এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • উমা পোদ্দার ও উইচ হান্টিং

    চাণক্য
    অন্যান্য | ১০ জুলাই ২০১২ | ১৫৪৭৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২১ জুলাই ২০১২ ১০:১৭552907
  • পৈতে ও পঞ্চগব্য বিষয়ে আমি বিবির নিয়মটাই জানি।
  • a x | ২১ জুলাই ২০১২ ১০:১৮552908
  • পড়া আর পরা, ওটুকু স্খালন গোমূত্র জিভে ঠেকালেই ঠিক হয়ে যাবে।
  • aranya | ২১ জুলাই ২০১২ ১০:২৩552909
  • স্খালন -এর স্খলন-টাও, ঐ গোমূত্র দিয়ে :-)
  • পাই | ২১ জুলাই ২০১২ ১০:২৬552910
  • অ্যাজ ইফ মেয়েটির অ্যাবিউজ হয়নি, এটা কেউ বলেছে ! যুক্তিতে না কুলোলে ছায়াযুদ্ধ করতে হয় বটে।
  • pi | ২১ জুলাই ২০১২ ১০:৩২552911
  • maamur jany :

    Believe it or not, there is a growing trend among yogis of daily pee drinking, the consumption of one's own morning urine. Those subscribing to this trend of enjoying a fresh pee beverage, or amaroli, mention its "natural healing" and its ability to cure many diseases as primary motivating factors....
    According to some modern teachers of the Yoga tradition, amaroli is a practice that should be continued today for optimal health. Drinking urine has become increasingly popular as the new wave of Yoga enthusiasm continues to grow and as many enthusiasts reach back in time to learn the traditional ways.
  • pi | ২১ জুলাই ২০১২ ১০:৩৮552913
  • ঋতুমতী হওয়া কেন পাপ অনেক কাল আগে কিছু পড়েছিলাম, ঠিকঠাক মনে নেই। দমদি বলবে ?
  • শুদ্ধ | ২১ জুলাই ২০১২ ১০:৫২552915
  • "কি করিতে হইবে গোছের একটি খুড়োর কল আমরা ছেলেপিলের সামনে সদাসর্বদাই ঝুলিয়ে রাখি- অন্যের বাড়ি গিয়ে সেটি কঠোর ভাবেই বলবৎ থাকে- শুনতে খারাপ লাগছে নিশ্চয়?"
    ম,
    খারাপ লাগবে কেন বুঝলাম না! আমরাই তো শিশুদের চেয়ে বেশী বুঝে থাকি, তাই না এত গম্ভীরভাবে অক্লেশে জ্ঞান দিয়ে থাকি? তা খুড়োর কল আমরাই বানাবো যে তাতে আর আশ্চর্য্য কি? একটু বুঝিয়ে বলবেন?

    আর রইলো ওই কথা। এখানে কোনো বাবা-মা কঠোরভাবে বলবৎ করলে এমনটাতো হবার কথা নয়। কেউ করেনওনি। এবারে হাটের মধ্যিখান থেকে উঠে গিয়ে আমি বারেবারে দেখে আসবো বাচ্চারা কি করছে, যখন তাদের বাবা-মা রা এক্কেবারেই দেখা দরকার মনে করছে না, তাকে সাধারণ শিক্ষা হিসেবে অসভ্যতা বলেই জেনেছি এতকাল। তাহলে কি বাবা-মা র শিক্ষা হয়নি? যদি না হয়ে থাকে এনাদেরও কি আইনি শাস্তি প্রাপ্য? বা সেটা পেলেই সমাধান হয়ে যাবে?
    বাচ্চারা সবই যদি ভাল জানবে তাহলে তো বাচ্চাই হবে না সে। যে বাচ্চার জন্য আমরা খুড়োর কল বানাবো, তার জন্যই আবার সব জানা বরাদ্দ করবো? সে যদি জানতোই তাহলে তো আজকে তাকে এমন নিঃসঙ্গ হতেই হত না। না কি বলতে চান ছেলেটি ইচ্ছা করেই করেছে কাজটা, যাতে সে নিঃসঙ্গ হয়? কন্ট্রাডিকট করছে না একই সঙ্গে তাকে জানাতে হওয়ার দায় এবং তার সব জানা দুটো স্টেটমেন্ট? যে সব জানে তাকে জানাতে হবে কেন?

    পরিশেষেঃ আপনার বাড়িতে ঘটেনি এমনটাই যদি স্ট্যান্ডার্ড হয়ে থাকে, তাহলে তো যা কিছু দেশে ঘটে তা আপনার বাড়িতে না ঘটলে যা হয়েছে বেশ হয়েছে ভাবই প্রাপ্য! তাই না? সেই হিসেবে আপনার বাড়িতে খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি হয় না বলেই ধরে নিচ্ছি। কিন্তু দেশে হয়। কি করা যায় বলুন তো? আপনি রেগে গেলেও, আমাকে আক্রমণ করলেও আপনিও জানেন এটা স্ট্যান্ডার্ড হতে পারে না। বিহেভিয়ারিজম নিয়ে কাজ করার অল্প অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি এটা স্ট্যান্ডার্ড মডেল না। আমিও কোনো মডেল বাড়ি ভিত্তি করে খাড়া করিনি, জানা সমস্যা দিয়েই করেছিলাম। যদি রেফ্যুট করতে হয় তাহলে সেই গ্রাউন্ডে করলে আমিও কিছু শিখবো। নইলে আর কি, এ স্রেফ কথার কথা থেকে যাবে।

    অক্ষ,
    আমার নিজশিশু নেই। তবে পরশিশু নিয়ে কিছুকাল কেটেছে। আমার বোনের মেয়েটিকে বড়ও করেছি কিছুটা। শরীর সুস্থ থাকার সময়ে। এখনো ওর কোনো সমস্যা হলে সেই সমস্যার বন্ধু একমাত্র আমি। ওর বাবা-মা র হাত চলতো খুব। অনেক বকে তাদের থামানো গিয়েছে। আমার হাত চলে না কোনোদিন। বহু বড় অপরাধেও মনে রাখি ও যদি জানতো তাহলে করতো না। সেই মত তাকে ধীরে ধীরে বুঝিয়ে ফল পাওয়াও যায়। অতি দুরন্ত শিশু, কিন্তু এখন অব্দি নিজের বাড়িতে কিছু দুর্ঘটনা ছাড়া আর কিছু ঘটায়নি। বাইরে গেলে সে নিজেই যথেষ্ট বুঝে চলে। শুধু তাই নয় সঙ্গের শিশুটি যা সমর্থনযোগ্য নয় এমন কাজ করলে প্রথমে তাকে বোঝাতে চেষ্টা করে। নিতান্ত না পারলে চুপ করে এসে নিজের মায়ের কানে কানে বলে। ওভাবে বলে কেন তা আমি জানতে চেয়েছিলাম একদিন। তাতে সে বলেছিল জোরে জোরে বললে শিশুটির বাপ-মা শুনে ফেলবে, তাতে তারা মারতে পারে। তাই নিজের মা-কে চুপিচুপি জানিয়ে ওকে থামানো গেলে ভাল হবে। :)

    কিছুকাল শিশুদের নিয়ে থিয়েটার করার অভিজ্ঞতা আছে। গৃহ-শিক্ষক হিসেবে পড়ানোরও। (যদ্দূর মনে হয় এই শহরে শিশুদের নিয়ে একমাত্র আন্তর্জাতিক প্রযোজনাটি আমার করা। ওডেসা সংস্থার সাহায্যে করেছিলাম নান্দীকার ফেস্টিভ্যাল-এর সময়ে ১৯৯৭ সালে। শ্রী রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, অসীম অনুগ্রহে তাঁদের ওই ব্যাস্ততার মধ্যেও আমাকে একটি রবিবার সকালে অ্যাকাডেমির মঞ্চ ছেড়ে দিয়েছিলেন। আমি ঋণী।) তার আগে অনেকদিন ধরেই শিশুদের নিয়ে কাজ করছিলাম। তিন থেকে পনেরো বছরের শিশু ও কিশোর/কিশোরীদের নিয়ে। বিভিন্ন শ্রেণী থেকে আসতো তারা।

    তাদের নানা ভাবে দেখা ও জটিল পরিস্থিতি সামলাতে হওয়ার মধ্য দিয়ে একটা বিষয়ই শিখেছি যে বহু সমস্যার বেশ সরল কিছু সমাধান থাকে, কিন্তু সাধারণ ভাবে সেগুলো ভুল হয়েই থাকে। সমস্যার মোকাবিলা করতে গেলে স্থানীয় চেহারার পাশাপাশি উৎসমুখের সমাধান করাও দরকার। নইলে সে বিচার নিতান্ত অবিচারই হয়ে দাঁড়ায়।

    এখানেও উমা পোদ্দার যা করেছেন তা ঠিক আমি বলছি না, কিন্তু উমা পোদ্দারকেই নিশানায় এনে শাস্তি দানের মাধ্যমে যা হচ্ছে তাতে আসল সমস্যা ধামা চাপা পরে যাচ্ছে। এবং উমা পোদ্দার জাতীয় শিক্ষাকর্মীরা অসংখ্য। তাঁদের ত্রুটি সারাতে গেলে তাঁদের দিয়েই সারানোর চেষ্টা করা যায়। সে কাজও কিছু কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার জন্য করে দেখেছি। আশা-সিনির পৈলানের দিকের আশ্রমে এঁদের কাউন্সেলিং থেকে শুরু করে ফিল্ডে কাজের প্রত্যক্ষ এভ্যালুয়েশন দুটোই করেছি, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাদের আমব্রেলা অর্গানাইজেশনের অনুরোধে। চট করে অসহিষ্ণু হলেই সমাধান হবে না, এটাই আমার ধারণা।

    সামান্য বুদ্ধিতে বলি, আমি যদি এই মুহুর্তে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকতাম তাহলে উমা পোদ্দার এবং মেয়েটিকে আগে মুখোমুখি বসাবার চেষ্টা করতাম। কিছু বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিয়েই আয়োজন করতাম। কিন্তু মূল সংলাপটা থাকতো ওই দুজনের। কথা বলানো, ভয় কাটানো এমনকি উমা পোদ্দারকে সরাসরি অভিযুক্ত করার জন্য যে স্থিতি এবং ধী মেয়েটির লাগে তার ক্ষেত্র প্রস্তুত করেই করতাম। উমা পোদ্দার যাতে কি করেছেন, কেন করেছেন তার ব্যাখ্যার সম্পূর্ণ অবকাশ পান সেই ব্যবস্থাও করতাম। তিনি নিজে ব্যাখ্যা করতেন মেয়েটির কাছে। এবং অবশ্যই সেই ব্যাখ্যার থেকে শুরু করে তাঁর কি করা দরকার ছিল সেই সংক্রান্ত আলোচনাটা মেয়েটির হিউমিলিয়েশনের দৃষ্টিভঙ্গী থেকে মেয়েটি ও বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে এগোতে যেতাম।

    আইন যদি শাস্তি দিয়ে সব সমস্যার সমাধান করে দিতে পারতো তাহলে তো দেশ বদলে যেত তাই না? ধরুন এর পর থেকে বিশ্বভারতীর শিক্ষাকর্মীদের মধ্যে মেয়েদের এবং অভিভাবকদের আরো বেশী করে সাহায্য না করার প্রবণতা বেড়ে গেলে বহু ছাত্রী এই সমস্যার শিকার হবে। তাকে শুধু আইন দিয়েই ঠেকানো যাবে না। আইন দিয়েই, আইনের ফাঁক দিয়েই সবচেয়ে বেশী বেয়াইনী কাজ করা যায় তা ব্যবহারজীবিরা বিলক্ষণ জানেন।

    আর মাথায় কি থাকে জানেন অক্ষ, দন্ডিতের সঙ্গে দন্ডদাতা সমান না কাঁদলে সে কেমন বিচার? ওই জন্য বলছিলাম প্রতিষ্ঠানটির থেকে রবি বাবুর নামটি বাদ দিলে আমি অন্তত খুব খুশী হব!
  • | ২১ জুলাই ২০১২ ১১:০৮552917
  • পাই, এখানে থাক। পরে অন্য কোনও টইতে লিখবোখনে।
  • শুদ্ধ | ২১ জুলাই ২০১২ ১১:২৫552918
  • অক্ষ, দ্বিতীয় একটি কথা আপনি বলেছেন যে বিবরণটা ইনকন্সিস্ট্যান্ট! আমি যা শুনেছি সেটুকু লিখেছি। বিচার করিনি তখন। এখন যদি করি সেও ঠিক হবে না। তবে অল্প কিছুদিন সাংবাদিকতা করেছি যখন বা এখনও যখন করি তখন এই জাতীয় কাজ অনেক ভাবেই হতে পারে বলে অনুমান করতে পারি। কিন্তু সেও অনুমান, কাজেই আমার বলা ঠিক না।
    শুধু অন্য একটা কেস-এর কথা বলি। অসমের নিগ্রহের ঘটনায় সাংবাদিক ধরা পড়েছেন। তিনি যে যুক্ত এ নিয়ে অখিল গগৈ-রা সরব ছিলেন প্রথম থেকেই। প্রমাণও দিয়েছিলেন। সাংবাদিক বলছিলেন যে তিনি শুধু কর্তব্য করছিলে মাত্র। এখন আবার ঘটনা উল্টো দিকে বইছে। শোনা যাচ্ছে যে তাঁর বন্ধু ওই কলিতা যে পলাতক। তাকে তিনিও উস্কেছিলেন। এতগুলো ইন্টারপ্রিটেশন থাকে কেন না এই জায়গাগুলো বেশ ধোঁয়াশা ভরা জায়গা। যেমন সাংবাদিক মহলের খবর হল, নন্দীগ্রামের সময়ে মেদিনীপুরেরই এক সাংবাদিক ছিলেন যিনি অন্য চ্যানেল বা সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের চিনিয়ে দিতেন, যারা সরকারের বিরোধ করছে বা এমবেডেড খবর প্রচার করছে। তাদের কাউকে কাউকে বেশ মারধোরও করা হয়েছে তখন ওই চেনানোর ভিত্তিতেই। এখন এগুলো গ্রে এরিয়া। এম্নিতে আমি মেয়েটির বাবা-মা র সঙ্গে উমা পোদ্দারের পুরোনো কোনো বিবাদের ঘটনা পাইনি। উমা পোদ্দারকে বাবা-মা র, বিশেষ করে মা-র ভিক্টিমাইজ করার কারণ শুধু মেয়েটির কষ্টও হতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রেও একটা বিষয় আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে যে বাবা-মা সাংবাদিক ডেকে এনেছিলেন তখন। এখানে আমি ভাবছি মেয়েটির যদি এমন সমস্যা হয় যে সে বিছানা ভেজায়, তাহলে সে নিশ্চই আগেও তাই করতো। বাড়ি থাকাকালীনও তাই করতো। সারা বছর তো নিশ্চই শুধু হস্টেলে থাকতো না। তাহলে বাড়িতে যখন এমন হত তখন বাবা-মা কি কোনো ডাক্তারি ব্যবস্থা নিয়েছিলেন? এর জন্য একটা পদ্ধতি আছে শুনেছি ওষুধ ছাড়াও (এম্নিতে ওষুধে স্থায়ী সমাধান হয় না বলেই জানি)। সেই ব্যবস্থা হল দিনের বেলায় বাচ্চার ব্লাডার ফুল হয়ে গেলে তা ধরে রাখার ক্ষমতা একটু একটু করে অভ্যাসে বাড়ানো। অর্থাৎ পেচ্ছাব করতে চাইলেই তা সাথে সাথে করতে না দেওয়া। এই ভাবে রাতে ব্লাডার ফুল হয়ে গেলেও যাতে সে কিছুক্ষণ ধরে রাখতে পারে তার সক্ষমতা বাড়ানো। এখন আমি চিকিৎসক নই। তাই এ পন্থাটা ঠিক কি না তা আমার বলা সাজে না। কিন্তু বিকল্প কোনো ব্যবস্থা কি অভিভাবকরা নিয়েছেন? এখন অব্দি তেমন কিছু শুনিনি বা জানি না! তাহলে সে বুদ্ধি তাঁদের কখনো এলো না, কিন্তু সাংবাদিক ডাকার বুদ্ধি এল? এটা একটু বেখাপ্পা লাগছে আর কি! হয়তো আরো জানা গেলে নিশ্চই বুঝবো ঠিক কি ও কেন! কাজেই অনেক রকমের ইনকন্সিস্ট্যান্সি আছে।
  • শুদ্ধ | ২১ জুলাই ২০১২ ১১:২৯552919
  • ****"বা এমবেডেড খবর প্রচার করছে " না হবে। ঐটা বাদ পড়ে গিয়েছে।
  • পাই | ২১ জুলাই ২০১২ ১১:৩০552920
  • কোন শিক্ষিকা/ওয়ার্ডেন হিসি চাটতে না বলে সবার সামনে এটাকে ইস্যু করে থাকলে বা সবার সামনে সেটাকে ইস্যু করা থেকে কোনোভাবে বিরত না করলেও আমার কাছে সেটা কাউন্সেলিং যোগ্য ব্যবহার। কারণ, এটা সবার সামনে ইস্যু হওয়াটাই ইটসেল্ফ খুব হিউমিলেশন। এক্ষেত্রে কী করা হয়েছিল, ঠিকঠাক জানিনা।

    আমাদের ক্লাসে এক বন্ধুর এটা হত। ক্লাস সিক্স তখন।মনে আছে, আমরা অনেক বন্ধুরা এ নিয়ে যুগপৎ বিরক্ত হতাম ও হাসাহাসি করতাম। বিরক্ত, গন্ধের কারণে। কিন্তু ক্লাসটিচারকে জানাতে তিনি কিন্তু ব্যাপারটাকে খুব ভালোভাবে হ্যাণ্ডল করেছিলেন। ওর বাবা মা র সাথে কথা বলেন। ওঁরা ডাক্তার দেখান। আস্তে আস্তে সেরেও যায়। মনে আছে, আমাদের এনিয়ে প্রকাশ্যে কোনোরকম বা ওকে কিছু বলতে আলাদা ক'রে বারণ করে দিয়েছিলেন। ওকে আড়ালে সেন্টু বলে ডাকা হত। সেটা শুনতে পেয়ে হেব্বি ঝাড় দিয়েছিলেন।

    তবে প্রকাশ্য হিউমিলেশন বলতে মনে পড়ল, সেদিন একজন লিখেছেন। পাঠভবনের কথা মনে হয়। কিম্বা এ কে ঘোষ। শিক্ষিকা নাকি একটি মেয়ের মা বাবার বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে ক্লাসে সবার মধ্যে হাসি ঠাট্টা ব্যঙ্গ বিদ্রূপ তামাশা অপমান, যা যা সম্ভব, সব করতেন। এগুলোকেও আমি অপরাধ মনে করি।
    দুটো চড় থাপ্প্পড় মারার থেকেও বেশি। মানসিক টর্চার, অ্যাবিউজ কীকরে স্পেসিফাই করা যাবে, জানিনা, করলেও তার অনেক ফাঁক ফোকর থাকবে, কিন্তু সেটাও অপরাধের তালিকায় আনা উচিত। এরকম অনেক কেস যা শুনি। ব্যাংঅদিও অনেক সময় লিখেহ্ছে।

    আরেকটা প্রশ্ন আছে। বাচ্ছাকাচ্চা /ছ্হাত্রছাত্রীদের শাস্তি দেওয়া হলে, সে যদি শারীরিক নাও হয়, শাস্তির মধ্যেই তো একটা দমনমূলক এলিমেন্ট রয়েছে। পাবলিক হিউমিলেশন ও তার অঙ্গ হিসেবেই অনেক সময় এসে পড়ে। এমন কিছু করা, যার 'ভয়' থেকে সে পরে আর করবে না। এইরকম শাস্তি, সে যদি শারীরিক নাও হয়, সে নিয়ে কী বক্তব্য ?

    আর এগুলো সব কি একটা গাইডলাইন ফর্মে ট্রেনিং এর মাধ্যমে আসা উচিত নয় ?
  • প্পন | ২১ জুলাই ২০১২ ১১:৩১552921
  • বিকল্প ব্যবস্থা থাকবে না কেন? রাবার ক্লথ ইউজ করলেই তো হয়!

    তার সথে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।
  • bb | ২১ জুলাই ২০১২ ১১:৪৯552922
  • মেয়েদের এই সময় পুজো করাও পাপের বলা কেন হয় কে জানে এবং এটা মেয়েরাই বেশী করে মানেন দেখি। এটা য্খন শারীরবৃত্তীয় নিয়ম তখন এটাকে স্বাভাবিক বলেই ধরা উচিত এবং এর ছুতমার্গের নিরসন করা উচিত।
    এইভাবে একটি স্বাভাবিক জিনিষকেও অশুচি দেখিয়ে মেয়েদেরকে সংকুচিত করে রাখা হয়।
  • b | ২১ জুলাই ২০১২ ১৩:০১552923
  • মনে হয় শারীরিক যে কোনো excretion সম্পর্কে আমাদের একটু ছুঁতমার্গ আছে।
    অন্য দিক দিয়ে ভাবলে হয়ত এটা মেয়েদের দেওয়া একটা স্পেশাল স্ট্যাটাস, ঐ সময়ের জন্যে (ঘরের কাজকর্ম থেকে ছুটি ইত্যাদি)। পরে, সেটাই শিকল হয়ে গেছে।
  • sch | ২১ জুলাই ২০১২ ১৫:২০552925
  • খুবই অন্যায় যে যারা এই ছেলেটিকে মেরেছেন তাদের suspend করা হয়েছে - উচিত ছিল এদের ভালো করে কাউন্সেলিং করা - বোঝানো ছাত্ররা পুত্রবৎ, তাদের গায়ে হাত তোলা অন্যায়।
    সমাজের ক্ষী যে হল, এরম কল্লে কাউন্সিলারগুলোর ভাত জুটবে কি করে - নাহ শিক্ষার এই হাল চোখে দেখা যায় না (দীর্ধ...শ্বাস)
  • ব্যাং | ২১ জুলাই ২০১২ ১৫:৫০552928
  • sch ঃ-))
  • আমিও হনু | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:১০552929
  • ঃ)
  • আমিও হনু | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:২১552930
  • বুঝি না বুঝি বাতেল্লা ঝাড়বোই। কাক আর কাঁকুড় এক। স্কেল দিয়ে পাতা মাপা যায়, রাস্কেল দিয়েও মাপ হবে। ছাগলে কি না খায়, মানুষেও। মানুষ আর ছাগল ইকুয়াল একুনে।পঃবঃ=তামিলনাড়ু। বাবু গো মানুষ চেয়ে ছাগল দামী সত্য প্রমাণিত।
  • | ২২ জুলাই ২০১২ ০৬:৫৪552931
  • শুদ্ধ,
    বাচ্চারা কি বোঝে কি বোঝেনা সে নিয়ে আপনার কিছু কনফিউশন হয়েছে।
    শিশুরা দুটো জিনিস আমাদের থেকে বেশি ভালো বোঝে। শিশুর সীমারেখা কি, আর সীমারেখা টপকালে কি হয়। এগুলো কথা বলতে শেখার আগে থেকেই শুরু হয়। অক্ষ আগের দিন সেলফোনের কথাটা লিখেছে। বাচ্চা যদি সেলফোনের দিকে হাত বাড়ায় এবং বাপ-মা কয়েকবার সরিয়ে নেন, তাহলেই সে জানে যে এটা সীমারেখার বাইরে। কিন্তু শিশুর ওটা পাবার ইচ্ছে। তখন সে দেখতে থাকে সীমারেখা টপকালে কি হয়। প্রথমে মিষ্টি হেসে দেখে, তারপর ঠোঁট ফুলিয়ে দেখে, বারবার চেষ্টা করে দেখে, কোনটাতে কাজ হয়। আপনি হাসি দেখে ভুলে গেলে, অভিমানে গলে বা ক্লান্ত হয়ে পড়ে যাঃ নিয়ে নে বললে সে বুঝতে পারে, সীমারেখা টপকালে কোনো ক্ষতি নেই।
    শিশুর এই ব্যাপারে উদ্যমের কোনো শেষ নেই, কিন্তু বাবা-মার কাছে ব্যাপারটা খুবই ক্লান্তিকর। শিশু বারবার সীমারেখা টপকানোর চেষ্টা করবে এবং বাপ-মাকে বারবার তার ফলটা দেখিয়ে দিতে হবে। প্রয়োজনে একবার হাত বাড়ালে তাকে পাঁচ মিনিট ঘরের এক কোনে বসিয়ে রাখতে হবে। এবং তারপর প্রত্যেকবারই এটা করতে হবে। ক্লান্ত হয়ে সেলফোন দিয়ে দিলে বা সীমারেখা ফলাফল ইনকনসিস্টেন্স হলে, শিশু হয় সীমারেখাটাই বুঝবেনা, কিংবা বুঝেও টপকানোর উপায়টা শিখে, সেটাকেই ব্যবহার করবে। এই ব্যপারটা শিশুরা আমাদের থেকে বেশি বোঝে।
    বাবা-মার কাছে এই প্রক্রিয়াটা ক্লান্তিকর হলেও, আপনি যদি একবার এটা তৈরি করতে পারেন, তাহলে বাকিটা আর অতটা শক্ত নয়। আপনি যে উদাহরণটা দিয়েছেন, তাতে স্পষ্টই দেখতে পাচ্ছি, বাবা-মা অমনটা করেননি। একজনের বাড়িতে টিভি ভেঙে ফেলার পরেও সে অন্য আরেকজনের বাড়িতে বল নিয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছে। তাকে মেসেজ এটাই দেওয়া হয়েছে, এমনকি টিভি ভেঙেও পার পাওয়া যায়। তাই সে আবার অন্য জিনিস ভেঙেছে। এইটা বাচ্চারা সত্যিই আমাদের থেকে বেশি ভালো বোঝে। আমরা যারা প্রাপ্তবয়স্ক, আমরাই "যারা শিশুদের থেকে বেশি বুঝে থাকি" আমাদের এই কথাটা ভালো করে বুঝতে হবে।
    আশা করি এতে পরিষ্কার হল, বাচ্চারা কোনটা ভালো বোঝে, আর বাবা-মার কোনটা বোঝা উচিত।

    পরিশেষেঃ আমি কোনো মডেল খাড়া করার জন্য লিখিনি। আপনি আপনার জানা অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন। তা থেকে কি সিদ্ধান্তে এসেছেন সেটাও লিখেছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে আমি আমার অভিজ্ঞতার কথা লিখেছি। নিছকই মত বিনিময় বলতে পারেন।আপনাকে শিক্ষাদান আমার উদেশ্য নয়।
  • শুদ্ধ | ২২ জুলাই ২০১২ ১১:১৯552932
  • ম, আমি একটু মজা করার জন্য যারা শিশুদের থেকে বেশী বুঝি লাইনটা লিখেছিলাম। সত্যি বলতে আমার মনে হয় না আমাদের বোঝাবুঝি এতটাই ভাল যে আমরা শিশুদের নিয়মনীতি নির্ধারণ করতে সক্ষম। আমরা যারা বেশী বুঝি তারা এত বুঝে-সুঝেও দুনিয়ার একশো খারাপ আটকাতে পারলাম না, তা হলে আর...। ওই যে 'তেলের শিশি ভাঙলো বলে...', অমনই। তবে কিছু তো বুঝি। বেঁচে থাকা সংক্রান্ত কিছু অভ্যাস আমাদের তৈরী হয়। সেগুলো আমাদের শিশুদের থেকে বেশীদিন থাকার জন্য তৈরী হয়। সেগুলো আমরা শিশুদের শেখাই।

    যেমনঃ যে বাচ্চাটি ভেঙেছিল সে ওটা ভাঙবে বলেই ভেঙেছে এমন তো না! অন্য যে বাড়িতে বল খেলতে গেছিল সেই বাড়ির বাচ্চাটাও ছিল। এবং আমি জানি যে, কিচ্ছু হবে না বলে অতিথি বাড়ির বাবা-মা দাবী করেছিল। তারাও খেলতে বলে। অবশ্যই শিশুর বাবা-মা তাকে জোর করতে পারতো। কিন্তু সে তো তাহলে তার কাছে শাস্তি। বড়দের আসরে শিশুর বসে থাকার শাস্তি সাংঘাতিক তো! বাইরের মাঠে খেলার উপয় নেই। ওই বাড়ির সামনে মাঠ ছিল না, ছিল রাস্তা। কাজেই সে বাড়িতে খেলেছে। শিশুর চোখ দিয়ে দেখলে তার কাছে এগুলোর মানে কি? সে কি অর্থের এবং ভঙ্গুরতার মূল্য ও মানে বোঝে? না বোঝে না। শিশুর হাতে খুচরো শিশু ছড়িয়ে দিচ্ছে পথে। এতো আমাদের নিজস্ব পর্যবেক্ষণ। তাহলে তার কাছে এটা কেন অপরাধ হবে? আমার বাড়িতেও তারা যা করেছে তা অপরাধ না। তার স্বাভাবিক কাজ। আমরা সেই স্বভাবকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং নতুন পথে নিয়ে যেতে অক্ষম হয়েছি। কিন্তু সেখানে বাবা-মা দের জন্য শাস্তির বিধান নেই। দাবীও নেই।

    এবারে দেখুন আপনিও বলছেন যে দরকারে এক কোণে বসিয়ে রাখতে হবে তাকে। তারমানে তাকে বিচ্ছিন্নতা দিয়েই শেখাতে বলছেন যে নিয়ম না মানলে কি হয়? সেটা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না কি? এটা দরকার কি দরকার না সেই তর্কেই তো ঢুকে পড়ছি তাহলে? আমিও এটাই বলছিলাম যে সব সময়ে লিনিয়ার পন্থায় সমাধান হবে না। সমস্যাটা জটিল ও বহুস্তরীয়। বাচ্চার বাবা-মা অবশ্যই ঠিক কাজ করেননি। শেখাতে পারেননি। কিন্তু আমার একটা প্রশ্নও আসে মনে যে যারা আমরা বাবা-মা হই তারা বাবা-মা হবার শিক্ষা পাই কোথা থেকে? কোর্স থেকে তো নয়? তাহলে সামাজিক অভ্যাস এবং অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে। সেখান থেকে আমরা যা শিখি তাতে ভুলও তো থাকে। তাহলে সেই বাবা-মা র পাশাপাশি সমাজকে কি শাস্তি দেওয়া হবে এবং কে দেবে? এখানে ছাত্রীর বাবা-মা তার এই সমস্যা সমাধানের কোনো চেষ্টা যে করেননি তার কি হবে?

    আপনার প্রথম যে কথাটি, শিশু জানে সীমারেখা টপকালে কি হয়, কথা বলার আগেই জানে, আমি তার ক্ষেত্রে একটা উদাহরণ দিই। দু দিন আগের ঘটনা। আমার শালির সঙ্গে আমি ও আমার স্ত্রী কথা বলছিলাম ভিডিও চ্যাটে। তার বাচ্চাটির এখনো কথা ফোটেনি। দু চারটে আকার ইঙ্গিত মূলক শব্দ ছাড়া কিছুই বলে না। সে বারবার হাত থেকে জলের বোতল ফেলে দিচ্ছিল চেয়ারে বসে। মা তাকে বকে বলে, এবারে তার কান মুলে দেওয়া হবে। সে থমকে যায়। তারপরে আবার ফেলে দেয়। মা কানমুলে দেয়। তখন সে একগাল হাসি হেসে মায়ের হাতটা ধরে তার কানের কাছে নিয়ে যায়। মানে আবার মোলো। ওটা তখন তার কাছে খেলা। আমরা হেসে গড়াচ্ছি। কথাটা হচ্ছে যদি মা জোর দিয়ে মোলেন এবং তার ব্যাথা লাগে তাহলে সে সতর্ক হবে। না হলে হবে না। না হলে তার বুঝ অনুযায়ী তার কাছে এটা খেলা মনে হতে পারে। কিন্তু মা যদি ব্যাথা দ্যান তাহলে শাস্তি দিয়েই শেখানো হল তাকে। সে ব্যবস্থাকে সমর্থন করা আজকাল হয় না। আমিও করি না। বারেবারে একই কথা বলে বলে শেখানো যায় তা আমি কিছুটা হাতে কলমে জানি। কিন্ত সব সময়েই তা হবে তাও না। তখন কি? আমি সীমানা বোঝার ক্ষেত্রে একমত তাই একদমই নই। সে বোঝেনা, বুঝলে তাকে বোঝাতে হত না, এটাই আমাদের আগে বোঝা দরকার। এমনকি শিশুর মস্তিষ্ক অনুযায়ী বোধের ব্যাপার হয়। কাউকে একবার বললেই হয়, কাউকে বারবার বলতে হয়। কাজেই মেসেজ দেবার মতন নেবার ব্যাপারটাও আছে।

    আমি আমার নিজের কথা বলতে পারি। ছোটবেলা থেকে ব্যাপক মার খেয়েছি। কিন্তু যা আমি বুঝেছি তার বাইরে আমি সরিনি। আমার মার খাওয়াটা আমার পাড়ায় অতি পরিচিত ঘটনা। পরে দেখেছি কিছু ক্ষেত্রে আমি ঠিক ছিলাম, কিছু ক্ষেত্রে ডাহা ভুল। আমাকে আমার বাবা-মা যা শেখাতে চেয়েছেন ভাল কথায় তা আমি শিখিনি। মেরেও শেখানো যায়নি। কাজেই শিশুর সীমানা আটকে দিলেই সে থেমে যাবে না।

    অবশ্য সে রোগ আমার এখনো যায়নি। তাই দেখুন না উমা পোদ্দারকে নিয়ে চিত্রনাট্য থেকে সিনেমা সব বানিয়ে ফেলার কথা শুনেও কেমন চালিয়ে যাচ্ছি অম্লান বদনে। হা হা হা হা হা হা...।

    আর আশ্চর্য্য দেখুন যে এ নিয়ে এখনো আমাতে-আপনাতে কথা বলতে হচ্ছে যে কি হবে, কি ভাবে হবে? তার মানে এর কোনো স্ট্যান্ডার্ড নীতি নেই সমাজে। গোদা কিছু নিয়ম আছে মাত্র। আমাদের দেশ ছেড়ে দিলাম। যে দেশে আমার শালি বাস করেন সে দেশে শিশুকে মারলে শাস্তি আছে। কিন্তু সব শিশুকে শুধু বুঝিয়েই শেখানো যাবে এটা কতটা সম্ভব এ তাঁরাও জানেন না কিন্তু। তবে একটা চেষ্টা আছে বর্বর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাদ দিয়ে শিক্ষাদানের একথা সত্যি। তার মানে ওখানেও সিস্টেম এক্কেবারে ঠিক আছে এমন না, ঠিক করার চেষ্টা হচ্ছে। সাধু ও স্বাগত চেষ্টা।

    এখানে যে প্রসঙ্গে লিখছিলাম, সেই উমা পোদ্দার প্রসঙ্গে আমার এটাই বলার ছিল যে এক মধ্যবয়সী মানুষকে একা একা দায়ী করে সব দায় তার ঘাড়ে ফেলে দেওয়াটা ভাল হচ্ছে না। এতে করে সমস্যাটার সমাধান হচ্ছে না। শুধু পুলটিশ পড়ছে মাত্র। ওই মহিলাও কারোর মা, কারোর স্ত্রী, কারোর বোন। তাঁর সারাজীবন শুধু এমন নির্মমতায় কেটে গেলে তার চিহ্ন চারপাশে ছড়িয়েই থাকতো। শান্তিনিকেতনে খুব কম কাল আমার বসবাস না। কম মানুষকে চিনিও না। প্রাক্তন থেকে বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের পরিবারকেও চিনি অনেক। সেখানে কোথাও কখনো এমন অভিযোগ আসেনি। এখনো আসছে না। এটা আমাকে ভাবাচ্ছে। আরো ভাবাচ্ছে কর্তৃপক্ষের ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্ত ওনাকে একা দায়ী করার। ওনাকে চট শাস্তি দিয়ে একটা ঠুলি পড়ানো হচ্ছে আমি তার বিরোধী। কেন না এই একটা অভিযোগ শিশুটির মতই ওনার পরিবার এবং ওনাকে ধ্বংস করছে কিন্তু। আমরা যদি এ না দেখি তাহলে বৃথাই মানবতার কথা বলা। উমা পোদ্দার কোনো খুন করেননি। যা করেছেন তাতে ছাত্রীটি অত্যন্ত আঘাত পেয়েছে সেটাও সত্যি। যে কাজটি করেছেন তার ভুলের দায় তাঁকে নিতে হবে এ কথা সত্যি। কিন্তু সেই দায় শুধু তাঁকে ধ্বংস করেই নেওয়াতে হবে? ছাত্রীটির আঘাত কিন্তু আরো বাড়বে আদালতে উমা পোদ্দারের উকিল যদি প্রশ্ন করতে শুরু করেন, যে চিকিৎসা নিয়ে মাথা না ঘামানোর মত ওঁরা সরল, কিন্তু সাংবাদিক আনার ক্ষেত্রে জটিল বুদ্ধি সম্পন্ন হলেন কি করে? মা বলবেন না তিনিও বলেছিলেন ধরেই যদি নিইও, বা তিনি বলেনইনি যদি ধরেই নিই, তাহলেও ছাত্রীটির মগজে সে সন্দেহ এই কথাগুলোর থেকে কোনোদিন আসবে না তাও কিন্তু নাও হতে পারে। তখন তার কতটা ভাল লাগবে? কথাগুলো বলছি কেন না বর্তমানের মতন ভবিষ্যৎ-ও একটা বিষয়। তা বাদ দিয়ে কিছু হলে ভাল হয় না।

    আইনের কথা আসবে জানি। শুরুতেই বলে দিই আইনে তুল্যমূল্য বিচার বলে একটা ব্যাপার থাকে। ধরুণ কেউ খুন করলো মানেই বিচার এক হবে এমন না। দেখা হবে তার উদ্দেশ্য। তাই হত্যা আর অনিচ্ছাকৃত হত্যা বা আত্মরক্ষার্থে হত্যার মধ্যে ফারাক আছে। এখানেও সেই ফারাক থাকার কথা। কেন না সারকামস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্স বলছে না যে উনি এমনই মানুষ। আরো কিছু কথা বলি। এক, উমা পোদ্দার চাইলে অস্বীকার করতে পারতেন এমনকি ফোনের ঘটনা ঘটার পরেও। তা করেননি। মনে করিয়ে দিই, মহিলা ওনাকে বলেছিলেন 'ওটা' করেছিলেন? একবারও গোটা সংলাপে বলেননি যে 'ওটা'টা পেচ্ছাপ চাটানো। উমা পোদ্দার পরে কর্মীসভা থেকে শুরু করে সর্বত্র বলতে পারতেন যে উনি এ কাজ করেননি। 'ওটা'-র অন্য কোনো ব্যাখ্যাও দ্যাননি। 'ম', যে মানুষ এতই নৃশংস সে কি এভাবে এটা করতে পারে? সে কি নিজেকে বাঁচাতে একবারও সরবে না? যদি হস্টেলের অন্য ছাত্রীরা সাক্ষ্য না দেয়, বা যদি কোনো প্রত্যক্ষদর্শী না থেকে থাকে মামলাটা উনি অস্বীকার করলে টিকতো? এখানে প্রত্যক্ষদর্শীর কথা শুনছেন একবারো? আমি শুনিনি। কিন্তু আমি এটাও দেখিনি উমা পোদ্দার একবারও অস্বীকার করছেন ঘটনাটা। যে এই সুযোগ নিল না তাকে সংশোধন সত্যি করা যেত না? তাকে দিয়েই ওই ছাত্রীর সন্মানকে আবার প্রতিষ্ঠা করা যেত না?

    পরিশেষে বলি, আমার খুব একটা কনফিউশন নেই বাচ্চা কি বোঝে না বোঝে তা আশা করি বোঝাতে পারলাম? না পারলে আমার অক্ষমতা।
  • শুদ্ধ | ২২ জুলাই ২০১২ ১১:৩৭552933
  • ম। আরেকটা কথা। বাপ মা ঠেঙিয়েও তখন শেখাতে পারেনি বলে কি আর আমি কখনো ভাবিনি ওঁরা কি করতে চেয়েছিলেন? ভেবেছি তো? কাজেই আপনার থেকে শেখার কিছু পেলে সযত্নে তুলে নেব। আমি সবজান্তা নই। শিখতে শিখতেই বাঁচি। মতামত শেখার রাস্তা তো বটেই। যাঁরা উমা পোদ্দারকে নিয়ে ক্রুদ্ধ তাঁদের ব্যাক্তিগতভাবে আমার কিছুই বলার নেই তাই বলিওনি। ছাত্রীটির জায়গায় নিজেদের বসালে ক্রোধ আসবেই। আমারও আসে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সেটা শুধু উমা পোদ্দার না, গোটাটার উপরে। সমাধান শুধু উমাকে দিয়ে হবে না, কোটি কোটি টাকা পাওয়া বিশ্বভারতী কি কাজ করে তা নিয়ে আগেই অনেকে লিখেছেন সেগুলো খুব জরুরী। কেন এই ব্যবস্থা তারা এতকাল বদলায়নি, কেন আজ ঘটনা ঘটায় উমাকে দায় দিয়ে খালাস পাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে সে সব আমার বলার কথা। আপনাদের কথা শুনছি এবং ভাবছি। শেখার কিছু পেলেই শিখছি। :)
  • ranjan roy | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:০৫552935
  • শুদ্ধসত্ত্ব'র স্পিরিট/অ্যাটিচুড, সদর্থে, ভালো লেগেছে।
    কিন্তু চাণক্যবাবুর অনর্থক বিরোধীমতাবলম্বীদের মুখে "বজ্জাত মাগী" শব্দবন্ধ বসিয়ে কেটে পড়া ভাল লাগে নি।
    গুরুচন্ডালীর পাড়ায় আবাহন ও নেই, বিসর্জনও নেই---- কেউ কয়েকবছর আগে বলেছিলেন। আমরা সবাই অবসর সময়ে আড্ডা দিতে তর্কবিতর্ক জুড়ে উত্তেজনার আগুন পোহাতে আসি। এর মধ্যে কখনো কখনো কারো কারো মধ্যে প্রগাঢ় ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কোথাও প্রাথমিক উৎসাহের পর ভাঁটা পড়ে।
    উমা পোদ্দার কেন, কোন মহিলার কোন আচরণ আমার না-পসন্দ হলেই তাকে "বজ্জাত মাগী" বলব কেন বুঝলাম না। এটাও কি চাণক্যবাবুর গ্রামের সুপ্রাচীন লোকাচারের অংগ? প্রশ্ন রইলো।
  • ranjan roy | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:০৫552934
  • শুদ্ধসত্ত্ব'র স্পিরিট/অ্যাটিচুড, সদর্থে, ভালো লেগেছে।
    কিন্তু চাণক্যবাবুর অনর্থক বিরোধীমতাবলম্বীদের মুখে "বজ্জাত মাগী" শব্দবন্ধ বসিয়ে কেটে পড়া ভাল লাগে নি।
    গুরুচন্ডালীর পাড়ায় আবাহন ও নেই, বিসর্জনও নেই---- কেউ কয়েকবছর আগে বলেছিলেন। আমরা সবাই অবসর সময়ে আড্ডা দিতে তর্কবিতর্ক জুড়ে উত্তেজনার আগুন পোহাতে আসি। এর মধ্যে কখনো কখনো কারো কারো মধ্যে প্রগাঢ় ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কোথাও প্রাথমিক উৎসাহের পর ভাঁটা পড়ে।
    উমা পোদ্দার কেন, কোন মহিলার কোন আচরণ আমার না-পসন্দ হলেই তাকে "বজ্জাত মাগী" বলব কেন বুঝলাম না। এটাও কি চাণক্যবাবুর গ্রামের সুপ্রাচীন লোকাচারের অংগ? প্রশ্ন রইলো।
  • aka | ২২ জুলাই ২০১২ ২১:১৮552936
  • উমা পোদ্দারকে স্কেপগোট করা হচ্ছে এবং উমা পোদ্দারকে উইচ হান্ট করা হচ্ছে দুয়ের মধ্যে পার্থক্য আছে।
  • গান্ধী | ২২ জুলাই ২০১২ ২২:১৪552937
  • প্পনদা

    লিংক পাইনি। মুখে শোনা কথা।
  • :-) | ২২ জুলাই ২০১২ ২৩:৪৯552939
  • বিশ্বভারতী স্কেপগোট করছে আর খবর কাগজ পড়া আম আদমী ও সাংবাদিক/মিডিয়া উইচহান্ট করছে। এছাড়া যেটুকু পার্থক্য aka বলবেন, শুনতে আগ্রহী।
    পুলিশ আর আদালত \এর জজ কী কী করছেন সে আর মুখে বললাম না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন