এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • lcm | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:৪৫423420
  • লেট দ্য মার্কেট ডিসাইড - এর মানে জেনারেলি দাঁড়ায় যে - লেট দ্য বিগ প্লেয়ার্স ডিসাইড --- যেমন ধরো, ইন্ডিয়ার ক্ষেত্রে বলা যায়, লেট রিলায়েন্স ডিসাইড, বা, লেট টাটা ডিসাইড -- এরকম আর কি।
  • মানিক | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:২৩423419
  • এই লেট দি মার্কেট ডিসাইড ব্যাপারটা কি? আর মার্কেট ডিসাইড করলে কি হবে?

    মার্কেট জিনিসটা কি আগাছার মত? কেউ কিছু না করলে আপনা আপনি বড় হয়? নাকি সার জল ডাল ছাটার জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা লাগে?
  • lcm | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:১০423418
  • ঠিক, তাও আছে, ঐ "গিভেন এভরিথিং এল্‌স্‌ রিমেইন্‌স্‌ কনস্ট্যান্ট" - ওটা করলেই ডিটারমিনিস্টিক হয়ে গেল
  • S | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০২:৩৮423417
  • না না একদম ডিটারমিনিস্টিক অন্ক আছে। ইন্টারেস্ট রেট কমলে, গিভেন এভরিথিং এল্স রিমেইনস সেম, অ্যাসেট প্রাইস বাড়ে।
  • Atoz | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০২:১৯423416
  • মহারাষ্ট্র আর হরিয়ানার ভোটের ফলাফলের ব্যাপারটা দেখেছেন কেউ?
  • Atoz | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০২:১৬423415
  • একটু তলিয়ে ভাবলেই বুঝতে পারবেন কেন পিতৃতান্ত্রিক। কতজন পুরুষকে দেখছেন এগিয়ে এসে বলছে মিটু? কৈশোরকালে বা বাল্যকালে তাদের উপরে পাওয়ার এক্সারসাইজ (আসলে তো তা ই, যে নামেই ডাকুন ) হয় নি বলছেন? অথচ কতজন পুরুষ বলছে সেসব?
  • lcm | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৪৬423414
  • ঠিক। অংক আছে, প্রোব্যাবিলিস্টিক অফ কোর্স।
  • S | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৫৬423413
  • দুটো ক্ষেত্রেই কিছু মডেল আছে।
  • S | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৫৩423412
  • বাই দ্য ওয়ে, রিসেশনের সময় ইন্টারেস্ট রেট কেন কমানো হয় তার পিছনে অন্ক আছে।
  • aka | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৪৬423411
  • লসাগুদা, ডিমান্ড বাড়ালে ইকনমি চাংগা হবে নাকি সাপ্লাই বাড়ালে এর কোন মডেল নেই কিন্তু। দুটোই বিশ্বাসে মিলায় বস্তু টাইপের, তারপরে সেই বিশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়ে পলিসি তৈরী।
  • S | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৪৪423410
  • র‌্যান্ডমাইজড কন্ট্রোল ট্রায়াল যেটা অর্থনীতিতে ব্যবহার করছে ডুফো-ব্যানার্জি এট অল সেটা ঐ অষুধের মতনই।

    প্রথমে র‌্যান্ডামলি কিছু গ্রাম সিলেক্ট করেন (ডুফ্লো বলেছেন যে একদম র‌্যান্ডাম নাম্বার জেনারেট করে)। এর পরে আবারও র‌্যান্ডামলি সেই গ্রামগুলোকে দুভাগে ভাগ করা হয়। এক ভাগ গ্রামের লোকেদের ট্রিটমেন্ট (অর্থনৈতীক) দেওয়া হয়, অন্য গ্রামের লোকেদের দেওয়া হয়্না। দুভাগ গ্রামেরই ট্রিটমেন্টের আগে-পরে মেজার করে দেখা হয় যে ট্রিটমেন্টের ফলে সাড়া মিললো কিনা (স্ট্যাটিস্টিকালি সিগনিফিকেন্ট)।

    এটার নভেলটি হল যে এইরকম চটজলদি সমস্যার ফিক্সিং আগে লোকজন ভাবেনি এবং মাস লেভেলে করেও দেখেনি। এঁরা সকলে এক্সপেরিমেন্টাল ইকনমিস্ট। তাই এক্সপেরিমেন্টের ফল ভালো হলেই চলবে, কার্যকারণ অতটাও গুরুত্বপুর্ণ নয়।

    মুলতঃ চারটে ক্রিটিসিজমঃ
    ১) ছোট স্যাম্পলে কাজ করে সেখান থেকে বড় পপুলেশনের জন্য পলিসি তৈরী করা ঠিক নয়।
    ২) এরা কার্যকারণ নিয়ে মাথা ঘামায় না, ফলে এগুলো পার্মানেন্ট সলিউশান হতে পারেনা।
    ৩) কি করে জানা যাবে যে সঠিক এবং মোস্ট অপটিমাল ট্রিটমেন্টটা কি? এবং এটা কমিউনিটি টু কমিউনিটি ভ্যারি করতে পারে।
    ৪) এথিকাল সমস্যা যে যারা ট্রিটমেন্ট পেলনা, তারা কেন পেলনা? তারা জানেও না যে তাদের উপরে এক্সপেরিমেন্ট চলছে।
  • lcm | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৩২423409
  • "...কেউ মনে করে ডিমান্ড বাড়ানো উচিত, আবার কেউ মনে করে সাপ্লাই বাড়ানো উচিত, কেউ মনে করে ডিমনিটাইজেশন করা উচিত...", কেউ মনে করে "লেট দা মার্কেট ডিসাইড"...

    মনে করা তো প্রবলেম নেই। কিন্তু সেই মনে করার পিছনে কিছু বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখা তো দিতে হবে, যেটি ইকনমিস্টরা দেবার চেষ্টা করেন।

    অভিজিত-বাবু বলেছেন যে - অনেক ইকনমিষ্ট এই প্রোবাবিলিটি পার্টটাকে গুরুত্ব না দিয়ে, সোজা জোর দিয়ে বলে দেন যে এই হল এই সমস্যার সমাধান, যেমন উদাহারণ দিয়েছেন অনেক সময় ইকনমিষ্ট বললেন ইন্টারেস্ট রেট কমানো হল এক বিশেষ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার একমাত্র উপায়। অ্যাকশন নেবার পরে যদি সেটি কাজ না করে তখন লোকে বলে ইকনমিস্টরা ইডিয়ট।

    অভিজিত বলছেন লোকেদের এই বলাটা যুক্তিসঙ্গত।
  • S | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০০:৩১423408
  • একটু অন্ক দিয়ে ব্যাপারটা বোঝাই। জিডিপির ফমুলাতে চারটে ফ্যাক্টর বা আইটেম বা ভ্যারিয়েবল আছেঃ প্রাইভেট কনজাম্পশান, ইনভেস্টমেন্ট, গভর্নমেন্ট স্পেন্ডিং, নেট একস্পোর্ট।

    অভিজিত বাবু যেটা বলতে চেয়েছেন তা হল ভারতীয় অর্থনীতি ক্রাইসিসে পড়েছে। কারণ বিভিন্ন ডেটা থেকে দেখা যাচ্ছে যে প্রাইভেট কনজাম্পশান অনেক অনেক বছর পর এই প্রথম কমেছে, ইনভেস্টমেন্ট কমেছে অনেকটা, এক্সপোর্ট কমছে/দাঁড়িয়ে আছে। জিডিপির ফর্মুলা দেখলে দেখবেন যে এর পরে আর একটা ফ্যাক্টর পড়ে থাকে, তা হল সরকারি খরচ। সেইটাই একমাত্র জিডিপিকে ধরে রেখেছে।

    এইরকম একটা ক্রাইসিসের মুহুর্তে ভারতের মতন বিশাল দেশের বড় এবং মাল্টি-ডাইমেনশনাল অর্থনীতিকে চটজলদি ঠিক করার মতন সেরকম কোনও অষুধ অর্থনীতিতে নেই। প্রায় কোনও কিছু করেই সিওর করে বলা যাবে না যে অর্থনীতি আবারও ঘুরে দাঁড়াবে। ফলে এখন এইটা সেইটা করে দেখা যেতে পারে যে কিছু হচ্ছে কিনা। কিন্তু সেরকম কোনও মোক্ষম অব্যর্থ অষুধ নেই।

    সেপ্টেম্বারে সরকার কর্পোরেটদের জন্য বিশাল ট্যাক্স ছাড় দিল। অনেকে বলেন যে এর ফলে ইনভেস্টমেন্ট বাড়ে। ঐতিহাসিক প্রমাণ নিয়ে দুদিকেই মত রয়েছে। আসলে ট্যাক্স কমালে অনেক নেগেটিভ নেট প্রেজেন্ট ভ্যালু প্রজেক্ট পজিটিভ হয়ে যায় (ম্যান্জাররা জানবেন), তখন কোম্পানি সেগুলো ইমপ্লিমেন্ট করে। অভিজিতবাবুর মতে ডিমান্ড না বাড়লে এইসব ইনভেস্টমেন্ট কেউ করবে না (ফিউচার এক্সপেক্টেড ক্যাশফ্লো যতক্ষন না বাড়বে)।

    এই কর্পোরেট ট্যাক্সের ফলে সরকারের রাজস্ব কমবে, ডেফিসিট বাড়বে, প্রচুর দেনা বাড়বে। যখন ডেফিসিট বাড়ানই হল এবং দেনা নেওয়াই হল, তখন সেই টাকা গরীবদের মধ্যে বিলিয়ে দিলে ভালো হত। কারণ তাদের টাকার প্রয়োজন আছে, ফলে তারা এখনই খরচ করবে। এবং সেই টাকা আবার অর্থনীতিতে চটজলদি ফিরে আসবে। প্রাইভেট কনজাম্পশান বাড়বে, ফলে ইনভেস্টমেন্টও বাড়বে। একই সঙ্গে জিডিপির তিনটে ফ্যাক্টর বাড়ছে।
  • aka | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০০:২৩423407
  • সিএস, এই যে ওষুধের ট্রায়ালের সময় র‌্যান্ডমাইজড কন্ট্রোল ট্রায়াল ব্যবহার করা হয় তার আগে কিন্তু বিশাল রোল প্লে করে স্যাম্পলিং স্ট্র্যাটেজি কি। মানে কোন কোন প্রোফাইলের কতজন লোককে ট্রায়াল করতে হবে। তার ওপর বিভিন্ন ফেজ আছে।

    ফেজ ওয়ান - শুধুই সেফটি টেস্ট, ছোট স্যাম্পেল সাইজ, কয়েক মাস বড়জোড়

    ফেজ টু - সেফটি ও এফিকেসি টেস্ট, আর একটু বড় স্যাম্পেল সাইজ, এখানে একটা গ্রুপকে ওষুধ দেওয়া হয় আর অন্য কন্ট্রোল গ্রুপকে প্লাসিবো বা অন্য ওষুধ দেওয়া হয়। আর পুরোটাই ব্লাইণ্ডেড মানে গুটিকয়েক লোক ছাড়া জানে না কেউ ওষুধ পেল আর কে পেল না।

    ফেজ থ্রি - অনেক বড় স্যাম্পেল সাইজ, অনেকদিন ধরে চলে। সেটাও ব্লাইন্ডেড।

    তারপরে এফডিএ অ্যাপ্রুভ করে যে কোন ওষুধ বাজারে আসবে কোনটা নয়। বেশির ভাগ স্টাডি ঐ ফেজ ওয়ান বা ফেজ টু তে আটকে যায়।

    যাইহোক এর সাথে কম্পেয়ার করে লাভ নেই। কিন্তু আর্টিসি মার্কেটিং ট্যাগ ভালো, কিন্তু কতটা বিজ্ঞানের কাছাকাছি তা বুঝতে হলে, পুরো প্রসেসটা জানতে হবে। সেটা করতে গেলে পেপার পড়তে হবে কেউ একটা পিপিটি করলে ভালো হত। কিন্তু কেই বা করবে?
  • সিএস | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০০:২২423406
  • * সেই হিসেবে প্রেসিও এলিট বলে মনে করি।
  • সিএস | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০০:২১423405
  • এলিট প্রতিষ্ঠান নিয়ে আমার সুচিন্তিত মত যে কম মাইনে হলেই বা বাংলা মিডিয়াম হলেই সেটি যে এলিট হবেনা তার কোন মানে নেই। পাঠভবন স্কুলটি আমার কাচ্গে এলিট স্কুলের পরাকাষ্ঠা যদিও সেটি বাংলা মিডিয়াম। কিন্তু দক্ষিন কলিকাতা এবং তদুপরি লরেটোয় ট্যাঁশ বানাবো না কিন্তু পাঠভবনে পাঠালে বাংলাতেও পড়বে অথচ স্কুলের নামটিও থাকবে, এই চিন্ন্তাটিও এলিট। এলিট সেইটি, যে প্রতিশ্ঠানটিকে উচ্চবিত্ত বা উন্নতিকামী মধ্যবিত্ত টার্গেট করছ্র। সেই হিসেবে প্রেসিও তসি বলে মনে করি। এলিটের পরের ধাপই সেন্টার অফ এক্সেলেন্স।
  • সিএস | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০০:১২423404
  • আর বাম বাংলায় এটা একটা কমন রিফ্রেইন, নব্বইয়ের দশমের 'ভদ্রলোক' অধ্যুষিত মধ্য গগনের বাম সরকারের আমলে
  • সিএস | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ ০০:০৬423403
  • এলেবেলের ৭ঃ১২ র পোস্টের শেষ বাক্যটায় যে মন্তব্যটা করেছেন, আজকাল মনে করা হয় যে ঐরকমের চিন্তাটাই প্রব্লেম্যাটিক। নীচু জাতের ছেলে মেয়েদের কোন সমস্যা নেই বলে মনে হওয়াটাই অথবা আমরাও আমাদের বালকবেলায় বা যুবাবয়সে ঐ ধারনা নিয়ে দিন কাটিয়েছি, এইসবই আজকে প্রশ্নের মুখে। এর মানে হল সমস্যাগুলো আজকের, আগে ছিল না। কিন্তু তারা হয় লুকোয়, আমরাই বুঝিনি।
  • সিএস | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:৪৭423402
  • সুগত মারজিতের লেখাটিতে আছে ঃ

    RCT Model আসলে চিকিৎসাশাস্ত্রে নতুন ওষুধ খোঁজার এবং রোগ নিরসনে তার কার্যকর ভূমিকা প্রতিষ্ঠা করার মডেল। সে মডেল আগেও ছিল, কিন্তু সেই মডেলকে যে উন্নয়নের অর্থনীতির সঙ্গে জুড়ে দিয়ে একেবারে তৃণমূল স্তরে কার্যকর নীতির প্রণয়নে ব্যবহার করা যায় -সেই পথটা এরা দেখিয়েছেন।

    তো আকা যে প্রশ্নটা করছে যে পদ্ধতিটি তো আগেও ছিল বা আমি যে বলছি এ হ্যাঁ সেটাই এর নভেলটি; দুটো মতই এই লাইন কটিতে ধরা আছে।

    (মিথ্যে না বলতে কি, লেখাটিতে যে এই লাইনগুলো আছে, সেটা এখন দেখলাম, আকাকে যখন লিখলাম তখনও জানতাম না !)
  • aka | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:১৯423401
  • একজন নোবেল লরিয়েটের থেকে নিজের বিষয় ও কাজ নিয়ে এটা শুনে খটকা লাগল। বা হয়ত হনেস্ট ও ক্যানডিড কমেন্ট নিতে অসুবিধে হচ্ছে। ঃ)
  • aka | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:১৩423400
  • সিএস হতে পারে অর্থনীতিতে এই আরসিটির ব্যবহারই নভেলটি। আর একটু প্ড়তে হবে। সহজ ভাষায় কেউ বুঝিয়ে দিলে ভালো হয়। সুগত মার্জিতের লেখা পড়ি নি। এই একটা মুশকিল বাঙ্গলা ভাষার সব আর্টিকল গুলো সময়মতন পাই না।

    আর লসাগুদা, মডেল প্রোবাবিলিস্টিক সে তো জানা। কিছুটা বিশ্বাস - কেউ মনে করে ডিমান্ড বাড়ানো উচিত, আবার কেউ মনে করে সাপ্লাই বাড়ানো উচিত, কেউ মনে করে ডিমনিটাইজেশন করা উচিত।

    তাহলে যারা বলে এসব অর্থনীতিটিতি ভুলভাল কেউ জানে না কি হবে, লেট দা মার্কেট ডিসাইড। তাহলে কি সেটাকেই মেরিট দেওয়া হল? এইসব।
  • সিএস | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:০২423399
  • আর, ভারতের অর্থনীতি নিয়ে অভিজিতবাবুর 'প্রে' করা, এটা তো ওনার এক স্লাইড শোয়ের অংশ, আমি কিন্তু ভেবেছিলাম যে অন্তত ইনি বলতে পারছেন, অর্থনীতিবাদ হয়েও, যে সমাধানগুলি যে সর্বৈব কাজে লেগে যাবে সেরকম নয়, আনসার্টেনটি থাকবে, সেটা হয়ত ফিল্ডে কাজ করার অভিজ্ঞতার জায়গা থেকে উনি এইরকম সন্দেহের জায়গায় পৌচচ্ছেন। জ্ঞানের অংশ হিসেবে অর্থনীতিকে দেখলে, এই সন্দেহটা, হয়ত একটা ভ্যালিড পজিশন।
  • এলেবেলে | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২৩:০১423398
  • যদিও অর্থনীতির অ বুঝি না তবে মৈত্রীশ ঘটক ১৬ অক্টোবর আনন্দবাজারে লিখেছেন, "সব নতুন গবেষণা-পদ্ধতির মতো আরসিটিরও সমালোচনা হয়েছে বেশ। প্রশ্ন উঠেছে, এত ছোট নমুনার ওপর পরীক্ষা হয় যে একটি জনগোষ্ঠীতে গবেষণার যে ফল পাওয়া গিয়েছে, অন্য জনগোষ্ঠীতেও তা পাওয়া যাবে, তেমন নিশ্চয়তা নেই। কেউ প্রশ্ন করেছেন, যেটায় সুফল পাওয়া গেল, অন্য কোনও পদ্ধতিতে যে তার চেয়েও বেশি ভাল ফল পাওয়া যাবে না, সে নিশ্চয়তা কোথায়? কেউ বলেছেন, আরসিটি বলতে পারে না, ফল পাওয়া গেলেও তা পাওয়া গেল কেন। সমালোচনাগুলো উড়িয়ে দেওয়ার নয়। কিন্তু, তাতে এই গবেষণা-পদ্ধতির তাৎপর্যও কমে না। বরং আরও নতুন পথে এবং তত্ত্ব ও তথ্যের সৃষ্টিশীল সমন্বয়ে এই পদ্ধতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তাই প্রমাণিত হয়।"
  • lcm | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৫৮423397
  • আকা কেন এমন বলছে -
    অভিজিতবাবু তো ঠিকই বলেছেন যে - উই প্রে অ্যান্ড প্রে। মডেলগুলো আফটার অল প্রোব্যাবিলিস্টিক। একটু প্রেয়ার তো লাগবে।
  • এলেবেলে | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৫৫423395
  • তথাপি যদুপুর 'সেন্টার অফ এক্সেলেন্স' নহে, কোনও দিন ছিলও না। র‍্যাঙ্কিং চালু হওয়ার আগেও না।
  • সিএস | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৫৫423396
  • তবে অন্যদিকও আছে। নিবেলের পরে কেজরিওয়াল টুইট করেছিল, দিল্লীতে সরকারি স্কুল এনাদের সাথে কাজ করে, ছাত্রদের উন্নতির জন্য। সেই কাজের একটা সিদ্ধান্ত ছিল যে পড়াশোনার উন্নতির জন্য টীচার-ছাত্র রেশিও কম রাখা এই যে চালু মত সেটি ঠিক নাও হতে পারে। তার বদলে কম সময়ের জন্য টেম্পোরারি শিক্ষক নিয়ে দুর্বল ছাত্র বেছে নিয়ে তাদের টার্গেটেড পড়ানো বেশী কার্যকরী হতে পারে। এখন এই মতটি কনফ্লিক্ট তৈরী করবে যদি ভাবি যে শিক্ষকদের অধিকার আছে পার্মানেন্ট কাজের। আমার এই মনে হয়েছিল যে এই পদ্ধতির সমস্যা হয়ত এটি যে সমস্যাগুলিকে এই পদ্ধতিটি খন্ড খন্ড করে দেখে এবং সমাধানের চেষ্টা করে। এরকম অনেক সমস্যার সমাধান দিতে গিয়ে সেই সমাধানগুলিই নিজেদের মধ্যে কনফ্লিক্ট তৈরী করতে পারে।
  • sm | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৫১423394
  • তাহলে বোঝাই যাচ্ছে ছাত্র ছাত্রী দের নিজস্ব একটা র্যাংকিং আছে,বিভিন্ন কলেজ নিয়ে।সব কলেজ সমান নয়।এটা কোন নতুন বাটখারা ও নয়।
    ইঞ্জনিয়ারিং ও মেডিকেল কলেজ গুলোর র্যাংকিং তো সরকারী ভাবেই করা হয়।যেমন করা হয় ইউনি গুলোর। সবকিছু সমান দৃষ্টিতে কোন দিন ই দেখা হয় নি বা হবেও না।
  • সিএস | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৪৬423393
  • আকা, আমার মনে হয়েছিল যে অন্য বিষয়ে যে পদ্ধতি ব্যবহার হয়েছে, যেমন ওষুধের কার্যকারিতা বোঝার জন্য, সেটি অর্থনীতিতে ব্যবহার করাই এই পদ্ধতির নভেলটি। হ্স্য়্স্ত তত্বাকারে এটি ছিল, সুগত মারজিতের লেখায় দেখলাম বলা হয়েছে যে এটি এক্সপেরিমেন্টাল ইকনমিক্সের অংশ কিন্তু থাকলেও সেটিকে বড় আকারে মানুষের দৈনন্দিনের সাথে যুক্ত করে ব্যবহার করাই হয়ত এর বিশেষত্ব। নোবেল পাওয়স্র পরই একটা লেখায় দেখেছিলাম যে অভিজিতবাবু বলেছিলেন যে সরকারের উচিত কোন একটা স্কীম চালু করার আগে পাইলট করে দেখা। হয়ত সেটা কোনদিন হবে, সেক্ষেত্রে এনাদের এই পদ্ধতির আরো ব্যাপক প্রয়োগ ঘটবে। কোন স্কীমের এফিক্যাসি দেখা তো স্বাভাবিক বলেই মনে হয়, তা না হলে কিছুদিন পরে স্কীমটি কাজে লাগছে কিন, মানুষে আকৃষ্ট হচ্ছে কিন সে বোঝা যাবে কী করে, আর সেটা বোঝার চেষ্টা না করলে হয়্স্ত প্রচার হবে কিন্তু ফল হবে না বা অন্য আর একটা স্কীম চলে আসবে। কন্যাশ্রী করে একটা পর্যায়ের পরে ফল হচ্ছে কিনা, সত্যি সব মেয়েই এর দ্বারা সুরাহা পেয়ে পড়াশোনা করছে কিনা কিংবা কিছু মেয়ে পড়ছে কিন্তু কিছু মেয়ে টাকাটা নিয়েও তের বছরেই বিয়ে করে ফেলছে কারন তাদের স্কুলের পরে কলেজটা হয়ত দূরে অথবা তার পরেও কাজের সুযোগ নেই, অতএব পড়ে আর কী করব এইরকম মনোভাবে চলে যাচ্ছে কিনা সেসব হয়ত বোঝা যাবে এই পদ্ধতির প্রয়োগে এবং সেখান ড়েকে বেরিয়ে আসতে পারে আর কি করা উচিত স্কীমটি বাঁচিয়ে রাখার জন্য বা পরের স্তরে যাওয়ার জন্য।

    তো আমি এইরকমভাবে বুঝেছিলাম যে গরীব দেশের মানুষের জন্য, যেখানে মুলতঃ সরকার বিবিধ স্কীম চালু করে, সেসবের আদৌ দরকার আছে কিনা অথবা কোন স্কীমটি দরকার অথবা সেগুলি কাজ করছে কিনা সেই সব সিদ্দ্ধান্তে আসার জন্য এনাদের কাজ হয়ত কাজে লাগে।
  • :) | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২২:৩৯423392
  • পিতৃতান্ত্রিক নাটকের একটু ব্যাখ্যা হয় না?
  • এলেবেলে | ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ২২:২৭423391
  • //এলেবেলে আগে বলুন মৌলানা আজাদ আর সুরেন্দ্রনাথ অথবা বঙ্গবাসী অথবা সিটি কলেজ - কিভাবে লোকজন স্থির করে?মানে বেশি নম্বর পাওয়া স্টুডেন্টরা কিভাবে তাঁদের কলেজ নির্বাচন করে, আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কোর্স এর জন্য?//

    খুব সহজ উত্তর। আগে যদুপুরে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করে। একাধিক কারণ আছে, বিস্তারে যাচ্ছি না। না পেলে এগুলোতে। বেশি নম্বর পেলেই যদুপুরে আর্টস ফ্যাকাল্টিতে ভর্তি হওয়া যায় না, একটি নির্বাচনী পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হতে হয়। আর সায়েন্স ফ্যাকাল্টিতে চান্স না পেলে অন্য অপশন হিসেবে আপনার উল্লিখিত কলেজগুলো বাছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত