এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩০৯১৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • de | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৩:১২714039
  • আমাদের এলাকায় রোজ মশার ওষুধের ধোঁয়া দিচ্চে- তবে তাতে কতো কি কাজ হয় তাতে সন্দ আছে -
  • | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৩:২৭714040
  • নক্ষত্রমন্ডলী ..
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯২১
    শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ১৯৩৮
    রাজেন্দ্র প্রসাদ ১৯৫২
    রাজশেখর বসু ১৯৫৭
    সুনীতিকুমার চট্টপাধ্যায় ১৯৬৯
    হেমন্ত মুখপাধ্যায় ১৯৮৮
    লীলা মজুমদার ১৯৯৭
    নোম চামস্কি ২০০১
    নীরন্দ্র নাথ চক্রবর্তী ২০০৭
    শ্যাম বেনেগাল ২০১২
    প্রণব মুখোপাধ্যায় ২০১৪
    জয় গোস্বামী ২০১৫
    এই মানুষ গুলোর নামের সাথে একই সঙ্গে,
    অনুপ্রেনায় মা মাটি মানুষের ঈশ্বর মাননীয়া ২০১৭

    যাক এবার নেক্সট দাদা সাহেব ফালকে টাও মনে হচ্ছে হয়ে যাবে নেক্সট ইয়ার এ
    জয় মা মাটি মানুষের জয় ...
  • }8>(( | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৩:৪৭714041
  • 'দাদা' প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন আছেন, বোনের নামে আপত্তি কিসের?
    কিন্তু দাদাসাহেব'এর থেকেও বড় এবং আন্তর্জাতিক স্তরের পুরস্কার - র‌্যামন ম্যাগ্‌সাইসাইয়ের নামাঙ্কিত পুরস্কার -..... সেটা কবে ইনি পান সেটাই দেখার।

    সে লিস্টিতেও ওঁর বিশেষ শ্রদ্ধেয়া মহাশ্বেতা দেবী আছেন। আছেন অনেকেই, যাঁর মধ্যে টি এন শেষণও আছেন। ইনিই বা কি কম যান।
    বহুদিন আগে 'অক্ষ'র করা প্রশ্নটা মাথায় এসে গেলো। }8>((
  • | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৪:০৩714042
  • আমার ভিনদেশী মশা
    ওড়ে দিনের আকাশে,
    যদি কামড়িয়ে যায় পায়ে
    লোকে ডেঙ্গী হয়ে মরে...
  • sm | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৪:২৪714043
  • এত অস্থির হওয়ার কি আছে?ডেঙ্গি বহুগুনে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটা সত্য। এটাতে লুকোনোর কিছু নেই।
    এর একটা কারণ যেমন জনগণ ও মিউনিসিপ্যালিটির অসচেতনতা আর একটা বড়ো কারণ হলো ডেঙ্গির ধারক বা কেরিয়ার এর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া।
    ডেঙ্গির নতুন সেরো টাইপ ও বৃদ্ধি পেয়েছে।
    এনিওয়েস, দপূর্ব এশিয়ার অনেক উন্নত দেশেও ডেঙ্গি বহাল তবিয়তে বিরাজমান।
    মহারাষ্ট্র, কেরল প্রভৃতি রাজ্যেও দেখাযাচ্ছে সংখ্যা প্রচুর বৃদ্ধি পেয়েছে।
    ওখানে আবার H1N1 বা মারণ ফ্লু ও ভালো রকম বিদ্যমান।
    আমার জানার ইচ্ছে ছিল মিডিয়া কি পব র মতন লোকজন কে প্যানিকড করে তুলেছে?
    দুই, দুটো ক্ষেত্রেই চিকিৎসা মূলত সাপোর্টিভ।হাসপাতালের প্রয়োজন ইমার্জেন্সি সিচ্যুয়েশনে।
    তিন,ডেঙ্গির ভ্যাকসিন কিছু কিছু দেশে এভেইলেবল।ওটাতে মর্টালিটি ভালোই কমে। তো আমাদের দেশে এভেইলেবল করছে না কেন? এটার কারণ কিছু জানা আছে।
    ইউকে তে বছর চারেক আগে এই মারণ ফ্লু আসবে এই সম্ভবনা তে বাড়ি শুদ্ধু ভ্যাকসিন দিয়েছিলো।
    পরে জানা গেছিলো ওই ভ্যাকসিনের এফিকেসি বেশি নয়।
  • }8>X | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৫:১৯714044
  • "....এর একটা কারণ যেমন জনগণ ও মিউনিসিপ্যালিটির অসচেতনতা আর একটা বড়ো কারণ হলো ডেঙ্গির ধারক বা কেরিয়ার এর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া।...."
    ******************
    সবচেয়ে বড় কারণ ব্যক্তিবিশেষের উদাসীনতা এবং দীর্ঘদিন ধরে এই পরিস্থিতিকে চরম অবজ্ঞাসূচক মন্তব্যে ক্রমাগত তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, অস্বীকার করে সমস্ত তল্পিবাহক, স্তাবক সরকারী পরিষেবার আধিকারিকদের ঠুঁটো করে রাখা।
  • de | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৬:১৩714045
  • বম্বে বা মহারাষ্ট্রের মিডিয়া ডেঙ্গি বা সোয়াইন ফ্লু কিছু কম কভার করে না - ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে সেই কন্ডিশনকে স্বীকার করাটা বুদ্ধিমানের কাজ - সেটা সর্বত্রই মিডিয়া করছে - তাদেরকে গাল না পেড়ে সরকার নিজের কাজটা ভালোভাবে করলে সেটাতেই বাহবা পেতে পারতো। মিডিয়া না থাকলে সরকারের চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর কেউ থাকবে না। তাছাড়া - কলকাতার মিডিয়া তো শুধু বিশ্বকাপ নিয়েই লিখছে দেখি। ব্রাজিল-ইংল্যান্ডেই কলকাতার লোকের যতো কনসেন্ট্রেশন!
  • de | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৬:১৮714047
  • এখুনি আমার তামিল সহকর্মীরা জানালেন তামিলনাডে যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো এফিসিয়েন্টলি সরকার ডেঙ্গি তাড়ানোর কাজ করচে - লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জমা জলের জন্য পুরসভা ফাইন করচে। ওনাদের অনেকে বাড়ি বন্ধ রেখে বম্বে কাজ করেন, কেয়ারটেকার ফোন করে ফাইনের পয়সা চেয়েচে। ওখানেও অনেক লোক মারা গেছে - কিন্তু সরকার, পুরসভা হাত গুটিয়ে নেয়নি -
  • | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৬:১৮714046
  • শিল্প সাহিত্যে মমতার ডিলিট : খুশি সুদীপ্ত সেন
    আলিপুর সেন্ট্রাল জেলের বাসিন্দা সারদাকর্তা সুদীপ্ত সেন মুখ্যমন্ত্রীর শিল্প-সাহিত্যে ডিলিটের খবরে বেশ খুশি।
    http://biswabanglasangbad.com/2017/10/26/mamta-d-litt-happy-sudipta-sen/
  • sm | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৬:২৪714048
  • এটাই সরকারের কাজ হওয়া উচিত। আর মিডিয়ার উচিত গঠন মূলক সমালোচনা করা।আতঙ্ক ছড়ানো নয়।
  • PT | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৬:৫৯714050
  • "অথচ বাড়িতেই বড় সংখ্যক মানুষের চিকিৎসা সম্ভব ও সেটাই করা উচিত।"
    দয়া করে এই পন্ডিতি করবেন না বা এই জাতীয় পরামর্শ দেবেন না। আমি ১১-১৮ তারিখ পর্যন্ত খুব নিকটাত্মীয়ের ডেঙ্গি নিয়ে জেরবার হয়ে ছিলাম। এবারের ডেঙ্গি কার ক্ষেত্রে মারাত্মক হয়ে উঠবে সেটা ডাক্তারেরাও বুঝে উঠতে পারছেন না।
  • sm | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১৭:৪৮714051
  • Most dengue patients recover without requiring
    hospital admission while some may progress to severe disease. Simple but effective
    triage principles and management decisions applied at the primary and secondary care
    levels, where patients are first seen and evaluated, can help in identifying those at risk
    of developing severe disease and needing hospital care. This should be complemented
    by prompt and appropriate management of severe dengue in referral centres.
    http://apps.who.int/iris/bitstream/10665/44188/1/9789241547871_eng.pdf
    who এর গাইডলাইন থেকে।
  • PT | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ২০:৫৩714052
  • আজকাল ছাপার অক্ষরে কিছু পড়ে সকলেই দেখছি ডাক্তারি শুরু করে দিয়েছে!!

    "Simple but effective triage principles and management decisions applied at the primary and secondary care levels, where patients are first seen and evaluated"
    "decisions" কে নেবে? বাড়ির লোকে "primary and secondary care levels"-এর মানে বোঝে? সবাই তো শুধু বলে যাচ্ছে পেঁপের পাতার রস খাওয়াতে!!
  • sm | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ২১:০৯714053
  • পেঁপে পাতার রস খাবেন না।এলার্জি হতে পারে। বাজারে পেঁপে পাতার রস থেকে তৈরী ওষুধ পাওয়া যায়। প্লেটলেট কাউন্ট বেশ কমে গেলে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে খেতে শুরু করা যেতে পারে।
    প্যারাসিটামল,প্রচুর জল আর ও আর এস হলো মেইন ট্রিটমেন্ট।
    ডাক্তার জ্বর হলেই দেখাবেন। পাড়ার ডাক্তার হলেও চলবে। নিজে নিজে কোনো ডিসিশন নেবেন না। যা পরামর্শ দেবার উনি ই দেবেন।
    খুবই মারাত্মক ডিজিস। কিন্তু অযথা আতংকিত হলে বিপদ বাড়বে বই কমবে না।
  • PT | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ২২:২৬714054
  • যাক, এখন হু-এর তত্ব বাতিল করে পাড়ার ডাক্তারের গপ্পে ফেরৎ।

    "`প্লেটলেট কাউন্ট বেশ কমে গেলে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে....."
    অর্থাৎ কিনা প্লেটলেট আগে রোগীর অত্মীয়রা দেখে (প্রাইমারি কেয়ার লেভেল?) তার পরে ডাক্তারের কাছে (সেকেন্ডারী কেয়ার লেভেল?) যাবে?
    আমার চেনা ডাক্তার বাবু হোমিওপ্যাথির ক্যারিকা প্যাপাইয়ার টিংচারের দিকে তাকিয়ে সহাস্যে বলেছিলেন, খাওয়াতে চান?... খাওয়ান ......!!

    আজকেও বোধহয় জনাচারেক মারা গিয়েছে ডেঙ্গিতে। তারপরেও এই আমড়াগাছী? এমন প্রজা না থাকলে কি আর অমন হীরক রাণী ক্ষমতায় থাকে?
  • sm | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ২২:৪৬714055
  • আপনি কি না বোঝার চেষ্টা করছেন ? পাড়ার জিপি কে দেখানো প্রাইমারি কেয়ার এর মধ্যেই পড়ে। উনি জ্বরের রোগী দেখে, পরামর্শ দেবেন ও প্রয়োজনীয় টেস্ট লিখবেন।বাড়িতে রোগীর চিকিৎসা হবে।
    জিপি, বিপদমূলক সাইন ও সিম্পটমস নিয়ে রোগীর বাড়ির লোককে অবহিত করে দেবেন।
    এগুলো সব প্রাইমারি কেয়ার এর মধ্যেই পড়ে।
    হাসপাতালের দরকার যখন এই সিম্পটমস গুলো প্রকট হবে বা রক্ত পরীক্ষায় গোলমাল ধরা পড়বে।
    রোগীর লোকজন ও জিপি অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবে।
  • | ২৬ অক্টোবর ২০১৭ ২২:৫৭714056
  • শুনলাম কলকাতার একজন সাংসদ নাকি রাষ্ট্রপুঞ্জে যাচ্ছেন সাইকেল চুরির ওয়ার্কশপ করানোর জন্য।
  • S | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ০১:৪০714057
  • আচ্ছা বাড়িতে ডেঙ্গির রোগী রাখা কি নিরাপদ? মানে মশা কামড়ে যদি অন্য কাউকে কামড়ায়? রাজ্য পার করে ভিনরাজ্যের মশারা এসে কামড়ে যাচ্ছে, আর ঘর বদলাতে পারবে না?
  • PT | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ০৭:২৩714058
  • "`হাসপাতালের দরকার যখন এই সিম্পটমস গুলো প্রকট হবে বা রক্ত পরীক্ষায় গোলমাল ধরা পড়বে।"
    এইটা এক্কেবারেই ভুলভাল অবস্থান। সিম্পটম প্রকটিত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা যায় কিনা সেটাও অনেকে বুঝে উঠতে পারছে না। কয়েক ক্ষেত্রে ঘন্টা কয়েকের মধ্যে রুগীর মৃত্যু হয়েছে। এমনকি জ্বর ছাড়ার পরে বাড়ি এসেও রুগী মারা গিয়েছে। তাছাড়া বাড়িতে রেখে স্যালাইন চালানো নিরাপদ কিনা সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।
  • sm | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ০৯:২৭714059
  • পিটি,ডেঙ্গি একটি কিলার ডিজিস। এর কেস ফ্যাটালিটি রেশিও ১ পার্সেন্ট এর মতন। অর্থাৎ শত চেষ্টা করলেও মৃত্যু ঠেকানো যাবেনা। কিন্তু প্যানিকড না হয়ে, নির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনে চিকিৎসা করলে সুফল বেশি মিলবে।কিভাবে চিকিৎসা হবে, কি কি সিম্পটমস প্রকট হলে হাসপাতালে রেফার করা হবে ও কিভাবে রোগীকে ডিসচার্জ করা হবে বিশদে দেওয়া আছে।
    জ্বর হলেই হাসপাতাল দৌড়োবো আর প্লেট চাই ইত্যাদি করলে; হাসপাতাল রোগী ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ে। নড়বড়ে পরিকাঠামো আরো দুমড়ে যায়। এই আতঙ্ক কিন্তু অনেকটা মিডিয়া সৃষ্ট।
    একটু ঠান্ডা মাথায় এগুনো ভালো।
    এই রোগের কোনো ডাইরেক্ট ঔষধ নাই।ট্রিটমেন্ট মূলত সাপোর্টিভ।
    http://www.nvbdcp.gov.in/Doc/Clinical%20Guidelines.pdf
    পড়ুন এবিপি এর রিপোর্টিং-
    চিকিৎসকদের একাংশ জানান, যে রোগের নির্দিষ্ট ওষুধ নেই, তা নিয়ে অনেক সময়ে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ডেঙ্গি নিয়ে এমনই নানা ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হচ্ছে। যেমন অনেক জায়গায় অভিযোগ উঠেছে, রক্তের নমুনা পরীক্ষায় ডেঙ্গি ধরা পড়লে কিছু ভুল ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন একাংশের অসাধু ওষুধ ব্যবসায়ী। তাই সাধারণ মানুষকে ডেঙ্গি সম্পর্কে সচেতন করাটা জরুরি হয়ে পড়েছে। আবার রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গি ধরা পড়লেই আক্রান্ত মারা যাবেন, এই ধারণাও ভুল। কারণ, নির্দিষ্ট ওষুধ না থাকলেও বিভিন্ন চিকিৎসার মাধ্যমে রোগ নিরাময় সম্ভব।
    http://www.anandabazar.com/calcutta/doctors-on-facebook-to-share-awareness-of-dengue-1.696732?ref=hm-new-stry
    ডেঙ্গি সংক্রান্ত ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করছে রক্তের আকালও। জ্বরে আক্রান্ত হলেই অনেকে প্লেটলেটের জন্য ব্লাড ব্যাঙ্কে চলে যাচ্ছেন। কিন্তু সব জ্বরে প্লেটলেট দেওয়ার দরকার হয় না। এমনকী, ডেঙ্গি হলেই যে প্লেটলেট দিতে হবে, এমনটাও ঠিক নয়। তবে, আক্রান্তকে পর্যবেক্ষণে রাখা জরুরি। তা হলে প্রয়োজন মতো প্লেটলেট দেওয়া যেতে পারে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, প্লেটলেটের প্রয়োজনীয়তা সংক্রান্ত ভুল ধারণার জেরে চাহিদা বাড়ছে। ফলে অনেক জায়গা থেকে প্লেটলেটের বেআইনি বিক্রির খবর আসছে। এই বেআইনি বিক্রির জেরে প্লেটলেটের জোগান কমছে। যাঁদের চিকিৎসার জন্য সত্যিই প্লেটলেট জরুরি, এই সমস্যার জেরে তাঁরাই অনেক সময়ে প্লেটলেটের আকালে ভুগছেন।
    ফোরামের সম্পাদক, চিকিৎসক অর্জুন দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘যে রোগের ওষুধ নেই, প্রতিরোধের পরিকল্পনাই সেই রোগ রুখতে পারে। রাজ্য জু়ড়ে অসংখ্য মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত। তৈরি হচ্ছে রোগ সংক্রান্ত নানা ভ্রান্ত ধারণা। তাই চিকিৎসক হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি। এখন অসংখ্য মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছে যাওয়ার রাস্তা হল সোশ্যাল মিডিয়া। তার মাধ্যমেই মানুষের কাছে ডেঙ্গি সংক্রান্ত বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা তুলে ধরার চেষ্টা চলছে।
  • রোবু | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ০৯:৫২714062
  • পিটিদা, আমি যদ্দুর জানি এসএমবাবু ডাক্তার। এবং এখানে ওর পরামর্শগুলো ঠিকই লাগছে।

    এ বাদে, সরকারের চরম উদাসীনতা ও গাফিলতি, চোখ বন্ধ করে প্রলয় বন্ধ করার চেষ্টা, এগুলি নিয়ে প্রবল সমালোচনা করুন, সেটা অবশ্যই আমাদের সকলের করা উচিত।
    আর মিড়িয়া প্যানিক ছড়াচ্ছে সেরকম-ও কিছু না, মানুষ-ই প্যানিকড। কিন্তু সরকার এখনো পয়সা খরচ করে টিভিতে, কাগজে কিভাবে মশা আটকানো যায় এবং জ্বর হলে প্রাইমারি কেয়ার কি কি করা উচিত সেসব নিয়ে যথেষ্ট ক্যাম্পেনই করছেই না। কারণ, ডিনায়াল মোড আছে। একটা দুটো ফ্লেক্স টাঙিয়েছে এদিক ওদিক, সে ভেঙে ছিঁড়ে গ্যাছে।
  • sm | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ০৯:৫৭714063
  • S,
    ডেঙ্গি রোগী কে আইসোলেট করে রাখার বিধান সেরকম ভাবে কোথাও বলা নেই অন্তত যেসব দেশে প্রাদুর্ভাব বেশি।ডেঙ্গি আর ম্যালেরিয়া দুটোই মশা বাহিত। কিন্তু ম্যালেরিয়ার মশা মূলত রাত্রে বেলায় কামরায়।তাই মসকুইটো নেট খুব এফেকটিভ। কিন্তু ডেঙ্গিতে অতটা এফেকটিভ নয়।
    কোনো ইনফেক্টেড বা ডেঙ্গি রোগীর মশা অন্য ব্যক্তি কে কামড়ালে তাঁর ডেঙ্গি হবার চান্স থাকে।যেহেতু অধিকাংশ লোক কে জীবাণু বহনকারী মশা কামড়ানো সত্ত্বেও জ্বর বা অন্য কোনো উপসর্গ হয়না তাই তাঁরা কেরিয়ার বা বাহক হয়ে ঘুরে বেড়ায়।এদের থেকেও সংক্রমণ ছড়ায়। সুতরাং ডেঙ্গি প্রতিরোধের মেইন জায়গা হলো বাড়ির আশে পাশে ছোট ছোট কন্টেইনার, টব, টায়ার, ফুলদানি ইত্যাদি তে জল জমতে না দেওয়া।
    ভ্যাকসিন নিয়ে আরো আলোচনা ও রিসার্চ দরকার।
  • PT | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ১৩:৪৩714064
  • "কিভাবে চিকিৎসা হবে, কি কি সিম্পটমস প্রকট হলে হাসপাতালে রেফার করা হবে ও কিভাবে রোগীকে ডিসচার্জ করা হবে বিশদে দেওয়া আছে।"

    সে সিদ্ধান্ত কি রুগীর আত্মীয়রা নেবে নাকি ডাক্তার নেবেন? কাগজে যা পড়ছি তাতে তো মনে হচ্ছে তাঁদের অনেকেই বিভ্রান্ত। আর এই কাগজগুলোর কোনটাই আলিমুদ্দিন থেকে ছ্পানো হয় না।

    তবে অন্ততঃ একজন ডাক্তারবাবুকে টিভিতে তক্ক করতে দেখে মনে হয়েছে যে তিনি পাড়ার খুচড়ো তিনো নেতা। রোগীকে সদুপদেশ দেওয়ার চাইতে সরকারকে ডিফেন্ড করতে বেশী ব্যস্ত।
  • PT | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ১৪:৩৫714065
  • "সুতরাং ডেঙ্গি প্রতিরোধের মেইন জায়গা হলো বাড়ির আশে পাশে ছোট ছোট কন্টেইনার, টব, টায়ার, ফুলদানি ইত্যাদি তে জল জমতে না দেওয়া।"

    এসব আপ্তবাক্য কাদের জন্যে?
    আমার বাড়িতে ফুলদানিতে ফুল রাখা হয় না প্রতিদিন। গাড়ী নেই বলে টায়ারও নেই। গাছ মাটিতে পোঁতা তাই টব নেই। আর প্রতিদিন আমার বাড়ির ময়লা কালো প্লাস্টিকের মধ্যে করে হ্যামলিনের বাঁশীওয়ালার ডিব্বায় ফেলা হয় সকাল আটটা নাগাদ। আমি কি এবার পাশের বাড়িতে গিয়ে এসব মিলিয়ে দেখব?

    কথা হচ্ছে যে দক্ষিণাপণের চারপাশের shop till you drop-জাতীয় ক্রেতাদের ক্লান্তি হরণকারী চায়ের প্লাসটিকের কাপ বা নন্দন চত্বরের ঢিপি হয়ে থাকা বিদগ্ধ কাচড়ায় জন্মানো মশার দায়িত্ব কার? এতো গেল কলকাতার কথা। পরিচ্ছন্নতা কলকাতার বাইরে কিরূপ?
    "জঙ্গলে জঞ্জালের স্তূপ, হুঁশ নেই প্রশাসনের"
    http://www.anandabazar.com/district/mednipore/garbage-being-deposited-on-the-road-1.696677?ref=mednipore-new-stry
    "সাফাই হয় না, জঞ্জালের স্তূপ জমছে রাস্তায়"
    http://www.anandabazar.com/district/mednipore/garbage-heap-on-road-no-cleaning-steps-taken-1.696258?ref=mednipore-new-stry

    এবার তো মজন্তালী সরকার হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই!!
  • sm | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ১৪:৪৭714066
  • পিটি,আপনি রাজনীতি এনে ফেলবেন ই। আর প্রবল ভাবে না বোঝার চেষ্টা চালাবেন।
    ডায়ারিয়া ইলনেস এ ভারতে লক্ষাধিক শিশু মারা যায়।
    ডেঙ্গির চেয়ে বেশ কয়েক গুন্ বেশি।
    জল বাহিত রোগ মূলত। ফোটানো জল খেলে বহু মৃত্যু ঠেকানো যায়।
    আপ্ত কথা নয়। বাস্তব। মায়েরা জানেন। বাচ্চার ডায়ারিয়া হলে কখন ডাক্তারের কাছে ছুটে যেতে হবে জানেন। পাড়ার ডাক্তার কি কি লক্ষণ প্রকট হলে হাসপাতালে যেতে হবে বলে দেন।
    বিরাট সমস্যা হয় না তো!
    ডেঙ্গির ক্ষেত্রেও এক ই নিদান।পাড়ার ডাক্তারের পরামর্শ নিন।প্যানিক মুক্ত হন।
    ডেঙ্গি কেন এলো এতে প্রশাসনের গাফিলতি রয়েছে ;সেটা কেউ অস্বীকার করেছে কি?
    ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও ডেঙ্গি ভালো মতোই আছে।
    সেখানেও নিশ্চয় প্রশাসন অপদার্থ!
    বরঞ্চ de এর কথা প্রণিধান যোগ্য। পরিসংখ্যান চেপে যাওয়া ঠিক নয়।
    একদিন গরল ফুটে বেরোবেই।
  • dc | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ১৫:১৮714067
  • চেন্নাইয়ের ডেঙ্গির ব্যাপারটা বুঝিনা। এখানে ফি বছর অনেকগুলো ডেঙ্গির কেস ডিক্লেয়ারড হয়, কয়েকজন মারা যায়, কাগজে সেনিয়ে হৈচৈ হয়, সরকার থেকে বলে এবার আমরা ব্যাবস্থা নিচ্ছি। পুরসভার থেকে নানান এলাকায় সন্ধ্যেবেলা ধোঁয়ার গাড়ি পাঠায় আর এখানে ওখানে খাবলা করে ডিসইনফেকট্যান্ট ফেলে দিয়ে যায়। রিন্স অ্যান্ড রিপিট। পরের বছর একই কান্ড। অবশ্য চেন্নাইতে এমনিতেও পাবলিক হেল্থ শোচনীয়, প্রতি বছর নিয়ম করে চিকুনগুনিয়া, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি লেগেই আছে। কিন্তু পার্মানেন্ট সলিউশান খোঁজার চেষ্টা কেউ করে না।
  • | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ১৭:০০714068
  • | ২৭ অক্টোবর ২০১৭ ১৭:০৫714069
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন