এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অর্জুন | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৩৬422460
  • @sm মোদ্দা কথা হল, নোবেলের টাকাটা পশ্চিম বাংলা, মহারাষ্ট্র, ফ্রান্স ও অ্যামেরিকার মধ্যে কে কত পাচ্ছে? ঃ-) ঃ-)
  • S | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৩৫422459
  • আসলে মহারাষ্ট্রে সাম্প্রতিক যে জাতিগত আন্দোলন তৈরী হয়েছিলো বাল ঠাকরের নেতৃত্বে সেখানে এক শিবাজি ছাড়া কাউকেই স্থান দেওয়া হয়নি। লোকের বাড়িতে তাই এই দুজনেরই ছবি থাকে।
  • | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৩৪422457
  • হুতো @ ২ঃ১৮, ক।
  • র২হ | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:৩৪422458
  • হ্যাঁ, একটা বিভূষণ টাইপ কিছু দিদি দিতেই পারেন। আমাদের রায়বাবুও তো নেপোলিয়নের চালু করা পুরস্কার পেলেন, আমরা সবাই কত আনন্দ করলাম।

    অর্জুন, হুম। কিন্তু মারাঠিরাই তো মারাঠি অস্মিতার চক্করে পড়ে শ্রমিক আন্দোলনের দফা গয়া করে দিল। মানে এত সোজা ঠিক না, খনুদা দেখতে পেলে আবার বকবে। কিন্তু অস্মিতা ভরপুর।
  • অর্জুন | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:২৮422456
  • @রঞ্জন-দা, গোয়ায় D D Kosambi festival of Ideas নামে একটি বাৎসরিক অনুষ্ঠান হচ্ছে বেশ কয়েক বছর ধরে। সেখানে Kosambi র জন্মশতবর্ষে রোমিলা থাপারের বক্তৃতা। এটা পার্ট ওয়ান।

    @ র২হ, মরাঠীরা একটু অদ্ভুতভাবে উদাসীন নিজেদের সম্পর্কে, নিজেদের ঐতিহ্য সম্পর্কে। একমাত্র ব্যতিক্রম শিবাজী। Kosambiর মত স্কলার যে রাজ্য পেয়েছে, সেখানে তারা এঁকে নিয়ে একটুও উৎসাহী নয়। অধিকাংশ জানেই না। বাঙালীদের আবার যেমন সবকিছুতে খুব বাড়াবাড়ি।

  • sm | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:২৭422455
  • ডুফলোর বাবার, ছোট পিসিমার,ভাসুর এর খুড়শ্বশুর এর রাঙা দাদু,চন্দন নগরে ডুপ্লের দলের সঙ্গে বাস করতো।সেই অর্থে বাঙালি কন্যার ঘরে ফেরাও বলা যায়।
  • S | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:২০422454
  • সাউথ পয়েন্ট, প্রেসি মানেই বাঙালী তো বটেই এমনকি জেনু-বামপন্থী মানেও আধা বাঙালী। তারপরে আবার দারিদ্র নিয়ে কাজক্ম্ম - মানেই আরো অনেক কিছু। ডুফ্লোকে না আবার সেরা বাঙালী দিয়ে দেয় কেউ।
  • অর্জুন | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:১৯422453
  • @রঞ্জন-দা, আপনি নিশ্চয় জানেন, পিতা, পুত্র, দুজনের নামই D D Kosambi। পিতা ধর্মানন্দ কোসাম্বী, পুত্র দামোদর কোসাম্বী। ঘটনা হল মহারাষ্ট্রীয় নিয়মানুযায়ী পিতার নাম মিডল নেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ধর্মানন্দের পিতার নাম ছিল দামোদর, আবার পিতার নামেই পুত্রের নামকরণ করেছিলেন দামোদর। তাই ধর্মানন্দের মিডল নেম দামোদর আর দামোদরের মিডল নেম ধর্মানন্দ। এটা বলার কারণ কোন Kosambiর কথা বলছি সেটা বোঝানোর জন্যে। কাল ধর্মানন্দ কোসাম্বীর কথা বলেছিলাম।

    উনি পালি ও প্রাকৃত ভাষার বিশেষজ্ঞ এবং বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শনের একজন অথরিটি। উনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন এবং প্রথম ভারতীয় অধ্যাপক যাকে হার্ভার্ড আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। বুদ্ধের প্রামাণ্য জীবনী উনি লিখেছিলেন যেটা সাহিত্য একাডেমী প্রকাশ করেছে। বইটি এখনও পাওয়া যায়। ধর্মানন্দের সমস্ত কাজ তাঁর পৌত্রী মীরা কোসাম্বী সংকলন ও সম্পাদনা করেছেন। বইটির নাম Dharmananda Kosambi: The Essential Writing প্রকাশক permanent black। অ্যামাজনে পেয়ে যাবেন। আমি পিডিএফ ডাউনলোড করতে পারিনা। আপনার পরিচিত কাউকে বলুন, পিডিএফ নামিয়ে দেবে।

    পুত্র D D Kosambi র কথা এত স্বল্প পরিসরে বলা খুব মুশকিল।আমার খুব ইচ্ছে এখানে ওঁকে নিয়ে ভাল আলোচনা হোক। ওঁর নামের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল স্কুল লাইফে Indian Numismatics বইটার মাধ্যমে। আমাদের ইতিহাস শিক্ষিকা বইটা পড়তে বলেছিলেন। একজন বিদগ্ধ গণিতবিদ হয়েও যিনি ইতিহাসচর্চার ধরণটাই বদলে দিলেন।

    ওঁর 'অ্যান ইনভাইটেশন টু দ্য হিস্ট্রি অফ--' বইয়ের কথা জানিনা।ওঁর 'অ্যান ইনট্রোডাকশন টু দ্য স্টাডি অব ইণ্ডিয়ান হিস্ট্রি' পড়েছি এবং আমার সংগ্রহে আছে। এই বইটাকে একটা paradigm shift হিসেবে গণ্য করা হয়।

    রমিলা থাপার দামোদর কোসাম্বীকে মেন্টর মানেন এবং তাঁকে নিয়ে অনেক লিখেছেন ও বলেছেন। তাঁর চিঠিতে কি কি বইয়ের নাম সাজেস্ট করেছিলেন আপনাকে জানতে কৌতূহল রইল।

    আপনার একদম শেষের তিনটে লাইন স্রেফ বাজে কথা বলে উড়িয়ে দিলাম। অসব ভাবেন কেন?
  • র২হ | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:১৮422452
  • তবে এর কোনটাতেই বাঙালি হিসেবে আনন্দিত হতে আটকায় না।

    সাউথ পয়েন্ট, প্রেসি, জেনুর লোকেরাও প্রাক্তনী হিসেবে গর্ব করতে পারে।

    মারাঠিরাও গর্ব করতেই পারে, করুক না, কে না করছে। তবে ওরা উচ্ছ্বসিত হতে না চাইলে জোর করে তো হওয়ানো যাবে না। মহারাষ্ট্রের লোকেদের তো বিরাদরি দাবী করার বিশেষ হাউশ দেখছি না, বাঙালীদেরই খালি প্রাণ কাঁদছে।

    ভারতীয়ত্ব ঘাঁটা জিনিস, দিনে দিনে আরো ঘাঁটছে। মানুষ স্বাধীনভাবে স্থানান্তর করতে থাকুক, রাজনৈতিক মানচিত্রের খ্যাতা পুড়ি।
  • S | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:০৬422451
  • আদ্ধেক বোধয় ভারতের খাতায়। ডুফ্লোর আদ্ধেকটা ফ্রান্সের।
  • PT | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:০০422450

  • সেটাই কথা। বাঙালীত্ব, মারাঠীত্ব, ভারতীয়্ত্ব সব কিছু ধরে টানাটানি করলেও নোবেলের গুণতিতে ভারতের হাতে পেন্সিল। উটি আমেরিকানদের ঝুলিতে।
  • x | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:৫৭422449
  • প্রতিটি নোবেল, বেল এবং কয়েৎবেলের জন্য অ্যাজ এ বিশ্ববাসী আমি গর্বিত।
    আমার এ জেন্ডার নিরপেক্ষ গর্ব আমার কাছ থেকে কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবেনা।
  • sm | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:৫৪422448
  • রঞ্জন বাবু বুঝলেন কি করে,পটল তুললে মানুষ ওপরে যায়?
  • রঞ্জন | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:৪১422447
  • @অর্জুন,
    ডিডি কোসাম্বীর সাকুল্যে চারটে বই পড়েছি, ১৯৯৫ পর্য্যন্ত। অ্যান ইনভাইটেশন টু দ্য হিস্ট্রি অফ--, আউটলাইন টু দ্য কালচারাল হিস্ট্রি ---, মিথ এন্ড রিয়েলিটি এবং শেষটা কোসাম্বীর স্মরণে বিভিন্ন ঐতিহাসিকের বেশ কিছু দামী প্রবন্ধের সংগ্রহ।
    এটাতে মহাযানী বুদ্ধিজম এবং গুপ্তযুগে সামন্ততন্ত্রের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে চমৎকার লেখা ছিল -- সম্ভবতঃ রামশরণ শর্মার।
    প্রথম জীবনের সংগ্রহের একটা বইও দেখছি না। গাঁয়ে থাকা, পকেট গড়ের মাঠ, তার মধ্যে অনেক কষ্ট করে কিনেছিলাম। রোমিলা থাপারকে একটি চিঠিও দিয়েছিলাম পাকামি করে, --সোজা জে এন ইউ দিল্লি লিখে। উনি উত্তরও দিয়েছিলেন। বেশ কিছু বইয়ের নামও সাজেস্ট করেছিলেন।
    এখনকার আকার পাবলিকেশন, অ্যামাজন -ই, এবং পেনশন তখন কোথায় ছিল?
    আবার নতুন করিয়া লাগিতে হইবে ; কিন্তু উপরে যাবার ওয়েটিং লিস্টে নাম উঠছে। বন্ধুবানধবেরা এক এক করে সিট কনফার্ম করে খসে পড়ছে।
  • | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:২৬422446
  • কিন্তু আমেরিকান নাগরিকত্বের জন্যে অভিজিৎ বাবুর নোবেল টি আমেরিকার খাতায় যাবে, খুব সম্ভবঃ।
  • সিএস | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:২৪422445
  • অত "ভারতীয়, ভারতীয়' করারই বা কী দরকার ! অন্যদিকে তো ইন্ডিয়ান-আমেরিকান বলা হচ্ছে, শুধু আম্রিকান তো বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। বাঙালী নয়, মারাঠী নয়, পাঞ্জাবী নয়, সব্বাই "ভারতীয়" এটাও তো একটা কন্স্ট্রাক্ট। যা দিংকাল, এটা বেশী করলে তো হিন্দি ভাষা, এনারসি, সাভারকর সব চলে আসবে।
  • $ | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১৩:২১422444
  • সন্ময় বাবু কাল মার খেয়েছেন তিনো দেশ সেবকদের হাতে।
  • ন্যাড়া | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৪৩422443
  • আ্যমেরিকান নাগরিকত্বের সঙ্গে বাঙালিত্ব (বা মারাঠিত্বর) তো কোন বিরোধ থাকার কথা নয়। প্রথমটা আইনগত পরিচয় (লিগাল স্ট্যাটাস), দ্বিতীয়টা ভাষাগত ও জাতিগত পরিচয়। দুটো অর্থোগনাল।
  • | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৩৫422442
  • পিটি দা, এটা কদিন আগে থেকেই হোআ এ ঘুরছে।

    আই টি সেলের
    " শ্রমনিবিড় গবেষণার" ফল।
  • | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৩৩422440
  • অমর্ত্য সেন র এখনো ইন্ডিয়ান পাসপোর্ট।
  • | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৩২422439
  • পুরো চাপ!!
  • sm | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৩১422438
  • অভিজিৎ বাবু নাকি আমেরিকান সিটিজেনশিপ নিতে গররাজি ছিলেন।
  • PT | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:২৪422437
  • শুধু "সস্ত্রীক" নোবেলটাই সমস্যা নয়, সমস্যা তাঁর বাঙালীত্বের দাবি নিয়েও। যিনি আমেরিকান নাগরিক তাঁকে নিয়ে আমরা কেন এত গৌরবে বহুবচন হয়ে যাচ্ছি কে জানে। অবিশ্যি এক ক্ষয়িষ্ণু উন্নাসিক জাতি যাদের দূর্গাপূজোর কার্ণিভাল ছাড়া দেখানোর মত কিস্যু নেই তাদের এমনটাই করার/বলার কথা।
    --------------
    "‘নোবেলে ফের সেরা বাঙালিই’ (১৫-১০) শীর্ষক সংবাদটির প্রেক্ষিতে এই চিঠি। বাঙালির বাঙালিত্ব যে শুধুই পিতৃপরিচয় দ্বারা প্রভাবিত, এই সংবাদটিতে তারই প্রতিফলন ঘটল। তবে পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় এটাই অবধারিত। ভারতীয়-আমেরিকান পরিচয়ে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অর্থনীতিতে নোবেল প্রাপ্তি সকল ভারতবাসীর গর্বের বিষয়। কিন্তু বাঙালি তাঁর পিতৃপরিচয়ে তাঁকে ‘বাঙালি’ হিসেবে ভূষিত করে অধিক গর্ব বোধের কারণ খুঁজে পেল, শুধু ভারতীয় হিসেবে নয়। কিন্তু খেয়াল রাখা দরকার, অভিজিৎবাবুর মা মরাঠি। তাই মাতৃপরিচয়ে তিনি ‘মরাঠি’, সেই কথাও সমান ভাবে সত্যি। বাঙালি চিরকাল নিজেকে প্রগতিশীল মনে করে। তার চেতনা প্রাদেশিকতার সঙ্কীর্ণতায় সীমাবদ্ধ নয় বলেই সে মনে করে। তাই, বাঙালি-মরাঠির ঊর্ধ্বে গিয়ে, একমাত্র ভারতবাসীর জয় হিসেবে এই আনন্দময় সংবাদের উদ্‌যাপন হওয়া দরকার।
    অশেষ দাস
    ------------
    (আজকের সম্পাদক সমীপেষু, আবাপ)
  • sm | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:১৬422436
  • আর বাঙালি বলবো না মারাঠি বলবো,এটা আমাদের দেশের সমস্যা।যেহেতু পিতৃতান্ত্রিক সমাজ,তাই ওনার বাঙালি পরিচয় টা বেশি ফোকাসড হচ্ছে।যেমন অভিষেক বচ্চন বা রাকেশ রোশন দের জোর করেও ঠিক বাঙালি বলতে পারি না।
    উত্তর পূর্ব ভারতে এই সমস্যা কম।
    এটি কোন যুগ থেকে শুরু হয়েছে কে জানে?
    গুপ্ত যুগে তো বলা হতো লিচ্ছবি কুমার সমুদ্রগুপ্ত।মানে মায়ের পরিচয়ে পরিচিতি।
    হেমবতি নন্দন বহুগুনা নাম ও পাই।
    অবিশ্যি,নাম এ কি বা আসে যায়!
  • sm | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১২:০৫422435
  • আমার তো মনে হলো লেখিকা গুছিয়ে লিখতে পারেন নি।
    প্রথমেই লিখলেন দীপিকা পাড়ুকোনের আড়াই মনি টিকিলি শোভিত...
    এর মানে কি? দীপিকা তো একজন নারী! একি সম্ভাষণ!
    দুই,গতদিন কে একজন লিখলেন,ফরাসী কাগজে এস্থার এর সঙ্গে নোবেল পেলেন তাঁর স্বামী,এমন কিছু নাকি সংবাদ পত্র গুলির হেডিং।
    ইনি লিখলেন ফরাসী সংবাদ পত্র গুলো নাকি কোনরকম রিলেশন উল্লেখই করছে না।
    কে ঠিক কে জানে!
    তিন,সস্ত্রীক নোবেল পেলেন বললে অসুবিধে কি! উনি তো বিবাহিত।এটা তো ফ্যাক্ট।
    রাষ্ট্রপতির স্ত্রী কে ফার্স্ট লেডি বলা হয়।
    তেমনি ইংল্যান্ডের রানীর ক্ষেত্রে বলাহয়, রানী সঙ্গে তাঁর স্বামী ফিলিপ অনুষ্ঠানে আসবেন।কোন অসুবিধে নেই তো!
    ইন্দিরা গান্ধী কোনদিন ফিরোজের পত্নী বলে খ্যাত হন নি।বরং উল্টোটা।
    একাডেমিক ক্ষেত্রে মেয়েরা অনেক বেশী এগিয়ে আসছে ছেলেদের থেকে।
    বর্তমানে ইউকে তে মেডিক্যাল স্টুডেন্ট দের ষাট শতাংশের ওপর মহিলা। চাকরীর ক্ষেত্রেও রেশিও অনেকটা একই রকম।কিন্তু উচ্চশিক্ষা বা রিসার্চ এর ক্ষেত্রে মহিলা উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য ভাবে কম।কেন?ভাবতে হবে।
    সায়েন্স এর প্রায় সব স্ট্রিমেই রিসার্চ এর ক্ষেত্রে মহিলা উপস্থিতি কম।
    কলা বিভাগের ক্ষেত্রে এটি অতোটা প্রকট নয়।
    মনে হয়,এটা পার্সোনাল চয়েস এর ব্যাপার। হিন্ডারেন্স বড় ফ্যাক্টর নয়।
  • এলেবেলে | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ১১:১৯422434
  • একটি দরকারি সশব্দ থাপ্পড়

    স্রেফ পতির পুণ্যটুকুই এসথার ডুফলোর সম্বল?

    লিখছেন সীমন্তিনী মুখোপাধ্যায়

    অশীতিপর, পক্বকেশ, মৃদুভাষিণী অর্থনীতিবিদকে টিভির পর্দায় দেখে রানি পদ্মিনী, থুড়ি দীপিকা পাডুকোনের আড়াইমনি টিকলি-শোভিত মুখটা চোখে ভেসে উঠল হঠাৎ। সিংহল-কন্যার রাজপুত-রানি হয়ে ওঠার প্রাণঘাতী আবেগের গল্পটা কোন জাদুমন্ত্রে বক্স-অফিস কাঁপিয়েছিল বছরখানেক আগে, তা সম্যক জানা আছে বলেই বোধ হয় বাংলা খবরের চ্যানেলগুলি ‘বাঙালি-পরিবার’-এর সন্তানের কৃতিত্ব দেখাতে এমন উন্মুখ। তাই নির্মলা পটাঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এ কথা বললেও যে, ‘অভিজিৎ শুধু বাঙালির গর্ব নয়, ও অর্ধেক-মরাঠি,’ তা সযত্নে উপেক্ষণীয়। সাম্প্রতিক অতীতে একাধিক চ্যানেলের ‘শ্রেষ্ঠ বাঙালি’র তকমা পাওয়া অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নোবেলের পদকটি যে আসলে পান-গুটকাখোর অ-বাংলাভাষীদের মুখে সপাটে মারা একটি বিরাশি সিক্কার চড়, ফেসবুকের নীল-সাদা স্ক্রিন ততক্ষণে আমাদের তা ভালই বুঝিয়ে দিয়েছে। (তবে পাত্রভেদ আছে, রোনাল্ড রস বা মাদার টেরিজা বাংলাভাষী না হলেও কলকাতারকর্মস্থল তাঁদের ‘বং কানেকশন’। তাই বৃহত্তর-বাঙালির মধ্যে তাঁদের ধরে নিতে অসুবিধে হয় না, তাঁরা পান-গুটখা খেতেন বলেও কদাপি শোনা যায়নি।)

    বাঙালির ঠুনকো জাত্যভিমানের পাশাপাশি অন্য যে লজ্জাজনক আবেগটি সে দিন শারদস্বচ্ছদুপুরে সংবাদমাধ্যমে উঠে এল, তা হল নিখাদ, নির্জলা সেক্সিজম। আঞ্চলিক এবং সর্বভারতীয় একাধিক সংবাদ সংস্থা শিরোনাম করল, ‘সস্ত্রীক নোবেল পেলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়’। যেন পাড়ার বিজয়া সম্মিলনীর নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গেলেন দাদার পিছু পিছু বৌদিও। এসথার ডুফলো অর্থনীতিতে নোবেল-প্রাপকদের মধ্যে বয়সে কনিষ্ঠতম। অর্থনীতিতে এই পদক পেয়েছেন তাঁর আগে মাত্র এক জন মহিলা, এলিনর অস্ট্রম, যিনি মারা গিয়েছেন ২০১২ সালে। নোবেলের আগে তাঁর কাজের জন্য ‘ম্যাকআর্থার ফেলোশিপ’ ও ‘জন বেটস ক্লার্ক মেডেল’-সহ একাধিক সম্মানজনক পুরস্কার পেয়েছেন ৪৬ বছর বয়সী এসথার। তবু পতির পুণ্যেই যে তাঁর সমস্ত পুণ্য মিলিয়ে দেওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকবে এই যৌথ পুরস্কার-প্রাপ্তিতে, সে আশঙ্কা ছিলই। এসথার এবং অভিজিৎ, দু’জনেরই কর্মস্থল, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির মুখপাত্র কিম্বার্লি অ্যালেন সাংবাদিকদের সতর্ক করেন, ‘সস্ত্রীক অভিজিৎ বলবেন না, বরং বলুন সস্বামী এসথার।’ অভিজিৎ ভারতীয় বলেই ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এমন উল্লেখ, এই যুক্তি ধোপে টেঁকে না। সে ক্ষেত্রে শিরোনামে শুধুমাত্র তাঁর নাম বা ‘দুই সহকর্মীর সঙ্গে অভিজিৎ’ লেখা যেত। সাংবাদিক লিজেল গোকার লিখেছেন, এসথারের জন্মভূমি ফ্রান্সে সমস্ত কাগজের শিরোনামে তাঁর নাম রাখা হলেও কোথাও লেখা হয়নি ‘ডুফলো ও তাঁর স্বামী নোবেল পেলেন।’ বেশির ভাগ ফরাসি কাগজ তাঁর বৈবাহিক অবস্থানের কথা উল্লেখই করেনি।

    মাসকয়েক আগে সাহিত্যিক টাবিথা কিং ও তাঁর স্বামী স্টিফেন কিং (যিনি নিজেও একজন খ্যাতনামা সাহিত্যিক) সাড়ে বারো লক্ষ মার্কিন ডলার দান করেন জিনোলজি সংক্রান্ত গবেষণায় যুক্ত বস্টনের এক সংস্থাকে। নিউ ইয়র্ক টাইমস এবং ফক্স নিউজ-সহ একাধিক সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়, ‘স্টিফেন কিং ও তাঁর স্ত্রী’-এর এই দান নিয়ে। ক্ষুব্ধ টাবিথা জনমাধ্যমে লেখেন, ‘ওয়াইফ’ একটি ‘রিলেশনশিপ স্টেটাস’ (সম্পর্ক-সংক্রান্ত অবস্থান), এটি কোনও ‘আইডেন্টিটি’ (পরিচিতি) নয়। স্টিফেন কিং-ও মনে করিয়ে দেন, ‘ওর একটা নাম আছে’। সত্তরবর্ষীয়া টাবিথা সম্পাদকদের উদ্দেশে লেখেন, ‘এর চেয়ে বরং আমাকে ‘OfStephen’, ‘His Old Lady’, বা ‘His-Ball-And-Chain’ বলে উল্লেখ করতে পারতেন।’ একই রকম অপমানের মুখে পড়েন অভিনেতা টি জে মিলারের স্ত্রী কেট মিলার, যিনি নিজেও এক জন অভিনেতা। ‘এই একমাত্রিক, বস্তাপচা এবং সেক্সিস্ট সংজ্ঞায় মহিলাদের বেঁধে ফেলার প্রবণতা বন্ধ হোক’ --- কেট লেখেন।

    অন্য দিকে, নোবেলের লিঙ্গ-রাজনীতি নিয়ে চর্চা নতুন নয়। এত দিন পর্যন্ত নোবেল পেয়েছেন সাকুল্যে বাইশ জন মহিলা। অর্থাৎ নোবেল-প্রাপকদের মাত্র তিন শতাংশ মহিলা। কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ লিজালাটা জফ্রেড এর কারণ খুঁজেছেন। গবেষণায় মহিলারা তুলনায় কম আসেন, তাই শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কারও কম জোটে তাঁদের, এই যুক্তি দেখান অনেকে। বিশেষত নোবেল পুরস্কার সাধারণত বহু বছর আগের কাজকে স্বীকৃতি দেয়। এবং এ-ও সত্যি যে আগে মহিলারা আরও সংখ্যালঘু ছিলেন গবেষণায়। কিন্তু জফ্রেড এবং তাঁর দুই সহকর্মীর গবেষণা দেখাচ্ছে যে মহিলাদের অনুপস্থিতি নয়, পুরুষদের প্রতি পক্ষপাতদুষ্টতাই এর সম্ভাব্য কারণ। তবে শেষ কুড়ি বছরে মহিলা নোবেল-প্রাপকের সংখ্যা প্রথম একশো বছরের সমান। তাঁদের মতে এটা আশার কথা হলেও আরও দ্রুত পরিবর্তন কাম্য ছিল। তবে এ’জন্য তাঁরা নোবেল কমিটিকে দোষ দিচ্ছেন না। জফ্রেড মনে করেন পিএইচডি পাওয়া থেকে টেনিওর্ড ফ্যাকাল্টি বা পাকা চাকরির অধ্যাপক হওয়ার পথটি মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেক বেশি দুর্গম। নোবেল প্রাইজের ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রায় একই কথা বলেছেন এসথার। তিনি আশাবাদী তাঁর এই পুরস্কার মহিলাদের কাজ চালিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করবে। হয়তো এই স্বীকৃতি পুরুষদেরও অনুপ্রাণিত করবে মহিলাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু দিতে। আরও একটি ব্যাপারে আশাবাদী এসথার। তাঁর মতে অর্থনীতির পেশাদারি ক্ষেত্র এখন বুঝতে শুরু করেছে যে আরও বেশি মহিলাকে পেতে গেলে কমাতে হবে আগ্রাসন। বদলাতে হবে সেমিনার কনফারেন্সে একে অপরকে আক্রমণ করার সংস্কৃতি। মহিলারা যাতে বোঝেন চিৎকার চেঁচামেচি করে অন্যদের কথা চাপা দিতে না পারাটা তেমন লজ্জাজনক ব্যাপার নয়।

    ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক অ্যালিস উ ২০১৭ সালের একটি গবেষণাপত্রে দেখান, অর্থনীতিতে চাকরির বাজারে মহিলাদের জন্য মানদণ্ডগুলি পুরুষদের তুলনায় উচ্চতর। পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে যৌথ গবেষণায় তাঁরা স্বীকৃতিও পান কম। উ তাঁর গবেষণায় বিভিন্ন অনলাইন মেসেজ বোর্ডে মহিলা অর্থনীতিবিদদের চাকরি-সংক্রান্ত দশ লক্ষ পোস্ট বিশ্লেষণ করে দেখান, যে তিনটি শব্দ বারবার উঠে আসছে সেগুলি হল ‘হট’, ‘হটার’ এবং ‘গর্জাস'’। এই গবেষণায় নড়েচড়ে বসে অ্যামেরিকান ইকনমিক অ্যাসোসিয়েশন বা এইএ। ২০১৮ সালে মহিলা অর্থনীতিবিদদের নিয়ে একটি সমীক্ষা করে এইএ। সেই সমীক্ষায় একশো জন মহিলা অর্থনীতিবিদ বলেন সহকর্মীর যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছেন তাঁরা। প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ বলেন অসম্মানিত হওয়ার ভয়ে কনফারেন্স বা সেমিনারে মুখ খোলেননি তাঁরা। মহিলাদের সম্পর্কে বিদ্বেষ পুষে রাখার সংস্কৃতি অর্থনীতিতে সুপ্রোথিত। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ পল স্যামুয়েলসন তাঁর বিভিন্ন লেখাপত্রে নানান আলটপকা নারীবিদ্বেষী মন্তব্য করতেন। এ-ও লিখেছিলেন যে তাঁর নতুন বইয়ের শক্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে পারবে না ছাত্রীরা। এ জন্য পরে প্রকাশ্যে ক্ষমাও চাইতে হয় তাঁকে। (মনে পড়ে যায়, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স বা আইআইএসসি-তে কোনও মহিলাকে প্রবেশাধিকার দিতে সি ভি রমনের আপত্তির কথা। রমনের সঙ্গে অসম যুদ্ধে জয়ী বাইশ বছরের কমলা ভাগবত, আইআইএসসি-র প্রথম মহিলা এমএসসি, অনেক বছর পরে ভারতীয় মহিলা বিজ্ঞানী সংগঠনের এক অনুষ্ঠানে আক্ষেপ করেন, ‘একজন নোবেলজয়ী যদি মহিলাদের এমন হীন চোখে দেখেন, তবে বাকি সমাজের কাছে কী আশা করতে পারি আমরা?’) জোয়ান রবিনসনের মতো ধীময়ী অর্থনীতিবিদের নোবেল পুরস্কার না পাওয়ার কারণটিও অনেকের মতে শুধুমাত্র তাঁর লিঙ্গ-পরিচিতি।

    প্রথম মহিলা নোবেলজয়ী মারি কুরি স্বামী পিয়ের কুরির মৃত্যুর পরে সম্পর্কে জড়ান বয়সে ছোট এক বিবাহিত সহকর্মীর সঙ্গে। শোনা যায় পিয়ের-এর মৃত্যুর পরে তিনি দ্বিতীয়বার নোবেল পেলে সমালোচনার ঝড় ওঠে ফরাসি সংবাদমাধ্যমে। বলা হয় অন্যের ঘর ভেঙেছেন এবং মৃত স্বামীর কৃতিত্বে ভাগ বসাচ্ছেন মারি। লা জার্নাল পত্রিকা লেখে, ‘রেডিয়ামের যে আগুন ধিকিধিকি জ্বলে, তার অপার রহস্য বুঝতে গিয়ে এই বিজ্ঞানীর হৃদয়েও জ্বলে উঠেছে সেই আগুন।’ এই সমস্ত কুৎসায় নোবেল কমিটিও চায় তিনি পুরস্কার নিতে স্টকহমে না আসুন। অত্যন্ত ভেঙে পড়েন মারি এবং স্থির করেন পুরস্কার গ্রহণ করতে যাবেন না। এই সময়ে বন্ধু আইনস্টাইন চিঠি লেখেন তাঁকে, প্রশংসা করেন তাঁর মেধা, উদ্দীপনা এবং সততার। কাগজের লেখালেখি সম্পর্কে বলেন --- ‘ও সব ছাইভস্ম পড়ো না তুমি।’ দ্বিধা কাটিয়ে দ্বিতীয় নোবেল গ্রহণ করতে যাওয়ার সাহস দেখিয়েছিলেন মারি।

    জনৈক সাংবাদিক মনে করিয়ে দেন, প্রত্যেক সফল পুরুষের পিছনেই এক জন নারীর অবদান থাকে। অভিজিতের জীবনে মায়ের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে নির্মলা অবশ্য বললেন, প্রত্যেক নোবেল-লরেটেরই এক জন মা থাকেন। এ-ও বলেন ছেলে খেয়েছে কি না, কেমন আছে, এ সব জানতে চাইলে বিরক্ত হয়। বলেন, ছেলের সঙ্গে তিনি দেশকাল, বইপত্র, লেখালেখিনিয়ে আলোচনা করেন। ব্যাপারটা ঠিক শরৎচন্দ্রীয় বঙ্গজননীর ভাবমূর্তির সঙ্গে খাপ খায় না। অন্য দিকে এসসথার নাকি অবসর সময়ে আল্পস বা কিলিমাঞ্জারোয় পর্বতারোহণ করেন। অভিজিতের শখ তুলনায় অনেক সাদামাটা, তিনি হরেক রকম রান্না করতে ভালবাসেন। প্রথম সন্তানের জন্মের তিন বছর পর বিয়ে করেন তাঁরা। এ সব কোনও কিছুই আমাদের লিঙ্গধারণার বস্তাপচা খাপগুলোয় জিগ্‌স পাজলের টুকরোর মতো মিলে যায় না। নোবেল-প্রাপকেরা যে তাঁদের চলনে বলনে ছক ভাঙবেন তাতে আর আশ্চর্যের কী! এখন প্রশ্ন সমাজ হিসেবে আমরা কবে ছকের বাইরে গিয়ে মহিলাদের দেখতে শিখব।

    লেখক ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, কলকাতায় অর্থনীতির শিক্ষক
  • Du | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০৫:৪৪422433
  • গুগলের অনুবাদ দেখে বিস্মিত!! এত এগিয়ে গ্যাছে!
  • Amit | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:৫২422432
  • যেকোনো অ্যাওয়ার্ড নমিনেশন এ তো কনফিডেনটিয়ালিটি ক্লোস থাকেই। তার মানে এনাদের রিসার্চ তো আর কনফিডেনটিয়াল নয়, নানা জার্নাল এ রেগুলার পাবলিশ হচ্ছে, সেমিনার এ লেকচার দিচ্ছেন। কিন্তু এতো আর স্পোর্টস নয়, যে সবাই একই ময়দান এ নেমে একই নিয়মে এক সাথে খেলছেন। নানা জন্যে নানা বিষয় নিয়ে রিসার্চ করছেন, তাদের মধ্যে তুলনা করা সব সময়েই একটু ভেগ হবে, অ্যাবসলিউট স্কেল কিছু নেই।

    উল্টোদিকে সব নাম আগে থেকে জানা থাকলে বরং নানা রকম ম্যানিপুলেশন বা লবিয়িং চালু হতে পারে, সেটা আরো বাজে।
  • Atoz | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:৩৩422431
  • কারণটা কী? কেন এত কনফিডেনশিয়াল?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত