এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • খিক | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৫:২১425489
  • সিঙ্গুরে ধর্ষণ আর পোড়ানোটা ঘটেইনি, সব লোকে ভেবেছে। ভাবানো ঘটনা।
  • PT | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৫:১৪425488
  • "মনে হয় অনেকদিন হাওয়া বদল হয়নি বা রেস্টুরেন্টে নতুন কোনো খাবার খাননি।"
    নাঃ, দারুণ আনন্দে ব্যস্ত আছি। একটা বইয়ের চ্যাপ্টার লিখছি আর আগামী সপ্তাহে লক্ষ্ণৌতে একটা conference-এর জন্য লেকচার তৈরি করছি। মাঝেমধ্যে এখানে এসে জ্বালাময়ী লেখা লিখে যাই!!

    "মমতা ব্যানার্জি কাশ্মীরীদের জন্যে কি করেছেন জানিনা কিন্তু তারা তাঁর সম্পর্কে যথেষ্ট ইতিবাচক। এ তথ্যে আপনার বা অনেকের গা জ্বালা করলে কিছু করার নেই।"
    না, জ্বালা করেনা। আসলে প্রতিমার চালচিত্রের পেছনের খড়-মাটি কাশ্মিরীরা দেখতে পায় না। তাই অমন ভাবে। কিন্তু আপনার selective ইতিহাস বোধ দেখে বিপন্ন বোধ করি।

    "৯৯% শতাংশ কাশ্মীরী মনে করে তারা ভারতীয় নয়।".... আপনার এই অবাক করা আমাকে বিস্মিত করল !"
    দার্জিলিংকে গোরখাল্যান্ড বানানোর জন্য আপনার নেত্রী যখন নানাবিধ কারিকুরি চালাচ্ছিলেন তখন বিস্তর তক্ক হয়েছে এসব নিয়ে।। কাশ্মীর থেকে সিঙ্গুর সব জায়গাতেই আগে যে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া দরকার সেটা হচ্ছে যে তারা নিজেরা ঐরকম ভবছে নাকি তাদের ভাবানো হচ্ছে। সেটা প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আপনার ৯৯% সংখ্যাকে বাতুলতা ধরে নেব।

    "আপনি প্রকৃত অর্থেই 'ছাগল' বিশেষজ্ঞ।"
    সেইজন্যেই তো আপনার ও আপনার মত পন্ডিতদের সঙ্গে তক্ক করি।
  • খিক | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৫:০২425487
  • বিমান-সোমেন-চিত্ত মিলে সেই ছাগলের নাদি ঘাঁটে। যদি তারা ভেড়া হয়ে খোঁয়াড়ে ফেরে। বুড়ো বয়সে কষ্ট কত।
  • অর্জুন | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:৪৭425486
  • @PT * আপনি প্রকৃত অর্থেই 'ছাগল' বিশেষজ্ঞ।
  • অর্জুন | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:৪৪425485
  • @PT ইংরেজিতে একটা কথা আছে Take a chill pill. একটু ব্রেক নিন। মনে হয় অনেকদিন হাওয়া বদল হয়নি বা রেস্টুরেন্টে নতুন কোনো খাবার খাননি। বেড়ানো বা ভাল খাবার, দুটোই শিগগির করুন। দেখবেন মন, মেজাজ ভাল হয়ে যাবে।

    আপনার কালের মন্তব্যের ভিত্তিতে আবার বলছি ফারুক আব্দুল্লা জ্যোতি বসুকে ভাল বলেছিলেন। রাজনীতিতে কখন কে কাকে ভাল বলে! শেখ আবদুল্লাও নেহরুকে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার মত মনে করতেন আবার নেহরুই তাঁকে জেলে পুরলো। ২০০০ সালের মধ্যে (জ্যোতি বসু যতদিন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন) কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ জ্যোতি বসু সম্পর্কে কি মতামত রাখত সেটা বলেননি। ২০১৯ এ নিজে কাশ্মীরে গিয়ে জানলাম ফারুক আব্দুল্লা ও মেহবুবা মুফতি সাধারণ মানুষের কাছে একেবারেউই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা যেটা বলেছে, সেগুলো আমার মেসেজেই উল্লেখ করেছি। মমতা ব্যানার্জি কাশ্মীরীদের জন্যে কি করেছেন জানিনা কিন্তু তারা তাঁর সম্পর্কে যথেষ্ট ইতিবাচক। এ তথ্যে আপনার বা অনেকের গা জ্বালা করলে কিছু করার নেই।

    "৯৯% শতাংশ কাশ্মীরী মনে করে তারা ভারতীয় নয়।" কাশ্মীরের জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মূলেই রয়েছে কাশ্মীরীদের স্বতন্ত্র রাষ্ট্রের দাবীতে স্বাধীনতা সংগ্রাম। সে কেন্দ্রে যে সরকারই থাকুক। আপনার এই অবাক করা আমাকে বিস্মিত করল !

    আপনি নাগপুরীদের (আর এস এস) মত 'অখণ্ড' ভারত মানচিত্রের পবিত্রতায় বিশ্বাসী কিনা জানিনা। আমি নই। ভারতের গায়ের জোরে কাশ্মীরকে দখল রাখা যদি অন্যায় না হয় তাহলে '৭১ পর্যন্ত পশ্চিম পাকিস্তানের পূর্ব পাকিস্তানকে বলবত অধিকার করে রাখাও কোনো অন্যায় ছিল নয়া। কাশ্মীরীদের স্বতন্ত্র রাষ্ট্রের দাবী যদি ভুল হয় তাহলে পূর্ব পাকিস্তানের মুক্ত আন্দোলনও ভুল।

    আর এক্পটা কথা, নি প্রকৃত অর্থেই 'ছাগল; বিশেষজ্ঞ।

    বামপন্থীদের অধিকাংশ লোক এত অপছন্দ কেন করে, সেটা আপনার মেসেজের দুটো শব্দই যথেষ্ট।
  • sm | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:২৫425484
  • আর আগে যারা কংগ্রেস কে ভোট দিতো? আই মিন সিধু বাবুর আমলে?
    কিছুদিন আগে যারা সিপিএম কে ভোট দিতো,তারা?
  • PT | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:১৯425483
  • যারা বিজেপিকে ভোট দেয় তারা রামপাঁঠা আর যারা তিনোকে ভোট দেয় তারা কালো বাংলা ছাগল। এ নিয়ে বিশদে বহুবার আলোচনা রেখেছি।
  • খিক | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৪:০৯425482
  • ভোট কারো বাপের না কিন্তু চিত্তবাবু ভোট না পেলে ভোটার হল ছাগল।
  • PT | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:১২425480
  • "সজ্ঞানে বা অজ্ঞানে বামের ভোট রামে যাওয়া আটকানো তো যাচ্ছে না।"
    এবারের ভোটে বামের ভোট তিনোতে আর রামের ভোট তিনোতে যাওয়ায় আটকানো যায়নি!! ভোট কারো বাপের নয়।

    "কে না জানে পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি তে বামেরা সিদ্ধ হস্ত ছিলো।"
    এখন তো একেবারেই নেই। ক্যামেরার সামনে তো বাম নেতা নেত্রীরাই ঘুষ খাচ্ছিল। আর সারা বাংলা জুড়ে গত এক দশকে যে রাজপ্রাসাদগুলো তৈরি হয়েছে সেগুলোতে তো বামেদের মাথারাই থাকে!!
  • | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:১২425481
  • *রাজনীতি থেকে বিদেয় নি এসব কারণে, আমাদের আরেকটা ছিল, জেলা র লোকের অপেক্ষা মহানগরের ভ্যালিডেশন পাবার, যেটা বুদ্ধিজীবি দের কোনানড্রাম তার মধ্যেও আছে, অসহ্য।

  • | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১৩:১০425479
  • এস এম দা, হ্যা ঠিক। বাম ছাত্র যুব রা এখনো এমন কিছু করতে পারেন নি যাদের তাঁদের সম্ভাবনায় আকুলি বিকুলি হতে হবে। দু চারটে এদিক ওদিক ব্যাপার। বিষয় শুধু ফ্রেশ ফেস না, বিষয় ট ভ্যালু সিস্টেম এর। বামফ্রন্ট আমলে ছাত্র নেতা দের একটা বড় অংশের প্রধান অপেক্ষা ছিল কবে রাজ্য সরকারে কোন দপ্তরে পোস্ট পাবো বা কোন বড় কমিটি তে জায়গা পাবো। আমি নিজেই তিতি বিরক্ত হয়ে রাজনীতি তে এই সব নানা কারণে। পুরোনো বিপ্লবী থেকে সেল আউট সব রকমের ই বাম দের কে আমি ধরেন অন্য-যৌনতা প্রসঙ্গে অস্বস্তি তে পড়তে দেখতে অভ্যস্ত, এখন ট্রান্সরা সরকারী ভাবে ডি ওয়াই এফ এবং পার্টির পার্ট। এটা আমার কাছে পজিটিভ। কমিটির দাদু রা এখন প্রায় ই অল্পবয়সী ছুঁড়ী দের কাছে বকুনি খান, মহিলা সমিতি যে মেটার্নালিজম দিয়ে ফেমিনিজম কে রিপ্লেস করার চেষ্টা করেছিলেন, সেটা এখন সহজ হচ্ছে না। হরিয়ানার মত জায়্গায় মহিলা সমিতি আর সিটু ই বামেদের মুখ, থ্যাংকফুলি অন্য পরিচিত হ্যাক রা নন। এগুলো প্রকরণ মাত্র, এবং ইলেকটোরাল পলিটিক্স এ আনইম্পর্টান্ট। কিন্তু এগুলো অনেক প্রোগ্রেসিভ এর কাছেই ইম্পর্টান্ট।

    পাইয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে, হ্যাঁ রাষ্ট্রের একটা কাজ হল পাইয়ে দেওয়া, পজিটিভ ডিসক্রিমিনেশন ফর আন্ডার প্রিভিলেজ্ড। মানে গণতন্ত্রে সেটাই রীতি। এবং গোশালার লাইসেন্স দেবার সঙ্গে এর পার্থক্য আছে এটা আশাকরি সিভিলাইজ্ড কনভারসেশনে লোকে স্বীকার করবেন। অতএব কন্যাশ্রী, মিড ডে মিল, সাইকেল ওয়েলকাম। কোনটা কার স্কিম, কোন টা কে আসলে শুরু করেছিল টা ইসুই না। মমতার আমলে এই স্কিম এর গতি বেরেছে পিরিয়ড। কিন্তু তাতে কি জেন্ডার ইকুয়ালিটি র পক্ষে, পাচারের বিপক্ষে লড়াই শেষ হয়ে গেছে তা না। বাট স্টিল ক্রেডিট হ্যাস টু বি গিভেন হোয়ার ইট ইজ ডিউ। এবার এটার সঙ্গে ইউনিয়ন রাইট্স, বা পেনসন রাইট্স (যেগুলো আসলে এই মমতাই কেড়েছেন অনেক ক্ষেত্রে) বা জমির পাট্টা র পাইয়ে দেওয়ার পার্থক্য আছে। শুধু ক্যাশ ট্রান্সফার বনাম অন্য পাইয়ে দেওয়ার পার্থক্যের জন্য না। শুধুই ইনফ্রা স্ট্রাকচার এ সরকারের পার্টিসিপেশন বনাম ক্যাশ ট্রান্সফার (বা ইউ বি আই না), এগুলির সঙ্গে প্রগতিশীলতার সাধারণ সম্পর্ক টি একটু বেশি ঘনিষ্ঠ। আমি সেই অর্থে বলেছি।

    যাক। ঠিকাছে, ওভার অল আমি এস এম দার সঙ্গে, ইন ফ্যাক্ট পি টি, এল্লেবেলে, অন্যান্য অনেকের সঙ্গেই এক মত তবে আর কি টু অ্যান এক্সটেন্ট ইন ইচ কেস।

  • sm | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১২:১৬425478
  • এমনটাই দেখতে চাই।টিভি তে বাইট বেশি করে দেওয়া, এই পরিস্থিতিতে অনাবশ্যক।
    আর খ, কে।
    নবীন দের নেতৃত্বে দিয়ে সি পি এম তথা বামেরা দেখতেই পারে।পুরোনো লোকেরা তো বারংবার ব্যর্থ হচ্ছে।সজ্ঞানে বা অজ্ঞানে বামের ভোট রামে যাওয়া আটকানো তো যাচ্ছে না।
    আর কে না জানে পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি তে বামেরা সিদ্ধ হস্ত ছিলো।কিন্তু কে পাচ্ছে, সে দিকে নজর টিও কড়া ছিলো কি না।
    আর অর্জুন কে। পব সংখ্যা লঘু দের কাছে,বিশেষত কাশ্মীরি দের কাছে, বরাবর ই গ্রহণ যোগ্য স্টেট।আগে শালোয়ালারা ঘুরে ঘুরে শাল বিক্রি করতো।এখন শহর তলি গুলোতেও নিজেদের দোকান রয়েছে।
    লোকাল গন্ডগোল ও বেশি ফেস করতে হয় না,তাদের।এটা সিপিএম আমলেও ছিলো।
  • PT | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১১:১৩425477
  • sm-এর জ্ঞাতার্থেঃ
    জাতীয় নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) বিরোধিতায় জেলা এবং শহরে বামেদের প্রতিবাদী সভা-সমাবেশ চলছেই। তার পাশাপাশিই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বিলগ্নিকরণের প্রতিবাদ, শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি-সহ সাধারণ মানুষের রুটি-রুজির সমস্যাকে পুঁজি করে আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ‘লং মার্চ’। শ্রমিক সংগঠনগুলি ওই পদযাত্রার উদ্যোক্তা হলেও বাম ও কংগ্রেসের সব শাখা-সংগঠনের কর্মী-সমর্থকেরাই ‘লং মার্চ’-এ পা মেলাবেন। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, বামেদের সঙ্গেই সর্বত্র পতাকা নিয়ে দলের কর্মীদের পথে নামার নির্দেশ যেমন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র দিয়েছেন, তেমনই তেমনই কলকাতার দিকে আসার পথে কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে পদযাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা করার জন্য কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্বের কাছে নির্দেশিকা যাচ্ছে।
    https://www.anandabazar.com/state/left-congress-aims-at-mega-show-in-city-after-spending-nights-en-route-1.1075964
  • | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৫৯425476
  • আচ্ছা খোকা খুকু দের হিংসুটি পনা বাড়ানোর জন্য একটু বলে যাই। কাল বাড়িতে মুজতবার ছেলের পাঠানো বই ইত্যাদি উপহার এয়েচে, তো ভেবে দেখলাম, মুজতবা তো সত্যি ই প্রকৃত আদি ব্রাহ্ম সমাজ, যদিও পরে বোলপুরে ব্রাত্য, এই জন্যেই অনেকে বোধায় আমায় একটু এক্স্ট্রা ভালো বাসে ঃ-))))

  • | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৫০425475
  • একটা প্রশ্ন উঠতেই পারে, মমতার দলে তো গণতন্ত্র বলে কিসু নাই, মূলত তোলাবাজি র ভাগ দিয়ে তৈরী লয়ালটি, আর এখন এসেছে নেহরু র প্রিয় টেকনোক্রাট দের মত, নতুন ইলেকশন কনসালটান্ট, তাতে আর যাই হোক, দল ভাইটালাইজ করেছে প্রমাণ হয় না, তার মোকাবিলা করতে আমার ইনটারনাল ডেমোক্রাসি লাগবে কেন, রেজিমেন্টেশন তুলে দিতে হবে কেন, মানুষের কাছে বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে যেতে পদ্ধতির কি এমন আলাদা গঠন সম্ভব? ভাষা তে কি গালাগাল আর বাজে রিফ্রেন না বাড়ালে মানুষের কাছে পৌছনো যাবে না? ঘটনা টা হল, মানুষ বামপন্থী দের কাছে যেটা আশা করবে সেটা মমতার কাছে আশা করবে না। নেতৃত্ত্ব পরিবর্তনের কথা অনেকে বলেন, যেন বিমান বসু দের বদলে বলিউড টলিউড এলেই বামপন্থার জয় জয়াকার আরম্ভ হবে। হ্যাঁ অপেক্ষাকৃত তরুন দের এগোনো উচিত ঠিক ই কিন্তু তাদের কথা বার্তায় রাতারাতি পরিবর্তন আশা করা ভুল।

    আমার মনে হয় না সিপিএম সমর্থক রা, এটা আদৌ বোঝেন বা মানুষ কে বোঝানোর চেষ্টা করেন, যে মমতার সাফল্য মূলত এসেছে রাষ্ট্র কে একটা ক্যাজুয়াল/ট্রানসাকশনাল ইউটিলিটি সার্ভিস হিসেবে তুলে ধরে। রাষ্ট্র র চরিত্র নিয়ে বাকি বিতর্ক মুলতুবি রেখে। রাষ্ট্রের কাছে মানুষের চাহিদা কমানো গেছে বলেই ডেমাগোগ রা করে খাচ্ছেন। তাঁদের কেই লোকে উদ্ধার কর্তা হিসেবে দেখছেন।

    বাকি রইল আইডেন্টিটি, সেটা নিয়ে কালকের টোয়াইলাইট টাইম এ হবে ঃ-) ট্রোল দের জন্য এই পরিশ্রম ইতিহাস ও এস এম দা যেন মনে রাখে ঃ-))))

  • | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৩৮425474


  • এস এম দার অনেকের মতই প্রবলেম হল, বাংলায় টিভি ছাড়া কিছু দেখতে পান না, আর বাংলার থেকে দূরের বাম পন্থী দের খুব অথেন্টিক মনে হয় ঃ-) অবশ্য এ দোষ বাংলার বামপন্থী দের ও রয়েছে ঃ-) এটা আসলে কিছুই না আবাপ র দীর্ঘ দিনের অপ এড এর প্রভাব। যে খানে হার্ড নিউজে সিপিএম কে গাল দেওয়াই রীতি, সেখানেই সফ্ট অপ এড এ ব্যক্তিগত লেফ্ট আর দুরবর্তী বাম বা প্রোগ্রেসিভ দের প্রতি নরম ভাব দেখানো। অবশ্য রাজ্য কমিটি ইত্যাদি ছাগল দের যে রেজিমেন্টেশন এর পদ্ধতি সেটাও এর জন্য দায়ী। গণশক্তি তে পার্টির সমালোচনা ছেড়ে দিন, পার্টি লাইন (মহার্ঘ বস্তু) এর বাইরে কথা বলাই মুশকিল, যদি না, রাজ্য-জেলা-কেন্দ্র-গণসংগঠন ইত্যাদি ইনট্রিগ এর মধ্যে গা ভাসানো যায়।

    যাই হোক তবু সইত্যের খাতিরে বলা যেতে পারে, বাংলার বামপন্থী দের বাংলার টিভি চ্যানেল না দেখালেও, বহুদিন ধরেই বাম পন্থী রা নিজেদের মত করে অর্গানাইজ করছে, সমাবেশ করছে। গুরুচন্ডালি র আড্ডার কতিপয় মহাবোদ্ধা বা কচি ভাইপো বা প্রধানত আত্মজীবনীকার কিংবা এনারাই লাইফ স্টাইল গুরু ;-) দের জন্য আলাদা এডিশন না থাকলেও, গণশক্তি তে তার খবর পাওআ যাবে। অনলাইনেই। আর গুরুচন্ডালি ই প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের জায়গা হয়ে উঠলে মুশকিল, কারণ প্রাইমারি সোর্স ভিত্তিক জার্নালিজম তো এখনো এখানে হয় না। সম্ভব ও না।

    গণশক্তি তে সকলে সব ধরণের প্রবন্ধ লিখতে পারলে, ইনটারনাল ডিবেট রিভাইটালাইজ করতে পারলে 'আরেক রকম' ইত্যাদির দরকার পড়ত না। তবে সে হবার না, ভেবেও লাভ নেই।

    সিপিএম এর জন মানসে বিন্দু মাত্র প্রভাব আপাতত নেই। তার মূল কারণ সিপিএম এর টিভি চ্যানেল নেই আর মানুষ এখনো মূলত টিভি তে নিউজ কনজিউম করে, এটা ইনটারনেটে শিফ্ট হলে, কিছু টা ওপেন আপ করবে। আর এর পরের স্তরে, আসলে মূল আরেকটা সমস্যাও আছে, আলোচনার কাঠামো বদলানোর প্রচেষ্টা খুব বেশি নেই। এই হোয়াট্স অ্যাপ ফেসবুকে যে সব বাম সেন্টিমেন্টালিজম বা এই অযাচিত ক্রোধ, চলছে আজকাল তার মূল সমস্যা হল, অন্যের তৈরী করে দেওয়া ডিবেটের রেফারেন্স এ পা দেওয়া।।উদা স্বরূপ বলা যেতে পারে, এই যে ধারণাটা, একটা রাজ্যে একটা রাজ্য সরকারে একটা দল না থাকলে তার বিকল্প নীতি র প্রচার ও রূপায়নের প্রদর্শনী করার জায়্গা একেবারেই থাকবে না, এই ধারণাটাই মৌলিক ভাবে ভুল।

    যাক অনেক টা লিখলাম, আন্তর্জাতিক তথা স্তানীয় ট্রোল দের সুবিধের কথা ভেবে একটা টোয়াই লাইট টাইমে ই করা হয়েছে।

    আকবা।
  • ? | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৩১425472
  • অগ্নিহোত্রি?
  • খিক | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ১০:২০425471
  • ওঁয়াদের ছোট পার্ট। পাটভাঙা ধুতি পড়ে বিবেক সাজেন।
  • sm | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:৫৬425470
  • এন আর সি নিয়ে একটা মানছিনা মানব না বলে হুংকার দিয়ে বড় সর মিছিল করলেও তো পারে।
    কিংবা,দিল্লী তে কৃষক সভার মতোন এন আর সি বিরোধিতা করে একটা জন সমাবেশ!
    এগুলোই তো দেখতে চায় লোকজন; বামেদের কাছে।
    খালি টিভি তে ইহা খারাপ, উহা খারাপ করলে ভোট আসবে?
  • খিক | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৮:৫৮425469
  • সংগঠন !!

    কংএর তো এখানে সোমেন-প্রদীপ। দিল্লিতে অধীর। তিনজন। অন্যটার তো আলিমুদ্দিনে বিমান শুধু আলো করে। মানব-সুজন-আর আর সব বকন্দাজগুলো হাওয়া। ধার নিয়ে অম্বিকেশ। এই নিয়ে রামছাগলের ব্যা।
  • PT | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৮:৪৭425468
  • sm
    কে কোথায় বসে চোঙা ফুঁকছে সেটা তাদের (আর বোধহয় আপনার) মাথাব্যথা। আমি দেখছি যে ছাগলেরা কাঁঠালপাতার জন্য লাইন লাগিয়েছে। "you get the government you desrve"-একটি অতি প্রাচীন প্রবাদ যেটা কিনা আলিমুদ্দিনে সৃষ্টি হয়নি। এখানে you বলতে ছাগল বোঝান হয়েছে।
  • sm | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৮:২৩425467
  • পিটি যথার্থই বলেছেন।চিত্ত বাবু গুড ক্যান্ডিডেট।সেজন্য বাম কং জোটের ভোট পাঁচ শতাংশ বেড়েছে। অন্য দুটি কেন্দ্রে প্রায় দশ শতাংশ কমেছে।
    কিন্তু পাঁচ পার্সেন্ট ভোট বাড়িয়ে তো খেলা জেতা যায় না।ভোট হলো গিয়ে টেস্ট ম্যাচ।দীর্ঘ প্রস্তুতি লাগে।সংগঠন লাগে।
    শুভেন্দু বা রাজীব বাবুর মতন লেগে থাকতে হয়। আলিমুদ্দিন এ বসে চোঙা ফুকলে তো ভোটে জেতা যায় না।
    নিজের সমর্থক দের একবার বলবো পুরোনো শত্রু কংগ্রেস কে মেনে নিন,একবার বলবো বিজেপি কে ভোট দিয়ে তিনোমুলকে তথা দিদিকে টাইট দিন,একবার বলবো কাস্তে হাতুড়ী তে ছাপ মারুন।
    অন্য রাজনৈতিক দল তো জনগন কে ছাগল ভাবে আর বামেরা নিজেদের সমর্থক দের বোকা পাঁঠা ভাবে।
    এগুলো কি একটা ক্যাডার বেসড দলের বিচক্ষণতার নমুনা?
  • খিক | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৭:৪৫425466
  • এই চিত্ত না কে, প্রার্থী না ভেড়া ? বিমান- সোমেনের আজকাল এইই জুটছে।
  • PT | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:৪৭425464
  • অর্জুনের কাশ্মীর প্রসঙ্গেঃ
    "৯৯% শতাংশ কাশ্মীরী মনে করে তারা ভারতীয় নয়।"
    “মমতা ব্যানার্জি'র প্রশংসা যারা করল তারা আব্দুল্লা আর মুফতির নামে থুতু ফেলে।“
    অর্থাত কিনা যারা নিজেদের ভারতীয় মনে করেনা তারা দিদিকে আপন মনে করে!!! (যে যার নিজ নিজ ব্যাখ্যা করে নেবেন)
    তাহলে কোন কাশ্মীরি ছাগলে মুফতিকে ভোটে জেতাল.....সেই মুফতি যে কিনা আবার বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধল।
    নাঃ কাশ্মীরের রাজনীতি সত্যি বোঝা দায়!

    @এলেবেলে
    "বিজেপি একটি জঘন্যতম দল, তিনোও তাই।"
    আহা কি আনন্দ......

    "কিন্তু আপাতত বাংলার মানুষের কাছে তৃতীয় কোনও বিকল্প নেই।"
    এটা মানতে আমার বিস্তর আপত্তি আছে। আপাততঃ বাংলা থাক। যে কোন খর্গপুরবাসিকে শুধোলে সে জানাবে যে তিন জন প্রার্থীর মধ্যে চিত্ত বাবু সব চাইতে ভাল প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু লোকে আপাততঃ কাঁঠালপাতায় মজে থাকায় "অন্য" কিছুর পেছনে দৌড়চ্ছে। ভদ্র, শিক্ষিত, ঘুষ খায়না, জয়্শ্রীরাম বলেনা, উন্নয়ন নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেনা না এমন লোককে ছাগলেরা চাইছে না। যে কারণে চাচার মত নিষ্কল্ঙক রাজনীতিবিদকে তারা ভোটে হারিয়েছিল। সেখানকার মানুষের কাছে গত দুটো ভোটেই তৃতীয় বিকল্প ছিল।

    "তবে মাজাভাঙা কংকে নিয়ে সিপিএমের কী সুবিধে তা বুঝতে পারছি না। কং-শিবসেনা জোটকেও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় নিন্দা করছি কারণ ৯২ সালের দাঙ্গায় শ্রীকৃষ্ণ কমিটির রিপোর্ট ভুলিনি।"
    সমস্যা হচ্ছে যে কোন মারাঠী এলেবেলে বলবেন যে মহারাষ্ট্রের মানুষের কাছে "তৃতীয় কোনও বিকল্প নেই।"
  • Atoz | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:০৫425463
  • আর একটু স্পেশাল, সুবিধাজনক দূরত্বের দ্বান্দ্বিকবাদীরা কি এও বলে যান নি, "হোয়েন টেকনোলজি ইজ অ্যাভেইলেবল, তখন ভিডিও করে ভাইরালও কোরো ভাইসব" ?
  • দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদী | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৫:৫৮425462
  • পিটি প্রকৃত দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদী হলে জয়প্রকাশের ঘটনাটা বুঝতে পারত। রাজনীতিতে দ্বন্দ্ব অবশ্যম্ভাবী, আর বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গী আমাদের শেখায় পরিস্থিতিকে ভাববাদী দৃষ্টিতে না দেখে ব্স্তুমূল্য নিরুপণ করে দেখতে হবে (যেমনটি আমরা মাছের বাজারে করে থাকি। দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ বলে পৃথিবী এক বৃহত মাছের বাজার )।

    ইন আদার ওয়ার্ডস, হোয়েন প্রতিপক্ষ ইজ উইদিন ক্যালানোর ডিস্ট্যান্স, ক্যালানোর ক্ষমতা আছে, ও পাল্টা ক্যাল খাবার সম্ভাবনা ইজ ইন লো অর্ডার অব ম্যাগনিটিউড, তখন বিপুল বিক্রমে ক্যালাতে হবে। ইহাই প্রকৃত দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গী।

    পিটি দুঃখজনকভাবে কখনো কখনো বুর্জোয়া ভাববাদী ভ্রান্তিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। যা বুর্জোয়া ভাবালুতার আবিলে কলুষিত। যদিও পিটির এ অবস্থান আন্তরিক ও স্থায়ী নাকি সুবিধাবাদী ও সাময়িক, এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। ঘটনা যাই হোক না কেন, তবু একজন প্রকৃত দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদী পিটির এহেন পদস্থলনে দুঃখিত না হয়ে পারবেন না।
  • Atoz | ২৯ নভেম্বর ২০১৯ ০২:৩৬425461
  • এই যে ঊষা উত্থুপের টাও দিয়ে দিই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত