:))) | ০২ জুলাই ২০২০ ০০:০৩448667
sm | ০১ জুলাই ২০২০ ২৩:৫৭448666lcm, স্লেভার কথাটি বা শব্দবন্ধ টি চার্লস দ্যা গল এর সঙ্গে জুড় লো কি করে??
de | ০১ জুলাই ২০২০ ২৩:৪৭448665
de | ০১ জুলাই ২০২০ ২৩:৩৮448664
de | ০১ জুলাই ২০২০ ২৩:৩৭448663
b | ০১ জুলাই ২০২০ ২৩:৩৬448662
lcm | ০১ জুলাই ২০২০ ২৩:৩১448661
sm | ০১ জুলাই ২০২০ ২৩:১১448660দেখুন, মানুষ কিরকম উন্মাদনার পরিচয় দেয়। সম্প্রতি বি এল এম, আন্দোলনের জেরে,ফ্রান্স এ চার্লস দ্যা গল এর মূর্তিতে রং লেপে দেওয়া হয়েছে।লেখা হয়েছে স্লেভার!! এর মানে কি!?
চার্লস দ্যা গল, হলো ফ্রান্সের ন্যাশনাল হিরো।নাৎসি আক্রমণ থেকে দেশ কে রক্ষা করেছিলেন।জন্ম ১৮৯০ সাল।আর তাঁর জন্মের প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে,১৮৪৮ সালে ফ্রান্স থেকে দাস ব্যবস্থা সরকারী ভাবে নির্মূল হয়।এই উন্মাদনার কি মানে হয়!?
এলেবেলে | ০১ জুলাই ২০২০ ২৩:০৬448659এসেম, আজকাল আপনার ঠ্যাং টানি না ঠিকই তা বলে লাগাতার আংবাং বকে গেলে পুরনো অভ্যাসে ফিরতে হবে গান্ধীর বর্ণবিদ্বেষের কথা শ্বেতাঙ্গরা লিক করবে কেন? তিনি তো তাদের পরম মিত্র ছিলেন। সেসব ডকুমেন্টেড। মেয়ার পাপেট অফ দ্য কলোনিয়াল পাওয়ার।
আর কে বলেছে আপনাকে //বিদ্যা সাগর তো বাঙালী লোকজনের ওপর বীতশ্রদ্ধ হয়েই, কর্মাটরে সাঁওতাল দের সঙ্গে থাকতেন।সে তো অভিমানে স্বেচ্ছা নির্বাসন।//? আপনি 'বিদ্যাসাগরের জীবনের শেষ দিনগুলি' বইটা পরে ফেলুন দিকি বেকার হ্যাজ না নামিয়ে।
বাকি জিনিস নিয়ে যা বলার বলব মাস তিনেক পরে। তখন তক্কো করে ফাটিয়ে দিয়েন। হ্যাঁ, তার আগে সামান্য হোমওয়ার্ক করে নেবেন।
sm | ০১ জুলাই ২০২০ ২৩:০০448658এলেবেলে বাবু।সাউথ আফ্রিকায় আপার্থেইড সরকার চলেছে নব্বই দশক অবধি।গান্ধী সাউথ আফ্রিকায় ছিলেন তার একশো বছর আগে। প্রায় দুই দশক ধরে।ওই সাদা আপার্থেইড সরকার এই সুবর্ণ সুযোগ ছেড়ে দিয়েছে বলছেন!? একশো বছর টাইম পাওয়া সত্বেও সাদা সরকার ওগুলো লিক করে নি!!কি আশ্চর্য!
দুই, বিদ্যা সাগর তো বাঙালী লোকজনের ওপর বীতশ্রদ্ধ হয়েই, কর্মাটরে সাঁওতাল দের সঙ্গে থাকতেন।সে তো অভিমানে স্বেচ্ছা নির্বাসন। তা বলে,তাঁর নারী শিক্ষা নিয়ে আন্দোলন,বিধবা বিবাহ আন্দোলন তো মিথ্যা হতে যায় না। ওঁর লেখা বইগুলো তো অস্বীকার করা যায় না।
বাংলা ভাষার ওপর আধুনিক বাঙালি গুরুত্ব কম দিচ্ছে। তার বিভিন্ন আর্থ সামাজিক কারণ আছে। তো, সেই হেতু,বর্ণ পরিচয় আর ব্যাকরণ কৌমুদী কি মিথ্যা হয়ে যাবে!?
S | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:৫৯448657
dc | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:৪৫448656
এলেবেলে | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:৪৫448655বিদ্যাসাগর বাঙালির নয়নের মণি সত্যি সত্যি হলে বহুবিবাহ স্বাধীন ভারতে বন্ধ হয় না। বাল্যবিবাহ থাকে না। মানুষ নিরক্ষর থাকে না আজও। সাঁওতালদের হাল একটু ভালো হয়। তারপরে বিধবাবিবাহ। তখনই বুঝতে পেরেছিলেন বাঙালি অসার। আসলে বাঙালির আদিখ্যেতাটা খুবই সর্বকালীন ব্যাপার। মানে দিঘি কল্পনা করা!
r2h | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:৪৪448654
এলেবেলে | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:৪১448653ওফ এসেম স্যার। ভারত সরকার গান্ধী রচনাবলি প্রকাশ করার আগে সেসব কোথাও মিলত না। বিক্ষিপ্তভাবে ছিল, সামগ্রিকভাবে নয়। ডিজিটাইজ করার পরে মোট ৯৮টা খণ্ড। আকারটা কত বিশাল তা বুঝতে পারছেন/
r2h | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:৪০448652
sm | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:৩৮448650দক্ষিণ আফ্রিকায় অথরিটি কে লেখা চিঠিতে কি ছিলো, তা নিশ্চয় আর্কাইভিত ছিলো। নয় তো গবেষক গণ পেলেন কি করে!?এমন নয় যে, আগে কেউ এ বিষয়ে আগ্রহী ছিলো না!?এতো বড় ব্যক্তিত্ব যখন।
যাই হোক, মূর্তি ভাঙ্গা এক ধরনের উন্মাদনার পরিচয়।মূল্যায়ণ ও পুনর্মূল্যা়য়ন ঘটতেই থাকবে।কারণ ভরকি দেবার লোকজনের অভাব নেই,দুনিয়ায়।
বিদ্যাসাগর বাঙালির নয়ন মণি ছিলেন।নকশাল আমলে তাঁর মূর্তি ভাঙ্গা হয়েছে। আবার প্রচুর মূর্তি গড়া হয়েছে।হালফিল আবার ভাঙ্গা হয়েছে।আবার ভবিষ্যতে গড়া হবে।
গান্ধীর মূর্তি দুনিয়া জুড়ে রয়েছে।আজ কিছু জায়গায় ভাঙ্গা হিয়েছে।উল্লসিত হবার কিছু নেই।আবার প্রচুর নতুন মূর্তি তৈরী হবে। আফ্রিকা তেও হবে। আশ্চর্য্যের কিছু নাই।দুনিয়া বড় বিচিত্র জায়গা।
এলেবেলে | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:৩৮448649ঠিকই। যেমন অনেকের মানুষকে 'বড় মানুষ' প্রোজেক্ট করার ব্যাপারটা খুব পচুন্দো। এবং সেই 'বড়' মানুষগুলো সব ঔপনিবেশিক ভারতের। কারণ অন্যন্য দেশে এই কালচারটাই নেই।
de | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:৩৭448648
de | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:৩৪448647
r2h | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:৩৩448646
de | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:২৯448645
এলেবেলে | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:২৬448644আজ্ঞে না। প্রথমত ম্যান্ডেলা-কিং অ্যাপিল টু অথরিটি নন। দ্বিতীয়ত তাঁর যাবতীয় কাগজপত্র দক্ষিণ আফ্রিকাতে সংরক্ষিত নেই। আর দক্ষিণ আফ্রিকার রেসিস্ট গান্ধীর উত্তরণ ঘটে ভারতে কাস্টিস্ট গান্ধী হিসেবে। রেসিস্ট না হলে কেউ কাস্টিস্ট হয় না ভারতবর্ষে। সে কারণে আম্বেদকর তাঁকে ধুইয়ে ছেড়ে দিয়েছিলেন।
aranya | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:২৬448643
aranya | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:২৪448642
এলেবেলে | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:২৩448641আফ্রিকার লোক এখন জানছেন এবং গান্ধীমূর্তি উৎপাটিত করার আন্দোলন করছেন সারা আফ্রিকা জুড়ে। সত্য কতদিন চাপা থাকে?
sm | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:২০448640এই খানেই তো খটকা!ম্যান্ডেলা,ওবামা বা আরো কিছু বিধগ্ধ ব্যক্তিত্ব--- এনারা তো কাঁচা লোক নন। পন্ডিত ব্যক্তি সব।গান্ধীর কীর্তিকলাপ, চিঠিপত্তর সাউথ আফ্রিকায় সংরক্ষিত। তো,এসব এঁদের দৃষ্টির অগোচরে রইলো কেমনে!!?
আমি মানতে রাজি,গান্ধী প্রথম জীবনে আক্ষরিক অর্থে প্রেজুডিসড ছিলেন।রেসিস্ট কথাটা আর ইচ্ছে করেই উল্লেখ করলাম না।ধীরে ধীরে ওই প্রেজুডিস খোলসটি সরে যায়। আমার কাছে ওই উত্তরন টাই বড় জিনিষ।
আপনি হয়তো বলতে চাইছেন, উনি ইনবর্ণ বা দীর্ঘ মেয়াদী রেসিস্ট বা ভনিতা বাজ। এই দিকটায় আমি দ্বিমত পোষণ করি।
r2h | ০১ জুলাই ২০২০ ২২:০৯448639
এলেবেলে | ০১ জুলাই ২০২০ ২১:৫৫448638অরণ্য, কালিপরাজ - রানিপরাজ সুমিত সরকারেই আছে। অন্য জায়গাতেও। এই কাজটার উল্লেখ করলে সত্যের অপলাপ হয়। গান্ধীশিষ্য মহাবজ্জাত প্যাটেল কলিপরাজদের বলেন এবারে তাঁদের ভগবানের বদলে এক নতুন ভগবান আসছেন যাঁর নাম গান্ধী। আর বরদলৈ কমিটির সিদ্ধান্ত আমি রজনী পাম দত্ত থেকে কোট করেছিলাম। ওটা পড়লে বুঝবেন সবই ফাঁকা আওয়াজ।
এসেম, ধুর গবেষক-ফবেষক বলবেন্নাকো। আমি জানি আমি কী। কতটা আমার সীমাবদ্ধতা। কিন্তু ইন্ডিয়ান ওপিনিয়নের পাতায় পাতায় যে বর্ণবিদ্বেষের নমুনা ছড়িয়ে আছে তা ম্যান্ডেলা এট আল বুঝতে পারেননি। কারণ সেসব ততদিন প্রকাশিত হয়নি। প্লাস অনেক লেখার গুজরাতি ভার্সন ও ইংরেজি ভার্সন আলাদা। গান্ধী ধুরন্ধর বানিয়া। তাঁর অনেক কাগজপত্তর দেশে ফিরে আসার সময়ে পুড়িয়ে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা পর্বের অন্ধকার দিকটা নষ্ট করে ফেলতে চাইলেও সক্ষম হননি।
এই নিয়ে মানে ম্যান্ডেলা-কিংদের গান্ধীপ্রেম নিয়ে জি বি সিং-এর একটি মূল্যবান গ্রন্থ আমি আমার লেখায় ব্যবহার করেছিলাম। যেহেতু এই প্রসঙ্গটা আমার মূল লেখায় অপ্রাসঙ্গিক ছিল, তাই শেষে বাদ দিয়েছিলাম। পারলে বইটা পড়ে ফেলুন। অনেক অন্ধকার কেটে যাবে। ১৮০০টাকা দাম, আপনার কাছে নস্যি।