এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৫৯428188
  • লালী চ্যাটার্জি'র কাছে শুনেছি অ্যামেরিকানরা অংকে কাঁচা হয় বলে যারা ফিজিক্স পড়তে চায়, তারা বেশ ভয়ে ভয়ে পড়তে আসে। অধ্যাপকদের সে ভয় দূর করার দায়িত্ব থাকে এবং অংকে প্রথমদিকে দূরে রাখা হয়। আপনারা ও দেশে আছে, ভাল বলতে পারবেন।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৫৯428189
  • ডাক্তারি জিনিসটাই তো এরকম অদ্ভুত অদ্ভুত এন্ট্রান্স টেস্ট দিয়ে ঢোকানোর বিরোধী হওয়া উচিত। এ তো অভিজ্ঞতানির্ভর পড়াশোনা। হসপিটালে স্বেচ্ছাশ্রম দিয়েছে, নানারকম সোশাল ওয়ার্কে অংশ নিয়েছে, এই ধরণের ছাত্রছাত্রী বরং অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য।
    বহু দেশে সেই ব্যবস্থা আছে, কলেজ পাশ করে প্রিমেডিকেল কোর্সে ঢুকতে হয় ডাক্তার হতে গেলে, তাতে এইধরণের কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে যোগ্যতা বেশি প্রমাণিত হয়।
  • সে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৫৯428190
  • আর সাইকেল নিয়ে একটু বলার ছিল। আমাদের আগের মেয়র সাইকেলে তো চড়তেনই পাবলিক বাসে করেই অফিস টফিস যেতেন। এক প্রেসিডেন্ট তাঁর বয়ফ্রেন্ডের বাইকের পেছনে বসে অফিসে যাতায়াত করতেন। ফি বছর প্রেসিডেন্ট পাল্টায় আমাদের।
    তবে এই অতিরিক্ত সাইকেলের চাপে শহরে অন্য যানবাহনের হাল খারাপ হচ্ছে, স্পীড লিমিট এত কমিয়ে দিয়েছে যে দৌড়নো বেটার।
    যারা সাইকেল চালাতে পারে না তাদের কথা মাথায় রাখতে হবে তো। বুড়ো মানুষেরা কী করবে? শেষমেশ দেখা যাবে শহরে মাত্র তিনরকমের গাড়ি চলছে পুলিশের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স আর দমকল।
  • মানিক | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৫৭428187
  • ইদানীং কালে জানলাম মার্কিন মুলুকে জয়েন্ট না থাকলেও আইএএস মার্কা ব্যাপার আছে। বড় বড় আইটি কোম্পানির এন্ট্রান্স পরীক্ষা প্রায় ওই রকমই জামাই ঠকানো ব্যাপার। প্রথমে এইচ আর কথা বলে। তারপর ফোনে কথা বলে। তারপর ক্যাম্পাসে ডেকে একদিন চার পাঁচ ছয়জন মিলে দাঁড়িয়ে, বসে গুচ্ছের ট্রিক কোশ্চেন করে। বোর্ডে ল্যাপিতে কাগজে প্রোগ্রাম লেখায়। প্রশ্নের ট্রিকটা না জানা থাকলে ঘেঁটে গেলেন। একজন ইন্টার্ভিউয়ারও যদি বলল হয় নি, তাহলে আপনারও আর হল না।

    এতসবের পর মোস্ট লাইকলি আপনি পাবেন না। বেশিরভাগ লোকই পায় না। তখন খুব গম্ভীরভাবে মাথা নেড়ে আসছে বছর আবার হবে বলে আপনাকে কাটিয়ে দেবে।

    এসব গল্প যে ভদ্রলোক করলেন, তিনি ওই রকম একটা বড় কোম্পানিতে চাকরি করেন। তাকেই জিগালাম, আপনি আবার পরীক্ষা দিলে আবার পাবেন? ভদ্রলোক পাড়ার পাগল দেখার মত করে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, পাগল হয়েছেন?

    তারপর ভারী সদয়ভাবে জানালেন, বে এরিয়াতে এইসব একজাম ক্র্যাক করার জন্য নাকি ইশকুল খুলেছে সব। দেখা যাক কোটা লেভেলে ব্যবসা করে উঠতে পারে কিনা।
  • সে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৫৩428186
  • হ্যাঁ আতোজ এখন যে দেশে থাকি সেখানেও তাই। ওসব কনসেপ্টই নেই। জয়েন্ট এনট্রান্সও নেই। তবে কয়েকটা ডাক্তারি কলেজে আইকিউ টেস্ট হয়, শুনিচি তুলে দেবে, ঐ টেস্টের ভয়ে বাচ্চারা ডাক্তারিতে ভর্তি হতে চাচ্ছে না, পাশের দেশ থেকে ডাক্তার আনতে হচ্ছে। আমাদের এখানে ডাক্তার বড্ড কম।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৪৬428183
  • বহু দেশেই স্কুলের কলেজের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় ফার্স্ট, সেকেন্ড এইসব ব্যাপার থাকে না। যে যার নিজের গ্রেডগুলো পায়, সেসবও খুব ব্যক্তিগত। অনুমতি বা প্রয়োজন ব্যতীত অন্য লোকেরা সেসব দেখতে পান না।
  • সে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৪৬428184
  • মোটকথা স্টুডেন্ট লাইফে যা যা করবার সব করেছি, ফুলটু এনজয় করা যাকে বলে। কোনও আফশোস অতৃপ্তি নেই।
    পড়াশুনো যেটুকু না করলেই নয় সেটুকু করা, চাকরি করবার জন্য খুব বেশি খাটা খাটনি করে লেখাপড়া করা সময়ের অপচয়।
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৪৬428185
  • @রঞ্জন-দা'র 01:49 AM র কমেন্টের প্রেক্ষিতে একটা গল্প বলছি। ঠাকুমার কাছে শোনা। সন তারিখ বলতে পারব না। তখন স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। তখন বোর্ড হয়নি। এন্ট্রান্স ও ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় ছিল।

    তো কোনো এক বছরে এন্ট্রান্সে অঙ্ক পরীক্ষা খুব কঠিন হয়েছে। অনেক ছাত্র, ছাত্রী পাশ করতে পারেনি। কাগজে লেখালেখি হয়েছে। এই নিয়ে বেশ সোরগোল। আশুতোষ মুখুজ্জ্যে পেপারসেটারদের তাঁর গৃহে ডেকে পাঠালেন একদিন। তারা গেলেন দেখা করতে। আশুতোষ বাবু তাঁর লাইব্রেরীতে নিয়ে গিয়ে অংকের ঐ কঠিন প্রশ্নপত্রটি ধরিয়ে দিয়ে সেটি সল্ভ করতে বললেন। দু ঘণ্টা বা তিন ঘণ্টা যা সময় হয় পরীক্ষার সেই সময়ের মধ্যে কমপ্লিট করতে হবে। উনি ওর স্টাডিতে চলে গেলেন। ঘড়ির কাঁটায় কাঁটায় ঠিক সময়ে এসে তাদের থামতে বললেন।

    যে কজন পেপারসেটার ছিলেন তাদের অবস্থা তখন নাজেহাল। পালাতে পারলে বাঁচে। একজনও পুরো পেপার সল্ভ করতে সক্ষম হননি। কাঁদো কাঁদো মুখে আশুতোষ বাবুর দিকে চাইলেন।

    আশুতোষ বাবু এবার তার দাওয়াইটি দিলেন। 'মাঝ বয়েসে এসে আপনারা অংক কোষতে হিমসিম খাচ্ছেন আর আশা করেন ১৫-১৬ ছেলেমেয়েরা সেগুলো পারবে? আপনাদের লজ্জা করেনা?

    সে বছর দ্বিতীয়বার নাকি অংক পরীক্ষা আবার নেওয়া হয়েছিল।

    গল্পটির ঐতিহাসিক সত্যাসত্য অজানা।
  • সে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৪১428182
  • উচ্চমাধ্যমিকে বেশি আতঙ্ক। জয়েন্ট আইআইটি আরও কতরকমের সব পরীক্ষা! ট্রমা কাটিয়ে উঠতেও সময় লাগে। রেজাল্ট বের হবার আগের ভয়। আশানুরূপ ফল না হলে আর এক সেট লজ্জা।
    ভগোমানের আশীর্বাদে ইন্জিনিয়ারিং এর টাইমে ঐ দেশে দেখলাম ফার্স্ট সেকেন্ড বলে কোনও কনসেপ্টই নেই, ইস্কুলেও না।
    ঘটা করে বোর্ডের পরীক্ষাও নেই। প্রাইভেট টিউটর নেই। ওদেশে বাপ মায়েরাও চাপ দেয় না, আমরা বিদেশিরাও বাড়ি থেকে দূরে গিয়ে গার্জেনদের চাপ থেকে মুক্ত ছিলাম। অনেক শান্তি।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৩৪428181
  • আমাদের সিলেবাসে এক কবিতা ছিল "গাছ"। সে এক সাংঘাতিক আঁতেল কবিতা। প্রথম লাইন "এই যারে জানি সে তো হাওয়া নয়", সেই কবিতার বিশ্লেষণ টিশ্লেষণ করে সে এক পন্ডিচ্চীরী ব্যাপার। ঃ-)
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:৩১428180
  • মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক আমার সময়েও ছিল বেশ আতঙ্কের। জানিনা কেন? ক্লাস নাইন, টেন মিলিয়ে মাধ্যমিক আর ইলেভেন, টুয়েলভ মিলিয়ে উচ্চমাধ্যমিক। নাইনের অ্যানোয়াল পরীক্ষায় পাশ করে টেনে ওঠার পরে এবং ইলেভেনের অ্যানোয়াল পরীক্ষায় পাশ করে টুয়েলভে ওঠার পরেও বোর্ড পরীক্ষার আবার সেই সিলেবাস কন্টিনিউ করতে হবে!!

    সিমপ্লি মানসিক অত্যাচার করা। মাধ্যমিকে গল্প, কবিতার যৌথ সংখ্যা ছিল ৪২।
  • সে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:২২428179
  • রঞ্জনদা,
    আমরা যখন নিউ সিলেবাসের মাধ্যমিক+উচ্চমাধ্যমিক দিয়েছি তখন আমাদেরও দুটো করে পরীক্ষা ছিল প্রত্যেক দিন। পরীক্ষা ছিল বিভীষিকা। টিপিন টাইমে গার্জেনদের ভিড়, সন্দেশ, দই, ডাবের জল, বই-খাতায় ঝুঁকে লাস্ট মিনিট পড়া ঝালানো, সে সব দেখেছি।
    পরবর্তীতে অন্য দেশে যখন ইন্জিনিয়ারিং পড়তাম, পুরো পরীক্ষাই মৌখিক অঙ্ক টঙ্ক সব। কেবল ড্রয়িং বাদে। তাও প্রোজেকশন জিওমেট্রি বুঝিয়ে দিতে হত পরীক্ষককে। সময়ের কোনও সীমা নেই। সকাল নটায় ড্রয়িং পরীক্ষায় ঢুকে রাত নটায় বেরিয়েছে এমন পরীক্ষার্থীও ছিল। মধ্যে যতবার খুশি ব্রেক নাও, খেয়ে এসো, পায়চারি করে এসো, কেউ মারবে না।
    এসবের এক্সট্রিম দিকও আছে। অনেকেই পরীক্ষার দিনে পরীক্ষা দিতে যেত, তবে কেউ কেউ পরে যেত, অন্য দিনে। সবার প্রশ্নপত্র আলাদা। একবার আমরা একটা পরীক্ষায় যেতে দেরি করছিলাম, তখন শিক্ষক আমাদের ঘরের দরজায় টোকা দিয়ে ডেকে নিয়ে গেছলেন। সে পরীক্ষাটা আমাদের হস্টেলের একতলার একটা ঘরে হচ্ছিল।
    গেল ডিসেম্বরে গেছলাম, আমার ইউনিভার্সিটি হোস্টেল সব দেখে এলাম। হস্টেলের প্রত্যেকটা দেয়ালে গাদা গাদা গল্প আর ঘটনা লেখা আছে। এখন যারা থাকে তারা সেসবের কিছুই জানে না।
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:১৩428178
  • লাস্ট ইয়ার ইতিহাসবিদ লেনি গর্ডনের সঙ্গে কর্মসূত্রে যোগাযোগ হয়েছিল। উনি সুভাষচন্দ্র বসু'র স্কুল ও কলেজের রেজাল্টের ভিত্তিতে তাঁকে 'ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট' র চেয়ে 'ব্রিলিয়ান্ট টেস্ট টেকার' মনে করেন। এই টার্মটা আমার ইন্টারেস্টিং লেগেছে।

    উনি মনে করেন নেহেরু, সুভাষ বোসের চাইতে অনেক বেশী অ্যাকাডেমিক যদিও তার স্কুল, কলেজের ফলাফল ছিল অনেক সাধারণ মানের।
  • অর্জুন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০২:০৫428177
  • ওরে বাবা, না না রঞ্জন-দা। আমার দাদাটির এত বড়সড় ব্যাপারই নয়। ওর বিষয় পাব্লিক ফাইনান্স।

    আপনার উল্লিখিত দুই সেনের কাউকেই চিনিনা। ঃ-)

    @PM আপনি কবের কথা বলছেন? JNUতে মাস্টার্সের অ্যাডমিশন টেস্টে ৪৫% পেলেই বসতে পাওয়া যায়। সেটা খুব সুবিধের। একটা সময়ে ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটিতে এই নম্বরের জন্যে অনেকের দুর্বিষহ সব অভিজ্ঞতা আছে। আপনার বন্ধুটি তার শিকার। এইরকম শুনেছি। আমার দাদা '৯২ তে JNU তে ঢোকেন।

    @একক

    'স্টেট্মেন্ট কে নৈর্বক্তিক ভাবে রাখতে না পারলে ...' আমার মনে হয় এখানে অনেকেই যারা ভুয়ো নিকের আশ্রয় গ্রহণ করেন তাদের উদ্দেশ্যই থাকে কি ভাবে আরেকজনের কমেন্ট গ্রহণ করতে না পেরে অসহিষ্ণুতা প্রকাশ করা এবং নিজের যুক্তির ঘাটতিকে আড়াল করতে উক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে কিছু না জেনে ব্যক্তি আক্রমণ করা। আমি এদের মন্তব্যগুলোকে কোনো ধর্তব্যের মহদ্যেই ফেলিনা। অধিকাংশ সময়েই উত্তর দেওয়া প্রয়োজন মনে করিনা। কিন্তু কত আর চুপ করে থাকা যায়। এরা বেসিক্যালি আন-হ্যাপি, ফ্রাসট্রেটেড কিছু মানুষ এবং হীনমন্নতায় ভোগেন।

    এই বিষয়টা নিয়ে আপনারা কেউ নৈর্বক্তিক আলোচনা করলে সেখানে মতামত নিশ্চয় দেব।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:৫৮428176
  • রঞ্জন, আপনারা ছিলেন যুগের থেকে এগিয়ে। ঃ-)
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:৫৭428175
  • বুঝলেন রঞ্জন, রাজস্থানের কোটায় চলে যাওয়া উচিত ছিল আপনার লোটাকম্বল নিয়ে। ঃ-)
  • রঞ্জন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:৪৯428174
  • এতোজ,
    সবকিছুরই দুটো দিক আছে। ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৮ পর্য্যন্ত ক্লাস নাইন থেকে স্পেশালাইজেশন হত। তার আতংক কেমন বলছি।
    বেসিস ক্লাস এইটের অ্যানুয়ালে পাওয়া অংক এবং বিজ্ঞানের নম্বরের যোগফল। মার্কশীটের রিমার্ক্স কলামে ক্লাস টিচার লিখে দিতেন কে কোন স্ট্রিমে যাবে। কৌলীন্য প্রথা তখন থেকেই শুরু। ঘোষ, বোস গুহ মিত্র দত্তরা যথাক্রমে সায়েন্স, টেকনিক্যাল (সব স্কুলে ছিল না ), কমার্স, আর্টস, এগ্রিকালচার (নরেন্দ্রপুরে ছিল )। ক্লাস এইট থেকেই বাপ-মার টেনশন, ছেলের উপরে চাপ। যদি সায়েন্স না পায় ত প্যড়ায় মুখ দেখানো জাবে না।
    আমি সায়েন্স পেয়েও অংক এবং ইকনমিক্স কম্বিনেশন পড়ার জন্যে আর্টস নিয়ে প্যাঁক খেলাম। পাড়ার মেয়েরা এবং তাদের মায়েরা পাত্তা দিল না। সিদ্ধান্ত --ছেলেটা বখে গেছে।

    এদিকে ক্লাস টেনে কোন বোর্ড নেই। হায়ার সেকেন্ডারিতে প্রত্যেক বিষয়ে দুটো করে পেপার। তাতে গ্রুপ এ এবং বি (৫০+৫০)। এ গ্রুপে নাইন+ টেনের কোর্স থেকে প্রশ্ন; গ্রুপ বিতে ইলেভেন।
    ফলে ফাইনাল ইয়ারে সবাইকে নাইন+ টেন+ ইলেভেন এর কম্বাইন্ড স্টাডি করতে হত। ঐ এক্সপেরিমেন্ট ছিল হরর ফিল্ম।
    আবার বোর্ড পরীক্ষার সময় একই দিনে দুটো করে তিন-তিন ঘন্টার পেপার। মাঝে একঘন্টার ব্রেক। পাঁচ দিনে হায়ার সেকন্ডারি পরীক্ষা শেষ। কোন গ্যাপ নেই ! অভিশপ্ত জীবন।
    তারপর গোদের উপর বিষফোঁড়া -- ইংরেজিতে তিনবছর কোন টেক্সট /র‍্যাপিড রিডার কিচ্ছু না থাকা। শুধু এ বই টি এ'র টেস্ট পেপার এবং পিকেগুহ'র গ্রামার এন্ড কম্পোজিশন থেকে ট্রান্সলেশন, ইডিয়মস এন্ড ফ্রেজ, আনালিসিস, জয়েনিং এন্ড স্প্লিটিং, ডায়লগ, লেটার, স্টোরি, এসে রাইটিং। এ যেন ছোটবেলায় শাস্তি হিসবে একই লাইন একশ'বার লেখার মত। ফলে কুটকচালে কগনেট অবজেক্ট, কোয়াসি-প্যাসিভ ভার্ব, কজিটিভ ভার্ব এসব শিখলাম। ইংরিজি শিখলাম না।
    এই খার চিতেয় ওঠা অব্দি থাকবে। কোন শালা যে এমন কোর্স বানিয়েছিল! বাগে পেলে একেবারে ' কানের কাছে নানান সুরে, নামতা শোনায় একশ' উড়ে ' করতাম।
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:৪০428173
  • “লোকাল ঘোরাঘুরির জন্য বাইসিক্ল আস্তে আস্তে সমস্ত সভ্য দেশে প্রচলন করা উচিত, পৃথিবীর পরিবেশের কথা ভেবে। “

    একদম!
    ভাল সাইকেলের সত্যি তুলনা হয়না। আজকাল ইলেকট্রিক পুশ বাইক হয়ে আরো সুবিধে হয়েছে। সাইকেলে ঘন্টায় কুড়ি পঁচিশ কিলোমিটার স্পিড তুলে বেরিয়ে যেতে কষ্ট হয়না। কাজের জায়গায় গিয়ে জামাকোপড় ছেড়ে চান করে কাজ শুরু করা যায়। আজকাল বহু শহরে সুন্দর বাইক লেনও করা থাকে। অমিতবাবুর ব্রিসবেন শহরে হার্সটনে পাঁচতলা বাইক পার্কিং-এর বন্দোবস্ত করা আছে। নেদারল্যান্ডসের তো কথাই নেই, খোদ প্রধানমন্ত্রী সাইকেল চালিয়ে আপিস যান।
  • এলেবেলে | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:৩৮428172
  • ক্যা বল্যাচ্যা যে "এখন সরকারী স্কুলের শিক্ষকদের ট্যিউশন করা পুরোপুরি নিষিদ্ধ"? কবে বল্যাচ্যা? কোথায় বল্যাচ্যা? বললেই বা শুনচ্যা ক্যা?
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:৩৭428171
  • "চালাকির দ্বারা বৃহৎ শিল্প", অরিন, যা বলেছেন। ঃ-)
  • অপু | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:৩১428170
  • মা বানিয়েছে
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:৩০428169
  • কোটার টাইপের কোচিং এর মত রেসিডেনসিয়াল কোচিং এর ব্যাপারটা কিন্তু সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে বহুদিন ধরে চলে। যারা আই আই টি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হত, তারা বোম্বের আগরওয়াল ক্লাসের কোর্স করত, এদের মধ্যে আমার শোনা যে, কেউ কেউ পরীক্ষার আগে বম্বে চলে যেত। এখন তো, আপনি যাকে বললেন বৃহৎ শিল্প, মানে চালাকি দ্বারা মহত কার্য হোক না হোক, বৃহৎ শিল্প হতে পারে, মিলন দার ও আরো দাদা দিদিদের “কোচিন” এসব ব্যপারে রাস্তা দেখিয়েছে, :-)
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:২৬428168
  • কিন্তু ব্রতীন, তোমার কচুরিগুলোকে তো লুচি মনে হচ্ছে ছবিতে! ঃ-)
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:১৮428167
  • তবে বাইসিক্ল আর মোটর সাইকল এর মধ্যে তুলনা করলে বাইসিক্ল একটি মির‌্যাকল। কোনো পরিবেশ দূষণ নেই কিচ্ছু নেই, লাইসেন্স লাগে না, তেল লাগে না-অথচ কেমন সুন্দর হুড়হুড় করে পৌঁছে দেয় গন্তব্যে। ভালো রাস্তা থাকলে তো কথাই নেই। লোকাল ঘোরাঘুরির জন্য বাইসিক্ল আস্তে আস্তে সমস্ত সভ্য দেশে প্রচলন করা উচিত, পৃথিবীর পরিবেশের কথা ভেবে। গ্রেটা থুনবার্গের মুভমেন্টের পরবর্তী ধাপ হতে পারে বাইসিক্ল প্রচলন করার চেষ্টা।
  • অপু | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:১৫428166
  • না। এখন সরকারী স্কুলের শিক্ষকদের ট্যিউশন করা পুরোপুরি নিষিদ্ধ।
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:১২428165
  • সেই সময়ে মাস্টারমশাই টশাইরা কুটিরশিল্প হিসেবে শুরু করেছিলেন। এখন এই কোচিং ব্যাবসা ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজড হয়ে গ্যাছে। রাজস্থানের কোটা শহর এর মধ্যমণি। সেখানে বারোলাখি কোচিং চলে। বছরে বারোলাখের প্যাকেজ। এখন নির্ঘাৎ আরো বেড়েছে। রীতিমতন হোস্টেল ফোস্টেল হোটেল চেইন ইত্যাদিও তৈরী হয়ে গ্যাছে। রে রে রে রে ব্যব্সা।
  • অরিন | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:০৬428164
  • কোচিং, এন্ট্রান্স পরীক্ষা, এগুলোর সঙ্গে কোর্স ফরম্যাটের যোগাযোগ হয়ত থাকতে পারে, তার থেকেও যেটা বেশী করে মনে হয়, সমাজের কিছু মানুষের বিচিত্র রকমের ধারণা যে, টাকা উপায় করার জন্য যে কোন রকম পথ ধরতে রাজি। হ্যামার ব্র্যাণ্ড ডাক্তারি, খাবারে ভেজাল, নানা রকমের জাল-জোচ্চুরির একটা স্পেকট্রাম।

    একটা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা লিখি। আমি কলকাতায় একটি ইস্কুলে পড়তাম, কোচিং ক্লাস শুরুর যুগে, মান্ধাতার আমলেই ধরুন, ;-)। আমাদের ইস্কুলের জনপ্রিয় মাস্টারমশাই আগে সাইকেল চড়ে স্কুলে আসতেন, বহু দিন তাঁকে ওভাবেই আসতে দেখেছি। মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার পর একদিন স্কুলে গেছি, দেখলাম স্যার একটা ঝকঝকে কালো বুলেট মোটরবাইক নিয়ে স্কুলের গেট দিয়ে ঢুকছেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, স্যার, কবে কিনলেন? স্যার উত্তর দিয়েছিলেন, তোরা ভাবিসটা কি? বাংলার মাস্টার মানেই মাথা নিচু করে সাইকেল ছাড়া আর কিছু চড়বে না ? (তা তিনি করতেনও না যদিও)। বেশ দম্ভ করেই বললেন যে বুলেট কিনেছেন। এই “স্যারের” একটি কোচিং এর ব্যবসা ছিল মুদিয়ালি এলাকায় (? যতদূর মনে পড়ে)। তখন সবে শুরু হচ্ছে।

    আমি খুব সম্ভবত শেষ প্রজন্মের বাঙালি ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পড়ি যারা কোচিং ক্লাসে না পড়েও দিব্যি পাশ টাশ করে গেছি। অবিশ্যি আমাদের (অন্তত আমার বন্ধু বান্ধবদের) বাবা-মা দের মধ্যেও ছেলেমেয়েদের কেরিয়ার (নাকি ক্যারিয়ার?) নিয়ে কথা বলতে বিশেষ শুনতাম না। যার জন্য স্যারের কথাটা সে সময় খুব বেমানান লেগেছিল। পরে অবশ্য শুনেছিলাম স্যারের কোচিং ব্যবসার রমরমা অবস্থা ও স্যার দু তিনটে স্কুলে উচ্চমাধ্যমিক কোর্সে পড়াতেন। এঁরা কেউ কনফ্লিক্ট অব ইনটারেসট ব্যাপারটা নিয়ে বিব্রত ছিলেন বলে মনে হয়না।
  • অপু | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:০৫428163
  • বস, সরষের তেল মাস্ট
  • Atoz | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০১:০১428162
  • মারাত্মক ভালো একটা বেগুনপোড়া রেসিপি দিয়েছেন একজন। সেই বেগুনপোড়া করে, খেয়ে, ছবি দিয়ে লোকে বলছে অমৃত, অমৃত। ( শুধুই বেগুন না, টমেটো লঙ্কা রসুন পেঁয়াজ ইত্যাদি অন্য নানাকিছু দিয়ে অবশ্য ঃ-) )
  • অপু | ০৯ জানুয়ারি ২০২০ ০০:৫৮428161
  • আজকে রাতে হয়েছিল
    কড়াইশুটির কচুরি আর আলুর দম।

    অসাম
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত