শালিখ | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১২:০৩442524
শালিখ | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১২:০২442523
sm | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৫৭442522@আরে, করোনায় উন্নত আর অনুন্নত দেশ গুলো কে এক ঘাটে এনে ফেলেছে।একথা সত্যি ইন্ডিয়ার মতো লোক কে পায়ে হেঁটে যেতে হচ্ছে না বা খাবার এর জন্য লাইন দিতে হচ্ছে না।
কিন্তু উন্নত দেশেও প্রচুর ছাঁটাই এর ভয়।প্রচুর মৃত্যু ভয়। বহু বয়স্ক লোক টিভি তে এই ভয়াবহতার সম্প্রচার দেখে হাসপাতাল মুখোই হবে না।রোগ ভোগ পুষে রাখবেন।মেন্টাল ট্রমার শিকার হবেন।
আমাদের দেশে তাও দু চারজন পরিবারের সদস্যের মুখ দেখতে পাবেন;ওসব দেশে তো একা একা সব কিছু হজম করতে হবে।
এ হলো ভগার আঘাত। চাপের জিনিষ!
sm | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৪৭442521আমি বহুদিন ধরে প্রশ্ন টা করে যাচ্ছি,সত্যি সত্যি পরিসংখ্যান জানতে চাই।
প্রথমে ডিসি,তাপ্র aka এবং বড় এস এর পোস্টের উত্তর দিচ্ছি।
ডিসি,হেলথ রিসোর্স লিমিটেড থাকলে,জনগন কে বলতেই হবে, এই পর্যন্ত দিতে পারবো ব্যাস।এ নিয়ে প্রচুর সেমিনার হয়েছে।আপনার কাছে দশ টি এন্টি রেবিস ভ্যাকসিন থাকলে দশ জন কেই দিতে পারবেন। বিশ জনকে নয়।বা, হাফ ডোজে বিশ জন কে নয়। মরালিটি ও বাস্তবতা একজিনিষ নয়। ইওরোপে কমন প্র্যাকটিস রেগুলার বেসিসে জিপি রা বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা দের মধ্যে যাদের খুব বেশি মাল্টিপল ডিজিজ থাকে,তাদের নট ফর রেসাসিটেশন এর ফরম ফিল আপ করানো হয়।অধিকাংশ জনতা সম্মতি দেন।কোন ফো এর ব্যাপার ই নেই।বুঝিয়ে বলা টাই যথেষ্ঠ।
একই সম্মতি নেওয়া হয়, ভেন্টিলেশনে বা আই সি ইউ এডমিশনের জন্য।বহু লোক সম্মতি দেন, আপ টু এন আই ভি।ব্যাস।সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায়।
পেছনে যুক্তি কি,পরে বিষদে আলোচনা করা যাবে।
অন্য দিকে পরিসংখ্যান খুব ইম্পর্ট্যান্ট। লক ডাউন এর অভিঘাত কতো?নিশ্চয় সব দেশে সমান নয়। কতো সময়ের জন্য, সেটাও খুব জরুরী।
লক ডাউন হেতু,যে, অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে,তাতে কতোজন দীর্ঘমেয়া মারা পড়বেন।সেটাও ক্যালকুলেশন করে রাখতে হবে।
করোনার চিকিৎসার দুটো পার্ট।এক হলো সিম্পটম্যাটিক চিকিৎসা ও এন্টিভাইরাল ড্রাগ।যেটি যেকোন ছোট হাসপাতালে দেওয়া যায়।
যখন এ আর ডি এস ডেভেলপ করবে,তখন ই বড় হাসপাতাল ও আই সি ইউ বেড o ভেন্টিলেটর এর দরকার পড়বে।একটু বুদ্ধি করে, হড়বড় না করে চিকিৎসা করলে সামাল দেওয়া বিরাট কঠিন নয়।
সারাক্ষণ টিভিতে যদি দেখায় হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগী ঢুকছে,বেরোচ্ছে,হু হু করে মৃতের সংখ্যা বাড়ছে,পাঁচ বছরের শিশু মারা গেলো বা ত্রিশ বছরের তরুণ,;তাহলে কিন্তু জনগণ বিরাট ভয় পেয়ে যাবে।আতঙ্ক গ্রস্ত হবে।
আমি যদি উল্টো করে বলি ত্রিশ বছরের নিচে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা 50 হাজার আর ফ্যাটালিটি খুব কম,মাত্র ০.০০৫শতাংশ,তাহলে আমজনতা মনে ব পাবে।স্ট্যাটিসটিক্স হলো ভয়ানক অস্ত্র,বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করা যায়।
dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৪৫442520
S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৩৯442519
dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৩৫442518
S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:৩৫442517
dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:২৫442516
S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:২৫442515
S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১৮442514
are | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১৮442513এর সংগে এই হিসেবটাও করবেন, এত প্রিকশনের পরে এই দশা, না থাকলে কী কী হতে পারত।
তবে বাকি অনেক রোগ যেমন এই ঠ্যালায় চিকিৎসার সুযোগ পাচ্ছেনা, ওষুধ ঠিক করে না পাওয়াতেও অনেকে খুব অসুস্থ বা মৃতও হতে পারেন, তেমনি পলিউশন, সিগারেট, মদ, জানক ফুড, রোড আক্সিডেণ্ট, এসব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কত মৃত্যু অসুস্থতা কমানো যাচ্ছে সেটাও ভাববেন। ইন্ডিয়াকে এসব হিসেবে ধরে লাভ নেই। এই লকডাউনের ফলে এত লোক না খেতে পাওয়া, আধপেটা খাওয়া, শখানেক মাইল হাঁটা, এসব আর কোন সভ্য দেশে হয়না।
ট্রাম্পের মত সরকার ও এতগুলো লোককে এত বেকার ভাতা দিয়ে দিল। নাহয় বার্নির কেরামতিতেই। ইন্ডিয়ায় তেমন চাপ দেওয়ার মত বিরোধীও তো নেই। এই সুযোগে বেকার নথিভুক্ত করা বাড়িয়ে বিপুল পরিমাণ বেকার ভাতাটুকু পিএমকেয়ার ফান্ড থেকে দেবার চাপও তো দেওয়া যেত।
এমনিতেও অবশ্য ইন্ডিয়ায় অর্ধেক মানুষ পোকামাকড়ের মতই থাকে আর মরে। বস্তিগুলো কি এমনি সময়েই মানুষের থাকা বাঁচার যোগ্য? গ্রামে রোজগারের সুযোগ না কমলে অনেক মানুষের মত জীবন কাটাতেন গ্রামে। গ্রামে ফিরে গেলেন যাঁরা, আর ফিরতে না হলেই ভাল। গ্রামে রোজগারের বন্দোবস্ত বাড়ানোর চাপও কোন দল টল দেয়না।
dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১৮442512
S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১৬442511
aka | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১৫442510
sm | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১২442509মৃতের সংখ্যা যখন গোনাই যাচ্ছে....
আমি সেটাই জানতে চাই।ফি বছর কতো সংখ্যক মানুষ কি কি রোগে মারা যান?
কোভিড এখনো এর কতো ভগ্নাশ?কেন এতো আতঙ্কিত লোকজন?
পজিটিভ পরিসংখ্যান তো,সাধারণ মানুষের মনোবল বাড়াবে। আমি তো অদ্ভুত অদ্ভুত ভয়ংকর সব পরিসংখ্যান আর নিউজ পরিবেশন করতে দেখছি, খালি!
S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:১১442508
o | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:০৯442507একটা কথা বলুন। এই যে প্যানিক তৈরি হয়েছে, এটা কী কোন রুগী কতটা ক্রিটিক্যাল এই অ্যাসেসমেন্টকে কোনভাবে অ্যাফেক্ট করছে? মানে যার ইমিডিয়েট দরকার সে হয়ত পরিষেবা পাচ্ছে না এরকম কিছু? এইটে নিয়ে একটু কনফিউজ হয়ে আছি।
sm | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১১:০১442506ডিসি,যেসব দেশ লক ডাউন ইগনোর করেছে,তাদের হেলথ সিস্টেম এর ওপর চাপ খুব বেড়ে গেছে।
খুব সত্যি কথা।কিন্তু যেভাবে সারা পৃথিবী জুড়ে কোভিড চিকিৎসা হচ্ছে,সেটাই সমালোচনার যোগ্য কিনা ভাবতে হবে।
ধরাযাক,নিউ ইয়র্কের মোট বড় হাসপাতালের সংখ্যা 500।আমার মতে এটিকে 300 ও 200 অনুপাতে ভাগ করে নেওয়া উচিত।
200 হাসপাতাল থাকবে খালি করোনার চিকিৎসার জন্য।কারণ সব হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা দিতে গিয়ে,স্বাস্থ্য কর্মীর অযথা শারীরিক ও মানসিক চাপে পড়ছেন।মনে রাখতে হবে হেলথ রিসোর্স পৃথিবীর সব দেশেই লিমিটেড।সব দেশ কেই ডিসিশন নিতে হবে আমি এই পর্যন্ত চিকিৎসা দিতে পারবো করণার জন্য, ব্যাস।
অধিকাংশ রোগীর চিকিৎসা করতে হবে বাড়িতে বা মেকশিফট হাসপাতাল বা চিকিৎসা কেন্দ্রে।
ভেন্টিলেটর ইউজ মিনিমাম করতে হবে ও জুডিশিয়াস হতে হবে।আর্লি কেস ডিটেকশন ও চিকিৎসা হলো কি থিং।র্যাপিড এন্টিবডি টেস্ট করে ইম্যুন্ড জনতা কে হেলথ এর কাজে শ্রমদান করতে বলতে হবে।টিম এফোর্ট যাকে বলে।
অধিক বয়স্ক ও মাল্টিপল ডিজিজের জনতা কে কম্যুনিটি ধরে ধরে আগে ভাগে ডি এন আর ফরম ফিল আপ করে রাখতে হবে।
এঁদের বুঝিয়ে বলতে হবে আপনারা মোটামুটি ভাবে এন্টিভাইরাল ঔষধ ও নন ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন অবধি এভেইল করতে পারবেন কিন্তু ইন্টিয়ুবেশন ও মেকানিকাল ভেন্টিলেশন পাবেন না।
প্রসঙ্গত যেহেতু আমেরিকায় ফেলো কড়ি মাখো তেল সিস্টেম।তাই,এটা ইমপ্লিমেন্ট করা ইওরোপের তুলনায় শক্ত।
মহামারীর সঙ্গে লড়তে গেলে বুদ্ধি দিয়ে লড়তে হবে,হৃদয় এর স্থান কম।
dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৫৮442505
S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৫৬442504
S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৫৩442503
S | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৪৯442502
sm | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৪৪442501দীপাঞ্জন এর সঙ্গে সহমত। সেকেন্ড ওয়েভ আসলে কি হবে?
বা,ভারতে লক ডাউন কতোদিন চলা উচিত বলে মনে করেন?বর্তমানে ভারতের আসল পরিস্থিতি কি?কতজন প্রকৃতপক্ষে ইনফেকটেড?
এবার আসি আমেরিকার কথায়।যদি বর্তমান সিচুয়েশন চলতে থাকে ও সারা দেশে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে ধীরে ধীরে,তাহলে হাসপাতাল গুলো কোপ করবে কি ভাবে? যদি করোনা রোগীকে বেশি এটেনশন দেওয়া হয়,তাহলে অন্যান্য মারাত্মক কিন্তু চিকিৎসা যোগ্য রোগীদের কিভাবে চিকিৎসা হবে?
আই মিন,ক্যান্সার,হার্ট ডিজিজ,স্ট্রোক,কিডনি ও লিভার অসুখের লোকেদের সু চিকিৎসা কিভাবে দেওয়া যাবে?
মনে রাখা উচিত আমেরিকায় ফি বছর 25 লাখ মতন মানুষ বিভিন্ন রোগে মারা যান(সঠিক সংখ্যা কেউ কনফার্ম করে দেবেন)।সেক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোভিড এ মৃত্যু সংখ্যা 30 হাজার ছাড়ায় নি। শক্ত বাঁধুনি ফষ্কা গেরো কেস হয়ে যাবে।
অপু | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৩৭442500dc, "আমার যাবার সময় হল, দাও বিদায় " :)))
dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৩৪442499
dc | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:৩৩442498
অপু | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:২৫442497বালী হটস্পট। জীবনে হেববববি চাপ :(((
দীপাঞ্জন | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:১৪442496
ar | ১৮ এপ্রিল ২০২০ ১০:০৯442495