এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৭:৪৮427980
  • বিজেপি তো এখন ইকোনোমি, চাকরি ওসব নিয়ে খেলছেই না, ওসব হাত পোড়ানো হয়ে গেছে ডিমনি, GST করতে গিয়ে ছড়িয়ে লাট। এখন শালারা পুরো ২০-২০ খেলছে, তিন তালাক রোধ, কাশ্মীর এ ৩৭০ রোধ, রাম মন্দির। লোকে তো এসবই চায়, গ্যালারি র জন্য সার্কাস। তার জন্যে গোটা কাশ্মীর র লোককে জেলখানায় আটকালে তাতে আর কি এসে গেলো, মরুক ওরা। রাম মন্দির তৈরী হলে এদের পেটে ভাত জুটবে কি না সে চিন্তা নেই, কিন্তু একটা মসজিদ ভেঙে মন্দির তৈরী তো হলো, মোদী না থাকলে কি আর হতো। এই হচ্ছে এদের চিন্তা ধারা, নিজে বাঁশ খাক সই, কিন্তু মুসলিমরা সেখানে এদের ডাবল বাঁশ খাচ্ছে তাতেই আনন্দে লুটুপুটি।

    আর নিচে র লেভেল এ গোষ্ঠিদ্বন্দ্ব নিশ্চয় আছে, কিন্তু মোদী শাহ হচ্ছে এদের আসল মসীহ। নিচে যাই থাক, ওপরে এদেরকে কেও চ্যালেঞ্জ করবে না। করলে নিজে ভ্যানিশ বা সাইড লাইন হয়ে যাবে, যেমন যশবনত সিনহা, রাজনাথ সিংহ, শত্রুঘ্ন সিনহা ইত্যাদি।
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৭:১৭427979
  • একেক সময় মনে হয় ব্যাপারটা ঠিক মোদি বা বিরোধীপক্ষেরও হয়ত নয়, মানুষের মানসিকতার আর বিশ্লেষণ করার ক্ষমতার কোথাও একটা গলদ হচ্ছে, এবং এটাকে উসকে দিচ্ছে এক শ্রেণীর মিডিয়ার লোকজন। এলাকাভিত্তিক বা অঞ্চলভিত্তিক ভোটগুলোতে দেখুন, গল্পটা অন্য রকম, কিন্তু সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেকের কাছেই গুলিয়ে যায়। বড় ছবিটা দেখতে গিয়ে।

    আরেকটা ব্যাপার, বিজেপি খুবই রেজিমেন্টেড দল, মেনে নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে, বিজেপির' নিজেদের ভেতরে কি কোন গোষ্ঠিদ্বন্দ্ব নেই? পর পর এতগুলো পলিসি ডিবেকল-এর পরেও এরা একজোট থাকে কি উপায়ে? বিশেষ করে নির্বাচনের সময়ে?
  • Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৭:০৫427978
  • সে তো দেশ শুদ্ধ লোক ভুলে গেলো নোটবন্দির হ্যাপা, এই কটা লোক আর কি আলাদা হবে ? ভোটের আগেই মোদী দুটো কাক মেরে এলো বর্ডার এ গিয়ে, ব্যাস, কাজ শেষ। এখনো যখনি ইকোনমি এসব নিয়ে কথা ওঠে, তেনারা জিগান মোদির বদলে কে ? তখন যার নাম ই বলেন, কাউকেই তেনাদের পছন্দ নয়। আর অপসিশন যদি একটা ভিয়াবলে অল্টারনেটিভ হিসেবে নিজেদের তুলে ধরতে না পারে, তাহলে এদের আটকাবে কি করে ?

    রাহুল গান্ধী কে সরিয়ে যদি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ফোরফ্রন্ট এ আসে আর ওনাকে পিম ক্যান্ডিডেট হিসেবে প্রজেক্ট করা যায়, তাও একটা চান্স আছে, নাহলে ২০২৪ ও একই গল্প। ভালো লোক তো অনেক আছে বিরোধী দের, কেজরিওয়াল, নীতিশ, নাইডু, ইভেন পাগলামি কম থাকলে দিদি ও ভালো ক্যানডিডেট, কিন্তু এদের কারোর ই অল ইন্ডিয়া লেভেল এ একসেপটান্স নেই। মোদির এগেইনস্ট এ এদের কাউকেই পিম ক্যান্ডিডেট হিসেবে দাঁড় করানো যাবে না, জাস্ট উড়ে যাবে। সেটাই চায় বিজেপি ও।

    আমার তো মনে হয়, নেক্সট ৪-৫ বছরে বিজেপি আরো অনেক স্টেট্ ইলেকশন এ হারবে, কারণ এদের সেকেন্ড রিং লিডারশিপ নেই, জাস্ট জোকার র দলে ভর্তি। কিন্তু অল ইন্ডিয়া লেভেল এ সেই এক গল্প।
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৭:০৩427977
  • এইসব লোকগুলোর সুপ্রীম লিডার কী করে হয়ে গেল মোদী?

    এরা মনে হয় মোশা'র কামড় খেতে ভালবাসে। অমিতবাবুর মত মোশারি'র (মোশার অরি = মোশারি) কথা ভাল লাগবে কেন?
  • Atoz | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৬:৫২427976
  • এইসব লোকগুলোর সুপ্রীম লিডার কী করে হয়ে গেল মোদী? নোটবাতিল থেকে আরম্ভ করে হাজারে হাজারে হ্যাপা তুলছে, ক্রমাগতঃ সবদিকে ঝামেলা হচ্ছে, এই লোকেরা সেগুলো গ্রাহ্য করছে না? নাকি ওরা ভাবছে, সামনে সুবর্ণযুগ আসছে? "বলো বলো বলো সবে শত বীণাবেণুরবে/ ভারত আবার জগত্সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে? "
  • Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৬:৪৫427975
  • হাহা, অরিন, এনাদের কাছে ন্যাশনালিস্ট মানে মোদ্দা কথা হলো যারা মোদিকে বএবং তেনাদের পলিসিকে চোখ বুজে সাপোর্ট করেন। ব্যাস, আর কিচ্ছু না। সুপ্রিম লিডার র এগেইনস্ট এ কোনো কথা বলা মানেই আন্টি -ন্যাশনাল। একদম সিম্পুল, কোনো জটিলতা নেই।

    এদের সংখ্যা অনেক। স্কুল র গ্রুপ, কলেজ র গ্রুপ, পুরোনো চাকরির একাধিক গ্রুপ, আত্মীয়দের গ্রুপ- সবকটা জায়গায় এনারাই আসল মেজরিটি, আমরা নেহাত সংখ্যালঘু। কোথায় আর যাই, পুরোনো সব সম্পর্ক তো ফেলে দিতে পারিনা, কখন কাকে দরকার হয়। আবার এদের মধ্যেও সবাই এক নন, কেও কেও এক্কেবারে অমিত শাহ মার্কা অগ্গ্রেসিভ, কিছু বললেই তেড়েমেড়ে ওঠেন বা নিজেরাই প্রবল বিক্রমে চাড্ডিত্ত প্রচার করেন ওনাদের হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটি র মাধ্যমে।

    বাকিরা একটু প্যাসিভ বা ছুপা চাড্ডি। তারা শুরু করেন এই বলে যে তেনারা রাজনীতি একদম ই পছন্দ করেন না, কিন্তু মোদী যা করছে, তাতে লং টার্ম এ দেশের ভালো ই হবে। আর বাকিরা সবাই corrupt, তাই মোদী ছাড়া আর অপসন ই বা কি। পেছনে যতই বাঁশ দিক, তিনি ই তো একমাত্তর ভরসা।

    এভাবেই চলছে, চলবে। দেখা যাক। এবার হয়তো কোনোদিন গ্রুপ এ NRC এনে বলবে এই আপদ মাইনোরিটি গুলোকে বিদায় করা হোক। :) :) তখন দেখি আমরা কি করি, ধর্নায় বসি, নাকি ধুর শালা বলে কাটিয়ে দি।

    :) :)
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৬:৩৩427974
  • "যে অর্থনীতিবিদ নোবেল পেলেন তাঁকে তো গালাগাল দিয়ে তার কটা বিয়ে, তার ঠাকুরদার খুড়শ্বশুর কে ছিল, তার শ্বশুরের ভায়রাভাই কী করতো"

    ... কালকে আবার একজন আমাকে বললেন জানো তো, অভিজিৎকে কারা ফান্ড দেয়? হুঁহুঁ বাবা, সৌদি আরবের রাজা, ওর ল্যাবের নাম জানো তো? আমি না বুঝতে পেরে জিজ্ঞাসা করলাম তাতে কি হয়েছে? এরকম উজবুকের মত প্রশ্ন শুনে তিনি ভয়ংকর চটে গেলেন।
  • Atoz | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৬:৩১427973
  • অরিন, আর্টিকলটার জন্য থ্যাংকু।
  • Atoz | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৬:২৭427972
  • ইকোনোমি নিয়ে আলোচনা তো বিপজ্জনক, সেইজন্য মনে হয় করতে চায় না। শুধু তাই না, ইকোনোমিস্টকে অবধি গালাগাল দিয়ে দেয়। যে অর্থনীতিবিদ নোবেল পেলেন তাঁকে তো গালাগাল দিয়ে তার কটা বিয়ে, তার ঠাকুরদার খুড়শ্বশুর কে ছিল, তার শ্বশুরের ভায়রাভাই কী করতো এইসব বলে একেবারে ভুত ভাগিয়ে দিয়েছে।
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৬:১৬427971
  • "প্রথমে গালাগাল দিলো আন্টি ন্যাশনাল বলে, তারপর আমি থ্যাংকু বলাতে সে আবার একটু লজ্জা পেয়ে বললো যে, না, তুই নিজে হয়তো আন্টি ন্যাশনাল নোস্, কিন্তু ওদের সাপোর্ট করিস। তো তাকে বললুম না ভাই, প্রথম টাই ঠিক আছে। এমন করে অপমান করিস না।"

    আপনার "ফেবুতে চাড্ডি বন্ধু বান্ধব রা" ন্যাশানলিসট বলতে কাদের বোঝাতে চাইছেন? এঁদের কাছে ন্যাশনালিজম এর সংজ্ঞাটি কি? দেশভক্তি? দেশ যদি হয়, ভারত কি একটা দেশ না বহু দেশের সমষ্টি? নাকি জাত-ভক্তি? জাত হলে কোন জাতের প্রতি ভক্তি? এখন আপনি যদি গ্লোবালিস্ট হন, তাহলে এঁরা আপত্তি করবেন কি?
  • Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৬:০৬427970
  • আজকাল ফেবুতে চাড্ডি বন্ধু বান্ধব রা আর কোনো রকম আলোচনা তেই যেতে চায়না, বিশেষ করে ইকোনমি ওসব নিয়ে তো একদমই নয়। ডিটেলস এ আলোচনা করতে হলেই হোয়াটস্যাপ র কপি মারা বিদ্যে ঘেটে বেরিয়ে যাওয়ার ভয় আছে, তাই শুরুতেই বলে দেয় তোরা আন্টি ন্যাশনাল, তোরা যাই বলিস সেটা দেশের বিরুদ্ধে ই বলিস। আলোচনা করে লাভ নেই। এটা কিন্তু ভালো স্ট্রাটেজি, সময় বেঁচে যাচ্ছে অনেক।

    কালকেই একজন প্রথমে গালাগাল দিলো আন্টি ন্যাশনাল বলে, তারপর আমি থ্যাংকু বলাতে সে আবার একটু লজ্জা পেয়ে বললো যে, না, তুই নিজে হয়তো আন্টি ন্যাশনাল নোস্, কিন্তু ওদের সাপোর্ট করিস। তো তাকে বললুম না ভাই, প্রথম টাই ঠিক আছে। এমন করে অপমান করিস না।
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৫:৫৩427969
  • @atoz: "আচ্ছা, আইআইটিগুলোতে কী হচ্ছে? বা আইআইএসসি ? বা ওরকম অন্য আরো ইনস্টিটুটে ?"
    একটা ভালো আর্টিকেল দি, দেখুন,
    http://www.michaela-mcsweeney.com/data/uploads/nussbaum-on-education.pdf

    Education and Democratic Citizenship: Capabilities and Quality Education

    Martha Nussbaum

    (Ernst Freund Distinguished Service Professor of Law
    and Ethics at the University of Chicago, USA)

    Abstract

    Public education is crucial to the health of democracy. Recent
    educational initiatives in many countries, however, focus narrowly on
    science and technology, neglecting the arts and humanities. They also
    focus on internalization of information, rather than on the formation of
    the student’s critical and imaginative capacities.

    This article argues that such a narrow focus is dangerous for democracy’s future. Drawing on the
    ideas of Rabindranath Tagore, the paper proposes a three-part model for the development of young people’s capabilities through education, focusing on critical thinking, world citizenship, and imaginative
    understanding
  • Atoz | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৫:৪৫427968
  • আর, ওই ভদ্রলোকের নাম রভীশ কুমার না?
  • Atoz | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৫:৩৩427967
  • আচ্ছা, আইআইটিগুলোতে কী হচ্ছে? বা আইআইএসসি ? বা ওরকম অন্য আরো ইনস্টিটুটে ?
  • Atoz | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৫:২৬427966
  • আদ্যিকালে সে হত, সে একরকম। এত বিদ্রোহ বিপ্লব দুই দুইখান মহাযুদ্ধ ইত্যাদি প্রভৃতি হয়ে যাবার পরও কেন এই অবস্থা?
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৫:২৫427965
  • "মুষ্টিমেয় কিছু লোকের হাতে সিংহভাগ অর্থ চলে যায় কী করে? "

    ওই দেখ, সে তো পরোটা সায়েব কবেই বলে গেছেন, ২০% লোক ৮০ % পয়সা জমি জিরেত পকেটে পুরবে। আদ্যিকালের নিয়ম।
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৫:২১427964
  • "অবশ্য এখন সবাই অর্ণব গোস্বামী হতে চাইছে, সস্তায় হাতে নাতে গরম গরম ফল মেলে। রাবিশ কুমার হতে গেলে খাটুনি"

    তা হবে না কেন।
    অর্ণব প্রকৃতই গো-স্বামী, সে নামের প্রতি সুবিচার করেচে।
    রাবিশ কুমারই বরং কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন।
  • Atoz | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৫:২০427963
  • অরিন, সুদসমেত না কচুর ডগা! "তেনারা" ঠিকই বিলিয়ন পকেটে পুরছেন, মিলিয়ন দিয়ে লোপালুপি খেলছেন, আমরা ব্যাঙের আধুলিটা লুঙ্গির ভাঁজে গুঁজে "পেন্নাম হই জাহাঁপনা" বলে ধন্য হয়ে ঘরে ফিরে মুড়ি চিবুচ্ছি।
    মুষ্টিমেয় কিছু লোকের হাতে সিংহভাগ অর্থ চলে যায় কী করে? এতটাইঅ, যে তারা সেগুলো দিয়ে দ্বীপ টিপ কিনে কৈলাস বানায়? এদিকে বাকীরা লবডঙ্কা বাজাতে বাজাতে "দিল্লীশ্বর জগদীশ্বরো বা" করে যেতে বাধ্য হচ্ছে?
  • Atoz | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৫:১৪427962
  • খোঁজ নিয়ে দেখুন যে রিপোর্টার ওই প্রশ্ন জিগিয়েছে, তাকে ওইভাবেই তালিম দিয়ে পাঠিয়েছে কিনা তার বস। বাপেরও বাপ আছে তো! সবই উপরের খেলা। টিকি সেখানেই সবার বাঁধা।
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৫:০৯427961
  • "এইসব চক্করে চমৎকার নিজের টাকা দিয়েই নিজেরা মোটবাহী গাধা বনছি"

    হ্যাঁ, কিন্তু মোট বইতে পারলে নোটটাও সুদ সমেত তাড়াতাড়ি উঠে আসে কিনা।
    খামোকা ঘোড়া হতে গেলে তো সেই পিটিয়ে গাধা করে দেবে।
    অবিশ্যি দিন কাল যা আসছে, বাজার মোট আর নোট দুইয়েরই আক্রা।
  • Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:৫২427960
  • সত্যি সত্যি মিডিয়া জিগিয়েছে নাকি তার বাবাকে কেন বাংলা মিডিয়াম এ পড়ালেন ? অদ্ভুত। এই রিপোর্টার গুলো কে চিড়িয়াখানায় রাখা যায়।

    অবশ্য এখন সবাই অর্ণব গোস্বামী হতে চাইছে, সস্তায় হাতে নাতে গরম গরম ফল মেলে। রাবিশ কুমার হতে গেলে খাটুনি আছে, কি দরকার। ইন্টারভিউ নিচ্ছে না ইন্টারোগেট করছে দেখে বোঝা দায়। সাবজেক্ট যাই হোক, তারস্বরে চিৎকার করে প্রশ্ন না করলে ঠিক ভিডিও হিট হয়না। সবই তো TRP আর ভিউ কাউন্ট র ওপর।
  • Atoz | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৪:০৫427959
  • এইসব চক্করে চমৎকার নিজের টাকা দিয়েই নিজেরা মোটবাহী গাধা বনছি। যারা এইগুলো করাচ্ছে, তাদের তো উইন-উইন। বলছে, আরে, এই ব্যাটারা নিজেরাই নিজেদের সারা গায়ে নুনলেবুতেলমশলা মেখে ম্যারিনেটেড হয়ে বসে আছে, আগুনে নিজেরাই এসে পড়বে রোস্টেড হবার জন্য। আমাদের কী? আমরা শুধু তুলে তুলে খাবো আর ওয়াহ ভাই ওয়াহ বলবো।
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:৫৩427958
  • @atoz: "নইলে মিডিয়া গিয়ে উচ্চমাধ্যমিকে শীর্ষস্থান অধিকারীর ইন্টারভ্যুতে বাবামাকে জিগ্গেস করে ..."

    এটা আরেকটা ব্যাপার @atoz। Summative assessment তার ভিত্তিতে পরীক্ষা। সেটুকু রাখলেই হত, মিডিয়া বলুন সমাজ বলুন, গোটা ব্যাপারটাকেই একটা খেলার পর্যায়ে নিয়ে গেছে -- পড়াশোনা নাকি প্রতিযোগিতামূলক খেলা? এমন খেলা যার কোন নিয়ম টিয়ম নেই, ইস্কুলের শিক্ষক কোচিং ক্লাস খুলে বসে আছেন।
    এই করে মানে বই, টিক মারা পরীক্ষা, কোচিং, ক্যাপিটেশন ফি ...
  • Atoz | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:২৩427957
  • শুধু তাই না, মধ্যবিত্তের মন থেকে এইগুলোর মূল্যই হাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। দশকের পর দশক ধরে গ্লোরিফাইড মুটে তৈরী হয়েছে সম্ভাবনাময় ছেলেমেয়েদের মধ্য থেকে। পরাধীন ভারতেও বহু মৌলিক চিন্তাবিদ উঠেছিলেন, বিজ্ঞানে, দর্শনে, সমাজভাবনায়---সবক্ষেত্রেই। স্বাধীনতার পর তারা কোথায়?
    এখন তো আরো হরিবোল অবস্থা করেছে। মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষাগুলোকেই ফালতু করে দিয়েছে। মাতৃভাষাকেই কেড়ে নিচ্ছে। আত্মবিশ্বাসের দাঁড়াবার জায়গাটাকে কেড়ে নিচ্ছে। নইলে মিডিয়া গিয়ে উচ্চমাধ্যমিকে শীর্ষস্থান অধিকারীর ইন্টারভ্যুতে বাবামাকে জিগ্গেস করে, "বাংলামাধ্যমে পড়ালেন কেন? " তারা কাচুমাচুমুখে ঊত্তর দেন, "সাধ্য ছিল না ইংরেজীমাধ্যমে পড়ানোর।" মোটা মোটা করে সেই জিনিস মিডিয়ায় বের হয়? কুড়ি পঁচিশ বছর আগের খবর মিলিয়ে দেখুন, সেই সময়ের উচ্চমাধ্যমিক টপারের সঙ্গে ইন্টারভ্যু কীভাবে কভার করেছিল মিডিয়া, দেখুন।
    পরিকল্পিতভাবে এইসবকে ফালতু বানিয়ে দিচ্ছে, যাতে একেবারে মার্কামারা ক্রীতদাস হয়ে যাই আমরা। যাতে কোনোভাবেই আমাদের স্বাধীন হবার কোনো উপায় না থাকে।
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০৩:১৩427956
  • দীপেশ চক্রবর্তীর এই উদ্ধৃতি আর লেখাটা শেয়ার না করে থাকতে পারলাম না,
    "দয়া সহমর্মিতা সহানুভূতি ইত্যাদি মানবিক বোধগুলি যখন তাদের সর্বজনীন চরিত্র হারায়, যখন সমস্ত অনুভূতিই শুধু নিজের সঙ্কীর্ণ গোষ্ঠীর জন্য তোলা থাকে, অনুভূতির সেই অমানবিক পঙ্কিল ধারাতেই ফ্যাসিবাদের চারাটি পুষ্ট হতে থাকে। "
    লেখাটা:
    https://www.anandabazar.com/editorial/fascism-is-getting-nurtured-1.1091848
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৪৫427955
  • অর্জুন:".. বক্তব্যের ভিত্তিতে কোনো ফ্যাক্টস চেক নেই, লজিক নেই, ইনভেস্টিগেশনের রিপোর্ট নেই। এটাই এদের রাজনীতি।"

    এই রাজনীতি এরা আজ নতুন করছে না, এটাই এদের বরাবরের নীতি। যার জন্য liberal education ও তর্ক-বিতর্কের জায়গাটা যত ছোট পরিসরে আনা যায় তার প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে গেছে।

    এবং এটা আজকে না হয় চোখের সামনে বড্ড বেশী লাগছে, আজ সত্তর বছর ধরে দেখ, দেশে কতগুলো IIT, IIM, AIIMS এর মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আর কতগুলো JNU/Jamia? STEM আর Humanities এর তুলনামূলক পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় যে দশকের পর দশক ধরে কিভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে মানুষকে খুঁটিয়ে দেখার ব্যাপারটাকে, কতটা অবহেলায় রাখা হয়েছে। আমরা সাধারণত মনে করি বিশ্ববিদ্যালয় মানে সমাজের বিবেক, সমাজের সমালোচক। তো সুস্থ সমালোচনার জায়গাটা তৈরি হবে কোথা থেকে?

    অর্ণব গোস্বামীরা তো একদিনে তৈরী হয় না।
  • অর্জুন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০২:২৭427954
  • @অরিন-দা,

    'দেখুন আমরা, যারা, পড়াশোনা করি/করেছি, এ নিয়ে লেখালেখি করি, যারা মুখ খোলার আগে দুবার......'

    এন ডি টি ভি সুইচ অন করে দেখুন। শ্রীনিবাসন জৈনের প্রগ্রামে আরতি জেরাঠ, বৃন্দা গ্রোভার, জে এন ইউ'র এক অধ্যাপক ও দিল্লী পুলিশের এক প্রাক্তন প্রতিনিধির মধ্যে এবিভিপি র লিডার আর বিজেপি'র মমতা কালে তারস্বরে চিল্লিয়ে গেল শ্রীনিবাসনের প্রশ্নের উত্তর অস্বীকার করে, অন্য প্যানিলিস্টদের কথা গ্রাহ্য না করে। জামিয়া, আলীগড় এবং জে এন ইউ সুডো লেফটিস্টদের আর 'টুকরে টুকরে গ্যাং' র আকর। দিল্লী পুলিশ সাংবিধানিক ভাবে এসব ফিঞ্জ এলিমেন্টদের সায়েস্তা করছে সেটাকে এরা উল্টো করে নাকি দেখানোর আপ্রাণ চেষ্টা চলছে সর্বত্র।
    বক্তব্যের ভিত্তিতে কোনো ফ্যাক্টস চেক নেই, লজিক নেই, ইনভেস্টিগেশনের রিপোর্ট নেই।

    এটাই এদের রাজনীতি।
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০২:২১427953
  • অর্জুন: " গত চার, সাড়ে চার বছর সোশ্যাল মিডিয়া ও যেখানে সম্ভব করে চলেছি। কপালে জুটেছে ট্রলিং। সিরিয়াসলি গায়ে মাখিনি।"

    গা থাকলে তবেই গায়ে মাখার প্রশ্ন ওঠে? গা না থাকলে ক্ষতি কি? শ্রী অরবিন্দ বলতেন, "Ego was the helper, ego is the bar"। যে জিনিসটার আলাদা করে অস্তিত্ব নেই, তাকে জোর জবরদস্তি করে ধরে থাকলে ট্রলিং তোমাকে ব্যতিব্যস্ত করবেই অর্জুন।
  • অরিন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০২:০৮427952
  • @atoz: ""আহা আমি তোমাদেরই লোক। যা বলছি তোমাদের ভালোর জন্যই বলছি " এই ধরনের ভেক"

    উঁহু, এটা ভেক নয়, এটাই এদের USP।

    দেখুন আমরা, যারা, পড়াশোনা করি/করেছি, এ নিয়ে লেখালেখি করি, যারা মুখ খোলার আগে দুবার ভাবি যে যা ভাবছি সেটা ঠিক কিনা, তারপর বলি যা বলবার, আমরা, যারা চিন্তা ভাবনা ঘাড়ের ওপর দিয়ে করি, আমরা যারা মার্জিত ভাষায় কথা বলি, লিখি, আমরা এদের ঘোষিত শত্রু।
    আসলে মুড়ি মিছরির এক দর হয়েই দেশটা গোল্লায় গেছে। এবার ঘুরে দাঁড়ানোই ভাল।
  • অর্জুন | ০৭ জানুয়ারি ২০২০ ০২:০৭427951
  • Good one ঃ))) @r2h
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত