এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • quark | ১৬ মে ২০১২ ১৪:১৬4261
  • যাঃ কেলো! আমি ভাবলুম সব্বাই ক্যামোন বাংলায় নাম লিখতেছে। যাগ্গে আর কোরবো না, ক্ষ্যামা ঘেন্না ক'রে নেবেন।
  • koyArk | ১৬ মে ২০১২ ১৪:১৩4259
  • কেসটা বোধ হয় আমার মাকে আমি যেখানে খুশি রাখবো (মদের বোতলেও) - কিন্তু তুই (আম্রিগি কোং) কে র‌্যা?

    অত্যন্তঃ গভীর দার্শনিক ব্যাপার!
  • কল্লোল | ১৬ মে ২০১২ ১৪:১২4258
  • তাইই তো। মা কালী মার্কা দেশী, মানে বাংলায় যাকে বাংলু বলে, সে তো পাওয়াই যেতো। ওটা তৈরী হতো রসা ডিস্টিলারী অর্থাৎ কিনা বি এল শাহ রোডের ভাটিখানায়।
    ক্ষি দিন্কাল পল্লো, মা কালীর নামে মাল পাওয়া যাবে না।
  • ডিডি | ১৬ মে ২০১২ ১৪:০১4256
  • খপরে দেখলাম একটি আম্রিগান কোং"মা কালি' নামে একটি মদ বাজারে ছেড়েছিলেন। এখন হিন্দু কমুনিটির কাছে ক্ষমা টমা চে' উইথড্র করলেন।

    মনে হয় সাহেবরা ভেবেছিলেন গ্রীক মিথোলজির মতোন (যেমতি এপোলো,বা হার্কিউলিস) হিন্দু মিথোলজিও সেকুলার। আমরা দিব্যি হার্কিউলিস রাম খাই তো।

    কিন্তু প্রশ্চেন সেখানে হয়। আমার পষ্টো মনে আছে আমাদের আর্লি যৈবনে (৮০ থেকে) মা কালি মার্কা দিশি মদ অবাধে পাওয়া যেতো সরকারি দোকানে। কারুর তো আপত্তি ছিলো না। মা কালির নীল ছবিও থাকতো। জানি না, এখনো পাওয়া যায় না কি।
  • কাজু | ১৬ মে ২০১২ ১৪:০১4257
  • হুম সেদিন আমারও হয়েছিল। রিফ্রেশ করলে অনেক সময় দেখায় না।
  • ঝিকি | ১৬ মে ২০১২ ১৩:৫৬4254
  • এটা ভাটকেলো ☻
  • rajdeep | ১৬ মে ২০১২ ১৩:৫৬4255
  • টুন
    হ্যাঁ বর্তমানও .....

    সেই মেজদার আমলের সুপবন আবার বইতেছে, মাঝখানে কদিন কলাটা মুলোটা না পেয়ে একটু কান্নাকাটি করছিলো আর কি

    তবে আজকে বেস্ট তো আবাপ ! মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর নোনাডাঙায় সন্ত্রাসবাদী আছে কমেন্টটা কি সুন্দর এনডোর্স করেছে

    কুনালের চাকরি এবার জয়ন্ত ঘোষাল খাবে
  • ঝিকি | ১৬ মে ২০১২ ১৩:৫৫4251
  • আমার অতিরিক্ত নিস্পাপ(?) মুখ দেখে অনেকে অনেকবার ছেড়ে দিয়েছে, তবে তারা সবাই আমার অপরিচিত ছিল!
  • ঝিকি | ১৬ মে ২০১২ ১৩:৫৫4252
  • আমার অতিরিক্ত নিস্পাপ(?) মুখ দেখে অনেকে অনেকবার ছেড়ে দিয়েছে, তবে তারা সবাই আমার অপরিচিত ছিল!
  • ঝিকি | ১৬ মে ২০১২ ১৩:৫৫4253
  • আমার অতিরিক্ত নিস্পাপ(?) মুখ দেখে অনেকে অনেকবার ছেড়ে দিয়েছে, তবে তারা সবাই আমার অপরিচিত ছিল!
  • কাজু | ১৬ মে ২০১২ ১৩:০৬4249
  • তবু। কেলো ইন 'বর্ডার' সেন্স।
  • অপু | ১৬ মে ২০১২ ১৩:০৬4250
  • মহিলা রা ঐ রকম ই নালিশ প্রবন হয় ব্যাঙ। কী আর করবি বল। অথচ ঝিকি র কেসে দ্যাখ উদার হৃদয় ভদ্রলোক ঝিকি কে ক্ষমা ঘেন্না করে দিলেন ঃ-))
  • ঝিকি | ১৬ মে ২০১২ ১৩:০৪4248
  • ওটা কেলো না বলেই তো ভাটে লিখলাম!
  • ব্যাং | ১৬ মে ২০১২ ১৩:০১4247
  • হ্যাঁ শ্রাবণী, উনি ঠিকঠাক ছিলেন। বিকেলবেলায় বাড়ি এসে মায়ের কাছে নালিশও করে গেছিলেন।
  • কাজু | ১৬ মে ২০১২ ১৩:০০4246
  • নাও, আবার কপি করো। নেহাত আমি এখন আছি তাই। আর কপি করা আগের থেকে সোজা হয়ে গেছে তাই।

    যার যত সাইকেলো
    টই আছে ঢেলে ফেলো
  • শ্রাবণী | ১৬ মে ২০১২ ১২:৫৬4245
  • আমার এক বন্ধুর (তার সাথে কিছুকাল আগে যোগাযোগ হয়েছে, অনেককাল বাদে) মা কয়েকবছর আগে, এক সকালে বাগবাজারে দোকানে পান কিনতে বেরিয়েছিলেন, পেছন থেকে একটা ছেলে সাইকেলে ধাক্কা মারে। মাসিমার বয়স এখন এই ষাটের ঘরে, মাল্টিপল ফ্র্যাকচার ছিল, মাথায় অল্পবিস্তর লেগেছিল, শারীরিক যা আঘাত তা সারতে কয়েক মাস লেগেছিল কিন্তু ঐ ঘটনার পরে উনি আর বর্তমানে ফেরেননিই বলা যায়....যা মনে আছে সব শুধু ওনার ছোটোবেলার ঘটনা, কিশোরীবেলার....এখন কিছুই মনে থাকেনা, মনে দাগ কাটেনা, এক অদ্ভুত অবস্থা...সবসময় কাউকে সঙ্গে থাকতে হয়......ব্যাঙের পোস্টটা পড়ে ঐ ঠাকুমার জন্যে ভাবনা হল, আশাকরি উনি ঠিকঠাক ছিলেন।
  • lcm | ১৬ মে ২০১২ ১২:৫৫4243
  • সাইকেলের গপ্পো হচ্ছে বুঝি। আমিও বলি। একবার বাপন সাইকেল নিয়ে বাজারের সরু গলিতে কাটাতে গিয়ে ডিস্‌ব্যালান্স, সাইকেল একদিকে, বাপন একদিকে একেবারে চিৎপটাং। যে ভদ্রলোককে প্রায় ধাক্কা মেরে দিচ্ছিল, তার হাতের ঠোঙা থেকে দুখানা গরম জিলিপি ছিটকে বাপনের চিবুকের নীচে আটকে গেলো। এরপর যেকজন স্বাক্ষী ছিলেন এই দৃশ্যের তাদের সম্মিলিত হাততালি এবং বাপনের জিলিপি ভক্ষণ।
  • ঝিকি | ১৬ মে ২০১২ ১২:৫৫4244
  • এটা ঠিক কেলো না, এ আমার দুঃখের কাহিনী। আমি মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলাম রান সেলাই করে জোড়া শাড়ী পরে, মা বলেছিল আর শাড়ী কিনে দেবে না, এমনকি সেলাই-ও আমাকেই করতে হয়েছিল! দু-বছরে গোটা ছয়েক শাড়ীর সাদা খোল আর নীল পাড়ের মধ্যে সব সংযোগ শেষ হয়ে গেছিল। সাইকেলের চেনের প্রতি নীল পাড়ের অমোঘ আকর্ষণ ছিল, সেটা মা বুঝতে চাইত না!

    তবে এতে আমার ইলেভেনে কলেজে পড়ার রাস্তা কিলিয়ার হয়ে গেছিল☺
  • ব্যাং | ১৬ মে ২০১২ ১২:৫৩4242
  • পিনাকীরও সাইকেল এবং নেড়ি সংক্রান্ত বিশাল এক কেলো আছে। সেও যেন এসে লেখে।
  • ব্যাং | ১৬ মে ২০১২ ১২:৪৯4241
  • ব্ল্যাংকির আবার কীসে চাপ হল?
  • ব্যাং | ১৬ মে ২০১২ ১২:৪৭4238
  • কী বাজে বাজে সব বানান ভুল। ঠিক করার মতন ধৈর্য্য নাই।
  • Blank | ১৬ মে ২০১২ ১২:৪৭4239
  • কি চাপ্প্প্প্প্প্প্প্প
  • কাজু | ১৬ মে ২০১২ ১২:৪৭4240
  • টই খুলে দিলুম, কেউ ওতে একত্তর করে রাখতে দেবে না। হারিয়ে যাবে না এখানে?

    এখন ওনলি পপ্পন বাকি।
  • ব্যাং | ১৬ মে ২০১২ ১২:৪৩4235
  • ব্যাংদিরটা খুবই দুঃখের ঘটনা। অপমানজনকও বটে।
    ব্যাংদি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বেঁটে হওয়ায় সাইকেলের প্যাডল অব্দি পা পৌঁছালেও, সাইকেলের সিটে বসা অবস্থায় মাটিতে পা পৌঁছত না। তাই সাইকেল হঠাৎ থামাতে হলে শুধু ব্রেক টিপে লাভ হত না, ব্যাংদিকে সুড়ুৎ করে লাফ মেরে নীচে নেমে তবে সাইকেল থামাতে হত।
    তো এক রবিবারের দুপুরে ব্যাংদি সাইকেল নিয়ে পাড়াতেই চক্কর দিচ্ছিল। তো ব্যাডমিন্টন কোর্টের পাশের রাস্তাটার ডান ধারে জল জমে ছিল, আর ব্যাংদি শুচিবায়ুগ্রস্ত হওয়ায় সেই জমা জলের থেকে মিনিমাম পাঁচ ফুট দূরত্ব রেখে ব্যাংদি সাইকেল চালাতে চাইছিল। হঠাৎ একটা গরু হেলতে দুলতে এসে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে পড়ল। ব্যাংদির তখন মহাসঙ্কট, খুব তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তখন ব্যাংদি এইরকম সিকোয়েন্সে চিন্তাভাব্না করল -
    ১) সাইকেলটা ডানদিকে ঘুরিয়ে সেই জলের উপর দিয়ে যেতে হবে।
    ২) কিছুতেই জলকাদার ছিটে নতুন স্কার্টে লাগতে দেওয়া যাবে না, সাইকেল ডানদিকে বেঁকবে না কোনোমতেই। হয় সোজা যাবে নয় বাঁদিকে যাবে।
    ৩) সোজা গেলে নিরীহ গরুটা খুব জোরে ধাক্কা খাবে। প্রাণীহত্যা মহাপাপ। নিরপরাধ পশুদের আঘাত করাও মহাপাপ।
    ৪) বাঁদিকে যেতে হবে।
    মনে রাখতে হবে এতগুলো স্টেপ ভাবতে ব্যাংদি পুরো এক সেকেন্ড সময়ও এয় নি। কারণ সাইকেল থামানোর জন্য ব্যাংদিকে লাফ মেরে নামতে হত তাহলে।
    যেই না গরুটাকে বাঁচানোর জন্য বাঁদিকে হ্যান্ডেল ঘুরিয়েছে, অম্নি কোথা থেকে (আসলে বাঁদিকের বিল্ডিং থেকে) ব্যাংদির বন্ধু মিষ্টিদির ঠাকুমা খোঁড়াতে খোঁড়াতে বাঁদিকের রাস্তায় ব্যাংদির সাইকেলের সামনে উদয় হলেন। তখন আর ব্যাংদির হাতে সময় নাই ব্রেক টিপে সাইকেল থেকে লাফিয়ে নামার। যা হওয়ার, তাই হল। ব্যাংদি হুড়মুড়িয়ে মিষ্টিদির ঠাকুমাকে প্রচন্ড জোরে ধাক্কা মারল সাইকেল দিয়ে। মিষ্টিদির ঠাকুমা পড়ে গেলেন, প্রবল চিৎকার জুড়লেন "ওরে বাবা রে, নচ্ছার মেয়ে আমার কোমরটা গুঁড়িয়ে দিলে রে'' বলে। ব্যাংদি ঘটনার আকস্মিকতায় প্রচন্ডে হকচকিয়ে গেলেও অবাক বিস্ময়ে আবিষকার করল, মিষ্টির ঠাকুমাকে ধাক্কা মেরেও ব্যাংদি সাইকেল সমেত পড়ে যায় নি, সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মানে, ব্যাংদি সাইকেলটাকে বাঁদিকে অল্প কাত করে মাটিতে পা ঠেকানোর কায়দাটা এই ধাক্কা মারাটার সঙ্গে সঙ্গেই শিখে নিতে পেরেচে। পাড়ার দাদারা তখন মোহনবাগানের শতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের জন্য কমিউনিটি হলে মিটিং করছিল, সেইখান থেকে বেরিয়ে এসে মিষ্টিদির ঠাকুমাকে তেনে তুলল, বাড়ি পৌঁছে দিল। ব্যাংদির বাবাও সেই মিটিংয়ে ছিল, বাইরে বেরিয়ে এসে ব্যাংদিকে বিমুঢ় অবস্থায় সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে, ব্যাংদি ট্রানস্লেশন লেখা শেষ না করেই কোন সাহসে সাইকেল নিয়ে বেরিয়েছে সেটা জানতে চাইল। ব্যাংদি করুণমুখে বাড়ি ফিরল, সেইসঙ্গে সারাজীবনের মতন গরুর প্রতি একটা মেন্টাল ব্লক নিয়েও বাড়ি ফিরল।
    সেদিন বিকেলবেলায় মিষ্টিদি ব্যাংদির সঙ্গে এক প্রস্থ খুব ঝগড়া করে ব্যাংদির অপরাধবোধ আরো বাড়িয়ে দিল। তার উপর ঝগড়ার সময়ে সীমাদি, সোমাদি, সুস্মিতাদি সবাই নীরব দর্শকের ভূমিকা নেওয়ায় ব্যাংদির চোখের সামনে থেকে বন্ধুত্বের মায়াবরণ খুলে গেল কয়েকদিনের জন্য।
  • sinfaut | ১৬ মে ২০১২ ১২:৪৩4236
  • ইশান,
    ঐ যে টেস্ট পেজটা দিলে, ওতে আমি সব পোস্কার দেখতে পাচ্ছি,কোনো বাস্কো নেই।
  • Blank | ১৬ মে ২০১২ ১২:৪৩4237
  • আমার একটা ঐ রয়াল এনফিল্ড হলেই হবে আর গুগল থেকে বাইক চালানোর টিউটোরিয়াল।
  • শ্রাবণী | ১৬ মে ২০১২ ১২:৩৮4234
  • সাইকেল, স্কুটার পেরিয়ে এখন গাড়ি কিন্তু এখনও সাইকেল আমার প্রিয় সওয়ারী.....মাঝে মাঝেই সাইকেল কেনার ধুয়ো তুলি, সাইকেলে অফিস যাব.....কিন্তু এত আনরুলি ট্র্যাফিক এই উল্টাপ্রদেশে! তবে সেই আমি আর আমার সাইকেল এক দেহ এক প্রাণ দিনগুলোতে, প্রতি তিনমাসে (মানে ঐ তখনকার এটিএসের মেয়াদ ফুরোলেই) এটিএস নেওয়ার উপায় হয়ে যেত কোনো না কোনো ভাবে। প্রথম কাইনেটিক হোন্ডা কিনে সন্ধ্যেবেলায় অফিস থেকে ফিরে গেস্ট হাউসের পেছনের রাস্তায় নিয়ে গেছি চালাব বলে, সঙ্গে চার পাঁচজন সঙ্গী সাথীর দল, তারাই রাস্তা অবধি চালিয়েছে। তারা বোঝাচ্ছে আর আমি অধৈর্য্যে পুরোটা শোনার আগেই স্টার্ট বাটন চেপে বেরিয়ে গেছি, এদিকে ও রাস্তা চিনতাম না ভালো, সামনেই একটা পাহাড়ের মত হাম্প ছিল, জানতাম না। যখন কাছে গিয়ে পড়েছি, তখন ঘাবড়ে ব্রেক করতে না পেরে সোজা ছিটকে পড়লাম পাশের বনে......স্কুটারে ঘষা দাগটা রয়েই গেছিল, ঠিক করিনি।

    হসপিটালে নিয়ে যেতে ডাক্তার সঙ্গী ছেলেদের ধরে কী বকুনিটাই না দিল, আমার খেয়াল রাখেনি বলে, খালিপিলী কথা শুনল বেচারারা!
    তবে এটিএস দিতে আমি কী খুশী, সেই সাইকেলের দিনগুলো মনে পড়ে যাচ্ছিল, সারা হাত পা ছড়ে রক্তারক্তি, ড্রেসিং হচ্ছে, তার মাঝে ডাক্তারকে গর্ব করে পুরো হিসেব দিচ্ছি, জীবনে কতগুলো এটিএস নেওয়া হয়েছে তখনো অবধি....
  • ঝিকি | ১৬ মে ২০১২ ১২:৩৬4233
  • আরেকটা আরো বড় ঘটনা। আমি তখন একাদশ শ্রেনী/ আমি তখন স্কার্ট-টপ।
    একবার ভরদুপুরে কলেজ কেটে ফেরার সময় রেলব্রীজের ওপর থেকে এক হাত ছেড়ে হু-হা নামছিলাম......... হঠাৎ চোখে পড়ল নীচের সমতল রাস্তায় আমার বন্ধুর প্রেমিকের মত দেখতে একটি ছেলে, তার সাইকেল টি পাশে নিয়ে অন্য একটি মেয়ের সাথে হেঁটে যাচ্ছে। বন্ধুর কাছে ছেলেটির এরকম স্বভাবের কথা আগেই শুনেছিলাম। ওদেরকে হাতেনাতে ধরার দিকে এত ব্যস্ত ছিলাম যে নীচে এক বাবা তার ছেলেকে সামনে বসিয়ে হেঁটে রাস্তা পার হচ্ছেন তা চোখে পড়েনি......... প্রচুর মোমেন্টাম নিয়ে ধাক্কা সেই ভদ্রলোকের সামনের চাকার স্পোকে....... মুহুর্তের মধ্যে সেটি অ্যামিবায় রূপান্তরিত। ভদ্রলোক আমার দিকে কেমন অসহায় ভাবে চাইলেন, তারপর কেন জানিনা ঠিক আছে বলে ছেড়ে দিলেন (বোধহয় মেয়ে বলে)......... আমি তো ছাড়া পেয়েই দুমদাম সাইকেল চালিয়ে গিয়ে দেখলাম ঐ ছেলেটাও বন্ধুর প্রেমিক নয়!!
  • Toon Army | ১৬ মে ২০১২ ১২:৩৩4232
  • বর্তমানও তাই।
  • rajdeep | ১৬ মে ২০১২ ১২:২৭4231
  • নেতাই

    আরাবুল মনে হয় বদলায়নি !

    বদলেছে আবাপর রিপোর্টিং, ঝাঁকের কই ঝাঁকে ফিরেছে

    যা দেবী ......
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত