এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • এলেবেলে | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:১২420420
  • * লিসনিং-স্পিকিং-রিডিং-রাইটিং
  • এলেবেলে | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:১১420419
  • ঈশান, আমিও যে ভাষাশিক্ষা নিয়ে বিশাল কিছু জানি তা নয়। ভাষাশিক্ষার ধাপগুলো হল লিসনিং-রিডিং-স্পিকিং-রাইটিং। আমাদের গোড়ায় গণ্ডগোল। ইংরেজি প্রাথমিকে কোন শিক্ষকই বা ক্লাসে বলেন, কোন ছাত্রই বা তা শুনতে পায়?
  • Ishan | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:০৫420418
  • এলেবেলে, আমি ভাষাশিক্ষা নিয়ে কিসুই জানিনা। তবে বিদেশে বসবাসের সূত্রে কিছু বাচ্চাকাচ্চাকে জানি, যারা একদম কচি বয়সে দুটো বা তিনটে ভাষা শিখে নিয়েছে। কচি মানে ৪,৫,৬। স্রেফ শুনে শুনে।

    সেই থেকেই বললাম।
  • Ishan | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২১:০৩420417
  • টি খানিকটা ঠিক লিখেছে। টার্গেটেড মার্কেটিং আগেও খানিক ছিল। সিপিএমের তো ছিলই। বুথ ধরে লিস্টি হত, কে কোনদিকে, কে ভাসমান। তারপর সেই ধরে প্রচার। নিজের লোককে বুথে আনা। ইত্যাদি প্রভৃতি। জোর-জুলুম গুলো বাদ দিয়ে বলছি।

    কিন্তু সিপিএমের যেটা ছিলনা, সেটা হল ভাসমানদের টার্গেট করার পদ্ধতি। সেই লিফলেট, সেই মিটিং, সেই দেয়াল লিখন, যাতে করে সবাইকেই অ্যাড্রেস করতে হয়। স্পেসিফিক একটি দঙ্গলকে এইভাবে টার্গেটিং করা মুশকিল। এর কোনো ডেমোগ্রাফিক নিয়ম নেই। কিছু গোদা ক্ষেত্র ছাড়া। গোদা ক্ষেত্র অর্থে উদ্বাস্তু এলাকা, মুসলমান এলাকা, ছোটোলোক এলাকা, ভদ্রলোক পাড়া ইত্যাদি।

    ইউরোপ আমেরিকাতেও এই সমস্যা ছিল। ভলান্টিয়ার দিয়ে প্রচার ওদেশেও হয়, কিন্তু ওদের প্রচারও টিভি বা রেডিও কেন্দ্রিক, বিরাট মাপেই। সেখানে টার্গেট করতে হলে আবারও সেই মোটা দাগের জনসমষ্টিকেই। স্রেফ ভসমান ভোটারদের ধরার কোনো সূক্ষ্ম ডেমোগ্রাফিক উপায় নেই।

    এই প্রচারের ধরণটা, না হলেও ৭০ বছর ধরে চলেছে, তার আগেরটা আপাতত বাদ দিলাম। ২০০৮ এ এসে আমেরিকায় ওবামার দ্বিতীয় নির্বাচনে পদ্ধতিটা প্রথম বদলায়। বৈপ্লবিকভাবে। তাঁরা এমন একটা কল বার করেন, যা দিয়ে স্রেফ ভসমান ভোটারদের টার্গেট করে সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিগত বার্তা দেওয়া যাবে। পদ্ধতির প্রথম অংশটা খুবই ধ্রুপদী।

    ১। এলাকা ধরে ভোটার তালিকা দেখ। কারা কোন পক্ষে দেখ। আমেরিকায় একটা সুবিধে আছে রেজিস্টার্ড ডেমোক্রাটিক বা রিপাবলিকান ভোটার হয়।

    ২। এর পরে, সাধারণভাবে ভলান্টিয়াররা সম্ভাব্য এবং ভাসমান ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যায়। পুরোনো পদ্ধতি অনুযায়ী। কিন্তু ওবামা ক্যাম্পেন এখানেই একটা বদল আনে। ডিজিটাল টেকনোলজি দিয়ে। কী বদল? না একটা ওয়েবসাইট বানিয়ে ভলেন্টিয়ারদের সেখানে সোশাল মিডিয়া দিয়ে লগিন করতে বলে। ফলে সোশাল মিডিয়ায় ভলান্টিয়ারদের বন্ধুতালিকার লিস্টি তাদের হাতে চলে আসে।

    ৩। এর পরের ধাপটা এর আগে কেউ করেনি। সামাজাকিক মাধ্যমের সঙ্গে ভোটার তালিকার ম্যাপিং। অবশ্যই বড় সফটওয়্যার প্রোজেক্ট লেগেছিল। কিন্তু করা হয়েছিল। ভাসমান ভোটার তালিকা এবং তাদের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের খবর ক্যাম্পের হাতে আসে। এই কাজে ফেবু এবং অন্যরা সর্বতোভাবে সাহায্য করেছিল, বলাই বাহুল্য।

    ৪। এবার ক্যাম্পেনের হাতে দুটো জিনিস আসে। ক। সামাজিক মাধ্যমে ভাসমান ভোটারদের তালিকা। এবং খ। ভলান্টিয়ারদের বন্ধু তালিকার মধ্যে এই ভাসমান ভোটারদের কে কে আছেন, তার লিস্টি। এই দুটোকে ম্যাপ করে ফেলা হয়।

    ৫। এর পর বাকিটা সোজা হয়ে যায়। ভলান্টিয়ারদের বলা হয়, তোমার তালিকায় ওমুক আছে, তাকে এই ব্যক্তিগত বার্তাটি দাও। ব্যক্তিগত বার্তা খুবই টার্গেটেড। এবং ব্যক্তিগতও। কোন বার্তাটা কাকে দিলে কাজ হবে, সেটা বার করাও আরেকটা প্রোজেক্ট। তার বিশদে আর ঢুকলাম না। তবে এই ব্যাপারে আবারও, সোশাল মিডিয়া দানবরা এবং গুগল সর্বতোরকম তথ্য জুগিয়েছিল।

    ফলে সব মিলিয়ে যা দাঁড়ায়, তা হল এইঃ টিভিতে যা প্রচার হচ্ছে, সে তো হচ্ছেই। সঙ্গে ভীষণ টার্গেটেড কিছু বার্তা পাচ্ছেন অল্প কিছু মানুষ। ধরুন, আপনি ঠিক করতে পারেননি এখনও কাকে ভোট দেবেন। আপনার একটু কালো-বিদ্বেষ আছে, কিন্তু আপনি আবার ইউনিভার্সাল হেলথকেয়ার চান। আপনার তিন বন্ধু আপনাকে সপ্তাহে একটা করে হেলথকেয়ারের দুরবস্থা নিয়ে মেসেজ করে যাচ্ছে। যেটা আপনার অভিজ্ঞতার সঙ্গেও মেলে। এরকম হপ্তা তিনেক চলার পর আপনি স্থির করে ফেললেন, হেলথ-কেয়ারই খুব বড় ইস্যু এবং আপনি ওবামাকেই ভোট দেবেন। এই প্রচার কোথাও দেখা গেলনা, কিচ্ছু হইচই হলনা, কিন্তু একজন পারসুয়েডেবল অবস্থান নিয়ে ফেললেন।

    ট্রাম্প এবং ব্রেক্সিট নির্বাচনে পদ্ধতিটা খুবই কাছাকাছি ছিল। খালি আরেক ধাপ উন্নত। ভলান্টিয়ার ফিয়ার লাগেনি। পার্সোনালাইজড বার্তা দেওয়াটাও অটোমেট করে ফেলা হয়েছিল। এর অবশ্য বিশদ বিবরণ পাওয়া যায়না, কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা নিয়ে এমনিই অনেক কেচ্ছা। কিন্তু মোটের উপর ব্যাপারটা এই। এবং পইটিকাল কম্পাস জাতীয় অ্যাপ গুলো, যা আমি আপনি হামেশাই ব্যবহার করে, এই টার্গেটিং এ খুব সাহায্য করেছিল।

    এই হল সফিস্টিকেটেড টার্গেটিং এর গপ্পো। যা বুশ, ক্লিন্টন, রেগন, ইন্দিরা, নেহরু, জ্যোতি বসু, মমতা, কারো পক্ষেই করা সম্ভব হয়নি। বিজেপি কী করেছে বলা মুশকিল। তথ্য নেই। তবে ফেবুর ট্যাকরেকর্ড এবং হোআ র রমরমা দেখে আন্দাজ করা যায় কী হয়েছে।

    এর মানে এই নয় ভোটাররা ছাগল। এর মানে হল এই, যে, প্রচার বস্তুটাই বদলে গেছে। ভারতবর্ষে ২০১৪ থেকেই এটা শুরু হয়েছে, ২০১৯ এ সিস্টেমটা খুবই পরিপক্ক। সেই বদলটা রাজনৈতিক দলদের ধরতে হবে। খামোখা ভোটারদের উপরে চিল্লিয়ে লাভ নেই।
  • এলেবেলে | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২০:৪৮420416
  • ঈশান, 'নতুন ভাষা শেখাতে হলে কচি বয়সে শেখাই ভাল' বলেছেন। তাত্ত্বিক ভাবে খুবই শ্রুতিমধুর, কিন্তু বাস্তব প্রয়োগ?

    ক) একটু আগেই হিমাংশু বিমল মজুমদারের রিপোর্টের উল্লেখ করেছি, তাতে আপনার কথার সমর্থন মিলছে না।
    খ) ভারতের সমস্ত রাজ্যে ত্রিভাষা নীতি চালু আছে সপ্তম শ্রেণি থেকে, দীর্ঘদিন মানে প্রায় ৪০ বছরের অধিক।
    গ) যাঁরা প্রাথমিকে বাংলা ও ইংরেজি পড়ছে তারা ভাষাটা কি শিখছে আদৌ? সেই পরিকাঠামো আছে আমাদের?
  • এলেবেলে | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২০:৪১420415
  • @ব, ইংরেজি তোলাটা জানেন কিন্তু ওই অর্ধেক জানেন আর কি। অর্ধসত্য মিথ্যার চেয়েও ভয়ানক।

    বাস্তব তথ্যটা হল ---

    ১) তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী হরেন্দ্রনাথ রায়চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৯৪৯ সালে ‘Reorganisation of School Education’ নামে কমিটি গঠিত হয়। কমিটির সুপারিশক্রমে ১৯৫০ সাল থেকে প্রাথমিক স্তর থেকে ইংরেজি সম্পূর্ণ তুলে দেওয়া হয়। অভিভাবকদের বিপুল চাপের ফলে ১৯৬৪-তে প্রাথমিকে ইংরেজি আবার ফিরে আসে এবং তৃতীয় শ্রেণী থেকে তা চালু হয়। এই সময়ে মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বিধান রায়। ১৯৫০ থেকে ১৯৬৩ এই চোদ্দ বছরে যাঁরা পড়েছিলেন তাঁরা কি ছাগল হয়েছিলেন?

    ২) মুদালিয়ার কমিশন (১৯৫২-৫৩), দিল্লিতে ইংরেজির অধ্যাপকদের সম্মেলন (১৯৫৩), দিল্লিতে অনুষ্ঠিত রাজ্য শিক্ষামন্ত্রী সম্মেলন (১৯৫৬), কোঠারি কমিশন (১৯৬৪) এবং ১৯৭৫ সালে গঠিত অধ্যাপক হিমাংশু বিমল মজুমদার কমিটির সুপারিশ (যেখানে ষষ্ঠ শ্রেণির আগে দুটি ভাষাশিক্ষাকে ‘tortuous and unscientific’ বলা হয়েছিল) অনুযায়ী বাংলায় প্রাথমিক স্তরে ইংরেজি বিদায় নিয়েছিল ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৮ অর্থাৎ ১৫ বছর।

    ৩) ২০০৪ থেকে প্রথম শ্রেণি থেকেই ইংরেজি পড়ানো চালু হয়েছে। তাতে কি ছাত্রছাত্রীরা ইংরেজিতে মহামূর্খ হয়েছে?

    প্রথম চোদ্দ কিংবা শেষ পনেরো বছরের উল্লেখ না করে খামচা মেরে মাঝখানকার পনেরো বছরকে চেপে ধরে প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করলে পিটিকে আচ্ছা করে ঠুসে দেওয়া যায় হয়তো, আদতে সত্যের অপলাপ হয়।
  • Ishan | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২০:৩৫420414
  • ফাইভ না সিক্স।

    সমস্যাটা ওভারহাইপড। তার আগে লোকে ক্লাস ওয়ান থেকে ইংরিজি পড়ে কিছু উল্টে দেয়নি। তবে একটা কথা তখন বুঝতাম না, এখন বুঝি। নতুন ভাষা শেখাতে হলে কচি বয়সে শেখাই ভাল। কিন্তু আমাদের প্রাইমারি ইশকুলে তেমন সফিস্টিকেটেড ব্যবস্থা কোনো কালেই ছিলনা।
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২০:৩৪420413
  • এস এম দা এবং অন্য রা যারা
    " ছাগল" তত্ত্ব এখনো বুঝতে পারেন নি। আমাকে বলবেন। আমি গুছিয়ে লিখে দেবো।
    পিটি দা আজকে
    মোটামুটি "সন্তোষজনক" উত্তর দিয়ে দিয়েছেন

    ( সিরিয়াস ব্যাপার, তাই নো স্মাইলি!!)
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২০:১৯420412
  • ১। বাম রা ইংরেজি তুলে দিয়েছিল। আমি সেই ভয়াবহ লার্নিং ইংলিশ র প্রথম ব্যাচ। ক্লাস ফাইভ থেকে ইংলিশ পড়ার মাশুল বহুদিন দিয়েছি।

    এইরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। পিটি দা উবাচ।

    ২। জ্যোতি বসু একটি বহুজাতিক সফ্টোওয়ার কোম্পানি যারা কলকাতায় তাদের
    র বিজনেস বাড়ানোর জন্য একটি ইউনিট খুলতে চেয়েছিল। তাদের বাংলা রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছে। একথা পিটি দা ছাড়া পৃথিবীর "প্রায় "সবাই জানে। কিন্তু উহা সর্বৈব মিথ্যে। প্রমান পিটি দার দেওয়া ৫৩ টা লিঙ্ক।

    ৩। বাম প্রমোটিত ট্রেড ইউনিয়ন ভালো উদ্দেশ্য নিয়েই শুরু হয়েছিল। আমার স্হির বিশ্বাস তারা ভালো ভালো কিছু কাজ করেছিল। কিন্তু ক্রমশঃ সরকারী
    মদদপুষ্ট হয়ে তারা সাপের পাঁচ পা দেখে। এবং নানা অযৌক্তিক দাবি তুলে প্রচুর কোম্পানির র আক্ষরিক অর্থে সত্যনাশ করে দেয়। তাদের দাপট এতটাই ছিল যে কিছু কিছু কোম্পানি পশ্চিম বঙ্গ থেকে ব্যবসাপত্র গুটিয়ে ভিন রাজ্য এ পাড়ি জমায়। অনেকেে এখানে নতুন সেট আপ চালু করতে চাই নি স্রেফ এই জঙ্গী ট্রেড ইউনিয়ন র ভয়ে।

    ৪।আমার আজ ও মনে আছে ২০০৬ সালে যখন একটা ইমপ্লিমেন্টেেেশানের জন্য আমরা দিনরাত এক করে লড়ে যাচ্ছি, সেই সময় অনসাইট অফসোর কলে ক্লায়েন্ট বলেছিল " হে গাইজ ডু ইউ হাভ এনি বন্ধ ইন বিটুইন। বিশ্বাস করুন বাঙালী হিসাবে আর কলকাতা বাসী হিসাবে আমার ছাতি এতে প্রচুর "চওড়া" হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পিটিদা কে বললে এক্ষুনি ১৩ টা লিঙ্ক দিয়ে দেবে যার থেকে সাথে সাথে প্রমাণ হয়ে যাবে বাম আমলে একটিও বন্ধ হয়নি। ও সব বিরোধীদের " অপপ্রচার"
  • আলফা | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ২০:০৮420411
  • ব্যা | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৯:০০420410
  • প্রথম কাঁঠাল খাওয়ার টইটাকে বারবার প্রথম কাঁঠালপাতা খাওয়ার পড়ছি।
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৮:৪৬420409
  • আজকে এই দুর্যোগের দিনে
    " বুদ্ধি করে " গাড়ি নিয়ে বেরুই নি। তার ফলে বাংলা কথায় নাকানিচুবানি।

    কিন্তু যে কোন খারাপ জিনিসের কিছু ভালো দিক থাকে। বেশ ঝমেঝমে বৃষ্টি তে আধ ঘন্টা টাক তে ভিজলাম। ভিজতে ভালো লাগে, তাই ছাতা বের করিনি।

    এমন বৃষ্টির দিনে তেলেভাজা ছাড়া চলে? দাঁড়িয়ে থেকে আলুর চপ আর বেগুনি ভাজিয়ে নিয়ে এলুম। তারপরে এক গাদা মুড়ি দিয়ে ....। বুঝতেই পারছেন হুগলী জেলার লোক।

    এরপর এককাপ গরমাগরাম দার্জিলিং টি।

    তারপরে বোধি দা আর পিটি দার প্রশ্নের উত্তর.....
  • অর্জুন | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৮:৩৬420408
  • সত্যিই যদি কোনো অ্যামেরিকা, ভারত বা যে কোনো দেশ এসব ইতিহাস প্রচারের জন্যে টাকা দিত বেশ হত।
  • PT | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৮:২৮420407
  • কে কার আলোয় আলোকিত হয়েছিল কে জানে!! কিন্তু ঐ সময় কালে সিপিএম এততাই শক্তিশালী যে তারা কেন্দ্রের সরকারের নীতি নির্ধারণ করছেসেটা ভাবলে বিস্ময় জাগে। সিপিএমের ঐ মুখপত্রের আর কোন কোন খবর computer-বাবু বিনা প্রতিবাদে মেনে নেন সেটা জানালে একটা আঁক কষতে পারি।


    মানে ৯৭ অবধি যারা মানুষ (মূলত " বিপ্লবী" টাইপস) তারা ২০০০ এর পর থেকে " ছাগল" হয়ে গেল??
    চক্ষু মুইদ্যা তখন ভোট দিচ্ছিল বামেদের। কোন খারাপ ঘটনাতেও react করা বন্ধ করে দিয়েছিল-তাই ছাগল। তখন ভোট দিয়ে কংকে ক্ষমতায় আনলে তিনোদের উত্থান আটাকানো যেত। সেটা ঐতিহাসিক কং বিরোধিতা কিনা কে জানে।
  • Computer | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৭:৪১420406
  • Internetএ কত কি পাওয়া যায়। হায় হায় গো, Dandekar committee-র বিধিনিষেধের পেছনে সিপিএম নিজেদের কৃতিত্ব দাবি করে বসে আছে, তাও আবার পার্টির মুখপত্রে। এখন আবার সেগুলোকে সেন্টারের পলিসি, আমরা কি করব বললে খুবই কিউট শোনায়।

    In a capitalist society, the communists oppose the adverse impact on the working class as a result of introduction of new technology, viz, the accompanying retrenchment drive, reduction of manpower; impact on health and safety of the workers, etc.

    The long-drawn struggle conducted by the All India Insurance Employees Association in 1966, which successfully prevented installation of computers by LIC in Calcutta, was a struggle that was in effect a struggle against the LIC’s attempts to reduce the manpower after the introduction of computerisation. It was a struggle to highlight the ill effects of reckless use of computers on job potential in the country.

    The struggle pointed out the arbitrary use of job killing devices by the capitalist class, and the task was successfully done by the struggle launched by AIIEA.

    As a result of this struggle, the government of India was forced to appoint the Dandekar committee which recommended that before introduction of computers the employers have to negotiate with the trade unions and discuss the terms of introduction of computers. This was an important achievement of the struggle conducted by the AIIEA.
    https://archives.peoplesdemocracy.in/2003/1005/10052003_thinking.htm
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৭:২২420405
  • মানে ৯৭ অবধি যারা মানুষ (মূলত " বিপ্লবী" টাইপস) তারা ২০০০ এর পর থেকে " ছাগল" হয়ে গেল??

    খুবঔ অনাক করে দেওয়া ব্যাপার। পিটি দা
    ।কেন এমম হল? এনি ক্লু??
  • PT | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৭:০১420404
  • লেখার আগে যে পড়া করতে হবে ! ঐ ২২-২৪ পাতার শেষ লাইন এই রকমঃ
    "in the general elections held in 1977 Indira Gandhi was defeated and a coalition government with Morarji Desai of the Janata Party as the Prime Minister assumed charge.......A mini computer policy was ultimately announced in 1978 which was more or less along the recommendations of the minicomputer panel. Also1978 was the year IBM left India and the policy announcement was timely as a number of private entrepreneurs were ready to occupy the space left by IBM.

    এটা কেন্দ্রীয় সরকারের পলিসি। সেটাকে এড়িয়ে কারো কিছু করার ক্ষমতা ছিল বলে মনে হয়্না। কাজেই ৭০-এর দশকে কমুর প্রয়োগ সম্পর্জে বুদ্ধবাবু কি বলেছিলেন তার বিশদ ব্যাখা প্রয়োজন।

    @ব্রজদাঃ
    একটি কমেন্ট ছুঁড়ে অদৃশ্য হবেন না। আপনার কাছে অন্য কোন তথ্য থাকলে জানান।
  • ব্রজদা | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৬:৩৫420403
  • আহা রে, রেসিডেন্ট ঢপবাজ বুদ্ধবাবুকে এটা বোঝাতে পারলে উনি আর এসব বলতেন না।
    "That was in the 1970s...that was foolish, foolish. It started when they were going to introduce computers in banks and (insurance companies). Their employees protested and we supported it. But how can you stop modern technology? Nowadays, they have understood...We have entered a century where industries will be talent-based,"Bhattacharjee said in an interview to the Far Eastern Economic Review.

    https://timesofindia.indiatimes.com/city/kolkata/Bengal-CM-calls-anti-computer-protest-foolish/articleshow/640340.cms
  • PT | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৬:২২420401

  • "কাজ চলে যাবার ভয়ে বিদেশী তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা কে তাড়ানো"
    এটি একটি বহু প্রচলিত পারশেপশন এবং ঢপ। বামেরা ইংরিজি তুলে দেওয়ার মত ঢপ। পব কেন্দ্রীয় সরকারের আইনমাফিক চলেছিল। সেই সংক্রান্ত লিং আমি বহুবার দিয়েছি। এখন খুঁজে পাচ্ছি না।
    NCL, Pune -তে ২০০০ সাল পর্যন্তও কম্পুর ব্যবহার ছিল না যদিও টেবিলে টেবিলে যন্ত্রগুলো বিরাজমান ছিল। ১৯৯১ সালের পরেও বেশ কয়েক বছর আমার ডিপার্টমেন্টে একটি মাত্র PC ছিল। আমরা মেস বাড়ির টয়্লেটের মত লাইন দিতাম সেটি ব্যবহার করার জন্য। পুণেতে কোন বামের অস্তিত্বও ছিল না।
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৫:০৫420399
  • বা অর্জুন বেশ আমেরিকার সংস্থার পয়সায় ভারতে কাজ করা র মত এসে ড্রাফট করে ছে।
  • | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৫:০৫420400
  • বা অর্জুন বেশ আমেরিকার সংস্থার পয়সায় ভারতে কাজ করা র মত এসে ড্রাফট করে ছে।
  • অর্জুন | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:২৮420398
  • অ্যামেরিকায় যেমন ইণ্ডিয়ান ডাস্পরা;.'র কথা বলছি তেমনি ভারতে অ্যামেরিকান কমিউনিটি'র আছে ১৮৭০ থেকে। Presbyterian মিশনারীরা আসছেন সেই সময় থেকে। তারা ছড়িয়ে পড়েন উত্তর ভারত, দক্ষিণ ভারত ও উত্তর-পূর্ব ভারতে। মুসৌরিতে উডস্টক স্কুলের র অলটার'রা এইরকম একজন অ্যামেরিকান ইণ্ডিয়ান পরিবার। অভিনেতা টম অলটার ঐ পরিবারের। দক্ষিণে ভেলোরে চিকিৎসা ব্যবস্থার একটা বড় অংশ তৈরি করেছে অ্যামেরিকানরা।

    টাটা গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজারদের রিক্রুট করা হত অ্যামেরিকা থেকে ১৯৭০ পর্যন্ত।

    আশ্চর্য অ্যামেরিকা ভারতে এত জনপ্রিয় হলেও ভারতে বসবাসকারী কিন্তু অ্যামেরিকানদের কথা জানাই যায়না।
  • lcm | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:২৫420396
  • *চাইনিজ
  • lcm | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:২৫420397
  • বড়েস,
    ঠিক শুনেছ। চাইনিক রেইল রোড ওয়ার্কারদের পাঠানো হত রকি মাউন্টেইন্‌স্‌ এর দুর্গম জায়গায় রেল লাইন পাতার কাজে। আমেরিকান চাইনিজ হিস্টরি নিয়ে মাঝে মধ্যে কাগজে লেখা বেরোয়।
  • lcm | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:২১420395
  • ধরো ১৯৬০ এর দশকে কালোরা সাদাদের সমান অধিকার আইনত পেতে শুরু করল। তখন যারা অ্যাডাল্ট সাদা আমেরিকান, তাদের ছেলেমেয়েরাই বেবি বুমার। কয়েকটা জেনারেশন লাগে এসব রিফর্ম হজম হতে।
  • lcm | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:১৭420394
  • হ্যাঁ, চাইনিজ-ইন্ডিয়ানরা মিশতে পারে নি সেটা কিন্তু ঐ সব আইনি রেস্ট্রিকশনের জন্যেও। ১৯০০-১৯৫০ আমেরিকাতে রেসিয়াল ডিস্ক্রিমিনেশনের চূড়ান্ত অবস্থা ছিল। মানে তার আগের অবস্থা বাদ দিলাম, কারণ সেগুলো ধরো স্লেভারি এসেট্রা।
    মানে ধরো, আমেরিকায় মেয়েদের ভোটাধিকার চালু হল বোধহয় ১৯২৫-১৯৩০ এরকম কোনো সময় থেকে। সেগ্রিগেশন - রোজা পার্ক্‌স, এম এল কিং - এসব তো ১০০ বছরও হয় নি।
  • = | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:১৫420393
  • ওহো স্যরি $ নামে কেউ একজন লেখেন বোধয় অলরেডি, কাল পরশুই দেখলাম।
  • $ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:১৪420392
  • দক্ষিনের রাজ্যগুলিতে তো কিং জুনিয়র সাধারন মানুষের মধ্যে বেশ সেলিব্রেটেড এখনো।
  • lcm | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:১২420391
  • হ্যাঁ, রেল লাইন পাতার কাজ করতে প্রচুর চাইনিজ শ্রমিক আনা হয়। ঐ ১৮৫০-১৯০০ --- এই পঞ্চাশ বছর।
    শুরুতে খুব ঝামেলা হয়েছিল, চিপ চাইনিজ লেবার আসছে ঠিক, রেইল রোড কন্স্ট্রাকশন কোম্পানির মালিকেরা খুশি - কিন্তু সাদাদের দেশে অন্য লোক আসছে এবং থাকছে এ নিয়ে কিছু শ্বেতাঙ্গ এত ঝামেলা পাকায় যে চাইনিজ এক্সক্লুশন আইন টাইপের একটা জিনিস পাশ হয় এবং প্রায় দশ বছর এই আইনে চাইনিজ ইমিগ্রেশন বন্ধ থাকে।
    এরকম একটা আইনের এক্সটেনশন ছিল বহুদিন, ১৯০০ সাল পরিয়েও, আমার ঠিক মনে নেই দেখতে হবে, ভারতীয়দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল, অনেক এশিয়ানদের ক্ষেত্রেও।
    বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে আইন শিথিল হয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত