এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৪১422969
  • সেকি? একজন নামকরা বাঙালী পুরুষ লরেটো গার্লসে পড়েছেন। কুইজের প্রশ্ন ছিল এইটা।
  • lcm | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৪১422970
  • ব্যানার্জি-ডুফলো র একটা কাজ আছে পড়লাম -

    Their work in rural Kenya and in India, for instance, found that providing more textbooks, school meals and teachers didn't do much to help students learn more.

    Making the schoolwork more relevant to students, working closely with the neediest students and holding teachers accountable — by putting them on short-term contracts, for example — were more effective in countries where teachers often don’t bother showing up for work. The winners’ recommended program of remedial tutoring is now benefiting 5 million Indian children.
  • S | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৩৮422968
  • ডাফলো-ব্যানার্জির পদ্ধতির কিছু ক্রিটিসিজম শুনলাম। অ্যাকাডেমিকালি ঠিকই তো মনে হল।
  • ন্যাড়া | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৩৭422967
  • এলিটিস্টের সঙ্গে ট্যাঁশ গুলিয়ে ফেলবেন না। আর ট্যাঁশের সঙ্গে খানদানির। মাইনে বেশি হলে এলিটিস্ট। অন্ততঃ সত্তর-আশির দশকে। তখনও সরকারি বা আধা-সরকারি স্কুলে বাপ-মা ছেলেমেয়েদের উৎসাহ নিয়ে পাঠাতেন। বাংলা মিডিয়াম নিয়ে ঘিনপিৎও ছিলনা। কাজেই বেশি মাইনের স্কুলে পাঠালে তাঁরা এলিটিস্ট। সাউথ পয়েন্ট, ক্যালকাটা বয়েজ/গার্লস ইত্যাদি হল এলিটিস্ট। লা মার্টস, মডার্ন হাই, লোরেটো হাউজ হল এলিটিস্ট ও ট্যাঁশ। সেন্ট জেভিয়ার্স হল এলিটিস্ট ও খানদানি। স্কুল বোধহয় সবই ভাল। কোনটাতেই আমি চান্স পেতাম না। গার্লসগুলোতে তো নয় বটেই।
  • S | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৩৬422966
  • মিড ডে মিলএ দুই সরকারই একটু বরাদ্দ বাড়ালে ভালো হয়। বাচ্চা গুলোকে একটু ভালো করে খেতে দেওয়াটা দেশের, শুধু সরকারের নয়, কর্তব্য। লোকে একটু বেশি ট্যাক্স দিক।
  • | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৩০422965
  • সাইকেল দেওয়া টা আমার খুব পছন্দের স্কিম। কিন্তু ব্যানার্জি-ডাফলো-ক্রেমার টেস্ট এফিসিয়েন্সী টেস্টকিছু হয়েছে কিনা জানা নেই। স্টকিস্ট ডিলার দের অসুবিধে হবেই, তাঁরা যেহেতু ছোটো ব্যবসায়ী তাঁদের সাহায্যের জন্য কিছু করতে পারে।

    সরকারের মিড ডে মিল স্কিম আর সাইকেল স্কিমে আমার সাপোর্ট আছে ভাই। জেনেরালি মাশ্টারমশাই দিদিমনি বন্ধু বান্ধবী রা রা এই ইসু কে কেন্দ্র করে লোকাল পোলিটিশিয়ান দের নাক গলানো তে ক্লান্ত হয়ে পড়ে আর একজিকিউশনের জন্য আলাদা স্টাফিং কেন হবে না সেটার দাবী করে, কেন হবে না তাও বুঝি না। কিন্তু তাতে চুরি বাড়বে কিনা জানি না।

    কোথাও কোথাও মিউনিসিপালিটি অ্যাপারেন্টলি, এলাকার সব স্কুলের সব মিড ডে মিল এর প্রোকিয়োরমেন্ট আর প্রিপারেশন এবং ডিস্ট্রিবিউশন সমস্তর দায়িত্ত্ব ফর্মালি নিয়েছে শুনেছি, এই মডেল টা সরকার ফর্মালাইজ করতেই পারে। খাবার বানানো আর হিসেব রাখা টা জেনেরালি অধ্যাপক দের দায়িত্ত্ব হওয়া উচিত কিনা, নট শিয়োর। আর রান্না করার লোক দের মাইনে প্রচন্ড কম ছিল, মাসে ১৫০০ টাকা মতন ছিল, এটা খুব ই বাজে। এখন এগজ্যাকটলি কত জানি না।

  • lcm | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:২৯422964
  • সাউথ পয়েন্ট এলিট ছিল। নব্বুই-এ ইকনমি খুলে যাবার পরে, অন্য স্কুল আসতে আরম্ভ করল, মালিকানা হস্তান্তরিত হল বিড়লা গ্রুপে (নাকি গোয়েংকা বোধহয়), এখন আর এই ডিপিএস-দের সঙ্গে পেরে ওঠে না।
  • S | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:২৭422963
  • সাউথ পয়েন্টও এলিট স্কুল না? তাইলে আমাদের স্কুলকে তো লোকে কি বলবে কে জানে?
  • lcm | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:২৫422962
  • অর্জুন,
    সাউথ পয়েন্ট ওয়াজ এলিট স্কুল ইন দ্য সেভেন্টিস, সতীকান্ত গুহ-র সময়। উৎপল দত্ত ইংরেজি পড়িয়েছেন এক সময়, আশুবাবু, অঞ্জনবাবুরা ছিলেন নামকরা শিক্ষক।
  • lcm | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:২৪422961
  • Finance Minister Amit Mitra, in his Budget Speech of 2015-2016, announced a scheme for distribution of bicycles to an estimated 40 lakh students studying in classes IX to XII in Government and Government Aided Schools and Madrasahs of the State. He announced that around 25 lakh students would be covered in 2015-16 and the remaining 15 lakh in the next fiscal.

    The scheme was conceived with the primary objective of enhancing student access to Secondary Education. The scheme is further expected

    - To increase retention in schools,
    - To encourage students to take up higher studies,
    - To inculcate sense of confidence among the girl students by promoting mobility,
    - To promote environment-friendly and healthy means of transportation.

    The objectives are aligned with four Sustainable Goals of agenda 2030. These are
    SDG3: Good Health & Well-being
    SDG4: Quality Education
    SDG5: Gender Equality
    SDG13: Climate actions
  • অর্জুন | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:২৩422959
  • Tribune South Point সম্পর্কে লিখেছে Abhijit Banerjee studied in Kolkata’s South Point School, where the “bhadralok” (gentlefolk) Bengalis living in the snooty Ballygunge area and its neighbourhood send their children to.

    সত্যিই তাই? আমার সময় South Point was the least snooty English medium school during my time.

    ডায়মন্ড হারবার, ক্যানিং থেকেও ছাত্র, ছাত্রী আসত। আমি নিজেও প্রাথমিক কিছু বছর দক্ষিণ ২৪ পরগণা থেকে লোকাল ট্রেনে যাতায়াত করেছি।

    জেভিয়ারস, লা মার্টিনিয়ার, সেন্ট জেমস, লোরেটো থেকে সাউথ পয়েন্ট একদম অন্যরকম ছিল। আমার এক সহপাঠিনীর বাবার ইস্তিরির দোকান চালাতেন।
  • S | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:২৩422960
  • জাদেজার বলটা ওয়াজ টু গুড টু প্লে।
  • S | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:২২422958
  • রোজগারের সীমা বেঁধে দেওয়া নেই? এইটা সমস্যার।
  • এলেবেলে | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:১৬422957
  • অম্বিকেশ পরিত্রাণ পাননি! সাইকেল দেওয়া হয় ক্লাস নাইনে রেজিস্ট্রেশন হওয়ার পরে প্রতিটি ছেলেমেয়েকে। সেখানে কোনও আমরা-ওরা নেই। রোজগারের সীমা বেঁধে দেওয়া নেই।
  • S | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:১০422956
  • শাহবাজ নাদিম টেস্ট ক্রিকেটের প্রথম উইকেট পেল। ঋদ্ধি স্টাম্প করলো।
  • S | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১১:০৫422955
  • এই সাইকেল দেওয়ার ক্রাইটেরিয়া কি ছিল?
  • | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৫৭422954
  • সাইকেল র ব্যাপার টা আমি একটু জানি, বলছি৷

    আমাদের বিদ্যামন্দিরে র
    ব্যাচমেট
    বহু বছর মালদার একটি বড় স্কুলের হেড মাস্টারমশায়। সে বললো বহু দূর দূর থেকে তার স্কুলে ছেলে মেয়ে রা পড়তে আসে। কখনো কখনো কখনো সেটা পাঁচ থেকে দশ কিমি।

    সাইকেল দেবার ফলে স্কুলে আাসা ছেলে মেয়ের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে।
  • | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৪৪422953
  • এগ্রিড, একজন প্রচার নেকু ন‍্যশনলিস্ট গোছের হলে ই তাকে বাড়ি থেকে ওয়ারানট ছাড়া তুলে নিয়ে গিয়ে ক‍্যালানো যায় না। তাও তুলছে আবার পুলিশ না পাতি গুন্ডডা রা, ঠিক মত লিগাল ফাইট হলে রাজ‍্য সরকার প্রচুর এমবারাসড হবে।
  • S | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৩৯422952
  • খ দা, সন্ময় ইস্যুটা বোধয় রাজ্যের ল অ্যান্ড অর্ডার সিচুয়েশান, পুলিশের গুন্ডামি, রাজ্যসরকারের অটোক্র্যাসি এইসব ব্যাপারেই লোকে আলোচনা করছে।
  • r2h | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৩৮422951
  • আতোজের নতুন পার্টির পোস্ট পড়ে মনে হলো, আআপের শুরুটা অনেকটা এই রকম, যারা গেছিলো বা সমর্থন করেছিলো শুরুতে তারাও কিছুটা এইরকম একটা ভাবনা থেকে করেছিলো।

    স্কুল হাসপাতাল ইকো ফ্রেন্ডলি এইসব অবশ্য দিল্লিতে আআপ করছে অনেক ভালো কাজ, যেমন শুনি/ পড়ি।
  • PT | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৩৬422949
  • হাতে খপরদার টাকা দিয়েন না। সস্তার জিন্স কিনবে, মোবাইল কিনবে, ভটভট শব্দ করা দুচাকা কিনবে আর দেশী দারুর দোকানে ভিড় বাড়বে।

    সরকারি সাইকেলের জন্যে নাকি সাইকেল ব্যব্সায়ীরা হেব্বি লস করছে। এতে নাকি সরকারের আয়েও ক্ষতি হচ্ছে। তাহলে সেটা কি স্টিমুলাস হল?
    "Cycle traders cry foul over govt scheme"
    http://timesofindia.indiatimes.com/articleshow/50261033.cms?utm_source=contentofinterest&utm_medium=text&utm_campaign=cppst
  • মানিক | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১০:৩৬422950


  • সন্ময়বাবুর ইস্যুটা ঠিক ওনার প্রচার ব্যক্তিগত ভাবে পছন্দ অপছন্দ করা নিয়ে নয়।
  • | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ১০:২৩422948




  • এন আর সি এবং সিপিএম নিয়ে দুটো বক্তব্য ছিল।আমার সাধারণ ভাবে ধারণা হল, এন আর সি এবং ৩৭০ উইথড্র করা এই বিষয়ে সিপিএম তার সীমিত ক্ষমতায় অনেক বিরোধী হিসেবে প্রচুর মোবিলাইজেশন করছে।

    ভারতীয় বামপন্থী রা শুধু নন, মেনসস্ট্রীমের অন্যরাও আজকাল এমন অনেক কেন্দ্রীয় বিষয় নিয়েই প্রশ্ন করেন যেটা আগে কল্পনা করা যেত না। এন আর সি নিয়ে আসামের বাইরে যে আলোচনা হচ্ছে, আগের অনেক বঙালি খেদাও এর সময় হয় নি।

    জেনেরালি 'রাজ্য' - সেন্ট্রিক বক্তব্য, বা প্রসিডিওরাল বিষয়ে ঘ্যান ঘ্যান, যেটা সিপিএম এর কো অর্ডিনেশন কমিটি বা শিক্ষক সংগঠন দের মেন প্ল্যাংক তৃণমূল সরকার সম্পর্কে, তাতে পেশা গত কিছু বিষয় থাকলেও আমার বোর লাগে, ফ্র্যাংকলি ঐ জন্যেই সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় এর প্রচার ও বোর লাগে।
    গণশক্তির রিপোর্টাজ দেখে আমার মনে হয়েছে, এবং সভা গুলোর সাইজের ছবি ইত্যাদি দেখে মনে হয়েছে, যে সিপিএম এর ইনফ্লুয়েন্স কম হলেও, সিপিএম যে এন আর সির বিরুদ্ধে এবং ত্রিপুরা এবং বাংলায় তাদের পক্ষে যে এন আর সি কে সমর্থন করা সম্ভব না, এটা তারা মানুষ কে বোঝাতে পেরেছে। তাতে সমর্থন বাড়বে না, কিন্তু অবস্থান পরিষ্কার করার কাজ একটা হয়েছে। আর নর্থ বেঙ্গল সম্পর্কে স্পেসিফিক অভিজ্ঞতা হল, অনেকের খুব খারাপ অভিজ্ঞতা আসাম সরকারের পাঠানো কোয়ারির জবাব বাংলা থেকে যায় নি। ফলে মানুষের বিপদ বেড়েছে, এবং তারা তিতি বিরক্ত রাজ্য সরকারের কর্মচারী দের ঢিলে ঢালা ভাবে।
    ইভিপি ইত্যাদি সহায়তা টি এম সি, সি পি এম কেউ ই ব্যাপক ভাবে করছে না। ভোট বুথ গোছের করে প্রতি বাজারে বসছে না, বা একদিন বসলো তো আরেকদিন বসল না এরকম চলছে। যারা সিপিএম এর সমর্থক তারা গুরুচন্ডালি তে বাজে রেটোরিকের তর্কে না জড়িয়ে একটা টই খুলে গণশক্তি বা অন্য মেটেরিয়াল এভিডেন্স যা সিপিএম এর অবস্থান সমপর্কে পাওয়া যাছে তার ডকুমেন্টেশন করতে পারেন, তাতে অবশ্য গুরুচন্ডালি কে গুরুত্ত্ব দেওয়া হবে, খামোখা একটা পার্টি একটা ওয়েব সাইট বা প্রকাশক এর পাঠক দের ভ্যালিদেশন এর জন্য পরিশ্রম করবে কেন এটা মনে হতে পারে অবশ্য ঃ-) সেক্ষেত্রে বোগাস ঝগড়ার এনার্জি টা ডাইভার্টেড হবে নাঃ-)))

    মমতা কে সবাই খুব গভীর ভাবে বিশ্বাস করছেন, যে ইনি আমাদের এন আর সি থেকে বাঁচাবেন এটা কতটা বাস্তব চিত্র, মমতার লম্বা টিভি অ্যাড সত্ত্বেও আমার সন্দেহ আছে, নইলে কাগজ পত্রের জন্য ফ্র্যানটিক এই দৌড় দৌড়ি যে রোজ শুনছি দেখছি সেটা হত না।

    ২০২১ বাংলায় একটাও ক`গ্রেস, সিপিএম, সিপিআই এম এল এ থাকবে কিনা সেটা সময় বলবে, কিন্তু তাতে এন আর সি ইম্প্লিমেন্টেশন কে ব্যাহত করার কাজের খুব সুবিধে হওয়া কঠিন।
  • | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:৫৭422947
  • অভিজিত এবং এস্থার দের ফাউন্ডেশন, তৃণমূল সরকারের আমলে, বীরভূমে কোয়াক দের কে অল্প ট্রেন করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া যায় কিনা এই ব্যাপারে কিছু টেস্ট চালিয়েছিলেন। অভিজিত সম্ভবত সিউড়ি তে এসেওছিলেন কয়েকবার। আর আমার মাইরি এস্থার কে কিরকম শান্তিনিকেতনে দেখেছি মনে হচ্ছে, খুব অস্বাভাবিক কিছু না, প্রতীচী ট্রাস্টের কাজে অনেকেই আসেন, অন্য কারণেই আসেন।
    অবশ্য আমি ভুল হতে পারি, হয়তো ওরকম বিদেশী কাউকে ট্রেন বা রাস্তায় দেখেছি। বিদেশী লোকেদের চেহারা সব সময় মনে থাকে না।

    অভিজিত চৌধুরী বলে একজন আমাদের ওদিক কার নাম করা ডাক্তার বাবুর সঙ্গে। উনি লিভার ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা, জেনেরালি বীরভূমে বড় নাম, সিপিএম এর লেজেন্ডারি নেতা অরুন চৌধুরীর পুত্র। উনি কয়েক বছর ধরে তৃণমূলের রাজ্য সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে কাজ করছেন, পোলিটিকাল প্রোগ্রামে কোথাও থেকেছেন বলে শুনি নি, কিন্তু পেশার জগতে সুসম্পর্ক আছে। এই ডাকতার বাবু অনেকের কাছে খুব শ্রদ্ধেয়। আমরা দুঃখ পেয়েছিলাম, উনি তৃণমূলের সংগে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখায়, কিন্তু সেটা ওঁদের কাজের জগতে সম্ভবত সরকারের সঙ্গে সু সম্পর্ক না রাখলেই নয়, সেটা ওভারল সমস্যা, ব্যক্তিগত সমস্যা নয় বলেই মনে হয়, পেশার সীমাবদ্ধতা। অর্থনীতির মতই।

    এটা ছাড়া আর কয়েকটা এফিসিয়েন্সি টেস্ট বোধ হয় চালিয়েছিলেন কন্যাশ্রী প্রকল্পের ব্যাপারে।

    আসলে বিষয় টা হল বইটা বিখ্যাত হবার সঙ্গে সঙ্গে এখানে অনেকে ওঁর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তার বহুদিন আগে থেকে ওঁরা গুজরাট রাজস্থান দিল্লী তে কাজ করেছেন। ৮০ টা দেশে কাজ রে বাবা, সব দেশে সব লোকেল্লে কি আর খুব গণতান্ত্রিক সেট আপ আসে নাকি।

  • মানিক | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:৩৮422946
  • পিসী যদি সুপরামর্শ নেন তো আমাদের খুশী হবার কথা। কিন্তু কে কোন পরামর্শ দিলেন, আর তার কতটা নেওয়া হল, সেরকম স্বচ্ছতা পিসীর রাজ্যে আশা করি না।
  • lcm | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:৩৪422945
  • করন থাপার-এর ইন্টারভিউতে অভিজিত বললেন যে মমতা ব্যানার্জির সঙ্গেও কাজ করেছেন, কোন প্রজেক্ট সেসব বলেন নি অবশ্য।
  • S | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:৩৩422944
  • সরকার যেখানেই খরচা করুক না, সেটাই স্টিমুলাস। কিন্তু সেটার বেনিফিসিয়ারি কে সেটা দেখতে হবে। কারন বেনিফিট সবসময় ট্রিকল ডাউন নাও করতে পারে। এবং সেটা হতে সময়ও লাগে প্রচুর।

    সাইকেল দেওয়ার ফলে যদি ইস্কুলে অ্যাটেন্ডেন্স বাড়ে, তাহলে সেই স্টিমুলাসের বেনিফিসারি যিনি সাইকেল পাচ্ছেন তিনি নন। অন্তত অর্থনীতির দিক থেকে। কারণ অ্যাসেট হয়তো বাড়লো, কিন্তু ইনকাম বাড়লো না। এখন কেউ যদি সেই সাইকেলকে ব্যবহার করে আয় বাড়ান, তাহলে সেটা এনেবলার বলা যেতে পারে।

    তাছাড়া সাইকেলটা মনে হয় স্কুলে পড়া মেয়েদের দেওয়া হয়েছিল। সেক্ষেত্রে একটা ভালো দিক আছে, আবার একটা সমস্যাও আছে।
  • মানিক | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:৩১422943
  • এনাবলিং স্টিমুলাস সব সময়েই একটু ইফি। যদি সাইকেলের আগে পায়ে হেঁটে যেত, এখন সাইকেলে যায়, তাহলে নেট স্টিমুলাস শূন্য। আগে মাসে তিনদিন যেত, এখন রোজ যায়, তাহলে এনাবলিং স্টিমুলাস। আগে মাসে দশদিন হেঁটে যেত, দশদিন ভ্যানে, তাহলে নেগেটিভ স্টিমুলাস। ভ্যানের রোজগার মারা গেল।

    সেই জন্যই ডাটা বেসড পলিসি দরকার। মাননীয়া একটু অ্যাডহক পলিসি ডিসিশন নেন। প্রচারের বাজনা বাদ্যিতে শুনতে বেশ লাগে। কিন্তু এফিসিয়েন্সি সন্দেহজনক।
  • S | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:২৬422942
  • কেইনজ যেটা বলেছিলেন তা হলো ফ্রি মার্কেটকে একদম ফ্রি করে দিলে সেটা টিঁকবে না। ফলে নিয়মিত সরকারের হস্তক্ষেপ দরকার। নইলে ফ্রি মার্কেট প্রচুর ইয়ো ইয়ো করবে। মানে কখনও খুব গ্রোথ দেখাবে, আবার কখনও ডীপ রিসেশান, ডিপ্রেশানে চলে যাবে। যখন রিসেশনে যাবে তখন সরকারকে স্টিমুলাস দিয়ে চটজলদি গ্রোথ বাড়াতে হবে। আবার যখন খুব গ্রোথ দেখাবে তখন ট্যাক্স বাড়িয়ে (এবং অন্যান্য উপায়ে) গ্রোথ কন্ট্রোল করতে হবে। এর ফলে ইকনমি সাস্টেইন্ড গ্রোথ দেখাবে, যেটা দেশ ও দশের জন্য দরকার। এর মুল কারণ হলো মার্কেট নিজে অত তাড়াতাড়ি রেসপন্ড করেনা, যতটা আগে ভাবা হত এবং মডেলে যেটা ইনবিল্ট করা রয়েছে।
  • lcm | ২১ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:২২422941
  • সাইকেলটা বোধহয় ডেইলি কমিউট এ হেল্প করার জন্য - যাদের সাইকেল কেনার জন্য ইমিডিয়েট ক্যাশ নেই, তারা যাতে সাইকেল চালিয়ে কর্মক্ষেত্রে, স্কুল/কলেজে যেতে পারে। টাকা দিলে তারা সেই টাকা দিয়ে অন্য কিছু করবে। এনেবলিং স্টিমুলাস।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত