এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • র২হ | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৪৪421170
  • চব্বিশ খন্ডে নেই।

    (এটা এতক্ষণে পরিস্কার হয়ে যাওয়ার কথা।)
  • Atoz | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৪৩421169
  • জগদীশচন্দ্র কিন্তু ঠিক "গাছের প্রাণ আছে" দেখান নি, গাছেরা যে উত্তেজনায় সাড়া দিতে পারে, সেটা দেখিয়েছিলেন। (নইলে গাছ জন্মায়, বড় হয়, ফুলফল দেয়, মরে যায়---এসব লাখ লাখ বছর ধরেই লোকে দেখছে, গাছের যে প্রাণ আছে সেটা জানত লোকে। এরা যে জীব সে আগেও লোকে বলেছে। )
  • অর্জুন | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৪১421168
  • বিবেকানন্দ বিষয়ে এ যাবত যতগুলি মন্তব্য পেলাম তার মধ্যে সবচেয়ে ভাল লাগল @S মন্তব্য। What exactly are we debating on? বিবেকানন্দের বক্তৃতায় হাততালি পড়েছিল না পড়েনি ? অতিরিক্ত হাততালির অর্থ এমনও হতে পারে 'আপনি এবার নামুন মশাই'। পুনেতে একবার বিতর্কিত পুলিশ কমিশনর গৌতম ভাটিয়া আমাদের কলেজে এসে বলেছিলেন 'When you start getting bored, just clap. I’ll get the message.

    I think the most important aspect is the content of Vivekananda's talk. বিবেকানন্দ তাঁর অমন সুন্দর পোশাকের জন্যেও ক্ল্যাপ পেতে পারেন। @S যা বললেন পুরোটাই open for further interpretation.

    বিবেকানন্দ ব্যতীত অন্যেরা হাততালি কুড়োতে পারেন না? নববিধান ব্রাহ্মসমাজের প্রতাপচন্দ্র মজুমদার ও বৌদ্ধ পণ্ডিত অনাগরিক ধর্মপাল দুজনেই ছিলেন পণ্ডিত এবং ধর্ম মহাসম্মেলনের মত একটি আলোচনা চক্রে ধর্ম সংক্রান্ত তাঁদের তাত্ত্বিক জ্ঞান অনেক বেশী গ্রহণযোগ্য হওয়াই স্বাভাবিক। তাঁদের বাক বিভূতিও খুব কম কিছু ছিল এমন মনে করার কোনো কারণ নেই।

    ক্লারা বাট পড়িনি। আমার গবেষণার বিষয় বিবেকানন্দ নয়। তাই পুঙ্খানুপুঙ্খ পড়াশোনা এ বিষয়ে থাকার কথা নয়। শিকাগোতে ১২৬ বছর আগে বিবেকানন্দ তাঁর বক্তৃতায় অনেক হাত তালি কুড়লেও তাঁর শিকাগো বক্তৃতা আজকের প্রেক্ষিতে কতটা প্রশংসার দাবী রাখে বা প্রাসঙ্গিক সেটা অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ। সেই আলোচনা বরং হোক।

    সব অ্যামেরিকানদের মেধা ও মানসিকতা কি এক? বিবেকানন্দ এক পক্ষ গ্রহণ করেছিলেন, অনাগরিক ধর্মপাল, পণ্ডিতা রমাবাঈকে আরেক পক্ষ।

    অ্যামেরিকায় প্রভুপাদ যতটা জনপ্রিয় ততটাই দলাই লামা। এর মধ্যে বিশেষ বিরোধ আছে বলে মনে করিনা।

    বিবেকানন্দের সবচেয়ে বড় গুণ উনি খুব স্মার্ট ও সপ্রতিভ মানুষ ছিলেন। ভারতে থাকতে নিজগৃহ এবং সারদা দেবী ছাড়া তাঁর সঙ্গে সে ভাবে মহিলাদের যোগাযোগ ঘটেনি কিন্তু পাশ্চাত্যে গিয়ে অ্যামেরিকান ও ইউরোপীয় মহিলাদের সঙ্গে কি সুন্দর বন্ধুত্ব করেছিলেন। পাশ্চাত্যে বিবেকানন্দের chief collaborator মহিলারাই।
  • Atoz | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৯421167
  • ব্রতীন, মহাকর্ষের ব্যাপারেও। এই সেদিন একজন নিউটনের হাত থেকে কেড়ে নিলেন মহাকর্ষ, দিয়ে দিলেন আইনস্টাইনের হাতে। কিন্তু আইনস্টাইন আগেই নিয়ে নিয়েছেন, ওই জেনারেল রিলেটিভিটির সময়েই মহাকর্ষ(সঙ্গে আরো নানারকম আকর্ষণ, বিকর্ষণও) ঠেলে উঠেছিল ওঁর তত্ত্বে। ঃ-)
  • | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৫421166
  • কোন লেখা কবিগুরুর কিনা সন্দেহ হলে

    টুক করে ২৪ খন্ড রচনাবলী পড়ে ফেলুন তারপরে আমাদের জানিয়ে দিন কোন খন্ডের কত নাম্বার পাতায়।

    তবে আজকাল আমার ও সন্দেহ হচ্ছে "গাছের প্রাণ আছে" কে আবিষ্কার করেন?
    জগদীশচন্দ্র না শরৎচন্দ্র??
  • Atoz | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৪421165
  • হুতো, ভেগ হলেই বা কী, সত্যি হলেই বা কী? সবই প্রেক্ষিতের ব্যাপার। ঃ-)
  • pi | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:২০421164
  • সার যা বুঝেছি, কোন একটা চরমে থাকতেই হবে বা বেছে নিতে হবেই। নয় সবকিছু সর্বোত্তম, নয় ভিলেন। হয় ভগবান, নয় শয়তান। এমনকি কোথাও কোন ধূসর এলাকা, প্রেক্ষিত এসবেরও কোন অস্তিত্ব নেই।
  • র২হ | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:১৭421163
  • ভেগোলজি সব ক্ষেত্রেই হয়। গুরুতে প্রকাশিত যে দুটো লেখার লিংক দিলাম ওগুলিতে কিছু ভেগ রেফারেন্স দেখিয়ে দিলে বুঝতে পারি। আগেই বললাম, আমি নিজে বেশি মূল টেক্সট পড়িনি, তাই ধরতে পারছি না। কিন্তু আপনি এত কনভিকশন নিয়ে বলছেন এসব ভেগ, নিশ্চয় নির্দিষ্ট ভাবে জানেন।
  • Atoz | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২১:০২421162
  • এই তো সেই দ্রিয়ের টইতেই এই নিয়ে কত কথা হয়ে গেল। সেই "প্রাচীন ভারতে আলোর গতি" নিয়ে গবেষণা। ঃ-) সুভাষ কাকের পেপার। কত সব রেফারেন্স। "বলার নয়, দেখার নয়, শুধু কলম দিয়ে লেখার।" ঃ-)
  • Atoz | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৫৯421161
  • সমর্থনে যত সূত্র, বিরুদ্ধে তত সূত্র। রেফারেন্স কি কম পড়েছে? ভালো মন্দ রাবিশ হাবিজাবি সব রকমই আছে। রেফার করে দিলেই হল। যদি নিগূঢ়ানন্দ টাইপ বইও কেউ রেফার করে, আটকাচ্ছে কে?
  • Atoz | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৫২421160
  • ওইরকম শৌলমারীর সাধু টাইপ রেফারেন্স সব। ঃ-)
  • র২হ | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৪৮421159
  • হ্যাঁ, তা লেখেন। তবে তাঁরা তো খেটেখুটে নানান সূত্র রেফার করে মত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন দেখি। কাউন্টার করতে চাইলেও সেভাবেই করা ভালো! আন্দোলন করবেন কি করবেন না সে তো তাঁদের ব্যাপার
  • Atoz | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৩১421158
  • বুঝলেন হুতো, বিদ্যাসাগরের ঠাকুমার আমলে হাজারে হাজারে স্কুলে লাখে লাখে মহিলা পড়াশোনা করতেন, এইরকম সব দাবী নিয়েও তো লেখা টেখা দেখি আজকাল। অর্থাৎ বিদ্যাসাগর কিসুই করেন্নি আরকি। ঃ-)
    (এইসব লেখা টেখা দেখে মনে হয় যে লোকেরা এসব লেখেন টেখেন তাঁদের বলি, আপুনেরা মশাই আন্দোলন করুন। পথে নামুন। স্লোগান দিন। নইলে কজনেই বা এইসব রত্নের ব্যাপারে জানতে পারবে বলুন? ঃ-) )
  • এলেবেলে | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ২০:১৯421157
  • হাত্তালি নিয়ে কী বোর্ড ধরা হয়নি, ধরা হয়েছিল ‘দ্য নিউইয়র্ক হেরাল্ড’-এর ‘কাল্পনিক’ ভূয়সী প্রশংসার কথা নিয়ে। সেগুলো পাওয়া-টাওয়া গেল? এই ধর্ম সম্মেলনের শ্রোতাদের কথাও বার্ক বলেছেন যা ওই নিমাইসাধন বসুর বক্তব্যের চেয়ে কিঞ্চিৎ বেশিই রূঢ়। তো সেটার উল্লেখ না করে কাঁটা বেছে খাচ্ছেন কে? বারংবার বার্কের উল্লেখ কেন? উদ্বোধনের বই বলে? বাকি সব ফালতু?
  • নীরব পাঠক | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:১১421156
  • গুরু ও চন্ডালেরা,

    এবার বিবেকানন্দকে একটু রেহাই দিলে হয় না ? ওই মানুষটিকে নিয়ে পরেও তুফান তোলা যাবে, কিন্তু দেশের হাল কোনদিকে যাচ্ছে, সেটা নিয়ে এখন না ভাবলে আর পরে করার কিছু থাকবে না।
    নাকি এখানে সবাই রোজগেরে, এবং দেশ চুলোয় গেলেও কারো রোজগারে আঁচড় টিও পড়বে না ?
  • ? | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:২৩421155
  • অর্জুন মাইরি একটু মন দিয়ে মেরী লুইজ বার্ক পড়লেও পারে। এত প্রশ্ন, সব উত্তর সামনেই লেখা রয়েছে অথচ পড়ার সময় ব্যয় না করে শুধু প্রশ্ন লিখেই ক্ষান্ত দিতে হচ্ছে, এ মানে যাকে বলে চোখে দেখা যায় না। হাতের কাছে হার্ড কপি না পেলে একটু এদিক ওদিক উঁকি মারলে সফট কপিও পাওয়া যায় তো!
  • r2h | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:১৯421154
  • Atoz Date:02 Oct 2019 - 12:34 AM বাংলায় সতীদাহ নিয়ে যাঁরা গবেষণা করে প্রচলিত ধারানার সঙ্গে দ্বিমত রাখছেন তাঁদের মত অসার মনে হলে তথ্য যুক্তি দিয়ে বলুন না। আমার মত যারা মূল টেক্সট, ইতিহাস এত পড়েনি, তাদের জন্যে লোকশিক্ষেও হয় তাহলে।

    গুরুতেই তো আছে এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাঃ

    https://www.guruchandali.com/default/2019/08/02/1564712151033.html

    https://www.guruchandali.com/default/2019/08/02/1564712130025.html

    কী করলো না তা নিয়ে বলে আর কী হবে। কলমচিকেই আন্দোলন করতে হবে, এমনটা ঠিক আশা করা যায় না।
  • ? | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:১৭421153
  • //ভারত থেকে কোনও মুসলমান প্রতিনিধি সেখানে যাননি//
    এখানে জিজ্ঞাসা চিহ্নটি নিজেই লাগিয়ে লিস্টটি টুকে দেওয়ার লোভ সামলানো মুশকিল ছিলই, যাকে বলে দিতেনই, যাস্ট সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু, এ প্রশ্নটি করা হয়নি আজ্ঞে। মন দিয়ে পড়লে দেখবেন ইসলাম ধর্ম সম্বন্ধে বক্তৃতা লোকে দিয়েছে, সে ভারত থেকে সশরীরে না গেলেও। প্যামফ্লেটও লোকে পাঠিয়েছে, ভারত থেকেই, আপনার ওই লিস্টের বাইরের নামই পাঠিয়েছে। সেসবই ডকুমেন্টেড। সুতরাং যেখান থেকে টুকছেন তার উপরে চোখ কান বন্ধ করে ভরসা করবেন না মাইরি। বলার এটুকুই, ভারত থেকে সশরীরে ইসলাম ধর্মাবলম্বী কেউ না গেলেই সেই সভা ধর্ম মহাসভা না থেকে জাস্ট কলম্বাসের জন্মদিনের মেলা হয়ে যায় কোন লজিকে?

    there arose a peal of applause that lasted for several minutes
    --হাততালি ধর্মপাল এবং প্রতাপ মজুমদার কিছু কম পাননি (অর্থাৎ বিবেকানন্দ প্রথম সম্ভাষনের পর দীর্ঘ হাততালি পেয়েছিলেন সেটা মেনে নেওয়া হল?)
    তারপরেও তবু লিখতে হয়, "কিন্তু সেখানে হাততালির ব্যাপারে কিছু লেখা আছে কি?"
    মানে সভার আপিশিয়াল বিবরণীতে প্রাথমিক সম্ভাষনের পর হাততালির কথা পষ্ট লেখা আছে, মেরী লুইজ বার্ককে প্রামাণ্য ধরলে তিনিও বারংবার নানা সোর্স উল্লেখ করে এই ঘটনাকে সমর্থন করেছেন, তবু, ভাঙলেও মচকালে আবার ঠিক চলে না কিনা!

    হাততালি কে কে পেয়েছেন সেটা আবার আলোচ্য কখন ছিল? প্রথম ভাষণ দেন জান্টের আর্চ বিশপ। তার বক্তব্যের শেষে সভাপতির কনক্লুশনের পর "শ্রোতারা ঘন ঘন হর্ষধ্বনিতে ফেটে পড়ল"। বিগত দশ বৎসর যাবত অ্যামেরিকার অধিবাসী হিসেবে অনেকের নিকট পরিচিত, কলকাতার ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপ মজুমদারও অভিনন্দন লাভ করলেন তাঁর ভাষণের জন্য। কিন্তু পুং কুয়াং উ যে স্বাগত অভিনন্দন পেলেন, বারোজের ভাষায়, তা মঞ্চের অন্য কোনো প্রতিনিধি পাননি। নারী পুরুষ নির্বিশেষে সকল শ্রোতা দাঁড়িয়ে উঠে পাগলের মতো টুপি ও রুমাল নাড়তে থাকে। ("এর কারণ হল সভাপতি বনি তাঁর প্রারম্ভ ভাষণে বলেছিলেন, "আমরা চীনের প্রতি সুব্যবহার করিনি"।)
    "শ্রোতারা গোমরামুখে চুপচাপ বসে থাকেনি, স্বামীজীর বক্তৃতার আগেও তারা বক্তাদের সোচ্চার অভিনন্দন জানিয়েছে।" --- 'আগের ক্ষেত্রে অভিনন্দনের স্পষ্ট কারণ ছিল - বক্তার পূর্ব পরিচিতি অথবা নিজেদের প্রাক্তন অপরাধের অপনোদন। কিন্তু স্বামীজীর ক্ষেত্রে এসব কিছু ছিল না। আবার তাঁর প্রারম্ভ সম্বোধনটাই কেবল করতালির কারণ হতে পারে না যেহেতু শ্রোতারা সকাল থেকেই বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধের কথা অনেকের বক্তৃতাতেই শুনে আসছে।" -- ইত্যাদি এসবই মেরী লুইজ বার্ক বলেছেন। মাছ বেছে কাঁটা খেতে গেলে অবশ্য সেসব কেউ জানতেন না ধরে নেওয়াটাই প্রথাসিদ্ধ।

    তো, প্রথম হাততালিটি ঐতিহাসিকভাবে ডকুমেন্টেড, মিশনের মিথ্যে প্রচার বা বিবেকানন্দের মিথ্যাচার নয় আজ্ঞে, যা প্রমাণ করার চেষ্টায় আপনি কীবোর্ড ধরেছিলেন। এবার কথা হল হাতততালি তো আরো অনেকেই পেয়েছিলেন। তো পেয়েছিলেন। তাতে তো কারো কোনো সমস্যা হয়নি। অতদিনব্যাপী অত বক্তার মধ্যে আর কেউ কখনও হাততালি পাননি এমনতর ধারণা সুস্থ লোকের মনে আসার কথা নয়। কিন্তু কেউ তো তাদের বিষয়ে "অমন মিথ্যাবাদী যেন আগামী দুশো বছরে না আসে সেই প্রার্থনাই" করবেন বলে কীবোর্ড ধরেন্নি। ধরলে তাঁদের হয়ে ব্যাট করবার লোকও মিশন ব্যতিরেকেই পেয়ে যাবেন হয়তো, পরিবেশ ভক্তিগদগদ বা ঘৃণাজর্জরিত যাই হোক না কেন।
  • r2h | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:০৪421152
  • কবিগুরুর বাণী-টা সত্যি কবিগুরুর কিনা সেটা নিয়ে একটু দ্বিধা আছে। অন্য অনেকে বলেছেন, আরো একবার বললাম, অধিকন্তু।

    ক'পাতা আগে abcd সফড়ির শিং ঘষা নিয়ে লিখেছেন। সফরী না? শিংও থাকবেনা। মাছের তো শিং থাকে না।

    বিবেকানন্দ বিরাট বড় সংগঠক, আজকের দিনে তাঁর যেসব কথা, অবস্থান, দৃষ্টিভঙ্গী খুব গোলমেলে লাগে উনবিংশ শতকের পটভূমিকাতে রেখে দেখলে সেরকম লাগার কথা না। ঐভাবেই দেখা হোক। আজ আমেরিকার মার্কা চাইনা, কিন্তু একটি পরাধীন দেশে অন্য একটি দেশ যারা বৃটিশদের সংগে যুদ্ধ করে নিজেদের দেশ বানিয়ে উন্নতি করেছে, তাদের স্বীকৃতির একটা আলাদা মর্যাদা তো থাকারই কথা।

    তবে সমালোচনা, মূল্যায়ন, নির্মোহ ব, এসবের ধারাও চলুক সেরকমই চাই। অন্ধ অচলা ভক্তি কোন কাজের কথা না, স্থবির ভক্তের থেকে কঠোর সমালোচকের ভূমিকা অনেক বেশি মূল্যবান। বইয়ের ব্লার্ব থেকে তথ্যসূত্রহীন কোটেশনের থেকে সূত্র নিয়ে বিশ্লেষণ অনেক উপকারী জিনিস।
  • অর্জুন | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:৪৪421151
  • @cb হা হা হা, আমার পনেরো বছর বয়েস হবার পরেই কেউ 'খোকা' বললে খুব রাগ হত। এখন প্রায় চল্লিশ বছর বয়েসে আপনি ডাকলেন, না রাগ নয় আমোদ পেলাম। আপনি মিষ্টি মানুষ।

    একদমই ঠিক। আমার গভীর পড়াশোনার অভাব তবে এখানে বই পত্রের উল্লেখ করি বলে আমার কথাও শুনি। আজ আপনি তার উল্টো বললেন। ঃ-)

    যাইহোক, কয়েকদিন ভাটিতে আসিনি তবে কাল ফলো করছিলাম।

    গতকাল @এলেবেলে এই তথ্যগুলো দিয়েছেন। নাকি @এলেবেলে'র দেওয়া তথ্য গৃহীত নয়!

    'শিকাগোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাগজ Chicago Daily Tribune, Chicago Herald বা Chicago Inter Ocean-এ এমন কোনও কথা ছাপাই হয়নি। এমনকি আমেরিকার চারটি বিখ্যাত সংবাদপত্র New York Times, New York Herald, New York Daily Tribune ও Boston Evening Transcript-এ ১২ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধর্মমহাসভা সম্বন্ধে অনেক খবর থাকলেও বিবেকানন্দের নামও উল্লেখ করা হয়নি, বক্তৃতার লিপি তো দূরের কথা। ১৮৯৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ‘দ্য নিউইয়র্ক হেরাল্ড’-এ ‘The doctrine of the Swami’ শীর্ষক বিবেকানন্দ সম্পর্কিত একমাত্র সংবাদেও এমন কিছু বলা হয়নি।

    নিজের বাণী ? ঃ-)

    ব্যাপারটা হল তথ্যের সঙ্গে নিজের অ্যানালিসিস তো থাকতেই হয়। বিবেকানন্দ'র জীবনে চারটে পর্ব ভাগ করে নিন।

    রামকৃষ্ণের সংস্পর্শে আসার পরে ১৮৮১- '৮৬, রামকৃষ্ণের দেহাবসান থেকে অ্যামেরিকা যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ১৮৮৬- ১৮৯৩, অ্যামেরিকা ও ইউরোপ পর্ব ১৮৯৩- ১৮৯৭ এবং দেশে ফিরে তাঁর মৃত্যু অবধি ১৮৯৭- ১৯০২।

    একজন সন্ন্যাসী হঠাৎ অ্যামেরিকা কিসের উদ্দেশ্যে যাবেন? শিকাগোর ধর্ম মহাসম্মেলনে তো নিমন্ত্রিতই ছিলেন না। শিকাগোর ধর্মসভার কথা তিনি জানলেন কোথা থেকে। ১৮৯৩ র পূর্বে তাঁর আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কি ছিল? এসব প্রশ্নগুলো কি করা অসমীচীন ? তিনি একেবারেই কি নিজের থেকে গিয়েছিলেন না এর পিছনে ধনী ও প্রভাবশেলী কিছু হিন্দু রাজন্যবর্গের ভূমিকা ছিল। ক্ষেত্রীর মহারাজ তাঁর প্যাসেজ মানি বেয়ার করেছেন। একটু ক্যাজুয়েলি বলে ফেলেছিলাম। বলতে চেয়েছি তখন ব্রাহ্ম ও খৃস্ট ধর্মের খুব রমরমা। ব্রাহ্ম ধর্মের প্রভাব বোম্বাই প্রদেশেও পড়েছিল- প্রার্থনা সমাজ। তাই একটি নব্য হিন্দু ধর্মের প্রচারক হিসেবে বিবেকানন্দকে তার প্রতিনিধি করে মার্কিন মুলুকে পাঠানো টা কি নেহাত অমূলক ?

    প্রশ্নগুলো যত তাড়াতাড়ি ওঠাতে পারলাম তার উত্তর দিতে নিশ্চয় অত তাড়াতাড়ি পারব না।
  • PT | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:০৬421150
  • এসব তবে সত্যি নহে?
    "সভায় উপস্থিত শ্রীমতি এস. কে.. ব্রজেট লেখেন," যুবকটি যখন 'সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদর্স অফ আমেরিকা' বলেন, তখন সাত হাজার নরনারী এমন একটা কিছুর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনার্থে উঠে দাঁড়াল যা তারা ভাষায় প্রকাশ করতে সমর্থ ছিল না।"

    "কিন্তু সন্ন্যাসীর সম্বন্ধে অকারণ কুৎসা রটাতে ব্যস্ত হয়ে উঠলেন কলকাতার ছেলে প্রতাপচন্দ্র মজুমদার...."
  • S | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:৫০421149
  • একটা কথা লিখতে গিয়েও লিখতে পারছিনা। ঠিক কিভাবে লিখবো সেটা বুঝতে পারছিনা।

    পরাধীন ভারতের একজন অধিবাসী ইংরেজদের কাছে কতটুকু হাত্তালি, বাহবা পেয়েছিলেন জানিনা। কিন্তু আম্রিগায় এইসব হাত্তালি দেওয়ার রেওয়াজ এমনিতেই একটু বেশি। তাছাড়া তারা হয়তো ভারতকে বৃটেনের আরেকটা কলোনি মনে করতো, ফলে সন্মান বেশি। সেক্ষেত্রে হাত্তালি বেশি হতেও পারে, বা অল্পেতেই আপ্লুত হওয়ারও সম্ভাবনা দেখি। তবে ঐ মাই ব্রাদার্স অ্যান্ড সিস্টার্স অব আমেরিকা শুনে দুমিনিট হাত্তালি পড়লো, সেটা অনেক কারণেই হতে পারে। তাঁর বেশ ভুষা দেখে লোকে কি মনে করেছিলো, আর বিশুদ্ধ ইংরেজি শুনে কতটা খুশি হয়েছিলো সেও কেউ জানেনা। অতেব কখন, কতটা, কেন হাত্তালি পড়লো সেটা কোনোদিনও জানা যাবেনা। জানা গেলেও ওপেন টু ইন্টারপ্রিটেশনই থাকবে।

    কিন্তু আম্রিগার একটা কনফারেন্সে হাত্তালির দৈর্ঘ দিয়ে স্বামিজীর সাফল্য মাপতে হবে কেন? উনার লেকচারের স্ক্রিপ্ট তো আমরা সকলেই পড়েছি। আমরা নিজেরাই তো বিচার করতে পারি। আজ থেকে সোয়া একশ বছর আগে হওয়া একটা কনফারেন্সে লোকে কি ভাবলো সেই দিয়ে মাপার কোনও প্রয়োজনই নেই। আর এই নিয়ে এতো প্রচারই বা কেন? ছোটোকালের বইতে পুরো লেকচার দেওয়া যেত না, তাই ঐ প্রথম সেন্টেন্সে হাত্তালি পড়লো এইটুকু গল্প রাখলেই চলে। কিন্তু সেটাকে বয়ে বেড়ানোর কি দরকার বুঝিনা। এই গল্প শুনে মনে হয় যেন পুরো বক্তব্যের থেকে ঐ সম্ভাষণের দাম অনেক বেশি।
  • Amit | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:৪৪421148
  • ইন্ডিয়া কি ব্যাট করছে। দেখার মতো।
  • | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:৪৩421147
  • যাক ঠাকুর দেখতে বেড়িয়ে গেছি।

    পুরো ফেসটিভ মুড।

    পিটি দা, অনেক ধন্যবাদ।

    খামোকা আমি কিছু প্রমাণ করতে যাবো কেন? তাও আবার কবিগুরুর
    বাণী।

    " আজ তবে এই টুকু থাক, বাকি কথা ( পড়ুন মত- বিনিময়) পরে হবে।

    শুভ চতুর্থী
  • এলেবেলে | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:৩০421146
  • আর হ্যাঁ, আমি আপাতত বিবেকানন্দ নিয়ে আর একটি শব্দও ব্যয় করতে রাজি নই। পাছে 'গামছা খুলে যায়' তাই কাটলাম এই গদগদ পরিবেশ থেকে।
  • এলেবেলে | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:২৫421145
  • জনৈক জিজ্ঞাসা চিহ্ন অনেক প্রশ্ন করেছেন এবং একাধিক লিংকও দিয়েছেন। এক এক করে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করি।

    ১) //ভারত থেকে কোনও মুসলমান প্রতিনিধি সেখানে যাননি?//

    হ্যাঁ, যাননি। সশরীরে গিয়েছিলেন ১৩ জন ভারতীয় এবং প্রতিবেদন পাঠিয়েছিলেন বাকি ৭ জন। সশরীরে সেখানে উপস্থিত ছিলেন জ্ঞানেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, ধর্মপাল, রবার্ট হিউম, প্রতাপ মজুমদার, বলবন্ত নাগরকর, লক্ষীনারায়ণ, নরসিংহাচার্য, মরিস ফিলিপস, জিন্দা রাম, সিদ্ধু রাম, জীন সোরাবজি, বীরচাঁদ গান্ধী এবং বিবেকানন্দ। প্রতিবেদন পাঠিয়েছিলেন পার্থসারথী আয়েঙ্গার, মোহন দেব, মণিলাল দ্বিবেদী, পুরুষোত্তম যোশী, জামশেঠজি মোদী, টি স্কট এবং টমাস স্লেটার।

    ২) // Swami Vivekananda, of Bombay, India, was next introduced. When Mr. Vivekananda addressed the audience as "sisters and brothers of America." there arose a peal of applause that lated for several minutes. He spoke as follows: ........//

    ব্যারোজের বইয়ের এই বর্ণনা আমি দেখিনি ধরে নেওয়ার মধ্যেই বরং কেমন দিলুম' গোছের কলার তোলা ভাব আছে। কারণ মেরি লুই বার্কের নিউ ডিসকভারিজ-এর প্রথম খণ্ডে এ ব্যাপারে লেখা আছে "In Swamiji’s case there was nothing like this, nor could the applause have been inspired by his WORDS ALONE, for sentiments of universal brotherhood had been given voice throughout the morning and half the afternoon. Was it not, rather, inspired by something unspoken that came through Swamiji’s words?" হাততালি ধর্মপাল এবং প্রতাপ মজুমদার কিছু কম পাননি কিন্তু তাঁদের হয়ে ব্যাট করবার কোনও মিশন ছিল না!

    ৩) বরং এইটে পড়তে দোষ নেই। ১১ জুলাই, ১৮৯৪ আলাসিঙ্গাকে তিনি লিখছেন, "সভার খানকতক প্রস্তাব ডাঃ ব্যারোজকে পাঠাবে-তার সঙ্গে একখানা পত্র লিখে আমার প্রতি সহৃদয় ব্যবহারের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ দেবে এবং উহা আমেরিকার কতকগুলি সংবাদপত্রে প্রকাশ করবার জন্য অনুরোধ করবে।
    ডেট্রয়েটের বক্তৃতায় আমি ৯০০ ডলার অর্থাৎ ২৭০০৲ টাকা পেয়েছিলাম। অন্যান্য বক্তৃতায় একটাতে এক ঘণ্টায় আমি ২৫০০ ডলার অর্থাৎ ৭৫০০৲ টাকা রোজগার করি, কিন্তু পাই মাত্র ২০০ ডলার। একটা জুয়াচোর বক্তৃতা কোম্পানী আমায় ঠকিয়েছিল। আমি তাদের সংস্রব ছেড়ে দিয়েছি। এখানে খরচও হয়ে গেছে অনেক টাকা—হাতে আছে মাত্র ৩০০০ ডলার।
    যে প্রস্তাবগুলি সভায় পাস হয়েছে, সেগুলি ধর্মমহাসভার সভাপতি, চিকাগো, ডাঃ ব্যারোজ (Dr. J. H. Barrows)-কে পাঠাবে এবং তাঁকে অনুরোধ করবে যে, ঐ প্রস্তাব ও পত্র যেন তিনি খবরের কাগজে ছাপান।
    ডাঃ ব্যারোজকে ও ডাঃ পল কেরসকে ঐগুলি ছাপার জন্য অনুরোধ-পত্রও যেন ঐরূপ সভার প্রতিনিধিস্থানীয় কারও কাছ থেকে যায়। বিশ্ব মহামেলার (ডেট্রয়েট, মিশিগান) সভাপতি, সেনেটার পামার (Palmer)-কে পাঠাবে—তিনি আমার প্রতি বড়ই সহৃদয় ব্যবহার করেছিলেন। মিসেস ব্যাগ্লি (J. J. Bagley)-কে ওয়াশিংটন এভিনিউ, ডেট্রয়েট, এই ঠিকানায় একখানা পাঠাবে, আর তাঁকে অনুরোধ করবে যে, সেটা যেন কাগজে প্রকাশ করা হয় ইত্যাদি। খবরের কাগজ প্রভৃতিতে দেওয়া গৌণ — দস্তুর মাফিক পাঠানোই হচ্ছে আসল অর্থাৎ ব্যারোজ প্রভৃতি প্রতিনিধিকল্প ব্যক্তিগণের হাত দিয়ে আসা চাই, তবেই সেটি একটি নিদর্শনরূপে গণ্য হবে। খবরের কাগজে অমনি অমনি কিছু বেরুলে সেটি নিদর্শনরূপে গণ্য হয় না। সব চেয়ে নিয়ম অনুযায়ী উপায় হচ্ছে ডাঃ ব্যারোজকে পাঠানো ও তাঁকে কাগজে প্রকাশ করতে অনুরোধ করা। আমি এসব কথা লিখছি, তার কারণ এই যে, আমার মনে হয়, তোমরা অন্য জাতের আদব-কায়দা জান না। যদি কলিকাতা থেকেও বড় বড় নাম দিয়ে — এ রকম সব আসে, তাহলে আমেরিকানরা যাকে বলে ‘boom’, তাই পাব (আমার স্বপক্ষে খুব হুজুক মেচে যাবে) আর যুদ্ধের অর্ধেক জয় হয়ে যাবে। তখন ইয়াঙ্কিদের বিশ্বাস হবে যে, আমি হিন্দুদের যথার্থ প্রতিনিধি, আর তখনই তারা তাদের গাঁট থেকে পয়সা বার করবে।

    @S //কিন্তু শিকাগো আর্ট ইনস্টিটিউট তো নিজেই স্বেকার করছেঃ। এমনকি এই শিকাগো ট্রিবিউনের এই রিসেন্ট লেখাতেও রয়েছে বিবেকানন্দের ভাষণের কথা।//

    বিবেকানন্দ ভাষণ দেননি তা তো বলিনি একবারের জন্যও। কিন্তু সেখানে হাততালির ব্যাপারে কিছু লেখা আছে কি?

    @PM //৩৯ বছর বয়েসের মধ্যে যা কাজ করেছে একটা লোক তা একটা গোটা জেনেরেসন কে প্রভাবিত করল কি করে সেটা তো বোঝা দরকার তো আগে// মার্কা আপ্তবাক্য না আউড়ে একটু বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও তো পারেন। জানেনই তো আমি গোমুখ্যু, না হয় একটু শিক্ষিতই করতেন।

    @এসেম //বিবেকানন্দ মোট ছ টি লেকচার দিয়েছিলেন শিকাগোতে।
    আর কে কে এমন পরপর লেকচার দিতে চান্স পেয়েছিলেন?
    প্রথম লেকচার টি সুপার হিট না হলে,এমন সমাদর ও সম্মান পাওয়া যেতো?//

    হ্যাঁ, তিনি এই লেকচারগুলো দিয়েছিলেন মাত্র ২টো শাখামিটিং-এ, অন্যদিকে ধর্মপাল ৫টি ও প্রতাপ মজুমদার ৪টে শাখা মিটিং-এ লেকচার দেন। জানতেন? জানতেন যে বিবেকানন্দের শেষ লেকচারটি আদৌ সমাদৃত হয়নি?

    @ব্র তী ন //"যদি জানতে চান ভারতবর্ষে, পড়ুন বিবেকানন্দের
    লেখা। ওঁর মধ্যে সব কিছুই ইতিবাচক। নেতিবাচক কিছু নেই। "//

    এ কথার প্রমাণ দিতে পারলে গুরুতে আসা সারা জীবনের মতো ছেড়ে দেব। শুধু 'পুরনো'দের সঙ্গে কথাবার্তা বলবেন, উটকো 'নতুন'রা আপনাকে আর বিরক্ত করবে না।
  • PT | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:১২421144
  • ব -এর উপকারে লাগতে পারে ভেবেঃ
    "স্বামী বিবেকানন্দের মত অসাধারণ প্রতিভাশালী মনস্বী বাংলাদেশ অতি অল্পই জন্মগ্রহণ করিয়াছেন-এই কথা বলিলে বোধ হয় সত্যের অপলাপ করা হইবে না।"
    প্রফুল্লচন্দ্র রায় (বঙ্গবাণী, ভাদ্র, ১৩৩২)
  • cb | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৪৬421143
  • "বিবেকানন্দ'র নির্মোহ ব থেকে আমার পুরনো একটা উক্তি এখানে জুড়ে দিলাম।"
    এই ওজ্জুন খোকাটি বেশ মজার। নিজেই নিজের বাণী তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। উহার বাণী সর্বশক্তিমান কারণ উহা সত্য টাইপ।

    "শিকাগোর ধর্ম মহাসভার লেকচরটি 'লেকচার টি সুপার হিট' কিনা এ নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তথ্যাদি তো তা একেবারেই বলছে না। কালও এখানে দেখলাম তার উল্লেখ। ভাবের ঘোরে আবিষ্ট হয়ে লাভ নেই।"
    খোকাটি বইপত্র পড়েনি বোঝা গেল, কিন্তু ভাটও যে পড়েনি এ মানে যাকে বলে বেশ মজারু।
  • Amit | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৪৫421142
  • না, আপনাকে আলাদা করে জিগাই নি। একটা কমেন্ট এ গতকাল রবীন্দ্রনাথের বিবেকানন্দ কে নিয়ে ঠিক এই টার সম্মধেই লিখেছিলাম।
  • | ০২ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৪২421141
  • আমাকে আবার কখন জিজ্ঞেস করলেন?

    ষাই হোক, এগুলো স্বামী বিবেকানন্দের বাণী এবং রচনার ব্যাক কভার থেকে লিখলাম।প্রকাশক উদ্বোধন কার্যালয়/ চতুর্থ সংস্করণ/১৩৮১ ( ১৯৭৪)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত