এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপাঞ্জন | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১২:২৯426060
  • "অফুরান শুভকামনা রইল।" - অনেক ধন্যবাদ।
  • dipanjan | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১২:২৬426059
  • যুগোশ্লাভ এটাক?
  • T | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১২:২৪426058
  • ব্রতীন্দাকে জানানো হচ্ছে যে রেডহটপন এ ব্রতীন্দা লাস্ট গেমে যে বিশ্রী ভাবে আঠাশ চালের পর ঘোড়া নৌকো, মন্ত্রী, একগাদা বোড়ে খুইয়ে হাবুডুবু খেয়ে চেকমেট হ'ল, ওটা আমার সঙ্গেই খেলছিল। :))

    ফের ড্রাগন ভেরিয়েশন খেললে ফের মাত হবে। মু হা হা হা।
  • | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১১:৪২426057
  • আরে স্টোয়িক ভয়ংকর তো! বাপরে!
    তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠো। অফুরান শুভকামনা রইল।

    পামিত একবার টোটাল করিয়েছিল ক্যালিতেই, ব্ল্যাংকিও আম্রিকাতেই ভয়ানক অ্যাকসিডেন্ট করেছিল। সোসেনও, তবে সোসেন গড়ি চালাচ্ছিল না। এই ট্রমাগুলো কাটতে সময় লাগে।
  • এলেবেলে | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১১:২৮426056
  • আতোজ, কাল ছড়িয়ে লাট করেছি। বাপ্পাদিত্যবাবু দাশগুপ্ত নন, ঘোষদস্তিদার।
  • অর্জুন | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১১:০৯426055
  • এম সি সরকারের সমৃদ্ধ লেখক তালিকা। 'আনন্দ' পরে জাতে উঠেছে। কিন্তু হলে কি হবে, সুমিত সরকার তো সারাদিন ঘুমোন। এম সি সরকারের অফিসে গেলেই দেখতে পাবেন। চোখ মেলে তাকাতে পাঁচ মিনিট লাগে। ঃ)) বইমেলাতেও ঘুমোতে দেখেছি।

    'আই অব দ্য স্টরর্ম' খুব সাহসী উপন্যাস। সহোদর, সহোদরার মধ্যে সম্পর্ক দেখিয়েছিল কিন্তু 'ইন্সেস্ট' নয়।
  • দীপাঞ্জন | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১০:৫৮426054
  • খুব কম। প্রচুর পোকার খেলছি গত পাঁচ ছ বছর। মাঝে মাঝে চেস.কম -এ ৫ মিনিট ব্লিটজ খেলি। তবে তৃনা, আমার মেয়ে, আন্ডার-১৮ ন্যাশনাল টপ টেন-এ আছে দাবায়। অনেক টুর্নামেন্ট জিতেছে, কলেজ এডমিশনস এর স্কলারশিপ পেয়েছে। ২০০০-এর কাছে রেটিং।
  • অরিন | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১০:৫৩426053
  • এই বইটার জন্য patrick ওয়াইট 1973 সালে সাহিত্যে নোবেল পেয়েছিলেন। এর সিনেমা adaptation টাও বেশ ভাল। ইদানিং দারুন দারুন লেখক আসছেন অস্ট্রেলিয়া থেকে।
  • অপু | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১০:৪৮426052
  • দাবা খেলার সময় পাস?

    পেলে এ
    রেজিস্টার করিস

    লাস্ট দাবা খেলেছিলাম যেবার তুই টেক্সাস এ এলি।
    ১-১ হবার পরে
    থার্ড গেম
    মাঝ খান থেকে কাটি্যে দিলাম।

    তোর ঘুম পেয়েছিল
    তাছাড়া মদ ও শেষ!!
  • | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১০:৩৭426051
  • ইয়েস অর্জুন বেটাদের যে বই ই বলি সেটাই বলে নেই

    আরেক টা
    কিনেছি বড় বড় লোকেদের ইন্টারভিউ। গায়ক লেখক পলেটিশিয়ান। আমার মনে
    ধরেছে দুটো!! সমরেশ বসু আর প্রতিমা বন্দোপাধ্যায়।

    বাকি গুলো এখন ও পড়া হয় নি
  • দীপাঞ্জন | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১০:৩৫426050
  • সেই অনেকদিন হলো দেখা হয়নি। তোর দোষ নেই, আমি সাইটে বেশি আসি না। তবে ফেসবুক গ্রুপ-এ এক সময় নিয়মিত লিখতাম।
  • | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১০:৩১426049
  • আরে ভুই কি দীপু? মানে আমাদের ফার্স্ট বয়। কী
    কা!ন্ড !!

    শালা ২০১২ এ লাস্ট ব্যাটেবলে হয়েছিল তাই তো??
  • অর্জুন | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১০:২৭426048
  • @ অরিন বাবু, Ngaio Marsh র নাম শুনেছি। বই পড়া হয়নি।

    ক্যাথরিন ম্যান্সফিল্ড মাত্রই ৩৫ বছর বয়েসে মারা যান।

    পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ে এম এ'তে স্পেশাল পেপারে লিট্রেচর অব নিউজিল্যান্ড, লিট্রেচর অব অস্ট্রেলিয়া ছিল। অস্ট্রেলীয় সাহিত্য নিয়েও আলোচনা খুব কম হয় কিন্তু প্যাট্রিক হোয়াইটের 'আই অব দ্য স্টরর্ম' র মত উপন্যাস ইংরেজি সাহিত্যের সম্পদ।
  • দীপাঞ্জন | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১০:২০426047
  • "আপনার খবর শুনে খারাপ লাগলো। তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুন।"
    ব = অপু মানে উত্তরপাড়া গভর্নমেন্ট স্কুলের আর বেলুড় বিদ্যামন্দিরের ব্রতীন তো?
  • অরিন | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১০:০৬426046
  • আরো একজন বিখ্যাত লেখিকা, জানিনা কতটা ভারতে পরিচিত। Ngaio Marsh (নহাইও মার্শ), অসাধারণ ডিটেকটিভ উপন্যাস লিখতেন। এক সময়ে মারজোরি অ্যালিংহ্যাম, আগাথা ক্রিস্টি, ডরোথি সেয়ার্স এর সঙ্গে এঁকে নিয়ে এঁদের চার জনকে "Queens of Crime" বলা হত। এঁর সৃষ্ট ডিটেকটিভের নাম "রডরিক এলেন" (লণ্ডন মেট্রোপলিটান পুলিশের গোয়েন্দা)। গল্পগুলো খুব ধীরে শুরু হয়, কিন্তু টান টান উত্তেজনার গল্প। নহাইও মার্শের গল্পে থিয়েটারের একটা মস্ত প্রভাব থাকত। শেষ উপন্যাসটি বিশিষ্ট ব্রিটিশ লেখিকা Stella Duffy সমাপ্ত করেন।
    ক্যাথরিন ম্যানসফিলডের ওয়েলিংটনে বেসিন রিজার্ভ মাঠের কাছে বাড়িটাতে এখন খুব সম্ভবত একটা মিউজিয়াম করা আছে (যতবার বাইরে থেকে দেখেছি মনে হয়েছে)।
  • sm | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ১০:০৫426045
  • এই নিন এন এস এস ও র রিপোর্ট। পব রাজ্যের দারিদ্র কমেছে দেশের সর্বাধিক।
    যেখানে,মহারাষ্ট্রে পাঁচ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
    নিন এবার মনের সুখে মমতা সরকার কে গালি দিন।
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=53525&boxid=51590
  • অর্জুন | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৯:৪৪426044
  • নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে একজন বিখ্যাত লেখিকার নাম জড়িয়ে- Katherine Mansfield। দারুণ শর্ট স্টোরিজ লিখেছিলেন।
  • অর্জুন | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৯:৪১426043
  • বারো ভুঁইয়ার কথা ঠাকুমার কাছে শুনেছিলাম।

    @ব, যে বইগুলো কিনেছ, এম সি সরকার থেকে তো ? ওরা খুব ভাল বই করত এক সময়ে।
  • S | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৯:৩৫426042
  • যে এলিয়ট ম্যানেজমেন্টের কথা বলেছে সেটা একটা পুঁচকে ফান্ড। মোটে ৮ বিলিয়ন অ্যাসেট আন্ডার ম্যানেজমেন্ট। তাহলে হঠাত তার সি ই ও পল সিঙ্গারের পিছনে পরেছে কেন? প্রথমতঃ পল সিঙ্গার ইহুদী। তাছাড় লোকটা প্রচুর চ্যারিটি করে যেগুলো কনজার্ভেটিভদের পছন্দ নয়ঃ নিউ ইয়র্ক ফুড ব্যান্ক, হেল্থকেয়ার রিসার্চে, এডুকেশনে, সমকামীদের জন্য। লোকটা নিজে প্লেজ করেছে নিজের আদ্ধেক সম্পত্তি দিয়ে দেবেন। মার্ডককে বলুক না টাকার এই প্লেজটা করতে।
  • S | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৯:২৬426041
  • বক্তব্যটা কি? অ্যাকুইজিশান চলবে না? ফক্সে কাজ করে এইকথা বলছে? বোঝো।

    পুরো ভিডিওর তো একটাই বক্তব্য। এখন আম্রিগার অনেক অ্যাসেট এশিয়ানরা কিনে নিচ্ছে। এইটুকু রেসিজম ছড়াতে এত বড় ভিডিওর কি দরকার বুঝিনা।
  • সত্য | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৯:১৯426040
  • সত্যরে লহ সহজে। যে ষাঁড়ের পোঁদ বা ফাকার বালসন যার মুখ থেকেই আসুক না কেন।
  • S | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৯:১৬426039
  • স্যাষে টাকার কার্লসনের মিথ্যা শুনতে হবে?
  • hmm | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৯:০১426038
  • Atoz | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৭:৫৭426037
  • ষড়রিপু ;-)
  • :( | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৭:৫৩426036
  • ষপু?
  • ষপু | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৭:৩৬426035
  • আমাদের বাড়ির কালীপুজো
    ------------------

    দেখতে দেখতে আবার কালীপুজো এসে গেলো। এটাই এখন আমাদের দাস বাড়ির ফ্যমিলি গেট টুগেদার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মসুত্রে এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে যাওয়া সবাই এই ক`টা দিন অন্ততঃ তারকেশ্বরে র কাছে আমাদের দেশের বড়িতে থাকার চেষ্টা করেন। এবারে আমাদের পুজোর পালা। দাদু রা দু ভাই ছিলেন। এক বছর ওদের পালা এক বছর আমদের এই রকম চলে আসছে।

    এবারে ছোটকাকা রা আসতে পারবে না মুম্বাই থেকে। মেজদা ( জেঠুর মেজো ছেলে),বৌদি,রায়ন সাহেব আজকেই আসবে হায়দ্রাবাদ থেকে। অশোক( জেঠুর ছোট ছেলে),সাথী,অহনা রা এসে গেছে পুনে থেকে। বুড়ু( সেজকাকার মেয়ে), অভিজিৎ আর বেবো আসবে রবিবার অর্থাৎ পুজোর দিন।

    আর আমরা লোকাল রা তো অাছি সেজকাকা, কাকিমা,বাপন, নবনীতা, নকাকা, কাকীমা, বোন,অরবিন্দ,তিতলি,তিন্নি,পিসি, পিসেমশাই, রকেট( পিসির বড় ছেলে), রত্না এবং ডোডো সাহেব, বুলেট( পিসির ছোট ছেলে), ঈশিতা এবং আরণ্যক, বড়দি( জেঠুর বড় মেয়ে), জামাইবাবু, বাবা, মা এরা সবাই যাবে শনিবার। পুজোর কাজকর্ম আছে অনেক। এব্যাপার এ মেন দায়িত্বে থাকে পিসি।

    সেই ছোট্ট বেলায় যখন প্রায় পুরো পুজোর ছুটি টাই গ্রামের বড়ি তে কাটাতাম। তখন দেখতাম পোঁটা কাকা কেমন করে এক মেটে, দো-মেটে, খড়ি এবং তারপরে ফাইনাল রং। এই ভাবে ধাপে ধাপে
    ঠাকুর বানাতো। শিবের গাঁজার র কলকে,ধুতরো ফুল কিংবা মায়ের পায়ে বাঁশপাতা এই সব ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা এই সব বিষয়ে আমাদের ছিল অদম্য কৌতুহল। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ ঠাকুরের সাজ পরনোর সময় হেল্পারের কাজ পেত। নকাকার তত্বাবধানে চলতো ঠাকুর সাজানোর পালা। শিবের জটা, মায়ের চুল এই সব ও ঠিক মতো পড়াতে হত।এমন কি ন্যাড়া কাটা মুন্ডু কেও বাবরি চুল আর মোটা গোঁফ দিয়ে মানানসই করে তোলা হত। পুজোর দিনের বিকেলে মা কে মাখানো হতো ঘামতেল।

    আরেক টা স্মৃতি বাজি শুকোতে দেওয়া। এখনকার ইনস্যন্ট যুগের ছেলেপিলে র বুঝতে পারবে না। কিন্তু তখন বহু আগে বাজি কেনা হত তারপরে নিয়ম করে সেগুলো কে রোদে দেওয়া। অবশ্য আমাদের বাড়িতে তুবড়ি এবং রংমশাল ও তৈরী হত ক দিন আগে, অবধি এখন লোকবলের অভাবে তা বাদ দেওয়া হয়েছে।

    পুজো শুরু হতে হতে প্রায় ১১-১১ঃ৩০। ততক্ষনে উপোস করা লোকজন দের অবস্থা বেশ খারাপ। উপোসের মোটামুটি তিন ক্যাটাগরি। নিঢাল - অর্থাৎ কিচ্ছু খাবে বা পান করবে না, চা-হাল - যেটা আমি করি মনে জল খাওয়া যাবে না কিন্তু চা চলতে পারে। আর লুচি-ঢাল- এরা মোটামুটি ভাত ছাড়া সবই খায়। ঠাকুর মশায় পুজো তে বসতে, খনিকক্ষণ পরে আমরা বেড়িয়ে পরি দু দিকে দুটো হ্যজাক হাতে কেউ থাকে। মাঝে আমাদের ৩০/৩৫ জনের বিশাল দল ইনক্লুডিং ঢাকী।এই সময় কোন বড়ির লোক ঘুমোচ্ছে বুঝতে পারলে আমরা জোরে জোরে ঢাক বজিয়ে তদের ঘুমের দফা রফা করে দি, কোন বাড়ির বাইরে বেরোবার একটই দরজা থাকলে তার শেকল তুলে দি, কারোর বাড়ি থেকে ২/৪ টে ডাব সরানো এই সব "মহৎ" কাজ করে থাকি। ফিরে পুষ্পাঞ্জলি দিতে দিতে প্রায় ৪/৪ঃ৩০। এর পর খেতে বসা, সারাদিন উপোসের পর আহা বড় তৃপ্তিদায়ক সে ভোজ।

    পরের দিন গ্রামের লোক কে নেমোতন্নো করে খাওয়ানোর রীতি চলে আসছে বহুকাল ধরে। আত্মীয়স্বজন, গ্রামের লোক সব মিলিয়ে প্রায় ২৫০ জন।

    সারা সন্ধ্যে বাজি পোড়ানো। এরপর গ্রামের অলিখিত নিয়ম অনুসারে সব ঠাকুর জড়ো হয় বটতলা তে। সেখানে একটা বাজি পোড়ানো আর ঢাকের প্রতিযোগিতা। সবাই সবাই কে টেক্কা দিতে চায়। তার ওপরে মাইকের উৎপাত।
    আওয়াজে কান পাতা দায়। শেষে রামসাগরে প্রতিমা নিরঞ্জন। মনে মনে বলি মা সামনের বছর আবার।।।।।।
  • Atoz | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৭:২৫426034
  • এতদিনে পেয়েছি উত্তর। কালীদা। এই কি জীবন কালীদা? এটা তারাপদ রায়ের কবিতা!!!!

    //
    এই কি জীবন কালীদা
    - তারাপদ রায়

    এসব কথা ভুলে যাওয়া যায় না,
    মনে রাখাও সম্ভব নয়।
    মাঠের ভিতরে উড়ে যাচ্ছে হলুদ রঙের পাতা, এলোমেলো অন্যমনস্ক পাখি,
    বটগাছের নীচে সন্ন্যাসীর পায়ের কাছে শুয়ে আছে বশংবদ কুকুর,
    রাস্তার কল থেকে আঁজলা করে
    লোহার গন্ধমাখা জল খাচ্ছে ইস্কুলের ছেলেরা।
    দূরে মেঘলা আকাশ নীল রঙের শীতের দিন,
    যারা জঙ্গলে গিয়েছিলো একজন ছাড়া সবাই ফিরেছে,
    যে ফেরেনি তার কথা আলোচনা করছে বাজারের লোকেরা,
    তার বুড়ি ঠাকুমা দাওয়ায় বসে কাঁদছে,
    চায়ের দোকানের বেঞ্চিতে বসে
    একজন আরেকজনকে বলছে, এই কি জীবন, কালীদা?
    এ সব ঠিক মনে রাখার বা ভুলে যাওয়ার নয়,
    থাকে অথবা হারিয়ে যায়
    কারোর কিছু আসে যায় না,
    শুধু শুধু একা বৃদ্ধা দাওয়ায় বসে কাঁদে,
    চায়ের দোকানে নিরুত্তর চুপচাপ বসে থাকে কালীদা।
    দূরে মেঘলা আকাশ, নীল রঙের শীতের দিন।
    //

    কী ভালো কবিতা লিখতেন তারাপদ রায়!!!!!!
  • Atoz | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৭:২১426033
  • ওই কৈলাসে নিত্যানন্দ খবরটা কি সত্যি? দ্বীপ কিনে পতাকা, পাসপোর্ট চালু করে দিয়েছে?
  • অরিন | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৭:১৬426032
  • আমার জন্য প্রশ্ন: "নেহাতই কৌতুহলে, আপনি তো মনে হল নিউজিল্যান্ডে থাকেন। Barre,MA সেন্টারে গেছেন না কি?
    প্রকৃত প্রশ্নঃ থিক নাট হান এর যে বইটার অনুবাদ শুরু করেছিলেন সে প্রজেক্ট কি আর এগোবে না? "

    আমি বারে'র সেন্টারটিতে যাই নি, যদিও যাবার ইচ্ছে প্রবল। দেখা যাক।
    থিক নাট হানের বইটির অনুবাদটায় আবার হাত দেব। একটু হাতে সময় চাই, এত রাশ কি বলব।
  • গুরুচণ্ডা৯ | ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৪:৪৮426031
  • পুরোনো ভালো বইয়ের পুনঃপ্রকাশের যে প্রকল্প আমরা নিয়েছি, তার অংশ হিসেবেই প্রকাশিত হতে চলেছে আরও দুটি বই। বিপুল দাসের 'সরমার সন্ততি' এবং অমর মিত্রর 'এখন মৃত্যুর ঘ্রাণ'। বইদুটির ব্লার্ব এবং প্রচ্ছদ নিচে দেওয়া হল। দুটি বইয়েরই প্রচ্ছদ এঁকেছেন চিরঞ্জিৎ সামন্ত।

    সরমার সন্ততিঃ

    ফাল্গুনের ভোরবেলায় আমবাগানের উঁচু ডাল থেকে ঝুলে পড়া মনসুর চাচার শরীর, অথবা শেয়ালে খোবলানো ক্ষতবিক্ষত সুরেশ্বরীর লাশ, এই উপন্যাসে স্মৃতির বিনির্মাণ ঘটেছে হননদৃশ্যের মাধ্যমে। কর্নেল অরেলিয়ানো বুয়েন্দিয়ার মতই এখানে স্মৃতির নির্যাস ঘটেছে বাবার হাত ধরে প্রথম মদ চেনার মধ্যে দিয়ে। কিন্তু তা সত্বেও এ উপন্যাস স্মৃতিনির্মাণের কাব্য নয়। বিপুল দাস আপাত অতীতচারণার আড়ালেই অমোঘ শুনিয়ে যান রাজনীতির সংকেতমালা। পার্টিশন পরবর্তী বাঙাল কিসসা, বাহাত্তরে টাঙির কোপে হাত উড়ে যাওয়া অথবা বন্দীমুক্তির আন্দোলনের প্রসংগ তাই অনায়াসে কৈশোরকালের প্রথম নিষিদ্ধ রোমাঞ্চ আবিষ্কার অথবা মনসামংগল পাঁচালির পাশাপাশি বসে যেতে পারে। আর এসবের মধ্যে দিয়েই চেতনায় ঝংকার তোলে নিষিদ্ধ এক নাম--নক্সালবাড়ি। কিন্তু সব কিছুর পরেও এ আখ্যান যেমন পুরোটা নস্টালজিয়ার নয়, তেমনই সম্পূর্ণ নয় রাজনীতির অধিকারেও। বরং বাস্তব ও কল্পনার মাঝামাঝি যে নো-ম্যানস ল্যাণ্ডের ধূসর আবছায়া থাকে, সেই অঞ্চলে এসে কোথাও এক হয়ে যায় স্বপ্ন, সত্য, ইতিহাস ও হননকাব্য। যে হিংস্রতার ইতিহাসকে, ভ্রাতৃহত্যার রাজনীতির ট্র্যাডেজিকে মহাভারতের কাল থেকে নিজের শরীরে বহন করে আনছে এই উপমহাদেশ, তাকে ধরতে গেলে তো বাস্তোবত্তর এক অন্য বাস্তবেরই সাহায্য নিতে হয়! সেই নিয়ম মেনেই সরমার সন্ততিরাও এই স্বপ্নভংগের আখ্যানে আর ধর্মপুত্রের স্বর্গযাত্রার সংগী নয়। বরং তাদের উপস্থিতি জানান দেয় বিপজ্জনক ঘণ্টাধ্বনির মতই বিশেষ মুহূর্তে ডেকে ওঠার মাধ্যমে। এ কাহিনী তাই বিপুলের নিজস্ব ভারতকথা। এ সারমেয় বাহিনী তাঁরই সৃষ্ট নিজস্ব পাগলি-ঘণ্টি।

    এখন মৃত্যুর ঘ্রাণ

    একলা নারীটি বন্ধ ফ্ল্যাটে বসে সঙ্গ চায়। মেঘের কথা ভাবে, ভাবে বৃষ্টিদিনের কথা। ক্রাইম থ্রিলারের পোকা চায় খুনের রহস্যসন্ধান, মগজে পাকিয়ে তোলে নিজস্ব রহস্যের জগৎ। উন্নতির সিঁড়ি বেয়ে উঠতে চায় নবীন চাকুরে। প্রবীণতরের চোখে বিদেশী কোম্পানির নতুন প্রোজেক্টের হাতছানি। আর এসবের মধ্যেই পুলিশি প্রহরায় সবুজ ফসলী জমি হাতছাড়া হয়ে যায় কৃষকের। অনন্তদৈর্ঘ্যের ক্যাসেটের ফিতের মতো এ সবই জড়িয়ে একাকার হয়ে যায় এই অদ্ভুত সময়ে। আর বাতাসে ভেসে বেড়ায় মৃত্যুর ঘ্রাণ। এই আশ্চর্য উপন্যাসে।


    দুটি বইয়েরই পূর্ণ অথবা আংশিক আর্থিক দত্তকের আহবান রইল, আগ্রহী হলে এখানে জানাতে পারেন, অথবা ইমেল করুন [email protected]এ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত