এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০৭:৩৭421920
  • সেদিন একটা কথা ভুল লিখেছিলাম।
    "আমার কাছকাছি পুজো হয়েছে ৫০০ মাইল দুরে।"

    "আমার কাছকাছি পুজো হবে ৫০০ মাইল দুরে।"
  • <> | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০৬:০১421919
  • যদ্দুর জানি, বছরে প্রায় কয়েকশো কোটি টাকার প্রোজেক্ট চলে মিশনের সেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি প্রচুর প্রচুর ক্ষেত্রে। তাতে ঐ সামান্য লক্ষের শিশির বিন্দুতে কি যায় আসে?
    “উচ্চ করি শির
    লিখে রেখো এক ফোঁটা দিলেম শিশির।” কি বলতেই হবে?
    শ্যাওলা তবু সত্যিই দান করেছিলো দিঘিকে। যা খুশী গাল দেবার দাম হিসেবে চেষ্টা করেনি।
    এরপর থেকে দেবার সময় জেনে নেবেন সঠিক মূল্য দিলেন কিনা।
    মিথ্যে বদনামের ছাড়পত্রের দাম বলে কথা!
  • <> | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০৫:৩৭421918
  • এছাড়াও
    “নরেন্দ্রপুর, দেওঘর,, পুরুলিয়া রামকৃষ্ণ মিশনে আমাদের পরিবারের কয়েক লক্ষ টাকা দান আছে।”

    দান নয়। দাম। মিশনের মিথ্যে বদনাম করার ছাড়পত্র কেনার জন্য সে অর্থ ব্যয় করেছেন বলেই মনে করেছেন। নচেৎ এমন লাইন লেখা যায় না।

    “কাজেই যেটা মনে হবে বলার পূর্ণ ছাড়পত্র রয়েছে।”

    পয়সা দিয়েছি, তাই মিথ্যে বদনাম করব। কি মানসিকতা! ছিঃ!
  • <> | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০৫:১৬421917
  • যাগ্গে অ-অ মেনে নিলেন তাইলে, স্বামী নিখিলানন্দ অফিসিয়ালি শেষ পর্যন্ত রামকৃষ্ণ অর্ডারের সঙ্গেই ছিলেন। ধন্যবাদ। এর পর থেকে এইরকম আনভেরিফায়েড খবর আর লিখবেন্না কেমন? নইলে লোকে মিথ্যাবাদী বলবে।
    "কিন্তু জীবনের শেষ তিন বছর নিজেকে সেই অর্ডারের সঙ্গে যুক্ত মনে করতেন না।" এইটা সর্বইব মিথ্যা কথা। স্বামী আদিশ্বরানন্দ তাঁর সহকারী এবং সেবক ছিলেন। তিনি এবঙ্গ রামকৃষ্ণ মিশনের সমস্ত সাধুরা, বিশেষত যাঁরা আমেরিকায় ছিলেন তঁরা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগে ছিলেন। আপনি তো কখনও আমেরিকার কোনও বেদান্ত সোসাইটির সঙ্গেই পরিচিত হন্নি তাই এসব নিয়ে পরের মুখের ঝাল নাই খেলেন!

    "আপনি স্বামী নিখিলানন্দ, ডাঃ ক্ষীরোদ চৌধুরী ও ডাঃ অমলা চৌধুরীরকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনতেন না।" সেটা আপনি কেমন করে জানলেন? আশ্চর্য তো!

    "আমি প্রথম দুজনের সঙ্গে পরিচিত ছিলাম না। তাঁরা আমার জন্মের আগেই প্রয়াত কিন্তু ডাঃ অমলার সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ ভাবে যুক্ত এখনো। তাঁর বাড়িতে তাঁর সান্নিধ্যে সময় কাটানোর, তাঁর জীবনের কথা শোনার অভিজ্ঞতা হয়েছে কাজেই আমার বলাটা আমি ব্যক্তিগত ভাবে না মানলেও এ ক্ষেত্রে অনেক রিসোর্সফুল।" অবশ্যই রিসোর্স্ফুল অমলার নিজের ব্যাপারে। আটানব্বই বয়েসের স্মৃতিবিভ্রম কাউন্ট করছিনা। কিন্তু স্বামী নিখিলানন্দের বিষয়ে আপনার কথার কোনও মূল্য নেই, কারণ আপনি নিজেই জানিয়েছেন তাঁকে ব্যক্তিগত ভাবে চিনতেননা।

    "নিখিলানন্দ'র ভারতে না আসার অন্যতম কারণ শুনতে অবাক লাগলেও হল আর্থিক সমস্যা। বিভিন্ন লেকচর দিয়ে তিনি যে অর্থ উপার্জন করতেন তার একটা বিশাল অংশ বেদান্ত সোসাইটির জন্যে ব্যয় হত, বাকীটা যেত বেলুড় মঠে হেড কোয়ার্টারে। প্রায় চল্লিশ বছর ধরে নিউ ইয়র্কের মত শহরে অত্যন্ত মিতব্যয়ী ও নিরাভরণ জীবনযাপন করতেন মানুষটি। বেলুড় মঠ ও গোলপার্কের সন্ন্যাসীদের আরাম দায়ক, বিলাশবহুল জীবন নিয়ে তাঁর তীব্র আপত্তি ছিল।" উপযুক্ত রেফারেন্স ছাড়া আপনার এইকথাগুলি নির্জলা মিথ্যা ছাড়া কিছু বলার নেই।

    "ডাঃ অমলা চৌধুরী ও তাঁর বোন ডাঃ সাবিত্রী পুরুষোত্তম নাথকে লেখা নিখিলানন্দজীর চিঠিগুলো ডাঃ সাবিত্রী বোস্টনের কাছেই কোনো একটি অ্যামেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে দান করে দিয়েছেন।" দুর্দান্ত! তো, সেই চিঠি পড়ে কিছু রেফারেন্স দিন্না। জাতি উপকৃত হয়।
    লেঅসে
    তবে, অলরেডি আপনি নিজের ক্রেডিবিলিটি হারিয়ে মিথ্যেবাদী বলে নিজেকে প্রমান করে ফেলেছেন। আর কি কিছু লাভ হবে? কে জানে!
  • S | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০৫:১৫421916
  • কোন মাইগ্রেশন?
  • i | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:৪৯421915
  • কাল আর উত্তর দিতে পারি নি। অর্জুন, আমারই ভুল হয়েছে। গুলিয়ে গিয়েছিল।
    প্রতি নমস্কার ও শুভেচ্ছা আপনাকেও।
  • Atoz | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০২:৪৭421914
  • সেটাই। বুঝতে পারছি সে দি। ওই যে কম্ফর্ট জোন থেকে বেরোবার ভয়, এটাই বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অথচ বেরোতে তো হবেই।
  • সে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০২:২৩421913
  • আস্তে আস্তে খোলে না। এক ঝটকায় ছিঁড়ে ফেলতে হয়।
    জানো তো আমরা মাইগ্রেট করছি, মাস মাইগ্রেশন। তাই বাধা আসবে। ইমিগ্র্যান্টদের কেও ভালো চোখে দেখে না, মাস মাইগ্রেশন আরও তিক্ততা ও বাধায় ভরা। ধীরে ধীরে হবে না, ঝটকা লাগবে।
    আশাকরি বুঝেছ কোন মাইগ্রেশনের কথা বলছি।
  • Atoz | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০২:১৮421912
  • মাঝে মাঝে ভাবি যাযাবর ব্যাকপ্যাকার হয়ে বেরিয়ে পড়ি, কিন্তু মনের নানা শিকল ডাইনে বাঁয়ে সামনে পিছে আটকে রাখে। এবারে এসবগুলো আস্তে আস্তে খুলতে হবে। ঃ-)
  • সে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০২:১৬421911
  • একটা খুব পোসিটিক্যালি ইনকারেক্ট কথা বলি।
    পড়ে বা ছবি দেখে তুমি ঠকতে পারো, বা অন্যের বর্ণনায় ঘোল খেতে পারো।
    নিজে গিয়ে দেখে এসো, তাহলে নিজের চোখ দিয়ে দেখবে, নিজের ইন্দ্রিয় দিয়ে নিজের মত করে অনুভব করবে। অল্প হলেও সেটুকু ষোলোআনা তোমার নিজের অভিজ্ঞতা।
  • সে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০২:১১421910
  • ঘোরা হয় না কেন?
    কে আটকাচ্ছে ঘুরতে?
  • Atoz | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০২:১০421909
  • সে দি, আমার তো আরো হরিবোল কেস। লেখাপড়া কিছুই হয় না, ঘোরাও হয় না, শুধু ছবি দেখি। চতুর্দিকে ছবি, ছবির বন্যা। কোনটা যে সত্যি, কোনটা যে কল্পনা, কোনটা যে কালাচাঁদ কেস ---কিছুই তফাৎ করতে পারি না। আর, তফাৎ করেই বা কী হবে? একধারসে সবই দেখা ভালো। ঃ-)
  • সে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০২:০৪421908
  • হ্যাঁ। চঞ্চল সঙ্গে যাচ্ছে। ওকে দেখাতে হবে সবকিছু, যতটা সাধ্যে কুলোয়।
  • সে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৫৬421907
  • তৈমুরের নাতি উলুগবেক।
  • সে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৫৪421906
  • হ্যাঁ। সেই সেলটা খুব ছোট। একজন কোনওমতে শুতে পারে। লোহার গরাদ দেয়া দরজা, একটা জানলা একটু উঁচুতে। মেঝেতে একটা ড্রাম টয়লেটের জন্য। আমরা উঁকি মেরে দেখলাম। বাকি ঘরগুলো বড়ো সেগুলোতে পঞ্চাশ ষাটজন করে থাকত। বিশাল গল্প।
    কেপটাউন থেকে নৌকো করে গেলাম। আগে ঐ দ্বীপে শুধু কুষ্ঠরোগীদের রাখা হতো।
    জেলখানায় অধিকাংশ কয়েদি মরে যেত অপুষ্টিজনিত রোগে বা টিবি হয়ে। পুরো দ্বীপটাই দেখার মত। গাইডও তো প্রাক্তন মুক্তিসংগ্রামী। আলোর দিকে তাকাতে পারেন না, চোখে বাদামি কাচের চশমা। মাডিবা এবং আরও অনেকে থাকতেন ঐ জেলখানায়।
    খাবারের লিস্ট দেখলে বোঝা যায় কেন মরত কয়েদিরা।
    এছাড়া কেপটাউনের ডিস্ট্রিক্ট ২৪ দেখেছি, ভয়ঙ্কর।
    আমার তো লেখাপড়া কম, যা শিখি সব হাতে কলমে দেখে টেখে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা থেকে। মানুষের সঙ্গে মিশে। বইটই পড়বার ঝোঁক নেই একদম।
  • Atoz | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৪৭421905
  • ব্রতীন তো ট্রেনে। ট্রেন মনে হয় চলতে শুরু করেছে। ঃ-)
  • Atoz | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৪৪421904
  • সে দি, এবারে কিন্তু তিমুরের নাতি উলুগের অব্জার্ভেটরিটা ছেড়ো না। ভালো করে ঘুরে দেখো। চঞ্চলকুমারকে মনে পড়ে? তাকেও সঙ্গে নিও। ঃ-)
  • Atoz | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৪১421903
  • ওই দ্বীপটাতেই তো নেলসন ম্যান্ডলাকে রাখা হয়েছিল বহু বছর?
  • সে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৪০421902
  • আটোজ,
    বোতিন বোধয় ঘুমিয়ে পড়েছে।
    না, কলেজ দেখতে যাচ্ছি, আমার পুরোনো ক্লাসরুম টাসরুম।
    সেই দ্বীপটাতো জেলখানা, রবেন দ্বীপ। সেই জেলখানা সফরে যিনি আমাদের গাইড ছিলেন তিনি আমার চে মাত্র কবছরের বড়ো। তিনিও ওখানেই কাটিয়েছেন বেশ কিছু বছর। সে খুব অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
  • Atoz | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৩৭421901
  • বড় এস, রা মি খুব সুন্দর নাম। ধন্যবাদ। দুইদিকে লাভ হয়। নামটাও ভালো, এদিকে চন্ডীদাসও মনে পড়ে। নিকষিত হেম। অপূর্ব। একেই বলে উইন উইন। ঃ-)
  • Atoz | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৩৪421900
  • কিন্তু সে দি, সেই যে অতলান্তিকের এক দ্বীপে গিয়ে মোহনদাস কর্মচন্দ্রের ব্যাপারে কী যেন জেনেছিলে, সে তো আর লিখলে না!
  • Atoz | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৩০421899
  • সে দি,
    সেরেঙ্গেটি? মাসাইমারা?
  • | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৮421896
  • গুড কোয়েশ্চেন!!
  • | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৮421897
  • গুড কোয়েশ্চেন!!
  • S | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৮421898
  • তাইলে বোঝা গেল যে ৩৪ বছর ছাড়াও যদি গুরুর বাঙালীর আর কিছুতে উত্তেজনা বাড়ে, তবে সে হলো রা মি।
  • সে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৩421895
  • শুধুই নাসিকা?
  • | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২২421894
  • এদিকে ট্রেন প্রায় মিনিট পনেরো নট নড়নচড়ন।

    চারি দিক থেকে ভেসে আসছে নাসিকা ধ্বনি ....
  • সে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২০421893
  • হিন্ট দিচ্ছি। সার্কল অফ লাইফ।
  • | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৮421891
  • বলা খুব চাপ বস। তুমি সারা পৃথিবী ঘোরো

    হালকা হিন্টস
    দাও!!
  • সে | ১২ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৮421892
  • সবার আগে কষ্ট করে নিজের রাঁধা খাবার নিজে খাবি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত