এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৭:২৪440228
  • হ্যাঁ পিএম কেয়ারস দেখেশুনে স্ক্যাম বলেই মনে হচ্ছে। ওতে টাকা দেবার প্রশ্নই নেই।

    কিন্তু বোধি জানতে চাইছ কে কোথায় কত দিয়েছে? মানে সত্যি? নাকি ভুল পড়লাম? কেনই বা লোকজনকে জানাবে কে কোথয় কত দিয়েছে?
    এ ক্ষি আবদার!
  • Sarbani | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৭:২২440227
  • সাকেত গোখলে পি এম কেয়ারস ফান্ড নিয়ে আর টি আই ফাইল করেছে। ওর ট্যুইট থেকেঃ
    "১) আশ্চর্যজনক ভাবে গত বছরের পুলওয়ামা অ্যাটাক পরবর্তী "ভারত কে বীর" ফান্ডের সঙ্গে এই নতুন পি এম কেয়ারস ফান্ডের সাদৃশ্য পাওয়া যাচ্ছে। আগের ফান্ডটির কার্যকলাপে কোনো ট্রান্সপারেন্সি ছিলনা, কী কীভাবে খরচ হয়েছে। অক্ষয়কুমার ফান্ডটি শুরু করেছিল পরে মিনিস্ট্রি অফ হোম অ্যাফেয়ারস সেটি অধিগ্রহণ করে। বলা হয় বিশিষ্টজনেরা ফান্ডটির খরচখরচা স্থির করে, কিন্তু সে জনেরা কারা তার ব্যাপারে সবাই নীরব।
    ২) একই ভাবে এই পি এম কেয়ারস ফান্ডটির শুরুতেও সেই ট্রান্সপারেন্সির অভাব দেখা যাচ্ছে। ট্রাস্টিদের নাম নেই, শুধু বলা আছে হোম ফাইনান্স ও ডিফেন্স মিনিস্টার ট্রাস্টিদের অন্যতম, বাকীদের কোনো উল্লেখ নেই। এ ব্যাপারে বিশদ জানিয়ে কোনো সরকারী গেজেট নোটিফিকেশন বের হয়নি।
    ৩) আমি এ ব্যাপারে বিশদ জানতে চেয়ে একটি আর টি আই ফাইল করেছি।
    এছাড়া, পি এম এন আর এফ, পি এম ন্যাশনাল রিলিফ ফান্ডে ৩৮০০ কোটি টাকা রয়েছে ২০১৯ এর হিসেব অনুযায়ী। সেই ফান্ডে টাকা নেওয়া হচ্ছে না কেন? আলাদা করে এই নতুন ফান্ডের কেন দরকার পড়ল?"
  • | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৭:১৯440225
  • ইউপিতে ব্লিচ জলে মিশিয়ে ডাইলিউট করে গায়ে ঢালছে!!? ঐ বাচ্চাগুলোর চামড়ায় স্বাস্থ্যে এর কী প্রভাব পড়বে ভাবতেও আতঙ্ক লাগছে!
    ডিহিউম্যানাইজ করতে করতে এতদূর চলে গেছে ...
  • hokhogo | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৭:১৮440224
  • গোবু, দুজন তিনজন কে জিজ্ঞেস করেছি, দেখি কি উত্তর আসে। এ মানে বিশ্বাস নেই।
  • দেব | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৭:০৪440223
  • গল্প হলেও সত্যি তে বৃদ্ধ মানুষটি সম্ভবত যোগেশ চ্যাটার্জি।
    বড় ছেলে প্রসাদ মুখার্জি। যিনি ভূতের রাজা হয়েছিলেন ।
  • গবু | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৭:০১440222
  • টেক জনতার প্রতি চাহিদা - কাগজের নোট যেমন করোনা ভাইরাস সম্পৃক্ত হতে পারে, সেই রকম কিছু কল করুন অনলাইনের ব্যাপারটাতে - কিছু বেশি পরিমান ডোনেট করা যাবে করোনা লাগিয়ে।

    এই হিরোগিরি নেয়াটা অতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে আর কি!
  • গবু | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৬:৫৮440220
  • https://pib.gov.in/PressReleseDetailm.aspx?PRID=1608851

    Distress situations, whether natural or otherwise, demand expeditious and collective action for alleviating the suffering of those affected, mitigation/control of damage to infrastructure and capacities etc. Therefore, building capacities for quick emergency response and effective community resilience has to be done in tandem with infrastructure and institutional capacity reconstruction/enhancement. Use of new technology and advance research findings also become an inseparable element of such concerted action.

    Keeping in mind the need for having a dedicated national fund with the primary objective of dealing with any kind of emergency or distress situation, like posed by the COVID-19 pandemic, and to provide relief to the affected, a public charitable trust under the name of ‘Prime Minister’s Citizen Assistance and Relief in Emergency Situations Fund’ (PM CARES Fund)’ has been set up. Prime Minister is the Chairman of this trust and its Members include Defence Minister, Home Minister and Finance Minister.

    PM Narendra Modi has always believed and shown in actions that public participation is the most effective way to mitigate any issue and this is yet another example. This fund will enable micro-donations as a result of which a large number of people will be able to contribute with smallest of denominations.

    Citizens and organisations can go to the website pmindia.gov.in and donate to PM CARES Fund

    Prime minister's National Relief fund:

    • Prime Minister's National Relief Fund (PMNRF) was established entirely with public contributions and does not get any budgetary support.
    • PMNRF accepts voluntary contributions from Individuals, Organizations, Trusts, Companies and Institutions etc.
    • All contributions towards PMNRF are exempt from Income Tax under section 80(G).
    • The resources of the PMNRF are utilized to render immediate relief to families of those killed in natural calamities like floods, cyclones and earthquakes, etc.
    • Assists partially to defray the expenses for medical treatment like heart surgery, kidney transplantation, cancer treatment of needy people and acid attack etc.
    • Donations are accepted through BHIM/UPI (VPA: pmnrf@ centralbank), Credit Cards / Debit Cards / Netbanking Accounts of Indian Banks only.
    • The PAN number of PMNRF is XXXXXX637Q

    উদ্দেশ্যগত তফাৎ আছে। তাই আলাদা বানানো হয়েছে - অন্তত ওপর ওপর। কারণ করোনা পান্ডেমিক বটে - কিন্তু জাতীয় দুর্দশা বোধ হয় আলাদা ভাবে ডিক্লেয়ার করতে হয়। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসের লোকেরা বলতে পারবেন।

  • হখগ | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৬:৫৮440219
  • সর্বানী, কেরালা টা তুমি দেখো, ,
  • hogokhe | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৬:৫০440218
  • গৰু, আই আম এগ্রি :-))))))))

    -- ৮০ জি ছাড় ট্র্যাডিশনাল যেটা সেটা তেওঁ আছে।
    --সি এস আর টাই মেন্ কেস মনে হচ্ছে
    --অথবা হতে পারে এটার ইউজ কোনো একটা জে পি সি র কাছে বা সি এ জি র কাছে একাউন্টেবল, যেটা নতুন তার না। বা হয়তো পুরোনো যায় রাজ্যের মাধ্যমে খরচ হবে, তাই ক্রেডিট নিতে গেলে পি এম কেয়ার ফান্ড টা লাগবে।

    কলস ফর ফ্যাক্ট চেকিং। একটু দেখবে?
  • সাবধানি | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৬:৩৫440217
  • পিএম কেয়র = পিএমের প্রতি কেয়র নও গো জনতা, ওকে কিচু টাকাপৈসা দাও। বুজেশুনে পৈসা দেবেন।
  • গবু | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৬:২৩440216
  • থুক্কু - তিন নম্বর ভুল বলিচি - মানে আজকের নিরিখে। কাল অবধি কিছু ছিলোনা - তবে আজ দেখছি ৮০জির ছাড়ের কথা বলা হয়েছে।
  • Sarbani | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৬:০৫440214
  • বোধি,
    কোন টই? আমি কেরালার কথা একটু ডিটেল লিখে দিতে পারি, পরে, ভালো করে জেনে। পিনারাই রোজ সন্ধ্যেয় একটা প্রেস কন করেন তাতেই মোটামুটি সব জানা যায় বলে আমরা রোজ ওটা শুনি। পরশু দিন উনি নির্দেশ দিয়েছিলেন যে গেস্ট ওয়ার্কার (মাইগ্রান্ট) দের থাকার ও খাওয়ার জন্য ক্যাম্প খুলতে ও তাদের বুঝিয়ে সেসব ক্যাম্পে আনার দায়িত্ব ও ক্যাম্পের দায়িত্ব হিন্দি বাংলা ও ওড়িয়া জানা লোক রাখতে।
    আজ উনি টুইটারে জানিয়েছেন যে রাজ্য জুড়ে কমিউনিটি কিচেন খোলা হয়েছে গেস্ট ওয়ার্কার দের জন্যে, কুকড মিল পাওয়া যাবে, যারা নিজে রান্না করতে চায় তাদের প্রভিসন দেওয়া হচ্ছে, কিন্ত কাউকে বাড়ি যেতে দেওয়া হবে না।
  • hkg | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৬:০০440213
  • হ্যা পি এম কেয়ার ফান্ড আর পি এম রিলিফ ফান্ডের কি পার্থক্য।
  • Sarbani | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৫:৪৯440211
  • পি এমের রিলিফ ফান্ড থাকা সত্বেও এবার খোলা হল বিশেষ পিএম কেয়ারস রিলিফ ফান্ড যা নিয়ে লোকজনের মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধছে এবং অনেকেই বলছে এতে টাকা না দিয়ে রাজ্যের রিলিফ ফান্ডে সাহায্য দিতে।
    এতদিনে আমাদের এখানে সরকারী প্রশাসন এসে বন্দোবস্ত নিয়ে খোঁজ নিতে শুরু করেছে। তবে কম্পানি থেকে অনেক আগেই যা করবার করছে। মজার কথা হল আজ জানা গেছে যে লেবার যত আশেপাশে আছে তাদেরকে চাল ডাল ইত্যাদির প্যাকেট কিনে কম্পানিকে দিতে হবে, সরকারের নামে!
    কথা হল সে সরকারী কম্পানি দিতেই পারে, কেন্দ্রীয় সরকারের হয়ে, কিন্ত হিসেবে এটা ধরা হবে তো!

    নয়ডায় আমার দুই কাজের লোক, ইস্ত্রিওয়ালা ও সাফাইওয়ালাকে ফোনে যোগাযোগ করলাম বহু কষ্টে। সাফাইওয়ালা সোসাইটির, তাকে কাজে আসতে হচ্ছে, সে ফোন ধরল। সোসাইটির হোয়া গ্রুপে এরা যারা এখনো কাজে আসছে তাদের জন্য ফান্ড জমা হচ্ছে, এদিকে শুনলাম ওদের মাইনেটাও অগ্রিম দেয়নি, তার ফলে রেশন কিনে রাখতে পারেনি। কাজের মেয়েদুটো ফোনে পয়সা ভরেনি, এদিক ওদিক করে যোগাযোগ করলাম। আমার ভয় ছিল ওরাও না গ্রামের পথে হাঁটা মারে।
    শুনলাম কাজে যাচ্ছেনা কিন্ত কোনো বাড়িতেই মাইনে দেয়নি সব এক তারিখে যেতে বলেছে!
    একটা ভালো সবারই ব্যাঙ্ক একাউন্ট আছে। টাকা পাঠানো গেল।
    রিলিফ ফান্ডে দিলে দিক কিন্ত এই আশেপাশে যাদের দরকার তাদের সরাসরি যদি লোকে দিত বেশী ভালো হত।
    কিন্ত অনেকেই তো বিশেষ করে এই দিল্লি নয়ডায় আসলে দেবে মোদীজীকে, গরীবদের হাতে পৌঁছল কিনা তা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই!
  • অর্জুন | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৫:৪৫440210
  • আমার গুগল ক্রোম থেকে 'মতামত' ক্লিক করলে খুলছেনা। অন্য ব্রাউজর ব্যবহার করতে হচ্ছে।

  • অর্জুন | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৫:৩৮440209
  • 'গল্প হলেও সত্যি' সিনেমায় বুড়ো ভদ্রলোক ও তাঁর বড় ছেলের ভুমিকায় যে দুজন অভিনয় করেছিলেন তাদের নাম কেউ বলতে পারেন। বাংলা সিনেমায় পার্শ্বচরিত্রে পরিচিত মুখ। এঁদের নাম জানিনা।

    @T, যে ছবিটা দিলেন সেটায় কি মহিলা করোনা ভাইরাস ছেড়ে তারপর ঝাঁপিয়ে পড়ে সুইসাইড করছেন?

  • honukhonugonu | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৫:২৭440208
  • সর্বাণী, পার্সোনালি কে কি কন্ট্রিবিউট করতে পারছেন তার জন্য একটা টি করেছি, তাতে এটা দেব, এই কেরালার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ডিস্ট্রিবিউশন সত্ত্বেও, কমিউইনিটির জন্য নেওয়া অয়াকশন হিসেবে?
  • Sarbani | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৫:২১440207
  • কেরালায় প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি, রেশনের প্যাকেট পৌঁছে দিচ্ছে, পনের কেজি চাল, পাঁচ কেজি ডাল ইত্যাদি। আমাদের বাড়িতেও দিতে এসেছিল। শ্বশুর মশাই জানালেন উনি নেননি। ওরা ঠিক করেছেন যাদের আছে বা যারা কিনতে পারছেন তারা ওদের ভাগেরটা যাদের বেশী দরকার তাদের দিতে বলছেন।
    এছাড়া ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে হেল্পলাইন আছে এবং লোকে বিশেষত বয়স্কদের এসে খোঁজ নিয়ে যাচ্ছে, বলে যাচ্ছে তারা যেন না বেরোয়।

    কলকাতায় আমাদের বাড়িতে দুজন বয়স্ক। চাল তেল আছে কিন্ত অত্যাবশক অনেক জিনিসই দোকানে বলছে নেই। সবজির দাম ভয়ানক বেড়ে গেছে। আমি ‌অনলাইন চেষ্টা করলাম, সবার প্রচুর নাকি ব্যাকলগ, পারলাম না। ওষুধের দোকানে ডেলিভারি দেবেনা বলে দিয়েছে কারণ লোক সব বাড়ি চলে গেছে, বেশীরভাগ দোকানেই কর্মচারী নেই।
  • Sarbani | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৫:০৯440206
  • উত্তরপ্রদেশের রাস্তায় মাইগ্রান্ট শ্রমিকের দল যারা হেঁটে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছে তাদের ওপর স্যানিটাইজার স্প্রে করল সরকার। মারধোর, উঠবোস সব পেরিয়ে এখন এই!
    গ্রামে যারা ফিরতে পারছে তাদের ভেতরে যেতে দেওয়া হচ্ছেনা চোদ্দ দিন। হয়ত ব্যবস্থাটা খারাপ না কিন্ত বিহার ও উত্তরপ্রদেশ বলেই চিন্তা। হয়ত পুলিশ বা প্রশাসন গ্রামে ঢুকতে দেওয়ার বিনিময়ে এদের সব সম্বল নিয়ে নেবে!
    সরকারী সাহায্য কতটা এদের হাতে যাবে তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।
  • lcm | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৪:০১440205
  • থ্যাঙ্কু টি,
    ওই jsapi এরর, ওটাই - 'মতামত দিন' বাটন ক্লিক করলে গুগল জাভাস্ক্রিপ্ট ওই পার্টটায় এরর দিচ্ছে। দেখতে হবে।
  • lcm | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৩:৫৪440204
  • এলেবেলে,
    শুধু ভাটিয়ালি নয়, টইপত্তর-এও করোনা বিষয়টি নিয়ে অনেক লেখা আছে, এখনও আসছে -- কিছু লেখা গভীর বিশ্লেষণধর্মী - তথ্যবহুল -- তাতে চিকিৎসা বিজ্ঞান আছে, তথ্য বিশ্লেষণ (তথ্যপ্রযুক্তি) আছে, রোগের ইতিহাস আছে -- কিছু লেখায় বিভিন্ন দেশের সরকারের সিদ্ধান্ত ও তার বিশ্লেষণ আছে - আছে ঘটনা পরম্পরা, বিবরণী, কাহিনি, নির্দেশাবলী -- এসব আছে -, অফ কোর্স, ভারত সংক্রান্ত লেখায় বেশি, কিন্তু যেহেতু ব্যাপারটি আন্তর্জাতিক তাই অন্য্ দেশের কথাও আসছে।
    ভাটিয়ালিতেও নানারকম পোস্ট হচ্ছে - কন্সপিরেসি থিওরি থেকে চিকিৎসায় সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার মডেল।

    তো এসব দেখে মনে হতে পারে - যে এই মুহূর্তে এছাড়া যেন আর আলোচনার কিছু নেই। কিন্তু, দেখুন এটা হবেই। কিছুদিন আগে এনআরসি/সিএএ ইত্যাদি নিয়ে লেখালেখি হচ্ছিল, এখন কোরোনা ভাইরাস নিয়ে। যারা এখানে পাঠক বা লেখক - তারা যা ভাবছেন সেগুলোর প্রতিফলন হবেই। তার মানে এই নয় যে আপনার কিছু তেমন পছন্দ না হলে, আপনি তা বলবেন না, অবশ্যই বলবে, সেটিও লিখবেন।
  • hkg | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৩:৫৪440203
  • আচ্ছা এই যে দুটো প্রব এর কথা বলছে, মলিকিউলার আর আনটি-বডি ভিত্তিক এটা নিয়ে একটা দু পয়হা পাবা যাবে?
  • PT | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৩:৪৬440202
  • sm
    অনেকদিন আগে আপনার সঙ্গে "ভারতীয়" ওষুধ নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল।
    এ নিয়ে আবার ভাবার সময় এসেছে। HIV থেকে covid-19 এই প্রায় দীর্ঘ ৪০ বছরে antiviral research-এ ভারতের অবদান শুন্য। আমি অনেক science manager কে ট্যাপ করেছি গত কয়েক দিনে। তাঁরা হয় নিশ্চুপ নয় এড়িয়ে গিয়েছেন। আমরা আবার সেই পশ্চিমা বিশ্ব নাহলে চীন-্জাপানের দিকে তাকিয়ে বসে আছি।
    আর Department of Science & Technology হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে ৩০ শে এপ্রিলের মধ্যে করোনার ওপরে research proposal জমা দেওয়ার নোটিশ লাগিয়েছে। অর্থাৎ কিনা যা নিয়ে এমনকি ২০০৭-এও পেপার ছাপা হয়ে গিয়েছে আমরা সেটা নিয়ে এখন কাজ শুরু করব!!
  • T | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৩:৪৫440201
  • এই যে,
  • T | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৩:৪১440200
  • হ্যাঁ। প্রথমটাই।
  • hkg | ৩০ মার্চ ২০২০ ১৩:৩৯440199
  • *** চার টি ক্যাটাগোরি te
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত