এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Du | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:২৮424620
  • প্রতিবাদ তো করছেই - ৩৭০ থেকে রায় থেকে জলকামান তবে গর্জানোর শর্ত পুরন হচ্ছে কিনা জানিনা ফেসবুকেই সেগুলো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে এন্ডিটিভি ডট কমেও এমনকি আবাপতেও কখনো। বন্ধ ডাকেনি আর মিছিল করে যানজটও ঘটায়্নি। আর কিছু প্রশ্ন তাদের উদ্দেশ্যে থাকলে জানাবেন আমি নিজে দায়িত্ব নিয়ে জেনে জানাবো।
  • অর্জুন | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:১৯424619
  • @Sumit Dasgupta Date:12 Nov 2019 -- 05:18 AM র মেসেজটা পড়ে ভাল লাগল।

    তৃণ- বিজেপির ফিসির, ফিসির চর্বিতচর্বণ অনেককাল শুনলাম। কিন্তু
    তার বাইরে গিয়েও একটু পর্যালোচনা করতে হয়।

    আনন্দবাজারে একটা ভাল প্রবন্ধ পড়েছিলাম খুব সম্ভবত জয়ন্তানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি লিখেছিলেন কি ভাবে প্রকাশ কারাট একটু একটু করে তার নানান রাজনৈতিক ব্লান্ডারের জন্যে বিজেপি'কে জায়গা করে দিয়েছেন আর তাকে সাহায্য করেছে তার সাক্রেদরা।
  • অর্জুন | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ২৩:০৪424618
  • @অমিত বাবু

    সকালে আপনার এই মন্তব্যটা থেকে ঠিক কি বোঝাতে চাইলেন?

    'বামেরা চিরকাল ই অল ইন্ডিয়া লেভেল এ ইরেলেভ্যান্ট ছিল এবং আছে। সুতরাং তাদের গলা তোলবার জন্যেই এতো পয়েন্টলেস অনুরোধ আসে কেন ? বাকি যারা যা যা কিছু করতে পারেন, তারা করুন না। না হলে চলুক যা চলছে।'

    বামেরা অপ্রাসঙ্গিক ?বামেরা 'ইরেলেভ্যান্ট' ? সেই জন্যে তারা কোনো প্রশ্নের সম্মুখীন হবার মত যোগ্যতাটাও হারিয়েছে? তো সেই রকম একটা রাজনীতির ধ্বজা নিয়ে যারা বসে আছেন এবং তাদের একটা প্রশ্ন করলেই 'রে রে' করে তাড়া করেন তাদের রাজনৈতিক অবস্থানটা কি সাংঘাতিক এম্ব্যারাসিং! একটু চিন্তা করে দেখুন। বামেরা প্রশ্নেও নেই। উত্তরেও নেই। ছিঃ

    নাকি বলতে চাইলেন বামেরা স্থায়ী অবসর নিয়ে বাংলা আর কেরালায় ডাব, নারকেল, ছোলা, মুড়ি খাচ্ছে, তাই থাকতে দিন। আর বেচারাদের জ্বালানো কেন?

    জে এন ইউ'র প্রতিষ্ঠার পশ্চাতে বামপন্থীদের সবিশেষ ভূমিকা ছিল। শুধু প্রতিষ্ঠা নয়, জে এন ইউ' মার্ক্সিস্ট হেজামনি ওদের সিগ্নেচর ছিল এতকাল। তো সেই প্রতিষ্ঠানের ওপর আক্রমণ হলে সেখানে বামেদের প্রতিবাদ খুব 'রেলেভ্যান্ট' মনে হয়েছিল বলেই জিজ্ঞেস করেছি। প্রয়োজনে আবার করব।

    @পিটি, আমি বাম বিরোধী এটা বোঝার জন্যে কোনো গবেষণা লাগেনা। শুধু বামবিরোধী নই, বামেদের সম্পর্কে বেশ ছুঁৎমার্গ মেনটেন করি।
  • S | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ২১:২৩424616
  • আমি কি বললাম?
  • কোয়ার্ক | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ২১:১৯424615
  • বড়ো এস কি আমাকে বল্লেন? তা ধরুন পিটার হিগস্‌ এর নোবেল পেতেও তো প্রায় পঞ্চাশ বছর লেগেই গেলো।
  • aka | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ২০:৩৭424614
  • নারদ নারদ তো কতবার পড়েছি, কিন্তু এমন করে কথাগুলো মাথায় ঘোরে নি।

    আই ডোন্ট কেয়ার কানাকড়ি - জানিস আমি স্যাণ্ডো করি?"
    "ফের লাফাচ্ছিস! অলরাইট কামেন ফাইট! কামেন ফাইট!"
  • র২হ | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:৩০424613
  • ওদিকে কতগুলি আনাড়ি ছড়া ও পদ্য নবনীতা দেবসেনের কবিতা নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে ও লোকে পড়ে আবেগে আলুথালু হচ্ছে।
  • b | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৬:২৪424612
  • ভেবেছিলাম, কিন্তু আপনি আবার যা রেগে যান! শেষে অ্যাবেটমেন্ট টু হাই ব্লাড প্রেসারের দায়ে পড়বো নাকি?
  • এলেবেলে | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৬:১৯424611
  • একে বলে টেনে খেলানো! একই পত্রিকায় এই অধমেরও ৩৭৫০ শব্দ বিশিষ্ট একটি ল্যাখা প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু হায়, তাহা অত্র কেহই চিপকাইবার কথা ভাবে নাই!!
  • b | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৫:৩৭424610
  • চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম নামক ই-পত্রিকায় যশোধরা রায় চৌধুরীর-র এই লেখাটা বেরিয়েছে। এখানে শেয়ার করলাম।

    মেধার করাত
    চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম
    যশোধরা রায়চৌধুরী

    শুধু তুমি সুস্থ হবে।
    আমি দিয়ে দেব আমার কোজাগরীর চাঁদ,
    শাদা দেয়ালের ময়ূরকণ্ঠী আলো,
    দিয়ে দেব বিগত বছরের মরা পাখির মমতা,
    আর আগামী বছরের কলাগাছটির স্বপ্ন।

    (আরোগ্য, নবনীতা দেবসেন)

    একটি উজ্জ্বল প্রাণবন্ত হাসি ও দুই মেধাবী চক্ষুর ছবিটি রয়ে গেল পাঠকের চিত্তে। এই লেখা যখন লিখছি তার ঠিক ঘণ্টাতিনেক আগে জেনেছি উনি নেই। উনি যে অসুস্থ সে কথাটা তার আগে থেকেই জানি। গত রবিবার, মানে ঠিক পাঁচ দিন আগে, এক পত্রিকায় তিনি লিখেছেন, আক্রামক কর্কটরোগকে নিয়ে, আই ডোন্ট কেয়ার কানাকড়ি, জানিস আমি স্যান্ডো করি! সে লেখা সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তে ভাইরাল। এতটা প্রাণশক্তি নিয়ে, মৃত্যুকে এতটা তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে আর কারওকে লিখতে দেখিনি আমরা। না সাম্প্রতিক কালে, না অতীতে। জীবনকে একশো দশ শতাংশ বেঁচে নেবার কারিকুরি তিনি জানতেন, আমাদের শেখাবার চেষ্টা করেছিলেন। একজন কর্কটরোগীর মুখে এতটা জীবনকে ভালবাসার কথা শুনলে জীবনের প্রতি নতুন করে বিশ্বাস ফিরে আসে। এই অ্যাটিচিউডই নবনীতা দেবসেন।

    হ্যাঁ অ্যাটিচিউডই ঠিক কথা। আজ যাঁরা তাঁর প্রয়াণে আত্মীয়বিয়োগের বেদনা পেলেন তাঁদের অধিকাংশের সঙ্গেই ওঁর পরিচিতি হয়ত বা কেবল ওঁর আখরগুলির মাধ্যমে। ব্যক্তিগত চেনার গণ্ডি কতটুকুই বা। আমি হয়ত ওঁকে ব্যক্তিগত চিনতাম, আজ মনে হচ্ছে তা নিয়ে বড়াই করার আছেই বা কী। তারও বহু আগে থেকে আমি যে ওঁর পাঠক। আর এই সম্পর্কই যে চিরস্থায়ী, অমোঘ। কেননা তিনি তো অক্ষরযাত্রী।

    আমি কি আজও ভুলতে পারি ইশকুল জীবনে আমার আর আমার দিদির কাড়াকাড়ি করে পড়া ট্রাকবাহনে ম্যাকমোহনে? ভুলতে পারি না আনন্দবাজারের পাতায় পড়া সেই আশ্চর্য জাদুকরী কাহিনি, ওঁদের বাড়ির কোনও কার্নিশে বেড়াল চড়ে বসার পর দমকল ডেকে তাকে নামানোর কাহিনি। মধ্যরাতে পাড়ার পথে সাইকেল চালাতে শিখছেন নবনীতা, সে কাহিনিতে ফুলে ফুলে হেসে উঠিনি আমরা অনেকেই?

    সরসতায় ভরা আত্মজৈবনিক গদ্যের এক অন্য ঘরানা তৈরি করেছিলেন নবনীতা। মুহূর্তে আত্মীয়তা সৃষ্টি হত পাঠকের সঙ্গে। এত রসিক, এত জ্যান্ত গদ্য ছিল তাঁর। জনপ্রিয়তার শীর্ষে তিনি তো প্রথমত এই গদ্যের জন্যই। পরে তাঁকে নিয়মিত পেয়েছেন পাঠক ‘ভালবাসার বারান্দা’ নামের কলমে। সংবাদ প্রতিদিন রোববারের পাতায়। সেই এক সুর, স্বর। ব্যক্তি আর সমাজের গণ্ডিকে তোয়াক্কা না করা লেখা। অথচ কত সংবেদী আর তন্নিষ্ঠ। অবজেক্টিভ থেকে সাবজেক্টিভ অনায়াস যাত্রা তাঁর। রসে টইটুম্বুর। যখন মজা করছেন, মজা। সে এক আশ্চর্য উইট। উইট তো আসে বুদ্ধির দেদীপ্যমানতা থেকেই। তাই পরের লাইনেই যখন কঠিন বিষয়ে ঢুকবেন, সেখানেও যুক্তির যথাযথতা পাব আমরা। তখন জরুরি কঠোর প্রতিবাদ নেমে আসছে ক্ষুরধার ভাষায়। ভোলা যায় না অসামান্য অনুবাদে লাল্লার কবিতা নিয়ে একটি লেখাকে। দরদের সঙ্গে মেধার যে যোগ ছিল সেখানে তা অনিবার্য ও মোক্ষম। সঙ্গে প্রাঞ্জল অনুবাদ।

    বাঙালির আবেগপ্রবণতার যে দুর্নাম আছে তা মিথ্যে করেন নবনীতা। মেয়েদের আবেগপ্রবণতার যে দুর্নাম আছে তাকে তো বহু আগেই ফুৎকারে উড়িয়েছেন। শি অলসো র‍্যান, মেয়েদের লেখা নিয়ে যে নীরবতার রাজনীতি থেকে যায়, তার মূর্তিমতী প্রতিবাদ তিনি। তাই তাঁর লেখা সর্বদা প্রখর বুদ্ধিদীপ্ততার আলোয় ভরা। সেটিকে মেয়েলি বা পুরুষালি বলে দাগিয়ে দেওয়া যাবে না। এক মুক্তমনার লেখা, এটুকুই বলা যায় শুধু। এক মানুষের লেখা, এটুকুই ভাবা যায়। সেখানে নরেন্দ্র দেব রাধারাণী দেবীর আলোকপ্রাপ্ত লিবারাল মনস্কতার সম্পূর্ণ উত্তরাধিকারী তিনি। তবু, জেন্ডার নিয়ে স্পষ্ট মত তাঁর, কোথাও কোনও ছায়া বা অস্পষ্টতা কখনও দেখা যেত না। নারীজন্মকে নিয়ে কোনও হাহাকার নয়। বরং সম্পূর্ণ সচেতন স্বীকৃতির পর যে লড়াই আসে, সেই লড়াকু অস্বীকার।

    পাশাপাশি অন্য সব ধরনের কুযুক্তি, ধর্মান্ধতা, পিছু হঠা, অন্ধকারকে তাঁর মেধা যুক্তির করাত দিয়ে ফালাফালা করতেন তিনি। আর সেখানেই তিনি ছিলেন আমাদের প্রহরী। অযৌক্তিক, অবৈজ্ঞানিক ভাবনাচিন্তা আচরণের বিরুদ্ধে অ্যান্টিডোট, ঔষধসম।

    একাশি বছর বয়স খুব কম নয়। গৌরীদেবী স্মৃতি পুরস্কার, মহাদেবী বর্মা পুরস্কার, ভারতীয় ভাষা পরিষদ পুরস্কার, সাহিত্য আকাদেমি, পদ্মশ্রী, বিদ্যাসাগর পুরস্কার, এই সমস্ত স্বীকৃতির পালক কখনও তাঁর সতেজ ভাবনাচঞ্চল মনকে ভারাক্রান্ত করেনি। কত কাজ করেছেন এই এত দীর্ঘ সময়ে। “আমি, অনুপম” অথবা “প্রবাসে দৈবের বশে”-র দীর্ঘ উপন্যাসের বিস্তৃতি থেকে “শীতসাহসিক হেমন্তলোক”, নিরীক্ষায় ভরা “বামাবোধিনী”, মেধা দিয়ে সময়কে ডকুমেন্ট করতে করতে তাঁর এগিয়ে যাওয়া। বিন্দুমাত্র আলস্য কোথাও ছিলনা যে, তা তাঁর সমস্ত লেখায় সমস্ত আচরণে অভ্যাসে উঠে এসেছে পরবর্তী প্রজন্মের সামনে। এত বড় রোল মডেল আর কোথায়। কাজের এক ক্ষেত্র হয়ত জেন্ডার বা লিঙ্গসচেতনতা। কিন্তু শুধুই নারী লেখক ও সংস্কৃতিকর্মীদের এক ছাতের তলায় এনে ‘সই’ নামের গোষ্ঠী গঠন করাটা নয়। সেটা তাঁর বড় কাজ তো বটেই। সেখানেও প্রায় আন্তর্জাতিকভাবে ডালপালা মেলেছেন তিনি। ডাক দিলেই সারা ভারত থেকে কত যে নামী আলোচক-শিল্পী-লেখক ছুটে এসেছেন, যাঁদের নিজেদের কাজ জেন্ডার নিয়ে। কত মেধাবী সন্ধ্যা উপহার পেয়েছে কলকাতা তাঁর অনুপম আয়োজন সইমেলায়।

    তবে তার বাইরেও অ্যাকাডেমিক নবনীতা, লেখক নবনীতা, কবি নবনীতা আরও কতভাবে ডালপালা ছড়িয়ে ছিলেন, কত মানুষের, ছাত্রের, পড়ুয়ার মেধার আশ্রয় হয়েছিলেন তার তো ইয়ত্তা নেই। মাঝে মাঝে দুঃখ করতেন, আমাকে কবি হিসেবে তোরা পাত্তাই দিস না। যাঁর এত্তগুলো পরিচয়, বাঘা গদ্যকার, তুখোড় রসরচনাকার, বিরাট আয়োজক-আহ্বায়ক, নারীবাদী, শিক্ষক, বিদ্বান, তাঁর কবি পরিচয়টি হয়তো সত্যি অনেকটাই আড়ালে চলে গিয়েছিল। কিন্তু নবনীতাদির ভাষায়, “কবিতাই আমার প্রথম প্রত্যয়।” ১৯৫৯-এ প্রকাশিত তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নামও তাই ‘প্রথম প্রত্যয়’। কবিতাও কত যে অমোঘ, মন্ত্রোপম হয়ে উঠতে পারে, পুরনো আখর আবার আজকের অনুভবে তীব্রভাবে রিনরিনিয়ে উঠে জানান দেয় নিজেকে, তারই প্রমাণ থাক এখানে।

    কাছে থাকো। ভয় করছে। মনে হচ্ছে
    এ মুহূর্ত বুঝি সত্য নয়। ছুঁয়ে থাকো
    শ্মশানে যেমন থাকে দেহ ছুঁয়ে একান্ত
    স্বজন। এই হাত, এই নাও, হাত।
    এই হাত ছুঁয়ে থাকো, যতক্ষণ
    কাছাকাছি আছ, অস্পৃষ্ট রেখো না।
    ভয় করে। মনে হয় এ মুহূর্ত বুঝি সত্য নয়।
    যেমন অসত্য ছিল, দীর্ঘ গতকাল
    যেমন অসত্য হবে অনন্ত আগামী।

    (পাণিগ্রহণ, নবনীতা দেবসেন)

    আবারও, বাঙালির আজ গুরুদশা। মাথার ওপর থেকে আরও একটা ছাত উড়ে গেল আমাদের। বাঙালি হিসেবে যা নিয়ে গর্ব, যে যে লক্ষণে বাঙালির নিজেকে চেনার অহঙ্কার, তা যে এক বিশেষ কালখণ্ডের ফসল, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত আলোকপ্রাপ্ত এক ধরনের মনস্কতার ফসল, সেই সময়টা দ্রুত অপসৃয়মান। আবারও আরেক প্রহরী সরে যাওয়াতে বড় স্পষ্ট হয়ে গেল তা। মেধাবী করাত সরে গেল। আমরা আবারও একটু নিরাপত্তাহীন হলাম।
  • b | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:৫৪424609
  • এগ্গে।
  • PT | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:৫৩424608
  • আহা, সোজা সাপটা বলুনই না কোথায়, কোন উৎসবে গা ভাসাতে যাচ্ছেন। আমরা অনেকেই নাহয় পরের মুখেই ঝাল খেলুম।
  • এলেবেলে | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:৫০424607
  • আমি নবদ্বীপে থাকি জেনে গেছেন বুঝি?
  • b | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:৪৭424605
  • (কিন্তু আফনে তো নবদ্বীপেরই)
    আমি কলকাতায় থাকি জেনে গেছেন বুঝি? কি মুশকিল রে বাপ। রাস আবার ছোটো জাতের কবে বললাম? যেখানে থাকি সেখানেও তো রাস ঘটাপটা করেই হয়, এমনকি ভারতের বাইরে থেকেও লোক আসে। যা বলি নাই মুখে সেই কথা বসানো কি নব্যন্যায়ের পীঠস্থানের লোকের সাজে?
  • sm | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:৪৭424606
  • তাহলে ক্লিয়ার।তাৎক্ষণিক ডেঞ্জার বুঝা গেছে।কোন দল সেটাও বুঝা হয়ে গেছে।
    তাহলে প ব তে বাম দল গুলোর উচিত, জিভ কামড়ে তিনো দের গর্তে ঢুকে পড়া।
    ভুল করে বিজেপির গর্তে ঢুকে পড়লে তো মুশকিল।
    বাস্তবে তো তাই হচ্ছে দেখছি।
  • এলেবেলে | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:৩৪424604
  • এলিট কলকাত্তাইয়াদের খাপে খাপ এলিট মানসিকতা! টুসু-ভাদু-জগদ্ধাত্রী-রাস-কার্তিক তাঁদের কাছে ছোটলোকদের ব্যাপার-স্যাপার বই অন্য কিছু নয়!! কারণ ওগুলো কলকাতার ভদ্রবিত্তরা করে না!!!

    নবদ্বীপের রাস শাক্ত-বৈষ্ণবের মহামিলন। মঙ্গলকাব্যের দেবী কমলেকামিনীও এখানে পূজিতা হন, যেমন হন কৃষ্ণকালী। কারণ নবদ্বীপ কেবল চৈতন্যর নয়, আগমবাগীশেরও।

    মদ্যপান প্রসঙ্গে আব্দুল মান্নানের উক্তি মনে পড়ল। কং যখন সিপিএম-তিনোর সমদূরত্বে তখন তিনি বলেছিলেন, "দুধ দু'দলই খায়। সিপিএম খায় স্ট্র দিয়ে, তিনো খায় গ্লাস থেকে সরাসরি। তাই তিনোর মুখ ভর্তি সর"।

    আর হ্যাঁ, কলকাত্তাইয়া বাবুবিবিদের জানানো যাচ্ছে যে রাস বিষ্ণুপুর ও কোচবিহারে সাড়ম্বরে পালিত হয়ে থাকে। অকারণে উটের পাকস্থলি বানিয়ে লোক হাসিয়ে কী লাভ?
  • PT | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:৩০424603
  • "২০১১য় বুঝেছিলেন যে বিজেপি আসবে তিনোর হাত ধরে?"
    কেউ কেউ তো সেই অনশন মঞ্চের দিন থেকেই বুঝেছিল আর তাই নিয়ে ঘ্যানঘ্যান করেই যাচ্ছে।
  • b | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:১৫424602
  • তা এই সম্পর্কে গল্প শুনেছি। নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজের এক প্রফের কাছে।
    নবদ্বীপের এক নামকরা অধ্যাপক, তিনি কলকাতার ততোধিক নামকরা কলেজে পড়াতেন, রাসের সময় কলকাতা থেকে গাড়িতে করে বাড়ি রওনা দিতেন। এখন মোড়ে মোড়ে জনসাধারণার্থে সার্বজনীন তাড়ি বিলি করা হত। অধ্যাপক মহোদয় মোড়ে মোড়ে গাড়ি থামিয়ে স্যাম্পল টেস্ট করে আর সচেতন অবস্থায় বাড়ি আসতেন না। ধরাধরি করে হিতৈষীরা বাড়িতে দিয়ে আসতো।
  • S | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:১১424600
  • "২০১১য় বুঝেছিলেন যে বিজেপি আসবে তিনোর হাত ধরে?"
    পব যে রসাতলে ডুববে সেটা অন্তত বুঝেছিলাম। তখন যারা তিনোদের হাত শক্ত করতে পথে নেমেছিলো, প্রশ্নটা তাদের একবার করে দেখুন কোনও সদুত্তর পান কিনা।

    "তিনো বিরোধিতা ছাড়া আর কোনও 'ক্লিয়ার অ্যান্ড প্রেজেন্ট ডেন্জার ছিল সিপিএমের?"
    এটা সত্যিই বুঝলাম না। ২০১১ সালে রাজ্যে সিপিএমের মুল প্রতিপক্ষ তিনো। তার আগে এই দলটি বিজেপির সাথে হাত মিলিয়েছে বহুবার, গুজরাতের পরেও। চরম বামবিরোধীতা দেখিয়ে কাজে, কর্মে, নীতিতে। তবুও তিনোকে সফ্ট হ্যান্ডে খেলতে হবে? কেন?
  • b | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:১১424601
  • অঃ নবদ্বীপের রাস (মানে কালিপূজোর) কথা হচ্ছে বুঝি?
  • এলেবেলে | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:০৪424599
  • এই প্রশ্নটা এখানে এবং অন্যত্র আপনি অসংখ্যবার করেছেন। এর অভিমুখ কোনদিকে আমি জানি। আমি এ-ও জানি আমি এর আওতায় পড়ি না। কাজেই...

    প্রসঙ্গত, আমার শহরে এখন বছরের শ্রেষ্ঠ উৎসবটি পালিত হচ্ছে, এলিট কলকাতা যার খবর রাখার প্রয়োজনও বোধ করে না। আপাতত কাটলাম। একটু উৎসবে গা ভাসাই।
  • PT | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:৫৫424598
  • "বাকিরা রাজি আছে কি না তা ভেবেছেন কিংবা রাজি করানোর চেষ্টা করেছেন?"
    কারা তারা?
    যারা নরম সাম্প্রদায়িকের অনশন মঞ্চে গরম সাম্প্রদায়িকদের দেখেও চুপ করেছিল? কিম্বা তিনোদের হয়ে কশাইখানা চালিয়ে এখন তিনোর সঙ্গে বিয়েয় বসে সুখে সংসার করছে? নাকি যারা এখনো ভুল স্বীকার না করে অঞ্চলতলে আশ্রয় নিয়ে আছে তারা?
  • এলেবেলে | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:৫১424597
  • আমি তাত্ত্বিক বিপ্লবীও নই, বুজিও নই! পাতি সাইকেল চেপে বিড়ি খেতে খেতে গ্রামেগঞ্জে ঘুরে বেড়াই তাঁদের সুখদুঃখের গল্পের অংশীদার হতে চেয়ে। আমাকে দয়া করে জাতে তুলবেন না!
  • এলেবেলে | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:৪৯424595
  • ২০১১য় বুঝেছিলেন যে বিজেপি আসবে তিনোর হাত ধরে? তিনো বিরোধিতা ছাড়া আর কোনও 'ক্লিয়ার অ্যান্ড প্রেজেন্ট ডেন্জার ছিল সিপিএমের? তখন?

    বাকিরা রাজি আছে কি না তা ভেবেছেন কিংবা রাজি করানোর চেষ্টা করেছেন? উল্টে ২০১৬র পুনরাবৃত্তি করছেন! কঠোর বিকল্পের পরিশ্রম নেই!!!
  • PT | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:৪৯424596
  • "হে হে এ ব্যাপারে সিপিএমের জুড়ি মেলা ভার!'
    ব্যাস, হয়ে গেল বিজেপি-বিরোধী অবস্থানের দফা-রফা!! এবার সিপিএম ধর্মাচারণের ব্যাপারে কতটা বিজেপির কাছে, হর্কিষেণ কেন পাগড়ি বাঁধতেন, সুভাষ চক্কোত্তি কেন তারাপিঠে গেলেন, বাম আমলে কেন দুগ্গাপূজো নিষিদ্ধ হয়্নি, কেন ৩৪ বছরে জ্যোতিষীরা হেজে-মজে শেষ হয়নি এবং সর্বোপরি সিপিএম আদৌ বাম কিনা সেই নিয়ে উত্তাল তাত্বিক বিপ্লব শুরু হবে।
    নিট ফল? অ্যাডভান্টেজ বিজেপি।
  • S | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:৪১424594
  • জরুরী অবস্থায় তো ইন্দিরা 'ক্লিয়ার অ্যান্ড প্রেজেন্ট ডেন্জার' ছিল বটেই। বাকী কথার সঙ্গে একমত হয়েও কিন্তু তবুও তো বিজেপির রমরমা হয়নি। আর সঙ্গবদ্ধ বামদলের প্রয়োজন তো অনেকদিন আগেই ছিল। কিন্তু তাতে বাকীরা কি রাজী আছে?
  • এলেবেলে | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:৩২424593
  • বুঝতে পারছেন না চাইছেন না? বাংলা-বিহার-ঝাড়খণ্ড-ছত্তিশগঢ়-তেলেঙ্গানা-অন্ধ্রপ্রদেশ-উড়িষ্যার যে বিস্তীর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল যেখানে একদা বামশক্তি ছিল এবং যে শক্তি এখন স্তিমিত অবস্থায়, প্রথম টার্গেট সেইটা হোক।
  • অমিত | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:২৬424592
  • আমার প্রশ্নে কোথাও বামদল আছে? এরা একেবারে অপদার্থ। কিন্তু আপনি নিজেই সম দুরত্ব র কথা বলেছেন। অন্য কেও নন। সেটার একটু ব্যাখা বা উদা আপনি নিশ্চিত দিতে পারবেন। সেটাই জানতে চাইছি একটু।
  • এলেবেলে | ১২ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:২২424591
  • @অমিত, বামেরা বাপজম্মে 'স্থায়ী সরকার বানাতে পারবে'-র অবস্থায় ছিল? কেন বিরোধী হতে খুব কষ্ট বুঝি? বিশেষত ৩৪ বছর ক্ষমতার স্বাদ পাওয়ার পরে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত