এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • i | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:৫০425940
  • ব এর ২ঃ০৫ এর পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে, ব এর কোথাও গুলিয়ে গেছে। এখানে কেউ কেউ আমাকে টিটিদিদি বলেন, তাঁদের মধ্যে তো ব কোনদিনই ছিলেন না। আর সব থেকে বড় কথা, আমার সঙ্গে লেখা নিয়ে, ব‍্যস্ততা নিয়ে তো কোন কথা হয় নি। এপাতার বাইরে ব এর সঙ্গে আমার কোন যোগাযোগ তো নেই।
  • Atoz | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:২৫425939
  • আর আমি তো বাঙাল নামের কলঙ্ক। মাছ আর কাঁঠালের ভয়ে উর্ধ্বশ্বাসে পলায়ণ করি। চিকেন/মাটন আর আম খাই। ঃ-)
  • | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:২৩425938
  • / কী
  • Atoz | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:২২425937
  • এদিকে আমার ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এক বাঙাল ভদ্রলোক ইলিশ খেতে পারেন না, সহ্য হয় না। অথচ অন্য সব মাছ সে রুই কাতলা মৌরলা খলসে কই তেলাপিয়া কালবোশ সরপুঁটি ইত্যাদি যাই হোক না কেন, বলতে অজ্ঞান। উপোসের দিন ছাড়া মাছ বাদ দিয়ে খেতেই পারেন না। চিংড়িকে উনি মাছ গণ্য করেন না। ওঁদের ছোটোবেলা নাকি চিংড়ি গামছায় ছাঁকা দিয়ে ধরে ধরে এনে রান্নাঘরে দিয়ে দিতেন, ওগুলো সব লাউয়ের তরকারিতে চলে যেত, বা এমনি রসভাজা করা হত টাকনা হিসেবে। ঃ-)
    কিন্তু ইলিশ সহ্য হয় না, ভারী দুঃখের কথা। অন্যরা ইলিশভাজা খায়, উনি রুইয়ের ঝোল খান।
  • | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:০৮425936
  • আমার কি চাপ ভাবুন। ঘটস কিন্তু প্রিয় মাছ চিংড়ি নয় ইলিশ। ভাবতে পারেন?
  • | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:০৫425935
  • আমি টিটি দি কে লেখার জন্য রিকোয়েস্ট করেছি। বলেছে খুব অকুপায়েড। সময় পেলে লিখবে।
  • Atoz | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:১৩425934
  • বড়াই মানে বড় আই( ইনিই সেই বিখ্যাত "আমার উন্মন বাদ্যকর" এর লেখক ) দেশভাগ নিয়ে একটা লেখা লিখছিলেন। সেই টইটা গেল কোথায়? বহুদিন দেখি না।
  • অর্জুন | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:১১425933
  • থ্যাঙ্ক ইউ @রঞ্জন-দা

    অবশ্যই ইমেল করব। পার্টিশন এবং পোস্ট পার্টিশন ওরাল হিস্ট্রি।

    'আপনি' কেন? তুমি বলবেন।

    @ এলেবেলে, কি কাণ্ড, এই একটু আগে ফেবু খুলেই ৪ নং প্ল্যাটফর্ম র পেজে লেখাটা চোখে পড়ল।
  • Atoz | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:০৯425932
  • কাজু তো কবি! উনি রম্যরচনা লিখবেন কেন? রম্য কবিতা লিখতে পারেন। ঃ-)
  • S | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৫৪425931
  • শ্যাষে রন্জনদা মোহন বাগান? ঘোর কলিকাল তো।
  • এলেবেলে | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৫১425930
  • @অর্জুন, কাল বা পরশু আপনি কমিউনিস্ট পার্টির শতবর্ষ নিয়ে পিটিকে লিখতে অনুরোধ করেছিলেন। এই নিন, পিটি না লেখা অবধি এটা দিয়ে আপাতত কাজ চালান।
    https://4numberplatform.com/?p=16360&
  • রঞ্জন | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:১৩425929
  • অমিত,
    আমি সম্ভবতঃ অক্ষমতা ঢাকতে উঁচুজাতের বা কৌলীন্যের বড়াই করে সান্ত্বনা পাওয়ার চোখে দ্যাখা ঘটনা কোলকাতার নাকতলার অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছিলাম।
    অর্জুন,
    মনে হচ্ছে আপনি দেশভাগের সময়ের ওর‍্যাল হিস্ট্রি সংগ্রহে আগ্রহী।
    যদি তাই হয় তাহলে আমাকে [email protected] এ যোগাযোগ করে দেখতে পারেন।

    ব্রতীন,
    কই, গুরুর সেই ক'বছর আগের ঘটি-বাঙালের টই তুললে না তো ! মানে তিক্ততাবিহীন নির্দোষ পারস্পরিক ঠ্যাঙ টানাটানির জন্যে বলছি।
    আচ্ছা, শুরু করতাসিঃ
    "বাঙাল বাঙাল করিস না
    বাঙাল তোর পিতা।
    পূজার সময় কিইন্যা দিবে
    একজোড়া জুতা।।"

    যদিও আমি মবার সমর্থক, অ্যার চুণী গোস্বামী ময়মনসিঙ্ঘের।
  • k | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৭:১৯425928
  • যা সালা আমার আগের পোস্ট উড়ে গেল। যাই হোক টই করে দিয়েছি।
  • | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৬:৪৫425927
  • বি দা, আপনি আমার দুঃখ টা কিছুটা বুঝলেন
  • b | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৬:৪১425926
  • বই আর সৈকত সি এস এর লেখা এক জায়গায় করে রাখলে ভালো হয়। নইলে ভাটে হারাবে।
  • বই | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৫:৫৪425925
  • হ্যাঁ, একদম ঠিক। :-) যদিও এই যৌথ স্মৃতি ব্যাপারটা শহীদুল জহিরে যতটা আছে, কাঁদো নদী কাঁদোতে ততটা প্রকট লাগে নি।

    জহির খুব প্রিয় লেখক বলে হাবিজাবি লিখতে ইচ্ছে করছে। একটু লিখি। জহিরের লেখার তিনটে বৈশিষ্ট্যের মধ্যে এইটা একটা, মহল্লার মানুষের যৌথ স্মৃতি - আমরা দেখতে পাই, আমরা শুনতে পাই ঃ-)) দ্বিতীয়টা হচ্ছেঃ 'হয়তো এই, অথবা সেই' করে প্রব্যাবিলিস্টিক একটা ফ্রেমওয়ার্ক তৈরী করা যাতে পাঠকের মনে হয় সে ব্যাপারটা ধরি ধরি করেও ধরতে পারছে না। উনি ফটোগ্রাফির স্পষ্ট লাইনগুলোকে খানিকটা আবছা আবছা করে দিতে চান। এইটা মনে হয় মার্কেজের চেয়ে আলাদা। মার্কেজের প্রতিটা বাক্য নিস্পৃহ এবং স্পষ্ট, যেন যা কিছু ঘটছে সবকিছু বাস্তব আর কোনোকিছু নিয়ে কোনো ধোঁয়াশা নেই। জহিরের তৃতীয় বৈশিষ্ট্যটা হচ্ছে একই ঘটনার কাছে বারবার ফিরে আসা আর প্রতিবার ঘটনার বর্ণনা একটুখানি করে পাল্টে দেওয়া। এইটা একটা ফটোগ্রাফের ওপর বারবার ওভারল্যাপ করে তাকে হেজি করে তোলার মত একটা কায়দা। এই ফটোগ্রাফের কথাটা কোথাও উনি বলেছিলেন মনে হচ্ছে।

    ওনার তিনটে গল্পকে এই তিনটে বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায় বলে আমার মনে হয়। প্রথম ধরুন 'আমাদের কুটির শিল্পের ইতিহাস'। গোটা গল্পটা একটা অসম্পূর্ণ বাক্যে লেখা, 'আমরা, আমরা' করে, কারণ ইতিহাসের শুরু বা শেষ নেই। শুধু তাই নয়, ব্যাপারটা আমার সার্কুলার লাগে। শেষটা এরকমঃ "...এই শেফালি ফুল গাছ, আমরা তাকে আর পাই না, আমরা তাকে হারাই," আর শুরুটাঃ "আমাদের মহল্লা, দক্ষিণ মৈশুন্দির শিল্পায়নের ইতিহাস আমাদের মনে পড়ে;"। শুনেছি জয়েসের ফিনেগানস ওয়েকে এরকম কায়দা ছিল। জয়েস পড়ার মত ইংরেজী জানি না অবশ্য। ঃ-))

    দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্যটার জন্য ধরুন 'ডলু নদীর হাওয়া' গল্পটা। শুরুর লাইনটাই এরকমঃ "ডলু নদীতে এখন অনেক পানি, অথবা হয়তো পানি তেমন নেই"। ব্যাস, এইবার চলল এরকম। গপ্পোটা কি নিয়ে? তৈমুর আলির বউ তাকে সারাজীবন খাবার পর দুই গ্লাস জল এনে দেয়। একটায় বিষমেশানো থাকে। সারাজীবন তৈমুর সঠিকভাবে বিষহীন গ্লাসটা বেছে নিতে নিতে একদিন ভাবে বোধহয় কোনো গ্লাসেই বিষ নেই। সেদিন দুই গ্লাস জল খেয়ে সে মরে যায়। গোটা গল্পটায় জহির যাকে বলেন 'পাঠকের বেছে নেওয়ার জন্য অপশন' তা ছড়িয়ে থাকে 'হয়তো' আর 'অথবা'গুলোর ফাঁকফোকরে।

    আর তৃতীয় গল্পটা হচ্ছেঃ 'কাঁটা' যেখানে ভুতের গলিতে একই নামের দম্পতি - সুবোধ ও স্বপ্না রানী বারবার ভাড়াটে হয়ে আসে ১৯৬৪ সালে দাঙ্গার সময়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সময়। তিনবারই তারা আত্মহত্যা করে তাদের উঠোনের কুয়োয় ঝাঁপ দিয়ে। এইভাবে যেন একই ঘটনা পুনরাবৃত্তির মধ্যে ধরা থাকে উপমহাদেশের ঘেঁটে যাওয়া ইতিহাস। কেমন যেন মনে হয় দেশভাগ, মুক্তিযুদ্ধ, আর্মি সব মিলিয়ে বাংলাদেশের টালমাটাল রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে লাতিন আমেরিকার একটা হালকা মিল আছে এবং সেই মিলটার প্রেরণায় 'এল বুমের' মত আমাদের পাশের দেশটাতেও সাহিত্যে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, শহীদুল জহির, মাহমুদুল হক, ইমতিয়ার শামীম এঁরা সকলে একটা ছোটোখাটো বুম ঘটিয়ে দিলেন। কই, এপারে কলকাতার প্রতিস্পর্ধী লৌকিক বাংলার জাদুবাস্তব উঠে এল না তো সাহিত্যে? রহু চন্ডালের হাড় ধরনের কয়েকটা লেখা বাদ দিলে হাতে কী পড়ে থাকে? এখনও রাঢ় বাংলা চিনতে তারাশংকরই ভরসা নয় কি?
  • সিএস | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৪:৩৪425924
  • কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসটিকে ঠিক স্ট্রীম অফ কনশাসনেস বলতে আমার আপত্তি আছে। ঐরকম লেখায় চরিত্রের মাথার ভেতরে একটি মাইক্রোফোন বসানো হয়, যাতে সে যা ভাবছে বা দেখছে সেসবই বেরিয়ে আসে, লিওপোল্ড ব্লুমের মাথার ভেতরে যেমন জয়েস মাইক্রোফোনটি রেখে দিয়েছিলেন যাতে রিয়ালিটির আরো কাছাকাছি যাওয়া যায়। ওয়ালীউল্লাহর লেখাটিতে ঠিক সেরকম নেই মনে হয়, কিন্তু যেটা আছে বলে মনে করি সেটা হল - অনেকগুলি গল্প আর চরিত্র আর স্থান ব্যবহার করে যা করা হয়েছে - যে উপন্যাসটির কোন একজন কথক বা সর্বজ্ঞ কথক নেই। উপন্যাসটির টোনটি এক যৌথ স্মৃতি থেকে তৈরী হচ্ছে যেন, যাকে বাংলাদেশ বলতে পারি। শহীদুল জহিরের ভূতের গলির গল্পগুলিতেও এই ব্যাপারটি আছে, যে গল্পগুলো যেন কারোর একার গল্প নয়, একটা কমিউনিটির গল্প। বিদেশী লেখার মধ্যে মার্কেজের 'ক্রনিকল অফ এ ডেথ ফোরটোল্ড'-এ এই টোনটি পেয়েছি, খুনের ঘটনার বিবরণ যেন কোন একজন দিচ্ছে না, নদীর পারের বসতিটির সবাই তার কথক কারণ সবাই ঐসকল ঘটনার সাথে যুক্ত।
  • Kaju | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৪:১৯425923
  • এখনো বলে সেই স্কুলের "অনুচ্ছেদ লেখো ১০ নম্বর" শুনলেই স্বপ্নের ভেতর ধড়মড় করে উঠে বসি তারপর দেখি নাঃ সে কাল অন্ততঃ গিয়াছে। আর বলেন কিনা রম্যরচনা।
  • অর্জুন | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৪:০৬425921
  • লেখা পড়ে মনে হয়েছে, এই সাত খানা পয়েন্ট আমিও ভেবেছি। কিন্তু ভাবলেই হল নাকি! কত কিছুই লোকে ভাবে। লিখে দেখাতে হবে তো !

    @ কাজু, আপনি রম্যরচনা লেখেন না কেন? ঃ))))))
  • Kaju | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৩:৫৯425920
  • চর্যাপদ কি তৎকালীন বোম্বাইয়ের কাছে লেখা হয়েছিল? "নগর বাহিরে ডোম্বি" দেখে তো মনে হয় ডোম্বিভলি একেবারে পাশেই ছিল। ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া তেও তো ডোম্বি বলে কী জায়গা আছে। সেখানেও কি লেখা হয়ে থাকতে পারে? কিন্তু আম্রিগা হবে কি, না মনে হয়। হতেও পারে, "হলদে সবুজ ওরাংওটাং" যেমন আদি সমোস্কিতো।

    সরল মনে জিগেস করচি। সত্যিই জানতে চাই। কে যেন লিখেচেন "বেশীর ভাগ বদ্দি হাইলি কোয়ালিয়েড হয়, পড়শোনা করা এদের পাশন।" - 'বেশীর ভাগ' অ্যাড করাটা একেবারে ১০০% সঠিক, কারণ আমি বদ্দি হয়েও এখুনো মাদ্ধোমীক উতরাইতে পারি নাই, সে তো আগেও বলেছি। প্রতিবারই দিতে যাই আর এক দেড় ঘন্টা পর ঘুমিয়ে কী যে হয়, দুপুরবেলা পড়ে তো ১২টা থেকে ৩টে, ঘুম ভাঙে ৫ মিনিট বাকি-র ওয়ার্নিং বেলের তীব্র ঝনঝনানি আওয়াজে। তখন তো যা হবার হয়ে গিয়েছে। ঃ(
  • অর্জুন | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৩:৪৯425918
  • গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাকও লেকচর পিছু বেশ মোটা টাকা নেন। ফোর্ড ফাউন্ডেশনের একটা ওয়ার্কশপে ওঁকে আনার কথা ছিল ২০০৭ এ। আমি সেই ওয়ার্কশপে ছিলাম। But the foundation couldn't afford her. টাকাটা বড় অংকের প্লাস পার্কস।

    তবে কলকাতায় বাংলায় যে বক্তৃতাগুলো দেন, সেগুলো বিনি পয়সায় দেন নিশ্চয়।
  • | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৩:৪৯425919
  • "১০ টার মধ্যে ৭ টাই জানি" ঃ-))))

    এ ভাবে কখনো পড়ি নি। মানে কাউকেই ঃ-)

  • অর্জুন | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৩:৪৪425916
  • পারিশ্রমিক ব্যাপারটা খুব ইম্পরট্যান্ট। তার ওপর মস্তিষ্কের পরিশ্রমের পারিশ্রমিক বরাবরই ভোলাটাইল। একটা লেখা বা বক্তৃতার জন্যে কে কত পাবেন সেটার নির্দিষ্ট রেট থাকে নয়া সবসময়ে।

    অরুন্ধতীর মত প্রতিবাদী মানুষ ছাপ্পড় ফাড়কে রোজগার করছেন, সত্যিই আনন্দের কথা প্লাস একজন থার্ড ওয়ার্ল্ডের এইরকম প্রতিষ্ঠান বিরোধী চিন্তাবিদকে পাশ্চাত্য এত সমাদর করছে।

    অরুন্ধতীর সব লেখা সবসময়ে 'অসাম' লাগেনি, তবে অসম নিয়ে লেখাটার অপেক্ষায় রইলাম। যদিও লেখাটার বিষয় বস্তুর কিছুটা ওর লেকচর রেটের মত জানা হয়ে গেছে।

    ওর লেখা পড়তে পড়তে অনেক সময়ে মনে হয়েছে দশটা পয়েন্টের মধ্যে ছ- সাতটাই আমার জানা। কিন্তু জানলেই কি আর হল! ঐ ভাবে লেখা কি সহজ নাকি!

    অরুন্ধতীর একটা ব্যাপার আমার সমস্যার লাগে। ও নিজের একটু ওর coterie of admirers দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে। She doesn't welcome counter arguments much.

    এটা একটা দুর্বলতা।
  • b | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৩:৪৪425917
  • সুপার বই লিখতে হলে নদী নিয়ে লিখুন।
    কাঁদো নদী কাঁদো, ইছামতী, তিস্তাপারের বৃত্তান্ত, তিতাস একটি নদীর নাম, পদ্মানদীর মাঝি, গঙ্গা।
    আপাততঃ এগুলো মনে এলো।
  • | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৩:১৩425915
  • হ্যা (বই এবং সি এস) তা তো ঠিক ই, সত্যি তো। ওয়ালীউল্লহ তো ৭১ এর আগেই। ঠিক ই বলেছ। মানে অ্যাপারেন্টলি, ৫০ এর দশকেই প্যারিসে বসে লেখা কতগুলো। লাল শালু টা না অন্য টা ভুলে গেছি।

    ইলিয়াশ এর গল্প আমার ধারণা ছিল ষাঠের দশকের পরে, মানে অন্তত সত্তর দশকে। কিন্তু সেটা মন গড়া ধারণা হতে পারে।

    বাকি নাম গুলোর জন্য অনেক ধন্যবাদ।
    থ্যাংক্স।

  • সিএস | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১২:৪৭425914
  • ওয়ালীউল্লাহ, আবু ইসহাক আর শওকত ওসমান - ৭১-র আগের লেখকদের মধ্যে এই তিনজনের সম্বন্ধেই আমার কিছু জানা আছে। এর মধ্যে অবশ্য শওকত ওসমান পড়িনি। সংশপ্তক মনে হয় শহীদুল্লাহ কায়সর নামে এক্জনের (পড়িনি)। আর বিশেষ লেখাপত্তরের সম্বন্ধে জানা নেই, এই সময়ের। সূক্ষ্মভাবে হিসেব করলে, যারা মূলতঃ ৭১ পরবর্তী লেখক, তাদের মধ্যে কয়েকজনের লেখা ষাটের দশকের শেষের দিকেই, তাদের যূবাবয়সে প্রকাশিত হচ্ছে। আল মাহমুদের কবিতা, আবদুল মান্নান সৈয়দের কবিতা-গল্প এবং দ্য গ্রেট মাহমুদুল হকের প্রথম উপন্যাসটাও। ইলিয়াসের গল্পও মনে হয় ষাটের শেষের দিকেই বেরোচ্ছে।
  • Amit | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১২:১২425912
  • ইন ফ্যাক্ট অস্ট্রেলিয়া তে যেকোনো ভেন্যু তে ভারত অস্ট্রেলিয়ার খেলা হলে মনে হয় ইডেন এ খেলছে। চাদ্দিকে ইন্ডিয়ার পতাকা, সবাই নীল জার্সি পরে আসে, ঢাক ঢোল সব বাজায় মাঠে বসে বসে।

    কয়েকটা হাতে গোনা অস্ট্রেলিয়া সমর্থক মাঠের কোণে প্রায় লুকিয়ে বসে থাকে। গত ওয়ার্ল্ড কাপ এ এখানে পাবলিক হেভি খচে গেসলো। সবাই চেল্লাচ্ছে যে অস্ট্রেলিয়া কে সাপোর্ট দিতে কয়েকটা শালা অন্তত তো টিকেট কেটে মাঠে আসুক, অস্ট্রেলিয়া টিম তো বিদেশে খেলছে মনে হচ্ছে।

    :) :)
  • S | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১২:১২425913
  • যেসব ভক্ত চাড্ডীরা ইন্ডিয়ার জিডিপি নিয়ে এই সেদিনও লাফাচ্ছিল, তারা এখন বলছে জিডিপির খুবেকটা গুরুত্ব নেই। তারপরেও বিজেপি-মোদি কাতারে কাতারে ভোট পাবে। অথচ জনগণ ধোয়া গামছার মতন, যতই গন্ধ বার হোক, সেই দিয়েই গা মুছতে হবে, কিচ্ছুটি বলা যাবে না।
  • S | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১২:০৩425911
  • এক বছর দেরি আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত