এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কী ভাবছেন সবাই?

    Samik
    অন্যান্য | ০২ অক্টোবর ২০০৬ | ৮৫২৪৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | ১১ মে ২০১৬ ০৮:২১669977
  • কিছুদিন পরে ২০০০ একর এর সন্ধান পেলে আবার মূল পরিকল্পনা সেখানে শিফট করতো!এ আর নতুন কথা কি? তার জন্যই তো কোর্ট প্রশ্ন তুলেছে, এত তাড়া তাড়ি জমির পরিমান ৪০০ একর বাড়ানো হলো কেন? কেন ১০০০ একর ই চাই তার কোনো দি পি আর প্রজেক্ট জমা পড়েছিলো কিনা? ভালো করে পড়াশোনা করুন ও লিখুন। সব কিছু নিউজ দিয়ে চলেনা; নিজের কিছু ভিউজ রাখতে হয়।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৮:২৪669979
  • একক, আপনি যেটা দেখছেন সেটা হয়েছে কিন্তু তার ভলিউম এখনো অনেক অনেক কম। কোলকাতায় কজন লোক মীটবল কেনে? আর ব্যাঙ্গালোর, মুম্বাই, দিল্লী, চেনাই, হায়দ্রাবাদে এগুলো বেশি প্রচলিত কারণ ১) ইমিগ্র্যান্ট ফ্যামিলি, ২) দুজনেই চাকরী করে - হাতে সময় নেই। কোলকাতায়/পবে এ জিনিস হতে/ আসতে অনেক সময় লাগবে। লোকের হাতেও তেমন পয়সা নেই। সহজেই রান্নার লোক পাওয়া যায়। ইত্যাদি। ইত্যাদি। আর দেখবেন যখন হবে তখন অন্য রাজ্যেই হবে, পব কৃষিতে একনম্বর (বইতে পড়েছিলাম এককালে) হয়েও আঙ্গুল চুষছে।

    তবে কাঁচা যোগান বন্ধ করে দিলে সাধারণ লোকের হাল খারাপ হবে - আগে যেটা লিখেছিলাম দাম বাড়ার ব্যাপারটা।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৮:২৬669980
  • "রাস্তার/রেল লাইনের জন্য জমি নেওয়া আর শিল্পের জন্য জমি নেওয়ায় যে পরিমানগত ফারাক আছে সেটা মাথায় রাখা ভালো"

    কোনটা বেশী?
  • sm | ১১ মে ২০১৬ ০৮:২৭669982
  • কল্লোল কে "ক"।কেন বাঁকুড়া, পুরুলিয়া বা প মেদিনীপুর বা পুরো উত্তর বঙ্গ নয়?উত্তর বঙ্গে তো পরিবেশ, আবহাওয়া,সস্তায় শ্রমিক, রেল যোগাযোগ সব কিছুই আছে।
    এগুলো বদমায়েশি ছাড়া কিছুই নয়।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৮:২৭669981
  • পিটি। তোমার হয় তো নজর এড়িয়ে গেছে। তাই আবারও দিলাম। টাটারা সুপ্রিম কোর্টে বলছে - "কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তাঁরা বলেছিলেন সিঙ্গুর ছাড়া অন্য কোথাও গাড়ি তৈরীর কারখানা করবেন না"
    এটা কিন্তু পর্যবেক্ষন, বা ব্যক্তিগত মত বা কাগজের মাধুরী নয়। টাটাদের বক্তব্য। তারা খড়্গপুরেই রাজি ছিলো এটা গোটা গোটা করে তারা সুপ্রিম কোর্টে বলেছে। তারা সিঙ্গুর চায় নি - এটাও তারা সুপ্রিম কোর্টে গোটা গোটা করে বলেছে। এটাই টাটদের বক্তব্য।
  • PT | ১১ মে ২০১৬ ০৮:৩৪669983
  • বেশ, রাজী হয়েছিল। সত্যি হয়েছিল? কিন্তু তার পরে কি হইল জানে শ্যামলাল। তোমার দুটি লাইনের মাঝখানের বক্তব্য কি এটাই যে বাম সরকার জোর করে টাটাদের সিঙ্গুরে টেনে নিয়ে গিয়ে ৯৯৭ একর পাইয়ে দিয়েছে? সরকারের সে কম্মেরও তো কোন যুক্তি খুঁজে পাইনা!!
    অন্যদিকে তোমার-আমার অপছন্দের আবাপ লিখছেঃ "আজ শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, শিল্পায়নে বাধা হয় এমন কোনও রায় দেওয়া হবে না।"- বক্তব্য সত্যি হলে এর মানে কি হয় কে জানে!!
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৮:৪২669984
  • বড় এস। পরিমানটা যদি অধিকৃত জমির মোট যোগফলে ধরেন তবে শিল্পের চাইতে রাস্তা বা রেল লাইনের জমির পরিমান অনেক অনেক অনেক বেশী।
    কিন্তু এলাকা ভিত্তিতে তার ইম্প্যাক্ট অনেক অনেক অনেক কম।
    সিঙ্গুরের ১০০০ একর জমিতে কতটুকু রেল লাইন বা রাস্তা হতো?
    পুরুলিয়া থেকে কলকাতা অবধি রাস্তা করতে হয়তো এর চেয়ে অনেক বেশী জমি লাগবে। কিন্তু একলপ্তে একএক এলাকায় অনেক কম জমি নিতে হবে। তাতে ভীষন উর্বর জমিও থাকতে পারে।
    এগুলো আপনি বোঝেন না এমন নয়। তবু..............!!!

    পুরুলিয়া থেকে কলকাতা ২৮৬ কিমি। গুরুর অধিকারীজন জানাবেন কেউ? একটা হাইওয়ে বানাতে কত মোট জমি লাগবে। আর প্রতি ৫০ কিমিতে কত জমি নিতে হবে।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৮:৫১669985
  • sm ও কল্লোলদা একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। থ্যান্কস টু দাদু, শিল্প ও বিনোয়োগের ক্ষেত্রে পবের অবস্থা এখন হাঁটু মোড়া ভিখারীর মতন। খারাপ লাগলেও কিছুই করার নেই - একদম সত্যি কথা। প্রত্যেকটা রাজ্যের সাথে কম্পিট করে তবে শিল্প আনতে হয়। আগে যেসব রাজ্যগুলোকে ধর্তব্যের মধ্যেই আনা হতো না তারাও আজকে পবের কম্পিটিশান। এমনকি কেউ যদি পুর্ব ভারতে ইনভেস্ট করতে চায় সেও বোধয় বিহার, উড়িষ্যা, ঝারখন্ড, আসাম ভাববে। দিদির অবস্থাই দেখুন। উনার আমন্ত্রণে সবাই এসে বক্তিতা দিয়ে যায়, আর গিয়ে ইনভেস্ট করে অন্য রাজ্যে। এর আরেকটা কারণ আছে - পরে বলবো।

    ফলে টাটা মাটা যদি আমার আপনার বাড়ির ছাদেও শিল্প করতে চায় - এই মুহুর্তে তাই করতে দিতে হবে। কারণ দাদা/দিদির হাতে কিস্যু নেই। (অবশ্যই যদি মনে করেন যে প্রাইভেট বিনিয়োগের আর শিল্পের দরকার আছে) নইলে ১০০০ একরের এক বছরের লিজ হয় ১ কোটির কম? কিন্তু একবার সানন্দ হয়ে গেলে তখন অনেক কিছুই চাওয়া যায়। যেমন আজকের ব্যাঙ্গালোর। রিয়েল এস্টেটের দাম বেশি, ইন্জিনিয়ারদের স্যালারী বেশি। তবুও আজকে কেউ নতুন টেক কোম্পানী খুললে ব্যাঙ্গালোর ছাড়া ভাবতেই পারেনা। একসময় ইনফি উইপ্রো যা চেয়েছে তাই দিতে হয়েছে - সেখানে তারা ঝর্ণা বানিয়েছে, বাগান বানিয়েছে, পুল বানিয়েছে - ভারতের মতন দেশে গুচ্ছের জমি নষ্ট করেছে। আজকে কিন্তু ব্যাঙ্গালোর (কর্ণাটক নয়) লাভ তুলছে উল্টে। কোলকাতা আর পবের অবস্থা এর থেকে অনেক অনেক পিছনে। সময় লাগবে।

    আর যে কারণটা লিখবো বলেছিলাম - বাঙালী ব্যবসা বিমুখ (ঠিক শব্দ তো?)। লোকে ব্যবসা করা বাড়ির মেয়েকে বৌ করে আনেনা। ব্যবসায়ী জামাইকে মেয়ে দেয়না। নিজের চোখেই দেখা। অন্য প্রদেশের লোক নিজের জায়গা ছেড়ে পবে এসে কেন বিনিয়োগ করবে বলুন? প্রেমজী বা টাটা কেন এসেছিলেন একটু ভেবে দেখুন। দাদা/দিদিদের চোখ রাঙানি আর তোলাবাজী অবশ্যই বড় কারণ (অন্য প্রদেশেও আছে) - কিন্তু একমাত্র কারণ নয়। ইনফি এখনো অবধি কোলকাতায় একটা ক্যাম্পাস করে উঠতে পারলোনা? এদিকে দক্ষিণ ভারতের প্রতিটি গলিতে তাদের আফিস খুলে ফেলেছে।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৯:০০669989
  • পিটি।
    আবাপ লিখেছে শিল্পায়নে বাধা হয় এমন কোন রায় দেওয়া হবে না। কিন্তু বিচারপতিরা বারবার বলছেন - অধিগ্রহন আইন মেনে হয়েছিলো কিনা সেটাই বিচার্য। এটা অবশ্য আর একটি বড় হাউসের কাগজ লিখছে, যারা আবাপর মতো-ই বদমাশ।
    তুমি লিখছো - "এটাই যে বাম সরকার জোর করে টাটাদের সিঙ্গুরে টেনে নিয়ে গিয়ে ৯৯৭ একর পাইয়ে দিয়েছে? সরকারের সে কম্মেরও তো কোন যুক্তি খুঁজে পাইনা!!"

    বাম কবিরা এবিষয়ে নীরব কেন? তারাই তো বলতে পারবেন কেন তারা টাটারা না চাইতেই সিঙ্গুরে ১০৫৩ একর জমি দিতে গেলেন?

    টাটারাই বা কেন সেই নথিটি আদালতে দিচ্ছে না, যেখানে বাম মন্ত্রীসভা তাদের সিঙ্গুরে ১০৫৩ একর জমি দেবার কথা সরকারীভাবে জানিয়েছে। সেখানেই তো পরিস্কার হয়ে যাবে যে টাটারা অনুরোধ(!) করেছিলো না, বামেরা চরণ ধরিতে দিও গো আমারে, বলে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো।

    দ্যাখো রায় কি হবে তা জানি না। সম্ভবতঃ একটা ব্যালেন্স করার চেষ্টা হবে। সেটা নির্ভর করে বিচারপতিদের উন্নয়ন নিয়ে ভাবনার উপর। রায় যাই হোক সেটা মানতে হবে। বিচারপতিরা "ছাগল" বলা যাবে না।
  • PT | ১১ মে ২০১৬ ০৯:০০669986
  • "‘ভারতের সব জমিই কৃষিজমি৷ দেশের ৭৪ % লোকই এর সঙ্গে জড়িত ৷ আমাদের অর্থনীতিও কৃষিভিত্তিক৷ তা হলে কি শিল্পের জন্য জমি নেওয়া যাবে না ? অবশ্যই যাবে৷ তবে দেখতে হবে, কোন উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছে, আর কোন জমি নেওয়া হচ্ছে৷ যেখানে ভালো কৃষিকাজ হয়, সেই জমি না নেওয়াই ভালো ৷ ’"

    কিন্তু কৃষি জমি নেওয়া এক্কেবারেই উচিৎ নয় বা নেওয়া চলবে না, ব্যাগড়াবাদীদের মত এমন কথা তো বলছেন না বিচারকেরা!! তাহলে এর আগে কি কৃষিজমি নেওয়া হয়নি? গঙ্গার দুধারে যত জমিতে শিল্প হয়েছে তার প্রায় সবটাই তো উর্বর কৃষিযোগ্য।

    এত বিপ্লবের পরে ২০১৫ঃ
    A no-objection certificate (NOC) from the state government will no longer be required for acquiring agricultural land for industrial development, revenue and agriculture minister Eknath Khadse said on Tuesday.
    http://timesofindia.indiatimes.com/city/mumbai/No-NOC-required-to-gain-farmland-for-industrial-use/articleshow/49824470.cms
    বিপ্লবী মেধাজীকে দেখা যাচ্ছে কোথাও দুরবীন দিয়েও?

    এই ৬০০-৪০০-র তক্ক ছেড়ে এবার অন্যকিছু ভাবার সময় হয়েছে। কেননা সমস্যা অন্যত্রঃ

    India has enough land dedicated to agriculture and even if some of it is taken away for other purposes there will still be enough land left for agriculture. Nevertheless, there are bigger problems when it comes to Indian agriculture.

    “India is the second largest producer of rice and wheat after China, with China producing about 40 percent more rice and wheat than India. India is also the second largest producer of fruits and vegetables in the world after China, but China’s fruit production is three times India’s production.”
    http://www.firstpost.com/business/india-enough-land-farming-bigger-issues-worry-2032327.html
  • PT | ১১ মে ২০১৬ ০৯:০২669991
  • কল্লোলদা বড় ব্যস্ত হয়ে পড়েছ। দেশে নাকি যা মামলা ঝুলে আছে তা শেষ করতে ৭০০০০ বিচারক লাগবে!! সেই তুলনায় সিঙ্গুরের মামলার গতি তো বেশ ভালই।
  • Ekak | ১১ মে ২০১৬ ০৯:০২669990
  • বিমুখ বললেই যথেষ্ট বলা হয় না। সব জাতির লোক ব্যবসা করেনা এ সারা পৃথিবী তে সত্যি। একেক জাতের একেক দিকে উত্কর্ষ। বাঙালির ব্যবসা বিমুখতা ছাড়াও একটা এক্সট্রা জিনিস আছে তা হলো ব্যবসা এবং ব্যবসা সংক্রান্ত সবকিছুর প্রতি অক্ষমতাজাত ঘৃনা। খেয়াল করে দেখবেন ব্যবসায়ী দের "বেওসায়ী " বলতে বাঙালি বেশ একটা তৃপ্তি বোধ করে। ব্যবসায়ী মানে অশিক্ষিত, মাথামোটা শুধু কিকরে যেন একটা টাকা বানিয়ে বানিয়ে ফেলেছে এমন কেও। "মুনাফালোভী " বাঙালির খুব প্রিয় শব্দ, যেখানে পারে গুঁজে দেয়। নিজে অফিসে ঘুষ খাবে, এক লোককে কাউন্টারে দশ বার ঘোরাবে, যতরকম ছিঁচকে অসত কাজ সবেতে বাঙালি আছে কিন্তু সে যে ব্যবসা করেনা এটা বেশ গর্বের ব্যাপার। এই ঘৃনা টা ইউনিক। আমি আর কোনো জাতের ভারতীয় দের মধ্যে দেখিনি। ইভেল এই কেরালাইট রা যে এত আঁতেল টাইপ তাদের মধ্যেও নয়।
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ০৯:০৬669992
  • আশি আর নব্বুইয়ের দশকের একটা ভয়ানক লিগাসি এখনো পব বা বাঙালিকে বহন করতে হয়, "চলছে না, চলবে না"। পবর বাইরের ব্যাবসায়ীদের কাছে "চলছে না চলবে না" স্লোগান যে কি পরিমান আতংকের, আর পুরো ভারতের ইনভেস্টর মহলে যে এটা কিরকম চালু, সেটা নানান শহরের ক্লায়েন্ট দের সাথে কথা বলে দেখেছি। ছোটবেলায় আবাপতেই পড়তাম এই চলছে না চলবে নার ফলে কিভাবে ক্যাপিটাল ফ্লাইট হতো। কতো কোম্পানি তাদের হেড কোয়ার্টার বা ব্রাঞ্চ কলকাতার বাইরে নিয়ে গেছিল। বুদ্ধবাবুকে প্রথম দিকে এই চলছে না চলবে না আর ট্রেড ইউনিয়নিজমের বিরুদ্ধে ভালোমতো লড়তে হয়েছিল।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৯:১০669993
  • পিটি উবাচ - "কিন্তু কৃষি জমি নেওয়া এক্কেবারেই উচিৎ নয় বা নেওয়া চলবে না, ব্যাগড়াবাদীদের মত এমন কথা তো বলছেন না বিচারকেরা!! তাহলে এর আগে কি কৃষিজমি নেওয়া হয়নি? গঙ্গার দুধারে যত জমিতে শিল্প হয়েছে তার প্রায় সবটাই তো উর্বর কৃষিযোগ্য।"
    তাই তো তাই তো। দীনবন্ধু মিত্র মশাই বুঝলেনই না, কাঙ্গাল হরিশ বুঝলেনই না, উর্বর কৃষি জমিতে নীল ফলালে "উন্নতি" হয়। যত্তোসব ব্যাগড়াবাদী।

    বৃটিশ শাসক যেভাবে জমি নিতো সেটা হয়তো খুবই মানবিক, ভালো ও এতো সুন্দর ছিলো যে কোন প্রতিবাদই হয় নি। তাই বামেরা উদ্বুদ্ধ হয়ে সেই আইনেই জমি নিতে গেলো। তাদের কপাল খারাপ, লোকে উন্নয়ন বুঝলেই না, যেমন দীনবন্ধু মিত্র, কাঙ্গাল হরিশ বোঝেন নি।

    এঅপর বিচারপতিরা তেমন কোন রায় দিলে ছাগল হয়ে যাবেন। এ আর নতুন কি ২০১১ থেকেই দেখা যাচ্ছে।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৯:১১669994
  • কল্লোলদা, আমাকে তুমি/তুই বলবেন।

    ভারতীয় রেলওয়ের মোট জমি রয়েছে 4.3 হেক্টর মানে ১০ লক্ষ একরের বেশি। এর মধ্যে অনেকটাই আনইউজ্ড অবশ্যি।

    অনেক্দিন হয়ে গেছে। তবুও বলিঃ ন্যাশনাল/ স্টেট হাইওয়ের জন্যে জমি চাই ৪৫ মিটার (রাইট অব ওয়ে)। ফলে পুরুলিয়া থেকে কোলকাতার জন্যে চাই প্রায় ৩২০০ একর জমি।

    http://nptel.ac.in/courses/105101087/12-Ltexhtml/p13/p.html
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ০৯:১৫669995
  • "খেয়াল করে দেখবেন ব্যবসায়ী দের "বেওসায়ী " বলতে বাঙালি বেশ একটা তৃপ্তি বোধ করে "

    এটা বোধায় বেশ কিছুটা এসেছে পবতে দীর্ঘ চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর "বিপ্লব আসছে" নামের খুড়োর কল ঝোলানোর ফলে। আগেকার দিনে গল্প-সিনেমা-নাটক হ্যান ত্যান সব কিছুতে পুঁজিবাদ, মুনাফাবাদ, টাটা-বিড়লা দূর হটো ইত্যাদি দিয়ে কিভাবে ব্রেনওয়াশ করা হতো মনে নেই? পবতে পুরো সাংস্কৃতিক আবহাওয়াই তো একসময়ে সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ ইত্যাদি বিরোধিতায় চলে গেছিল। আমদের বাঘা বাঘা নাট্যকার, সাহিত্যিক দের ইউএসপিই ছিল কে কতো বাম সেটা দেখানোর প্রতিযোগিতা। অন্তত দুতিন জেনারেশান বাঙালি বড়ো হয়েছে ব্যাবসা, মুনাফা ইত্যাদিকে ঘৃনা করে। "মুনাফালোভী" যে বাঙালির প্রিয় শব্দ হবে তাতে আর আশ্চর্য্য কি?
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৯:১৬669996
  • ডিসি। বোম্বেতে দত্তা সামন্তর জঙ্গী ট্রেড ইউনিয়ান নিয়ে কোন ধারনা আছে?? সেখানের ক্যাপিটাল ফ্লাইট নিয়ে কোন ডেটা আছে? নেই।
    ৬০এর দশকে কেন পব ছেড়ে ক্যাপিটাল অন্য কোথা অন্য কোনখানে গেছিলো, তার সবচেয়ে বড় কারন মাসুল সমীকরণ নীতি। ও ক্যাপিটালের কমুনিষ্ট ভীতি। যেটা মহরাষ্ট্রে ছিলো না বলেই সেখানে ক্যাপিটাল ফ্লাইট হয়নি পবর চলবে না-র চাইতেই অনেক অনেক বেশী জঙ্গী আন্দোলনেও।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৯:২৩669998
  • ডিসি। "এটা বোধায় বেশ কিছুটা এসেছে পবতে দীর্ঘ চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর "বিপ্লব আসছে" নামের খুড়োর কল ঝোলানোর ফলে। আগেকার দিনে গল্প-সিনেমা-নাটক হ্যান ত্যান সব কিছুতে পুঁজিবাদ, মুনাফাবাদ, টাটা-বিড়লা দূর হটো ইত্যাদি দিয়ে কিভাবে ব্রেনওয়াশ করা হতো মনে নেই? "

    তা, ৩০এর দশকে যে বাংলায় প্রচুর শিল্পায়ন হয়েছিলো তাতে বাঙ্গালীর অবদান নিয়ে কিছু বলবেন? ঐ একটি স্যার বীরেন, কিছুটা দ্বারকানাথ। চটকল, কাপড়কল, কাগজকল তো সবই মাড়োয়াড়ী ও সিন্ধ্রিদের। বাঙ্গলী কোথায়? তখন কে বা কার ব্রেণওয়াশ করতেন?
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ০৯:২৩669997
  • কল্লোলবাবু, দত্তা সামন্তর নাম শুনেছি কিন্তু ওনার আন্দোলন নিয়ে কিছু জানিনা। তবে ওই আর কি, ওটা বোধায় সরকার ঠিকমতো সামলে নিয়েছিল, ফলে লাগাম ছাড়া হয়ে যায়নি। কলকাতাকে একসময়ে মিছিল নগরী বলা হতো, একেবারেই সঠিক কারনে, সেটা মুম্বাই কে বোধায় কখনো বলা হয়নি। কলকাতায় একসময়ে অ্যাট দ্য ড্রপ ওফ এ হ্যাট লালঝান্ডা নিয়ে বিরাট বিরাট মিছিল বেরিয়ে পড়তো, সেসব বোধায় মুম্বাইতে খুব একটা দেখা যায়নি। আর হ্যাঁ, ক্যাপিটালের কমুনিষ্ট ভীতি, লাল ঝান্ডা ভীতি অবশ্যই ছিল। কারনটাও সহজ বলেই মনে হয় - আমি আমার ক্যাপিটাল দশ কোটি ইনভেস্ট করে পবতে একটা কারখানা খুললাম, পরের দিন থেকে ট্রেড ইউনিয়নগিরি আর সিটুর লাল ঝান্ডা গিরির চোটে সেই কারখানায় নানান সমস্যা শুরু হলো, আর আমার টাকাটা চোট হয়ে গেল, এটা বোধায় কেউই চাইবে না, ক্যাপিটালিস্টরাও না। আর ট্রেড ইউনিয়নগিরি পবতে একসময়ে যা অবস্থায় গেছিল সেরকম বোধায় খুব বেশী রাজ্যে হয়নি।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৯:২৭670000
  • কল্লোলদা, মাসুল সমীকরণ নীতি অবশ্যই একটা বড় কারণ - কিন্তু একমাত্র কারণ নয়। আর সেই নীতি তো ৯০র প্রথম দিকেই তুলে দেওয়া হয়েছিলো। তার পরের ১০ বছর কি হয়েছিলো?

    মুম্বাইয়ের অন্য কিছু সুবিধে ছিলো। যেমন গুজরাতী, পার্সি, সিন্ধ্রি, মারোয়ারীরা মুম্বাইকে চিরকালই নিজেদের শহর মনে করেছে - বিভিন্ন কারণে। এখনো দক্ষিন মুম্বাইতে বেশিরভাগ বাড়ির বাইরে ওদের সারনেমই দেখি।

    অনেকে অবশ্যি দত্তা সামন্তর সাথে বাম ট্রেড ইউনিয়নের পার্থক্যও দেখিয়েছে। দত্তা সামন্তর কিছু স্পেসিফিক দাবী ছিলো যেখানে বামেরা যেকোনো/সব পুঁজিকেই নিজেদের শত্রু বলে মনে করেছে। আরো আছে। উনার জঙ্গীপনা ছিলো মুলতঃ ক্ষমতা অর্জনের জন্য - অনেক সময়ই তার ফল ভুগতে হয়েছে অন্য ইউনিয়নের নেতা ও শ্রমিক।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৯:২৮670001
  • ডিসি। না জানার সুবিধা আছে অনেক। দত্তা সামন্ত নিয়ে প্রচুর বই আছে পড়ুন। ড্রপ অফ দ্য হ্যাটে নয়, হ্যাটে সামান্য হাওয়া লাগলে নির্মমভাবে মালিক/ম্যানেজার পেটাই হতো। সরকার কিছু করতে না পেরে শিব সেনা তৈরী করে। শেষ পর্যন্ত দত্ত সামন্ত খুন হন।
    যাগ্গে। পড়ে নিন।
    মাসুল সমীকরণ নিয়েও হয়তো শুনেছেন, কিন্তু জানেন না। জেনে নিন তবে। শিব সেনা নিয়েও জানুন।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৯:৩০670002
  • ৩০র দশকে বা স্বাধিনতার আগে যে শিল্পায়ন হয়েছে সেটি মুলতঃ ইঙ্গরাজ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় হয়েছে বলেই মনে হয়।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৯:৩২670003
  • দত্তা সামন্ত ১৯৯৭। অতেব এসব আলোচোনার অনেক পরে।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৯:৩৬670004
  • বড় এস। "সেই নীতি তো ৯০র প্রথম দিকেই তুলে দেওয়া হয়েছিলো। তার পরের ১০ বছর কি হয়েছিলো?"
    আপনিই বলুল না - তারপর কি হয়েছিলো?
    আমি বলবো? জ্যোতিবাবু নিয়ম করে বিদেশ যেতে থাকলেন শিল্প আনার জন্য। সোমনাথবাবু এতো মৌ সই করালেন যে ওনার নামই হয়ে গেলো মৌ সোমনাথ। এবং শেষটায় মরিয়া বুদ্ধবাবু সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম করে ধ্যাড়ালেন।
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ০৯:৩৭670005
  • কল্লোলবাবু, আমার দত্তা সামন্তর ইতিহাস পড়ার আগ্রহ নেই। পবতে একসময়ে ট্রেড ইউনিয়নিজমের বাড়বাড়ন্ত হয়েছিল, তারপর অনেক জল বয়েছে, এখন মাজাভাঙ্গা অবস্থা। এবার বা পরের বার যদি জোট ক্ষমতায় আসে আর ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে সিরিয়াসলি কিছু ভাবে তাহলে ভালো।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৯:৪২670006
  • তাহলে কোনটা নিয়ে আপনার আপত্তি? মাসুল সমীকরণ নীতি? দাদুর বিদেশ ভ্রমণ? মৌ? না নন্দিগ্রাম/সিঙ্গুর? আর মৌ সোমনাথ হওয়া সত্ত্বেও তো লোকে বামেদের ভোট দিয়ে গেলো বছরের পর বছর।

    এইসবকিছুর মধ্যে তো একমাত্র সিঙ্গুরকেই পজিটিভ বলে মনে হচ্ছে। অন্তত সেখানে সত্যিই একটি গাড়ির কারখানা তৈরী হচ্ছিলো।
  • dc | ১১ মে ২০১৬ ০৯:৪৩670007
  • ৩০ এর দশক নিয়ে একেবারেই জানিনা। আমাদের ছোটবেলায় "পুঁজিবাদ", "সাম্রাজ্যবাদ" ইত্যাদি নিয়ে যেভাবে ব্রেনওয়াশ হতো অন্য অনেক রাজ্যেই ওরকম হতো না বোধায়। "মনমোহনের সর্বনাশা নীতি", উদারীকরনের বিষময় ফল ইত্যাদি নিয়ে একসময়ে আজকাল আর গণশক্তিতে দিনের পর দিন গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ বেরোত। এতো সবের ফলে বাঙালি সাধারনভাবে পুঁজি, মুনাফা ইত্যাদি ব্যাপারে আতংকে ভুগতো। বুদ্ধবাবু কিছুটা পরিবর্তন আনতে চেষ্টা করেছিলেন, এটুকু বলতে পারি।
  • S | ১১ মে ২০১৬ ০৯:৪৭670008
  • ডিসি, গ্যাঁট চুক্তি নিয়ে আজকালের এক রবিবাসরীয় পড়েছিলাম। খুব কষ্ট পেয়েছিলাম - প্রায় কেঁদে ফেলার মতন অবস্থা। সেটা পড়ে আমি বুঝেছিলাম যে আমাদের দেশের বাড়ির নীমগাছের পাতা দিয়ে আর নীম বেগুন খাওয়া হবেনা আর কেউ নিমের দাঁতনও ব্যবহার করতে পারবেনা।
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৯:৪৮670009
  • বড় এস। দতা সামন্তর সময়ে ক্যাপিটাল ফ্লাইট হলো না কেন? সেটাই প্রশ্ন।
    ৩০শের দশকে বাংলায় ইংরাজ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় শিল্প হলো তো বটে। বাঙ্গালীরা সেই শিল্পে নেই কেনো?
    জগদীশ বসু রেডিওর কপিরাইট নিলেন না কেন? মুনাফাখোর টাটা-বিড়লা হঠাবেন বলে?
    ১৯১১য় রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে চলে গেলো কেন? রবীন্দ্রনাথ জাতীয় ব্যাগড়াবাদীদের জন্য তো?
  • কল্লোল | ১১ মে ২০১৬ ০৯:৫২670011
  • ডিসি। কি আর করা!! দত্তা সামন্ত নিয়ে পড়বেন না, ওদিকে পব থেকে শিল্প কেন চলে গেলো তা নিয়ে "সুচিন্তিত" মতামত দেবেন। আপনার সে অধিকার আছে। চালিয়ে যান।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন