এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • আঁতেল | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৭:৩৭448824
  • আরে মশাই অশ্বিন কেন, অরুন্ধতী রায়ও জিবিবাবুর উল্লেখ করেচে। কিন্তু খাজা বই তাতে ভাল হয়ে যায় না। হিস্টোরিয়ানে একটা রিভিউ বেরিয়েচিল বইটার। সেইটে দেকুন গা। খোরাক সরবরাহ বন্দ করুন।

    (গাঁড়ল টা চাম্পি হয়েচে)

  • এলেবেলে | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৭:২৫448823
  • এবারে আমার ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল।

    মানে গাঁড়লগিরিরও একটা লিমিট থাকে। সেটাকেও এঁরা ক্রস করে গেলেন। অশ্বিন দেশাইরা হচ্ছেন কাদা লেপা লোক!! তো আবারও কিছু ছবিছাবা।

    এটা তাঁদের লেখক পরিচিতি

    এইটা হচ্ছে তাঁদের বইটি সম্পর্কে প্রশংসাবাণী

    এঁদের মধ্যে লেলিভেল্ড হচ্ছেন Great Soul: Mahatma Gandhi and His Struggle with India গ্রন্থের লেখক। যে বইতে গান্ধীর সঙ্গে কলেনবাকের সমকামিতার ইঙ্গিত থাকায় ভারতে বইটা ব্যান ছিল। এঁকেও আমি ব্যবহার করেছিলাম আমার লেখায়।

    এটা হচ্ছে লেখকদের অ্যাকনলেজমেন্টস।

    এবারে আরেকজন। তিনি জি বি সিং পড়বেন না। কেন? না তিনি কর্নেল! আজব যুক্তি। এখানে প্রযুক্তিবিদ ইতিহাস লিখে ফাটিয়ে দিচ্ছে। সেই ইতিহাসে হাজার ছ্যাঁদা থাকলেও কেউ রা অবধি কাড়ে না, কাউন্টার তো দূর কি বাত। তো তাঁরা সেসব লিখতে টিখতে পারবে। কারণ ঘরেলু মামলা। এক ডাক্তার এখানে হুলিয়ে পোবোন্দো লিখছে ফি সপ্তাহে। সেটা জায়েজ। কিন্তু এতে অসুবিধা কেন? না এঁরা বলেছেন গান্ধীর হাগায় শুধু দুর্গন্ধ ছিল তাই নয়, তাঁর পাদেও সেসব ছিল-টিল।

    এখন গুরুর মার্কামারা চণ্ডীমণ্ডপে থেলো হুঁকো হাতে প্রগাঢ় পণ্ডিতরা সেসব মানবেন কেন? পড়বেন তো না-ই, মানবেনও না। কারণ তাঁরা সর্বশক্তিমান। দুনিয়ার হেন জিনিস নেই যা তারা জানেন না এবং শেষ মন্তব্যটা করতে পারেন না। আর তাঁদের স্যাঙাত হিসেবে আছেন কিছু তামুক সেজে দেওয়া তল্পিবাহক। যাঁদের দুটো কাজ - খিল্লি এবং বইমেলায় বই-এর স্লিপ কেটে লেখক সাজার দুর্মর বাসনা। তো তাঁরা লিখবেন। আর হুঁকো হাতে পণ্ডিতরা বলে যাবেন গান্ধী জীবনে কোনও দিন পাদেননি তাই নয়, তাঁর হাগাও চন্দন সুবাসিত ছিল। আমরা সেসব যত্ন করে বাড়িতে রেকে দিইচি। বললেই হপে?

    কিন্তু তিনি মানে জি বি সিং তাঁর কনক্লুশনে এই রেফারেন্সগুলো ব্যবহার করেছেন।

    এবং কী আচ্চোজ্জো! অশ্বিন দেশাইরা তাঁদের বিবলিওগ্রাফিতে এই বইটার উল্লেখও করেছেন!!

  • সিএস | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৬:৪০448821
  • অশ্বিন দেশাই না পড়ার সম্ভাবনাই বেশী কারণ আলাদা করে গান্ধীকে নিয়ে উৎসাহ নেই, হেজিওগ্রাফিতেও নেই, উল্টোদিকের মুখে ঝামা ঘষে দেওয়াতেও নেই। আর পড়তে গেলে তো গান্ধীর জীবনে সমকামিতার ব্যাপার ছিল, দঃ আফ্রিকায় বসবাস পর্বে, এক জার্মানের সাথে, সে নিয়ে প্রকাশিত বইটাও পড়তে হয়। সে পর্বের কাগজপত্র মনে হয় পুড়িয়েছিলেন, কেন সেটা করেছিলেন, নিশ্চয় নিজেকে পরে মহাত্মা সাজানোর জন্য সেসবও এনে ফেলা যাবে ?
  • r2h | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৬:১৭448820
  • আমার চেনা একজন অলীকবাবু নাটকে ছাগল সেজেছিলেন। কিন্তু নাটকের আগে যে কাগজ দেওয়া হয় সবার পরিচিতি নাটক সম্পর্কে দু'চার কথা থাকে, ওটাকে কি যেন বলে? সেখানে সব চরিত্রের নাম লেখা থাকলেও ছাগলের বদলে লেখা ছিল 'অন্যান্য'। যদিও ছাগল চরিত্রটি উচ্চপ্রশংসিত হয়েছিল।
  • sm | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৬:০৭448819
  • গান্ধীজি প্রথম জীবনে নন ভেজ ছিলেন।

  • r2h | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৬:০০448818
  • ছগলের দুধ খেতেন তো। নাহলে আর ছাগল নিয়ে ঘুরবেন কেন, নিরামিশাষী লোক। গোরুর ব্যাপারটা জানি না অবশ্য।

    আমার মা একবার কাদের বাড়ি পুডিং খেয়ে বমি করে দিয়েছে, এবং তাতে ঐ বাড়ির লোকজন তেমন বিচলিতও হয়নি। পরদিন কমনরুমে লোকজন শুনে বলেছে, ওহো, ওদের বাড়ি অনেকগুলো ছাগল, ওরা সব ছাগলের দুধের জিনিস বানায়, ওদের বাড়িতে অনেকেই বমি করে।

    আমি একবার আমার এক জায়গায় গেছিলাম, পাহাড়ের ওপর জঙ্গলের ভেতর ভয়ানক গ্রাম, ইলেক্ট্রিসিটি নেই। সেখানে দুটো টিলা পেরিয়ে কাদের বাড়ি গেছি, সেখানে ঘটিতে করে দুধ খেতে দিয়েছে, সে দুধের মধ্যে খড়কুটো ভাসছে। আমি কিনা জন্মে কোনদিন ওরকমভাবে দুধ খাইনি, এবার ওখানে ওটা না খেলে হোস্টকে অপমান করা হয়, তাই দমবন্ধ করে সেই বোঁটকা গন্ধওলা সদ্য দোয়ানো ট্যালটেলে ছাগলের দুধ খেয়ে নিলাম। ভয়ানক ব্যাপার।
  • b | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৫:৫৪448817
  • গোরু। ছাগল খেতেন। মানে ছাগলের দুধ।
  • dc | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৫:৫১448816
  • এদিকে গান্ধী এমন ছিটেল লোক ছিল যে গোরুর দুধ খেত না (নাকি ছাগলের দুধ খেত না?)
  • sm | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৫:৪০448815
  • Finally, the visitor asked if Christianity could bring ‘salvation to Africa’. Gandhi’s answer is worth quoting in full:

    “Christianity, as it is known and practised today, cannot bring salvation to your people. It is my conviction that those who today call themselves Christian do not know the true message of Jesus. I witnessed some of the horrors that were perpetrated on the Zulus during the Zulu rebellion. Because one man, Bambatta, their chief, had refused to pay his tax, the whole race was made to suffer. I was in charge of an ambulance corps. I shall never forget the lacerated backs of Zulus who had received stripes and were brought to us for nursing because no white nurse was prepared to look after them. And yet those who perpetrated all those cruelties called themselves Christians. They were “educated”, better dressed than the Zulus, but not their moral superiors.”

    These remarks were a decisive advance on, and in some respects a clear repudiation of, Gandhi’s older views on Africans. He no longer believed in a hierarchy of civilisations where Christians and Hindus were at the top and Africans at the bottom. He had long since rejected his once benign view of imperialism. Europeans were not morally superior to Zulus. In their pursuit of wealth and power, professedly ‘Christian’ nations could be entirely barbaric.
  • sm | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৫:৩২448814
  • অশ্বিন দেশাই ও গুলাম ভাহেদ আপনার মতন ই কাদা লেপে বেড়ানো লোকজন।ওনাদের কি এমন যোগ্যতা,যে একটি বই লিখবেন, বিকৃত তথ্য দিয়ে বিক্রি বাড়াবেন আর লোকজন সেগুলো বিলকুল হজম করে নেবে!!

    নিচের পোস্টের মন্তব্য গুলো পড়ুন।

  • sm | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৫:২৭448813
  • Lynn Cothren, former aide to late Coretta Scott King, widow of Dr. Martin Luther King Jr. and founder the Martin Luther King Jr. Center for Nonviolent Social Change in Atlanta, said while he is aware of the book and has read newspaper reviews of the work, the so-called controversy surrounding a “racist Gandhi” seems to have passed by.

    “I don't think there has been much discussion about Gandhi's “racism” in South Africa issue as far as the Americans here are concerned. I don't know if most Americans fully understand the complexity of a continent like Africa,” Cothren told India Abroad.

    Both Cothren and Carson said “the book was no revelation” to them as such because charges have been made against people like Gandhi and King in the past by people looking at a person in the previous century from modern day perspective, which they said is a fallacious approach to judging a person.
  • ফুটো পয়সা | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৫:০৬448812
  • আহা! আজ তিনটে নির্মোহ ব এর সময় নষ্ট কল্লেন।

  • এলেবেলে | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৫:০৩448811
  • বেশ তাহলে অশ্বিন দেশাইটা পড়ে দেখুন। তিনি কর্নেল নন।

  • sm | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৫:০১448810
  • দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধী গেছিলেন কপর্দক হীন ব্যারিস্টার হিসাবে।ভারতীয় ব্যবসায়ী দের স্বার্থ রক্ষার জন্য।মূলত ইংরেজি জানা একজন দোভাষী ল ইয়ার হিসাবে।ধীরে ধীরে ওনার প্র্যাকটিস বেশ বেড়ে যায়।তখনকার দিনে পরবর্তী কলে পাঁচ হাজার পাউন্ড অবধি বছরে রোজকার ছিল।
    ওনার মেন উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় দের স্বার্থ রক্ষা।উনি ছিলেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।তখন ভিক্টোরিয়ার আমলে,প্রজাদের সমান ভাবে ট্রিট করা হবে এমন একটা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।
    উনি ভেবেছিলেন ইন্ডিয়ান রা ব্রিটিশ দের সহায়তা করলে,তার কিছুটা প্রতিদান পাবে।ডাচ দের বিরুদ্ধে তাই ইন্ডিয়ান দের ব্রিটিশ দের হয়ে যুদ্ধে সামিল হতে বলেন।
    ক্রমাগত রেশিয়াল এবিউস এর শিকার হন।জুলু দের ওপর অপরিসীম অত্যাচার দেখে মনে পরিবর্তন আসে।
    বুঝতে পারেন, কালার্ড পিপল দের ওপর সাদা মানুষ দের দৃষ্টি ভঙ্গি বদলাবার নয়।এখানেই আসে ট্রান্সফরমেশন। মোহ কেটে বেরিয়ে আসেন।
    ম্যান্ডেলা এট অল এর কাছে এই পরিবর্তন ছিলো দারুন উৎসাহ জনক। ম্যান্ডেলা বার বার বলেছেন,তখনকার প্রেক্ষিতে যুবক গান্ধীর ওই আচরণ মোটেও সৃষ্টি ছাড়া নয়।বরঞ্চ বেশি বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে।
    বহুবার গান্ধীর প্রেইজ করেছেন। বলেছেন ওনার ওই নন ভায়োলেন্স মুভমেন্ট এর টেকনিক টি ছিলো অসাধারণ।
    ওই টেকনিক প্রথম পরাক্রমী ও আগ্রাসী শাসক কে ভাবতে শুরু করায়।প্রসঙ্গত ম্যান্ডেলা কিন্তু প্রথম জীবনে বেশ চরম পন্থী আন্দোলনে বিশ্বাসী ছিলেন।
    উনি বার বার বলেছেন,আমি নন ভায়োলেন্স ততক্ষণ চালাবো,যতক্ষণ সেটি সাকসেসফুল।ওনার মতে গান্ধীর আন্দোলনের যে ইমপ্যাক্ট ছিলো,সেটাই এপার্থেইড এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে কাজে লেগেছে।
    গান্ধীজি তাই আজো প্রাসঙ্গিক,ওনার কাজের ভিত্তিতে।
  • সিএস | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:৫৬448809
  • না এলেবেলে, কোন কর্ণেলের লেখা ধরিয়ে দিলেই সেসব পড়ব না, প্রয়োজন নেই। হিউম্যানিটিজের সমস্যা এটাই যে, যে কেউ মন্তব্য করতে পারে বা বই লিখতে পারে, বিষয়ের দাবী বা বিচারের পদ্ধতি না মেনে। এবং সেসব না করেই বড় সিদ্ধান্তে আসা যায় নিতান্ত অনুমানকে ভিত্তি করে যাকে মনের মাধুরী বলা যায়। যে কোন লেখা পড়তে গেলে তো এখনকার এক মিলিটারি ম্যানের সরস্বতী নদী সভ্যতা নিয়ে জে এন ইউ তে পেপার পড়া সেখানকার সবার মেনে নেওয়া উচিত ছিল।

    ( আর কে কেন চুপ করে গেল তাও অল্পক্ষণের জন্য, সেসব তো আপনার জানা নেই, সুতরাং অনুমান নাই বা করলেন।)
  • @এলেবেলে | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:৩৮448808
  • গান্ধী ছাগল পুষেছেন, কিন্তু কখনো কী জনগণকে ছাগল বলেছেন? কোনো ডকুমেন্ট আছে?

  • এলেবেলে | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:৩০448807
  • ছোট সৈকত পড়ুয়া লোক, রেফারেন্স পেয়ে চুপ করে গেছেন। কারণ সেগুলো না পড়া ইস্তক মন্তব্য করবেন না বলে আমার ধারণা। আর একজনকে লেখার লিঙ্ক দিলাম, সেখানে কাগজ পোড়ানোর বিষয়টা বিস্তারিতভাবে মন্তব্য অংশতে আছেও। কিন্তু স্বভাব যায় না মলে। জয় বাবা গুগলনাথ! পিটির ক্ষমতা আছে। কাটি।

  • lcm | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:২৪448806
  • সে ঠিক আছে, গান্ধী পড়াশোনা করে নিজে একটি স্বাধীন ভারত, স্বরাজ শাসনের বয়ান লিখে ফেলেছিলেন - ভালই করেছিলেন, একটা ডকুমেন্ট থাকলে সুবিধে হয়। সেটি নিয়ে বিতর্ক থাকতেই পারে। কিন্তু সিভিল ওবিডিয়েন্স বা অহিংস আইন অমান্য আন্দোলন - এই আইডিয়ার জনক গান্ধী নন, তিনি এটির একনিষ্ঠ চর্চা করেন।

    দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকাকালীন (১৮৯৩-১৯১৪) গান্ধী কেন স্থানীয় কৃষ্ণাঙ্গদের পক্ষে বৃটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেন নি, অভিবাসী ভারতীয়দের সুখদুঃখ নিয়েই বিশ বছরের বেশির ভাগ সময়টাই লড়ে গেছেন - তার কিছু ব্যাখা আছে। কিছু ক্ষেত্রে গান্ধী তো রীতিমত বৃটিশদের সাপোর্ট করেছেন দঃ আফ্রিকাতে, বিশেষ করে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ভারতীয়দের বৃটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে বৃটিশদের হয়ে যুদ্ধ করতে আহবান দেন। তার ভাবনা ছিল এর বিনিময়ে তিনি বৃটিশদের সঙ্গে ভারতের স্বাধীনতা নিয়ে দর কষাকষি করতে পারবেন।

    তবে হ্যাঁ, শুরুর দিকে স্থানীয় কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি গান্ধীর আচরণ বৈষম্যমূলক ছিল। স্থানীয় দেশোয়ালি ভাইদের স্বার্থ রক্ষার জন্যেই হোক, বৃটিশদের সুনজরে থাকার জন্যেই হোক, বা, যে কারণেই হোক, ঐ সময়ে কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি গান্ধীর কিছু মন্তব্য - পরে তার যে ভাবমূর্তি তৈরী হয় তার সঙ্গে খাপ খায় না। দঃ আফ্রিকা-র এই ব্যাপারগুলি গান্ধীর জীবনে ট্র্যাজিক।
  • sm | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:২৪448805
  • কাল রাতে একটা মজাদর স্বপ্ন দেখলাম, একদল লোক টর্চ হাতে জোহানেসবার্গের অফিস গুলোতে ঢুকছে আর কাগজ পত্র পুড়িয়ে দিচ্ছে।

    কপালে ফেটটি।লেখা আম আদমী দল।

  • এলেবেলে | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:২২448804
  • ইগনোর‍্যান্স ইজ ব্লিস। বোকারা তিনবার হাসে। অরণ্যের প্রাচীন প্রবাদ।

  • এলেবেলে | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:২১448803
  • কর্নেল জি বি সিং। বইটার নাম Gandhi: Behind the Mask of Divinity, New York, Prometheus Books, 2004

    হুডিনি মনে হবে না। সঙ্গে এটাও পড়তে হবে Ashwin Desai, Goolam Vahed – The South African Gandhi: Stretcher-Bearer of Empire, New Delhi: Navayana Publishing Pvt Ltd, 2015

  • dc | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:২০448802
  • এলেবেলে বাবুর এই ব্যাপারটা তারিফ করলাম, শুধু গুগলের ওপর ভরসা না করে সরাসরি বই এর রেফারেন্স দেওয়া। এবার সেই বইএর ওপর যুক্তি, পাল্টা যুক্তি হতে পারে, তবে অ্যাকাডেমিক আর্গুমেন্টে অতি অবশ্যই সাধারনভাবে অ্যাক্সেপ্টেড বইপত্রের মূল্য অনেক বেশী।

    (তার মানে এই নয় যে আপনার দেওয়া পাতাগুলো আমি পড়েছি :p আমার এই সাবজেক্টে খুব বেশী ইন্টারেস্ট নেই, তাই পড়লাম না। কিন্তু আপনি যে বইএর ওপর জোর দিচ্ছেন সেটা সমর্থন করলাম)
  • sm | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:১৭448801
  • ছাপানো তো হয়েছে।ওনার প্রচুর চিঠি পত্র তো লোক্যাল অফিস গুলোতে খুঁজলেই পাওয়া যায় বা যেতো।সেই চিঠি গুলো পুড়িয়ে দিয়েছে বলছেন!!হা,হা,হা।
    এতো হাত তালির মতন লোক হাসানো হয়ে গেলো।
  • সিএস | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:১৬448800
  • কিন্তু এই conclusion টি কার লেখা ? সত্যি জানার ইচ্ছে। শেষ অংশটায় তো গান্ধীকে হুডিনি বানানো হয়েছে।
  • এলেবেলে | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:১৬448799
  • কেন নেওয়া যাবে না? আপনি অতি দ্রুত ও অতি শীলিত মন্তব্য করেছিলেন মনে আছে তো। তার উত্তরও দিয়েছিলাম।

  • সিএস | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:১৩448798
  • অন্য লোকজনের আইডিয়াও নেওয়া যাবে না ? নাকি এটাও গান্ধীর chamelon চরিত্রর প্রমাণ ?
  • এলেবেলে | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:১২448797
  • লেখাগুলো আছে না নেই? এতদিন তার হদিশ পাওয়া যায়নি কেন? ছাপানো হয়েছিল সত্যের প্রতি তাঁর অবিচল আস্থা প্রমাণে জন্য। সেটা ব্যুমেরাং হয়ে যাবে সেটা বোঝা যায়নি। এখনও সেসব নিয়ে লেখালেখি হলে গুরুর মায়াপাতায় লোকে তাকে ডিবাঙ্ক করতে হয় খিল্লি করেন নতুবা লিঙ্ক চিপকিয়ে চলেন। প্রোপাগান্ডা এবং গান্ধিয়ানার এমনই মহিমা!

  • ফুটো পয়সা | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:১১448796
  • ও আচ্ছা, কাগজ পোড়ানোর পরেই জায়গাটার নাম হয় পোড়াবন্দর?

  • sm | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:০৯448795
  • lcm, ঠিক বলেছেন।গান্ধীর সত্যাগ্রহ ওনার ইউনিক আইডিয়া নয়।নিজে কোনদিন ক্লেম ও করেন নি।রেডিও একদিনে আবিষ্কার হয় না।
    তবে নন ভায়োলেন্স বলুন বা সত্যাগ্রহ।ফাদার ফিগার বলতে ওনার নাম ই আসবে।
    এই যে, বি এল এম মুভমেন্ট।এটাও মূলত নন ভাইওলেন্স মুভমেন্ট।অথচ দেখুন গান্ধীর স্ট্যাচু সরিয়ে দেবার দাবী উঠছে,কালি লেপা হচ্ছে।
    যীশু খ্রীষ্ট কেও তো কিছু লোক ক্রুশ বিদ্ধ ই করেছিল।কি আর করা!অজ্ঞতা ও অজ্ঞানতা দূর করা তো সহজ কম্মো নয়।
  • সিএস | ০৩ জুলাই ২০২০ ১৪:০৭448794
  • এড়াবো কেন, ঐ লেখাটা পড়ে বুঝতে পারলাম না যে ইতিহাসের কথা কোন চরিত্র কী আশা করেছিল, সেও ঘটবে মারা যাওয়ার পরে, সেসবের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত করা হচ্ছে কী না।

    আর পোড়ানো হল না কেন বরং ছাপানো হল তারই বা কী কারণ ? চ্যালারা বোঝেনি নাকি ভেবেছে কাজ হাঁসিল হয়ে গেছে ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত