এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩০৯১১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | ১২ নভেম্বর ২০১৭ ০৭:২৯714172
  • অ, হল বুকিংও ফিশফ্রাই বুঝি। হবে।

    এই 'আমাকে দেখুন' মার্কা লেখাপত্তর কী ক্লান্তিকর, বাবা! ভূমিকায় সিপিয়েম ব্যাশিং, তারপর চটকদার মুলো মন্তব্য, সবশেষে দৈববাণী। এক ধাঁচের এক সুরে। লোকে এইসব পড়ে মাইরি শেয়ারও করে চলেছে। একা বিপ্পালে রক্ষে নেই।
  • | ১২ নভেম্বর ২০১৭ ১৩:৪৭714173
  • বিশ্ব বাংলাকাণ্ডে নয়া মোড়, ফাঁস সরকারি মিথ্যাচার
    ------------------------------------------
    অভিষেক ব্যানার্জির নামেই লোগোর রেজিস্ট্রেশন, দাবি সরকারি নথিতেই
    ----------------------------------------
    বেকায়দায় পড়া সরকার এখন মামলা ঠুকছে অভিষেক ব্যানার্জির বিরুদ্ধেই
    -------------------------------------
    ভাইপো অসৎ উদ্দেশ্যে বিশ্ব বাংলা লোগো ব্যবহার করেছে, দাবি মমতা ব্যানার্জির সরকারের!
    ------------------------------------------------------
    সুদীপ্ত বসু: কলকাতা
    ১১ই নভেম্বর— ‘বিশ্ব বাংলা’ লোগোকে প্রতারণা ও অসৎ উপায়েই ব্যবসার কাজে ব্যবহার করেছেন অভিষেক ব্যানার্জি। মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো সম্পর্কে এখন উঠছে এই গুরুতর অভিযোগ। কিন্তু অভিযোগকারী কে? বামপন্থীরা ? একেবারেই নয়। এমনকি সদ্য তৃণমূল শিবির থেকে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া মুকুল রায়? না, তাও নয়। তাহলে কে?
    এই উত্তরেই লুকিয়ে আছে ‘বিশ্ব বাংলা’ নিয়ে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোর নয়া কেলেঙ্কারির রহস্য।
    সাফাই দিতে গিয়ে আরও পাঁকে জড়াচ্ছে মমতা ব্যানার্জির সরকার। তাতে আরও স্পষ্ট হচ্ছে ‘বিশ্ব বাংলা’ নিয়ে কেলেঙ্কারিতে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর ভাইপোর সন্দেহজনক ভূমিকাই।
    মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো সম্পর্কে বিশ্ব বাংলা লোগো নিয়ে অসততার অভিযোগ এনেছে খোদ মমতা ব্যানার্জির সরকারই। অন্তত সরকারি নথি তাই বলছে। রাজ্য সরকারের ক্ষুদ্র কুটির শিল্প ও বস্ত্রদপ্তর লিখিতভাবেই হলফনামায় বলছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গুডউইলকে ব্যবহার করেই ‘বিশ্ব বাংলা’ লোগোকে অভিষেক ব্যানার্জি প্রতারণা ও অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছেন। এমনকি তা গ্রাহকদের মধ্যেও বিশ্ব বাংলা মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেড নিয়েই সংশয় বাড়িয়েছে। গ্রাহকদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে এবং তারা হয়ত ভাবছে রাজ্য সরকারের এই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে অভিষেক ব্যানার্জির কোনও অশুভ আঁতাত আছে।
    চমকে ওঠার মতোই সব মন্তব্য করেছে মমতা ব্যানার্জির সরকার। ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জির বিরুদ্ধেই।
    রাজ্য সরকার কেন, কবে এবং কোথায় এই মন্তব্য করল? রাজ্য সরকারের ক্ষুদ্র কুটির ও বস্ত্র শিল্পদপ্তরের তরফে লিখিতভাবে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। এরকম ১৪দফা অভিযোগ ও কারণ উল্লেখ করেই রাজ্য সরকার অভিষেক ব্যানার্জির কাছ থেকে ‘বিশ্ব বাংলা’ লোগোর রেজিস্ট্রেশন কেড়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। আবেদন জানানো হয়েছে রেজিস্ট্রার অফ ট্রেড মার্কস-এর কাছে।
    রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবের দাবি, মমতা ব্যানার্জি তাঁর ক্রিয়েশন স্বেচ্ছায় রাজ্য সরকারকে ব্যবহার করার জন্য দিয়েছেন। মমতা ব্যানার্জিকে না জানিয়েই তাঁর ‘ক্রিয়েশন’-এর মালিকানা অভিষেক ব্যানার্জির কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার জন্য এরকমভাবেই হলফনামা দিয়েছে সরকার? মমতা ব্যানার্জির অজ্ঞাতসারে তা সম্ভব?
    এই বিস্ময়ের মধ্যেই আরও চমকপ্রদ তথ্য হলো, মাত্র দুমাস আগে গত ৮ই সেপ্টেম্বর ট্রেড মার্ক রেজিস্ট্রিদপ্তরে রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্টদপ্তর অভিষেক ব্যানার্জির নামে এই রেজিস্ট্রেশন বাতিলের দাবি জানিয়েছে। অর্থাৎ এতদিন ধরে যে অভিযোগ উঠছিল যে বিশ্ব বাংলার লোগো অভিষেক ব্যানার্জির নামেই বরাদ্দ হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে স্বীকার করে নিয়েছে সরকার, তার লিখিত নথিতেই।
    যদিও নবান্নে দাঁড়িয়ে শনিবারও কার্যত মিথ্যা দাবি করেছে সরকার। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান সচিব দাবি জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের অভিষেক ব্যানার্জির তরফে সি জে অ্যাসোসিয়েটস এই লোগোর স্বত্ব আবেদন জানিয়েই প্রত্যাহার করে নিয়েছে। যদি ২০১৪ সালের ১১ই জুন প্রত্যাহার করার জন্য আবেদন জানানো হয়েই থাকে তবে সেই একই লোগোর রেজিস্ট্রেশন খারিজের জন্য কেন ২০১৭ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর রেজিস্ট্রার অফ ট্রেড মার্কসের কাছে আবেদন জানাতে হচ্ছে খোদ রাজ্য সরকারকেই? উত্তর নেই এই প্রশ্নের।
    বিশ্ব বাংলা লোগো নিয়ে অস্বচ্ছতা, কেলেঙ্কারিতে এতটাই বেকায়দায় মমতা ব্যানার্জির সরকার যে দায় এড়াতে এখন অভিষেক ব্যানার্জির বিরুদ্ধেও মামলা করতে হয়েছে রাজ্য সরকারকে। তৃণমূল সরকারের আমলে এ এক বিরলতম ঘটনাতেই পরিণত হতে চলেছে।
    চার বছর আগে বিশ্ব বাংলা ট্রেডমার্কের জন্য আবেদন এসেছিল খাস ৩০/বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট, কালীঘাট, কলকাতা-৭০০০২৬ ঠিকানা থেকে। আবেদনকারী মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জি। তাঁর ঠিকানাও দেওয়া হয়েছে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের। এটি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির ঠিকানা। ট্রেডমার্কের জন্য আবেদন করা হয়েছে ২০১৩ সালের ২৬শে নভেম্বর। অভিষেক ব্যানার্জির হয়ে কলকাতারই একটি ফার্ম সি জে অ্যাসোসিয়েটস নামক সংস্থা আবেদনপত্র দাখিল করেছিল। আবেদন নম্বর- ২৬৩৩৫৩২। সেই আবেদনপত্রে ‘বিজনেস নেম’-এর জায়গায় রয়েছে অভিষেক ব্যানার্জির নাম। যদিও আর ও সি-র তথ্য অনুযায়ী বিশ্ব বাংলা মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেড তৈরি হয়েছে ২০১৪ সালের ৩১শে ডিসেম্বর। কোম্পানির ক্যাটাগরিতে উল্লেখ রয়েছে, এটি একটি সরকারি সংস্থা। রেজিস্ট্রেশন নম্বর- ২০৪৭৫১। এই সংস্থার ঠিকানা দেওয়া হয়েছে, নিউটাউন রাজারহাট অ্যাকশন এরিয়া-৩, কারিগরি ভবন, প্লট নম্বর- বি/৭। ২০১৩ সালে অভিষেক ব্যানার্জি দলের সাংসদও হননি। তখনও তিনি একটি ব্যবসায়িক সংস্থার সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। কোনও সরকারি পদে নন, শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো, এই ভিত্তিতেই কি তিনি আবেদন করেছিলেন সরকারি লোগোর জন্য?
    বিতর্কের সূত্রপাত এখান থেকে। বিশ্ব বাংলা মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেড সংস্থা নিয়ে বিতর্ক কিংবা অভিযোগ নয়। অভিযোগ, কীভাবে সরকারি সংস্থার তৈরি হওয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির ঠিকানায় তাঁরই ব্যবসায়ী ভাইপোর নামে বিশ্ব বাংলার লোগোর আবেদন জানানো হয় এবং তা কীভাবে পরিবর্তী সরকারি লোগো হিসাবেই সর্বত্র ব্যবহৃত হয়।
    শুক্র ও শনিবার, পরপর দুদিন নবান্ন থেকে সাফাই দেওয়ার চেষ্টা হয় এবং তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই। গত দুদিন ধরে সেই সরকারি বক্তব্যের নির্যাস হলো, বিশ্ব বাংলা লোগো মুখ্যন্ত্রীর ক্রিয়েশন। তিনি ২০১৪ সালে এগ্রিমেন্ট করে তা সরকারি সংস্থাকে অর্থাৎ বিশ্ব বাংলা মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেডকে দিয়ে দিয়েছেন স্বেচ্ছায়। যদিও ট্রেড মার্কস রেজিস্ট্রি সূত্রে জানা গেছে, এভাবে আদৌ হস্তান্তর করা যায় না। তবে ২০১৪ সালের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সেই এগ্রিমেন্ট কী তা জানা যায়নি। যদিও এরপরেই আবার এদিন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রধান সচিব দাবি করেছেন সি জে অ্যাসোসিয়েটস ২০১৪ সালের ১১ই জুন রেজিস্ট্রার অফ ট্রেডমার্কের কাছে ঐ লোগোর যে রেজিস্ট্রেশন অভিষেক ব্যানার্জির নামে ছিল তা প্রত্যাহার করার আবেদন জানিয়েছে।
    সেটা ২০১৪ সাল।
    চার বছর তিন মাস পর রাজ্য সরকার নিজেই আবার রেজিস্ট্রার অফ ট্রেড মার্কসের কাছে হলফনামা দিয়ে অভিষেক ব্যানার্জির নামে বিশ্ব বাংলার লোগোর রেজিস্ট্রেশন খারিজের আবেদন জানাচ্ছে কীভাবে?
    তবে রাজ্যের সরকারি নথি বলছে গত সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন অভিষেক ব্যানার্জির নামেই ছিল। এখন বেকায়দায় পড়ে খুবই সন্তর্পণে তা খারিজের আবেদন জানানো হয়েছে। খারিজের জন্য যে যুক্তি দেওয়া হয়েছে তাতে স্পষ্ট অভিষেক ব্যানার্জি এই লোগোকে ব্যবসায়িক ও অসৎ উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করে আসছিলেন যা বিশ্ব বাংলার গ্রাহকদের মধ্যে সন্দেহ, সংশয় তৈরি করছে। এই হলফনামা গত ৮ই সেপ্টেম্বর পাঠানো হয়েছে। ট্রেডমার্কস অ্যাক্ট, ১৯৯৯-র ৪১নম্বর ধারায় অভিষেক ব্যানার্জির নামে ‘বিশ্ব বাংলা (ডিভাইস)’ লোগো বাতিলের আবেদন করা হয়েছে।
    অর্থাৎ বিশ্ব বাংলা ট্রেড মার্ক অভিষেক ব্যানার্জির নামেই রয়েছে। নথিতেই প্রমাণিত।
    নবান্নে দাঁড়িয়ে মিথ্যাচারের দায় তাহলে এবার কার? স্বরাষ্ট্রসচিব নাকি মুখ্যমন্ত্রীর?বিশ্ব বাংলাকাণ্ডে নয়া মোড়, ফাঁস সরকারি মিথ্যাচার
  • j | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:৩৭714174
  • ভাইপোর পেটেন্টেড বা*এর "ব" পড়ল ছিঁড়ে

  • s | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৫:২১714176
  • s | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৫:২১714175
  • মা৩ও TM>?
    <
  • Atoz | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৬:২১714177
  • নৈরাজ্যদা, নৈরাজ্যদা গো, এ কী করলো আপনাদের পরাণের পেয়ারের ওনারা? এ যে ডাক্তারকে তাড়িয়ে দিল পত্রপাঠ !
    ওদিকে আবার সবুজ কুঁড়ি ফুটে গেরুয়া হয়ে গেল!
  • PT | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৭:৩৩714178
  • বিপ্লবের পরেঃ
    "........রেললাইন পাততে লম্বা ফালি জমি দরকার, যা অধিগ্রহণ না-করে পাওয়া যায় না। কিন্তু সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের ঘটনার পর জমি অধিগ্রহণ করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতি বছর প্রকল্প খরচ ১০ থেকে ১৫% বেড়ে যাচ্ছে, কিন্তু কাজ শেষ হচ্ছে না! ............"
    "রেল বোর্ড ঠিক করেছে, ...... জমির লিখিত আশ্বাস চাওয়া হবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের থেকে। রাজ্য তখনই ৭০% জমি দেওয়ার লিখিত আশ্বাস দিলে বাজেটে প্রকল্পটি ঘোষণা করা হবে। কাজ শুরুর আগে বাকি ৩০% জমি দেওয়ার নিশ্চয়তা দিতে হবে রাজ্যকে।.............
    "কিন্তু চালু প্রকল্পগুলির কী হবে? সূত্রের খবর, বোর্ড ঠিক করেছে, কাজ না হলে প্রয়োজনে আর্থিক ক্ষতি স্বীকার করেও প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হবে।"
    http://www.anandabazar.com/state/railway-board-demand-approval-of-land-from-state-government-1.705883?ref=archive-new-stry
  • amt | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:১৫714179
  • কিন্তু পব তে এতো রেল লাইন লাগবেই বা কেন ? চপ মুড়ি ভাজতে কি রেল লাইন লাগে ? মুড়ি আমাদের ভিত্তি, চপ আমাদের ভবিষ্যৎ, কেন্দ্র চক্রান্ত করে রেল লাইন বন্ধ করলে করুক। কার কি এসে গেলো ?

    আর হ্যা, কেও যেন বেড়াতে যাবেন না আবার, যত আপনেরা বেড়াতে গিয়ে মশা বাগে ভরে নিয়ে আসছেন আর সেই মশাগুলো পিসির ভাইপো দের কামড়াচ্ছে, নিশ্চিত মাওবাদী বা সিপিএম এর মশা।
  • Du | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:৩৫714180
  • সিঙ্গুরে স্কুলের বাচ্চাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত দুষ্কৃতীরা! স্কুলে যাতায়াতের পথে!
  • j | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:৪২714181
  • http://www.anandabazar.com/state/state-government-trying-hard-to-get-the-contract-of-biswa-bangla-logo-1.706900?ref=hm-ft-stry-4

    পুরোটাই ভাইপোর কীর্তি, ঝোলার বেড়ালগুলো বেড়চ্ছে, ছততার পোতীক এক্কেবারে জ্বলজ্বল

    অবিশ্যি এই কুচ্চিত "ব" যেখানে সেখানে লটকানোর আইডিয়া উনি দেবেন না তো কে ! সেই সায়েন্স সিটির শানু লাহিড়ীর ভাস্কর্য্টা গুঁড়িয়ে একটা ব ব্যা ব্যা করছে ভাইপো-পিসিমার আব্দারে
  • | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ১০:৫২714183
  • এটা এখানে থাক ডকুমেন্টেশানের খাতিরেই

  • | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ১০:৫৪714184
  • এটাও

  • s | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৪714185
  • ইনোটোলারেন্স।
  • | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৫:০৫714186
  • এই রাজ্যে
    ডেঙ্গু
    একটি গুপ্ত রোগ ॥
    তাই নাম নেওয়া বারণ ॥

    অনুপ্রেরণার বাংলায়
    ডেঙ্গুর থেকে রসগোল্লা বড়,
    আর খিদের থেকে ধর্ম...
  • | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৫:০৭714187
  • পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ ছিলই, এখন দেখছি সম্পূর্ণরূপে রাজতন্ত্র চলছে। সমস্ত কপি রাইটের মালিক দেখছি ভাইপো।

    'মমতা'-
    কত মোলায়েম অথচ কী ভয়ানক শব্দ! !!
  • | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৫:১১714188
  • নিন্দুকেরা কি সব বলছে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জেলায় জেলায় গরু বিলি করবে রাজ্য সরকার। উফ যাতা ব্যাপার
    #গোবর_ও_ঘুঁটে_শিল্পে নাম লেখাবে গ্রামের
    #শিক্ষিত_বেকার_যুবক_যুবতীরা।

    "ব" এ বন্দ্যোপাধ্যায় আসছে তেড়ে !
  • T | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:১০714191
  • ঘরের পর্দা পাল্টেছে হয়তো।
  • PT | ১৫ নভেম্বর ২০১৭ ২১:১৫714195
  • অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটছে কি?
  • s | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০০:৪৭714196
  • খবরটা আবাপতেও বেরিয়েছে।
    ------------------------------------------------------------
    http://www.anandabazar.com/state/farmers-clash-with-tmc-in-birbhum-anubrata-threatens-to-burn-houses-of-agitators-dgtl-1.707769?ref=hm-ft-stry-1

    চাষি-তৃণমূল সংঘর্ষে তপ্ত বোলপুর, বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার শাসানি কেষ্টর

    ডেপুটি পুলিশ সুপারকে বুধবার য়ে ভাবে হুমকি দিয়েছেন অনুব্রত, তাতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে। —ফাইল চিত্র।

    আন্দোলনকারী কৃষকদের ঘর-বাড়ি ভেঙে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াতে এলে আবদুল মান্নান, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যদের হাত-পাও ভেঙে দেওয়া হবে। শাসানি তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের।
    অধিগৃহীত জমিতে শিল্প ছাড়া অন্য কিছু হতে দেবেন না, জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। বোলপুরের শিবপুর মৌজায় কৃষকদের সেই আন্দোলন ভাঙতে বুধবার সরাসরি মাঠে নেমেছিল তৃণমূল। কৃষক বিক্ষোভে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান এবং সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। ঘটনাস্থলের অনেক আগেই মান্নান-বিকাশদের পথ আটকে দিল পুলিশ। আর শিবপুরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হল তৃণমূল কর্মীদের। এই সংঘর্ষের পরই ময়দানে নেমেছেন অনুব্রত নিজে। আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়ে ডিএসপিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। পুলিশ যদি গ্রেফতার না করে, তা হলে আন্দোলনকারীদের ঘর-বাড়ি তিনিই ভেঙে জ্বালিয়ে দেবেন বলে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়েছেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি।
    বীরভূমের বোলপুরের শিবপুর মৌজায় বিশ্ব বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ব বাংলা হাট ও গীতাঞ্জলি আবাসন প্রকল্পের জন্য ২০০ একরেরও বেশি জমি অধিগ্রহণ করছে রাজ্য সরকার। কিন্তু, ওই জমিতে শিল্পের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন কৃষকদের একাংশ। সেই আন্দোলকে ঘিরেই বুধবার সকালে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। তৃণমূল কর্মীদের গাড়ি ও বাইক ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে। দুপুরে লাঠি-বাঁশ নিয়ে জমায়েত করে দু’পক্ষ। ঠিক সেই সময় অনিচ্ছুক কৃষকদের সভায় যোগ দিতে বোলপুরের জিলিপি মোড়ে পৌঁছন সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য ও বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। তাঁদের গাড়ি আটকে দেয় পুলিশ। গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের কাছে কৈফিয়ত চান বিকাশ-মান্নান। তাঁরা এলাকায় গেলে সেখানে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে বলে তাঁদের জানায় পুলিশ। কিন্তু অনড় বিকাশ পুলিশের ব্যারিকেড ঠেলে এগোনোর চেষ্টা করেন বিকাশ। পুলিশের সঙ্গে বিকাশ ভট্টাচার্যের টানাহেঁচড়া শুরু হয়ে যায়। চলে তুমুল কথা কাটাকাটিও। প্রায় দেড় ঘণ্টা রাস্তার উপরেই চাপান-উতোর চলে দু’পক্ষে। কিন্তু পুলিশ কিছুতেই আবদুল মান্নান, বিকাশ ভট্টাচার্যদের ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেয়নি।
  • | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ০১:১২714197
  • রসগোল্লা দিয়ে " ব " চাপা দেওয়া গেল না দেখেই কী আজ এ বি পি আনন্দ কেষ্ট কে সামনে এনে দিল ???
  • j | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ১০:১৬714199
  • সে কি ! পোকিতো বাম তেনোমুল এটা বলতেই পারে না "আন্দোলনকারী কৃষকদের ঘর-বাড়ি ভেঙে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে"

    এই বোম মারা লুম্পেন শিরোমণিটিকে কোনও আই পি সি ই ধরবে না
  • amit | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ১০:৫০714201
  • আর চিন্তা নেই, আশা পূর্ণ হোলো এতোদিনে। দিদি কলকাতা কে লন্ডন বানাতে না পারুক, লন্ডন কে কলকাতার ভাই বোন বানিয়ে দিয়েছে। এবার পারলে কিছু ডেঙ্গুর মশা ওখানেও ছেড়ে আসবে। সরি, ডেঙ্গু না, অজানা জ্বর।

    https://www.ndtv.com/india-news/mamata-banerjee-unveils-plaque-at-sister-niveditas-london-home-1774768
  • | ১৬ নভেম্বর ২০১৭ ১৪:২০714202
  • স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করলেন কলকাতার মেয়র ও দমকলমন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়।

    আর ও দিকে ব্যুমেরাং! অভিষেক ক্ষমা চেয়ে চিঠি ফেরত না নিলে মামলা করবেন মুকুল রায়।

    মানুষ কে ঠিক এরা কি ভাবে কে জানে ?
  • PT | ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ০৭:৪৪714203
  • "বাজারের তুলনায় দামে অনেক বেশি ছাড় দেওয়া সেই ওষুধগুলি কি আদৌ রোগ কমাতে সক্ষম? অতীতে এই প্রশ্ন তুলেছিলেন চিকিৎসকদের একাংশ। এ বার তুললেন কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোলের অফিসারেরা।

    গত অগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতাল এবং আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান থেকে ক্রেতা সেজে বিভিন্ন ওষুধ কেনেন তাঁরা। সেগুলি পাঠানো হয় কিড স্ট্রিটে কেন্দ্রীয় ড্রাগ ল্যাবরেটরিতে। রিপোর্ট বলছে, বেশির ভাগ ওষুধই নিম্ন মানের। অর্থাৎ, ওই ওষুধে রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।""
    http://www.anandabazar.com/state/central-drug-control-officers-raised-question-about-effectiveness-of-low-price-medicines-1.708563?ref=hm-ft-stry-2
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন