এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৫:২৫419520
  • "চৌকিতে শুয়ে চৌকিদার হয়ে আমার কাজ নেই, আমি মাটিতে শুয়ে জমিদার হয়ে গেলাম।" বলুন তো কে বলেছিলেন? ঃ-)
    আজ উনি থাকলে, এই চৌ চো হ্যা এর জমানায়, নির্ঘাৎ বলতেন, ঠিকই তো বলেছিলাম! ঃ-)
  • Amit | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:৪৭419519
  • হায়, বাউণ্ডুলেপনা তো আমার অনেক আছে, কিন্তু জমিদার বা ফ্রিডম ফাইটার দুটোর ই বড় অভাব পরিবারে। এখন আর পাওয়ার ও চান্স কম। দুটো প্রজাতি ই অধুনা বিলুপ্ত হয়েছে, যদিও পাতায় পাতায় তাদের দীর্ঘনিশ্বাস শোনা যায়।
  • aka | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:৫১419518
  • পরের জন্মে আমি জমিদার বাপের বাউণ্ডুলে ছেলে হতে চাই।
  • | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৮419516
  • এলেবেলে!!
  • | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০৮419517
  • কিন্তু আমার দাদু জমিদার ও ছিল না। অত্যাচারী ও ছিল না।

    আমার কী হবে??
  • অর্জুন | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০:০১419515
  • আমার দাদু জেলখাটা স্বাধীনতা সংগ্রামী বলে আমার একটা আলাদা গর্ব আছে। তাও দু এক মাসের জন্যে নয়, আড়াই বছর। দাদুর জেনারেশনে আরো দুজন ছিলেন, একজনের আন্দামনে দ্বীপান্তর হয়েছিল।
  • অর্জুন | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৫৯419514
  • আচ্ছা। ফিশারের বইটা আমার কাছে আছে @ এলেবেলে। আমি দেখে নেব।

    আমাদের পূর্বপুরুষও মানে ১৮, ১৯ শতকে বেশ অত্যাচারী জমিদার ছিল বলেই শুনেছি। ঠাকুমা গল্প করতেন জিওডি ঘরে বলে একটা বাড়ি ছিল যেখানে চাষিরা খাজনা না দিলে তাদের অকথ্য অত্যাচার করা হত এবং অনেকেই মারা যেত। সেই জিওডি ঘরের পাশে একটা পুকুর ছিল যার জলের রঙ কালো। ঐ বাড়িটায় বাড়ির বাচ্চাদের যেতে দেওয়া বারণ ছিল। বাড়িটা বেশ গা ছমছমে পরিবেশ।

    পূর্ব পুরুষের এই পাপ আমার প্রপিতামহ কিছুটা মুছিয়েছিলেন হয়ত। কলকাতায় কলেজে পড়তে এসে ব্রাহ্ম হন কিন্তু কিছুকাল পরে সেসব ত্যাগ করে বৈষ্ণবধর্মে মজে যান এবং আজীবন তাই ছিলেন। প্রথম জীবনে ব্রাহ্ম হবার দরুন মূর্তি পুজায় বিশেষ আপত্তি ছিল তাঁর। বিপত্নীক হবার পরে নিজের বসত ভিটে ও কিছু জমিজমা স্থানীয় মেয়েদের স্কুলকে দান করে, দাতব্য চিকিৎসালয়ে করে দেন প্রয়াত স্ত্রীর নামে। পুত্রদের নাকি বলে দিয়েছিলেন যে তাঁর কাছ থেকে যেন তারা কিছু আশা না করে। এরপর কিছুকাল পরিব্রাজ্য হয়ে শেষে পুরীতে শেষজীবন কাটান, সেখানেই প্রয়াণ।
  • এলেবেলে | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৫৮419513
  • ইয়ে মানে 'দূদিকে' বানানটাও ঝাড়া ? ))))))))
  • | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৪৩419512
  • শালা বোধি দা
    " পিস' কথা টা আমার থেকে ঝেঁপেছে
  • | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৪১419511
  • মরেচে!!
  • এলেবেলে | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৩৯419510
  • @অর্জুন, আপনি বোধহয় ১৯৪০ সালে লুই ফিশারের সঙ্গে গান্ধীর কথোপকথনটা ভুলে মেরে দিয়েছেন। সেখানে উনি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিলেন, কংগ্রেসের মূল ফান্ড আসে জমিদার আর শিল্পপতিদের কাছ থেকে। চাইলে একজ্যাক্ট কোটটা করে দেব এখানে।
  • | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৩৫419509
  • এবং আমার মাইরি খুব দুঃখ আমার পরিবারে দূদিকে কোন এক পিস ও স্বাধীনতা সংগ্রামী নেই।
  • এলেবেলে | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৩৩419508
  • // "পয়েন্টটা হচ্ছে পুণা চুক্তি হবেই না। যেমন মুসলমান ও শিখদের সেপারেট ইলেক্টোরেট মেনে নেওয়া হয়েছে, তেমনই দলিতদের সেই একই অধিকার মেনে নিতে হবে।" -- এটা কার বক্তব্য?//

    এই বক্তব্য হওয়া উচিত ছিল স্বয়ং গান্ধীর। উচিত ছিল কারণ তিনি খোদ এই মর্মে সই করেছিলেন যে, ম্যাকডোনাল্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। অথচ ঘোষণার পরে তিনি এবং তাঁর তল্পিবাহক কংগ্রেস ১৮০ ডিগ্রি পাল্টি খান/খায়। সেপারেট ইলেক্টোরেটের বদলে খানকতক সিট বেশি দেওয়া হয় দলিতদের এবং অনশনের নাটকের পর। দলিতদের পেছনে সেই যে পাকাপাকিভাবে ছুরি মারা হয়, তার রেশ এখনও চলছে।
  • | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৩১419506
  • আমার ঠাকুমার বাবা আ্যপারেন্টলি প্রচন্ড অত‍্যাচারী খচ্চর টাইপস ছিলেন, জমি দার নন, তশিলদার গোছের ছিলেন।ঠাকুমা প্রচন্ড এম্বারাসড ছিলেন ওর নানা কীর্তি নিয়ে। তার মধ্যে একটা হল গরীব কে মারধর।
  • | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:৩১419507
  • আমার ঠাকুমার বাবা আ্যপারেন্টলি প্রচন্ড অত‍্যাচারী খচ্চর টাইপস ছিলেন, জমি দার নন, তশিলদার গোছের ছিলেন।ঠাকুমা প্রচন্ড এম্বারাসড ছিলেন ওর নানা কীর্তি নিয়ে। তার মধ্যে একটা হল গরীব কে মারধর।
  • একক | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:২৯419505
  • উঃ একসময় ভারী প্ল্যানচেট এর হুজুক ছিল !
  • অর্জুন | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:১৬419504
  • দূর, কে কার দাদুকে ছোট করছে! বলছি ধনী হলেই কি আর খারাপ হত সবাই! ওই জেনারেশনের জমিদারদের মধ্যে বোধহয় একটা পরিবর্তন এসেছিল। তখন জমিদারদের এমনিতে অবস্থা কি খুব ভাল? পূর্ববঙ্গের জমিদারেরা সে অর্থে কিন্তু একেবারেই ধনী নয়। দাদুদের ছোটবেলার কথা শুনে তো তাই মনে হয়েছে। তপন রায় চৌধুরীর 'বাঙাল নামা' য় তার বিস্তারিত বিবরণ আছে।

    যাইহোক, ভাল আলোচনা এগিয়ে চলুক। পড়ছি।

    কিন্তু এটা টইতে দিলে স্থায়ী হত।

    @bojho প্ল্যানচেট করতে জানিনা। আপনি জানেন?
  • Ishan | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:০৯419503
  • এখনও পয়েন্টটা বুঝিনি। :-(

    "পয়েন্টটা হচ্ছে পুণা চুক্তি হবেই না। যেমন মুসলমান ও শিখদের সেপারেট ইলেক্টোরেট মেনে নেওয়া হয়েছে, তেমনই দলিতদের সেই একই অধিকার মেনে নিতে হবে।" -- এটা কার বক্তব্য?
  • এলেবেলে | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:০৫419502
  • @অর্জুন, আপনার বহুকথিত গান্ধী-আম্বেদকর 'ডিসকোর্স' চলছে পুরোদমে ভাটিয়ালিতে। সেখানে নিখিলেশ, আপনার দাদু কিংবা চারু মজুমদার না হয় আপাতত উহ্যই রাখলেন। ঈশান সুভাষের জমিদার বিরোধিতার প্রসঙ্গ তোলায় তথ্যটা দিয়েছি মাত্র, আপনার দাদুকে ছোট করার কারণে নয়।
  • bojho.!! | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:০৪419501
  • টেন্সনের কি আছে ? ! আপনার আশু দাদুকে প্ল্যন্চেট করলেই বলে দেবে তো কি করা উচিত
  • অর্জুন | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২৩:০২419500
  • 'এবং মাত্র ১৬ জন জমিদার।' তা তখন জমিদারী প্রথা চলছে তো জমিদারেরা তো থাকবেই। সব জমিদার কি আর খারাপ। দলে, দলে জমিদার স্বদেশীতে যোগ দিয়েছিল।

    'নিখিলেশ' এর মত জমিদারেরা কি খারাপ?

    শুনেছি আমরাও জমিদার ছিলাম, দাদু আড়াই বছর জেলে ছিলেন, তারমধ্যে ছ মাস সলিটরি কনফাইনমেন্ট।

    চারু মজুমদারও তো জমিদার পুত্র।
  • অর্জুন | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:৫৪419499
  • আপনাদের কাছে একটা পরামর্শ চাই। আজ গোলপার্কে ফুটপাতের পুরনো বইয়ের দোকানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের ওপর একটা বই দেখলাম ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত, titled The history of Calcutta University। পারা ফুটো হয়ে গেছে, ছেঁড়া, বেশ মোটা বই। পাতার পর পাতা ছবি। দরদাম করে ২৩০-২৫০ র বেশী দেব না কিন্তু কিনব কিনা বুঝতে পারছিনা!!

    আমি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রও নই!
  • এলেবেলে | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:৫০419498
  • পয়েন্টটা হচ্ছে পুণা চুক্তি হবেই না। যেমন মুসলমান ও শিখদের সেপারেট ইলেক্টোরেট মেনে নেওয়া হয়েছে, তেমনই দলিতদের সেই একই অধিকার মেনে নিতে হবে। বদলে গান্ধী এবং কংগ্রেস বাংলা দাদাগিরি মেরেছিল এবং ব্যাপক লাভ করেছিল।

    হ্যাঁ, সুভাষের কংগ্রেস ১৯৩৭ সালে বাংলায় ৫৪টা আসন পায়। তাতে দেখা যাচ্ছে ৯ জন উকিল, ২ জন ডাক্তার, ৫ জন ব্যবসায়ী, ২ জন বেসরকারি অফিসার এবং এবং এবং মাত্র ১৬ জন জমিদার। মানে টোটাল জয়ীদের এক তৃতীয়াংশ! তাঁদের গায়ে হাত দেবে কে?
  • Ishan | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:১৫419497
  • কিছুটা নিশ্চয়ই জানি। কিন্তু পয়েন্টটা কী না বললে কত ডিটেলে লিখব, কেনই বা লিখব, বুঝতে পারছিনা তো। :-)
  • এলেবেলে | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:০৮419496
  • @ঈশান,

    আমি শুধু আপনার সাহিত্যের অনুরাগীই নই, ইতিহাসবোধেরও অনুরাগী। সেই আপনি অনায়াসে লিখে ফেললেন "প্রস্তাব অনুযায়ী বাঁটোয়ারা ছিল হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে। পশ্চাদপদ দলিতদের জন্য কোনো সংরক্ষণ ছিলনা।"?

    দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকে সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারার প্রস্তাবটি অমীমাংসিত থাকে। ম্যাকডোনাল্ড নিজে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিলে গান্ধীসহ সবাই তা মেনে নেন। এমনকি সই করে এ কথাও মেনে নেন যে, এ ব্যাপারে ম্যাকডোনাল্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য করা হবে। ১৯৩২ এর ১৭ অগস্ট ম্যাকডোনাল্ড বাঁটোয়ারাতে দলিতদের অন্তর্ভুক্ত করেন। তাঁদের দেওয়া হয় প্রাদেশিক সভায় ৭৮টি আসন আর কেন্দ্রীয় আইনসভায় ১৮% আসন, সঙ্গে সেপারেট ইলেক্টোরেটের সুবিধা।

    আপনি এ সব জানেন না তা বিশ্বাস করতে হবে?

    আর নেহরুর ভাষণ-টাষণ যে শিল্পপতিদের কতটা 'ভয়' দেখিয়েছিল তা তো বিড়লার চিঠিতেই স্পষ্ট!
  • অর্জুন | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২২:০১419495
  • আমার মনে হয় Nehru chiefly flirted with communism all his life.
  • অর্জুন | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:৫৯419494
  • নেতাজী নিয়ে আলোচনাটা নেতাজী নির্মোহ ব'তে নিয়ে গেলে হয়না! তাতে সব এক জায়গায় স্টোর থাকবে?
  • Ishan | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:৫৬419493
  • ১। পুনা চুক্তি নিয়ে কী উত্তর দেব সত্যিই বুঝলাম না। প্রস্তাব অনুযায়ী বাঁটোয়ারা ছিল হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে। পশ্চাদপদ দলিতদের জন্য কোনো সংরক্ষণ ছিলনা। সেইজন্যই পুনা চুক্তি। আলাদা করে কী লিখব?

    ২। এই দুটো চিঠির অংশ দিয়ে কী প্রমাণিত হল জানিনা। নেহরুকে কেন বামপন্থী বলছি, আবারও বলি। সুভাষের ঠিক আগের বছর নেহরু ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি। তিনি সরাসরি সমস্ত শিল্প জাতীয়করণের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। টাটা গ্রুপের কেন্দ্র বোম্বেয় তিনি এই মর্মে একটি ভাষণও দেন। শিল্পপতিদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কংগ্রেসে জলঘোলা হয়।

    এরকম অজস্র রেফারেন্স আছে। বস্তুত সুভাষ যে লেখাটিতে কমিউনিজম এবং ফ্যাসিজমের সংশেষের কথা লিখছেন, সেটি বস্তুত নেহরুর একটি বক্তব্যের জবাব। নেহরু সেখানে দাবী করেছিলেন, বিশ্বের যা অবস্থা, তাতে কমিউনিজম এবং ফ্যাসিজমের মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হবে এবং তিনি কমিউনিজমের পক্ষে।

    এইজন্যই নেহরুকে কথা বামপন্থী বলছি, সেই সময়ের নিরিখে। নেহরু ভোলাটইল ছিলেন চিন্তাভাবনায়, সে সবাই জানে। এবং এই অবস্থানে বেশিদিন দাঁড়াননি। কিন্তু কোনো এক সময়কালে এটাই ওঁর অবস্থান ছিল, সেকথাও ঠিক। সময়কালটা খুব লুজলি, ৩৫ থেকে ধরুন ৩৮।
  • এলেবেলে | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:৩৫419492
  • এ তো মহা মুশকিল! নিজেই বলছেন হিন্দু নেতারা পুণা চুক্তির বিরোধিতা করেছিলেন, আবার প্রশ্ন করলে নিজেই বলছেন 'উত্তর দেবার কিছু নেই'? পুণা চুক্তিটা হচ্ছে কার জন্য? গান্ধীর জন্য না আম্বেদকরের জন্য? চুক্তি করতে হচ্ছে কেন?

    আপনি নেহরুর ১৯৩৬ এর অবস্থানের কথা বলছেন। বেশ, সেই সময়ের দুটো চিঠি দিই তাহলে।
    ১) ২০ এপ্রিল ১৯৩৬এ বিড়লা ঠাকুরদাসকে লেখেন: ‘Mahatmaji kept his promise ... he saw that no new commitments were made. Jawaharlalji’s speech in a way was thrown into the wastepaper basket ...'

    ২) ঠিক তার পরের দিন Birla ... himself assured a London official: ‘There is no political leader including Jawaharlal who wants to see any crisis or violence .... Popular impatience and the prevalent atmosphere are responsible for these strong speeches. Even leaders are often led. But I think unrestrained language will be heard less and less in the future’.

    আবারও প্রশ্ন নেহরু বাম কবে? কোনকালে?
  • Ishan | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:১৭419491
  • ক।
    আপনি দুটো উদ্ধৃতি দিয়েছেন। দুটোই বহুল প্রচারিত। একটা কলকাতার মেয়র থাকাকালীন। ১৯৩০ সম্ভবত। আরেকটা একটু পরে। ইনডিয়ান স্ট্রাগলে। সন তারিখ জানা যায়না। তবে ১৯৩৪ মেনে নেওয়া যায়।

    এই দুটোই ফ্যাসিবাদের প্রাথমিক পর্যায়ে। যে সময় রবীন্দ্রনাথও মুসোলিনির প্রশংসা করছেন। স্পেনে গৃহযুদ্ধ তখনও শুরু হয়নি। ফলে ঘন্ট টন্ট কিছু নেই, তথ্যের অভাব, যা ঘটতে চলেছে, সে আর ওঁরা আগে থেকে কীকরে জানবেন। যা ঘটেছে, তারও অনেক কিছুই জানতেননা।

    খ।

    ৩৩ এবং ৩৪ সালে নেহরুর কথা লিখেছেন, তখন তিনি গান্ধি বা বিড়লার কাছে বেশ বিশ্বাসযোগ্যই ছিলেন। কড়া বামপন্থী হয়ে সব শিল্প রাষ্ট্রায়ত্ত্ব করার পক্ষে সওয়াল করেন আরও পরে, ১৯৩৬ সালে। তখন বোম্বে গ্রুপ প্রবল প্রতিরোধ তৈরি করে। সেই সময় বিড়লার চিঠিপত্রেও কিছু পাওয়া যাবে, কিন্তু নিশ্চিত মনে পড়ছেনা।

    নেহরু আবার অবস্থান বদলান ১৯৩৯ নাগাদ। আস্তে আস্তে গাদি প্যাটেলের সঙ্গে সমঝোতা করে নেন। বোম্বে প্ল্যানের পৃষ্ঠপোষকও হন আরও পরে।

    তা, নেহরুর জীবনে এই সবকটি ফেজই ছিল। ৩৩, ৩৪ সালের নেহরু আর ৩৬ এর নেহরু, ৩৬ এর নেহরু আর ৩৯ এর নেহরু, এঁদের অবস্থান তো আলাদা। বিড়লা বা গান্ধির প্রতিক্রিয়াও সেই অনুযায়ীইই নির্ধারিত হয়েছে। যে কোনো একটা সময়ের চিঠি তুলে ধরে তা দিয়ে অন্য সময়কে তো ব্যাখ্যা করা যায়না।

    গ আর ঘ উত্তর দেবার কিছু নেই। তাই দিলাম না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত