এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৩৫421290
  • যাক গে ওসব, যেতে দ্যান। যে আলোচনা চলছে চলুক, এলেবেলে, S, আরো অনেকেই সুন্দর তথ্য দিয়ে আলোচনা করছেন, ভালো চলছে। একটু খোটা খুঁটি যে লাগছে না মাঝে মাঝে তা নয়, কিন্তু তবুও এখনো অবধি সুন্দর আলোচনা।
  • অর্জুন | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৯421289
  • আপনি যে লেখাটার কথা বললেন, সেটা আমিও পড়েছি। গত বছরও ফেবুতে ঘুরতে দেখেছি। ওই লেখাটার মত অশ্লীল লেখা আমি আর পড়েছি বলে মনে করতে পারলাম না। Pornography is better because it contains some art atleast.

    কারো সম্পর্কে ইচ্ছে করে বানিয়ে বানিয়ে বাজে কথা লেখা আর আর্কাইভল মেটিরিয়াল থেকে তথ্য বের করে সেটাকে অ্যানালাইজ করে একটা গবেষণা দাঁড় করানো তো এক নয়। এখন সোশ্যাল সায়েন্সে গবেষণায় সাইকোলজিক্যাল, অ্যানথ্রপলজিক্যাল ও কালচারাল স্টাডি থাকেই। গায়ত্রী স্পিভাক, হোমি ভাবা, লীলা গান্ধীর লেখায় সব সময়েই থাকে।

    কিন্তু ওই লেখাটা !! রামকৃষ্ণ মিশন কি সারদা আশ্রমের মামলা করা উচিত ছিল লেখকের বিরুদ্ধে। খুশী হতাম।
  • পঞ্চা | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৪421288
  • অভিজিত রায় নিরঞ্জন ধরদের এখনো সিরিয়াসলি নেওয়া হচ্ছে? অবশ্য গণেশের প্লাস্টিক সার্জারিও শুনছি সিরিয়াসলি নেওয়া হচ্ছে আজকাল। ভালো, ভালো।
  • এলেবেলে | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২০421287
  • এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে!

    তাহলে The next day ALL the papers announced that my speech was the hit of the day, and I became known to the whole of America - র কী হবে মহান খঞ্জনিবাদকেরা!!

    @বড়েস, ধন্যবাদ। শুতে গেলাম।
  • অর্জুন | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৯421286
  • @Amit বাবু, 'আমার ও ঠিক লাগে নি। স্পেকুলেশন বেসড কিছু উল্টোপাল্টা না লেখাই উচিত।' আসলে আমাদের প্যুরিটন ভ্যালুজগুলো মরেনা। সেগুলো রয়ে যায় এবং সেখান থেকে ঠিক, বেঠিক ভাবতে বসি আমরা।

    মোহনদাস গান্ধীর পৌত্র রাজমোহন গান্ধী তার লিখিত গান্ধীর জীবনীতে পিতামহের সঙ্গে সরলা দেবী চৌধুরানীর সম্পর্ক নিয়ে স্পষ্ট ভাবে লিখেছেন আবার প্রপৌত্রী এখনকার ডাকসাইটে পোষ্টকলোনিয়াল থিওরিস্ট অধ্যাপিকা লীলা গান্ধী প্রপিতামহের বিলেতে পড়াশোনা করার সময় থেকে তাঁর সমকামী বা বলা ভাল কুইয়ার কানেকশন নিয়ে গবেষণা করেছেন। উনি গান্ধীকে একজন 'কুইয়ার পার্সন' হিসেবে দেখেন। এঁদের আমি প্রকৃত অর্থে মুক্তমনা আধুনিক বলি।

    বাঙালীরা একটু অদ্ভুত ভাবে প্যুরিটন, বলা ভাল uselessly।
  • S | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৭421285
  • নিউ ইয়র্ক হেরাল্ডের তো নেই। আমি chroniclingamerica.loc.gov তে ১৮৯৩ সাল এবং vivekananda দিয়ে সার্চ দিলে ৭ টা লিন্ক আসছে। এর মধ্যে ৪ টে লিন্কে তাঁর নাম শুধুমাত্র লিস্টে আছে। বাকি ৩ টিতে কিছু মেটিরিয়াল লেখা আছে। তার মধ্যে প্যাসিফিক কমার্শিয়াল অ্যাডভার্টাইজারে পোষাকের বর্ণনা করে লেখা আছে যে He was a great favorite throughout the convention. স্যান ফ্রান্সিসকোর মর্নিং কল লিখছে যে তিনি এখনও শিকাগোতে রয়েছেন under the auspices of some lecture bureau. আরো লিখছে He is master of the english language and attractive in every way. কিন্তু মৌয়ার কাউন্টি ট্রান্সক্রিপ্ট cantenkorous remarks এর নীচে উনার নাম করেছে। অত লিখতে পারবোনা, তাই প্রিন্ট স্ক্রিনের ছবি দিলাম।

  • গাঁজাগোপাল | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৬421284
  • দেখুন, টুকতে ভুল হতেই পারে। আকবর যুদ্ধের সময় জাঙ্গিয়া পরিতেন না। বারোজ আর বার্ক হাততালির কথা লিখেছেন। আরো অনেকেই লিখেছেন। তাতে কি? তাতে 'কাল্পনিক' লেখা যাবে না? আমার শিষ্যের কাছে এ কি অন্যায় আবদার?
    যিনি লিখেছেন “ঐ যে একদল দেশে উঠেছে, মেয়ে মানুষের মত বেশভূষা, নরম নরম বুলি কাটেন, এঁকে বেঁকে চলেন, কারুর চোখের উপর চোখ রেখে কথা কইতে পারেন না, আর ভূমিষ্ঠ হয়ে অবধি পিরীতের কবিতা লেখেন আর বিরহের জ্বালায় ‘হাঁসেন হোসেন’ করেন —” তাঁকে টিটাগড় কাগজ মিলের সব কাগজ আর সুলেখা কোম্পানির সব কালির বোতলের জোগাড় দিলে একটা 'কচি সংসদ' কি আর নামত না? এসব যারা লেখে তাদের আমি খুব বকে দিই। হুঁঃ।
  • Amit | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:০৩421283
  • ইয়ে অর্জুন, Date:04 Oct 2019 -- 12:39 AM যেটা বোঝাচ্ছেন, মনে হয় বুঝতে পেরেছি, অভিজিৎ রায় র লেখাটা পড়েছি, ওই অংশ টা আমার ও ঠিক লাগে নি। স্পেকুলেশন বেসড কিছু উল্টোপাল্টা না লেখাই উচিত। এখনো অব্দি যা আলোচনা হচ্ছে, সেগুলো অনেকটাই তথ্য সমৃদ্ধ। চলুক। এ ধরণের আলোচনা সব সময় ভালো।

    এখানে গুরুর পাতা তেই একজন কয়েক বছর আগে নিবেদিতা আর সারদা কে জড়িয়ে একটা বিশ্রী ধরণের স্ক্যান্ডেলাস লেখা লিখেছিলেন জাস্ট কাদা ছোড়ার জন্যে। নাম বা লিংক দিলাম না আর। সেসব নিয়ে ফেবু গ্রুপ এ ভালো গন্ডগোল হয়েছিল।
  • এলেবেলে | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৫৪421282
  • আচ্ছা আগাম জানিয়ে রাখি কাল থেকে দশমী অবধি আমি সাইটে আসতে পারব না। সেটাকে কেউ 'পালিয়ে যাওয়া' না ভাবলেই খুশি হব।
  • এলেবেলে | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৫১421281
  • নিউইয়র্ক হেরাল্ড দেখতে হবে @বড়েস। তবে ট্রিবিউনও দেখতে পারেন, বিবেকানন্দের শিকাগো বক্তৃতা নিয়ে যদি কিছু পান।

    @অর্জুন, গুরুর লোকজন ক্ষেপে থাকলেও গবেষণা থেমে থাকেনা। গত বছরই 'সন্ন্যাসী ও রাজা' নামে একটি আস্ত বই প্রকাশিত হয়েছে। গুরুর খঞ্জনিবাদকদের জন্য তার প্রকাশনা আটকে থাকেনি!
  • অর্জুন | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৪৮421280
  • রামকৃষ্ণ মিশনের কাছে আছে শ্রীম (মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত) র ওরিজিনাল ডায়রি যা ফলস্বরূপ 'কথামৃত;।

    আছে নিবেদিতার কয়েকটি ডায়রি যা অবলা বসু মিশনকে দিয়ে গেছেন। নিবেদিতার মৃত্যুর পরে সেই ডায়রিগুলো বসু দম্পতির কাছে গচ্ছিত ছিল।
  • S | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৪৩421279
  • আমার কাছে নিউ ইয়র্ক ট্রিবিউনের আর্কাইভালের লিন্ক আছে। কি দেখতে হবে?
  • অর্জুন | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৩৯421278
  • সুমিত সরকারের পিতৃদেব মার্ক্সিস্ট হয়েও রামকৃষ্ণ ভক্ত ছিলেন। পুত্র তার দ্বারা প্রভাবিত কিনা জানিনা!

    ক্লিশেড কেন? বহু ব্যবহারে ? সুলিখিত নয় সেটা আমিও মানি কিন্তু পয়েন্টগুলো তুলে ধরতে সচেষ্ট হয়েছিলেন। ক্ষেত্রীর মহারাজা, রাজ পরিবার ও বিবেকানন্দকে নিয়ে অভিজিত রায়ের লেখার অংশটা বাদই দিলাম (........করে দিয়েছি) কারণ এখানে এমনিতেই সবাই ক্ষেপে আছেন, ওটা নিতে পারবেনা আর কারো জীবনের ব্যক্তিগত জায়গাটা নিয়ে চর্চা আমার নিজেরও একদম পছন্দ নয়।
  • এলেবেলে | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৩৩421277
  • @অর্জুন, অভিজিৎ রায় ক্লিশে হয়ে গেছেন। আমার কাছে কথামৃত (দু'খন্ডে সমাপ্ত), বাণী ও রচনা (১০ খণ্ড) এবং বার্ক (মিশনের ৬ খণ্ড) আছে। সবগুলোই হার্ড কপি। পাশাপাশি আছেন সুমিত সরকার, আশিষ লাহিড়ী, নরসিংহ শীল, রাজাগোপাল চট্টোপাধ্যায়, নিরঞ্জন ধর, দেবাঞ্জন সেনগুপ্ত, বেণীশঙ্কর শর্মা এবং আরও অসংখ্য লেখকের বই। সেগুলোও হার্ড কপি। আমি অবিশ্যি কিছুই পড়িনি, শুধু রাজাগোপালকে টুকে চালাই!
  • এলেবেলে | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:২৭421276
  • টুকতে কিছুই ভুল হচ্ছে না আজ্ঞে, যেটা হচ্ছে সেটা হল বারংবার আপনি আমার 'টুকলি' ধরে ফেলছেন বলে সিনা ফোলাচ্ছেন এবং দু-লাইন লেখার খ্যামতাহীন কিছু খঞ্জনিবাদক এই সুযোগে এই অধমকে ঢপবাজ, সবজান্তা, গামছা খুলে নেওয়া ইত্যাদি প্রভৃতি বলেই যাচ্ছে।

    'টুকলি'টা আর একবার পড়ুন। পড়লে দেখতে পাবেন সেখানে লেখা হয়েছে --- বিবেকানন্দ স্বয়ং এবং রা ম কৃ ষ্ণ ম ঠ ও মি শ ন প্র কা শি ত বি বে কা ন ন্দে র জী ব নী গ্র ন্থ গু লি।

    আলাসিঙ্গাকে এ প্রসঙ্গে তিনি যা লেখেন --- The next day ALL the papers announced that my speech was the hit of the day, and I became known to the whole of America.

    You would be astonished if I sent over to you the newspaper cuttings, but you already know that I am a hater of celebrity. Suffice it to say, that WHENEVER I went on the platform, a deafening applause would be raised for me. Nearly ALL the papers paid high tributes to me, and even the most bigoted had to admit that "This man with his handsome face and magnetic presence and wonderful oratory is the most prominent figure in the Parliament", etc., etc. Sufficient for you to know that never before did an Oriental make such an impression on American society.

    সেই অল দ্য পেপার্স কোনগুলো? তার কাটিং নাহয় তিনি পাঠাননি তাঁর যশোলোভ ছিল না বলে, কিন্তু তাঁর শিষ্যস্যাঙাতরা এতদিন কি ঘোড়ার ঘাস কাটল যে তা আজ অবধি দেখতে পাওয়া গেল না?

    এইবার আসি ... WHENEVER I went on the platform, a deafening applause would be raised for me প্রসঙ্গে। শিকাগোতে তাঁর শেষ বক্তৃতা প্রসঙ্গে ব্যারোজ সাহেব লিখেছেন "Swami Vivekananda was always heard with interest by the Parliament, but very LITTLE APPROVAL was shown to some of the sentiments expressed in his closing address".

    আর অত আর্কাইভ দেখার পরিশ্রম কেন? মেরি লুই বার্ক 'নিউ ডিসকভারিজ'- এ নিউইয়র্ক হেরাল্ড-এর উল্লেখ করেছেন কি? নাকি উদ্বোধন প্রকাশিত ছ'খণ্ডই বার্কের শেষ কীর্তি?

    হ্যাঁ, ব্যারোজ এবং বার্ক। বাকি কেউ নন।

    @পিটি, যিনি লিখেছেন “ঐ যে একদল দেশে উঠেছে, মেয়ে মানুষের মত বেশভূষা, নরম নরম বুলি কাটেন, এঁকে বেঁকে চলেন, কারুর চোখের উপর চোখ রেখে কথা কইতে পারেন না, আর ভূমিষ্ঠ হয়ে অবধি পিরীতের কবিতা লেখেন আর বিরহের জ্বালায় ‘হাঁসেন হোসেন’ করেন —” তাঁকে টিটাগড় কাগজ মিলের সব কাগজ আর সুলেখা কোম্পানির সব কালির বোতলের জোগাড় দিয়ে দেখুন দিকি কয়েক খণ্ড বেশি রচনাবলী নামাতে পারেন কিনা।

    আমার বিবেকানন্দের প্রতি যেমন অকারণ বিদ্বেষ নেই তেমন অকারণ ভক্তিও নেই। বিবেকানন্দ নিজেই কিন্তু বলেছেন, ‘ভক্তি-শ্রদ্ধা-ভালবাসা এক কথা আর কোনও ব্যক্তি যাহা কিছু বলিবে তর্ক যুক্তি না করিয়া, বিচার না করিয়া বিনা বিশ্লেষণে গিলিয়া ফেলা আর-এক কথা’।
  • অর্জুন | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:২০421275
  • রামকৃষ্ণ মিশনের কাছে দুটি অতি মূল্যবান জিনিস আছে, যা গবেষকদের কাছে সোনার খনি। কিন্তু তা তারা কোনোদিন স্বীকার করবেন না, দেখানো তো দূরের কথা!
  • অর্জুন | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:১৬421274
  • মুক্তমনা ব্লগের প্রয়াত অভিজিত রায়ের 'স্ববিরোধী বিবেকানন্দ' থেকে তুলে দিচ্ছি কিছু অংশ

    "বিবেকানন্দ সমালোচক যুক্তিবাদী নিরঞ্জন ধর ‘বিবেকানন্দ: অন্য চোখে’ গ্রন্থে বিবেকানন্দের সন্ন্যাস গ্রহণ সম্বন্ধে মন্তব্য করেছেন- ‘বিবেকানন্দ স্বভাব সন্ন্যাসী ছিলেন না, ছিলেন অভাব সন্ন্যাসী’। কথাটা ঠিকই। তার জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তিনি সন্ন্যাস জীবনের মাহাত্ম্যে অনুপ্রাণিত হয়ে সন্ন্যাসী হননি, তিনি হয়েছিলেন অভাবের তাড়নায়। শ্রীরামকৃষ্ণ একে বলতেন ‘পেট বৈরাগী’। সেজন্যই তার সন্ন্যাস জীবনের লেবাস ভেদ করে মাঝেমধ্যেই উঁকি দিতো উদগ্র লোভাতুর গৃহী রূপটিও। শুধু তার সন্ন্যাস গ্রহণ নয়, পরবর্তী কালে শিকাগো ভ্রমণ সহ যাবতীয় যশ খ্যাতি সবই ছিলো অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য মাথায় রেখে। এ প্রসঙ্গে মনে রাখতে হবে শিকাগো ধর্ম মহাসম্মিলনের জন্য তৈরি বিবেকানন্দ এমনি এমনি রেডিমেড পয়দা হয়নি, নরেন্দ্রনাথকে বিবেকানন্দ বানিয়েছিলেন রাজস্থানের খেতরি মহারাজা অজিত সিংহ। সে সময়টা অখ্যাত এই নরেন্দ্রনাথ (বিবেকানন্দের আসল নাম) তখন পরিচিত ছিলেন ‘বিবিদিষানন্দ’ এবং ‘সচ্চিনানন্দ’ নামে। ১৮৯১ সালের জুন মাসে মাউন্ট আবুতে খেতরি রাজার সাথে আলাপ হয় এবং তিনি সেখানে ৬ মাস থেকে যান।
    ১৮৯৩ সালে শিকাগো যাত্রার আগে আবার তিনি সেখানে যান। মহারাজা তাকে ৩০০০ টাকা দেন যাত্রার খরচ বাবদ; শুধু তাই নয় যে পোশাক পরা বিবেকানন্দের ছবি দেখে আমরা অভ্যস্ত, সেই পোশাকও তাকে দিয়েছিলেন অজিত সিংহ, দেখিয়ে দেন কিভাবে এই পোশাক পরতে হয়। সেই সাথে তার নতুন নামকরণ করেন ‘বিবেকানন্দ’! ................................. ..........................................................

    এই অজিত সিং এর সাথে স্বামীজির সম্পর্ক এতোটাই ‘স্পেশাল’ ছিলো যে, সেটাকে বিবেকানন্দ নিজের পরিবারের স্বার্থে কাজে লাগাতেও তিনি দ্বিধা করেননি। প্রথমবার আমেরিকা ভ্রমণের আগে তিনি মা এবং ভাইদের ভরণপোষণের জন্য তিনি মহারাজকে দিয়ে একশত টাকার এক মাসিক ভাতা মঞ্জুর করতে রাজি করেন। ১৮৯১ সাল থেকে ১৯১১ সাল পর্যন্ত (অর্থাৎ যতদিন নরেন্দ্রনাথের মা ভুবনেশ্বরী দেবী বেঁচে ছিলেন) নিয়মিত এই টাকা দিয়ে এসেছেন অজিত সিংহ। শুধু তাই নয় ১৮৯৮ সালে আবার স্বামীজির অনুরোধে মহারাজ স্বামীজির ব্যক্তিগত খরচের জন্য তাঁকে আরো একশ টাকা ভাতা মঞ্জুর করেন।

    তিনি বরাবরই এ ধরণের দেশীয় রাজা-মহারাজদের আথিত্য গ্রহণে অতিশয় ঔৎসুক্য দেখিয়েছেন। তিনি সুযোগ পেলেই রাজাদের রাজপ্রাসাদে বাস করতেন, রাজাদের সাথে খানাপিনা করতেন। বিদেশ থেকে ভারতবর্ষে ফিরে আসার পর বিবেকানন্দের সম্মাননার আয়োজন করেন রামনাদের রাজা, মহীশুরের মহারাজা এবং পোরবন্দরের দেওয়ান। ভারত ভ্রমণে বেড়িয়েও তিনি অধিকাংশ সময় রাজ রাজড়াদের বাসস্থানেই উঠতেন। এ প্রসঙ্গে নিরঞ্জন ধর লিখেছেন –

    ‘… উক্ত রাজ্যসমূহের প্রায় সর্বত্রই বিবেকানন্দ তাঁদের রাজা বা রাজ্যের দেওয়ানদের আতিথ্য নিতেন এবং সেই রাজ্য ছেড়ে যাবার সময় নৃপতি বা দেওয়ানদের আতিথ্য নিতেন এবং সেই রাজ্য ছেড়ে যাবার সময় নৃপতি বা দেওয়ানদের কাছ থেকে পরবর্তী উদ্দিষ্ট শাসক, দেওয়ান বা উচ্চ-কর্মচারীর নামে পরিচয়পত্র নিয়ে যাত্রা করতেন। সন্ন্যাস জীবনের যে সর্বজন স্বীকৃত আদর্শ, তার সঙ্গে রাজা-গজাদের আতিথ্যের জন্য এতোখানি লালায়িত হওয়ার সামঞ্জস্য পাওয়া দুষ্কর’।

    রাজ রাজড়াদের সাথে ‘সন্ন্যাসী’ স্বামীজির অন্তরঙ্গতা স্বামীজীর জীবদ্দশাতেই গৃহী গুরুভাইদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি

    দেশের বিত্তশালী অংশের সাথে বিবেকানন্দের এতটা মাখামাখি রামকৃষ্ণভক্তরা সুনজরে দেখেনি। তারা মনে করেছিলেন যে, স্বামীজি রামকৃষ্ণের আদর্শ লঙ্ঘন করেছেন। ১৮৯৯ সালে সাধারণ সন্ন্যাসীদের বিদ্রোহের ব্যাপারটা এতো প্রকট আকার ধারণ করেছিল যে, তারা বেলুড় মঠের সাথে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করে ‘গরীব রামকৃষ্ণ সভা’ নামে আলাদা সংস্থা সৃষ্টি করে ফেলতে শুরু করেছিলেন। এই বিদ্রোহের নেতৃত্বে ছিলেন গিরীন্দ্র ও হারাধন[33]। তবে শেষ পর্যন্ত নানামুখি মধ্যস্থতায় তাঁদের অসন্তোষ দূর করা হলেও এটি আমাদের কাছে বিবেকানন্দের ভোগবাদী চরিত্রের একটি দৃষ্টান্ত হয়েই রইবে।

    স্বামীজির ভোগবাদী চরিত্র বোঝার জন্য একটা নির্দিষ্ট ঘটনার উল্লেখ বোধ হয় অপ্রাসঙ্গিক হবে না। পুনা থেকে স্বামীজি একবার ভাবনগরের মহারাজার পরিচয়পত্র নিয়ে কোলাহপুরে গিয়েছিলেন এবং কোলাহপুরের রানির প্রাইভেট সেক্রেটারি স্বামীজিকে বেলগাঁওয়ের এক মহারাষ্ট্রীয় ভদ্রলোকের কাছে একটি পরিচয়পত্র দেন। সেই পরিচয়পত্র নিয়ে স্বামীজি একদিন ওই ভদ্রলোকের বাসায় যান। ভদ্রলোকের বাসায় হঠাৎ হাজির হলেন, গল্প গুজব করলেন, তারপর ভুঁড়ি-ভোজ সম্পন্ন করার পরে স্বামীজি আয়েশ করে পান-সুপুরি চেয়ে বসলেন। তারপর চাইলেন দোক্তা। স্বামীজির ব্যাপার-স্যাপার দেখে গৃহকর্তার সুশিক্ষিত পুত্র মন্তব্য করলেন[34] :

    ‘যে সন্ন্যাসীর এই এই প্রকার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দৈহিক ভোগের ঊর্ধ্বে চলে যাওয়া উচিৎ, তাঁর মুখে এই জাতীয় চাহিদা শুনলে মনে কী ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া হয় তা সহজেই অনুমেয়। … সন্ন্যাসী হয়েও তিনি এমন সব জিনিসের জন্য লালায়িত যা শুধু গৃহস্থদের বেলা শোভা পায়’।

    খানাপিনা আর ভোগ-বিলাসের দিকে স্বামীজির এই দুর্বলতাগুলো শুধু ভারতে নয়, পশ্চিমেও নানা ভ্রু-কুঞ্চনের কারণ ঘটিয়েছিল। ১৮৯৪ সালে আলা-সিঙ্গাকে বিবেকানন্দ একটি পত্রে লিখেছেন –

    ‘কিছু একটা করে দেখাও। মাদ্রাজে আমার জন্য একটা গৃহ নির্মাণ করতে না পার তো আমি থাকবো কোথায়?’

    আবার আমেরিকায় থাকাকালীন অবস্থায় ইসাবেলকে লিখছেন,

    ‘গতকাল ১৩ ডলার দিয়ে একটা মীরশ্যাম পাইপ কিনেছি। ফাদার পোপকে যেন আবার বোল না। কোটের দাম পড়বে ৩০ ডলার। আমি তো বেশ ভালই আছি। খাবার দাবার জুটছে, যথেষ্ট টাকা কড়িও। আগামী বক্তৃতাগুলো হয়ে গেলে ব্যাঙ্কে কিছু রাখতে পারব আশা করি’।

    শিকাগো মহাসভার পরের দিনগুলোতে পাশ্চাত্যের মহনীয় বিলাস ব্যসনে এতটাই আপ্লুত হয়ে যান যে, তিনি ভারতে ফিরতেও দ্বিধান্বিত ছিলেন। ১৮৯৩ সালে আলা-সিঙ্গাকে লেখেন –

    ‘ভারতে গিয়ে ফল কি? ভারত আমার আইডিয়া শক্তিশালী করতে পারবে না। আমার আইডিয়ার প্রতি এদেশের (আমেরিকার) মানুষ সহৃদয়।‘

    (আজকের দিনের যেকোনো প্রবাসী ভারতীয়ের ন্যায়)

    এডওয়ার্ড স্টার্ডির কথা বলা যেতে পারে, যার সাথে স্বামীজির পরিচয় হয়েছিল ইংল্যান্ডে। স্টার্ডি ইংল্যান্ডে স্বামীজির কাজের পরিচালকও নিযুক্ত হয়েছিলেন। ১৮৯৬ সালে তিনি জানালেন যে, স্বামীজি মধ্যে তিনি ‘মহত্তম বন্ধু ও বিশুদ্ধ গুরুর’ সন্ধান পেয়েছেন। কিন্তু পরের বছরের শুরুতেই স্বামীজির স্বরূপ পুরোপুরি বুঝবার পর তার সম্বন্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করতে দেখি। তিনি স্বামীজির অন্ধভক্ত সিস্টার নিবেদিতাকে উদ্দেশ্য করে লেখেন –

    ‘এই দেশে যে সব সন্ন্যাসীর পদার্পণ ঘটেছে তাঁদের বৈরাগ্য সম্পর্কে অনেক কিছু শোনা গেলেও আমি তাঁদের মধ্যে বৈরাগ্যের অতি সামান্য পরিচয়ই পেয়েছি। আমি কোনভাবে আপনার আদর্শকে প্রভাবিত করতে চাই না, তবে স্বীকার করতেই হবে যে, নানাভাবে আমি তার সম্পর্কে নিরাশ হয়েছি’।

    আরেকটি চিঠিতে স্টার্ডি বলেন,

    ‘এই দেশে আমি সন্ন্যাসের কথা অনেক শুনেছি। কিন্তু মুখে যারা এ-বিশয়ে সোচ্চার, তাঁদের ব্যবহারে আমি এর কোন নিদর্শন পাইনি। … আহার ও বাসস্থান নিয়ে তাঁরা সর্বদা অসন্তোষ জানাচ্ছেন। বস্তুত এই সব তথাকথিত সন্ন্যাসীদের পুষতে আমাদের দারিদ্র্য-পীড়িত কেন্দ্রগুলির যে ব্যয় বহন করতে হচ্ছে তা একজন পরিশ্রমী অধ্যক্ষ, তরুণ বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক কিংবা একজন ডাক্তারের ভরণ-পোষণের ব্যয়ের চেয়ে অনেক বেশি, যদিও তারা ত্যাগী বলে নিজেদের জাহির করেন না। … আমি শুধু বলতে চাই যে, আমি কোথাও উৎকর্ষের পরাকাষ্ঠা দেখার আশা রাখি না, বা দেখতেও চাই না, তবে কোন ছলনা বা মিথ্যাচারকেও স্বীকার করতে রাজি নই। যদি সন্ন্যাসীর মধ্যে আমরা মানসিক সন্তোষ ও স্থৈর্য, সরল পরিবেশের আকাঙ্ক্ষা ইত্যাদি না দেখি এবং তার পরিবর্তে যদি তারা শিলং-মূল্যের চুরুট, সর্বোৎকৃষ্ট আহার ও বেশভূষার জন্য কেবলই দাবী জানাতে থাকেন তাহলে তাঁদের স্বরূপ সম্পর্কে আমরা কী ধারণা করতে পারি? আমি শুধু বলতে পারি যে, তাঁদের জীবনে সন্ন্যাসের আদর্শ প্রতিফলিত হয়নি’।

    স্টার্ডির এই অভিযোগ নিবেদিতাকে খুব বেকায়দায় ফেলেছিল। তিনি সে সময় আমতা আমতা করে কিছু জবাব দিলেও তার পক্ষে অস্বীকার করা সম্ভব হয়নি যে, রামকৃষ্ণ মিশনের সাধুরা ‘যথেষ্ট আত্মসংযমী নন’। শুধু স্টার্ডি নয়, স্বামীজির বেহুদা বেপরোয়া খরচ আর ভোগ বিলাস দেখে তিতি বিরক্ত হয়ে স্বামীজির সংস্রব ত্যাগ করেন একদা অনুরক্ত হেনরিয়েটা মুল্যারও। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, তিনি ভারতের জনগণের সেবার জন্য স্বামীজিকে যে অর্থ দিয়েছিলেন তা বিবেকানন্দ পারিবারিক প্রয়োজনে এবং বেলুড় মঠে নিজে থাকার জন্য বড় বড় তিনটি আরামপ্রদ ঘর (নিরঞ্জন ধর একে বিবেকানন্দের বাগানবাড়ি হিসেবে উল্লেখ করেছেন) তৈরিতে ব্যয় করেছেন। লুই বার্কের ‘সেকেন্ড ভিজিট’ গ্রন্থে স্বামীজির ভোগবিলাস এবং জিহ্বা লাম্পট্যের অনেক উদাহরণ সংকলিত হয়েছে।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, শিকাগো মহাসভার সম্মিলনের সময় এবং তার পরবর্তী বছরের সময়গুলোতে সমগ্র ভারতবর্ষে চলছিলো ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ। ১৮৯৬-৯৭ সালে রাজস্থান, বর্তমান উত্তরপ্রদেশ, বোম্বাই, হায়দ্রাবাদ, মাদ্রাজ বিশেষত মধ্যপ্রদেশে দুর্ভিক্ষ-পীড়িত মানুষের সংখ্যা ছিলো ৯৬.৯ লক্ষ এবং দুর্ভিক্ষে মৃতের সংখ্যা ছিলো ৫১.৫ লক্ষ। অথচ ‘জীব-প্রেমিক’ বিবেকানন্দ মধ্যভারতের দুর্ভিক্ষের সময় প্রপীড়িত মানুষের সাহায্যের জন্য একটি কপর্দকও সাহায্য দিতে রাজী হননি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল, তিনি কিন্তু স্বদেশ তার প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে প্রচুর অর্থব্যয় করতে শিষ্যদের নির্দেশ দিয়ে রেখেছিলেন আমেরিকা থেকেই। তখনো দেশে দুর্ভিক্ষ পুরোদমে চলছিলো। অভ্যর্থনা বাদ দিয়ে কিংবা সংক্ষেপিত করে সেই অর্থ তিনি দুঃস্থ মানুষের সাহায্যে দিতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি। বরং, তার বন্ধু প্রিয়নাথ সিংহ এ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেছেন,

    হ্যাঁ, আমি ইচ্ছে করেছিলাম যে আমায় নিয়ে একটা হৈ চৈ হয়। কি জানিস, একটা হৈ চৈ না হলে তাঁর (ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণের) নামে লোক চেতবে কি করে! … তাকে ঠিক জানলে তবে ঠিক মানুষ তৈরি হবে; আর মানুষ তৈরি হলে দুর্ভিক্ষ প্রভৃতি তাড়ানো কতক্ষণের কথা!' "
  • Atoz | ০৪ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০৪421273
  • পড়ছি, সব পড়ছি। আলোচনা চালিয়ে যান প্লীজ।
  • ? | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৫421272
  • এইখানে আপনি প্রথম বিবেকানন্দকে মিথ্যেবাদী বলেন --- ""আলাসিঙ্গা পেরুমলকে বিবেকানন্দ লেখেন, "... যখন আমি ‘আমেরিকাবাসী ভগিনী ও ভ্রাতৃবৃন্দ’ বলিয়া সভাকে সম্বোধন করিলাম, তখন দুই মিনিট ধরিয়া এমন করতালিধ্বনি হইতে লাগিল যে, কানে যেন তালা ধরিয়া যায়। ..." -- ""শুধু আলাসিঙ্গা পেরুমলকে ভ্রান্ত তথ্য দিয়েই বিবেকানন্দ ক্ষান্ত হননি, ""

    টোকার ভুল -
    "" ... "সেই গ্রন্থগুলিতে আমরা এও পড়ি যে, ‘সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স’ বলে তিনি বক্তৃতা শুরু করলে শ্রোতৃমণ্ডলী তাঁকে উচ্চৈঃস্বরে ও করতালিতে বিপুল অভিনন্দন জানায় বলে ‘নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড’-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।" ... ""ওই নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দকে ‘দ্য নিউইয়র্ক হেরাল্ড’-এর ‘কাল্পনিক’ ভূয়সী প্রশংসার কথা জানান তিনি। সম্ভবত তাঁরই নির্দেশে স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ সেই খবর ইন্ডিয়ান মিরর পত্রিকায় ২৭ ডিসেম্বর, ১৮৯৩ চিঠির আকারে ছাপেন এবং""

    আপনার গোটাগুটিই বক্তব্য ছিল প্রাথমিক সম্ভাষণের পরের হাততালির খবর আলাসিঙ্গাকে এবং সেই উচ্চৈঃস্বরে ও করতালিতে বিপুল অভিনন্দন জানানোর খবর (‘কাল্পনিক’ ভূয়সী প্রশংসা) নিউইয়র্ক হেরাল্ড এ প্রকাশিত হয় বলে ত্রিগুণাতীতকে বিবেকানন্দ জানিয়েছিলেন, যা কিনা আদ্যন্ত ঢপ।

    এবার প্রথমত আলাসিংগাকে বিবেকানন্দ ঢপ দেননি তা প্রমাণিত হয়েছে, কারণ দু মিনিট করতালির মধ্যে ভ্রান্ত তথ্য কিছু ছিল না।

    দ্বিতীয়ত, ত্রিগুণাতীতকে কোনো চিঠি বিবেকানন্দ লেখেন নি। চিঠির উদ্দিষ্ট দিওয়ানজি হলেন Haridas Viharidas Desai
    রাজঙ্পাগোল যাকে ঢপ বলেছে ঠারে ঠোরে, যা নাকি "হেরাল্ড"এর প্রতিবেদনের দুখানি লাইন, সেটা সম্পূর্ণ অন্য কোটেশন। (একটু আগে দিলাম)

    এইবারে এই দুলাইন হেরাল্ডে ১২৬ বছর আগে ছাপা বয়েছিল কিনা প্রমাণ করার সহজ উপায় সেই আর্কাইভ কোথাও থাকলে ১৮৯৩ সালের অক্টোবর-নভেম্বর মাসের সেই সমস্ত মাল ঘেঁটে ঘেঁটে দেখা। নিউ ইয়র্ক হেরল্ড এবং সম্ভব হলে শিকাগো হেরল্ড ও। রাজাগোপাল সহজ পথ নিয়েছেন। বলে দিয়েছেন ও সব কিছু ছাপা হয় নি। তিনি কোথায় সেসব কাগজের কপি চেক করেছেন, সেখানে গিয়ে আর কেউ সে জিনিস একই ভাবে চেক করতে পারে কিনা সেবিষয়ে টুঁ শব্দটি না করে তিনি মিশনকে প্রপাগান্ডা মেশিনারী বলেছেন। আপনিও তার মুখের ঝাল খেয়ে এখানে বাজার গরম করছেন। নাথিং মোর নাথিং লেস। ;-)





    এদুটো বার্ক
  • কিন্তু | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ২১:২৮421271
  • টই থাকতে ভাটে কেন?
    (হাত থাকতে মুখে কেন-র স্টাইলে)
  • PT | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৫৮421270
  • "যিনি অজীর্ণ, মধুমেহ, বাত, ফুসফুসের রোগ, হৃদরোগ, লিভারের রোগ, কিডনির রোগ এবং আরও অনেক সিস্টেমঘটিত রোগে ভুগে অমানুষিক যন্ত্রণা পেয়ে উনচল্লিশ বছর বয়সে দেহ রেখেছিলেন।"

    বিবেকানন্দকে পছন্দ নয়? বেশ তো। কিন্তু একি কদর্য বিবেকানন্দ চর্চা!!??
    যিনি লিখেছেন তাঁকে টিটাগড় কাগজ মিলের সব কাগজ আর সুলেখা কোম্পানির সব কালির বোতলের জোগাড় দিয়ে দেখুন দিকি কয়েক খন্ড রচনাবলী নামাতে পারেন কিনা। ওঃ সঙ্গে কম করে ৮০ বছর পরমায়ুও দেবেন। এপাং, ওপাং, ঝপাং লিখলেও চলবে।
  • ? | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৪৭421269
  • এক্কেবারে। ১২৬ বছর আগেকার কাগজের কাটিং দেখাতে না পারলে আবার সত্যবাদীতার ভড়ং করে লাভ কি? ১৯৯৯ সালে যখন রাজাগোপাল এই বই লেখেন তখনও শঙ্করীপ্রসাদ বসু বেঁচে ছিলেন। তিনি একটা কথাও বলেছিলেন এই সব পুরনো চিঠির কপি পাওয়া না পাওয়া বিষয়ে? বার্ক তো আবার রাজাগোপালকে কানে কানে বলেওছেন (private conversation) যে তিনি নিউ ইয়র্ক তো ছাড়, শিকাগো হেরাল্ডেও সে চিঠি খুঁজে পাননি!

    যাক, এই সেই বিবেকানন্দ লিখিত চিঠি যেখান থেকে নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড-এর প্রতিবেদন নিয়ে এত জলঘোলা। সেখানে প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ অন্য, যা নিয়ে রাজাগপাল চিন্তিত / উদবেলিত। এ আপনার --""সেই গ্রন্থগুলিতে আমরা এও পড়ি যে, ‘সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স’ বলে তিনি বক্তৃতা শুরু করলে শ্রোতৃমণ্ডলী তাঁকে উচ্চৈঃস্বরে ও করতালিতে বিপুল অভিনন্দন জানায় বলে ‘নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড’-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।"" নয় আজ্ঞে। টুকতেও ভুল হয়ে যাচ্ছে। প্রতিবেদনটি হইল - "Vivekananda is undoubtedly the greatest figure in the Parliament of Religions. After hearing him we feel how foolish it is to send missionaries to this learned nation." Herald (the greatest paper here).

    CHICAGO,
    15th November, 1894(3?).
    DEAR DIWANJI SAHEB
    I here received your kind note. So very kind of you to remember me even here, I have not seen your Narayan Hemchandra. He is not in America, I believe. I have seen many strange sights and grand things. I am glad that there is a good chance of your coming over to Europe. Avail yourself of it by any means. The fact of our isolation from all the other nations of the world is the cause of our degeneration and its only remedy is getting back into the current of the rest of the world. Motion is the sign of life. America is a grand country. It is a paradise of the poor and women. There is almost no poor in the country, and nowhere else in the world women are so free, so educated, so cultured. They are everything in society.
    This is a great lesson. The Sannyasin has not lost a bit of his Sannyasinship, even his mode of living. And in this most hospitable country, every home is open to me. The Lord who guides me in India, would He not guide me here? And He has.
    You may not understand why a Sannyasin should be in America, but it was necessary. Because the only claim you have to be recognised by the world is your religion, and good specimens of our religious men are required to be sent abroad to give other nations an idea that India is not dead.
    Some representative men must come out of India and go to all the nations of the earth to show at least that you are not savages. You may not feel the necessity of it from your Indian home, but, believe me, much depends upon that for your nation. And a Sannyasin who has no idea of doing good to his fellows is a brute, not a Sannyasin.
    I am neither a sightseer nor an idle traveller; but you will see, if you live to see, and bless me all your life.
    Mr. Dvivedi's papers were too big for the Parliament, and they had to be cut short.
    I spoke at the Parliament of Religions, and with what effect I may quote to you from a few newspapers and magazines ready at hand. I need not be self-conceited, but to you in confidence I am bound to say, because of your love, that no Hindu made such an impression in America, and if my coming has done nothing, it has done this that the Americans have come to know that India even today produces men at whose feet even the most civilised nations may learn lessons of religion and morality. Don't you think that is enough to say for the Hindu nation sending over here their Sannyasin? You would hear the details from Virchand Gandhi.
    These I quote from the journals: "But eloquent as were many of the brief speeches, no one expressed as well the spirit of the Parliament (of religions) and its limitations as the Hindu monk. I copy his address in full, but I can only suggest its effect upon the audience; for he is an orator by Divine right, and his strong intelligent face in its picturesque setting of yellow and orange was hardly less interesting than these earnest words and the rich rhythmical utterance he gave them." (Here the speech is quoted in extenso.) New York Critique.
    "He has preached in clubs and churches until his faith has become familiar to us. . . . His culture, his eloquence, and his fascinating personality have given us a new idea of Hindu civilisation . . . . His fine, intelligent face and his deep musical voice, prepossessing one at once in his favour. . . . He speaks without notes, presenting his facts and his conclusions with the greatest art and the most convincing sincerity, and rising often to rich inspiring eloquence." (ibid.)
    "Vivekananda is undoubtedly the greatest figure in the Parliament of Religions. After hearing him we feel how foolish it is to send missionaries to this learned nation." Herald (the greatest paper here).
    I cease from quoting more lest you think me conceited; but this was necessary to you who have become nearly frogs in the well and would not see how the world is going on elsewhere. I do not mean you personally, my noble friend, but our nation in general.
    I am the same here as in India, only here in this highly cultural land there is an appreciation, a sympathy which our ignorant fools never dream of. There our people grudge us monks a crumb of bread, here they are ready to pay one thousand rupees a lecture and remain grateful for the instructions for ever.
    I am appreciated by these strangers more than I was ever in India. I can, if I will, live here all my life in the greatest luxury; but I am a Sannyasin, and "India, with all thy faults I love thee still". So I am coming back after some months, and go on sowing the seeds of religion and progress from city to city as I was doing so long, although amongst a people who know not what appreciation and gratefulness are.
    I am ashamed of my own nation when I compare their beggarly, selfish, unappreciative, ignorant ungratefulness with the help, hospitality, sympathy, and respect which the Americans have shown to me, a representative of a foreign religion. Therefore come out of the country, see others, and compare.
    Now after these quotations, do you think it was worth while to send a Sannyasin to America?
    Please do not publish it. I hate notoriety in the same manner as I did in India.
    I am doing the Lord's work, and wherever He leads I follow. etc.—

    He who makes the dumb eloquent and the lame cross a mountain, He will help me. I do not care for human help. He is ready to help me in India, in America, on the North Pole, if He thinks fit. If He does not, none else can help me. Glory unto the Lord for ever and ever.

    Yours with blessings,

    VIVEKANANDA.
  • Narendra | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ২০:১১421268
  • "So long as the millions live in hunger and ignorance, I hold every man a traitor who, having been educated at their expense, pays not the least heed to them."
    দেখুন আপনাকে আমাকে সবাইকে কেমন দেশদ্রোহী বলে দিল। মোদির প্রতিদ্বন্দী নয়? আসলেই আরেসেস কেস, দেশদ্রোহী বলে লোককে পিটাও।
  • আহা রে | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ২০:০৩421267
  • গদাধরও চাটুজ্যে ছিল তো। রাজাগোপালের ধর্মপিতা কিনা।
  • sm | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ২০:০১421266
  • এতক্ষণে প্রমাণ হইলো, ধর্মপাল অতি প্রাচীন ঢপ বাজ।
    বিবেকানন্দ ওকে শিখিয়ে পড়িয়ে দিয়েছিল।
    রাজগোপাল ধরে ফেলেছে।ক্যাচ কট কট। চাটুজ্যে কিনা!
  • কাগ | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ২০:০০421265
  • আপুনার চামচ আপুনি বাছুন। নাহলে অপশন তো আছেই। গামছা খুলে নেওয়ার।
  • এলেবেলে | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:৫৮421263
  • ও আচ্ছা, তাহলে অন্তত এটা জানা গেল বিবুদা ঢপবাজ ছিলেন। ধন্যবাদ প্রশ্নচিহ্ন। মিশনের এত এত শাখা আমেরিকায়, এত দিনেও ওই বহুকথিত নি. হে-র রিপোর্ট জোগাড় করা গেল না? সো স্যাড। এই কারণে মানে শুধু এই কারণে লোকটাকে ঢপবাজ বলতে খারাপ লাগছে। যদিও তাঁর আরও ঢপবাজির নমুনা আছে।
  • বগ | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:৫৮421264
  • "সেই গ্রন্থগুলিতে আমরা এও পড়ি যে, ‘সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স’ বলে তিনি বক্তৃতা শুরু করলে শ্রোতৃমণ্ডলী তাঁকে উচ্চৈঃস্বরে ও করতালিতে বিপুল অভিনন্দন জানায় বলে ‘নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড’-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। "
    - কোন খণ্ড? কোন পাতা? উক্তিটি কি?
  • ? | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:৫৩421262


  • এটা ছাপা হয়েছিল ইন্ডিয়ান মিরর এ। কিন্তু বিবেকানন্দের সাফল্যের এই সার্টিফিকেট ঘোড়ার মুখের খবর বলে নালে ঝোলে হবেন না। আসল চিঠিটা দেখাতে পারবেন? তবে না প্রমাণ হবে সেই ধর্মপালেরই এই চিঠি যিনি কিনা বিবেকানন্দের সাথে শিকাগোয় ছিলেন এবং বিভিন্ন বক্তৃতাও দিয়েছিলেন? না পারলে ইন্ডিয়ান মিরর কেও ঢপবাজ বলা রইল।
  • এলেবেলে | ০৩ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:৪৮421261
  • হাত্তালির 'ঢপ' ও 'আপনারা'

    এইটি লেখা হয়েছিল --- প্রকৃতপক্ষে শিকাগো ধর্মসভার প্রথম বক্তৃতাটিতে স্বামী বিবেকানন্দ ঝড় তুলে দিয়েছিলেন বলে যে ধারণা আমাদের মধ্যে সুপ্রচলিত, তার অন্যতম ভিত্তি হল বিবেকানন্দ স্বয়ং এবং রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন প্রকাশিত বিবেকানন্দের জীবনী গ্রন্থগুলি। ১৮৯৩ সালের ২ নভেম্বর আলাসিঙ্গা পেরুমলকে বিবেকানন্দ লেখেন, "মজুমদার বেশ বলিলেন, চক্রবর্তী আরও সুন্দর বলিলেন। খুব করতালিধ্বনি হইতে লাগিল। তাঁহারা সকলেই বক্তৃতা প্রস্তুত করিয়া আনিয়াছিলেন। আমি নির্বোধ, কিছুই প্রস্তুত করি নাই। দেবী সরস্বতীকে প্রণাম করিয়া অগ্রসর হইলাম। ডক্টর ব্যারোজ আমার পরিচয় দিলেন। আমার গৈরিক বসনে শ্রোতৃবৃন্দের চিত্ত কিছু আকৃষ্ট হইয়াছিল, আমেরিকাবাসীদিগকে ধন্যবাদ দিয়া এবং আরও দু-এক কথা বলিয়া একটি ক্ষুদ্র বক্তৃতা করিলাম। যখন আমি ‘আমেরিকাবাসী ভগিনী ও ভ্রাতৃবৃন্দ’ বলিয়া সভাকে সম্বোধন করিলাম, তখন দুই মিনিট ধরিয়া এমন করতালিধ্বনি হইতে লাগিল যে, কানে যেন তালা ধরিয়া যায়। তারপর আমি বলিতে আরম্ভ করিলাম; যখন আমার বলা শেষ হইল,তখন হৃদয়ের আবেগে একেবারে যেন অবশ হইয়া বসিয়া পড়িলাম" (স্বামী বিবেকানন্দের বাণী ও রচনা, পত্রাবলী, ৭৪ সংখ্যক পত্র, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ২৯৯)। সেই গ্রন্থগুলিতে আমরা এও পড়ি যে, ‘সিস্টার্স অ্যান্ড ব্রাদার্স’ বলে তিনি বক্তৃতা শুরু করলে শ্রোতৃমণ্ডলী তাঁকে উচ্চৈঃস্বরে ও করতালিতে বিপুল অভিনন্দন জানায় বলে ‘নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড’-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু আশ্চর্যের কথা যে শিকাগোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাগজ Chicago Daily Tribune, Chicago Herald বা Chicago Inter Ocean-এ এমন কোনও কথা ছাপাই হয়নি। এমনকি আমেরিকার চারটি বিখ্যাত সংবাদপত্র New York Times, New York Herald, New York Daily Tribune ও Boston Evening Transcript-এ ১২ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধর্মমহাসভা সম্বন্ধে অনেক খবর থাকলেও বিবেকানন্দের নামও উল্লেখ করা হয়নি, বক্তৃতার লিপি তো দূরের কথা। ১৮৯৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ‘দ্য নিউইয়র্ক হেরাল্ড’-এ ‘The doctrine of the Swami’ শীর্ষক বিবেকানন্দ সম্পর্কিত একমাত্র সংবাদেও এমন কিছু বলা হয়নি। শুধু আলাসিঙ্গা পেরুমলকে ভ্রান্ত তথ্য দিয়েই বিবেকানন্দ ক্ষান্ত হননি, ওই নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দকে ‘দ্য নিউইয়র্ক হেরাল্ড’-এর ‘কাল্পনিক’ ভূয়সী প্রশংসার কথা জানান তিনি। সম্ভবত তাঁরই নির্দেশে স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ সেই খবর ইন্ডিয়ান মিরর পত্রিকায় ২৭ ডিসেম্বর, ১৮৯৩ চিঠির আকারে ছাপেন এবং তারপর থেকেই শুরু হয় মিথ ও মিথ্যার এই সুপরিকল্পিত নির্মাণ।

    তারপরে আর কিচুই না পেয়ে শুধুই এলেবেলের হাত্তালির 'ঢপ' নিয়ে কতকিচু নেকা হল তা জানে নন্দলাল!!!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত