এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৩১423270
  • পিছন থেকে ঢিল, গুলতি মারা - এসব মানুষের ইনসটিন্ক্ট। রামচন্দরও করেছিলেন।
  • একক | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৩১423271
  • না, ওই "ছকের বাইরে " ছক বানিয়ে অন্যের ছাওয়াল পাওয়াল দের গিনিপিগ করা, ওতে আমার ও সায় নেই। ঐকারণেই ঐসব সংক্রান্ত আলোচনায় ভিড়ি না। কিন্তু, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে, টু সাম এক্সটেন্ট "চাকরি পাওয়ার " রেডিমেড চক্কর থেকে বের করার ও প্রয়োজন আছে। পুরোনো কায়দায় ফিলোসফি -লজিক -এস্থেটিক্স পড়ানোর দরকার আছে, সেটা আমরা বর্তমান যুগের রাজনীতি ও উচ্চশিক্ষিত গাম্বাটদের দেখলেই টের পাই।

    প্রাতিষ্ঠানিকতার প্রজেক্ট এর খারাপ দিক গুলো কারেকশন করা জরুরি। এভোলিউশন জরুরি। দাও ফিরে সে অরণ্য মার্কা আঁতলামো জরুরি নয়। এই সময়ে এক্সট্রিমিস্ট হওয়া খুব সহজ। মাঝখান দিয়ে হাঁটাই ব্যালান্সের খেলা এবং কঠিন।
  • অর্জুন | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৯423267
  • না ভুল, ওটাকে 'অ্যানিমাল ইন্সটিংক্ট' বলে না। 'অ্যানিমাল ইন্সটিংক্ট' হল ক্ষুধার সময় সামনে কাউকে পেলে তাকে হত্যা করে খাওয়া।

    পিছন থেকে ঢিল, গুলতি মারা মানে কাপুরুষ ও পরশ্রীকাতরতা। ''অ্যানিমাল'দের সেটা মানুষদের থেকে একটু কম থাকে। ওরা অনেক বেশী স্পট-অন।
  • Atoz | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৯423268
  • হ্যাঁ, মাণিক বন্দ্যো বিনা চিকিৎসায় মারা গেলেন-এরকম উদাহরণও আছে। তাঁর স্ত্রী বললেন পয়সার অভাবে তিনি বন্ধুজনদের কাছে স্বামীর মৃত্যুসংবাদ পর্যন্ত দিতে পারলেন না সময়মতন, কারণ "তাতে যে চারটে পয়সা লাগে ভাই"। ভাবুন, মাণিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতন লেখক!
  • S | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৮423266
  • চাকরি না করে ১৩০ কোটি লোক সকলে বই লিখবে? তা এত বই পড়বে কে? ইস্কুল কলেজ তো সবই তুলে দিলাম।
  • S | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৭423265
  • এইসব সাহিত্যিকের বই যে প্রেস থেকে ছাপা হয়, সেই প্রেসের সকলেই চাকরি করেন।
  • টেক্কা | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৫423263
  • রিসোর্স তো প্রাথমিক আছে, ছাড়াও রেকগনিশন ইত্যাদির চাহিদাও আছে। মনস্তত্ত্বে ওসব পড়ায় দেখেছি, জানকার লোকজন বলতে পারবে।
  • অর্জুন | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৫423264
  • চাকরীর করতেই হবে। এই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে ভুগতে তো আর কিছুই করা হবেনা! ঐ দোহাই তো সবসময়ে আছে।

    বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র তো পাকা চাকরী ছেড়ে সাহিত্যচর্চা করে গেলেন। সমরেশ বসুও।

    এখনকার অরুন্ধতী রায়, আতিশ তাসির, রানা দাশগুপ্ত এরকম ইংরেজিতে লেখালেখি করা অনেকেই চাকরী করেননা। লেখালেখি একমাত্র ভরসা। বাংলাতেও অনেকেই আছে।

    ব্যাপারটা পুরোটাই নির্ভর করে মানসিকতার ওপর।
  • Atoz | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৪423260
  • গড় নিলে দেখা যাবে এই গুড ওল্ড সাধারণ ছকবাঁধা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে মানুষের। কারণ মাঝে মাঝেই শুনি লাদাখে না কোথায় "অসাধারন" স্কুল আছে, আমীর খান সেখান থেকে এক চরিত্র নিয়ে সিনেমা বানিয়েছেন। আমার প্রশ্ন হল তাহলে "আমীর খান" রা তেনাদের ছেলেপিলেদের সেখানে পাঠান না কেন? সেইবেলা দেখি বারোলাখি কোচিং মেরে আইআইটির দিএক ঠেলা!
    ব্যতিক্রম দিয়ে খুব বেশি কিছু প্রমাণ করা যায় না। ওগুলো যদি কাজের হত, ওরকম হাজার হাজার ব্যতিক্রমী স্কুল গজাতো।
  • সামনাসামনি ভয় | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৪423261
  • এটা বোধয় বেসিক অ্যানিমাল ইন্সটিংক্ট, এ তো শিল্পীজগত, অ্যাকাডেমিয়া - সব জায়্গাতেই
  • S | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২৪423262
  • আর আম্রিগায় লোকে হোম স্কুলিং অনেক কারণেই করে। তার কিছু কারণ হল স্কুলগুলোতে সরকার আনুগত্য শেখায়, ইস্কুলগুলো সব অ্যান্টি ক্রিশ্চান, ইস্কুলে গেলেই সবাই বামপন্থী হয়ে যাবে এবং এইযে এতদিন ধরে বাড়িতে ঢপ শেখানো হয়েছে সেগুলো আর মানতে চাইবেনা।
  • S | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:২০423259
  • টেক্কা মারাট হল লিমিটেড রিসোর্সের (চাকরী) জন্য। আপনি বলে দিন যে ফার্স্ট বয় আর থার্ড ডিভিশন পাওয়া ছেলে দুজনেই সমান মাইনে পাবে, দেখি কে কাকে টেক্কা দেয়। মোটামুটি দেখা গেছে যে রেজাল্টের সঙ্গে মাইনেপত্তরের ভালো কোরিলেশান আছে।
  • অর্জুন | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৯423258
  • না না, টেক্কা মারতে যাওয়াটা হল, এ এত কিছু বলে গেল, আর আমি বলব না! সামনাসামনি হতে ভয় লাগছে। পিছন থেকে গুলতি মারব।
  • ইস্কুল | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৮423256
  • হোমস্কুল মানে প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যা না নয়, কন্টেন্ট একই।

    প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যা নেই মানে হলো লালন ফকির ইত্যাদি। রবি বাবু নয়।
  • S | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৮423257
  • সেইজন্যই আমাদের এবং আশে পাশের একগাদা বাড়িতে একটি মেয়ে হাত পুড়িয়ে সারা দিন-রাত এক করে রান্না করছে যাতে ছেলে-মেয়ে দুটোকে ভালো শিক্ষা দিতে পারে। একদম গুড ওল্ড প্রতিস্ঠানিক শিক্ষা।

    এইযে অর্জুনবাবু লিখলেন যে "ইস্কুলে ছকবাঁধা সিলেবাসের বাইরেও পড়াশোনার জগত আছে।" সঠিক কথা। কিন্তু এটা তিনিই বলতে পারেন যাঁর কাছে গুচ্ছের প্রতিস্ঠানিক শিক্ষা আছে।
  • অর্জুন | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৭423253
  • স্কুল চৌহদ্দির বাইরে পড়াশোনা নিয়ে মার্কোয়েজের একটা দারুন লেখা পড়েছিলাম আর জোসে সারামাগোর (১৯৯৮ এ নোবেল সাহিত্য প্রাপক) নোবেল স্পিচে সেটার উল্লেখ আছে।

    ইউ আর অনন্তমূর্তি ও তাঁর অনেক বক্তৃতায় বলতেন।
  • Atoz | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৭423254
  • সেটাই। এই প্রথাগত শিক্ষার বাইরে অবস্থান করে সবকিছু অ্যাফোর্ড করার মতন অবস্থা খুব কম লোকের আছে। কোনো চাকরি নাও যদি কেউ করে, জাস্ট একজন নাগরিক হয়ে থাকার জন্যও প্রথাগত শিক্ষার দরকার থাকছে। নাগরিক অধিকারগুলো পাবার জন্য, ব্যাঙ্কের সার্ভিস পাবার জন্য, পাশপোর্ট ইত্যাদি পাবার জন্য, কোনো ঝামেলায় পড়লে আইনি সাহায্য পাবার জন্য ---
  • Tekkaa | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৭423255
  • সীমিত রিসোর্স নিয়ে মার্দাঙ্গা হলেই টেক্কা মারা গুরুত্বপূর্ন হয়ে ওঠে
  • একক | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৬423252
  • হোম স্কুলিং এ আমার কোনো অসুবিধে নেই ; অসুবিধে ওই ইনফারেন্স এ যে, হোম স্কুলিং মানে "প্রাতিষ্ঠানিক " নয়। ওটা আই ওয়াশ। ছাপাখানা আবিষ্কারের পরবর্তী যুগে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাই কন্টেন্ট ও ম্যাটার কেন্দ্রিক এবং প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রিত। হোম স্কুলিং তার বাইরে কিছু না। এবার আলাদা করে হোম স্কুলিং এর অনেক পজিটিভ দিক আছে, সে নিয়ে সংশয় নেই।

    দ্বিতীয়ত : "হোম স্কুলিং এবং সেলফ টিচিংয়ে মানুষ সবচেয়ে বেশী শেখে।"

    এটা কোদ্দিয়ে জানা গেলো ? কয়েকজন ব্যতিক্রমী মানুষ কী করেছেন ও দিয়ে কিছু প্রমান হয়না, বরং ওই ফার্স্ট বয় কে দেখিয়ে স্ট্যান্ডার্ড ইভ্যালুয়েশনের প্যারামিটার সেট করা ঐটাকেই প্রাতিষ্ঠানিকতা বলে। অতি কাম্য নয়। এরকম কোনো বড় স্যাম্পল স্টাডি আছে কি যেখানে দেখা যাচ্ছে হোম স্কুলিং এর লোকজন এর আউটপুট বাকিদের চে বেটার হচ্ছে ? থাকতে পারে। আমি জানিনা। আমেরিকা -ইউরোপ -জাপান তিনটে জায়গাতেই এখনো একটা লেভেল অবধি হোম স্কুলিং এর চল আছে বড়লোকদের মধ্যে। ওরা নিশ্চয় স্টাডি করেছে।
  • tekkaa | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৫423251
  • টেক্কা মারতে চাইবার কারন তো অর্থনৈতিক, আমার তাই মনে হয়
  • অর্জুন | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১৩423250
  • ইস্কুলে যেতে কাউকে বারণ করা হচ্ছেনা। ইস্কুলে ছকবাঁধা সিলেবাসের বাইরেও পড়াশোনার জগত আছে।

    আর পড়াশোনা মানেই হল সব সময়ই একে, ওকে টেক্কা মেরে কিছু করে দেখাতেই হবে এমন মাথার দিব্যি নেই আর সেটা শিক্ষার অঙ্গ নয়।
  • S | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১১423249
  • উফ। এখানে এত স্ট্যাট-ম্যাথের লোক। অথচ এক্সেপশন থেকে কনক্লুশান ডিরাইভ করেন। আচ্ছা কারোর যদি ইস্কুল-কলেজে আপত্তি থাকে, সম্পক্ক না রাখলেই হয়। কেউ তো যেতে বলেনি।

    আম্রিগায়ও দেখি। আমার বাবাও কলেজ যায়নি, আমিও যাইনি। আমরা তো কাঠ বেচে, র‌্যান্চ চালিয়ে, প্রাইমারি সেক্টরে কাজ করে, বা মাইনিং করে, বা কনস্ট্রাকশান করে দিব্বি জীবন চালিয়ে দিলাম এবং পয়সাও করলাম। অতেব ছেলেকেও পাঠাবোনা। এর পর যখন কম্পিউটারের কাজ আসে, আর তার জন্য ইন্ডিয়া-চীন থেকে লোকজন নিয়ে আসতে হয় সেইসব ওয়েল পেয়িং জবের জন্য, তখন তাদের মুখ ভাড়। আর হাবিজাবি যুক্তি আসে।
  • Atoz | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:১০423248
  • "স্বামীর কোলে দিয়ে ছেলে/ মরণ যেন হয় গঙ্গাজলে", এইসব চমৎকার সব মন্ত্র শিখতে হত ব্রতে ট্রতে। কার্যক্ষেত্রেও হয়ত পরপর পাঁচ ছটা মেয়ে হবার(সেগুলোকে হবামাত্রই হয়তো দুধে মুখ ডুবিয়ে বাবলাতলায় পুঁতে এসেছে, "হে ইলা স্বর্গে যাও, তোমার ভ্রাতাগণকে প্রেরণ করো" বলে ) পর একটা ছেলে হল, মা'টি তারপরে নিশ্চিন্তে স্বামীর কোলে ছেলে দিয়ে মারা গেলেন। কী পুন্যবতী কী পুণ্যবতী!!!!, গাঁয়ে গাঁয়ে রব উঠল।
    (আহা, এসব কি সহজ কথা গো! )
  • mushkil | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:০৮423247
  • মুশকিল্টা হল শিক্ষা ও জব এর পুরো ওয়েবটা বিশ্বজুড়ে একইরকম। নলেজ যত বাড়বে, জগত তত কমপ্লেক্স হবে এবং শিক্ষার তত বেশি দরকার হবে পেটের ভাতের জন্য। রবিগুরু স্কুলে না পড়ে নোবেল পেয়েছেন - এসব ঢপের যুক্তি তখন চালান যাবে বলে মনে হয় না!
    পাঠশালা মোক্তবে আমারা হয়ত খুব খারাপ নাও থাকতে পারি কারন জগতজুড়ে নলেজের অত চাষ তখন হচ্ছিল না! তবে সেই ইন্ফ্রাস্ট্রাকচার/ফ্রেমওয়ার্ক আজকেও চলবে - এ দুরাশা।
    আর বেশি নলেজ হলে তোতাকাহিনী হবে সে গতকাল ও সত্য আগামিকালও সত্য। ওর মধ্যে যারা নলেজের মূলগুলো গুবলে যাবেন না, তেনারা আগেও রবিঠাকুর হয়েছেন, পড়েও ব্যপার বুঝে নেবেন!
  • একক | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:০৭423246
  • এগুলো নিয়ে আগেও লিখেছি। রিপিট করবোনা। অনুকূল -মনু এরা বাল। কিন্তু এরা যা করতে চাইতো, সেই ইউজেনিক্স আজ ও চলছে, ভবিষ্যতেও রমরম করে চলবে। ডিজাইনার বেবিতে দোষ নাই কিন্তু মনু দুষ্টু লোক, এটা আমাদের সেফ অবস্থান বেছে নেওয়া ছাড়া কিছু নয়।
  • অর্জুন | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:০৬423245
  • @একক'র ডতেঃ২৪ ্ত ২০১৯ -- ১২ঃ৪৫ আ র মন্তব্যে কি বোঝাতে চাইলেন?

    হোম স্কুলিং এবং সেলফ টিচিংয়ে মানুষ সবচেয়ে বেশী শেখে।

    পিয়ের কুরী ও মারি স্ক্লদভস্কি দুজনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার আগে বাড়িতেই পড়াশোনা করেছেন।
  • S | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:০৫423244
  • শুনুন সায়েন্স টায়েন্স ঠিকভাবে পড়তে গেলে ইস্কুল লাগে। তাছাড়া ইস্কুল টিস্কুল চিরকালই ছিল, রকমভেদ হয়েছে। নালন্দা, তক্ষশীলা তো অনেকদিনের ব্যাপার। আর মহাপুরুষরা না পড়েও মহাপুরুষ হয়েছিলেন, তার মানে এই নয় যে সকলেই না পড়াশুনা করে দ্বিগ্গজ হয়ে উঠবে।

    বড় প্রতিষ্ঠান মানে কি? সাইজে বড়, নাকি ছাত্র-শিক্ষকদের মেধায় বড়?
  • Atoz | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:০৩423243
  • তারপরে ধরুন এই অনুকূলচন্দ্র কথিত প্রতিলোম অনুলোম। এইসব তখন সিরিয়াস ব্যাপার ছিল। প্রতিলোম হয়ে গেল, ব্যস, হয়ে গেল। দুটোকেই কেটে গাঙের জলে দিল, খেল খতম। (না না দেখুন, এসব বিশুদ্ধ ডিএনে র ব্যাপার, ইয়ার্কি না! )
  • একক | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:০২423242
  • এভাবে তুলনা করলে, টপ স্কুল থেকে ম্যানেজমেন্ট করে যাঁরা দোহাত্তা পণ নিচ্ছেন বা পুড়িয়ে মারছেন তাঁদের শিক্ষার সঙ্গে ব্যক্তিগত কাজকর্মগুলো জুড়ে দেখতে হয় :)
  • অর্জুন | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ০১:০১423241
  • @পিটি'র সঙ্গে আজ সরাসরি অনেকগুলো মন্তব্য আদান প্রদান হল। কিন্তু বলতে বাধ্য হলাম আপনি শেষমেশ যুক্তি ও বিশ্লেষণ নয়, একটু কায়দা করে সেই ব্যক্তি আক্রমণের ওপরেই নির্ভরশীল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত