এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এনজিও দের পেছনে কি আদৌ জনসমর্থন আছে ?

    একক
    অন্যান্য | ২৬ জুন ২০১৪ | ২৩৩৮৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিকি | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১১:৩১641098
  • "যেটা সমর্থন করিনা সেটা হলো যখন কেউ বড়ো কোন প্রজেক্ট বা কারখানা বন্ধ করতে বলে, কারন সেটার সাথে আমাদের পুরো দেশের ইকনমিক প্রগ্রেস জড়িত থাকে।"

    ওড়িশায় নিয়মগিরির গল্পটা জানেন? ভেদান্ত গ্রুপ সেখানে ইয়াব্বড়ো একটা বক্সাইট আকরিক তোলার প্রজেক্ট শুরু করতে গিয়েছিল। দেশের ইকোনমিক প্রগ্রেসেও কিছু টাকাপয়সা আসত বৈকি এই প্রজেক্টটা হলে।

    প্রজেক্টটা হল না, জানেন? ঐ কিছু ব্যাগড়াপন্থীদের জন্যে। তাদের দাবী কী ছিল? ঐ নিয়মগিরি পাহাড়ের ফ্লোরা আর ফনা নষ্ট হয়ে যাবে, শুধু তাইই নয়, ঐ পাহাড়ের কোলে বাস করে প্রায় বিলুপ্ত একটি আদিবাসী জনজাতি, ঐ পাহাড়কে তারা তাদের ঠাকুর হিসেবে পুজো টুজো করে। প্রজেক্টটা রূপায়িত হলে তারা জাস্ট নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। বেশি না, কয়েকশো মানুষ, কিংবা তারও কম হবে।

    বেদান্ত সেখান থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে নিয়েছে। যে লোকগুলো ব্যাগড়া দিচ্ছিল তাদের খুব একটা জনসমর্থন ছিল না, সরকারের তরফে প্রটেকশন তো ছিলই না, বরং বেদান্তর তরফে ভয় দেখানো টেখানো ছিল। তাতে তাদের ব্যাগড়া দেবার উৎসাহে তো ভাটা পড়েই নি, বরং শেষমেশ সরকারকে নতিস্বীকার করতে হয়েছিল, পরিবেশমন্ত্রক থেকে নোটিফিকেশন জারি করে বেদান্তকে ঐ এলাকা থেকে বের করে দেওয়া হয়।

    আপনি হয় তো এই বিরোধীদেরও সাপোর্ট করেন না?

    বিরোধী প্রায় ছিলই না, থাকলেও তাদের কথা বিশেষ শোনা যায় নি। পাহাড় কেটে যথেচ্ছভাবে তৈরি হয়েছে হোটেল রিসর্ট, হাইড্রৈলেকট্রিক প্ল্যান্ট। উত্তরাখণ্ডে। ইকোনমির সে কী বুস্ট! ট্যুরিজম আর পিলগ্রিমেজই তো উত্তরাখণ্ডের রেভিনিউ জেনারেশনের প্রধান উপায়। তাই ইকোনমির ফুলে ওঠা, ট্যুরিজমের হাত ধরে আসা আরও আরও ইনভেস্টমেন্টের স্বপ্ন দেখতে গিয়ে যথেচ্ছভাবে ধ্বংস করা হয়েছে প্রকৃতিকে। ব্যাগড়াপন্থীরা সেভাবে ছিলেন না, ফলে পরিবেশমন্ত্রকের থেকে ছাড়পত্র বের করে আনতেও সমস্যা হয় নি। তারপরে কী হল, মনে পড়ে? গত বছর জুন মাসে? চোখের সামনে হুদো হুদো হোটেল কীভাবে ভেঙে ভেসে চলে গেল শয়ে শয়ে ট্যুরিস্টসমেত? কেদারনাথ, বদ্রীনাথের কী অবস্থা হয়েছিল?

    শুধুই ইকোনমি দেখবেন? প্রদীপের নিচের অন্ধকারটা দেখবেন না? কিছু লোক ডিসপ্লেসড হয় তো হোক? কেমন লাগবে, যদি ঐ কিছু লোকের মধ্যে আপনিও থাকেন? আপনার অতি প্রিয়জন থাকেন?
  • dc | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১১:৪২641100
  • হ্যাঁ বেদান্তর গল্প জানি তো! নিয়মগিরিতে ওদের প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে গেলে আমার বেশ খারাপ লেগেছিল। পস্কোতেও বন্ধ হয়ে আছে, দেখা যাক কাজ এগোয় কিনা। আমার অতো বেশী প্রকৃতি প্রেম টেম নেই দাদা। পাহাড়ের নীচ থেকে বক্সাইট তুলে এনে সেই দিয়ে কারখানা চালালে আমার কোন আপত্তি নেই।

    উত্তরাখন্ডে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়েছিল, আবার বোধায় হোটেল মোটেল বানাচ্ছে।

    আমার কেউ যদি ডিসপ্লেস্ড হয় বা আমার বাড়ী যদি কেউ ভেঙ্গে দেয়? হুলিয়ে আন্দোলন করবো, কেস ঠুকবো, টিভিতে ইন্টারভিউ দেবো। এসব ব্যাপারে আমি যাতা রকম স্বার্থপর আর হিপোক্রিট :p
  • সিকি | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১১:৪৪641101
  • তা হলে বোধ হয় আলোচনাটা এখানেই শেষ করা যায়। আর এগিয়ে লাভ নেই। :)
  • dc | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১১:৪৭641102
  • আচ্ছা ঃ)
  • sm | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১২:২৩641103
  • সিকি আর dc দুজনের পোস্ট গুলো র উত্তরে লিখছি।উন্নয়ন আর প্রকৃতি ধংশ যুগযুগ ধরে হয়ে এসেছে। যেমন ধরুন, ৩০০ বছর আগে কলকাতা অবধি ম্যানগ্রোভ অরণ্যের বিস্তার ছিল। ওটাকে না ধংশ করলে তো কলকাতা হত না। আবার দুর্গাপুর তৈরী করার সময় ও অরণ্য ধংশ করা হয়েছিল। আর উচ্ছেদের গল্প তো সবার জানা।
    কিন্তু কথা হলো, শিল্পের নাম করে কি আমরা সুন্দরবন অঞ্চলের বাকি ম্যানগ্রোভ অঞ্চল কেও ধংশ করে দেব?
    বা সিকি বর্ণিত, নিয়মগিরি পাহাড়ে একটা জনগোষ্ঠী কে বিলুপ্ত করে দেব?
    দুটোর ই উত্তর হলো না। কারণ একটা জায়গায় দাঁড়ি টানতেই হবে। কতটা অরণ্য, কতটা প্রকৃতি ধংশ করা যাবে তার নির্দিষ্ট গাইড লাইন তৈরী করতেই হবে। নয়তো প্রকৃতি ই শেষ হাসি হাসবে। উদাহরণ, আয়েলা, উত্তরা খন্ডে ধ্বস।
    আবার ধরুন নয়াচরে পরিবেশ প্রেমীরা যদি ব্যাগড়া দেয় সেটা হয়ত বাড়াবাড়ি হবে। সরকারের উচিত এক্সপার্টের মত থাকলে, শক্ত হাতে প্রতিরোধ করা।
    পরমানু কেন্দ্র করতে গেলেও ব্যাগড়া দিচ্ছে। সেগুলো কেও খতিয়ে দেখা দরকার।
    আবার দেখুন কলকাতা বা সন্নিহিত এলাকায় ব্যাগড়া দিচ্ছে বলেই না পুকুর জলাভূমি এগুলো রক্ষা পাছে। নয়তো সব প্রোমোটার নামক হাঙ্গরে খেয়ে নিত।
    এন জি ও দের কাজ হওয়া উচিত সরকার কে সতর্ক করে দেওয়া।ব্যাগড়া দিলে সরকারের উচিত সেই এন জি ও কে ব্যান করা।
    হাজার হোক, সরকারে জনগনের নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকে এন জি ও তে নয়।
  • সিকি | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১২:৪০641104
  • :)

    পরিবেশের স্বার্থে সরকারকে সতর্ক করতে চাইলেও সরকার সেটাকে ব্যাগড়া বলে মনে করতেই পারে। সেক্ষেত্রে সরকারের স্ট্যান্স কী দাঁড়াবে? সতর্ক হবে না ব্যাগড়া মনে করে এনজিও-কে ব্যান করে দেবে?

    শীতকাল জুড়ে মেলার নামে ময়দান ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রায় একা লড়ে গেছিলেন পরিবেশবিদ সুভাষবাবু (পদবীটা মনে পড়ছে না)। বইমেলা ময়দানে বন্ধ করে মিলনমেলায় করার মূল উদ্যোগ তাঁরই ছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এটাকে মোটেই ভালো মনে মেনে নেন নি।

    এসেমের যুক্তি মানলে তখনই বুদ্ধদেবের উচিত ছিল সুভাষবাবুকে ব্যান করে দেওয়া। সুভাষবাবুর যুক্তি যা-ই থাকুক, সরকারের কাছে তো সেটা ব্যাগড়াবিশেষই ছিল।

    কে স্থির করবে, কোনটা সতর্কবার্তা আর কোনটা ব্যাগড়া? জনসমর্থন? না, সরকার?
  • প্রশ্ন। | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১২:৫০641105
  • sm, দুটো প্রশ্ন।
    এক।
    আয়লা আসা কি উত্তরাখণ্ডে ধ্বস নামার সম্ভাবনা থাকলে, নিয়মগিরি ধ্বংস হলে আপনার মতে সেই প্রোজেক্টগুলো বন্ধ করে দেওয়া দরকার। তার মানে সেটা তো ব্যাগড়া দেওয়াই হল, তাই না ? তার মানে, কখনো কখনো আপনিও ব্যাগড়াপন্থী ?
    দুই।
    আয়ালা আসা কি উত্তরাখণ্ডে ধ্বস নামার সম্ভাবনা থাকলে, নিয়মগিরি ধ্বংস হলে আপনার মতে সেই প্রোজেক্টগুলো বন্ধ করে দেওয়া দরকার। অন্ততঃ আপনার এনিয়ে আপত্তি খুব স্পষ্ট। তাহলে সর্দার সরোবর বাঁধ হয়ে লাখ লাখ লোকের উচ্ছেদ হলে বা চেরনোবিল বা ফুকুশিমার মত বিপদের সম্ভাবনা থাকলে তাই নিয়ে আপনার আপত্তি নেই কেন, বা কারুর আপত্তি থাকলে তাই নিয়ে এত আপত্তি কীসের ?
  • আরো প্রশ্ন | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১২:৫৩641106
  • আর হ্যাঁ, তিন নং, প্রশ্ন। কী দিয়ে স্থির হবে, কোনটা সতর্কবার্তা আর কোনটা ব্যাগড়া ?
    চার। যে সতর্কবার্তা শুধু কাগজে কলমে থাকে, সেটা দিয়ে লাভটাই বা কী ?
    পাঁচ। আর সতর্কবার্তা মেনে প্রোজেক্ট বন্ধ হয়ে গেলে সেটা কি সেই ব্যাগড়াই হয়ে গেল না ? ঃ)
  • sch | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:০৭641108
  • টইয়ের নামটা খুব কনফিউজিং। NGO দের সচেতনতা পন্থী আর ব্যাগড়াপন্থী বলে কাটীগরাইজ করা যায় না।

    আজ যদি আমি বা আপনি রাস্তার ফুটপাথের কিছু বাচ্চাকে পড়িয়ে শুনিয়ে একটু ভালো রাখতে চাই আর এই কাজের অর্থের যোগান যদি দেয় কিছু দেশ বিদেশের মানুষ (যারা ধরা যাক নিছক বন্ধু), তাহলে ব্যাঙ্ক আকাউন্ট ইত্যাদির জন্যেও একটা organisation করতে হবে.

    এটার রেজিস্ট্রেশান হবে WB society's registration act -এ আর কিছু নিয়ম মানলে সেটাকে NGO হিসেবে ধরা হবে (http://www.ngosindia.com/resources/ngo_registration.php)। এরকম অজস্র NGO আছেন যারা খুব ছোট সীমানার মধ্যে কিছু মানুষকে ভালো রাখার চেষ্টা করেন। সরকার কি করল, কি খেল তা নিয়ে তাদের মাথা ব্যথা নেই।

    এই টইএর বক্তব্য মনে হয় যেই সব আন্দোলঙ্কারীদের উদ্দেশে যারা ব্যাগড়া দেন। তারা NGO বা অন্য যা খুশী হতে পারে। বাগড়াপন্থীদের দলে কারা আছেন সেটা খুব জরুরী - আজ পরিবেশের আন্দোলনে যদি সিনেমা অভিনেতা, আধুনিক কবি, ক্রিকেটার চলে আসেন - যিনি বিষয়টার কিছুই বোঝেন না, শুধুই লোক ক্ষেপাতে চান - তাহলে তিনি মনে হয় ব্যাগড়াপন্থী। আর তিনি যদি যুক্তিযুক্ত ভাবে বুঝে বিরোধিতা করেন, তাহলে ওয়েলকাম

    সরকারের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনো প্রজেক্ট established হবার সময় stakeholder consultation আবশ্যিক, বিশেষ করে social আর environmental বিষয়ে। stakeholder দের জন্য প্রজেক্টের summary লোকাল ল্যাঙ্গুয়েজে লিখতে হয়। এবার কেউ যদি এই consultation এর সময়ে লজিক্যেলি বিরোধিতা করতে পারেন, প্রজেক্ট পাস হবে না।

    এই ভাবেই সতর্কবার্তা দেওয়া যায়, ব্যাগড়া না দিয়ে।

    যদি স্টেকহোলদাররা নিজের ভালো মন্দ না বোঝে - তাদেরকে বাইরের মানুষ সাহায্য করতে পারেন।
  • আন্দোলনের জন্য আন্দোলন ? | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:০৯641109
  • 'আমার কেউ যদি ডিসপ্লেস্ড হয় বা আমার বাড়ী যদি কেউ ভেঙ্গে দেয়? হুলিয়ে আন্দোলন করবো, কেস ঠুকবো, টিভিতে ইন্টারভিউ দেবো। এসব ব্যাপারে আমি যাতা রকম স্বার্থপর আর হিপোক্রিট :p
    '

    এটাই সার কথা। ঃ)
    এরপরে যদিও আর কোন তর্কের অবকাশ নেই, তবে একটা বক্তব্য নিয়ে কিছু না বললে সইত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হতে হয়।

    'কিসের প্রজেক্ট দেখার দরকার নেই, তার প্রয়োজনীয়তা দেখার দরকার নেই, আন্দোলন করতে পারলেই হলো। '

    এটা বোধহয় ঠিক নয়। শুধুই চলছে না, চলবেনা নয়, কীসের প্রোজেক্ট জেনে বুঝে, তাতে কার কী ক্ষতি হতে পারে, তার এস্টিমেট করে, কংক্রিট কিছু দাবিদাওয়া নিয়েই আন্দোলন হয়।

    আর কেউ কেউ দাবি করেছেন, এই আন্দোলনের পিছনে ভেস্টেড ইন্টারেস্ট আছে, কালো টাকা সাদা হওয়া এবং আরো অনেক গভীর গল্প আছে, সেগুলো কী জেনেই নিশ্চয় তাঁরা এই স্টেটমেন্টগুলো দিচ্ছেন, সেগুলোও স্পেসিফিকালি বললে ভালো হয়।
  • একক | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:১৪641110
  • উত্তরাখন্ড এ বন্যা ও ল্যান্ড স্লায়দ এর কারণ হোটেল মোটেল ? কোথায় পান এসব ? ৩৭০% বেশি বৃষ্টি নেবেছিল ক্লাউদ বার্স্ট করে। গ্লেসিয়ার গলে গেসলো। ওই প্রবল বন্যা তে যদি হোটেল গুলো ব্যান্ক ঘেঁষে না হত তাহলে হয়ত কিছু হোটেল বাঁচত। তাই বলে "কারন " হয়ে গ্যালো হোটেল বানানো ? সম্বল বলতে তো ওই সিয়েনেন এ বেরোনো একটা আর্টিকল যার সাপোর্টিং কোনো ডেটা নেই।

    আসলে কি জানেন, দেশটা দেশের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ নয় .........কিছু আপ্স্তার্ট গোষ্টি মাইল চালক এটাই আপনাদের বক্তব্য। তাই সমর্থনের দরকার হয়না। ইলেক্তরাল দিমক্রাসির দেশে বসে বলতে পারেন যে সরকার কে ব্যাগড়া দেব। যে সরকার কে সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ এনেছে। এরপর ব্যান করার দাবি উঠলে কম্প্যাসনের বন্যা ঝরে পরে।

    নীয়ম্গিরি তে যা হয়েছে খুব বাজে প্রিসিদেনস। সরকারী আইনের ফাঁক কাজে লাগিয়ে বাঁদরামি হয়েছে। কয়েকশ মানুষকে রিহ্যাবিলেত করা কোনো ব্যাপার ছিলনা। কিন্তু তাতে তো আপনাদের খিদে মিটবেনা। "বিলুপ্তপ্রায় " আদিবাসী দের সংরক্ষণ করছি দেখিয়ে একধরনের শ্লাঘা বোধ করেন আপনারা। বেশ একটা উইকেন্ডে ঘুরতে যাওয়ার লাইভ চিড়িয়াখানা। তবে এসব ফলস কম্প্যাসনের ধপবাজী বেশিদিন চলবেনা। দেশ টা ইলেক্তরাল দিমক্রাসির। সংখ্যাগরিষ্ট ঠিক করবে তাদের পাঁঠা তারা ল্যাজে কাটবে না মুরোয়।
  • একক | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:১৯641111
  • আর হ্যা, খুব স্পষ্ট করে বলি ........এসব বোকা বোকা যুক্তির উত্তরে বারবার বলা পোষাবে না।
    আমরা সবাই দৌড়চ্ছি। যে পরে যাবে সে মরে যাবে। আমাদের আগের প্রজন্ম কথাও থেকে উত্খাত হয়েছিল। আমরাও তো ইকনমিক ইমিগ্রান্ট। একরকম উত্খাত ই। এর পরেও হবে। তুলে দিলে উঠে যাব। ইন্ডিভিজুয়াল ক্ষমতা খাটিয়ে ক্ষতিপূরণ চাইব। পেলে ভালো না পেলে আবার দৌরব। ইনফ্যাক্ট এইভাবেই সর্বর্ত্র সভ্যতা এগোয়। আগেও এই উপমহাদেশে তাই হয়েছে। ক্ষমতা থাকলে পরিবর্তিত পরিস্থিতি তে খুঁটে খাব। না থাকলে ফুটে যাব। এর ওপরে কোনো কপ্থা নেই। যারা এই বাইরে ভাবে তাদের পেচুনে চর্বি জমে গেছে। ওটা ঝরানোর জন্যেই একটু ওলট পালট দরকার।
  • আবারো প্রশ্ন | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:২০641113
  • 'সরকারের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনো প্রজেক্ট established হবার সময় stakeholder consultation আবশ্যিক, বিশেষ করে social আর environmental বিষয়ে। stakeholder দের জন্য প্রজেক্টের summary লোকাল ল্যাঙ্গুয়েজে লিখতে হয়। '
    -------

    কুদানকুলম নিয়ে একটি বড় আপত্তিই এই নিয়ে।
    The KKNPP reactors are being set up without sharing the Environmental Impact Assessment (EIA), Site Evaluation Study and Safety Analysis Report with the people, or the people’s representatives or the press. No public hearing has been conducted for the first two reactors either.

    এখন কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে যে এই প্রোজেক্ট ১৯৮৮ তে নোটিফায়েড হয়ে গেছিল, EIA চালু হয়েছে ১৯৯৪ তে। অতএব এখন EIA শেয়ার না করলেও কোন অসুবিধে নেই ! এটাকে ঠিক মনে করেন ?

    আর এই দেখুন, এই নিয়ে যে অনশন হয়েছিল, তার দাবীদাওয়াগুলো কী কী ছিল ঃ

    [1] The ongoing work at the Koodankulam Nuclear Power Plant (KKNPP) must be halted and the following steps must be taken immediately.
    [2] As the Central Information Commission (CIC) has instructed the Department of Atomic Energy (DAE) and the Nuclear Power Corporation of India Ltd. (NPCIL), the Safety Analysis Report and the Site Evaluation Report must be released to the public immediately. And the full and final post-Fukushima safety audit report must also be released to the press and the public.
    [3] A new and comprehensive Environmental Impact Assessment (EIA) report must be commissioned as the one that the DAE has released after 23 years of struggle is incomplete, erroneous and outdated. The Tamil and Malayalam translations of the new EIA must be shared with the local people and the Press in Tamil Nadu and Kerala.
    [4] The opinions and preferences of the project-affected people must be heard by a competent authority in an open, transparent and democratic manner to understand the fears and concerns of the people.
    [5] An independent national committee must be constituted to study the issues of geology, hydrology, oceanography and seismology involved in the Koodankulam nuclear power plant.
    [6] Disaster management training and evacuation exercises must be conducted in the 30-km radius of the Koodankulam plants and beyond in the wake of the recent earthquake all over Tamil Nadu and India.
    [7] A Tamil Nadu State Assembly Resolution must be passed that the Pechipparai dam water from Kanyakumari District and the Tamirabharani river water from Tirunelveli and Thoothukudi Districts will not be taken for the KKNPP reactors.
    [8] A copy of the Inter-Governmental Agreement (IGA) on liability secretly signed between the governments of India and Russia must be made available to the project-affected public.
    [9] Complete and truthful information must be given to the local people and the citizens of India about nuclear waste that would be produced at the Koodankulam plants and its management.
    [10] All the false cases against the members of the struggle committee and the common people must be withdrawn immediately and unconditionally. Our friends who are still languishing in prison, Muhilan and Sathishkumar, must be released immediately.
    [11] The local people’s right to protest peacefully and nonviolently against the KKNPP and other related issues must be respected and honored. And no more false cases and other intimidatory exercises should be used against the struggling people ?

    এগুলোকে খুব অযৌক্তিক বিরোধিতা মানে ঐ আপনাদের ব্যাগড়া মনে হচ্ছে কি ?
  • dc | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:২০641112
  • sm,

    "দুটোর ই উত্তর হলো না। কারণ একটা জায়গায় দাঁড়ি টানতেই হবে। কতটা অরণ্য, কতটা প্রকৃতি ধংশ করা যাবে তার নির্দিষ্ট গাইড লাইন তৈরী করতেই হবে। নয়তো প্রকৃতি ই শেষ হাসি হাসবে। উদাহরণ, আয়েলা, উত্তরা খন্ডে ধ্বস।"

    আপনার সাথে কিছুটা একমত, কিছুটা ভিন্নমত। প্রকৃতির জন্য নির্দিষ্ট গাইডলাইন তৈরী করা টরা কিছুটা প্রয়োজনীয়তা আছে মানছি। তবে তার জন্য বাড়াবাড়ি করা দরকার মনে করিনা। এমনিতেও পৃথিবীর নানান যায়্গাতে মাইনিং হয়, সেসব খনিগুলো তো নিশ্চয়ই কোন না কোনকালে সবুজ অরন্য ছিল? বা আপনি যে বললেন বনজঙ্গল ধ্বংস করে কলকাতা হয়েছে। শুধু কলকাতা কেন, দিল্লী, বন্বে, লন্ড্ন, টোকিও, নিউ ইয়র্ক, সব বড়ো শহরেই তো নিশ্চয়ই আগে অপরূপ প্রাকৃতিক পরিবেশ ছিল, ঘন সবুজ ইত্যাদি ইত্যাদি। আবার আজকের দিনেও বনজঙ্গল সাফ করে বড়ো বড়ো শহর তৈরী হচ্ছে। কাজেই ঘন সবুজ অরন্য প্রেম করতে গিয়ে শহর বানাবো না বা মাইনিং করবোনা, এটা বোধায় ইম্প্র্যাক্টিকাল।

    "নয়তো প্রকৃতি ই শেষ হাসি হাসবে। উদাহরণ, আয়েলা, উত্তরা খন্ডে ধ্বস।"

    ধ্বংসও হবে, আবার নির্মানও হবে। এই সাইকেল চলতেই থাকবে। এটাই আমাদের সভ্যতা।

    "আবার ধরুন নয়াচরে পরিবেশ প্রেমীরা যদি ব্যাগড়া দেয় সেটা হয়ত বাড়াবাড়ি হবে। সরকারের উচিত এক্সপার্টের মত থাকলে, শক্ত হাতে প্রতিরোধ করা।"

    একমত।
  • একটু | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:২৫641115
  • ভুল হচ্ছে বোধহয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধি পাঠায়। ৫ বছরের জন্যে। তারপর সে প্রতিনিধিরা পাঁঠামো করলেও, সংখ্যাগরিষ্ঠের কিছু করার থাকে না। ততদিনে সংখ্যা লঘু হয়ে গেলেও না। আর ইস্যু টু ইস্যু এই সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামত বদলানোর অধিকার রাখে। কিন্তু সেটা শোনার ব্যবস্থা নেই। এ অবস্থায় - ওই তথাকথিত সংখ্যাগরিষ্ঠ ও অন্যদের সঙ্গে তাদের প্রতিনিধিদের সম্পর্ক হয়ে পড়ে অনেকটা মেষ ও মেষপালকের মত।
  • উত্তর? | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:২৫641114
  • আশা করি, sm এই ছ'টা প্রশ্নের উত্তরই এক এক করে দেবেন।
  • dc | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:২৬641116
  • আরে প্রশ্ন দিদি :) কুদান্কুলাম প্ল্যান্ট চালু হয়ে গেছে, বিদ্যুত উত্পাদন হচ্ছে। এন্ড ওফ দ্য ডে দ্যাট ইস হোয়াট ম্যাটার্স। আবার অন্য কোথাও প্ল্যান্ট চালু হওয়ার মুখে আন্দোলন হবে হয়তো, তখ্ন দেখা যাবে। কুদান্কুলাম ইজ অপারেশনাল নাউ।
  • একককে প্রশ্ন | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:২৭641117
  • 'ইলেক্তরাল দিমক্রাসির দেশে বসে বলতে পারেন যে সরকার কে ব্যাগড়া দেব। যে সরকার কে সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ এনেছে। '

    তাহলে নির্র্বাচন হয়ে যাবার পরে সরকারের কোন কাজ নিয়ে আর কোন প্রশ্ন করা যাবে না, কোন বিরোধিতা বা বিরোধী দলেরও নিশ্চয় কোন ভূমিকাই থাকবে না ?
  • dc | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:৩৩641119
  • আমার তো মনে হয় বিরোধিতা করা ভালো। আবার সরকার কখনো কখনো, দরকার হলে, বিরোধীদের কথা না শুনে ড্যাম বা কারখানা চালু করে দেয় সেটাও ভালো। যে যার নিজের কাজ করে।
  • সিকি | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:৩৪641120
  • এ রাজ্যে নাহি রবে আর হিংসা অত্যাচার। যাও সবে নিজ নিজ কাজে। :)
  • সিকি | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:৩৬641122
  • হ্যাঁ, হ্যাঁ, বিরোধিতা করা ভালো। বেশ গা গরম হয়, বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকা যায়। আবার বিরোধীদের কাঁচকলা দেখিয়ে ড্যাম চালু করে দিলে, বা নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট চালু করে দিলে সেটাও ভালো। গণতন্ত্রও বজায় থাগলো, ইকোনমিও বজায় থাগলো। এটাও ভালো, ওটাও ভালো।

    কিন্তু সবার চাইতে ভালো পাঁউরুটি আর ঝোলাগুড়।
  • একক | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:৩৬641121
  • বিরোধী দল এর ভূমিকা থাকবেনা কেন ? তাদের তো এমপি আছে। মানে মানুষ তাদের বিরোধী আসনে বসিয়েছে। তারা বিরোধিতা করতে পারে। কিন্তু যারা নির্বাচন প্রক্রিয়া তেই নেই বা এটা পরীক্ষিত সত্য যে নির্বাচনে দাঁড়ালে জামানত বাজেয়াপ্ত হয় তারা বিরোধিতা করা মানে প্যারালাল গভর্নেন্স। সেটা কখনই কাম্য নয়।
  • dc | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:৩৮641123
  • না না হিংসা থাকবে অত্যাচার থাকবে বিরোধিতা থাকবে আন্দোলন থাকবে প্ল্যান্ট কমিশন করা থাকবে উত্পাদন থাকবে দ্বিমত থাকবে। প্রচুর কাজ, যে যার মতো লেগে পড়ো :)
  • dc | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:৩৯641124
  • "কিন্তু সবার চাইতে ভালো পাঁউরুটি আর ঝোলাগুড়।"

    এক্কেবারে।
  • সিকি | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:৪৩641125
  • :)

    অনেকটা দিল্লিতে সেই অটোরিক্সা স্ট্রাইকের মত। ধর্মঘটও থাকবে, অটোরিক্সাও থাকবে। আর ধর্মঘট বলে অটো বেশি ভাড়াও চাইবে। সব থাকবে। :)
  • sch | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:৪৪641126
  • একক নিয়মগিরিতে কোনো আন্দোলনের জন্যে প্রজেক্ট বন্ধ হয় নি - নিয়মগিরিতে সরকারী রুল ভায়োলেট করা হয়েছিল, MoEF নিজে নিজে ক্লিয়ারেন্স দেয় নি। সুপ্রীম কোর্ট পাবলিক কমসাল্টেশানের নির্দেশ দিয়েছিল - তার অবজার্ভার ছিল ম্যাজিস্ট্রেট। সেই কন্সাল্টেশানের বেসিসে প্রজেক্ট বন্ধ করে সরকার।

    নিয়মগিরিতে বেদান্তের দুগগি বাজী নিয়ে অনেক লেখা তথ্য শুদ্ধ দেওয়া হয়েছে। সিকি লিঙ্ক দিয়েছে। পড়ে এসে আলোচনা করলে ভালো হয়। সেগুলো নিউজপেপার লিঙ্ক না - সায়েন্টিফিক রিপোর্ট।

    আর উত্তরাখন্ড বিপর্যয়ে ড্যামের বা হাইডেলের কোন ভূমিকা নেই কে বলল আপনাকে? বিষয়টা নিয়ে তো এখনো কোনো ডিসিশানই হয় নি
    MoEF এর রীপোর্ট পড়েছেন? এটা সরকারী কিন্তু, নিউজ পেপার রিপোর্ট না

    http://www.indiaenvironmentportal.org.in/files/file/environmental%20degradation%20&%20hydroelectric%20projects.pdf

    আর অত পড়তে না চাইলে এটা দেখতে পারেন (এটাও নিউজপেপার ক্লিপিং না)

    http://sandrp.wordpress.com/2014/04/29/report-of-expert-committee-on-uttarakhand-flood-disaster-role-of-heps-welcome-recommendations/

    On Role of Dams in Uttarakhand disaster:

    In Chapter 3 (p 10) chairman of EB notes, “Thus THDC’s inundation analysis results could
    not be substantiated by the ground survey in Haridwar city.”
    “In September 2010, to retain flood inflows in the face of water levels rising beyond the permitted FRL the (Tehri) dam authorities had to seek the permission of the Supreme Court. It led to inundation of the upstream town of Chinyalisaur and later after draw down fresh landslide zones were created around the reservoir rim.”

    “Geo-chemical analysis of sediment samples taken from various locations along the river stretch in Srinagar, however, indicated a significant contribution — varying from 47% near the barrage to about 23% much further downstream (Fig. 3.19, pg 101, Main Report) — from muck eroded from muck disposal sites 6 and 9 located on the concave right bank and consequently experienced an intense current of the order of 7m/sec.

    This raises a question that if there was heavy to very heavy rainfall from the glacial reaches of the Alaknanda valley, leading to numerous landslides along the banks, then why was massive damage observed only downstream of the Vishnuprayag and Srinagar HEPs? A detailed investigation is warranted in order to arrive at a scientifically viable explanation.”
    “Otters appear to be nearing extinction in the Ganga, Alaknanda sub-basins.”

    It is good to see that the EB has effectively rejected the critique of the WII report presented by Dr. Sabyasachi Dasgupta, HNB Garhwal University and consultant to UJVNL, following an independent review of the WII report by Prof. Brij Gopal, an eminent ecological scientist who had worked extensively on river ecosystems. Prof Brij Gopal, while finding some limitations in WII methodology, concluded: “he agreed with WII’s findings that the 24 proposed hydropower projects would impact the biodiversity of Alaknanda and Bhagirathi basins significantly. Based on his own analysis, Prof Gopal recommended that several more projects be dropped.”
  • T | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:৫০641127
  • এটা খুবই ইন্টারেস্টিং যে একক, সরকারী আইনের ফাঁক গলিয়ে বাঁদরামিকে সভ্যতার অগ্রগতির পার্ট হিসেবে ধরল না।
  • PT | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৩:৫৯641128
  • "কিন্তু বিনায়ক মনে করেন দুটোই জরুরী এবং একটা অন্যটার সাথে যুক্ত।"

    কোনটা কার সঙ্গে যুক্ত? পরমাণুর সঙ্গে ডায়রিয়া? বিনায়ক বলেছেন সে কথা? পরমাণু বিদ্যুত থাকলে বা না থাকলেও ডায়রিয়া সমস্যার সমাধান করা যায়। যেমন ধর ফ্রান্সে, যেখানে ৭৭% বিদ্যুত পরমাণু থেকে আসে সেখানে ডায়রিয়ার সমস্যা নেই।

    "তবে এবার তো তুমিই স্বীকার করছো, বিনায়ক ব্যাগড়াপন্থী - "Dr. Binayak Sen Flags off Koodankulam Anti Nuclear Struggle Solidarity March in Thrissur" আবার সে যে স্বাস্থ্য নিয়েও কাজ করে সেও তো তুমি জানো।

    মানে তুমি তো মেনেই নিলে বিনায়ক সেন ব্যাগড়াপন্থীব যিনি পরমানু/বাঁধ বিরোধী হয়েও স্বাস্থ্য নিয়েও কাজ করেন।"

    আমি স্বীকার অস্বীকার কোনটাই করিনি। বিনায়ক আর পুণ্যব্রতর নাম তুমিই তুলেছ আর তাদের বাগড়াপন্থীতে পরিণত করেছ।

    আসলে আমার পয়েনটাই ভ্যালিড থাকল। ডায়রিয়া নিয়ে কাজ করে বিশেষ আমল পাওয়া যায় না তাই হয়ত বিনায়ক সেনকে পরমাণুর সঙ্গে যুক্ত হতে হয়। তিনি শেষ কবে ডাইরিয়া নিয়ে মিছিল করেছেন জানতে পারলে নির্মল আনন্দ পেতাম।
  • সিকি | ০৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:০৫641130
  • ধপাস্‌!!

    [পতন এবং মূর্ছা]
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন