এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩০৯২০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • s | ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৮714205
  • সেই বাম আমলের দিনগুলো ফিরে ফিরে আসছে।
  • amit | ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:২৯714206
  • ঠিক বাম আমল কি ? বেশি মিল তো মনে হলো তার আগের সিধুবাবুর পাঁচ বছর (৭২ -৭৭) এর সাথে। তবে বামেদের ৩৪ বছরের ভূত দিদির ভাইদের আগামী ৩৪ বছরেও ছাড়বে না মনে হয়।
  • ??? | ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ১৯:৫৯714207
  • https://www.facebook.com/bhaskar.chakraborty.503/posts/943874659099657

    আজ International Press Freedom Day.
    শান্তনু ভৌমিক
    গৌরী লঙ্কেশ
    রাজদেও রঞ্জন।।।
    গত বিশ বছরে এরকম অরও চুয়াত্তর জন কর্তব্যরত সাংবাদিকের বধ্যভূমি এই দেশে ওপরের ওই শিরোনামটা কেমন নিষ্ঠুর প্রহসনের মত তাকিয়ে থাকে না কি?
    বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের তকমাধারী এই দেশ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার নিরিখে ১৮১টি দেশের তালিকায় ১৩৬তম স্থানে থাকাটা সেই প্রহসনটিকে আরও উপহাসাস্পদ করে তোলে।
    এদেশের সব ক্ষমতা যাদের কুক্ষিগত সেই রাজনৈতিক শ্রেণী প্রেস ফ্রিডমকে ঠিক কতটা হীন চোখে দেখে তার জন্য দুটি উদাহরণই যথেষ্ট।
    প্রথমটা, প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হওয়ার পরবর্তী এই প্রায় চার বছরে নরেন্দ্র মোদী কোনওদিন একটি বারের জন্যও সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হননি। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে যে সংবাদ প্রতিনিধিদলটি তাঁর সঙ্গে থাকার প্রথা এতদিন ছিল নরেন্দ্র মোদী সেটাও বাতিল করে দিয়েছেন।
    দ্বিতীয় উদাহরণটি প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে কট্টর প্রতিদ্বন্দ্বী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে প্রেস মিট করেন বটে। কিন্তু, কোনও প্রশ্ন নেন না। নিজের কথাটুকু বলা শেষ হলে চেয়ার ঠেলে উঠে চলে যান।
    দুটি ক্ষেত্রেই দুজনের সমর্থকেরা যার যার পূর্বসূরীদের উদাহরণ নিয়ে আসরে ঝাঁপিয়ে পড়বেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের যুক্তি ও তথ্যকে অস্বীকারও করা যাবে না। কারণ সেগুলো একেবারে মিথ্যেও নয়।
    আর তাতেই যুক্তিটা জোরদার হবে যে, বাস্তবিকই এদেশের রাজনীতি ঠিক কতটা গণতান্ত্রিক তা নিয়ে ঘোরতর সন্দিহান হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে।
    সবচেয়ে জোরালো যুক্তি হিসেবে ওপরে বলা নিহত সাংবাদিকদের খতিয়ানটা ত আছেই।
    এদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাটার মূল চালিকাশক্তিই হল দুর্নীতি। আর সেই ব্যবস্থাটা টিঁকিয়ে রাখবার অন্যতম অস্ত্রই হল সত্য ও তথ্য গোপন করা।
    আর মুক্ত সংবাদমাধ্যমের কাজই হল সত্য ও তথ্য উন্মোচন করা। ফলে গণতন্ত্রের এই দুই স্তম্ভের মধ্যে সবসময়ই একটা পারস্পরিক স্বার্থের সঙ্ঘাত ক্রিয়াশীল।
    সেই সঙ্ঘাতে রাষ্ট্র তার বিভিন্ন অপকৌশল প্রয়োগে কখনও পিছপা নয়। পাশাপাশি দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেও সে কখনও দ্বিধা করে না। তার একেবারে সাম্প্রতিকতম উদাহরণ রাজস্থান সরকারের প্রস্তাবিত একটি নতুন বিল। যদিও দেশ জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠার পর সে বিল আপাততঃ ঠাণ্ডাঘরে গেছে। তবু সে বিলে যে প্রস্তাব আনা হয়েছিল তাতে সত্য ও তথ্য প্রকাশে রাজস্থান সরকারের চরম অনীহার ছবিটা প্রকাশ্যে ফুটে উঠেছে।
    সরকারী অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত্য কোনও দপ্তরের দুর্নীতি বা অনিয়মসংক্রান্ত কোনও খবর প্রকাশ করা যাবে না। পাশাপাশি সরকার অনুমোদন না দিলে আদালতও কোনও জনস্বার্থসম্পর্কিত অভিযোগে তদন্তের আদেশ দিতে পারবে না। এমনকি আদালত তেমন কোনও মামলা শুনানির জন্যও গ্রহণ করতে পারবে না।
    ভাবা যায়!
    অনেকেই এই অভিযোগ তুলেছেন যে এদেশের সংবাদমাধ্যম তাদের কাঙ্ক্ষিত নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে পারছে না।
    ফেক নিউজ ও পেইড নিউজে দেশ ছেয়ে গেছে। আর পক্ষপাতদুষ্ট সংবাদ পরিবেশনাও যথেষ্টই আছে।
    হ্যাঁ, আছে।
    আছে এবং প্রতিটি পক্ষই নির্লজ্জভাবে সেই অসাধু সাংবাদিকতার সুবিধেকে নিজেদের কাজে লাগাচ্ছেও পুরোমাত্রায়। কিন্তু, তাতে পাবলিক বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ যেমন আছে ঠিক তেমনই সে কী বিশ্বাস বা অবিশ্বাস করবে, গ্রহণ বা বর্জন করবে সেই স্বাধীনতাও ত থাকছে। সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা গেলে একমাত্র তবেই ফেইক নিউজকে তথ্যের সাহায্যে ফেইক নিউজ হিসেবে চিহ্নিত করে দেওয়া সম্ভব। পেইড নিউজের মোকাবিলাও পাল্টা পেইড নিউজ দিয়ে করা যেতে পারে।
    কিন্তু, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করে তার মুখে লাগাম বা চোখে ঠুলি পড়াবার চেষ্টা হলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যে চেকস ও ব্যালান্সেসের শর্ত আছে সেটা আর থাকে না।
    এবং সেই না থাকার সুযোগটা পুরোমাত্রায় কাজে লাগাবার সুযোগ এসে যায় যারা যখন ক্ষমতায় আছে তাদের।
    এবং সেটা যে স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম চরিত্রলক্ষণ সে সত্যটা যেমন আমরা পুরনো অভিজ্ঞতা থেকে জানি, তেমনই উদাহরণ যে এখনও একেবারে বিরল তা ত আর নয়।
    এমনিতেই শাসকশ্রেণীর স্বার্থসহোদর ব্যবসায়ীশ্রেণী সংবাদমাধ্যমকে কুক্ষিগত করে ফেলে সেই মাধ্যমটির বিশ্বাসযোগ্যতাকে অনেকখানি কমিয়ে দিয়েছে।
    তবু বাজারের শর্ত মেনে পারস্পরিক প্রতিযোগিতা কিছুটা হলেও সেই বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখতে বাধ্য করবেই।
    কিন্তু, সরকারী যন্ত্র যদি সংবাদমাধ্যমের গলা টিপে ধরে তবে সেটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাটাকেই অর্থহীন করে তোলে। আর তার সাথে যদি যুক্ত হয় দুর্নীতিবাজদের নির্মম ঘাতক হাত, তবে সম্পূর্ণ ব্যবস্থাটা আগামীতে এক চরম বিশৃঙ্খল দিনের ইঙ্গিত বহন করে।
    অতএব, আজ এই মুহূর্তে রাজনৈতিক শক্তির সর্বময় প্রভু হয়ে ওঠার হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে বিচারব্যবস্থা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রয়োজনে সর্বস্ব পণ করে রাস্তায় নামতেই হবে।
  • s | ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ২১:১৫714208
  • ঠিক বাম আমল কি ?
    -----------------------
    বামেদের সাপোর্টার হলে কি চোখে ঠুলি পড়ে থাকাটা মাস্ট, নাকি স্মৃতিশক্তি লোপ?
    ছোট আঙারিয়া, চমকাইতলা, গড়বেতা, সুচাপুর, কেশপুর, পিংলা সবং, খানাকুল, জঙ্গলমহল ইত্যাদি প্রভৃতি - জাস্ট লোপ পেয়েছে?
    তাও তো সাঁইবাড়ী, মরিচঝাঁপি, আনন্দমার্গি, নন্দীগ্রাম এগুলো ধরলামই না।

    সামান্য কিছু স্মৃতি ফেরাতে।
    http://www.hindustantimes.com/india/here-fear-lives-on/story-GO1FfqJO1zeNRq3iyCBMEI.html
  • Du | ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ২১:২৭714209
  • এখন আর এত নামের দরকার নেই পশ্চিমবঙ্গ গোটাটাই আতংক্গ্রস্ত।
  • modi | ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ২১:৪০714210
  • তফাতের মধ্যে, বামেদের একটু রাখাঢাকা ছিল। এরা পুরো ক্যামেরা লাগিয়ে করে। অনুব্রত থেকে শুরু করে একেবারে ওপরতলা অবধি একই কালচার। যার জন্য ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেবার হুমকিটা শোনা যেত না। গেলে কিছু একটা করা হত। সেটা সিদ্ধার্থশংকর বা মমতা কেউই করে না।

    আর একটা তফাত, ওদের যেটা ৩৪ বছর লেগেছিল, এরা দশ বছরের কমেই সেটা করে ফেলেছে।
  • sm | ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ২৩:২৩714211
  • রাজনৈতিক খুনো খুনি অনেক কমেছে। বাম আমলে খবরের কাগজ ভরে থাকতো এসব জায়গায় বিভিন্ন ধরণের খুন জখমের কথা।
    গত ৬ বছরে উন্নতি বিশেষ হয়নি কিন্তু খুনো খুনি ও বনধ করার হিড়িক কমেছে।
  • সিকি | ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ২৩:২৫714212
  • সোওওও খিউট! গালটা আলতো করে টিপে দিতে হয় :)
  • sm | ১৭ নভেম্বর ২০১৭ ২৩:৫২714213
  • যা বাব্বা !পোলাপান, আবার কার গাল টিপতে চায়!
  • PT | ১৮ নভেম্বর ২০১৭ ০৭:৪৬714214
  • "West Bengal has earned the dubious distinction of recording the highest number of political murders in the country, the National Crime Records Bureau's (NCRB) latest report points out.

    The State recorded 26 political murders in 2013, which is more than 25 percent of the 101 cases in the entire country during the period..........

    Sujato Bhadra, prominent civil right activist who has documented political murders in the State, said that intra-party violence in the ruling party is a unique development."
    http://www.thehindu.com/todays-paper/bengal-earns-a-distinction-topper-in-political-murders/article6306012.ece#!
  • pi | ১৮ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৩২714216
  • মোদিজির 9:40 এ পুরো ক্ক।
  • s | ১৮ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:৩৭714217
  • কিছুদিন পরেই প্রেসিডেন্সি আর চারুচন্দ্রে কোন তফাৎ থাকবে না।
  • | ১৮ নভেম্বর ২০১৭ ২৩:৩০714219
  • বিশ্ব বাংলা! জাগো বাংলা! মা-মাটি-মানুষ! সব মালিকানা ভাইপো! দলটাই বা আছে কেন! দলটাও কি! না থাক!
    'মা-মাটি-মানুষ' একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি
    https://www.mahanagar24x7.com/bn/mamati-manush-is-a-private-limited-company_13387
  • | ১৮ নভেম্বর ২০১৭ ২৩:৩৪714220
  • ওদিকে আবার

    কেষ্ট বলেছে বিরোধীদের চোখ উপড়ে নেবে, চোখ উপড়ে নিলে বাংলায়দিদির উন্নয়ন দেখবে কেমন করে।
  • | ১৮ নভেম্বর ২০১৭ ২৩:৩৫714221
  • "জাগো বাংলা" তৃণমূলের নয়, অভিষেকের কোম্পানি -মুকুলের এই অভিযোগ প্রমাণ হলে ঢ্যাপাটা পদ ছেড়ে দেব বলেছিল। আজ কোম্পানি রেজিস্ট্রার জানিয়েছে, অভিষেকের নামেই রেজিস্ট্রেশন। এবার পদত্যাগ করবে ? এরা আবার বলেছিল কম্যুনিষ্টরা দেহত্যাগ ছাড়া পদত্যাগ করে না !
  • s | ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:১১714222
  • শিবপুরের কেসটা নিয়মিত ফলো করছি। এখানে ডকু থাক। এটা তিনোদের নন্দীগ্রাম হবার পথে এগোচ্ছে।
  • dc | ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:২২714223
  • শিবপুরে তেলেভাজা শিল্প কম পড়ছে নাকি? এতো আন্দোলন কেন?
  • s | ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:৩৭714224
  • এই আন্দোলনও একটা জরুরী প্রশ্ন তুলে ধরেছে। বাম আমলে সরকার জমি অধিগ্রহণ করেছিল শিল্প করবে বলে। এখন তিনো সরকার সেখানে ইউনিভার্সিটি আর আবাসন করতে চায়। স্বাভাবিকভাবেই কেষ্ট গ্রুপের ইন্টারেস্ট এসব থেকে বিপুল টাকা মারার।
    কিন্তু শিল্পের নামে জমি নিয়ে সরকার অন্য কোন উদ্দেশ্যে তা ব্যবহার করতে পারে কিনা এটা বড় প্রশ্ন। এ নিয়ে আদালতে যাওয়া উচিৎ।
  • j | ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৫৮714225
  • লুম্পেন সর্দার কেষ্ট মন্ডলের সংগে লড়াই বা শিব্পুর নিয়ে আদালতে যাওয়া সেই তো "বাসের সামনে দিয়ে উঠে পেছন দিয়ে নামা" পার্টির বিকাশ, কদিন আগে বিমান আর 'জোটের" মান্নান

    ভাইপো কমিশনের বিস্সোবাংলু টাউনশিপের বিরুদ্ধে চাষীদের এই আন্দোলনে কোথায় সেই মেধা, অনুরাধা আর জয়াপ্রদা (ইয়ার্কি নয় অমর সিংয়ের সঙ্গে এসেছিলেন মঞ্চে) ?

    আর কারা সব ছিল না মাতঙ্গিনী মহিলা, পিইউ এপি কিসব যেন ? স্বাধীনবাউ মুক্তচিন্তকদের বেদনা নাই ?

  • PT | ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ১২:০৩714227
  • এই সরকার নাকি একটা আইন পাশ করেছে যে শিল্পের জমিতে শিল্পই হবে।
    তবে তিনো আমলের ভাঙর, শিব্পুর ইত্যাদি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম নিয়ে ছেলেখেলা করে "জমির-আন্দোলন"-এর মোড়কে প্রকৃত অর্থে একটি ঢপের কেত্তন সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনোদের অবশ্যই সেই কাঁটার খোঁচা খেতে হবে।
    খালি জমিতে শিল্প না হলে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া মোটেই কোন খারাপ প্রস্তাব নয়। তার সঙ্গে আবাসনেরও প্রয়োজন আছে। কোন জেলায় বা মফস্বলে বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় কিছু হলে সেখানকার অর্থনীতির চেহারা বদলে যায় (তুলনামূলক ভাবে)। আর শিল্প হলে তো আরো ভাল।
    অতিবাম পন্ডিতেরা পরবর্তি বিপ্লবের আগে IITKharagpur-কে কেস স্টাডি হিসেবে মেপে দেখতে পারে। মাত্র হাজার খানেকের স্থায়ী চাকুরীজীবি ও হাজার দশেক অস্থায়ী ছাত্র স্থানীয় তো বটেই (সরাসরি), এমনকি ঝাড়গ্রাম থেকে জামবনির অর্থনীতিকেও পরোক্ষে বিপুলভাবে প্রভাবিত করছে।
  • dc | ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ১২:০৫714228
  • পিটিদাও আমার মতো কিনেসিয়ান ক্যাপিটালিস্ট, তাই তো পিটিদাকে এতো ভালো লাগে ঃ)
  • PT | ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ১২:১৪714229
  • যতদিন না সমাজতন্ত্র আসছে ততদিন মানুষগুলো কি পেটে গামছা বেঁধে রাখবে? আমি অবিশ্যি অর্থনীতি নিয়ে তাত্বিকতা বুঝি না.........কিনে খেতে পারলে তবে না কিনেসিয়ান!!
  • dc | ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ১২:৩৫714230
  • ঠিক, কিনে খেতে পাওয়ার সিনই নেই ঃ) সেজন্যই বোধায় তেলেভাজা শিল্পও ঠিক পোষাচ্ছে না।
  • | ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ২২:৫০714231
  • এটা থাক তাপস দা র লেখা ...
    আর এক সি পি আই এম-এর গল্প-৪
    তাপস দাস
    "২৩ জানুয়ারি,২০১০ সাল উড়িষ্যার সুন্দরগড় জেলার বোনাইয়ের সি পি আই(এম) কমরেড আনন্দ মাসিহোরো,জনপ্রিয় আদিবাসী নেতা খুন হন। কমরেড আনন্দ জেলা পরিষদের দুই কালীন সদস্য এবং জননেতা। দরিদ্র জনগণের শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। মাওবাদীরা কয়েকদিন আগে তাকে অপহরণ করেছিল। এবং পরবর্তীতে পুলিশ তার মৃত্যুর খবর জানায় যদিও তার শরীর এখনও উদ্ধার করা হয়নি। এর আগে মাওবাদীরা কমরেড রবি ওরাম নামে আরেক উপজাতীয় নেতা হত্যা করেছিল, যিনি সি পি আই (এম) -এর শাখার সচিব ছিলেন। যেহেতু সিপিআই (এম) নেতৃত্বাধীন গ্রামবাসীরা মাওবাদীদের দখলদারির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল তাই মাওবাদীরা দুটি পার্টি অফিস পুড়িয়ে দেয় এবং গ্রামবাসীদের ঘর লুট করে এবং তাদের উপর হামলা করে। পাঁচ জনের মৃত্যু হয়ে।"
    ২০১৭ সাল। ২১৫ নং জাতীয় সড়ক এবং সাতটি রাজ্য সড়কের বেহাল অবস্থা প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সিটু অনির্দিষ্ট কালের অর্থনৈতিক অবরোধ শুরু করে। 5000 টিরও বেশি ট্রাক সড়কের পাশে আটকে থাকে। অবরুদ্ধ কইদা, বোনাই। সরকার কর্ণপাত করেনি। লক্ষণ মুণ্ডা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশনে বসেন। মুখ্যমন্ত্রী কথা বলেন। লক্ষণ মুণ্ডা সন্তুষ্ট হননি। অনশন চলতে থাকে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে লক্ষণ মুণ্ডাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৭শে মার্চ বিধানসভা থেকে সাসপেন্ড করা হয় লক্ষণ মুণ্ডাকে অনশনের কারণে।
    ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সুন্দরগড় জেলার কইদা ব্লকে শাসক বি জে ডি সি পি আই এম কর্মীদের ওপর আক্রমণ করে। প্রতি আক্রমণ হয়। বি জে ডির কুড়ি জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। বি জে ডির দাবী লক্ষণ মুণ্ডা সুন্দরগড় জেলায় গুণ্ডারাজ কায়েম করেছে। লক্ষণ মুণ্ডা বলেন ঠিকাদারের হয়ে গরীব আদিবাসীদের উচ্ছেদ করতে এসেছিল তাই উচিত শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
    উড়িষ্যার সুন্দরগড়। বোনাইয়ে চলে যান। দেখবেন বছর পঞ্চাশের এক আদিবাসী নেতা মাদল বাজিয়ে মনের আনন্দে গান ধরেছেন, নাচছেন। ভুবনেশ্বর চলে যান, দেখবনে এক আদিবাসী নেতা অঙ্গনওয়ারী কর্মীদের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। গরীব আদিবাসীদের বঞ্চিত করে খনি লুটের প্রতিবাদে সামনে দাঁড়িয়ে আন্দোলন আর আন্দোলন। কখনও আর এস এস এর ধর্মান্তরকরণ কখনও পুঁজিপতিদের শোষণের বিরুদ্ধে। লড়াইয়ে থাকাটাই ধর্ম। শোষিত মানুষের স্বার্থে গণ আন্দোলন। আর তাই ২০১০ সালের রক্তক্ষয়ের পর ২০১৪ সাল বোনাই আবার সি পি আই এম-এর। তার আগে ২০০৪ সালে বোনাই থেকেই বিধানসভায়। ২০১৪তে দ্বিতীয়বারের জন্যে লক্ষণ মুণ্ডা। গোপানা গ্রাম পঞ্চায়েতের সরপঞ্চ, করিয়া পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যানের লড়াইটা খুব সহজ ছিলনা। একদিকে মাও, অন্যদিকে বি জে পি বি জে ডি। লড়াইয়ে থাকাটাই ধর্ম। লড়তে লড়তেই জয় আসে।
    লক্ষণ মুণ্ডা বোনাইয়ের। লক্ষণ মুণ্ডা সি পি আই এম এর।
  • amit | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ০৫:৩৪714232
  • এতদিন দেখতুম কোনো কোনো ডাক্তার তিনোদের অন্ধ সমর্থক। এখন দেখছি তিনোদের দলের সবাই দারুন শিক্ষিত (?) ডাক্তার। কোন রোগীর কিসে মৃত্যু হয়েছে সেটাও তেনারা নাড়ি না দেখেই বলে দিতে পারেন। দারুন খবর।

    http://www.anandabazar.com/calcutta/civic-authorities-refused-to-take-the-blame-for-another-death-in-dengue-1.709089?ref=calcutta-new-stry'

    এবার ডেথ সার্টিফিকেট গুলো হাসপাতাল থেকে না করে সরাসরি তিনোদের ব্লক অফিস থেকে বিলি করলেই তো ঝামেলা চুকে যায়।
  • s | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০১714233
  • ধীরে ধীরে ফাঁস হচ্ছে। এরা শিক্ষক? যেখানে পেরেছে টাকা খাবার জন্য হারমজাদারা ফাঁদ পেতে রেখেছে। মা-মাটি-জানোয়ার।
  • গোমড়াথেরিয়াম | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০৪714234
  • বই নিয়ে নেপো পোষা তো দেখাই যায়। সরকারি বইগুলো নেড়েচেড়ে দেখলেই মালুম হয়। আমি মাঝে মাঝে ছবি তুলে রেখে দিই। মণিমুক্তো সমস্ত।
  • s | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৩১714235
  • আবার হুমকি। এবং ফিশফ্রাই তত্ত্ব।
    সাঁইথিয়ার সভায় এ দিন তিনি বলেন, ‘আমি যদি মনে করি, সিপিএম কমরেডদের ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দেব৷ সিপিএমের রাজত্বে যাদের খুন করেছে, তাদের পরিবার ছেঁকে ধরলে ওরা কোথায় পালাবে ? কমরেডরা তো আমার দয়ায় বেঁছে আছেন৷ আমি মাথার উপর থেকে হাত তুলে নিলে ওঁদের ধর থেকে বেরনো বন্ধ হয়ে যাবে৷ ’ পরে সংবাদমাধ্যমের কাছে এই মন্তব্যের যে ব্যাখ্য দিয়েছেন অনুব্রত, তাতে সিপিএমেরই অস্বস্তি বাড়ার কথা৷

    তিনি বলেন, ‘কলকাতার লিডাররা জেলায় মিটিং করতে এলে এখানকার কমরেডরা ফোন করে আমাকে বলেন, অমুক এলাকায় জনসভা আছে৷ আমি বলি, যাও অসুবিধা হবে না৷ জিজ্ঞাসা করুন ওদের কমরেডদের, আমাকে ফোন করেন কি না৷ ওঁরা আমার দয়ায় বেঁছে আছেন৷ ’
  • S | ২০ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৩৯714236
  • আচ্ছা অনুব্রতকে বিগ বসে পাঠানো যায়্না?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন