quark | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:৪০430140
de | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:২০430139
de | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১২:১৯430138
quark | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১১:৩৫430136
অপু | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১০:৫৭430135
অপু | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১০:৫৬430134
অপু | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১০:৪৯430133
:-?? | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১০:৪০430132
lcm | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১০:৩০430131
অপু | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১০:১১430130
অরিন | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:২৫430129@b: "ধ্যান করতে করতে পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা কি অ্যালাউড?"
ধ্যান করতে করতে যার/যাঁর পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরছে সে/তিনি ঝিঁঝিঁ ধরেছে বুঝতে পেরে অ্যালাউ করলে অবশ্যই অ্যালাউড। বারণ কে করবে?
র২হ | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৯:২০430128
Atoz | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:৩৫430127
b | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:০১430126
PT | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:৪০430125
Amit | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৪৭430124
Du | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৫০430123
Atoz | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:২৫430122
Atoz | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:০০430121
অরিন | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৪:৩২430120@অর্জুন: " আমি আগে জাগা অবস্থায় চোখ বন্ধ করে থাকতে পারতাম না। চোখ বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে মনে হত নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে। খুব কষ্ট হত। I can say I breathe through my eyes। ঐ অত বছর আগে বিপাসনা করার সময় এই অসুবিধেটা হয়েছিল খুব। কিন্তু হয়ত সামান্য অভ্যাস হয়েছিল।"
@atoz: "এই বিপাসনা রিট্রীটগুলোর আয়োজন কারা করেন? কর্পোরেট সংস্থা? দক্ষিণা কি বেশ ভালোরকমই দিতে হয়?"
বিপাসনা কথার অর্থ (ধ্যানের মাধ্যমে) অন্তর্দৃষ্টি জাগিয়ে তোলা, আমার মন হয় লেখা উচিৎ "বিপশ্যনা" কারণ পালি ভাষায় লেখে "বিপস্সনা" (vipassana)। পস্স বা পশ্য অর্থে "দেখা", সেক্ষেত্রে বিপাসনা শব্দের অর্থ "বিশেষ করে দেখা", যার জন্য অন্তর্দৃষ্টি কথাটা ব্যবহার করলাম। ধ্যানের মাধ্যমে মনের এই ভাব (পালি: "ভাবনা") এর উদ্বোধন। তবে দৃষ্টি বা "অন্তর্দৃষ্টি" জাগবার আগে মন শান্ত করার একটা ব্যাপার আছে, সেটাও মনের একপ্রকার ভাব, এবং মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন (স্মৃতি ধ্যান) করতে করতে বহু মানুষের মনে এক প্রকার প্রশান্ত বোধ জাগে, তার পালি নাম "সমতা" (মন কোন কিছুতে চট করে আন্দোলিত হয়না)। এর মধ্যে স্মৃতির ধ্যানের ব্যাপারটা ছিল যে প্রতিনিয়ত নিজের মনের দিকে তাকান, কিন্তু non-judgmentally, কোনরকম ভেতরের প্রতিক্রিয়া যেন না হয়। ব্যাপারটা কিরকম? ধরুন, আপনার বাড়ির পাশে একটা ট্রেনের লাইন আছে, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে শুনলেন একটা ট্রেনের আওয়াজ, মাইন্ডফুল (স্মৃতির) চেতনা হলে আপনি শুধু আওয়াজটুকুই শুনবেন, সেটা ট্রেনের কিনা সে কথাটা বিচার করবেন না। এর পর ভেতরের দৃষ্টি জাগে মানুষের। এটা বৌদ্ধ ধ্যানের "assumption" ধরে নিতে পারেন। আমি Allan Wallace এর বহু লেখায পড়েছি যে আপনি যদি প্রতিদিন ধরুন ৩৫ মিনিট করে স্মৃতি ধ্যান করতে পারেন, তাহলে সাত বছর ধরে করার পর আপনার শমতা'র বোধ জাগবে, আর আরো সাত বছর যদি মিনিট ৩৫ কি এক ঘন্টা ধরে করতে করতে বিপাসনা'র অন্তর্দৃষ্টির উদ্বোধন হবে (শমতা নিয়ে পড়ার উৎসাহ থাকলে Allan Wallace এর ২০০৯ সাল প্রকাশিত "Within You Without You" নামে "Tricycle" এ প্রকাশিত একটি প্রবন্ধ পড়ে দেখতে পারেন)। এই যে বার বার করে "অন্তর্দৃষ্টি" বলছি, দেখবেন টা কি? দেখার এইটাই যে, এই জগতে আমার আপনার দৈনন্দিন জীবনে যা যা অভিজ্ঞতা হয়, "দেখবেন" তার তিনটি প্রকৃতি, (১) অনাত্ত (পালি টার্ম, অর্থ: "আমার আলাদা বা স্বতন্ত্র কোন সত্তা নেই"); (২) অনিত্য (পালি টার্ম, কিন্তু বাংলা/সংস্কৃত আর পালির একই মানে: কোন কিছু চিরন্তন নয়, সব transient, আসে, থাকে, যায়); (৩) দুঃখ (পালি টার্ম), সমস্ত অভিজ্ঞতা কোথাও না কোথাও, কোন না কোন ভাবে দুঃখ নিয়ে আসে। এরই উদ্বোধন বৌদ্ধ ধ্যানের মাধ্যমে করা। স্বয়ং বুদ্ধদেব কি বলছেন দেখুন -- মঝ্ঝিমা নিকায়ার দশম সূত্রতে (Bhikkhu Bodhi, and Bhikkhu Nanamoli. Majjhima Nikaya MN10 ), যাকে সতীপথথন সূত্ত বলা হয়
" THUS HAVE I HEARD.
On one occasion the Blessed One was living in the Kuru country where there was a town of the Kurus named Kammsadhamma. There he addressed the bhikkhus thus: “Bhikkhus.”—“Venerable sir,” they replied. The Blessed One said this: “Bhikkhus, this is the direct path for the purification of beings, for the surmounting of sorrow and lamentation, for the disappearance of pain and grief, for the attainment of the true way, for the realisation of Nibbana—namely, the four foundations of mindfulness.
“What are the four? Here, bhikkhus, a bhikkhu abides contemplating the body as a body, ardent, fully aware, and mindful, having put away covetousness and grief for the world. He abides contemplating feelings as feelings, ardent, fully aware, and mindful, having put away covetousness and grief for the world. He abides contemplating mind as mind, ardent, fully aware, and mindful, having put away covetousness and grief for the world. He abides contemplating mind-objects as mind-objects, ardent, fully aware, and mindful, having put away covetousness and grief for the world.
“And how, bhikkhus, does a bhikkhu abide contemplating the body as a body? Here a bhikkhu, gone to the forest or to the root of a tree or to an empty hut, sits down; having folded his legs crosswise, set his body erect, and established mindfulness in front of him, ever mindful he breathes in, mindful he breathes out. "
এই কথাগুলো তাৎপর্যপূর্ণ যে ভিক্ষু অরণ্যে গিয়ে নয়ত লোকালয় থেকে দূরে কোন গাছের তলায় বা শূন্য কুটীরে বসে ধ্যান করবেন। গৃহীদের জন্য কোন এজাতীয় নির্দেশ ছিল না। অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি (১৭৫৬) ব্রহ্মদেশে (বারমা/মিয়ানমার) মেদাউয়ি নামে এক থেরাবাদী বৌদ্ধ সন্ন্যাসী সতীপথ্থন সূত্র আর বিশুদ্ধিমাগ্গ মিলিয়ে বিপাসনা ধ্যানের একটা লোকচলতি ম্যানুয়াল লেখেন। সেই সময় থেকে বিপাসনা ধ্যানের একটি পুনরুজ্জীবন হয়। কালক্রকে বারমায় মহর্ষী সায়াদাউ, (Ledi Sayadaw) এবং U Ba Khin (যিনি সত্যনারায়ণ গোয়েঙ্কার গুরুদেব) তাঁরা বিপাসনার পুনরুথ্থানে অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেন।
রিট্রিট গুলোতে হয় কি? Express অন্তর্দৃষ্টির উন্মোচনের চেষ্টা? কারা আয়োজন করেন? কারা যান? কত পড়ে? মোটামুটি আমি যা দেখেছি, রিট্রিটগুলোতে একটা বৌদ্ধ সন্ন্যাসজীবনের দৈনন্দিন জীবনের কিছুটা তুলে ধরা হয়। যেমন, বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা ২৫০ বা তারও বেশী শপথ নেন, রিট্রিট গুলোতে বোধিসত্ত্বের পাঁচটি শপথ সবাইকে নিতে হয় (১) কারো কোন ক্ষতি না করা, কোন প্রাণহত্যা না করা, (২) কোন রকম চুরি না করা, (৩) মিথ্যা কথা, বেশী কথা, বাজে কথা না বলা (রিট্রিটগুলোতে সম্পূর্ণ নীরবতা রক্ষা করতে হয়, একটুও কথা বলা যাবে না, কিছু লেখা যায় না, সেল ফোন তো দূরস্হান, কিছু পড়াও চলবে না, কারো দিকে তাকানো অবধি যায় না চোখ নীচের দিকে নামিয়ে চলতে হয়), (৪) কোন রকম যৌন সংসর্গ, অবৈধ যৌন সম্পর্ক নিষেধ - হয়ত কিছুটা প্র্যাকটিকাল, কারণ রিট্রিট রোমান্সের বলে একটা কথা প্রায়ই শোনা যায়, :-), (৫) কোন রকম addiction মদ, সিগারেট, গাঁজা, সোস্যাল মিডিয়া সব বাদ। তারপর একবেলা খাবার পাওয়া যায়, বিকেলের দিকে বড়জোর একবাটি সূপ, নাহলে চা, জল, ফল, শুধু দুপুরের আর সকালের ব্রেকফাস্ট টুকু পাওয়া যায়। দুপুরবেলায় অনেকে একটু গড়িয়ে নিতে পারেন (ঘন্টা দুয়েক বিশ্রাম করার জন্য পাওয়া যায়)। এই সময়টুকু বাদ দিলে প্রতিদিন সকাল পাঁচটা কি ছ'টা থেকে শুরু করে রাত দশটা পর্যন্ত টানা ধ্যান করতে হয় (বসে বা হেঁটে)। সন্ধ্যার দিকে এক ঘন্টার হয়ত একেকদিন ধর্মকথা থাকে। এরকম করে দশ দিন চলে। শেষের দিন এক ঘন্টার জন্য সবাইকে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা বলতে বলা হয়। এছাড়া প্রতিদিন বা একদিন বাদে বাদে দশ বা পনের মিনিট করে যাঁরা শিক্ষক, তাঁদের সঙ্গে একান্তে আলাপ করা যেতে পারে, নিজেদের ধ্যান সংক্রান্ত কোন প্রশ্ন থাকলে করা যেতে পারে।
আমি যতদূর জানি, রিট্রিটে যোগদান করে "ধ্যান করার" জন্য কারো কাছ থেকে এক পয়সাও চাওযা হয় না। তবে যাঁরা ধ্যান কেন্দ্রে শিক্ষকতা করেন ("রোশি"), তাঁদের "দান" বাবদ প্রত্যেকের কাছে ঈপ্সিত থাকে যে তাঁরা "দান" করবেন, তবে যে যেমন পারেন দেন। তবে খরচা বাবদ যেটা করা হয় সেটা ধ্যান কেন্দ্রটিতে থাকা খাওয়া বাবদ টাকা নেওয়া, সেটা একেক জায়গায় একেক রকম। যেমন, উ বা খিন পদ্ধতি, যে পদ্ধতি সত্য নারায়ণ গোয়েঙ্কা এবং তাঁর উত্তরসূরী সঙ্ঘ সম্প্রদায় মেনে চলেন, তাতে যাঁরা যোগ দেন, তাঁরা এমনকি থাকা খাওয়া বাবদ অবধি এক পয়সা দেন না। যাঁরা প্রথমবার যোগ দেন, তাঁদের কাছ থেকে "দান" অবধি প্রত্যাশা করা হয় না। অন্তত এক বার যাঁরা রিট্রিটে যোগ দিয়েছেন, কেবল তাঁরা যদি মনে করেন, তো পয়সা দিতে পারেন। আমাদের নিজেদের যে সঙ্ঘ, "southern insight meditation", সেখানে শুধু থাকা খাওয়া বাবদ টাকা ধার্য করা হয়, "দান" আলাদা। দক্ষিণা ভালো রকম দিতে হয় কিনা সেটা বলা মুশকিল, তবে সাধারণভাবে কেউ যদি টাকা না দিতে পারেন কিন্তু যোগ দিতে চান, তাহলে অন্যান্যরা (অন্তত আমাদের সঙ্ঘটিতে) তাঁর হয়ে টাকা দিয়ে দেন, ফলে এক পয়াসাও না দিয়ে কেউ বিপাসনা ধ্যান করে আসতে পারেন।
কর্পোরেটরা করান কিনা জানি না। গুগলের মেড চেন ট্যাং একটা স্মৃতির ধ্যানের (mindfulness meditation) প্রোগ্রাম চালু করেছিল, সেটা এখনো চলে কিনা বলতে পারব না।
অর্জুন লিখেছে যে চোখ বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবার উপক্রম। ধ্যান করতে হলে চোখ বন্ধ করে রাখতে হবে এমন কোন কথা নেই, যদিও বহু বিপাসনা শিক্ষক বলেন চোখ বন্ধ করে রাখতে। ভন্তে বিমলারামশি এক মার্কিন বৌদ্ধ সন্ন্যাসী, তিনি যে রিট্রিটগুলো পরিচালনা করেন, সেখানে তিনি বলেন চোখ খোলা কি বন্ধ করে রাখার কোন বিধিনিষেধ নেই। আমি নিজে চোখ সামান্য খোলা রেখে সামনের দিকে তাকিয়ে ধ্যান করে দেখেছি, বরং ভালই লাগে। অর্জুন তোমার যদি চোখ খোলা রেখে ধ্যান করতে সুবিধে হয়, তাই কোর। বহু জেন ধ্যানী চোখ খোলা রেখে ধ্যান করতে বলেন। মূল ব্যাপারটা শরীরের দিকে, শ্বাস প্রশ্বাসের দিকে, "বেদনার" প্রতি ("Feelings"), মনের ধারণার প্রতি ("রাগ, ঘৃণা, লালসা, লোভ, ভুল বোঝা, ভ্রান্ত দর্শণ") নিস্পৃহ "নজর" রাখা। শ্বাস কন্ট্রোল করার কিছু নেই, বেঁচে যখন আছেন, তখন শ্বাস আসবে যাবে, শুধু লক্ষ্য করুন। "awareness, understanding", আর কিছু নয়। (মানে চোখ মুখ পাকিয়ে সাংঘাতিক hyper হয়ে ঘোর concentrate করছেন করবার চেষ্টা করলে কেলেংকারী, যাচ্ছেতাই ব্যাপার হবে, এ তো কম্পিটিটিভ স্পোর্টস নয়, ;-) )।
র২হ | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:৫১430119
: | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:০৩430118
:-& | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:০২430117
অর্জুন | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:২৪430116
Atoz | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১৭430115
অরিন | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:০৭430114@রঞ্জনবাবু: "মাইন্ডফুলনেস নামে একটি অ্যাপ চলছে, ধ্যান ইত্যাদিযুক্ত। এটা কি কোনভাবে বিপাসনার কোন ফর্ম?"
বিপাসনা বৌদ্ধ মেডিটেশন, এতে শীল, সমাধি, পন্ন তিনটে পালন করা হয়, বিভিন্ন ভাবে, বিভিন্ন সময়ে। বিপাসনার শুধুমাত্র ধ্যানের অংশটিতে সম্ম (সম্যক) সমাধি, এবং সম্ম (সম্যক) সতী (স্মৃতি), এবং সম্ম ব্যায়াম - তিনটে একসঙ্গে করা হয়।
মাইন্ডফুলনেস অ্যাপগুলো আসলে ঘড়ি, তাতে অবিশ্যি ধ্যান করার নির্দেশ দেয়া থাকে, আপনি তাকে অবলম্বন করে ধ্যান করতেই পারেন। মনে রাখতে হবে এতে করে শুধু সম্ম সতীর ব্যাপারটাই হবে, সম্ম সমাধির ব্যাপারটা অ্যাপের এক্তিয়ারের বাইরে।
অতএব, ছোট উত্তর, এরা বিপাসনার "ফর্ম", সেভাবে দেখলে, কিন্তু ঠিক বিপাসনা নয়।
অর্জুন | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৫৮430113
এলেবেলে | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:০৬430112অর্জুন, আপনি বিদ্যাসাগর নিয়ে আশীষ লাহিড়ীর বক্তব্য শুনতে গিয়েছিলেন তো? তিনি নতুন কিছুই বলছেন না। তাঁর বহু আগে সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি বাক্য লিখেছিলেন বিদ্যাসাগর-বিবেকানন্দ নিয়ে। আশীষবাবু তারই চর্বিতচর্বণ করে থাকেন। কাজেই... আর এশিয়াটিক সোসাইটিতে বিদ্যাসাগর নিয়ে অম্বাই আলোচনা হবে। সবাই স্রোতের অভিমুখে সাঁতার কাটতে ভালোবাসেন কি না।
অর্জুন | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০০:৪৭430111