এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:২৪434701
  • ছাপার জায়্গা পাবেন না কেন? বরঙ্গ উপন্যাসের প্রকাশক পাওয়া অপেক্ষাক্রিত সহজ। এক ছটাক আত্মজীবনী দু ছটাক দেশ কাল, এক টু ঘটনাবহুল ন্যারেটিভ, ব্যাস!

    সমস্ত নতুন লেখক পাল দিয়ে উপন্যাস লেখেন। পাঠক রাও যতটা ভরসা করে উপন্যাসের বই কেনেন অন্য খেত্রে সেটা না।
  • অর্জুন | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:২২434700
  • আগের মেসেজটি আমার।

    মার্ক্সীয় ইতিহাসবিদরা দামোদর কোসাম্বীকে মেন্টর বললেও, ঠিক কোসাম্বীয় মডেল ফলো করেনি।

    তবে সেটা খুব বৃহৎ অ্যাকাডেমিক আলোচনা।
  • অরজ | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:১৯434699
  • @এলেবেলে, আমি বলেছি

    'আপনি এত পরিশ্রম করলেও সেটা আপনার গদ্য গুণে whataboutery র থেকে একটু বেটার পড়তে লাগলেও ঠিক ইতিহাস হয়না।'

    বলেছি আপনার গদ্যগুণের জন্যে 'whataboutery' র চাইতে পড়তে বেটার লাগছে। তাহলে এটা 'whataboutery' নয়, ইতিহাসও নয় তাহলে কি?

    স্কুলিং ফলো করবেন কি করবেন না সেটা ত আপনার ব্যাপার। কিন্তু আমি একজনকে ডিমরালাইজ করব বলে নির্বাচিত তথ্য সাজাব এবং সে বিষয়ে ভাল কাজ করেছেন কিন্তু আমার পছন্দ নয় তাদের অ্যানালিসিস সেসব অন্তর্ভুক্ত করব না, সেটা কিন্তু প্রব্লেম্যাটিক।

    আপনি লেখেন ভাল, সেই জন্যেই এত কথা বলা।

    আফিঙের বিজনেজ করতেন এবং ব্রথেলের মালিকানা ছিল বলেই দ্বারকানাথকে 'হারামি' বলা যায়না।

  • হখগ | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:১৮434698
  • কিন্তু বিরোধিতা কেন করবো, ? বিশেষহটা প্রয়োজন না হলে :-) ল্যাখেন ল্যাখেন।
    ইতিহাস নিয়ে নতুন লেখার সম্ভাবনা মানেই ভালো। শুধু বিজেপির কোনো ভাবে উপকার না হয় দেখবেন একটু :-))))

    হখগ
  • হখগ | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:১৭434697
  • এবোঙ্গ আরেকটা বিষয় ও আছে, বিজেপি যেটা কোরছে, পার্সোনালিটি ধরে ইতিহাসের চর্চা ফিরিয়ে আনছে, কার হিন্দুত্তঅ ক্রেডেন্শিয়াল কতটা সেটা এস্টাবলিশ করার জন্য। তাদের যুক্তি তে অলটারনেটিভ ইতিহাসের শুরু ও শেষ হলো পার্সোনালিটি। মানে নেহরুর থেকে বল্লভ ভাই ভালো, বা শ্যামাপ্রসাদ ভালো, জেনেরাল হিস্টরি আমাদের দেশে কম চর্চা হয় বলে এটা টিকে যাচ্ছে, প্লাস রিজিওনাল লিঙ্গুইস্টিক কনটেনশন আছে। আই অ্যাম নট শিয়োর এটা তে সেকুলার দের পক্ষ থেকে পাল্টা ব্যক্তিত্তএর সিরিজ দেওয়া টা ই একমাত্র কাজ হোবা উচিত কিনা। সেকুলার দের শুধুই ভোটি জেতা না, দেশ গড়ার একটা দায় আছে, র‌্যাশনালিটির চর্চার একটা দায় আছে, সে দিক থেকে দেখলে, সময়ের ইতিহাসে র সোর্স ওওয়াইডেন করতে গিয়ে নতুন পারসোনালিটি আসছে কিনা সেট রেকর্ড করাই ভালো। হখগ
  • o | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:১০434696
  • লিখুন, লিখুন। শুভেচ্ছা রইল। :-)
  • এলেবেলে | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:০৯434695
  • অশোক সেন-ব্রায়ান হ্যাচার তো আছেই, সঙ্গে তণিকা সরকারও আছে। আবার ওদিকে বিহারীলাল সরকার-সুবল মিত্রও আছে। নামছি বড় করে এই সেপ্টেম্বরে। দেখা যাক কে কতটা বিরোধিতা করতে পারেন।

  • অপু | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:০৭434694
  • "আত্মঘাতী বাঙালী" পড়ে দেখুন মহায়। টের পাবেন :)))
  • o | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:০৬434693
  • হ্যাঁ, সে হতে পারে। কিন্তু উপন্যাস ছাড়া চলবে না। এইরকম একটা রাজনীতি, ঐতিহ্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি, অথরেটরিয়ান স্টেট, সমাজ, ধর্ম সব মিলিয়ে ঘেঁটে যাওয়া একটা পরিস্থিতি, এই কনফিউসনকে ধরতে গেলে উপন্যাসের জটিল ক্যানভাসটাই দরকার। মান্টোর কথা মাথায় রেখেও বলছি উপন্যাসের প্রয়োজন আছে এবং এইটে ভারতে বসে উপন্যাস লেখার আদর্শ সময়। জাস্ট লেখা লম্বা হয়ে গেলে ছাপার জায়গা খুঁজে পাব না কিংবা পাঠক পড়বে না, এটা গভীর সমস্যা। কিন্তু এটার সমাধান ফেসবুক স্ট্যাটাস সাইজের গল্প লিখব, এটা হতে পারেনা। লিখে ট্রাঙ্কে ফেলে রাখা তার চেয়ে বেটার। ঃ-)))
  • hakhaga | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:০৫434692
  • আমার একটা সাজেশন হল, দুটো সিরিয়াসলি আনইজুয়াল কাজ একটু পাশা পাশি রেখে করা। বড়ো বড়ো বিতর্কের বাইরেও, পার্সোনালিটি নিয়ে হোলেও, কিরকম ধরণের কাজ করা যায়, তার প্রকৃষ্ট উদা হলো, অশোক সেন এর 'বিদ্যাসাগর অ্যান্ড হিজ ইলিউসিভ মাইল্স্টোন্স' এর টেক্স্ট টা পাশে রেখে ব্রায়ান হ্যাচার বিদ্যাসাগর সম্পর্কে কাজ একটু নেড়ে চেড়ে দেখা। একটা পার্সোনালিটি সম্পর্কে কাজ করতে গেলে জে কত তথ্য লাগে শুধু তার একটা এগজিবিশন হোতে পারে। আরেকটা বায়োগ্রাফি হলো, লাভ অ্যান্ড ক্যাপিটাল, মেরি গ্যাব্রিয়েল এর লেখা। মার্ক্স এর স্ত্রী এর দৃষ্টিভঙ্গে এ থেকে মার্ক্স এর ব্যক্তিগত জীবন। স্টানিঙ্গ লেখা। ১৯১৭ পূর্ববর্তী সোশালিস্ট আন্দোলনের বিষয়ে ভিক্টোর সার্জে বা স্যাসুন এর ইতিহাস এর বই য়ের থেকে কিছু কম যায় না।
    একটা কথা বোঝা দরকার, কাকে নিয়ে কে গর্ব করবে, কাকে ভীষণ গুরুত্তঅ পূর্ন বোলে কে মোনে করবে, কাল্চারাল এক্সপ্রেশন এ প্রেফারেন্স কি হোবে সেই নিয়ে তর্ক কোরে বিশেষ লাভ নেই, তবে ভালো ইতিহাস এ এটা ক্রমশঃ ইম্পর্টান্ট হয়ে আসছে, যে স্টিক টু ফ্যাক্ট্স এবঙ্গ ওয়াইডেন সোর্সেস। আর বাকি রইলো, কালচারাল এক্সপ্রেসন এলিট বনাম পপুলার অথবা বিশুদ্ধ বনাম এক্সপেরিমেন্ট, এ মানে কেন কে কি পজিশন নেবে বলা কঠিন, তবে ব্যক্তিগত পজিশন ইনসুলার হোয়ে গেলে আর কি করা। ইতিহাস যেমন ঐতিহাসিকের পছন্দ মতো ঘটেনা, তেমনি শিল্পের জনপ্রিয়তা সব সময়ে শিল্পীর উপরে শিল্পটার উপরেও নির্ভর করে না সব সময়ে কি আর করা যাবে।
  • অপু | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:০৪434691
  • এলসিএম দা দারুণ লিখেছো। আলোলিকার লেখা একসময় নিয়মিত পড়তাম
  • অপু | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:০১434690
  • একক গান টা আগে শুনেছি। বেশ ভালো লেগেছে।
  • lcm | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:০০434689
  • আমিও বলব --

    প্রথমে বাংলা লেখা দিয়ে শুরু করি। প্রবাসী বাঙালি বাংলায় তেমন লেখালেখি করেন কি না তাই নিয়ে কোনো আইডিয়া ছিল না, প্রবাস বলতে আমেরিকার কথাই বলছি। ভারতী মুখার্জি, অমিতাভ ঘোষ, ঝুম্পা লাহিড়ী, সিদ্ধার্থ মুখার্জি -- কেউকেটারা সব ইংরেজি, লিস্ট আরও লম্বা। কিন্তু বাংলা? নিউ জার্সি থেকে আলোলিকা - লিখতেন, সাপ্তাহিক বত্তমানে। ইস্ট-কোস্টের এক ভদ্রলোক 'আমেরিকা আমেরিকা' নামের এক বই লিখেছিলেন, ম্যাগাজিনে লেখকের ছবি সহ বিজ্ঞাপণ আসত। কিন্তু, সে সব পাড়ার পুজো সুভয়িনরে লেখার মতন। নিউইয়র্কে থাকতেন মনোজ ভৌমিক, 'এই দ্বীপ এই নির্বাসন' নামের একটি চমৎকার বই লিখেছিলেন, অকালে মারা যান, ওঁর ছেলে মৈনাক ভৌমিক বাংলা সিনেমায় কাজ করেন এখন। আর, যারা লিখতেন - পরে দেশে ফিরে গেছেন তাদের কথা বলছি না - এমন অনেকেই আছেন, অনেকে তো খুবই নামকরা।

    তারপরে, ইন্টারনেটের দৌলতে --- এক গুচ্ছ সাংঘাতিক লেখকের খপর পেলাম - সৈকত বন্দোপাধ্যায় থেকে সম্বিৎ বসু - - আমেরিকায় বসে এমন বাংলা এরা কি করে লেখে - আর এরা নাকি সব কম্পুর চাকরি করে, চেহারা আচার ব্যবহারও কম্পুর লোকজনের মতনই, আমি তো যাকে বলে ভেবলে অবাক। ইন্টারনেটের শুরুর দিকে পরবাস নামক পত্রিকাটি এমন একগুচ্ছ লোকজন শুরু করেছিলেন শুনেছি। আবার এরা অনেকেই গান-বাজনা করেন ও "বোঝেন" (কোটের মধ্যে লিখলাম কেন বুঝতেই পারছেন), নাটক করেন, গানে সুর বাঁধেন - আমি যত দেখি অবাক হয়ে যাই, যে প্রোগ্রামিং তাহলে করেন কখন - কারণ সব সফটওয়ারের জনগণের মুখে শুনি যে তারা কাজের চাপে পিষ্ট, শনি-রবি-মঙ্গল-বুধ-ইউরেনাস-প্লুটোয় তারা কাজ করেন, কখনও অমাবস্যায় একটু ফুসরত পান। আবার একজন আছেন, তিনি স্টাটিস্টিক্সের মাস্টার, গুরু তেও লিখতেন - কিন্তু তার গান আর হারমোনিয়ামের গিট্ যদি আপনেরা শুনতেন - - আমি তো যখনই শুনি ফ্ল্যাট হয়ে যাই -- অবশ্য আমি দেখেছি, ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া জনগণের সে কি বাংলা লেখা রে ভাই, বা বাংলা মিডিয়ামে পড়া লোকজনের কি ফুরফুরে ইংরেজি কলম।
    এমন আরও আছে, তারা সব বিদেশেই খোপে খোপে লুকিয়ে আছে, তাদেরকে সবসময় দুগ্গাপুজোয় মঞ্চে পাবেন না, বা রবীন্দ্রজয়ন্তীর প্রোগ্রামে পাবেন না, বা বংগোসম্মেলনে পাবেন না। তারা আছে, সবাই Z|নতি পারে না ।
  • এলেবেলে | ১০ মার্চ ২০২০ ১৪:০০434688
  • ন্যাড়াবাবু, বর্তমানে ইতিহাসচর্চায় শ্রেণি এবং শ্রেণিস্বার্থ অত্যন্ত বড় ফ্যাক্টর, অন্তত ভারতবর্ষের আধুনিক ইতিহাসচর্চার ক্ষেত্রে। এখন সেটাকে কেউ মার্ক্সবাদীদের বিকার মনে করতেই পারেন। তাতে কিছু তারতম্য হয় না।

  • এলেবেলে | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:৫৫434687
  • ল্লেপচা! অর্জুন আপনিই তো লিখলেন "এর ফলে হয় কি আপনার পছন্দের তথ্যগুলি সাজিয়ে সেটাকে ideologically paint করে ফেলেন। ইতিহাস আলোচনার একটি দর্শন এবং পদ্ধতি আছে কিন্তু। কে বা কারা কখন কোথায় কার বা কাদের জন্যে কোন ইতিহাস কিভাবে লিখবে ও কত টুকু লিখবে সেটা বিচারের রীতি, পদ্ধতি এবং তর্ক বিতর্ক আছে। সেটা না হলে আপনি এত পরিশ্রম করলেও সেটা আপনার গদ্য গুণে whataboutery র থেকে একটু বেটার পড়তে লাগলেও ঠিক ইতিহাস হয়না।"

    তো এখানে তো স্পষ্ট 'whataboutery র থেকে একটু বেটার'-ই লিখেছেন! আবার বলছেন ৮০খানা বই, হোয়াটঅ্যাবাউটারি নয়!! ঠিক করেন মহায় আগে কোন অভিযোগে অভিযুক্ত করবেন।

    শোনেন আমি ইতিহাসচর্চার সময়ে কোনও পার্টিকুলার স্কুলিং-এর চামচাগিরি করি না। আগে প্রচলিত বইপত্তরগুলো পড়ি। পরে সেসবের বিরোধিতা করে লেখা বইগুলো। তারপরে গ্রহণ-বর্জনের মাধ্যমে নিজস্ব বিশ্লেষণে বা উপলব্ধিতে পৌঁছনোর চেষ্টা করি। যদি সেটা না-ই করতাম তাহলে কি আর দিলীপবাবুর রামমোহনের ওপরে বইটা আপনাকে পাঠাতে পারতাম? এখন সেই বিশ্লেষণের সঙ্গে আপনি একমতও হতে পারেন, ভিন্নমতও হতে পারেন। কিন্তু কলোনিয়াল ইতিহাসচর্চা করতে গিয়ে বেনেভোলেন্ট ইংরেজ শাসকের হোয়াইট ম্যানস বার্ডেন তত্ত্বে আমি আস্থাশীল নই - এই আর কি।

  • একক | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:৪৯434686
  • নামকরা সাহিত্যিক রা অনেকেই শুধু উপন্যাস লেখেন, তার কারন ছাপাখানা ও বিগ্যপন ইন্ডাস্ট্রির খুব ন্যারো ইভোলিউশন। সবাইকে সেটা কর্তে হবে কেন?

    বরঙ্গ যারা ইকোনোমিক্যলি লেখালেখির উপর ডিপেন্ড্যান্ট নন তারা অন্য ধারা গুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে। তাতে ক্ষতি কী।
  • arin | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:৪৮434685
  • প্রবাসে বাঙালির কথা প্রসঙ্গে একটা গল্প মনে পড়ে গেলো।

    প্রায় বছর ১২ আগের কথা। তখন ক্রাস্টচার্চে থাকতাম, তো একবার Hanmer Springs নামে একটি ভারী সুন্দর পাহাড় ঘেরা জায়গা, গরম জলের কুন্ড আছে, সেখানে গেছি, উইকেন্ড থাকার ইচ্ছে। তা যেখানে গরম জলের কুন্ডগুলো, সেই কমপ্লেক্সএর বাইরে একটা কাফে, আমরা হট স্প্রিঙে সময় কাটিয়ে চান টান করে কফি খাবো বলে ঢুকেছি। কাউন্টারে নানারকমের খাবার রাখা, সাধারণত বহু জায়গায় টুরিস্ট স্পট গুলোতে যা হয়, যাচ্ছেতাই রকমের দাম, আমাদের কিছুই পছন্দ হচ্ছে না। আমরা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করছি "কি যা তা দাম চাইছে, এখানে জাস্ট খাওয়ার কোনো মানে হয় না, " ইত্যাদি। কাউন্টারের অন্য দিকে দোকানে এক ভদ্রলোক যিনি ওখানে কাজ করেন, তিনি আমাদের লক্ষ্য করছেন, ভদ্রলোককে দেখে চীনা মনে হয়, আমরাও মহানন্দে খাবারের দাম নিয়ে গজগজ করছি। বাংলায় কথা বলছ, আমাদের ধারণা কেই বা আমাদের কথা বুঝবে।
    একটু পরে ভদ্রলোক বাংলায় আমাদের বলেন কি, "সত্যিতো, এখানে কতগুলো খাবারের খুব বেশি দাম, তবে আমাদের স্কোন আর পাই খেয়ে দেখতে পারেন, ভালো লাগবে। "
    আমরা তো তাজ্জব, এ কি রে! পরিষ্কার নিখুঁত বাংলায় কথা বলছে,মানে, কি ব্যাপার?
    বেবাক লজ্জায় পড়ে গেছি, বলাই বাহুল্য।
    ভদ্রলোকের সঙ্গে খানিক্ষন আলাপের পরে বোঝা গেলো, ইনি ট্যাংরা'র বাসিন্দা, বছর দশেক (সেই সময়ের হিসেবে) নিউ জিল্যান্ডে আছেন, বাংলা ভোলেন নি। খুঁটিয়ে কলকাতার কথা জিজ্ঞেস করলেন। বেশ ভাব হয়ে গেলো ভদ্রলোকের সঙ্গে।
  • o | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:৪১434684
  • নীরদবাবু একটা উদাহরণ হল? ঃ-)))
    আর বাংলায় লিখে শীর্ষেন্দুও দিব্যি রোজগার করেন। ফলে লিখে টাকা পেতে গেলে সবাইকে শীর্ষেন্দুর মত লিখতে হবে, এইটা একটা জলজ্যান্ত ডিস্টোপিয়া। :-)
  • অর্জুন | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:৩৬434683
  • @o আপনি প্রবাসী কিনা জানিনা। তবে ঐ লিস্টে আপনার নাম করব ভেবেছিলাম।

    'কিন্তু সেরকম বড়মাপের সিরিয়াস কাজ হচ্ছে না। ' স্বাভাবিক কারণ বাংলা ভাষাচর্চা বহাল রাখা এখানে বেশী জরুরী এবং এরা প্রফেশনলি লেখেন না। আরেকটা কারণও হতে পারে। এরা স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় যে বাংলা ভাষায় যে সাহিত্য চর্চা হত, সেটার সঙ্গে অনেক বেশী পরিচিত। এখনকার সঙ্গে নয় এবং একদমই ঠিক, 'শুধুমাত্র শখের লেখালিখি দিয়ে কতদূর এগনো সম্ভব তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।'

    তবে নীরদ চৌধুরী আর পাঁচজন প্রবাসীর মতন নন। অক্সফোর্ডে থেকেও উনি বাংলায় লিখে রোজগার করতেন।

  • হ খ গ | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:৩৩434682
  • এই জায়্গা টা একটু সরলীকরণ হয়ে গেছে, উফ বাবা রোদ্দূর রায় উপলক্ষে এই অব্দি ব্যাপারটা আসবে ভাবা যায় না ঃ-)

    সুশোভন বাবু দের, মার্ক্সবাদী হওয়া সত্তএও, মেন অবস্থান ছিল, উনবিংশ শতকের বাঙ্গালি ইংরেজি শিক্ষিত ইন্টেলেকচুয়াল দের উত্থান কে এক ধরণের নবজাগরনের মডেলে দেখা,
    তাতে মূল সমস্যা ছিল এই দৃষ্টিতে ইতিহাস কে দেখতে হলে, কয়েকটা, যেমন ধরুন কলোনিয়াল হিস্টোরিওগ্রাফির স্ট্রাকচারে মেডিয়েভাল কে 'অন্ধকার' ইত্যাদি বলে দেখতে হয়, যেটার কোন অর্থ হয় না, আমাদের দেশে। আর সাধারণ মানুষ ইত্যাদির অংশগ্রহনের কথা কম উল্লেখ হয়। ইত্যাদি। এ নিয়ে বোহুদিনের ক্যাচাল।

    সুমিত বাবু সহ পরবর্তী সময়ের ঐতিহাসিক রা, সেটা কে গুরুত্ত্ব দিলেও অতো গুরুত্ত্ব না দিয়ে সোশাল হিস্টরি র ট্রাডিশন একদিকে, অন্য দিকে রণজিত বাবু রা, কৃষক আন্দোলনের কথা ইত্যাদি বলেন, এবং বিশেষ করে যেটা নিয়ে ক্যাচাল বেড়ে যায়, সেটা হল, শ্রেনী ক্যাটিগোরি টাকে অত গুরুত্ত্ব দিতে অপারগ হন। মূলতঃ কলোনীর ইতিহাস চর্চা কে, ইউরোপের ইতিহাস চর্চার থেকে আলাদা করার জন্য।
    এর মধ্যে কয়েকটা আরো ইন্টারেস্টিং বিষয় ঘটে গেছে। সেটা হলো সোশাল হিস্টরি র ট্র‌্যাডিশন এ নানা রকম সোর্স এর ব্যবহারের ব্যাপকতা বেড়েছে। কালচারাল হিস্টরি তে, ব্যাপক পরিমাণে আর্কাইভের বাইরের সোর্স দেখা আরম্ভ হয়েছে, আবার খুব স্পেসিফিক ডকুমেন্টেশন দেখা আরম্ভ করেছেন আনালিস্ট রা। ধরুন একটা বিশেষ অঞ্চলের এগ্রিকালচরাল প্রাকটিস আর চার্চের রেকর্ড, ইত্যাদি। মার্ক ব্লখ এসব করছেন। আর ব্রদেল করছেন ট্রেড নিয়ে কাজ, এভিডেন্স এর নেচার একদিকে ব্যাপক করছেন, কিন্তু অন্য দিকে জেনেরাল কনক্লুশন টানা থেকে বিরত থাকার একটা প্রচেষ্টা করছেন।
    আবার অন্য দিকে যেটা হচ্ছে, হিস্টরি অফ আইডিয়াজ সেটা শুধুই প্রচন্ড বড় আইডিয়ার চর্চায় আবদ্ধ থাকছেনা, নানা রকম সময় কে ধরার জন্যো আরো স্পেসিফিক হোচ্ছে।
    এখন নর্মালি ভালো ইতিহাস চর্চা বোলতে, লোকে দার্শনিক অবস্থান টা কে নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামায় না, মানে লেখার ধরণের সেরকম দাবী না থাকলে। ধরুন অশীন দাশগুপ্তের মেরিটাইম ট্রেড এর কাজ, বা সন্জয় সুব্রন্যম এর বিভিন্ন ভাশার সোর্স দেখা কাজ, বা ধরুন, মুশিরুল হাসান এর অবধী ইনটেলেকচুয়াল দের নিয়ে কাজ, মূলত সাবজেক্ট এ র মধ্যেই মনোনিবেশ করে প্রচন্ড শ্রদ্ধা পেয়েছে।

    ন্যাশনালিস্ট হিস্টরিয়ান দের গুরুত্তঅ, এখন শরদিন্দু র লেখা আর আর এস এস এর মাথা ছাড়া বিশেষ কোথাও নেই। আরেকটা খুব ইম্পর্টান্ট শিফ্ট হয়েছে। হিন্দুত্তঅ বাদী, বা লীগ পন্থী দের একাংশ সআধীনতা পর্যন্ত তো বটেই, তার পরেও অনেক দিন মূলতঃ মেডিয়েভাল নিয়ে কনটেস্ট করেছে। এখন যেটা হয়েছে, এখন কিন্তু কলোনিয়াল পিরিয়ড শুধু না, সেকুলার দের সঙ্গে আর এস এস ওয়ালা দের মেন কন্টেস্ট এর জায়্গা হয়ে উহ্তেছে কলোনিয়াল পিরিয়ড এমনকি তার পরের স্টেট ফরমেশন এর পিরিয়ড, তাতে এই ভাটে কত এনগেজ করবা ভাইবা করো।

    এবার একটা জিনিস ক্লিয়ার করা, অর্জুনের এখন অব্দি লিখিত বক্তব্যে ইতিহাস সংক্রান্ত ধারণা টা মূলতঃ একেক জন সাংস্কৃতিক হিরো কে ধরে, কারন যা বুজেছি, ওর আগ্রহ পার্সোনালিটি বা বায়োগ্রাফি তে, অনেক মানুষের সেরকম আগ্রহ এখনো আছে, এটা অসাবধান হোলে, ভালো রাজা বনাম খারাপ রাজা য় পর্যবসিত হয়, সে সাবধানতার দেয় সোবাই নেয় না, কি আর করা যাবে। এরকম ভাবে সিরিয়াস ইতিহাস চর্চা বিশেষ কেউ করে না, কিন্তু বিষয় টা মোটামুটি এই, যে এই ঘটনার সংগে দআরকানাথ, রবীন্দ্র নার্থ, এমন কি রোদ্দূর রায় এর কোনো সম্পর্কে নেই। মেয়েরা ফুত্তি করে অবসিনিটি করতে পারবে কিনা এই হোলো বিষয়। তো এতে ঠিক যারা ফুত্তি করছে, তারা ছাড়া আর কেউ যে আদৌ ভাবছে, কারণ তারা মেয়ে, সুতোরাঙ্গ এই গোটা আলোচনাটাই একটা কনজারভেটিভ সমাজের ফ্রেমে হোচ্ছে। সেটার থেকে বাইরে আসার যা চেষ্টা সেগুলো ব্যক্তিগোতো মাত্র।

    এই বিষয়ে অর্জুনের কোন বক্তব্যের বিশেষ কোন গুরুত্ত্ব নেই, খুব সআভাবিক ভাবেই শিল্প সম্পর্কে জেনেই শিল্পের ফর্ম নিয়ে এটা ওটা করা যায়, সেটা নিয়েও বিশেষ লড়াই থাকার কথা না। সেটা অর্জুনের সঙ্গে একমত হোতে অসুবিধে নেই। বাকি এন্টায়ার বক্তব্য ইজ ভাট।
    এই বিষয় টা কনভ্নিয়েন্ট দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ এর গান বা অন্য কাজ নিয়ে তার ব্যবহার নিয়ে কতগুলো চর্বিত চর্বন করা হয়েছে। এ বিষয়ে ন্যাড়া মোটামুটি একেবারেই অবজেকটিভ বক্তব্য রেখেছে। কিন্তু তার সঙ্গেও ইতিহাস চর্চার দর্শন ইত্যাদির কোন সম্পর্ক নেই। কেউ দাবীও করে নি। ইতিহাস দর্শনালোচনা অর্জুনের বক্তব্য কেই অযথ গ্লোরিফাই করবে। হ খ গ
  • dc | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:২৯434681
  • বেশ, তাহলে বিশীর রবীন্দ্রসঙ্গিতও দেখে নিন। গ্রাম ছাড়া ঐ রাঙা মাটির পথঃ

  • একক | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:২৮434680
  • গার্গির নাচগান প্রায় বছর পাঁচেক হোল দেকচি। ইনি নিউইওর্কে এক্টি নাচের স্কুল চালান ও নিজে কথকে ট্রেনিঙ্গ প্রাপ্ত।

    এছাড়াও থিওরাইজেসনের আকন্ঠ স্প্রিহা থেকে বোলি, ইন্ডোর ফার্নিচার ডান্স জনরায় ইনি পথিক্রিত। তাহলে কি ফার্নিচারেরা নাচে?

    নাহ, ইন্ডোর সেটাপে কিভাবে টেবিল চেয়ারের কোন বাঁচিয়ে, ফুল্দানি জলের গেলাস না উল্টে ফাঁকে ফাঁকে নেচে ফির্বেন সেটাই গার্গি ভিডিওর শিক্ষনীয় পার্ট।
  • T | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:১৯434679
  • হ্যা হ্যা হ্যা, একক এসবের খোঁজ পায় কোত্থেকে।
  • o | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:১৬434678
  • ভাটে অপোসমস্কিতি হচ্চে! ঃ-)))
  • অর্জুন | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:১৫434677
  • @ন্যাড়া বাবু, ঈশান-দা'র কথা জানি। তবে পরবাস বড্ড অ্যাকাডেমিক মার্কা হয়ে গেছে।

    @এলেবেলে, যিনি (আপনি) গান্ধী বিষয়ক লেখার জন্যে ৮০ টা বই কেনে্ন, তিনি whataboutery করছেন, এটা বোধহয় ঠিক মানা যায়না আপনি একটা কাউন্টার আর্গুমেন্ট তৈরি করতে চান। কাউন্টার আর্গুমেন্ট কি whataboutery ? আপনার দিলীপকুমার বিশ্বাসের মত গবেষককেও পছন্দ নয়।

    রণজিৎ গুহ, সুমিত সরকারের স্টাইলটিরও কাউন্টারফিট আর্গুমেন্ট হচ্ছে। প্রাচীন ভারত নিয়ে উপিন্দর সিংয়ের লেখায় পাবেন। নয়নজোৎ লাহিড়ীর লেখাতেও। মার্ক্সবাদীরা সারাক্ষণ শ্রেণী সংগ্রাম করে হেজিয়ে মরেছে।

  • S | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:১১434676
  • এককবাবু, আপনার দেওয়া ভিডিওটা দেখে কেমন যেন শরীর খারাপ করছে।
  • o | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:০৭434675
  • প্রবাসীদের বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতি চর্চার সমস্ত উদ্যোগ দারুণ ভাল লাগে। গুরুচন্ডালি, পরবাস ইত্যাদি সবই খুব ভাল উদ্যোগ। অনেক অন্যরকম লেখাও বেরোচ্ছে। কিন্তু সেরকম বড়মাপের সিরিয়াস কাজ হচ্ছে না। তার একটা কারণ মনে হয়, যে লেখকদের মূল জীবিকা লেখালিখি নয়, তাঁদের পক্ষে অতটা সময়, পরিশ্রম ইত্যাদি দেওয়া চাপ। আর যাদের লিখে পেট চালাতে হয়, তাঁদের ঝুঁকি নেওয়ার খুব একটা উপায় নেই। ফলে ধরুন উপন্যাস, তেমন ভাল উপন্যাস বাংলায় লেখা হচ্ছে না। পৃথিবীতে বিখ্যাত লেখকরা এখন উপন্যাস লেখার দিকেই বেশি মন দেন। বিভিন্ন ভাষায় চমৎকার নতুন নতুন উপন্যাস লেখা হচ্ছে। নানারকম ফর্ম ও কন্টেন্ট নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। বাংলায় সেসব হচ্ছে না। কী করলে হবে তাও জানি না। লিখে লেখকরা সংসার চালাতে পারবেন এরকম একটা অবস্থা তৈরী না হলে খুব মুশকিল, শুধুমাত্র শখের লেখালিখি দিয়ে কতদূর এগনো সম্ভব তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।
  • একক | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:০৭434674
  • গারগির হানি বানি জগতে স্বাগত :

  • S | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:০৪434673
  • ১০০ কিমি। ছ্যা। আমার নিকটতম দুগ্গা পুজোটি হয় ৫০০ মাইল দূরে। কম্পিটিশানে অনেক এগিয়ে আছি।
  • একক | ১০ মার্চ ২০২০ ১৩:০১434672
  • আপনারা গার্গির নাচ দেখুন। পিওর ব্লিস। বিসেস করে পেখ্ম লাগিয়ে নাচ টা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত