এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৬422400
  • জ্যামিতির

    উফ্ফ্ফ্ফ। ঃ-)
  • Atoz | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৪422399
  • ভাবো ব্রতীন, এই নিম্নলিখিত বাক্যগুলোর বাংলা অনুবাদ কী বস্তু দাঁড়াবে?
    "The quantum version of empty space is something like "a collection of spacetime degrees of freedom entangled together in such a way as to form an emergent three dimensional geometry."
    কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার দৃষ্টিতে শূন্যস্থান হল "স্থানকালের কতকগুলো স্বাতন্ত্র্যমাত্রা অন্তর্বিলগ্ন অবস্থায় এমনভাবে বিন্যস্ত, যে সেই বিন্যাস ত্রিমাত্রিক জ্যামিতি উদ্ভব ঘটায়।"
    উফ্ফ্ফ্ফ্ফ্ফ্ফ্ফ।
    কী সাংঘাতিক!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! ঃ-)
  • Atoz | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৫১422398
  • ব্রতীন, থ্যাংক ইউ। স্বাতন্ত্র্যমাত্রা।
  • S | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০০:১২422397
  • @লসাগুদা,
    "আমার ধারণা ছিল নোবেল প্রাইজ সিলেকশন বেশ সিক্রেট ব্যাপার"

    না। সিক্রেট ব্যাপার হলে আমরা কি করে জানবো যে কে প্রাইজ পেল?

    জোক্স অ্যাপার্ট।
    ফাইনাল ডিসিশান, কোন টপিকের জন্য দেওয়া হল, কমিটিতে কে কে আছেন, কে কে নমিনেট হয়েছিলো (এটা অনেক সময়ই জানা যায়), আগের বছরগুলোতে কাকে কোন টপিকের জন্য দিয়েছে, তাই নিয়ে স্টলওয়ার্টদের কি বক্তব্য ছিল, কাকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকলো এসব তো পাবলিক ইনফরমেশন। এসব দেখে অনেক কিছুই আন্দাজ করা যায় যে নোবেল কমিটি কি ভেবেছে সেই ব্যাপারে।
  • অর্জুন | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:৫২422396
  • অমর্ত্য সেন রসিয়ে লিখতে জানেন।

    কমিউনিস্ট পার্টির মেম্বরশিপের কথা লুকিয়ে ট্রিনিটিতে চাকরি নিলেন মরিস ডব, সেটা কনফেস করে বলতেই রবার্টসনের এক লাইনের উত্তর '“Dear Dobb, so long as you give us a fortnight’s notice before blowing up the Chapel, it will be all right.” ঃ-) ঃ-)

    কোসাম্বীদের দিয়ে অলমোস্ট কোনো চর্চাই হয়না। @রঞ্জন দা।

    এই দুটো বই পড়ে দেখতে পারেন।

    Combined Methods in Indology and Other Essays: D D Kosambi edited and complied by Brajadulal Chattopadhyaya

    D D Kosambi: Unsettling the past- edited by Meera Kosambi

    D D Kosmabi was one of the most influential intellectual of his time. কিন্তু অদ্ভুত ভাবে অনালোচিত।
  • রঞ্জন | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:৩৮422395
  • ধন্যবাদ পাই।
    লিং থেকে তিনটে দেখলাম।
  • রঞ্জন | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:২৩422394
  • ্থ্যাংক ইউ, অর্জুন!
    (কেম্ব্রিজ স্কুল নিয়ে অমর্ত্যর কথা )
    খুদা কি কসম, মজা আ গয়া!
  • | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:২২422393
  • কী সাঙ্ঘাতিক!!
  • সে | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:২১422392
  • সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের নাতি।
  • রণজন | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:১৫422391
  • অর্জুন,
    অনেক ধন্যবাদ ভাই। কিস্যু জানতাম না। শুধু বুদ্ধিজমের ওপর একটা বই পড়েছিলাম।
    আমি ধর্মানন্দ কোশাম্বীকে রাহুলের মত বৌদ্ধ ভিক্ষু ঐতিহাসিক ভাবতাম।
  • অর্জুন | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:১৪422390
  • 'However, Kaldor was, in fact, much the most tolerant of the neo-Keynesians at Cambridge. If Richard Kahn was in general the most bellicose, the stern reproach that I received often for not being quite true to the new orthodoxy of neo-Keynesianism came mostly from my thesis supervisor – the totally brilliant but vigorously intolerant Joan Robinson.

    In this desert of constant feuding, my own college, Trinity, was a bit of an oasis. I suppose I was lucky to be there, but it was not entirely luck, since I had chosen to apply to Trinity after noticing, in the handbook of Cambridge University, that three remarkable economists of very different political views coexisted there. The Marxist Maurice Dobb and the conservative neo-classicist Dennis Robertson did joint seminars, and Trinity also had Piero Sraffa, a model of scepticism of nearly all the standard schools of thought. I had the good fortune of working with all of them and learning greatly from each.

    The peaceful – indeed warm – co-existence of Dobb, Robertson and Sraffa was quite remarkable, given the feuding in the rest of the University. Sraffa told me, later on, a nice anecdote about Dobb’s joining of Trinity, on the invitation of Robertson. When asked by Robertson whether he would like to teach at Trinity, Dobb said yes enthusiastically, but he suffered later from a deep sense of guilt in not having given Robertson “the full facts. ” So he wrote a letter to Robertson apologizing for not having mentioned earlier that he was a member of the Communist Party, supplemented by the statement – I think a rather “English” statement – that he would understand perfectly if in view of that Robertson were to decide that he, Dobb, was not a fit person to teach Trinity undergraduates. Robertson wrote a one-sentence reply: “Dear Dobb, so long as you give us a fortnight’s notice before blowing up the Chapel, it will be all right.”

    So there did exist, to some extent, a nice “practice” of democratic and tolerant social choice at Trinity, my own college. But I fear I could not get anyone in Trinity, or in Cambridge, very excited in the “theory” of social choice. I had to choose quite a different subject for my research thesis, after completing my B.A. The thesis was on “the choice of techniques,” which interested Joan Robinson as well as Maurice Dobb.'

    - Amartya Sen
    (Lecture to the memory of Alfred Nobel, December 8, 1998)
  • রঞ্জন | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:১৩422389
  • আকা,

    ঠিকই জানেন। কিন্তু সেই অনেক আগের কাজটা সেই সময় পাত্তা পায় নি। ঠিক লোকদের (?) চোখে পড়ল যখন উনি হার্ভার্ডে গেলেন তারপরে। আমেরিকান এস্টাব্লিশমেন্টে বাম্পন্থী কেম্ব্রিজ স্কুলকে আদ্দেক কোমি মনে করা হত। বিশেষ করে ইতালিয়ান কমিউনিস্ট পিয়েরো স্রাফা প্রাণ নিইয়ে পালিয়ে এসে কেম্ব্রিজে দলে যোগ দেওয়ার পর। মাইকেল কালেকিও প্রায় কমি।
    স্রাফা তো মার্ক্সের ক্যাপিটালের ট্রান্সফর্মেশন প্রবলেম সল্ভ করে (' প্রোডাকশন অফ কমোডিটি বাই মিন্স অফ কমোডিটি' লিখে) ইয়ে হয়েই গেলেন।
    অমর্ত্য হার্ভার্ডে স্বীকৃতি পেয়ে এস্টাব্লিশমেন্টের চোখে জাতে উঠলেন।
    আগে যেঁ যে বিষয়ে ইকনমিক্সে প্রাইজ দেওয়া হোল তা দেখুন।
  • অর্জুন | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:০৪422387
  • @রঞ্জন-দা, যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন, সেটা স্বয়ং অমর্ত্য সেনের লেখা থেকে তুলে দিলাম।

    'The style of economics at the-then Cambridge was much less mathematical than in Calcutta. Also, it was generally less concerned with some of the foundational issues that had agitated me earlier. I had, however, some wonderful fellow students (including Samuel Brittan, Mahbub ul Haq, Rehman Sobhan, Michael Nicholson, Lal Jayawardena, Luigi Pasinetti, Pierangelo Garegnani, Charles Feinstein, among others) who were quite involved with foundational assessment of the ends and means of economics as a discipline.

    However, the major debates in political economy in Cambridge were rather firmly geared to the pros and cons of Keynesian economics and the diverse contributions of Keynes’s followers at Cambridge (Richard Kahn, Nicholas Kaldor, Joan Robinson, among them), on the one hand, and of “neo-classical” economists sceptical of Keynes, on the other (including, in different ways, Dennis Robertson, Harry Johnson, Peter Bauer, Michael Farrell, among others). I was lucky to have close relations with economists on both sides of the divide. The debates centred on macroeconomics dealing with economic aggregates for the economy as a whole, but later moved to capital theory, with the neo-Keynesians dead set against any use of “aggregate capital” in economic modelling (some of my fellow students, including Pasinetti and Garegnani, made substantial contributions to this debate).

    Even though there were a number of fine teachers who did not get very involved in these intense fights between different schools of thought (such as Richard Stone, Brian Reddaway, Robin Matthews, Kenneth Berrill, Aubrey Silberston, Robin Marris), the political lines were, in general, very firmly – and rather bizarrely – drawn. In an obvious sense, the Keynesians were to the “left” of the neo-classicists, but this was very much in the spirit of “this far but no further”. Also, there was no way in which the different economists could be nicely ordered in just one dimension. Maurice Dobb, who was an astute Marxist economist, was often thought by Keynesians and neo-Keynesians to be “quite soft” on “neo-classical” economics. He was one of the few who, to my delight, took welfare economics seriously (and indeed taught a regular course on it), just as the intensely “neo-classical” A.C. Pigou had done (while continuing to debate Keynes in macroeconomics). Not surprisingly, when the Marxist Dobb defeated Kaldor in an election to the Faculty Board, Kaldor declared it to be a victory of the perfidious neo-classical economics in disguise (“marginal utility theory has won,” Kaldor told Sraffa that evening, in commenting on the electoral success of a Marxist economist!)
  • | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৫৬422386
  • আকা, কী খবর?
    দিনকাল কেমন কাটছে?
  • অর্জুন | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৪৯422385
  • না @রঞ্জন-দা, তিনি নন।

    ধর্মানন্দ কোসাম্বী- বৌদ্ধ ধর্ম ও ইতিহাসের বিদগ্ধ গবেষক। পালি ভাষার বিশেষজ্ঞ। ডি ডি কোসাম্বীর পিতৃদেব।

    উনি দুই স্টিন্টে হার্ভার্ডে পড়িয়েছেন। প্রথমবার ১৯১৮য়।
  • aka | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৪৭422384
  • যতদুর জানি অমর্ত্যর নোবেল হার্ভার্ডে যেসব কাজ করেছিলেন তার অনেক আগের অবদানের জন্য। ভুল জানতে পারি।
  • | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৩৮422383
  • বোধি দা, আজকাল ছোটো ছোটো পোস্ট করছে।

    এও দেখতে হল।
  • রঞ্জন | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৩৩422382
  • @ আকা,
    না। কিন্তু কেম্ব্রিজএর ওয়েলফেয়ার বা কেইন্সীয় স্কুল ও হার্ভার্ডের স্কুলের অ্যাপ্রোচের মধ্যে তফাৎ ছিল।
    জোয়ান রবিনসন, স্রাফা, অমর্ত্য, ক্যাল্ডোর ইত্যাদি বামমার্গীয় ইকনমিস্টরা এই শাস্ত্রটির নর্ম্যাটিভ এবং সোশইয়াল সায়েন্সের চরিত্রটি বজায় রাখতে চাইতেন। গুরুদেব মার্শাল নিজে মিনিমাম গাণিতীয় ভাষার ব্যবহার পছন্দ করতেন।
    অন্যদিকে হার্ভার্ড স্কুল এটাকে পজিটিভ এবং একজ্যাক্ট সায়েন্স করার তাড়ায় অনেক বেশি ম্যাথমেটিক্স এবং ম্যাথমেটিক্যাল মডেল ব্যবহারের পক্ষপাতী। ইকনমেট্বরিক্স এর এবং বেশি অ্যাডভান্সড ম্যাথস এর প্রয়োগ না হলে হারভার্ডে জাতে উঠত না শুনেছি।
    অমর্ত্য আরো আগেই এটা খেয়াল করে হার্ভার্ডে পড়ানোর সময় সকালে প্রচন্ড শীতের মধ্যে অ্যাডভান্সড ম্যাথাস এর ক্লাস করোতে যেতেন এটা নবনীতা লিখেছিলেন।
    (যদিও অমর্ত্যের এডিট করা গ্রোথ ইকনমিক্সের যেঁ বইটি আম্মাদের পাঠ্য ছিল তার ইকোয়েশন এবং জিওমেট্রইক্যাল মডেলেই আম্মাদের মত হাবাদের আত্মারাম খাঁচাছাড়া হত। )
    অবশ্যই অধ্যাপক সোলো এবং স্যামুয়েলসনদের সঙ্গী হয়ে এবং হার্ভার্ড স্কুলের কৌলীন্যে ওঁর আর্গুমেন্টের প্রেজেন্টেশনে অনেক শার্পনেস এসেছিল। তবে আমার মত হাবার জন্যে অভিজিত ঠিক। পড়লেই মনে হয় যেন আমার কথা ভেবে লেখা।
  • b | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৩২422381
  • সেন নোবেলঃ ১৯৯৮, দাদা-র ফাটিয়ে খেলা ঐ সময় থেকে, ২০০০ এ ক্যাপ্টেন।
    ব্যানার্জী নোবেলঃ ২০১৯, দাদা বিসিসিআই চেয়ারম্যান।

    কোরিলেশন না কজেশন?
  • lcm | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২২:১৫422380
  • আমার ধারণা ছিল নোবেল প্রাইজ সিলেকশন বেশ সিক্রেট ব্যাপার, সিলেকশন কমিটি কাউকে ডিটেইল্‌স্‌ জানায় না, সব পুরস্কারের নোমিনেশন লিস্টও জানা যায় না (শান্তি পুরস্কারের নোমিনেশন লিস্ট নাকি ৫০ বছর পরে জানা যায়), কে কাকে ভোট দিল, কেন একজনকে না দিয়ে অন্যজনকে দেওয়া হল ... ইত্যাদি। কিন্তু এখানে যা শুনছি তা নয় - এসব কি পাবলিক ইনফরমেশন?
  • pi | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৫৮422379
  • এটা কারুর দেখা?

  • aka | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৫৭422378
  • তাইলে কি অমর্ত্য সেন হার্ভার্ডে গিয়ে অ্যাডভান্স অঙ্ক শেখার জন্য নোবেল পেয়েছিলেন?
  • S | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৫২422377
  • সেদিন কেউ একজন জানতে চেয়েছিলেন যে গুগল না করে নোবেল প্রাইজ জেতা লোকেদের নাম কেউ বলতে পারবে কিনা। একজ্যাক্টলি কোন বছর পেয়েছেন না বলতে পারলেও অনেকেরই নাম চেনা। এখানে যারা ইকোনমিস্ক, ম্যানেজমেন্ট, স্ট্যাটিস্টিক্স নিয়ে পড়াশুনা করেছেন বা এমনকি উৎসাহ রাখেন, তাঁরাও প্রায় অনেকেরই নাম চিনবেন কম বেশি।
  • রঞ্জন | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৫০422376
  • @ অর্জুন,
    বিজেপির সেই তাম্ব্র ইকনমিস্ট? এমার্জএন্সির সময় ওই জন্যেই ইন্দিরাজী ওকে জেলে পুরতে পারে নি। সবাই জেলে, জর্জ লুকিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং আগুনে লিফলেট ছাড়ছেন ; আম্মাদের উনি হার্ভার্ডে ইকন পড়াচ্ছেন আর চাঁচাছোলা বক্তব্য রাখছেন সরকারের গুষ্টির তুষ্টি করে।
    ব,
    এত কিছু নেই। অমর্ত্য'র তৃতীয় স্ত্রী এক বয়স্কা ইকনমিস্ট, নাম এম্মা এবং ঘটনাচক্রে উনি রথশ্চাইল্ড পরিবারের।
  • b | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৪২422375
  • এই প্রসঙ্গে অভিজিত ব্যানার্জীর সেই পেপারটাও উল্লেখ করা যায়, (মৈত্রীশ ঘটক আর পল গার্টলারের সাথে লেখা) যেটাতে ওনারা দেখিয়েছিলেন অপারেশন বর্গার ফলে পশ্চিমবঙ্গের কৃষি উৎপাদন ৩৩% বেড়েছে।
  • অর্জুন | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৯422374
  • এত হার্ভার্ডের কথা চলছে। কেউ বলুন তো হার্ভার্ডে প্রথম ভারতীয় অধ্যাপকটির নাম? ফুল টাইম পড়িয়েছেন এক দশকের বেশী সময়।
  • | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৭422373
  • এটা শুধু চিঠির ইসু বলে মনে হয় নি। রঞ্জন দার অ্যানেকডোট টা একটা স্পেকুলেটিভ লাগছে, অ্যাপার্ট ফ্রম, 'সব ই তো ভেতরে ভেতরে হুঁ হুঁ' গোছের না ধরে নিলে ঃ-)

  • | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৪422372
  • এটাই কাল বলছিলাম, যে মার্কেট্স নিয়ে ৯০ এর উত্তেজনার পরে, এবং আবার নতুন করে ২০০৮ এর পরে মাঝে মাঝে ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট এর বিষয় হিসেবে গুরুত্ত্ব বাড়বেই, সেটাকে নোবেল কমিটি কে রেকগনাইজ করতে হবে, নইলে ওদের নিজেদের লেজিটিমেসি নিয়ে টান পড়বে। সেটা তে কারো কৃতিত্ত্ব খাটো হয় না, কিন্তু মতাদর্শগত ড্রিফ্ট এবং সুইচ টা না বোঝার কিসু নেই।

    ভাটে শুধু ভাট করি নি মাইরি, কিছুটা লজিকালি বলার চেষ্টা করছি। অবশ্য জাস্ট কোন লাভ নেই। অভ্যেসে বলা।

  • | ১৭ অক্টোবর ২০১৯ ২১:১৮422371
  • নো লিঙ্ক প্লিজ।

    @ ৯ঃ১৭
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত