এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • এলেবেলে | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১১:৫১424560
  • @বড়েস এবং @অমিত, নেহরুকে নিয়ে আপনারা প্রত্যাশিত ঘিসিপিটি লব্জ আউড়েছেন! @পিটি, হালকা খেলেছেন!!

    আপনারা ১৯৩৬-এর ডিসেম্বর মাসে ফৈজপুরে কংগ্রেস সভাপতির ভাষণে নেহরু কী বলেছিলেন জানেন? তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন, “The Congress stands for full democracy in India and fights for a democratic state, not for socialism”। এমনকি যখন ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনী প্রচারের ম্যানিফেস্টো রচনা করছেন নেহরু, সেখানেও সমাজতন্ত্রের কথা উল্লেখ অবধি করেননি!

    আর সোভিয়েত প্রভাবিত শিল্পনীতি! হাহা ভারী, দীর্ঘমেয়াদী, বুনিয়াদি শিল্পের জোয়াল কেন্দ্রের কাঁধে। স্বল্পমেয়াদী, দ্রুত মুনাফাক্ষম মাঝারি শিল্প টাটা-বিড়লার কব্জায় এবং একচেটিয়া সংরক্ষণের কারণে কুটিরশিল্পের নাভিশ্বাস! ছো ছুইট!!
  • Amit | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১১:৩৭424559
  • নেহেরু র বা কংগ্রেস এর সেকালের বেশ কিছু কাজে কাজে কম্মে সোসালিষ্ট বা সোভিয়েত প্রভাব তো ছিলই। তার জন্যে কি ব্র্যান্ডেড বাম পার্টি হতে হয়? স্টিল অথরিটি, ONGC,, ইন্ডিয়ান অয়েল থেকে শুরু করে মেজর অনেক গুলো পাবলিক সেক্টর তো তার আমলেই তৈরী। ইন্দিরা গান্ধীর ব্যাঙ্ক জাতীয়করণ, রাজন্য প্রথার লোপ, ৭১ র যুদ্ধের পরে শেল আর ক্যালটেক্স এর অয়েল রিফাইনারি গুলোকে অধিগ্রহণ করে HPCL, BPCL বানানো - এসবই তো সোসালিষ্ট ধারণার ওপর বেস করে।

    এবার এইগুলো করা হয়েছে বলে যে তারা কমিউনিস্ট ছিলেন তা তো নয় বা তাদের অন্যান্য বেশ কিছু অপকর্ম ঢাকা পড়ে যাবে, তাও নয়।
  • PT | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১১:১৪424558
  • "মানে নেহরু সোশ্যালিস্ট ছিলেন বা সোশ্যালিস্টরা তাঁকে তাঁদের কর্মসূচী পালনে পরোক্ষ প্রভাব বিস্তার করেছিলেন?"
    আমার কোনই জ্ঞান বা ক্ষমতা নেই এটার পক্ষে বিপক্ষে কিছু বলার। কিন্তু ব্যাপারটা সম্ভবতঃ সোভিয়েত প্রভাবিত। অন্ততঃ বিজেপি এই ব্যব্স্থাতেও গোলাপী রং দেখে তার অন্তর্জলী যাত্রা করিয়ে দিয়েছে।
  • S | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১১:১৩424557
  • Jawaharlal Nehru was an avowed supporter of socialism. In his presidential address to the Lahore Congress in December 1929, Nehru affirmed that he was ‘a socialist and republican…’, making him the enfant terrible of Indian politics. His interest in Marxism and planned economic development was stirred by the Brussels Congress and his four-day visit to Moscow in 1927. In 1933, Nehru wrote a series of articles entitled ‘Whither India?’, in which he explained why he believed in socialism and argued that capitalism had outlived its day. The crisis of 1936 had a profound impact upon Nehru; he decided to subordinate ideological considerations to his overriding loyalty to Mahatma Gandhi’s leadership and to the Congress party as the chief instrument of the anti-imperalist struggle. In truth, Nehru could not easily give up any of the three basic tenets of his political creed—secularism, democracy, and socialism.

    https://www.oxfordscholarship.com/view/10.1093/acprof:oso/9780195645866.001.0001/acprof-9780195645866-chapter-9
  • এলেবেলে | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১১:১০424554
  • পিটি, এই 'under socialist influence of the first Prime Minister, Jawaharlal Nehru' নিয়ে দু'পহা দিন তো। আমি জানতে আগ্রহী। মানে নেহরু সোশ্যালিস্ট ছিলেন বা সোশ্যালিস্টরা তাঁকে তাঁদের কর্মসূচী পালনে পরোক্ষ প্রভাব বিস্তার করেছিলেন? ইঞ্জিরি এবং ইতিহাস - দু'টোতেই অসম্ভব কাঁচা। তাই বুঝতে চাইছি।
  • ফাউত | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১১:১০424555
  • কামিয়াব, জরুর তো ম্লেচ্ছ শব্দ। লেখার পর কীবোর্ড গোবর দিয়ে শুদ্ধ করেছে তো?
  • PT | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১১:১০424556
  • এসব তো অন্তর্জালেই পাওয়া যায়। তক্কানোর আগে একটু পড়ে নিলেই তো হয়ঃ

    "Why the Left parties are a bigger enemy for the Sangh than the Congress"
    https://www.business-standard.com/article/opinion/why-the-sangh-considers-left-a-bigger-enemy-than-congress-116021701315_1.html

    "BJP-RSS meeting today to focus on countering 'left-liberal narratives"
    //economictimes.indiatimes.com/articleshow/64348057.cms?from=mdr&utm_source=contentofinterest&utm_medium=text&utm_campaign=cppst
  • S | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১১:০৮424553
  • আমি ব্যক্তিগত ভাবে হতাশ হলেও আর ভাবছিনা। জনগণ চাইলে দেশ অবশ্যই বামমুক্ত, সুস্থ চিন্তাভাবনা মুক্ত, অর্থনীতি মুক্ত, শান্তিমুক্ত, সম্প্রীতিমুক্ত ভারত হবে। কিছুই করার নেই।
  • নাদির | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১১:০৭424552
  • "ভারত তো সব্সময়ই বামমুক্ত"?
    আজও শিবসেনার সঞ্জয় রাউত টুইট করছে "হাম হোঙ্গে কামইয়াব"।
    The Rajya Sabha member further tweeted, "Hum honge kamyaab, zaroor honge (we will succeed, definitely)".
  • S | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১১:০৪424551
  • অনেকেই বোধয় এইরকমই ভাবছে। গোবলয়ে বাঙালীদের একটু অন্য চোখে দেখা হত। বলত বাঙালীরা ওয়েল রেড, ওয়েল কালচার্ড, আর্গুমেন্টেটিভ। যখন দেখলো যে সেই বাঙালীরাও বামদলকে ক্ষমতাচ্যুত করলো, তখন অনেকেই বোধয় ভাবলেন যে বামপন্থার দিনও শেষ। যারা সরাসরি মাইনরিটি নিধনে যোগ দিতে পারলোনা, তারা মোদি-শাহর আচ্ছে দিনের ঢপে আশ্রয় খুঁজে নিলো। যারা একটু বেশি লিবারাল (সংখ্যায় সামান্য), তারা কঙ্গ বা আপ বা বিভিন্ন আন্চলিক-কম সাম্প্রদায়িক দলের ছায়ায় চলে গেল। ফলে বিজেপি একমাত্র বড় পার্টিতে পরিণত হয়েছে। সমস্যা হল বাকী দলগুলোর সীট তো নেইই, এমনকি ইনফ্লুয়েন্সও নেই। কেমন যেন সীট নেই, অতেব লজ্জ্বা পেয়ে চুপ করে থাকে। মেইনস্ট্রীম মিডিয়াও তাদের ঐ সীট নেই, তাই চুপ করে বসে থাকুন বলে ধমকে দেয়। টিভির প্রোগ্রামে রিসেন্ট ভোটের প্রোপোর্শানে সব দলের প্রতিনিধিদের সময় অ্যালট করা হয়। সীট আর ভোট সর্বস্য রাজনীতি হয়ে গেছে। অতেব ত্রিপুরার মুখমন্ত্রী মহাভারতের যুগে ওয়াইফাই ছিল বললে সেটাও খবর হয়, অথচ কিষাণ মার্চ কভার করার খুবেকটা সদিচ্ছা নেই। তাই এনারসি, ৩৭০, মন্দির, রামনবমী, দুর্গাপুজো হাইজ্যাক করা এসবের অনেক সমর্থক পাওয়া যায়।
  • PT | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৫৭424550
  • "ভারত তো সব্সময়ই বামমুক্ত"
    "India launched its First FYP in 1951, immediately after independence, under socialist influence of the first Prime Minister, Jawaharlal Nehru."
  • S | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৪৬424549
  • লোকসভা সীট আর সরকার গঠনের বাইরে রাজনীতি না জানলে আসল বক্তব্য বুঝতে সমস্যা হবে বইকি। ভারতীয় গণতন্ত্র একটু পুরনো এবং বেশ রঙীন ছিল একসময়। এই দেশে সোশালিস্ট, আম্বেডকারাইট, লোহিআইট মুভমেন্ট হয়েছে। দাঙ্গে, কর্পুরী ঠাকুর, জয়প্রকাশ নায়ারণ, মোরারজী দেশাইয়ের মতন নেতাদের একসময় প্রচুর ইনফ্লুয়েন্স ছিল জনমানসে। এখনকার মেইনস্ট্রীম এবং সোশাল মিডিয়ায় অবশ্য সেসব আলোচনা হয়্না।
  • Sumit Dasgupta | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৩৭424548
  • ভারত তো সবসময়ই বামমুক্ত, কবে ছিল বাম ক্ষমতায়?
  • Sumit Dasgupta | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৩৫424547
  • না, একদম শুরু থেকেই নেগলিজিবল ছিল। মাঝে কয়েক বছর একটা সরকার ফর্ম করতে সাপোর্ট দিয়েছিল বামেরা, কিন্তু সারা দেশে বাম উপস্থিতি ছিল নগন্য।

    সুতরাং এই বামেদের হঠিয়ে দিয়ে বিজেপি এল এই নাকে কান্না নিতান্তই শিশুসুলভ, যাদের অস্তিত্বই ধর্তব্যের মধ্যে নয়, তাদের নিয়ে অন্য দলগুলির মাথাব্যাথা নেই, কোনোকালে ছিল না।
  • tanmoy | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৩৪424546
  • বিজেপি কংগ্রেসমুক্ত ভারত গড়তে চায়। তাই ত্রিপুরার কংগ্রেসের ভোট বিজেপিতে গেছে। আরএসএস বামমুক্ত ভারত গড়তে চায়। রাজ্যভিত্তিক পার্টি সপা, বসপা, তৃণমূল বিজেপির বাহন। সপা, বসপাকে সরানো গেছে। এবার পশ্চিমবঙ্গে বামেরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে বিজেপিকে নিয়ে আসতে চায়। অঙ্ক কি সহজ।
  • কিন্তু | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৩২424545
  • নানারকম ডটদের কী করে ট্র‍্যাক করা যায়? এখানে এক বা একাধিক ডট থেকে অকথ্য গালিগালাজ করে তাদের কী কভাবে ট্র‍্যাক করা যায়?
  • S | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১০:২১424544
  • এখন অবশ্যই নেগলিজিবল। চিরকাল সেরকম ছিলনা। সেইটাই বক্তব্য।
  • Sumit Dasgupta | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১০:১১424543
  • ভারতে বামপন্থা ! এরকম কোনো ব্যাপার ভারতে প্র্যাকটিস হয় নি তা নয়, কিন্তু তা তো নেগলিজিবল। সিপিআই, সিপিএম, এমএল, নকশাল - সব একসঙ্গে ধরলেও অতি নগন্য লেভেলে।
  • S | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১০:০০424542
  • বামপন্থা আর বামদলের মধ্যে পার্থক্য না বুঝলে আলোচনার মানে হয়্না।

    তারপরেও যাদের কাছে ইলেকশনে কত সীট পেয়েছে সেটাই গুরুত্বপুর্ণ এবং মুখ্য আলোচনার বিষয়, তারা একবার ১৯৯৬ এর ইলেকশনের রেজাল্ট খুলে দেখুন। এই ইলেকশনে বিজেপি অভুতপুর্ব ফল করে। তা সত্ত্বেও বিজেপি ১৩টি রাজ্যে সীট পেয়েছিল। বামেরা পেয়েছিলো ৭টি রাজ্যে। বিজেপি একা ২০% ভোট পেয়েছিল, বামফ্রন্ট পেয়েছিল ৯%। বিজেপির ১৬১ টি সীটের মধ্যে বিহারে১৮ + গুজরাতে১৬ + মধ্যপ্রদেশে২৮ + রাজস্থানে১২ + মহারাষ্ট্রে১৮ + ইউপিতে৫১ টি সীট পেয়েছিল। অর্থাৎ ১৪৩ টি সীট এসেছে এই ৬ টা রাজ্য থেকে। সাম্প্রতিক কালেও এই একই ট্রেন্ড ছিলো। এইকারণেই বিজেপিকে এখনও গোবলয়ের দলই বলা হয়। কিন্তু বিগত এক দশকে বিজেপি দক্ষীন ভারতে, উত্তর পুর্বে, এবং অবশ্যই পূর্ব ভারতে সীট সংখ্যা আশংকাজনকভাবে বাড়িয়েছে।
  • --- | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:৪৮424541
  • সাইবারক্রাইম স্যোসাল মিডিয়া সংক্রান্ত খুব ভাল রেফারেন্স। একটি পাবলিক পোস্ট।

    Debarati Mukhopadhyay
    September 28 ·
    দিনকয়েক আগে এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে উদ্দেশ্য করে এবং ইচ্ছা করে ট্যাগ করে অত্যন্ত অপমানজনক মন্তব্য করেন, শারীরিক আক্রমণেরও হুমকি দেন ( লাথি মারার)। উপহাস, বিদ্রূপ, ব্যক্তিগত আক্রমণ এসব এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু স্যাডিস্টিক প্লেজার পেতে চাওয়া মানুষের ফুল টাইম প্রোফেশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেগুলো আমি ৯৯% সময়ে ইগনোর করে থাকি। ঠিক কেন্নো যেভাবে গায়ে উঠলে আমরা ঝেড়ে ফেলে দিই।

    কিন্তু ওপেম ফোরামে লাথি মারার মত সাংঘাতিক মন্তব্য দেখে এইবার আমি ঠিক করি যে একটা প্রত্যাঘাত করা ভীষণই প্রয়োজন। যে প্ল্যাটফর্মে উর্মীমালা বসুর মত বর্ষিয়সী শিল্পীকে অকল্পনীয় নোংরা কথা বলা হয়, সেখানে ইগনোর‍্যান্স এইসব লোকেদের উত্তরোত্তর স্পর্ধা বাড়াচ্ছে। নিঃশর্তে বহু শুভাকাঙ্ক্ষী আমার পাশে দাঁড়ান।

    আমি প্রথমেই লোকটির প্রোফাইল ট্র‍্যাক করি। তাঁর কর্মস্থল থেকে শুরু করে বাসস্থান নোট করে নিই। তারপর যোগাযোগ করি লালবাজার সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্টে। আমার বেশ কিছু ব্যাচমেট সেখানে পোস্টেড। তাঁরা অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত শুরু করেন, এবং বিকেলের মধ্যে বারাসাত থানা ( লোকটির বাসস্থান) থেকে লোকটির ডিটেইলড ঠিকানা আমায় জানানো হয়। এরপর আমি আমার আইনজীবীকে দিয়ে মানহানির পিটিশন ফাইল করি as per Section 66 of IT Act এবং IPC 499, 500।

    লোকটি রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থায় কর্মরত হওয়ায় তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সমস্ত বিশদ নেটে সহজলভ্য। আমি আমার থানায় করা FIR এর কপি সেই সংস্থার HRD তে ইমেল করি। তাঁরা প্রত্যুত্তরে জানান, কোর্টে যে পিটিশন ফাইল করা হবে, তার কপি ওঁদের কলকাতা সদর দপ্তরে পাঠালেই ওঁরা সেই কর্মীর বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন।

    ইতিমধ্যে এক প্রথম সারির সংবাদপত্র বিষয়টি তাদের কাগজে প্রকাশ করে। আর এই খবর প্রকাশের সাথে সাথেই সেই ব্যক্তি বুঝতে পারেন যে উনি ভালই ফেঁসেছেন।

    গত বছর দুই-তিনে একটা ব্যাপার পর্যবেক্ষণ করেছি। যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় কুৎসিত মন্তব্য, মিম, ট্রোল বানায়, খিল্লির বন্যা ছোটায়, তারা প্রচণ্ড spineless. আত্মমর্যাদা বা ব্যক্তিত্বের ছিটেফোঁটাও তাঁদের নেই। যতক্ষণ না আপনি তাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন, তারা আপনাকে অপমান করেই যাবে। আর যেই দেখবে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে, অমনি তারা পায়েও পড়ে যাবে।

    এক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই হয়।

    আমার একটি বইতে প্রকাশকের ফোন নম্বর থাকায়, লোকটি তাঁর স্ত্রীকে দিয়ে আমার প্রকাশককে ফোন করে ক্ষমা চান এবং আমার কাছে ক্ষমা চাওয়ার জন্য আমার নম্বর চান। আমার প্রকাশক পরিষ্কার জানান, বিষয়টি আর সেই পর্যায়ে নেই।

    সেই ব্যক্তি ছাড়াও যারা প্রায়শই বিনাদ্বিধায় বিনাভয়ে যাকে যা খুশী বলে চলেন, কোন একটা বিষয় হলেই রে -রে করে ইঁট পেতে চলে আসেন, ভার্চুয়াল দুনিয়ায় খাপ বসিয়ে ফেলেন, নিজেদের অপদার্থতা ঢাকতে সফল কোন মানুষকে নিয়ে গণ-অপমানের ফোয়ারা ছোটান, সেই বীরপুঙ্গবদেরও অনেকেই আমার কাছে দুমদাম করে ক্ষমা চাইতে শুরু করেন। ঠিক কিছু অমেরুদণ্ডী আত্মসম্মানহীন প্রাণীর মত।

    সব শুনে ঐ ভদ্রলোকের স্ত্রীর জন্য সত্যিই আমার দু:খ হয়েছিল সেদিন। স্বামীর অপকর্মের জন্য কতটা ছোট হয়ে যে সেই ভদ্রমহিলাকে অপরিচিত একজনকে ফোন করে ক্ষমাপ্রার্থনা করতে হচ্ছে, সেই ভাবনাটা সত্যিই পীড়াদায়ক। কিন্তু ওই যে বললাম, যারা spineless হন, তাঁরা অপমানও করবেন আর কেস গড়বড় দেখলে পায়েও পড়ে যাবেন।

    এরপর বেশ কিছু লেখক আমাকে জানান যে সেই ব্যক্তি অত্যন্ত ভীত, ক্ষমা চাওয়ার জন্য বারবার আমার ফোন নম্বর চাইছেন। অগ্রজপ্রতিম সেই লেখকরা নিজেরাও এই বিষয় নিয়ে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, এদের সাহস দেখে স্তম্ভিত।

    লেখক থেকে প্রকাশক, প্রখ্যাত সম্পাদক আমার আইনি পদক্ষেপের সবাই প্রশংসা করেন এবং বলেন যে কোন প্রয়োজনে কোর্টে witness হিসেবে তাঁরা পাশে থাকবেন।

    কিন্তু সেই ব্যক্তির ক্রমাগত একে তাকে ক্ষমাপ্রার্থনা করা বাড়তেই থাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকের যেখানে চাকরি চলে যায়, সেখানে একজন মহিলাকে physical assault এর threat যে কতটা সুদূরপ্রসারী আকার নেবেন, তা উনি অনুধাবন করতে পেরেছিলেন।

    কিছু দাদা-সম লেখক আমায় অনুরোধ করেন, যেহেতু এটা প্রথমবার, যেহেতু উনি ফ্যামিলি-ম্যান, এবং যেহেতু উনি বারবার পাবলিকলি ক্ষমা চাইছেন, আমার হয়ত ক্ষমা করে দেওয়া উচিৎ। তাঁরা অনেকে এই পরামর্শও দেন, আমি ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত নিলেও তা যেন জানাই পুজোর পর। যাতে সেই ব্যক্তি গোটা পুজোটা মানসিক চাপে ছটফট করেন।

    আমি by nature vindictive নই। কারুর ক্ষতি করা বা কারুর পেছনে লাগা কিংবা কাউকে malign বা অসম্মান করা আমার স্বভাব নয়। আমি চাইও না, একজনের কৃতকর্মের জন্য গোটা একটা পরিবারের পুজোর আনন্দ মাটি হয়ে যাক।

    তাই অনেক ভেবে আমি petition টা withdraw করারই সিদ্ধান্ত নিলাম। যদিও FIR lodge হওয়ার ফলে আগামী একবছর সাইবার ক্রাইম দপ্তর সেই ব্যক্তির ভার্চুয়াল গতিবিধির ওপর কড়া নজর রাখবে। নজর রাখবে আমার বিরুদ্ধে ক্রমাগত হয়ে চলা defamatory post এবং group গুলোর প্রতিও। বাকি আর যা যা করা হবে, তা তদন্তের স্বার্থরক্ষায় গোপন রাখলাম।

    এই ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়ার উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষ, especially মেয়েদের সোশ্যাল মিডিয়ায় bullying এর মোকাবিলা করার স্টেপ সম্পর্কে অবহিত করা।

    যদি দেখেন, কোন ব্যক্তি আপনাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুমন্তব্য করছে বা মেসেজ করছে, আপনি যা যা করবেনঃ

    ১. প্রথমেই সমস্ত প্রমাণ স্ক্রিনশট সহযোগে মজুত করবেন নিজের কাছে।

    ২. লোকটির প্রোফাইল ট্র‍্যাক করে যত ইনফরমেশন পাওয়া যায়, কালেক্ট করবেন।

    ৩. সমস্ত তথ্যপ্রমাণাদি সহ গোটা বিষয় জানিয়ে email করবেন [email protected]। ফোন করবেন 9836513000 এ।

    ৪. ভারতীয় দন্ডবিধির 499, 500 এবং section 66 of IT Act অনুযায়ী কাউকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপমান/অবমাননা/reputation loss/ malign করার জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত হাজতবাস হতে পারে। মানহানির মোকদ্দমা মৌখিক অপমানে যদি বা প্রমাণ করা কষ্টসাধ্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবই written হওয়ায় এই মামলা খুবই সহজ। সবচেয়ে মজার ব্যাপার, আপনি নিজে যদি ধরা যাক শিলিগুড়ির বাসিন্দা হন এবং জলপাইগুড়ি জেলা কোর্টে মামলাটি দায়ের করেন, তবে অভিযুক্ত কলকাতায় থাকলেও প্রতিটা hearing এ তাঁকেই ছুটতে হবে জলপাইগুড়ি, আর আপনাকে প্রথম বার ছাড়া কোর্টেও যেতে হবে না।

    ৫. লোকটির employer কে গোটা বিষয়টি জানিয়ে সমস্ত attachment সহ ইমেল বা চিঠি পাঠান। এটা অত্যন্ত ফলদায়ী অস্ত্র।

    ৬. Facebook এ defamation reporting form এপ্লাই করুন। নেটে সহজেই পাবেন। কোন পেজ কটূক্তি করলে তার বিরুদ্ধে Defamation report পুলিশি তরফে Facebook এ পৌঁছে দিন উপযুক্ত প্রমাণসহ। Investigation এর পর Facebook এর তরফে এই জাতীয় পেজ পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে নিয়ে ক্রমাগত মিম, ট্রোল, খিল্লি এগুলো Indian Penal Code এ non bailable offense. কেউ proceed করেনা তাই। করলে সবকিছুরই redressal আছে।

    অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম ইচ্ছে করেই গোপন রাখলাম। কারণ এতদূর লিগ্যালি এগনোর পর ক্রমাগত অনুরোধে ক্ষমা যখন করলাম, তাঁকে defame করার মত নীচ প্রবৃত্তি আমার নেই।

    কিন্তু এটা একটা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকুক এটাই আমি চাই।আইনি জটিলতা আমি বেশ ভাল সামলাতে পারি, আর এইরকম লোকদের উচিৎশিক্ষা দিতেও। পরবর্তীসময়ে আর একবারও এমন কিছুর পুনরাবৃত্তি হলে আমি আর ক্ষমা করব না। নিজের পদাধিকারবলে নয়, নিজের ব্যক্তিত্ববলে তাকে আমি আদালত পর্যন্ত টেনে নিয়ে যাব। সেই মনোবল আমার আছে।

    তাই কুৎসাপ্রেমী spineless রা, সাবধান হন। আমি মানুষকে সম্মান করি, প্রত্যুত্তরে সম্মান আশা করি। সেটার বারবার violation হলে দুবার ভাবব না। ঠিক যেভাবে আজ থেকে একশোবছর আগে ডঃ কাদম্বিনী গাঙ্গুলী তাঁর বিরুদ্ধে কুৎসার অভিযোগে সম্পাদকদের আইনি ঘোল খাইয়েছিলেন ঠিক সেভাবেই আমি চূড়ান্ত পর্যায় অবধি যাব।

    ফেসবুকে সেন্সর নেই বলে চাইলেই যাকে যা খুশি বলা যায়না। আইন আপনাকে বাঁচতে দেবে না। শাস্তি তো আদালতের রায়ের পর, কিন্তু ঘরের কোণে বসে থাকা so called 'ভদ্রছেলে’ হয়ে আদালত, পুলিশ, কর্মস্থলের, পাড়াপ্রতিবেশীর কৌতূহলের চাপ সামলাতে পারবেন তো? ভেবে দেখবেন। এই ব্যক্তির মত একবার ফেঁসে গেলে তখন কিন্তু যারা আপনাকে ’হা হা' ইমোটিকন দিয়ে আরো আরো খিল্লিতে উৎসাহ দেন, তাঁরা বাঁচাতে আসবেন না।

    সবার পুজো ভাল কাটুক।

    ধন্যবাদ
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়।
  • PT | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:৪৬424540
  • তিনো, টিডিপির মত বিজেপির বাহনেরা এক্কেবারে বাদ তালিকা থেকে। নিজেদের বাঁচার তাগিদে এই রাজ্যভিত্তিক দলগুলো-ই ক্রমাগত বিজেপিকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা নিতে থাকবে।
  • S | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:৩২424539
  • ছাত্র ইউনিয়ন। ট্রেড ইউনিয়ন। কিশান সভা। অ্যাকাডেমিয়ার বড় অংশ।
  • Sumit Dasgupta | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:১০424538
  • বামেদের মধ্যে কংগ্রেস!! তৃণমূল কংগ্রেস ও !
  • নীপা | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:০৪424537
  • PTর বামেদের লিস্টে CPM Congress ছাড়া আর কে আছে?
  • Sumit Dasgupta | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:০২424536
  • বামেদের তো সর্বভারতীয় কোনো অস্তিত্বই নেই, কোনো কালে ছিলই না। কী সব আজেবাজে ফালতু।
  • PT | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৭:৫২424535
  • "২০১৯ এ বিজেপির লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ফিরে আসা, ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি, অযোধ্যা ভারডিক্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর নানবিধ আক্রমণ এবং সমধিক নানা ঘটন যথেষ্ট চিন্তিত এবং আতঙ্কিত করছে এবং সেগুলো নিয়ে সুস্থ আলোচনাই একমাত্র উদ্দেশ্য আমার।"

    খ্যাল করে দেখবেন যে irrelevant ও আণুবীক্ষণিক বামেদের (= শুধু সিপিএম নহে) পতনের সাথে সাথে বিজেপির উত্থান সম্পর্কিত। সেটি বাদ দিয়ে এই আলোচনা অর্থহীন শুধু নয় এক অর্থে ইতিহাস বিরূপতার কারণে বিতৃষ্ণা জাগানোর মতও বটে।

    আর পব-র ক্ষেত্রে এই বক্তব্য আরো relevant। তিনোরা বিজেপিকে স্নেহচ্ছায়া দিয়ে লালন-পালন করেছে। দিল্লীর সেটিং-এর পরে বিজেপিকে আরো পরিসর দেওয়া হবে। অথবা পব-তে বিজেপির আদৌ আসার দরকার নেই। মঞ্চে মঞ্চে "জয় শ্রীরাম" ধ্বনি তুলে তিনোরাই বিজেপির কাজটি করে দেবে। এমনকি যে সকল অতিবদ বামেরা অনশন মঞ্চে বিজেপির উপস্থিতিতে নিশ্চুপ ছিল আর ২০১১ থেকে আঁচলের তলায় আশ্রয় নিয়েছে তারাও বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বলার moral right হারিয়েছে।

    তিনোদের ক্ষমতায়নে সাহায্য করার জন্য দিল্লী থেকে ধেয়ে এসেছিলেন কংগ্রেসের চাণক্য। আর সেই কং-এর সাম্প্রতিকতম অনুধাবনঃ
    "Mamata Banerjee is solely responsible for the rise of BJP and RSS in Bengal. Had she not pursued the policy of blatant minority appeasement, BJP wouldn't have found a footing in Bengal.
    "Her policy of removing all opposition, poaching on opposition leaders and representatives has only led to the rise of BJP. Now she has no right to complain about it," Mitra told reporters.
    //economictimes.indiatimes.com/articleshow/69704144.cms?utm_source=contentofinterest&utm_medium=text&utm_campaign=cppst"

    যারা "বাম" বলতে শুধু "বাম দল" আর দিল্লীতে সিটের সংখ্যা বোঝে তাদের রাজনৈতিক বালখিল্যতা গগনচুম্বী। এখন "বাম" ঐতিহাসিকেরাও বিপন্ন কেননা ASI এখন বিজেপির করতলগত। যে কেউ এখন আরবান নক্সাল বা দেশদ্রোহী ছাপ পেয়ে জেলে চলে যেতে পারে।

    RSS-এর এজেন্ডায় আছে "বামমুক্ত" ভারত। সেটার অর্থ শুধুমাত্র সিপিএমমুক্ত ভারত নয়। কিন্তু পব-র সমস্যা হচ্ছে যে সেই এজেন্ডায় তিনোনেত্রী ২০০৩ সালে সিলমোহর লাগিয়ে এসেছেন। কাজেই এই দলটির রাজনৈতিক অবস্থানকে বাদ দিয়ে বিজেপির রাজনীতির সমালোচনা করার প্রবণতায় একধরণের রাজনৈতিক অসুস্থতা প্রকটিত হয়।
  • Amit | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:৫৬424534
  • আমার মন্তব্যটা অর্জুনের IP Address : 237812.68.454512.252 (*) Date:11 Nov 2019 -- 03:32 PM পোস্টার প্রেক্ষিতে ছিল। আপনাকে উদ্দেশ্য করে নয়।
  • Sumit Dasgupta | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:৪৯424533
  • বামেদের আবার কে অনুরোধ করল আবার? যাদের জাতীয় রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিকতা নেই, কোনো কালে তেমন কিছু ছিলও না - তাদের কাছে কারা কি এক্সপেক্ট করছে, আর কেনই বা করবে, আর করলে জাতীয় স্তরে তাদের তো কোনো ভয়েসই নেই, কূ কালে ছিলও না, কেই বা শুনছে তাদের কথা।
  • Amit | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:৪১424532
  • আরে সেটাই তো বলছি। বামেরা চিরকাল ই অল ইন্ডিয়া লেভেল এ ইরেলেভ্যান্ট ছিল এবং আছে। সুতরাং তাদের গলা তোলবার জন্যেই এতো পয়েন্টলেস অনুরোধ আসে কেন ? বাকি যারা যা যা কিছু করতে পারেন, তারা করুন না। না হলে চলুক যা চলছে।
  • Sumit Dasgupta | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ০৫:১৮424531
  • ভারতবর্ষে বাম দলগুলি আবার কবে রেলেভ্যান্ট ছিল। পশ্চিমবঙ্গ/ত্রিপুরাতে দুই-তিন দশক, কেরালা বিচ্ছিন্নভাবে কিছু টার্ম। যেমন, তামিলনাড়ুতে ডিএমকে, বা, অন্ধ্রে তেলুগু দেশম ছিল। এখন কেউ যদি বলে যে, অন্ধ্রতে তেলুগু দেশম হেরে গেল বলে, বা, পশ্চিমবঙ্গে সিপিএম হেরে গেল বলে সারা দেশে বিজেপি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে - এর চেয়ে হাস্যকর আর কি আছে।
    বামেরা আঞ্চলিক দলের বাইরে জাতীয় ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকাই কখনও নিতে পারে নি। বামেদের অস্তিত্ব আঞ্চলিক দল হিসেবেই ছিল, এখন তো তাও কমে গেছে। সুতরাং, এ বামেরা নেই বলে হেনাতেনা হচ্ছে এসব ফালতু হ্যাজানো। তাছাড়া ঐ দু-একটা রাজ্যে বামেরা ক্ষমতায় থাকার সময়কালেই, আদবানি রাম রথযাত্রা, বা, রাজীব গান্ধী বাবড়ি মসজিদের মধ্যে হিন্দু উপাসনার অনুমতি দেওয়া -- এইসব কান্ড হয়েছে, বামেরা কিস্যু করে নি তখন, আর করবেই বা কেন, তারা আঞ্চলিক দল, নিজের রাজ্যের ভোটব্যাংক ছাড়া বামেদের কোনো জাতীয় ভূমিকাই ছিল না, যা প্রতিবাদ করার তবু লালু যাদব-রাই করেছে।
    সুতরাং, বামেরা বরাবরই ইরিভ্যালেম্ট ছিল, এখনও তাই। জাতীয় রাজনীতিতে তাদের কোনো ভূমিকাই নেই। কোনো কালে ছিলও না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত