এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২২:২০423390
  • এলেবেলে আগে বলুন মৌলানা আজাদ আর সুরেন্দ্রনাথ অথবা বঙ্গবাসী অথবা সিটি কলেজ - কিভাবে লোকজন স্থির করে?মানে বেশি নম্বর পাওয়া স্টুডেন্টরা কিভাবে তাঁদের কলেজ নির্বাচন করে, আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কোর্স এর জন্য?
    যদুপুর যদি পোস্ট গ্র্াজুয়েট স্টুডেন্ট দের জন্য বেটার ইনফ্রা ও টিচার প্রোভাইড করে,তো প্রেসি ছেড়ে জনতা যদুপুরে শিফট করতেই পারে।এতে আশ্চর্য্যের কি আছে?সারা ভারতে রাজ্য ভিত্তিক র্যাংকিং এ যখন যদু পুর ২নম্বরে আছে।
    https://collegedunia.com/science/west-bengal-colleges
  • | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২২:০৭423389
  • আমি জীবনে একবারেই বিয়ার পানের চেষ্টা করেছিলাম। খুব বাজে লেগেছিল। তার পরে আর কোন দিন সেটা পান করি নি।
  • b | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২১:৩৬423388
  • খ দেখলাম ভূতানে গেছিলেন। ভূটান গ্লোরি নামের ক্র্যাফ্ট বিয়ারটা চেখে দেখলে হতাশ হতেন না।
  • এলেবেলে | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২১:০৫423387
  • প্রেসিডেন্সি কৌলীন্য ধরে রেখেছে? তাই সেখানকার ছেলেমেয়েরা মাস্টার্স করতে যদুপুরে ভর্তি হয়? কৌলীন্য মাপার বাটখারা কোথায় বিক্কিরি হয়? আমার কয়েকটা লাগবে।
  • PT | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২০:৩৯423386
  • কৌলিন্য মাপার পদ্ধতিটি কি?
  • | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২০:২০423385
  • সেন্ট জেভিয়ার্স ইউনিভার্সিটির তকমা পেয়েছে কিন্তু এখনো ইনডিপেডেন্টলি
    পিএইচডি আওয়ার্ড করতে পারে না। ক বি র কো- গাইড লাগে
  • sm | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২০:০৫423384
  • ঠিক ই তো। হুগলী মহসীন কলেজ ও কলকাতার মৌলানা আজাদ একদা প্রেসিডেন্সি কলেজ এর সঙ্গে তুলনায় আসতো।কিন্তু কলকাতার কলেজ হওয়া সত্বেও মৌলোনা তার কৌলীন্য ধরে রাখতে পারে নি।
    অন্য দিকে সেন্ট জেভিয়ার্স ও লেডি ব্রেবন তার মান ও কৌলীন্য দুটোই বজায় রাখতে পেরেছে।
    মহসীন কলেজ তার মান ধরে রাখতে পারে নি।বাঁকুড়া ক্রিশ্চান কলেজ ও তাই।
    এমনি হাজার উদাহরণ দেওয়া যায়।সেন্টার অফ এক্সেলেন্স হওয়া তো দূরের কথা,আরো দূরে সরে গেছে।
    দুই,আমাদের আমলে ও দেখেছি যদুপুরে বা অন্য ভালো কলেজে রিজার্ভ ছাত্র দের সঙ্গে জেনেরাল ক্যাটাগরির স্টুডেন্ট বিশেষত যাঁরা গ্রাম থেকে এসেছে ও গরীব, তাদের বিশেষ কোন তফাৎ নেই।
    জে এন ইউ তে ওই ক্লাস, কাস্ট ও ইকনমিক ব্যাকগ্রাউন্ড এর তফাৎ টা হয়তো অনেক বেশী।সেটাই অভিজিৎ বাবু পয়েন্ট আউট করেছেন।
  • aka | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২০:০০423383
  • এই হল আজকের মতন দুই পয়সা।
  • aka | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:৫৯423382
  • অর্থনীতি নিয়ে অভিজিত নিজেকেই নিজে কন্ট্রাডিক্ট করেছেন। যদি যেকোন ইকনমিকে ঠিক করার একমাত্র উপায় "প্রে, প্রে অ্যাণ্ড প্রে মোর" তাহলে এই অর্থনীতি বিষয়টাই তুলে দেওয়া হোক। লেট দা মার্কেট ডিসাইড। তাহলে সেই উনিই কেন প্রেসক্রাইব করছেন ডিমাণ্ড স্টিমুলাস স্টিমুলেশন ভারতীয় অর্থনীতির ক্ষেত্রে কাজ করবে? এটা কি ওনার বিশ্বাস? তাহলে অন্য কারুর বিশ্বাস হতেই পারে কর্পোরেট ছাড় দিয়ে ইনভেস্টমেন্ট বাড়াও উন্নয়ন চুঁইয়ে পড়বে।

    কোনটা ঠিক বা ভুল সে অন্যকথা, কথা হল উনি নিজেই কন্ট্রাডিক্ট করছেন যে পলিসি কাজ করবে কিনা জানা নেই তাও প্রেসক্রিপশন আছে।

    আবার বললেন যে ভারতীয় অর্থনীতি সেই জায়গায় নেই যে ডায়ার স্টেপ নিতে হবে, তারপরেই বললেন সিচুয়েশন ইজ নট দ্যাট গুড, কনসাম্পশন ইন্ডেক্স ইজ লোয়েস্ট ইন মেনি মেনি মেনি মেনি মেনি ইয়ার্স। তার মানে সিচুয়েশন ইজ ব্যাড এনাফ অ্যাণ্ড নিড ড্রাস্টিক্ট স্টেপ।

    এখন উনি নোবেল লরিয়েট ওনার কথা লাখে লাখে লোকে শুনছে। মনে হয় আর একটু ভেবেচিন্তে উত্তর দেওয়া উচিত।
  • aka | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:৪৫423381
  • এখন প্রেসি মানেই এলিট এই কথাটার মানে কি? এলিট ও প্রিভিলেজডের মানের বিভেদ আছে। যারা প্রেসিতে আসত তারা সবাই কি প্রিভিলেজড ছিল? হ্যাঁ বেসিক পড়াশুনোর পরিবেশ পেয়েছে, আর্থিক অবস্থাও পড়াশুনো করার মতন ছিল যদিও প্রেসিতে পড়তে মাসে ১৭ টাকা লাগত।

    সেক্ষেত্রে অভিজিত যে দলিতকে জেএনইউতে দেখেছেন সেও একই রকম প্রিভিলেজড।

    এবারে এলিট মানে আমার কাছে, ইংরিজিতে যারা স্বপ্ন দেখত মানে কলকাতার এলিট ইংরিজি মিডিয়ামে পড়াশুনো করেছে, বা অন্তত কলকাতা বা জেলার এলিট স্কুলে পড়াশুনো করেছে, অত্যন্ত স্বচ্ছল, মানে গাড়ি করে কলেজে আসত। ডোভার লেনে মিউজিক শুনতে যেত ইত্যাদি ইত্যাদি।

    এর বাইরেও প্রচূর ছেলেমেয়ে আসত মফঃস্বল থেকে আর কিছুদিনের মধ্যেই মিলেমিশে যেত।

    অভিজিতে ব্যাকগ্রাউণ্ড এবং বেড়ে ওঠার থেকে মনে হয় ওনার এই বিষয়ে একটু বায়াস আছে, জানা নেই উনি প্রেসিতে থাকাকালীন কলেজের "একস্ট্রাকারিকুলার" অ্যাকটিভিটিতে কতটা যুক্ত ছিলেন যেমন উনি ছিলেন জেএনইউতে, থাকলে হয়ত অন্য কথা বলতেন।
  • এলেবেলে | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:১৭423380
  • অবশ্য ২০১৯ সালেও উমার রেজাল্ট বেরোনোর পরে যেখানে কাগজের হেডলাইন হয় 'এবারেও জেলাকে টেক্কা দিল কলকাতা', সেখানে এসব শুষ্কং কাষ্ঠং যুক্তির কথা বলে লাভ নেই।
  • এলেবেলে | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:১২423379
  • এক, সেন্টার অফ এক্সেলেন্স শুধু শিক্ষকদের দিয়ে হয় না, সঙ্গে ছাত্রছাত্রী লাগে। মানে শেষেরটাই বেশি ভাইটাল। নাহলে তারক সেন বা দীপক ব্যানার্জির একার মুরোদে কুলোবে না।

    দুই, সেগুলোর সবই কলকাতা-কেন্দ্রিক করতে হবে কেন? কলকাতার কত শতাংশ ছেলেমেয়ে ওই প্রতিষ্ঠাগুলোতে ভর্তি হয় বা হওয়ার সুযোগ পায়? সেগুলো কেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়বে না? ছাত্রছাত্রীদের কেন কলকাতাতেই হত্যে দিয়ে পড়ে থাকতে হবে? এই কেন্দ্রীকরণের ঝোঁক কেন?

    তিন, এসসি-এসটি সম্পর্কে অভিজিৎ যা বলেছেন তা হাস্যকর বললেও কম বলা হয় (নোবেল পেয়েছেন মানে ভগোমানে রূপান্তরিত হননি কিনা)। আমার ছাত্রাবস্থা ৮৩-৯০, সেখানে এসসি-এসটি ছাত্ররা দেদার ভর্তি হত যদিও কোনও দিন এসব ব্যাপারে মাথা ঘামানোর দরকার পড়েনি। বন্ধুবান্ধবরা কে এসসি বা এসটি তা জিজ্ঞাসা করার কথা মনেও হয়নি কিংবা তাঁরা খুব আলাদা ব্যবহার পান বা উচ্চবর্ণের ছাত্রছাত্রীদের কাছে চরম অবহেলিত থাকেন সেইরকমটাও মনে হয়নি।
  • PT | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৯:০৬423378
  • @ব্যা
    সাইডলাইন থেকে ব্যা ব্যা করে পালিয়ে যাবেন না। মাঝে মধ্যে মাঠে ঢুকে ঘাস খেয়ে যাবেন। চাইলে নাদিও ছ্ড়াতে পারেন।

    "এই কাঁঠালপাতার সাথে কেন এখন জোট করতে হবে?"
    পব-র কং এখন আর সেই কাঁঠালপাতা নয়। ৭০-এর কাঁঠালগাছের কিশলয় যারা সিদ্ধার্থের স্নেহচ্ছায়ায় ছিল, তাদের প্রায় সবাই এখন পর্ণে পরিণত হয়ে তিনোতে চলে গেছে।
  • aka | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৮:৩০423377
  • সিএস, সেটাও ঠিক বুঝিনি। র‌্যাণ্ডমাইজড কন্ট্রোল ট্রায়াল হেলথকেয়ারে বা অন্যান্য সাবজেক্টে বহুল প্রচলিত অনেক দিন ধরে। অবশ্য খুব বেশি পড়েছি তাও নয়। অর্থনীতির কেউ একটু বুলেট করে বুঝিয়ে দিলে সুবিধে হয়।
  • সিএস | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৮:০২423376
  • অভিজিতবাবুদের পদ্ধতি, আমার সীমিত জ্ঞানে যা বুঝেছি, খুবই নোভেল। ক্রিটিসিজম অবশ্যই আছে কিন্তু এই পদ্ধতি এটা ধরে নিয়েই এগোয় যে বিভিন্ন রকমের সরকার আছে, ম্যাক্রো লেভেলে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে কি করবে না করবে আর সেই করাগুলো কাজে আসছে কিনা সেটা দেখাই অথবা সেই করাগুলোকে আরো এফেক্টিভ করাই এই পদ্ধতির উদ্দেশ্য। এবং, Poor Economics বইটাও খুবই চিত্তাকর্ষক - গরীব মানুষের বিষয় আষয়।

    (অবশ্য উনি কি আম্রিকা ফিরে গেছ্নে, না হলে তো এরপর প্রশ্ন করা হবে যে বাম-কং জোটটা পঃবঃ-তে কাজে লাগবে কিনা ? ঃ-)
  • | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:৩৫423375
  • আমি অ্যাংগরি নই, ইয়াং ও নই, ম্যান ও বোধ হয় পুরোটা নই ঃ-)))

    গ্রাম্পি ফ্যাট আর্স ইজ অলরাইট ঃ-)

  • | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:৩০423374
  • বোধি দা,
  • | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:২৮423373


  • আকা আমার মুখের কথা কেড়ে নিল। প্রেসি সম্পর্কে এই মন্তব্য টা আমি লক্ষ্য করেছি। অথচ আমি এটা আগে বললে ঠিক এসে কিছু একটা অপোজ করে যেত, আর সঙ্গে বলতো এই কন্ট্রাডিকশনের জন্যেই হনুদা আর সিপিএম এর কিছু হল না, ঃ-))))

    আরেকটা জিনিস ও লক্ষ্য করেছি, বাঙালিয়ানা গোছের কোন জিনিস কে আলাদা করে শহরের নোবেল কানেকশনের পেছনে যুক্তি না দিলেও, বড় শহরের একটা চরিত্র নিয়ে কথা বলেছেন, সেটা আমার ইন্টারেস্টিং লেগেছে, ক্লিয়ারলি সেটা হেডলাইন হয় নি, আনন্দ বাজারে শিক্ষা সংক্রান্ত দীর্ঘ দিনের অবস্থান নিয়েই হেডলাইন হয়েছে।

    অন আ সিরিয়াস নোট আমার যেটা মনে হয়েছে, যেহেতু আমার যাই মনে হয় এসে বলে যাই, লোকে অসহ্য বাজে গালাগাল দেওয়া সত্ত্বেও, হতেই পারে এটা আগেও বলেছি, ওঁকে এই পলিসি টেস্ট ল্যাব সারা পৃথিবী তে চালাতে গেলে সারা পৃথিবী তে নানা রেজিমের সঙ্গে কাজ করতে হবে। তাতে কখনো নিজের পজিশন ব্যবহার করে রেজিমের বিরুদ্ধে বলবেন, কখনো বলবেন না, কখনো নিজেদের কাজের মধ্যে থেকে উঠে আসা কাউনটার ইউনটুইটিভ কথা বলবেন। আশা করি ওঁকে নিয়ে কথা হলে ওঁর কাজের ব্যাপারে বা লিখিত/প্রকাশিত বক্তব্যের উপরেই আলোচনা হবে, যেমন আকা করলো।

    এটা বোঝা দরকার, ল, ইকোনোমিক্স, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ এর বিষয় গুলৈ এমন, স্টেট এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে সে খুব ই সম্পৃ`ক্ত, খুব র‌্যাডিকাল কথা বলা এমনিতে কঠিন, মেন স্ট্রীমে থাকলে, গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চাইলে। এই বিষয় গুলোর সঙ্গে বিষয় হিসেবেই কবিতা বা লিটেরারি ক্রিটিসিজম বা সোশিয়োলজি থিয়োরী বা ওল্দ ফ্যাশন সাহিত্য, ইতিহাস এর চর্চার একটা পার্থক্য আছে, আকাদেমিয়ার মধ্যে, রাষ্ট্রের নেচার টা তাদের আলোচনায় আসে, সেটা ক্রিটিকাল কিছুটা হবেই। সেই জন্যেই টেকনোক্রাসি থেকে যা রেসিস্টান্স আসবে, তার চেয়ে বেশি আসবে হিউম্যানিটিজ থেকে, এ মানে সারা পৃথিবী তে প্রচুর বার হয়েছে। ১৯৬৮ একটা বিশেষ হিস্টরিকাল মোমেন্ট, সেটা কে সর্বদা ধরলে হবে না, আর ঐ মোমেন্টের পরে তৈরী হওয়া সাবজেক্ট ও আছে।

    এর পরে হল, অভিজিত বাবু দের কাজ টাই, ওঁদের আগে কাজ থিয়োরী র হলেও, এই কাজ টার উদ্দেশ্য আমি গোদা করে যা বুজেছি সেটা দুটো।

    এক হল ওয়েলফেয়ার পলিসি তে, এনটাইটলমেন্ট বাড়ানো তে কোন লাভ হয় না যারা বলেন, আর যারা খানিকটা আন্দাজে চালান, বাজেট অ্যালোকেশন আর ডোনর দের অবস্থানে স্পেসিফিসিটি আনার উদ্দেশে এই টেস্ট গোছের জিনিস গুলো ওঁরা ডিভাইস করেছেন। দ্য এম্ফাসিস বি ইং অন মেথড, স্টেট এর অ্যাপারেটাস এর উপরে ওঁদের নির্ভরতা থাকবেই। আর প্লাস, প্রচন্ড ল্যাব টেস্টেড না হলে, বড় মাপের পলিসি কিছুই নেওয়া যাবে না, প্রতিটা ইম্প্লিমেন্টেশন এর আগে খরচ সাপেক্ষ টেস্ট লাগবে এই সব বিতর্ক আছে।

    তো এই সব নানা কথা থাকবে, ব্যাংকিঙ্গ` নিয়ে যেমন কি বললেন কেন বললেন বুঝলাম ই না, কারণ প্রাইভেট ব্যাংক এ কোরাপশন নতুন কোন ঘটনাই না, যেটা ভিজিলান্স কমিশনের আওতার বাইরে।

    কিন্তু যাই হোক উনি এখানে প্র্যাকটিকালি গরিআহাটের লোক, আকাদের বৈজয়ন্ত দের কলেজে পড়েছেন, এ মানে বিশাল অনন্দের ব্যাপার। ওঁর বক্তব্য নিয়ে কাটা ছেঁড়া হবে, এবং বেশি স্ক্রুটিনি, নন এক্সপার্ট স্ক্রুটিনি র সামনে উনি পড়বেন, কিন্তু তাতে তো উনি কোন আপত্তি কিসু করেন নি।

    মেথডে যতই জোর আসুক, থিয়োরী র চর্চা, ওয়েলফেয়ার সংক্রান্ত চর্চা অর্থনীতি বিষয় টাকেই তার নিজের গ্রহণযোগ্য তা টেঁকানোর জন্যেই করতে হবে। তার মধ্যে বিতর্ক চলবে। সে তো ঠিক ই আছে।

    ছোটো বেলা প্র্সংগে প্রায় সবাই ইনসুলার, এক আমি ছাড়া ;-) এ নিয়ে আর বলে কি হবে, বাবার বদলি নিয়ে এখনো বলছেনঃ-))
  • PT | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৭:০২423372
  • "সব কলেজ সমান, সব টিচার সমান"
    নাঃ, এটা এক্কেবারে ভুল।
    সব ছাত্র, যারা উচ্চমাধ্যমিক দিয়ে পড়তে এসেছে তারা সবাই সমান। তাদের জন্য যতদূর সম্ভব একই কোয়ালিটির শিক্ষাব্যবস্থা (মাস্টার মশাই সহ) চালু করতে হবে। নাহলে শহরকেন্দ্রিক উচ্চমাধ্যমিকের রেসাল্টের ভিত্তিতেই ছাত্রদের প্রতিভা সম্পর্কে ফাইনাল সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে হয়।
    এইভাবে একমাত্র কমুনিস্টদের পক্ষেই ভাবা সম্ভব।
  • sm | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:৫১423370
  • উল্টো ভাবে দেখুন। বামেরা ৩৪ বছর ধরে পাঁঠামি করে গেছে আর জনগণ উহাদের কাঁঠাল পাতা, মুলোটা,কলাটা সাপ্লাই দিয়ে গেছে।
  • ব্যা | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:৫১423371
  • "জরুরী অবস্থার কারণেও ছাগলেরা কং নামক কাঁঠাল পাতার সঙ্গ ছাড়েনি।"

    এই কাঁঠালপাতার সাথে কেন এখন জোট করতে হবে? আর বাম-কাঁঠালপাতা জোটকে যারা ভোট দেবে না তারা কেন ছাগল?
  • sm | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:৪৮423369
  • সেন্টার অফ এক্সেলেন্স না থাকলে, দেশের উন্নতি অসম্ভব। আমেরিকায় হার্ভার্ড, ম্যাসাচুসেটস, ইউকে তে অক্সফোর্ড
    কেমব্রিজ, তেমনি ভারতে আই আই টি, আই আই এম, এইমস ইত্যাদি। এগুলি কে সার জল দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতেই হবে। সব কলেজ সমান, সব টিচার সমান ; এমন নীতি কম্যুনিস্ট দের দিয়েই সম্ভব।
    অভিজিৎ বাবু বলতে চেয়েছেন, প্রেসিতে বিরাট কিছু ক্লাস স্ট্রাগল দেখেন নি। অর্থাৎ অর্থনৈতিক ভাবে খুব দুর্বল স্টুডেন্ট বেশি ছিল না।
    যে এন ইউ তে ক্লাস স্ট্রাগল বেশি প্রকট ছিল। অর্থাৎ কাস্ট স্ট্রাগল এর সঙ্গে ইকোনোমিক স্ট্রাগল মিলে মিশে ছিল।
    ভারতের বর্তমান ইকোনোমিক সিচ্যুয়েশন; ওনার মতে গোল্লায় গেছে। ভদ্র ভাবে বলেছেন, কাঁপুনি ধরেছে।
    নোটবন্দি ওনার মতে একটি ভুলভাল সিদ্ধান্ত।
  • PT | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:৩৪423368
  • ১৯৭৭-এর ভোটেই কং প্রায় ৪১% ভোট পেয়েছিল। জরুরী অবস্থা শেষে সেই তো প্রথম ভোট। আর ১৯৮০-র ভোটে কং ৪৩% ভোট পেয়ে ক্ষমতায় ফেরে। অর্থাৎ কিনা জরুরী অবস্থার কারণেও ছাগলেরা কং নামক কাঁঠাল পাতার সঙ্গ ছাড়েনি।
  • | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:২২423366
  • হুঁ ইন্দিরার পাশেই, বিজলি রাস্তা পেরিয়ে। আহা বিজলি ইন্দিরা এইসব মনে করলেই ছোটবেলা নষ্টলজি হু হু করে ছুটে আসে।
  • S | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:২২423367
  • প্রে অ্যান্ড মোর প্রের মানে হল যে ভারতের অর্থনীতি এখন এতটাই বড় আর কমপ্লেক্স যে কোনও কিছু করেই সেটাকে হঠাত ক্রাইসিস থেকে বেড় করে আনা যাবেনা।
  • aka | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:১৬423365
  • প্রেসিতে ৯০ এর দশকে এসি/এসটি কোটা ছিল, কিন্তু মাঝে মাঝেই ভর্তি হত না, হলেও অনেকেই পরের বছর যাদবপুর/আইআইটি চলে যেত।

    অভিজিত বাবুর কাজ যতই ভালো হোক না কেন ইন্টারভিউতে কন্ট্রাডিকটরি স্টেটমেন্ট।

    এই যেমন প্রেসি এলিট বলে প্রায় অভিযোগ করলেন আবার অন্যদিকে প্রেসি থেকে ভালো প্রফেসর বদলির বিরুদ্ধেও প্রায় অভিযোগ করলেন। প্রফেসরদের বদলির সিদ্ধান্ত যতদুর জানি সেই এলিটিজম ঘোভ্হানোর জন্য।

    কোন এক প্রেজেন্টেশনে ডিমনিটাইজেশনের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে বললেন ড্রাস্টিক কিছু কিছু করার দরকার নেই। আবার অন্য এক ইন্টারভিউ তে ভারতীয় অর্থনীতি নিয়ে বলতে গিয়ে বললেন - “প্রে, প্রে অ্যান্ড মোর প্রে”

    হয়ত বুঝি নাই।
  • সিএস | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:১২423364
  • হুঁ, ভবানীপুরে। বিজলী-ইন্দিরা সিনেমা হলের কাছে। এককালে বইমেলায় আসত, তারপর ময়দানে বইমেলা করা নিয়ে বামফ্রন্ট সরকারের সাথে কি সব মনোমালিন্য হল, তারপর থেকে বেশ কয়েক বছর আর বইমেলায় দোকান দেয়না।
  • অর্জুন | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৬:০৮423363
  • এখানে সবার জন্যে রইল আগাম দীপাবলি ও শ্যামাপুজোর আন্তরিক শুভেচ্ছা।

    কাজে দিল্লী যাচ্ছি আজ, ফিরব রবিবার রাতে।

    এবার দুটো দিনই দিল্লীতে কাটবে। তবে ছুটি উপভোগ নয়, কাজে।

    ঃ-)
  • | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:৫৬423362
  • ভবানীপুর ইন্দ্র রায় রোডে না দোকানটা?
    ঢুকলে কিরকম গুহায় ঢুকছি গুহায় ঢুকছি মনে হত।
  • সিএস | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ১৫:২৯423361
  • দীর্ঘদিন যাওয়া হয়নি, দোকানটায়, সাইটটাও অনেকদিন পরে দেখলাম। নতুন বই বেশ কিছু ছাপিয়েছে মনে হল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত