এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • avi | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৭:০৫426390
  • দুটোই লাগে, অবস্থাভেদে। নাহ, রুটিন পাল্টানোর উপায় আপাতত ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রচেষ্টায় অসম্ভব।
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৬:৩২426389
  • কীভাবে সাহায্য করেন? ওষুধ না কাউন্সেলিং? রুটিন পাল্টাবার কোনো উপায় নেই?
    নব্বই এর দশকের শেষদিক থেকে মাতৃভাষাভিত্তিক স্কুলগুলো ডুবতে শুরু হল (অন্যভাবে বললে ব্যবসায়ীদের স্কুলের ইনভেশন শুরু হল), সেই থেকে সর্বনাশের শুরু হল।
    বড় হয়ে উঠতে থাকা কিশোর-কিশোরী দেখতে পায় তার মা পিসি মাসী বাবা কাকারা যেসব স্কুলে পড়ান, তার ঠাকুরদা যে স্কুলে হেডমাস্টার ছিলেন, তার ঠাকুরমা যে স্কুলে পড়িয়েছেন---সেগুলো সব পরভূমি হয়ে গেছে, তার যেতে হয় বিদেশীভাষার এডুকেশন-শপে দাসত্ব শিখতে। বাধ্যতামূলক।
  • avi | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৬:১৯426388
  • এই বয়সী ছেলেমেয়েরা যখন রোগী হিসেবে আসে, এদের দৈনন্দিন জীবন শুনলে আঁতকে উঠতে হয়। একদম শৈশব থেকে কলেজ অব্দি এদের খেলাধুলো বা বন্ধুত্ব হয় নেই, বা থাকলেও ভীষণভাবে গোলড্রিভেন। কথা বললে দেখি, মা-বাবাও এই বিপদ সম্বন্ধে অবহিত, কিন্তু অসহায়।
  • S | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৫:৪৩426387
  • পস্চিমী বড়লোক দেশগুলোতে কিছুটা শিক্ষা-ট্রেনিং হলেই চলে যায়, তাতেই জীবন কাটানোর যথেষ্ট আয় হয়। আমাদের মতন গরীব দেশে সামান্য একটু ভালো থাকার জন্য যে লড়াই সেটা বড্ড প্রকট। সেইজন্যই তিন বছরের বাচ্চাকে বিদ্যাসাগর বানানোর জন্য চাপ। আর্থ সামাজিক কাঠামো এমন করেই তৈরী হয়েছে। সেখানে শুধুমাত্র ফার্স্ট বয়/গার্লদেরই জায়্গা। একটু পিছিয়ে পড়লে, একটা পরীক্ষায় খারাপ করলেই, একটা বিষয় ভালো না জানলেই তুমি বাদ। কেউ হেসে খেলে অ্যাম্বিশান ছাড়াই মজা করে জীবন কাটিয়ে দেবে সেই স্কোপগুলো ক্রমশ কমে আসছে। তিন থেকে তিয়াত্তর সকলেই পীয়ার প্রেশারে আক্রান্ত।
  • অরিন | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৪:২৯426386
  • সারা পৃথিবীতে এই ব্যাপারটা আছে। সর্বত্র কিন্তু ভারতের মতন সমস্যা নেই।
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:৫৪426385
  • বাজারদর, মাইনে, ছেলেমেয়ের স্কুলকলেজ, ডাক্তার, সামাজিক পার্টি ---এই জিনিসগুলো কিন্তু ব্যক্তির একার পক্ষে ঠিক করা সম্ভব না। একাধিক চয়েস থাকলে সে শুধু সেগুলোর মধ্যে একটা বেছে নিতে পারে মাত্র। অনেক ক্ষেত্রে একাধিক চয়েস থাকেও না।
  • Du | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:৪৯426384
  • বাংলাদেশ থেকে বাকি হিন্দু ও বৌদ্ধরা 'অত্যাচারিত' হয়ে চলে এলে শিবসেনা মহারাষ্ট্রে থাকতে দেবে কি? আর বিজেডি ওড়িশায়?
  • অরিন | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:৪৭426383
  • সংসারে থেকে দিন নির্বাহ করার শর্ত কিন্তু অন্যের দ্বারা নিজের ভাল না বুঝে গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসান নয়, অনেকটা আত্মশক্তি লগে, বিশেষ করে কোন জায়গাটাতে না বলব। এটা বিজ্ঞাপন কি বাজার ঠিক করবে বলে আমি বিশ্বাস করি না অবিশ্যি ভিন্নমত হতেই পরে
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:৩৬426382
  • একজন লোক, যাঁর সন্তান নেই সংসার নেই, পিছুটান নেই, তিনি এইসব ট্রেন্ড ছেড়ে নিজের মতন জীবনযাপন করতে পারেন, ইচ্ছে করলে সন্ন্যাস নিয়ে আশ্রমে ঢুকে পড়তে পারেন। কিন্তু সংসারী গেরস্থ লোক, যাঁর এক বা একাধিক সন্তান, যাকে চব্বিশ ঘন্টা বাজারদর, মাইনে, ছেলেমেয়ের স্কুলকলেজ কোচিংক্লাস, অসুখ বিসুখ হলে কোন ডাক্তার, সামনে অনুষ্ঠানে প্রতিবেশী বন্ধুবান্ধব কাকে নেমন্তন্ন করবো, কীরকম আয়োজন করলে ভালো দেখাবে---এইসব নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়, তাঁর পক্ষে ট্রেন্ড অস্বীকার অসম্ভব।
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:৩০426381
  • বিজ্ঞাপণ তো শুধু বিজ্ঞাপণ না, বেসিক অর্থনীতির ব্যাপারটাই ওর থেকে বোঝা যায়। অর্থনীতির জাল থেকে উদ্ধার পাওয়া কিন্তু সোজা নয়। আমাদের সমাজটাই আর্থ-সমাজ। নানারকম আইডিয়ালিজম থাকতেই পারে, কিন্তু মূল মোকাবিলাটা অর্থের সঙ্গেই। গৃহস্থ, সন্তানাদি আছে, এমন লোকেরাই তো সংখ্যায় বেশি, তাঁরাই মূল টার্গেট।
  • অরিন | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:২৪426380
  • এক্ষুনি কাজে বেরোবো,তার আগে লিখে যাই, যদি মনে করেন বিজ্ঞাপনের দায় সমাজ তৈরির, আর তাদের বেঁধে দেওয়া প্যারামিটারের মধ্যে জীবন কাটবে, তাহলে আর বলার কিছু নেই।
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:০৭426379
  • " নেবার্স এনভি ওনার্স প্রাইড", "গ্রীড ইস গুড" এই টাইপ বিজ্ঞাপণে ছাওয়া সমাজের খাঁচায় যারা থাকে, তারা করবেই বা কী? পীয়ার প্রেশার! এই জাল ছেঁড়া তো সোজা কথা নয়। কোনো কোনো ব্যক্তি তবু ছিঁড়ে বেরোতে পারে, সমাজের বাইরে বেরিয়ে গিয়ে আমায় আমার মতন থাকতে দাও জীবন যাপন করতে পারে। কিন্তু সমষ্টি হিসেবে ছিঁড়ে বেরোবে কী করে? একা নয়, আরো দশজনকে নিয়ে ছিঁড়ে বেরোতে হবে।
  • Apu | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০২:০৩426378
  • হে ন্যাড়া দা, " কোথায় তুমি? প্রকট হয়"
    ০⁰
    এলেবেলে দার
    "নির্মোহ ব" সিরিজ থেকে মুক্তি পাবার এমন "সোনার সুযোগ" কিন্তু বার বার আসিবে না
  • অরিন | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:৫৭426377
  • "মিডিয়ারও দায় আছে, তাদের খবর পরিবেশনগুলো লক্ষ করে দেখবেন, কাকে তোল্লা দেওয়া হবে, কাকে হ্যাটা করা হবে---সব সূক্ষ্মভাবে পরিবেশনে ইন্ডিকেটেড থাকে।
    অনেক মধ্যবিত্ত বাবামা এখন চাইলেও আর দিতে পারছেন না মাতৃভাষাভিত্তিক স্কুলে। ট্যাশেই দিতে বাধ্য হচ্ছেন"

    আলোটা পড়ার কথা অন্তর থেকে, পুরোটাই যদি বাইরের জগৎ ও তাদের ইম্প্রেশন ভিত্তিক জীবন হয়, তাহলে এইটাই হবার কথা। একটা সমাজে মানুষের ভেতরে বাইরে পরস্পরের প্রতি করুনা (এম্প্যাথি ), মৈত্রী, ও ঔদার্যের কতটা অভাব, গুরুচন্ডালির আলোচনা গুলো পড়লে বুঝতে পারা যায়। বাচ্চাগুলো মারা যাচ্ছে তার পরেও এদের চৈতন্য হয় না, এইটা ভাবলে আরো খারাপ লাগে।
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:২৯426376
  • অনেক লোকেই দেখি গটিংগেনকে গুটেনবার্গ করে দেয়!!! কেজানে কেন! হয়তো গুটেনবার্গ কানে চেনা চেনা ঠেকে, তাই ভাবে ওটাই ঠিক। ঃ-)
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০১:০৫426375
  • ওইদিকে বাংলাদেশী লেখকদের লেখালিখি নামে টই দেখে পড়তে গিয়ে দেখি দেরিদা নেরুদা কামু কাফকা লোর্কা গোর্কি মার্কেজে আস্তুরিয়াসে ফাস্তুরিয়াসে একেবারে ছয়লাপ!!!! হুব্বা তো হুব্বা প্রায় হুম্বাবা হয়ে গেলাম।এঁরা বাংলাদেশী লেখক হলেন কবে থেকে? ঃ-)
  • অর্জুন | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৫৬426374
  • হায়! নির্মোহ ব'য়ের সাধকের শেষে সার্টিফিকেটে এত মোহ।
  • এলেবেলে | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৫২426373
  • @অর্জুন, যদ্দিন ন্যাড়াস্যার আমাকে বিপ্পালের পূর্বসূরীর সাট্টিফি না দিচ্ছেন তদ্দিন আমার এই নির্মোহ ব সিরিজ চলছে, চলবে!
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৪২426372
  • নোবেল যেদিন সত্যি সত্যি গ্লোবাল প্রাইজ হয়ে উঠবে, সেদিন দেখা যাবে কতদেশের কতরকম পোশাক পরে লোকে প্রাইজ নিতে আসছেন। আফ্রিকার নানা দেশের পোশাক, দক্ষিণ আমেরিকার নানা দেশের, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের আদিবাসী জনজাতির পোশাক---কত বৈচিত্রই না দেখা যাবে তখন(যদি তেমন হয় আর তখনও এসব টিঁকে থাকে আরকি)
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৩৮426371
  • ব্রতীনাপু, তোমার সেই কার শ্বশুরমাশাইকে ধুতি পরানোর প্রসঙ্গ মনে পড়ে গেল সাম্প্রতিক একটা ভিডো দেখে। সেই ভিডোতে দেখলাম ধুতি পরেছেন অভিজিৎ বিনায়কবাবু নোবেল প্রাইজের অনুষ্ঠানে। এস্থার শাড়ি পরেছেন। শাড়ীটা খুব সুন্দর। অভিজিৎবাবুর ধুতিটাও অতি সুন্দর। আশেপাশের সাহেবরা আর মেমসাহেবরা থ হয়ে দেখছেন। ঃ-)
  • অর্জুন | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৩২426370
  • কিছুদিন আগে ইউটিউবে অমলা শঙ্করের শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানটি দেখতে, দেখতে ভাবছিলাম উদয় শঙ্কর ডান্স ট্রুপের প্রায় সকলেই পরবর্তীকালে পারফর্মিং আর্টে অসামান্য কৃতিত্বই শুধু দেখায়নি They were the first to take up performing art as career option। শুধু নৃত্য নয়, vocal, instruments ও theatre।

    তিমিরবরণ ভট্টাচার্য, রবি শঙ্কর, লক্ষ্মী শঙ্কর (কর্ণাটকি ক্লাসিক্যাল), জোহরা সেহগল, উজ্রা বাট (অভিনয়) এবং অন্যান্য। অধিকাংশই কিম্বদন্তী হয়েছিলেন। এঁদের অনেকেরই ফর্মাল স্কুলিং ছিল না।

    এই ইতিহাসটা খুব ইম্পরট্যান্ট।

    I'm sure, they changed the course of India's cultural history.
  • Apu | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:২৫426369
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:২৩426368
  • আর ট্রেন্ড জিনিসটা যে কী সাংঘাতিক, কর্পোরেট দুনিয়া যে কত দূর হাত বাড়াতে পারে, সেটা এখন মধ্যবিত্তের বাচ্চাদের স্কুল দেখে বোঝা যায়। চোখের সামনে মাতৃভাষাভিত্তিক স্কুল তো বটেই মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাগুলো পর্যন্ত মূল্যহীন হয়ে গেল। মিডিয়ারও দায় আছে, তাদের খবর পরিবেশনগুলো লক্ষ করে দেখবেন, কাকে তোল্লা দেওয়া হবে, কাকে হ্যাটা করা হবে---সব সূক্ষ্মভাবে পরিবেশনে ইন্ডিকেটেড থাকে।
    অনেক মধ্যবিত্ত বাবামা এখন চাইলেও আর দিতে পারছেন না মাতৃভাষাভিত্তিক স্কুলে। ট্যাশেই দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তারপরে ইনোসেন্ট ছেলেমেয়েগুলো মারা যাচ্ছে।
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:১৮426367
  • ওই যে কলকাতায় কয়েক মাস আগে প্লাস্টিকের প্যাকেটে মাথা ঢুকিয়ে গলায় গিঁট দিয়ে মারা গেল যে মেয়েটি, তার বয়স ছিল ১৪ বছর, ক্লাস টেনে পড়ত।
    (এইরকম অদ্ভুত স্ট্রেসের মধ্যে বিজাতীয় ট্যাঁশ গিলতে গিলতে দাসত্বের ট্রেনিং এর মধ্যে বড় হচ্ছে এরা। আত্মব্শ্বাস নিয়ে দাঁড়াবার কোনো মানসিক ভূমিই নেই। )
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:১৪426366
  • ওরেব্বাবা বড়েস, আজকাল শুনছি দুই বছরের বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি করে দেয়!!!! এরপরে কোন্‌ দিন শুনবো অষ্টাবক্র অথবা অভিমন্যু কেস। ভূমিষ্ঠ হবার আগেই স্কুলে অ্যাডমিট করে দিয়েছে। ঃ-)
  • অর্জুন | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:১৩426365
  • সাল ব্যসিসে বিবেকানন্দ, সুভাষ বসু, অরবিন্দ সব্বাইকে এ ভাবে হাইজ্যাক করবেন @এলেবেলে। কি কাণ্ড ! একদম একছত্রাধিকার!
    ঃ)))))
  • S | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:১১426364
  • ঐ কচি বয়সে সুকুমার রায় পড়ে শোনালে কাজে দেয়। এত পড়াশুনা করে যে কি হচ্ছে সেও তো বুঝতে পারছিনা।
  • Atoz | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:১০426361
  • এইসব বাবামাকে "ইচ্ছে" সিনেমাটা দেখান।
  • অর্জুন | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:১০426362
  • কোথায় নালিশ ঠোকা যায় এটা আমিও জানিনা, বিশেষ ধারণাও নেই। এসব নিয়ে কাজ করে এন জি ও'র কথা জানিওনা। আমিও জানতে চাই।
  • এলেবেলে | ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:১০426363
  • ব্রতীনবাবু, দিল গার্ডে গার্ডেন হওয়ার আনন্দে রম্যাণি বীক্ষ্যকে বৃক্ষ বানিয়ে দিলেন! না স্যার, বিবেকানন্দকে নিয়ে ২০২০ অবধি কিছু করতে পারব না। ওই বছরটা বিদ্যা-রামে ব্যস্ত থাকব। ২২-এ সুভাষ। ২১-এ হলেও হতে পারে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত