি: শনিবার অসমের জাতীয় নাগরিকপঞ্জীর(NRC) চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তারপরেই সমালোচনায় সরব হয়েছে রাজ্যের শাসকদল বিজেপি। তাদের বক্তব্য, অনেক প্রকৃত নাগরিকই তালিকার বাইরে রয়েছেন, বিশেষ করে যাঁরা ১৯৭১ এর আগে বাংলাদেশ থেকে এদেশে এসেছেন। একাধিক ট্যুইটে অসমের মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা লেখেন, “১৯৭১ এর আগে যাঁরা বাংলাদেশ থেকে শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশ থেকে এসেছিলেন,. সেরকম অনেক নাগরিকেরই নাম বাদ পড়েছে, কারণ, শরণার্থী শংসাপত্র গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ”। অসমের বিজেপি নেতাদের মধ্যে, আগে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, NRC এর ওপর তাঁর কোনও বিশ্বাস নেই, এবং তিনি মনে করেন না যে, এর ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সরানো যাবে।

    শনিবার সকালে প্রকাশিত হয় জাতীয় নাগরিকপঞ্জী তালিকা, তাতে বাদ পড়েছেন ১৯ লক্ষ মানুষ। এবার তাঁদের লড়াই করতে হবে এবং প্রমাণ করতে হবে, বহু দশক ধরেই অসমে বাস করছেন তাঁরা। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁদের বিদেশী বলে এখনই চিহ্নিত করা হবে না, ফরেনার্স ট্রাইবুনাল এবং আদালতে লড়তে পারবেন তাঁরা।

    এনআরসি-র পরে, বিজেপি ইঙ্গিত দিয়েছে, নাগরিকত্ত্ব সংশোধনী বিল আনবে তারা। NDTV এর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে, বিজেপি বিধায়ক শিলাদিত্য দেব অভিযোগ করেন, এনআরসি, “ হিন্দুদের বিতাড়িত করে মুসলিমদের সাহায্য করার অংশ”।

    শিলাদিত্য দেব বলেন, “অধিকার সুরক্ষার জন্য, নির্ভুল এনআরসি চেয়েছিল মানুষ, তবে সেটা হয়নি...মনে হচ্ছে এটা হিন্দুদের বিতাড়িত করা এবং মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের বৈধতা দেওয়ার একটা ষড়যন্ত্র”।

    অসম NRC-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত, ঠাঁই পেলেন ৩.১ কোটি মানুষ: ১০ টি তথ্য

    তাঁর প্রশ্ন, “যখন অসম চুক্তি হয়েছিল, সেই সময় মনে করা হয়েছিল, প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশী মানুষ রয়েছেন, এখন তাঁরা কোথায় যাবেন”।

    তিনি মনে করেন, এনআরসি সফটওয়্যার স্ক্রুটিনি করা প্রয়োজন, কারণ সেটি একটি বেসরকারি সংস্থা করেছে এবং তাতে সরকার যুক্ত ছিল না।

    তিনি বলেন, “এখন নাগরিকত্ত্ব বিলের মাধ্যমে হিন্দুদের সুরক্ষিত করবে বিজেপি। আমরা খুব দ্রুতই এটা আনব”।

    নাগরিকত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করতে, ১৯৭১ মার্চের আগে ফিরে যেতে হয়েছিল অসমের বাসিন্দাদের, সেই সময় পাকিস্তান থেকে ভাগ হওয়ার পর, এদেশে চলে আসেন।

    নাগরিক পঞ্জীর বিষয়টি নজরে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের জন্য আরও সময় চেয়ে আবেদন করেছিল সরকার, যদিও সেই আবেদন খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত।

    সম্পর্কিত খবর
    "শুধু অসম কেন! সংসদেও তবে NRC হোক!” কেন্দ্রকে আক্রমণ অধীর রঞ্জন চৌধুরীর
    NRC তালিকায় নাম নেই বিরোধী দলের বিধায়কের
    NRC সম্পর্কে জেনে নিন এই পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
    ‘দিল্লির অবস্থা ভয়াবহ, আমরা NRC লাগু করবো’: বিজেপির মনোজ তিওয়ারি
    Assam NRC Website বিকল, সেবা কেন্দ্রগুলিতে তালিকা দেখার দীর্ঘ লাইন

    Uncertainty For 19 Lakh Left Out Of Assam Citizens' List NRC: 10 Points
    "Conspiracy To Keep Hindus Out": Assam BJP Leaders Unhappy With NRC List

    https://www.ndtv.com/bengali/assam-nrc-final-list-assam-bjp-leaders-unhappy-with-nrc-list-saying-conspiracy-to-keep-hindus-out-2093516
  • S | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ১৫:১৮418088
  • "আজ যখন ১৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ পড়েছেন, যাদের মধ্যে একটা বড় অংশই বাঙালি হিন্দু, এবং এনআরসি-ছুটদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক বাঙালি মুসলমান, গোর্খা, দলিত, আদিবাসী এমনকি অসমিয়া ভাষীরাও আছেন"

    মনে হচ্ছে ভেতর থেকে কেউ একটা গন্ডগোল করে এই অবস্থাটা করে দিয়েছে (বাঙলায় যাকে কাঠি করা বলে)। বিজেপির এবারে অনেক ব্যথা আছে। আসাম আর বাঙলা দুতই হাতছাড়া হতে পারে। গুড ওয়ার্ক।
  • নাগরিকপঞ্জি বিরোধী যুক্তমঞ্চ | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ১৫:১০418087
  • নাগরিকপঞ্জি প্রক্রিয়াটাই অযৌক্তিক, অবিলম্বে বাতিল করা উচিৎ

    অসমে আজকে প্রকাশিত নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত তালিকায় ১৯ লক্ষের বেশি মানুষের নাম বাদ পড়ায় গোটা প্রক্রিয়ার অযৌক্তিক এবং জনবিরোধী চরিত্রটাই উন্মোচিত হয়েছে। এই নাগরিকপঞ্জি প্রক্রিয়া নাগরিকত্ব প্রমাণের বোঝাটি অসমের সমগ্র জনসংখ্যার উপরে চাপিয়ে দিয়ে গত চার বছর ধরে জনগণকে অশেষ দুর্ভোগ দিয়েছে। অসমের মতন একটি গরীব এবং বন্যাপ্রবণ রাজ্যে যে লক্ষ লক্ষ মানুষ ২৪ মার্চ ১৯৭১-এর আগের থেকে তাদের বা তাদের পূর্বপুরুষদের ওই রাজ্যে বসবাসের প্রমাণ জোগাড় করতে পারবেন না, এটা জানাই ছিল। এই ভ্রান্ত প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়ে রাষ্ট্রহীন করে দেওয়া হবে সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারগুলির চূড়ান্ত অবমাননা।

    ২০১৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট এই অযৌক্তিক প্রক্রিয়া শুরু করার সময়েই কেন্দ্রীয় সরকার ও সংসদের হস্তক্ষেপ করে এটিকে বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ ছিল। তা না করে মোদী সরকার দেশজুড়ে "বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারিদের" তাড়িয়ে দেওয়ার সাম্প্রদায়িক প্রচারেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আজ যখন ১৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ পড়েছেন, যাদের মধ্যে একটা বড় অংশই বাঙালি হিন্দু, এবং এনআরসি-ছুটদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক বাঙালি মুসলমান, গোর্খা, দলিত, আদিবাসী এমনকি অসমিয়া ভাষীরাও আছেন, তখন অসমে বিজেপি সরকারের নেতা মন্ত্রীরা নাগরিকপঞ্জির বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেছে। এই ধরণের রাজনৈতিক ভণ্ডামি সত্যিই নজিরবিহীন।

    কেন্দ্রীয় ও অসমের রাজ্য সরকার মিলে ওই রাজ্যে ৪০০ 'বিদেশি ট্রাইব্যুনাল' গঠন করছে যেখানে তারা ১৯ লক্ষের বেশি এনআরসি-ছুট মানুষদের নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য আগামী ১২০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে বলছে। ট্রাইব্যুনাল কাউকে বিদেশী ঘোষণা করলে তাদের ডিটেনশন সেন্টারে বন্দী করা হবে। এই ভাবে বিপুল সংখ্যক নিরীহ মানুষকে কারারুদ্ধ করা হলে তা হবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জঘন্যতম নিদর্শন। একটি সাংবিধানিক গণতন্ত্রে এই রাষ্ট্রীয় নৈরাজ্য কিভাবে অনুমোদিত হতে পারে?

    নাগরিকপঞ্জি বিরোধী যুক্তমঞ্চ মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট, কেন্দ্রীয় এবং অসম রাজ্য সরকার, ভারতীয় সংসদ এবং অসম রাজ্য বিধানসভার কাছে এই নিষ্ঠুর গণ-নির্যাতনের প্রক্রিয়াকে অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছে এবং ১৯ লক্ষেরও বেশি এনআরসি-ছুট মানুষদের প্রত্যেককে ধর্ম-ভাষা-জাতি-বর্ণ নির্বিশেষে ভারতের নাগরিকত্ব প্রদান করার আবেদন জানাচ্ছে।

    নাগরিকপঞ্জি বিরোধী যুক্তমঞ্চ পশ্চিমবঙ্গে কোনও ধরনের নাগরিকপঞ্জি প্রক্রিয়া চালু করার বিরুদ্ধে রাজ্য বিধানসভায় প্রস্তাব গ্রহণের দাবি জানাচ্ছে। আমাদের রাজ্যে যেখানে দেশভাগের পর থেকে লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তু এসে আশ্রয় নিয়েছে, সেখানে এই ধরনের নাগরিকপঞ্জি প্রক্রিয়া মারাত্মক প্রণাম ডেকে আনবে। নাগরিকপঞ্জি বিরোধী যুক্তমঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারের আনা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলেরও তীব্র বিরোধিতা করছে কারণ তাতে মুসলিম উদ্বাস্তুদের ভারতীয় নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করার কথা বলা আছে যেটা স্পষ্টতই ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান-বিরোধী।

    এই দাবিগুলিকে সামনে রেখে নাগরিকপঞ্জি বিরোধী যুক্তমঞ্চ আগামী সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, 2019, দুপুর আড়াইটা থেকে কলকাতার অসম ভবনের সামনে একটি প্রতিবাদ বিক্ষোভের আহ্বান জানাচ্ছে।

    Joint Forum against NRC
    নাগরিকপঞ্জি বিরোধী যুক্তমঞ্চের
    পক্ষ থেকেঃ

    প্রসেনজিৎ বসু, ইমতিয়াজ আহমেদ মোল্লা, রতন বসু মজুমদার, সুদীপ ব্যানার্জি, শক্তি মণ্ডল, বিপ্লব ভট্টাচার্য, আব্দুল মালেক মোল্লা, রূপকথা বসু, প্রদ্যোত নাথ, দেবর্ষি চক্রবর্তী

    কলকাতা, ৩১.০৮.২০১৯
  • Santanu | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ১৫:০৬418086
  • ফার্স্ট ড্রাফট এ ১.৯ কোটি, সেকেন্ড ড্রাফটে ২.৯ কোটি, আজ ৩.১ কোটি, এর পর আইন আদালত করে বাকি উনিশ লাখ ও ঢুকে যাবে।
    Furious after seeing only 19,06,657 people out of the NRC, Abhijeet Sharma of Assam Public Works — on the basis of whose petition, the Supreme Court ordered the NRC to be updated — said, "Where is the figure of 80 lakh foreigners? We had always warned that NRC state coordinator Prateek Hajela should not be trusted.
  • S | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ১৪:৩৯418085
  • কিন্তু তাইলে তো পব বিজেপির হাতছাড়া হল বলে। দিদি চেঁচায় না কেন? বামেরাই বা চুপ কেন?
  • | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ১৪:৩৩418084
  • বাঙালি হিন্দুদের জন্য কেউ কিস্যু করবে না। দেখে নেবেন।
  • Ela | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ১৪:১৮418083
  • মাস স্কেলে শুরু হয়ে গেল। শেষ কীভাবে হবে কেউ জানে না।

    নগর পুড়িয়ে দেবালয়-ও রক্ষা পাবে না অবশ্য, তবে দেখার জন্য কেউ থাকলে হয়।
  • S | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ১৪:১৫418082
  • চিন্তা নেই ঐ হিন্দুদের মোদিজী ঠিক জায়্গা করে দেবেন। ফলতঃ হিন্দু এবং বাঙালী ভোট বাড়বে।
  • | ৩১ আগস্ট ২০১৯ ১৪:০৯418081
  • ও হ্যাঁ এর মধ্যে এগারো লক্ষের মত হিন্দু বাঙালি
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত