এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৫৭442522
  • @আরে, করোনায় উন্নত আর অনুন্নত দেশ গুলো কে এক ঘাটে এনে ফেলেছে।একথা সত্যি ইন্ডিয়ার মতো লোক কে পায়ে হেঁটে যেতে হচ্ছে না বা খাবার এর জন্য লাইন দিতে হচ্ছে না।

    কিন্তু উন্নত দেশেও প্রচুর ছাঁটাই এর ভয়।প্রচুর মৃত্যু ভয়। বহু বয়স্ক লোক টিভি তে এই ভয়াবহতার সম্প্রচার দেখে হাসপাতাল মুখোই হবে না।রোগ ভোগ পুষে রাখবেন।মেন্টাল ট্রমার শিকার হবেন।

    আমাদের দেশে তাও দু চারজন পরিবারের সদস্যের মুখ দেখতে পাবেন;ওসব দেশে তো একা একা সব কিছু হজম করতে হবে।

    এ হলো ভগার আঘাত। চাপের জিনিষ!

  • sm | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৪৭442521
  • আমি বহুদিন ধরে প্রশ্ন টা করে যাচ্ছি,সত্যি সত্যি পরিসংখ্যান জানতে চাই।

    প্রথমে ডিসি,তাপ্র aka এবং বড় এস এর পোস্টের উত্তর দিচ্ছি।

    ডিসি,হেলথ রিসোর্স লিমিটেড থাকলে,জনগন কে বলতেই হবে, এই পর্যন্ত দিতে পারবো ব্যাস।এ নিয়ে প্রচুর সেমিনার হয়েছে।আপনার কাছে দশ টি এন্টি রেবিস ভ্যাকসিন থাকলে দশ জন কেই দিতে পারবেন। বিশ জনকে নয়।বা, হাফ ডোজে বিশ জন কে নয়। মরালিটি ও বাস্তবতা একজিনিষ নয়। ইওরোপে কমন প্র্যাকটিস রেগুলার বেসিসে জিপি রা বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা দের মধ্যে যাদের খুব বেশি মাল্টিপল ডিজিজ থাকে,তাদের নট ফর রেসাসিটেশন এর ফরম ফিল আপ করানো হয়।অধিকাংশ জনতা সম্মতি দেন।কোন ফো এর ব্যাপার ই নেই।বুঝিয়ে বলা টাই যথেষ্ঠ।

    একই সম্মতি নেওয়া হয়, ভেন্টিলেশনে বা আই সি ইউ এডমিশনের জন্য।বহু লোক সম্মতি দেন, আপ টু এন আই ভি।ব্যাস।সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায়।

    পেছনে যুক্তি কি,পরে বিষদে আলোচনা করা যাবে।

    অন্য দিকে পরিসংখ্যান খুব ইম্পর্ট্যান্ট। লক ডাউন এর অভিঘাত কতো?নিশ্চয় সব দেশে সমান নয়। কতো সময়ের জন্য, সেটাও খুব জরুরী।

    লক ডাউন হেতু,যে, অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে,তাতে কতোজন দীর্ঘমেয়া মারা পড়বেন।সেটাও ক্যালকুলেশন করে রাখতে হবে।

    করোনার চিকিৎসার দুটো পার্ট।এক হলো সিম্পটম্যাটিক চিকিৎসা ও এন্টিভাইরাল ড্রাগ।যেটি যেকোন ছোট হাসপাতালে দেওয়া যায়।

    যখন এ আর ডি এস ডেভেলপ করবে,তখন ই বড় হাসপাতাল ও আই সি ইউ বেড o ভেন্টিলেটর এর দরকার পড়বে।একটু বুদ্ধি করে, হড়বড় না করে চিকিৎসা করলে সামাল দেওয়া বিরাট কঠিন নয়।

    সারাক্ষণ টিভিতে যদি দেখায় হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগী ঢুকছে,বেরোচ্ছে,হু হু করে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে,পাঁচ বছরের শিশু মারা গেলো বা ত্রিশ বছরের তরুণ,;তাহলে কিন্তু জনগণ বিরাট ভয় পেয়ে যাবে।আতঙ্ক গ্রস্ত হবে।

    আমি যদি উল্টো করে বলি ত্রিশ বছরের নিচে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা 50 হাজার আর ফ্যাটালিটি খুব কম,মাত্র ০.০০৫শতাংশ,তাহলে আমজনতা মনে ব পাবে।স্ট্যাটিসটিক্স হলো ভয়ানক অস্ত্র,বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করা যায়।

  • dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৪৫442520
  • :d
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৩৯442519
  • গুরু মারা বিদ্যা।
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৩৫442517
  • * নিউ ইয়র্ক শহরে 1 লাখ 30 হাজার লোক কনফার্মড. 50-80 দিয়ে গুন্ করলে সেটা নিউ ইয়র্কের পপুলেশানের বেশি হযে যাবে| তাই ওই রেট ওখানে চলবে না |
  • dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:২৫442516
  • S এর সাথে একমত, এটাই লিখতে যাচ্ছিলাম। আতংক বা আশংকা যাই হোক, তার মূল কারন হলো রোগটা খুব ছোঁয়াচে, তার ওপর অয়াসিম্পটোম্যাটিক ট্রান্সমিশান হয়, এদিকে ভ্যাকসিন নেই। আর মৃত্যুর সংখ্যাও খুব হেলাফেলা করার মতো না, সে শতাংশ যাই হোক না কেন।

    "ইন্ডিয়ায় তেমন চাপ দেওয়ার মত বিরোধীও তো নেই"

    অসম্ভব সত্যি কথা। বিরোধীরা একেবারে উবে গেছে, কংগ্রেসের তো নাম অবধি শোনা যাচ্ছেনা। সরকারকে চাপে ফেলে যে খাবারদাবারের ব্যবস্থা করাবে, তার ধার দিয়েও যাচ্ছে না। ভারতের সবচেয়ে বড়ো ট্র‌্যাজেডি হলো বিরোধীশূণ্য হয়ে গেছে।
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:২৫442515
  • "স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির রান্ডম স্যাম্পেল রেসাল্ট বেরিয়েছে | 2.49% and 4.16% পপুলেশনে এন্টিবডি উপস্থিত |

    যা অনুযায়ী সান্টা ক্লারা কাউন্টিতে মোট কেস সংখ্যা হওয়া উচিত ছিল 48000-81000, কিন্তু রিপোর্টেড মাত্র 1000 |

    অর্থাৎ 50-80 টাইমস আন্ডার-রিপোর্টেড |

    করোলারি 1 - আমেরিকার রিপোর্টেড মর্টালিটি রেট 5.2%, কিন্তু প্রকৃত মর্টালিটি রেট 50-80 দিয়ে ভাগ করে 0.১% - 0.১৬% | অর্থাৎ ফ্লু-এর মতো |

    করোলারি 2 - যেসব জায়গায় রিপোর্টেড ইনফেকশন রেট পার ক্যাপিটা বেশ বেশি, যেমন নিউ ইয়র্কে 1.2%, 50-80 দিয়ে গুণ করার পর প্রকৃত ইনফেকশন রেট 60-90%, যা হার্ড ইম্যুনিটির বেশ কাছাকাছি |"
    ---------------------------------------------------------------------------------------------------------------

    নিউ ইয়র্কে 2 লাখ 22 হাজার লোক কনফার্মড. 50-80 দিয়ে গুন্ করলে সেটা নিউ ইয়র্কের পপুলেশানের বেশি হয় |তাই ওই রেট ওখানে চলবে না |
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১৮442514
  • লকডাউনটা করা হয়েছে দুটো কারণে।
    ১) হাসপাতালের লোড কমানোর জন্য।
    ২) ভ্যাকসিন বা ওষুধ তৈরীর জন্য সময় পাওয়া যাচ্ছে।
  • are | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১৮442513
  • এর সংগে এই হিসেবটাও করবেন, এত প্রিকশনের পরে এই দশা, না থাকলে কী কী হতে পারত।

    তবে বাকি অনেক রোগ যেমন এই ঠ্যালায় চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছেনা, ওষুধ ঠিক করে না পাওয়াতেও অনেকে খুব অসুস্থ বা মৃতও হতে পারেন, তেমনি পলিউশন, সিগারেট, মদ, জানক ফুড, রোড আক্সিডেণ্ট, এসব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কত মৃত্যু অসুস্থতা কমানো যাচ্ছে সেটাও ভাববেন। ইন্ডিয়াকে এসব হিসেবে ধরে লাভ নেই। এই লকডাউনের ফলে এত লোক না খেতে পাওয়া, আধপেটা খাওয়া, শখানেক মাইল হাঁটা, এসব আর কোন সভ্য দেশে হয়না।

    ট্রাম্পের মত সরকার ও এতগুলো লোককে এত বেকার ভাতা দিয়ে দিল। নাহয় বার্নির কেরামতিতেই। ইন্ডিয়ায় তেমন চাপ দেওয়ার মত বিরোধীও তো নেই। এই সুযোগে বেকার নথিভুক্ত করা বাড়িয়ে বিপুল পরিমাণ বেকার ভাতাটুকু পিএমকেয়ার ফান্ড থেকে দেবার চাপও তো দেওয়া যেত।

    এমনিতেও অবশ্য ইন্ডিয়ায় অর্ধেক মানুষ পোকামাকড়ের মতই থাকে আর মরে। বস্তিগুলো কি এমনি সময়েই মানুষের থাকা বাঁচার যোগ্য? গ্রামে রোজগারের সুযোগ না কমলে অনেক মানুষের মত জীবন কাটাতেন গ্রামে। গ্রামে ফিরে গেলেন যাঁরা, আর ফিরতে না হলেই ভাল। গ্রামে রোজগারের বন্দোবস্ত বাড়ানোর চাপও কোন দল টল দেয়না।

  • dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১৮442512
  • "মহামারীর সঙ্গে লড়তে গেলে বুদ্ধি দিয়ে লড়তে হবে,হৃদয় এর স্থান কম।"

    এরকম পলিসি ইমপ্লিমেন্ট করা কিন্তু খুব শক্ত। মানে আপনি কোন বেসিসে ডিসাইড করবেন কাকে ভেন্টিলেটর দেবেন আর কাকে দেবেন না? ধরুন আপনি বললে ২০০ টা হাসপাতালে শুধু করোনার চিকিত্সা হবে, কিন্তু দেখা গেল তিনদিনের মধ্যে আপনার বেড ক্যাপাসিটি ছাড়িয়ে গেছে, তার পরেও হুহু করে ক্রিটিকাল রুগী আসছে। তখন কি আপনি বলবেন যে না ভাই, আমি অনু কোন হাসপাতালে করোনার রুগি অয়াডমিট করবো না, ওদের হাতে একটা করে পটোল ধরিয়ে দাও। তাহলে তো পাবলিক আউটক্রাই শুরু হবে!

    এসব প্রশ্নগুলোই কিন্তু ইটালি, স্পেন, ফ্রান্স ইত্যাদি সব দেশের সরকারই ফেস করছে, কিন্তু এখনো অবধি উত্তর পাওয়া যায়নি। তাই বাধ্য হয়ে প্রায় সব দেশই লকডাউনের পথ বেছে নিচ্ছে।
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১৬442511
  • মানুষ থেকে ডাক্তারের আতন্ক তৈরী হয়েছে দুটো কারণেঃ
    ১) ভ্যাকসিন নেই এদিকে প্রচন্ড ছোঁয়াচে। ফলে ডাক্তার থেকে নার্স থেকে রোগীর বাড়ির লোক সবাই এক্সপোজড।
    ২) অ্যান্তাই ভাইরাল নেই। ফলে কারোর কোরোনা হলে, বিশেষ করে ক্রিটিকাল কন্ডিশানে, কি করতে হবে সেই নিয়ে ডাক্তাররা হাতড়াচ্ছে। যেকারণে গোবর থেকে ম্যালেরিয়ার ওষুধ সবই চলে যাচ্ছে।
  • aka | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১৫442510
  • “ মৃতের সংখ্যা যখন গোনাই যাচ্ছে....

    আমি সেটাই জানতে চাই।ফি বছর কতো সংখ্যক মানুষ কি কি রোগে মারা যান?

    কোভিড এখনো এর কতো ভগ্নাশ?কেন এতো আতঙ্কিত লোকজন?

    পজিটিভ পরিসংখ্যান তো,সাধারণ মানুষের মনোবল বাড়াবে। আমি তো অদ্ভুত অদ্ভুত ভয়ংকর সব পরিসংখ্যান আর নিউজ পরিবেশন করতে দেখছি, খালি!”

    এসেম বহুদিন যাবত এইসব প্রশ্ন করছেন কিন্তু প্রেমিসটা কি বুঝতে পারছি না।

    বলতে চাইছেন যে কোভিড আসলে তত ভয়ন্কর কিছু না? মিডিয়া হোক্স?
  • sm | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১২442509
  • মৃতের সংখ্যা যখন গোনাই যাচ্ছে....

    আমি সেটাই জানতে চাই।ফি বছর কতো সংখ্যক মানুষ কি কি রোগে মারা যান?

    কোভিড এখনো এর কতো ভগ্নাশ?কেন এতো আতঙ্কিত লোকজন?

    পজিটিভ পরিসংখ্যান তো,সাধারণ মানুষের মনোবল বাড়াবে। আমি তো অদ্ভুত অদ্ভুত ভয়ংকর সব পরিসংখ্যান আর নিউজ পরিবেশন করতে দেখছি, খালি!

  • S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১১442508
  • ৫০-৮০ টাইমসের হিসাব করা হল সান্টা ক্লারা কাউন্টিতে। সেই সংখ্যাটা ব্যবহার করা হল নিউ ইয়র্কে। দুই জায়্গার পরিস্থিতি দুরকম।

    পপুলেশান ডেনসিটিঃ
    সান্টা ক্লারা কাউন্টি - ৫০০ প্রতি বর্গকিমি
    নিউ ইয়র্ক সিটি - ১০,২০০ প্রতি বর্গকিমি।

    এইবারে এই যুক্তি অনুযায়ী যদি ধরেই নিই যে এই ৫০-৮০ সংখ্যাটা একদম ধ্রুব সত্যি। তাহলে আমেরিকাতে মোট ইনফেক্টেড লোকের সংখ্যা সাড়ে তিন কোটি থেকে ৫ কোটি। মানে প্রতি বছর যত লোকের রেগুলার ফ্লু হয়। তাহলে দুমাসেই, এত লক্ডাউনের পরেও, ফ্লুয়ের সমান ফ্যাটালিটি হল কি করে?

    এগুলো সাধারণ অন্ক। অন্ক নিয়ে রাজনীতি না করলেই ভালো হয়।
  • o | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:০৯442507
  • একটা কথা বলুন। এই যে প্যানিক তৈরি হয়েছে, এটা কী কোন রুগী কতটা ক্রিটিক্যাল এই অ্যাসেসমেন্টকে কোনভাবে অ্যাফেক্ট করছে? মানে যার ইমিডিয়েট দরকার সে হয়ত পরিষেবা পাচ্ছে না এরকম কিছু? এইটে নিয়ে একটু কনফিউজ হয়ে আছি।

  • sm | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:০১442506
  • ডিসি,যেসব দেশ লক ডাউন ইগনোর করেছে,তাদের হেলথ সিস্টেম এর ওপর চাপ খুব বেড়ে গেছে।

    খুব সত্যি কথা।কিন্তু যেভাবে সারা পৃথিবী জুড়ে কোভিড চিকিৎসা হচ্ছে,সেটাই সমালোচনার যোগ্য কিনা ভাবতে হবে।

    ধরাযাক,নিউ ইয়র্কের মোট বড় হাসপাতালের সংখ্যা 500।আমার মতে এটিকে 300 ও 200 অনুপাতে ভাগ করে নেওয়া উচিত।

    200 হাসপাতাল থাকবে খালি করোনার চিকিৎসার জন্য।কারণ সব হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা দিতে গিয়ে,স্বাস্থ্য কর্মীর অযথা শারীরিক ও মানসিক চাপে পড়ছেন।মনে রাখতে হবে হেলথ রিসোর্স পৃথিবীর সব দেশেই লিমিটেড।সব দেশ কেই ডিসিশন নিতে হবে আমি এই পর্যন্ত চিকিৎসা দিতে পারবো করণার জন্য, ব্যাস।

    অধিকাংশ রোগীর চিকিৎসা করতে হবে বাড়িতে বা মেকশিফট হাসপাতাল বা চিকিৎসা কেন্দ্রে।

    ভেন্টিলেটর ইউজ মিনিমাম করতে হবে ও জুডিশিয়াস হতে হবে।আর্লি কেস ডিটেকশন ও চিকিৎসা হলো কি থিং।র্যাপিড এন্টিবডি টেস্ট করে ইম্যুন্ড জনতা কে হেলথ এর কাজে শ্রমদান করতে বলতে হবে।টিম এফোর্ট যাকে বলে।

    অধিক বয়স্ক ও মাল্টিপল ডিজিজের জনতা কে কম্যুনিটি ধরে ধরে আগে ভাগে ডি এন আর ফরম ফিল আপ করে রাখতে হবে।

    এঁদের বুঝিয়ে বলতে হবে আপনারা মোটামুটি ভাবে এন্টিভাইরাল ঔষধ ও নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন অবধি এভেইল করতে পারবেন কিন্তু ইন্টিয়ুবেশন ও মেকানিকাল ভেন্টিলেশন পাবেন না।

    প্রসঙ্গত যেহেতু আমেরিকায় ফেলো কড়ি মাখো তেল সিস্টেম।তাই,এটা ইমপ্লিমেন্ট করা ইওরোপের তুলনায় শক্ত।

    মহামারীর সঙ্গে লড়তে গেলে বুদ্ধি দিয়ে লড়তে হবে,হৃদয় এর স্থান কম।

  • dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৫৮442505
  • হ্যাঁ, সেকেন্ড ওয়েভ এলে কি হবে সেটা একটা বড়ো প্রশ্ন। আমার মনে হয় কোন দেশই এই প্রশ্নটা ফেস করতে চাইছে না। আপাতত ক্রাইসিস সামলাতে চাইছে। আবার উল্টোদিকে এক ইসরায়েলি অংক কষে বলেছেন এই রোগটার কোর্স এমনিতেও ৬-৮ সপ্তাহ। মানে মাস দুয়েক মতো লকডাউন করলে বোধায় পিকটা এমনিতেও পেরিয়ে যাওয়া যাবে। বেসিকালি আনসার্টেনটি এখনো খুব বেশী।

    আর ভারতে লকডাউন কতোদিন চলা উচিত? ভারত একেবারে আলাদা কেস। ভারতের পাবলিক হেল্থ বহুকাল হলো ভেঙ্গে পড়েছে। লকডাউনের সময়ে যে ক্যাপাসিটি র‌্যাম্প আপ করবে সেসব বালাইও নেই, কারন গোড়ায় গলদ। না আছে ক্যাপাসিটি, না আছে পাবলিক স্পেন্ডি, না আছে সরকারের কোন পলিসি বা ইচ্ছে। লকডাউনের সময়ে সামান্য কয়েক লাখ প্রান্তিক লোকজনকেয় খাবার আর আশ্রয় দিতে পারছে না, পাব্লিক হেল্থ তো অনেক দূরের কথা। এদিকে কোটায় আটকে পড়া ছাত্রদের ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা করেছে, তাতে আবার নীতিশ কুমার ভয়ানক চটেছে। ভারতের ক্ষেত্রে প্রশ্ন করেও লাভ নেই, যা হবার তাই হবে।
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৫৬442504
  • "কিন্তু ভলান্টিয়ার করার সাহস পেলাম না - কে রিস্ক নেয়?"

    এইটাই হল আসল কথা। কম্পিউটারের পিছনে বসে "মাচ অ্যাডো এবাউট নাথিং" বলা যেতেই পারে। যেভাবে সেমি-অটোমেটিক বন্দুক নিয়ে মুখে মাস্ক পড়ে ট্রাম্প ভক্ত গুন্ডারা এখন মাঝে মধ্যে দেখা দিচ্ছে। এদিকে নিজের পাড়ায় একটা টেস্ট করাতে যেতে সাহস হচ্ছে না।
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৫৩442503
  • মৃতের সংখ্যা যখন গোনাই হচ্ছে।

    সিডিসির ওয়েবসাইট অনুযায়ী ২০১৭ সালে মাত্র ১৬,৩৫০ লোক এইডসে মারা গেছে। ১৯৯৫ সালে সংখ্যাটা ছিল ৪০,০০০ এর বেশি।
  • S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৪৯442502
  • সিডিসির ওয়েবসাইট বলছেঃ ২০১৮-২০১৯ সালে
    ফ্লুতে আক্রান্তঃ সাড়ে তিন কোটি লোক
    ডাক্তারের কাছে গেছেঃ ১ কোটি ৬৫ লক্ষ
    হসপিটালে ভর্তিঃ ৪৯০,৬০০
    মৃত্যুঃ ৩৪,২০০

    বিগত দুমাসেঃ
    কোরোনাতে কনফার্মড কেসঃ ৭ লক্ষ
    মৃতঃ ৩৭,০৫৫

    এসব স্কুল কলেজ অফিস ঘোরাঘুরি সব বন্ধ করে, স্টে অ্যাট হোম থেকে লকডাউনের পর হয়েছে।
  • sm | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৪৪442501
  • দীপাঞ্জন এর সঙ্গে সহমত। সেকেন্ড ওয়েভ আসলে কি হবে?

    বা,ভারতে লক ডাউন কতোদিন চলা উচিত বলে মনে করেন?বর্তমানে ভারতের আসল পরিস্থিতি কি?কতজন প্রকৃতপক্ষে ইনফেকটেড?

    এবার আসি আমেরিকার কথায়।যদি বর্তমান সিচুয়েশন চলতে থাকে ও সারা দেশে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে ধীরে ধীরে,তাহলে হাসপাতাল গুলো কোপ করবে কি ভাবে? যদি করোনা রোগীকে বেশি এটেনশন দেওয়া হয়,তাহলে অন্যান্য মারাত্মক কিন্তু চিকিৎসা যোগ্য রোগীদের কিভাবে চিকিৎসা হবে?

    আই মিন,ক্যান্সার,হার্ট ডিজিজ,স্ট্রোক,কিডনি ও লিভার অসুখের লোকেদের সু চিকিৎসা কিভাবে দেওয়া যাবে?

    মনে রাখা উচিত আমেরিকায় ফি বছর 25 লাখ মতন মানুষ বিভিন্ন রোগে মারা যান(সঠিক সংখ্যা কেউ কনফার্ম করে দেবেন)।সেক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোভিড এ মৃত্যু সংখ্যা 30 হাজার ছাড়ায় নি। শক্ত বাঁধুনি ফষ্কা গেরো কেস হয়ে যাবে।

  • অপু | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৩৭442500
  • dc, "আমার যাবার সময় হল, দাও বিদায় " :)))

  • dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৩৪442499
  • অপু সে আর বলতে ঃ-(((

    যা বুঝছি, এবছর বোধায় আর বেড়াতে বেরনো হবেনা ঃ-((
  • dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৩৩442498
  • দীপাঞ্জন, আসলে স্টাডিটা ঠিক বা ভুল কিনা সেটা আমার পয়েন্ট না ঃ-)

    আমি আলোচনা করছি লকডাউন জিনিসটা এফেক্টিভ কিনা সে নিয়ে, বা আপনি যেমন বললেন ইগনোর করা, সে নিয়ে। আপনিও জানেন লকডাউন বাই ইটসেল্ফ কোন সলিউশান না, লকডাউনের উদ্দেশ্য হলো কিছুদিনের জন্য সংক্রমন কমিয়ে হাসপাতালের লোড কমানো (কার্ড পিটিয়ে সোজা করা) আর সেই সময়ে পাবলিক হেল্থ রিসোর্স র‌্যাম্প আপ করা। এবার কথা হলো, লকডাউন না ইগনোর, কোনটা বেটার পলিসি।

    দুয়েকটা দেশ "ইগনোর" ট্রাই করছে, মানে লকডাউন ঘোষনা করেনি, তবে পাবলিককে সতর্ক থাকতে বলেছে। যেমন সুইডেন আর টার্কি। এর মধ্যে সুইডেনে কিন্তু এমনিতেই সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বেশী, অর্থাত সুইডিশরা এমনিতেই একটু দূরত্ব বজায় রাখতে অভ্যস্ত। টার্কিতে কি হয় দেখা যাক। আর উল্টো দিকে বেশীর ভাগ দেশেই লকডাউন করতে বাধ্য হচ্ছে কারন লকডাউন না করলে খুব কম সময়ের মধ্যে লোড ভয়ানক বেড়ে যাচ্ছে, পাবলিক হেল্থকেয়ার চাপ নিতে পারছে না। এখনো অবধি এই হলো ব্যাপার।
  • অপু | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:২৫442497
  • বালী হটস্পট। জীবনে হেববববি চাপ :(((

  • দীপাঞ্জন | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:১৪442496
  • "আমি ধরে নিচ্ছি স্টাডিট ঠিক" - আমি সেটা ধরছি না | আমি বলছি, স্টাডিটা ঠিক হলে লক ডাউন জাস্টিফাই করতে পারছি না | স্টাডিটাতে বায়াস আছে | আমি স্ট্যানফোর্ডের পাড়াতেই প্রায় থাকি, টেস্টের বিজ্ঞাপনও দেখেছিলাম, কিন্তু ভলান্টিয়ার করার সাহস পেলাম না - কে রিস্ক নেয়? তাই তারাই হয়তো বেশি ভলান্টিয়ার করবে যাদের রিসেন্ট সিম্পটম হয়েছে এবং জানতে আগ্রহী এন্টিবডি তৈরি হয়েছে কিনা | যা প্যানিকি পরিস্থিতি তাতে এই বায়াস তাড়ানো মুশকিল |

    "কি করা উচিত" - জানি না, ইগনোর করা ছাড়া আর কিছু করার আছে বলে মনে হয় না, কিছু একসেস ডেথ মেনে নিতে হবে | ভারতের হাসপাতাল ক্যাপাসিটি তো এক মাসের মধ্যে এতো বাড়ানো যাবেনা যে নিউ ইয়র্কের না নর্থ ইতালির মতো সার্জ এলে সামলানো যাবে | যেসব দেশ পারবে, সেখানে হয়তো লাভ আছে কিছুটা | কিন্তু বেশির ভাগ দেশেই সেটা রিয়েলিস্টিক নয়, এক মাস লকডাউন করার পর তো আবার সেকেন্ড ওয়েভ আসবে |
  • ar | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:০৯442495
  • ল্যানসেট ইনফেকশাস ডিসিজের এই পেপারটা দেখা যেতে পারে।

    Real estimates of mortality following COVID-19 infection
    https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC7118515/pdf/main.pdf
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত