এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩০৮৮৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২৩ নভেম্বর ২০১৭ ১৯:০৯714270
  • আহা কি দেখিলাম ....

    প্রাথমিকে পড়ুয়াদের ইংরাজিতে বেহাল দশা, গোঁড়াতেই গলদ, দেখুন ভিডিও - http://zeenews.india.com/bengali/videos/_179291.হত্ম্য
  • T | ২৩ নভেম্বর ২০১৭ ১৯:২৬714273
  • যারা নিজেরা লিখছে 'গোঁড়াতেই গলদ' তাদের ইংরেজি নিয়ে কপচানো শোভা পায় না।
  • | ২৪ নভেম্বর ২০১৭ ০০:১৩714274
  • ওটা ২৪ ঘণ্টা ...
  • | ২৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৪:২৯714278
  • ৮ বাম দলের জোট ও আন্দোলনের লক্ষ্য কি?
    পুঁজিবাদ - সাম্রাজ্যবাদের শাসন ব্যবস্থার উচ্ছেদ না কি নির্বাচন?
  • s | ২৮ নভেম্বর ২০১৭ ০৭:৫২714279
  • নতুন বজ্জাতি।
  • s | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৩:৪৫714281
  • এ টই কি ডুবতে পারে?
    কেষ্ট আছে স্বমহিমায়।
  • MR | ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:৪৯714283
  • http://www.anandabazar.com/calcutta/g-d-birla-school-was-there-any-sexual-harassment-hospital-submitted-report-1.719658?ref=hm-ft-stry-
    এই রিপোর্টে যা বলছে, তাতে তো কোন penetration, বা সেরকম কিচুই ঘটেনি। এটা হতে পারে, যে school principal কে সরানো ই agenda। কিন্তু এতে যাদের নামে এত বড় কলন্ক দেওয়া হল, তার কি? এমন কি একজনের বৌ এর ছবি ও দেখলাঅম। আবার সেই ধনন্জয় কেস। প্রথমে দোষী সাব্যস্ত করা, বিচার না করেই। আর যৌন গন্ধে অনেকেই মেতে এক্কেরে কি মাতামাতি!!!
  • | ০৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:৪৭714284
  • ^
    আশারাম বাপুও এই লাইনেই খেলেছিল। ওর নামেও পকসো আইনেই কেস দেওয়া হয়েছিল আর এইরকমই যুক্তিজাল সাজানো হচ্ছিল।

    ও হ্যাঁ বাচ্চাটার বয়স ৪ বছর।
  • pi | ০৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৪৯714285
  • কোথা থেকে কীসব বকছেন? কোথায় বলেছে কিছু হয়নি?

    ding to sources, the first medical test had found external injuries, like abrasions. Doctors said the internal injury examination could have been conducted the same day, but the child was already in extreme pain and it was not proper on their part to subject her to the process at that time.....
    Many doctors felt external injuries around the private parts were enough to conclude sexual assault in case of a child. "After rape laws were re-defined in February 2013, proving penetration is not essential to establish crime. The child could have been saved from another traumatizing hospital visit," said an expert.
  • | ০৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:১৫714286
  • কিন্তু আমি পাু রায়ের পোবন্ধটা হারিয়ে ফেলেছি, ফেবুতে দেখেছিলাম। ওটা কেউ পেলে চিপকে দিও তো। পু রায় মমব্যানেরে একনিষ্ঠ ভক্ত প্রাবন্ধিক না?
    উরিবাবা! সে কি থিয়োরি! ওসব নাকি মাওবাদীদের চক্রান্ত রাজ্য থেকে বিনিয়োগ তাড়ানোর জন্য!

    এদের সম্বন্ধে .....
    আবারও বলি বাচ্চাটার বয়স ৪ বছর
  • রোবু | ০৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ১০:৪০714287
  • আমার দেওয়ালে আছে। একটু স্ক্রল ডাউন করতে হবে।
    নইলে পরে দেব।
  • avi | ০৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৩৭714288
  • পকসো আইনটা এই বাজারে একটু লোকজন পড়ে নিন না। এতকিছু ধোঁয়াশা থাকবে না। পেনেট্রেশন লাগে কিনা, কতটা ইনজুরির ব্যাপার, মেডিক্যাল রিপোর্টের কতটা ভ্যালু, সব পরিষ্কার লেখা আছে।
  • PT | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৬:৪০714289
  • বিপ্লবী পরিবর্তনের নিও কম্যুনিজমের বাংলার পক্ষে এই ছাপ্পাটি বেশ চমকপ্রদঃ
    "নারীপাচার এবং স্ত্রীদের প্রতি স্বামীদের অত্যাচারের ক্ষেত্রে, দেশের মধ্যে একেবারে প্রথম স্থানে পশ্চিমবঙ্গ। মুখে অ্যাসিড ছোড়ার ঘটনার ক্ষেত্রেও তা-ই।"
    http://www.anandabazar.com/editorial/west-bengal-is-india-s-top-state-in-torture-on-wife-and-woman-trafficking-1.720590?ref=hm-ft-stry-7
  • pi | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৭:০২714290
  • ইয়ে, মানে লেখাটা পুরো পড়ে দিয়েছেন তো

    কিছুটা তুলে দিলাম। লেখাটার সাথে আমি একমত বলে না, আপনারই দেওয়া লেখা বলে। আপনি একমত হয়েই দিয়েছেন নিশ্চয়।

    -----

    'কারণ পঞ্চাশ-ষাট-সত্তরের দশকে এই রাজ্যটিই মেয়েদের প্রতি সম্মানের জন্য খ্যাত ছিল। এই পরিসংখ্যান এবং এখনকার বেশ কিছু সমীক্ষার ফল আমাদের বোঝায়, দুর্গা ও কালীর এই মাতৃভূমি এখন অনেক বদলে গিয়েছে।

    গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে, বদলটা কেন ঘটল। প্রথম দায় অবশ্যই ভয়াবহ নকশাল আন্দোলনের সময়টার, আর কংগ্রেস ও অতিবাম পার্টিগুলোর মধ্যে তার পর রাজনৈতিক যে সংঘর্ষ শুরু হল, তার। ওই সাত-আট বছর পশ্চিমবঙ্গকে যে ভাবে ফালাফালা করেছে, তার ক্ষতগুলো কোনও দিন মিলিয়ে যাবে না। ওই সময় অনেক জিনিসই শেষ হয়ে যায়, তার মধ্যে আছে পার্ক স্ট্রিট-চৌরঙ্গির ঝলমলে নাইট-লাইফ, আর পাড়ায় পাড়ায় বেশি রাত্তিরের মজাদার আড্ডা। বাংলার যে টেনশনহীন ঢিলেঢালা জীবনযাত্রা, তার বদলে এ বার জাঁকিয়ে বসল পাইপগান-ঝলসানো লুম্পেন বুর্জোয়ার দাপট। পরের তিন দশকে বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়নগুলোর লাগামছাড়া বিপ্লবিয়ানা (সঙ্গে অন্য ট্রেড ইউনিয়নরাও জুটেছিল) থেকে জন্ম নিল অন্তহীন ঘেরাও— রাগী নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্ষমতা প্রদর্শন। রাজ্য সরকারের মদতে এই সব পুঁজিবাদবিরোধী আন্দোলনকে আদর্শগত কারণে মহিমান্বিত ও রোম্যান্টিক করে তুলত আইপিটিএ-র নাটক, গণসংগীত আর ঋত্বিক ঘটক মৃণাল সেনের প্রগতিশীল সিনেমা। কিন্তু এই আন্দোলনগুলো পুরোপরি ধ্বংস করে দিচ্ছিল রাজ্যের শিল্পের ভিত্তি।
    অথচ এই একই বামফ্রন্ট সরকার যে নিষ্ঠার সঙ্গে অপারেশন বরগা আর পাট্টা বিতরণ সুসম্পন্ন করেছিল, তাতে গ্রামীণ এলাকায় বিরাট অর্থনৈতিক লাভ হয়েছিল। কিন্তু আশির দশকের শেষ দিকে, এর কার্যকারিতা প্রায় শেষ হয়ে এল, আর তখন কোথায় সরকার অপারেশন বরগার তীব্রতাতেই নতুন সব সংস্কারের প্রস্তাব নিয়ে তৈরি থাকবে, তার বদলে গালভরা রাজনৈতিক লব্‌জ আওড়াতে লাগল, আর যত পারল অনুগত লোকলশকর বাড়িয়ে গেল। এতে ‘সর্বহারা’দের বদলে, দলে ভারী হয়ে উঠল ‘সর্ব-কাড়া’রা, যারা সব মূল্যবোধ আর সাংস্কৃতিক পরিশীলনের বারোটা বাজিয়ে ছাড়ল। দোষ দেওয়া হত বুর্জোয়া প্রবণতা আর বিশ্বায়নকে, কিন্তু সুভাষ চক্রবর্তীর ‘হোপ ৮৬’ এসে ‘জলসাঘর’-এর অন্ত্যেষ্টি নিশ্চিত করল। এই পেশিরাজত্বে যারা কারবার শুরু করল নিজেদের কাছ থেকে প্রোমোটারদের ইট বালি কিনতে বাধ্য করে, পরে তারাই তৈরি করল শক্তিশালী সিন্ডিকেট, যা রাজনৈতিক মদতে ভয়ংকর আকার নিল।
    বামফ্রন্ট আমলে পঞ্চায়েতের নেতারা হয়ে উঠল একটা নতুন শ্রেণির ধনী দস্যু, যারা গ্রামে ঘুরে বেড়াত মোটরবাইক বা সরকারি জিপ বা অ্যাম্বাসাডরে, আর বিরোধীদের ভয় দেখাত বা পিষে ফেলত। এ জন্য তাদের নতুন সব কৌশলও ছিল, যেমন ‘বয়কট’। এই ভাবে, যে বিরাট অঙ্কের টাকা কেন্দ্র ও রাজ্য খরচা করত গ্রামের উন্নয়নের জন্য, সেখানকার রাস্তা বা জলসেচ ব্যবস্থা ভাল করার জন্য, তা জন্ম দিল ‘কনট্র্যাক্রেসি’-র (বিনয় চৌধুরীর ভাষা অনুসরণে)। কিছু উন্নয়ন অবশ্যই হত, কিন্তু ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার পক্ষে তা একেবারেই যথেষ্ট নয়। আমাদের বুঝতে হবে, পশ্চিমবঙ্গ অবশেষ বিহারকে ধরে ফেলতে পেরেছে— এখন দুই রাজ্যেরই জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশিঃ প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ১১০০ জন, যেখানে সর্বভারতীয় গড় ৩৮২। বিহারের মতোই, এ রাজ্যের কৃষিক্ষেত্র আর শিল্পের ছোট পরিসর এতগুলো মানুষকে কাজ দিতে একেবারে অক্ষম, আর তাই গত কুড়ি বছর ধরে, বাঙালি শ্রমিক আর নারীরা উত্তর ও পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে চলে যাচ্ছেন মরশুমি কৃষিকাজের জন্য, বা শহরে স্থায়ী কাজের জন্য। বিহার, ঝাড়খণ্ড, পূর্ব উত্তরপ্রদেশের লোক আর সর্বব্যাপী বাংলাদেশিদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার চোটে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা সাধারণত বেশ হীন ধরনের কাজ করতে বাধ্য হন। তাই বাংলার শ্রেষ্ঠত্বের কথা ভেবে আবেগে উত্তাল হওয়ার আগে, নিষ্ঠুর সত্যিগুলো ভেবে নেওয়া ভাল।

    এই ‘জলে কুমির ডাঙায় বাঘ’ পরিস্থিতিটাকেই গত ১৫ বছর ধরে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীরা পালটাবার চেষ্টা করছেন, কিন্তু এ রাজ্যে শিল্প-বিনিয়োগকে আবার টেনে আনা প্রায় অতিমানবিক কাজ। বাঙালি শ্রমিকের যে আগ্রাসী ইমেজ— যার নিজের অধিকার সম্পর্কে টনটনে সচেতনতা, কিন্তু নিজের কর্তব্য সম্পর্কে কোনও চেতনাই নেই— তা সারা দেশের শিল্পপতিদের মনে গেঁথে আছে। এখনকার মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে এই পরিস্থিতি শোধরানো কিছুটা সহজ, কারণ তাঁর পার্টি এবং ট্রেড ইউনিয়ন তাঁরই নিয়ন্ত্রণে, যা তাঁর আগের মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষেত্রে বলা যেত না। কিন্তু বামফ্রন্ট শেষ দিকে কিছুটা পরিণত বোধ অর্জন করেছিল এবং শিল্পপতিদের মাত্র এক জন ‘ইউনিয়ন নেতা’কে সন্তুষ্ট করতে হত, আর এই জমানায় সব এলাকায় এত নেতা, আর তাদের এমন লাগাতার গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, শিল্পের টিকে থাকা শক্ত।।।

    মূল্যবোধ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা মাথায় রাখলে, এই রাজ্য কেন স্ত্রীর প্রতি অত্যাচার আর নারীপাচারে প্রথম, তা ভেবে অবাক লাগে না। নিরক্ষরতা থেকেই কি এই পাপের জন্ম? না, কারণ সাক্ষরতার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের স্থান সর্বভারতীয় গড়ের ওপরে, স্কুলছুটের সংখ্যাও কম। নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক জানাচ্ছে, নেপালি ও বাংলাদেশি নারীদের পশ্চিমবঙ্গ দিয়েই পাচার করা হয়, তাই সংখ্যাটা বেশি মনে হয়। কিন্তু এটা অজুহাত। এই বছরের মার্চ থেকে, রাজ্য এ বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছে, এবং যেহেতু পাচারের সংখ্যা তিন হাজার (যেখানে রাজ্যে নারীর সংখ্যা সাড়ে চার কোটি), সমস্যার সমাধান অবশ্যই সম্ভব। শিশুপাচারের দুটি চক্র এ বছর জলপাইগুড়ি ও উত্তর ২৪ পরগনায় ধরা পড়েছে, তাতে প্রমাণিত হয়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যদি সতর্ক থাকেন, এ ধরনের অপরাধ কমানো যেতে পারে। স্ত্রীদের প্রতি স্বামীদের অত্যাচারের বিষয়ে আরও গভীর ভাবনা প্রয়োজন। হতেই পারে, এ রাজ্যে সচেতনতা বেশি, তাই এ ধরনের নালিশও বেশি জমা পড়ছে, যেখানে অন্য রাজ্যের মহিলারা অনেকেই চুপ করে আছেন। কিন্তু এখন জেগে ওঠার সময় এবং বোঝার সময়, পশ্চিমবঙ্গে সমাজের কাজ হবে সমাধান করা। সহ্য করা নয়।
  • PT | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৭:২৪714291
  • পড়ব না কেন? আর সবটার সঙ্গে একমত হয়েছি এমন ধরেই বা নিলেন কেন?

    এখনকার সংখ্যাতত্বকে যদি নকশাল আন্দোলন কিংবা "কিন্তু আশির দশকের শেষ দিকে"-র ঘটনাবলী দিয়ে দিয়ে জাস্টিফাই বা ব্যখ্যা করতে হয় তাহলে নিবন্ধকারের চিন্তা-ভাবনার শক্তি নিয়েই প্রশ্ন উঠে যায়।

    আর সময়ের হিসেবের বেশ গোলমাল আছে অথবা মাথামুন্ডু কিছু না ভেই লেখা হয়েছেঃ
    "গত ১৫ বছর ধরে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীরা পালটাবার চেষ্টা করছেন,"!! ৬ বছর বাদ দিলে হাতে থাকে বাম সরকারের ৯ বছর। আর্থাৎ কিনা প্রায় ২০০০ সাল থেকেই অবস্থা পালটানোর চেষ্টা শুরু হয়েছে। তাহলে আশির দশকের শেষ আর ২০০০ এর মধ্যের ১০ বছর দায়ী এখনকার এই বিভৎসতার জন্য?

    তবে "`রাজ্যের শিল্পের ভিত্তি" ধ্বংস যদি এসবের অন্যতম কারণ হয় তাহলে তো অন্য সমস্যা হছে!!
    "এ রাজ্যের কৃষিক্ষেত্র আর শিল্পের ছোট পরিসর এতগুলো মানুষকে কাজ দিতে একেবারে অক্ষম, আর তাই গত কুড়ি বছর ধরে, বাঙালি শ্রমিক আর নারীরা উত্তর ও পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে চলে যাচ্ছেন মরশুমি কৃষিকাজের জন্য, বা শহরে স্থায়ী কাজের জন্য।"
    সেইজন্যেই তো সিঙ্গুরে কারখানা আর নন্দীগ্রামে কেমিকাল হাবের দরকার ছিল। তাহলে যারা এইসব শিল্প স্থাপনের বিরোধীতা করেছিল তাদের দিকেই আঙুল উঠে যাচ্ছে সরাসরি!!!!!
  • ?! | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৭:৪৪714292
  • ঐ বেরাট রচনা না লিখে খালি তথ্যটুকু দিয়ে ছেড়েদিলেই তো পারে।
  • dc | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৮:০৭714294
  • "এখনকার সংখ্যাতত্বকে যদি নকশাল আন্দোলন কিংবা "কিন্তু আশির দশকের শেষ দিকে"-র ঘটনাবলী দিয়ে দিয়ে জাস্টিফাই বা ব্যখ্যা করতে হয় তাহলে নিবন্ধকারের চিন্তা-ভাবনার শক্তি নিয়েই প্রশ্ন উঠে যায়।"

    "বিপ্লবী পরিবর্তনের নিও কম্যুনিজমের বাংলার পক্ষে এই ছাপ্পাটি বেশ চমকপ্রদঃ
    "নারীপাচার এবং স্ত্রীদের প্রতি স্বামীদের অত্যাচারের ক্ষেত্রে, দেশের মধ্যে একেবারে প্রথম স্থানে পশ্চিমবঙ্গ। মুখে অ্যাসিড ছোড়ার ঘটনার ক্ষেত্রেও তা-ই।""

    যাতা :d
  • pi | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৮:১৫714295
  • এটা গোটানোটা একটু চাপের হবে।
  • S | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৯:২০714296
  • কি একটা ভুলভাল রিপোর্ট, তাই নিয়ে আপনারা আলোচনায় নেমে পড়লেন? কি জঘণ্য অ্যানালিসিস।

    "পার্ক স্ট্রিট-চৌরঙ্গির ঝলমলে নাইট-লাইফ, আর পাড়ায় পাড়ায় বেশি রাত্তিরের মজাদার আড্ডা" বজায় থাকলে "নারীপাচার এবং স্ত্রীদের প্রতি স্বামীদের অত্যাচার" কম হতো?

    লেখক দেখছি " আইপিটিএ-র নাটক, গণসংগীত আর ঋত্বিক ঘটক মৃণাল সেনের প্রগতিশীল সিনেমা"কেও দায়ী করেছেন। যাউগ্গা সে করতেই পারেন, মুলো পেটে পড়লে অনকেই এমনসব কথা বলেন বটে।

    লেখাটা পড়লে মনে হচ্ছে যে ৭০এর দশকে বাম আন্দোলন হওয়া আর ৯০ এর দশকে বাম আন্দোলন না হওয়াই দায়ী।

    এইসব পীস আজকাল আনন্দবাজারে চলে?
  • রোবু | ০৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ২৩:০২714297
  • :-)
  • pi | ১০ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৮:৩২714298
  • আহা, তার থেকেও বড় মজা হল, এই লেখার সাথে এইটা চলে ;)

    'বিপ্লবী পরিবর্তনের নিও কম্যুনিজমের বাংলার পক্ষে এই ছাপ্পাটি বেশ চমকপ্রদ'
  • | ১০ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৯:৪৩714299
  • খিক খিক খিক
    :-p
  • PT | ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৩:১৫714300
  • ইহারে কয় বিচার!! নন্দীগ্রামের "দোষীরা" কোনকালে শাস্তি পাবে? তাপসী মালিকের মামলা কোন অবস্থায় আছে কেউ জানে?

    "যে-সব পুলিশ অফিসার গুলি চালিয়েছিলেন বলে সিবিআইয়ের অভিযোগ, তাঁরা যদি আগাম জামিন পেতে পারেন, তা হলে অন্য অভিযুক্তেরা জামিন পাবেন না কেন?...........সিবিআইয়ের অভিযোগ, ওই পুলিশ অফিসারেরা নিজেরা গুলি চালিয়েছিলেন। তাঁদের মক্কেলরা গুলি ছুড়েছেন বা তাঁদের ছোড়া গুলিতে কেউ মারা গিয়েছেন— এমন অভিযোগ সিবিআইয়ের চার্জশিটে নেই। পুলিশ অফিসারেরা যদি আগাম জামিন পান, তা হলে তাঁদের মক্কেলদের সেটা পেতে অসুবিধা কোথায়?"
    http://www.anandabazar.com/state/three-cpm-workers-got-advance-bail-over-nandigram-violence-case-1.724143?ref=state-new-stry
  • }8>(( | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:২৪714301
  • বুকের গভী-ঈ-ঈ-র থেকে সখে-এ-দ দী-ঈ-ঈ-র্ঘ-শ্বাস....
  • PT | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৬:৪০714302
  • পব-তে আর বিজেপিকে কিসের প্রয়োজন? তিনোরা আছে তো!!
  • PT | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ০৭:৪১714303
  • লক্ষ্মীপ্যাঁচার পালন-পোষণ ভালই চালু আছে!!

    "তৃণমূলের পশ্চিম মেদিনীপুরের এক জেলা নেতার কথায়, ‘‘গুজরাতে পর্যন্ত তারা যখন ধাক্কা খাচ্ছে, সেখানে সবংয়ে তাদের ভোট ৩৭ হাজার হওয়া সত্যিই বিস্ময়কর! বড় জোর হাজারদশেক হলে মানা যেতো।’’"
    http://www.anandabazar.com/state/bjp-rise-in-tmc-den-in-sabong-booths-1.729751?ref=hm-ft-stry-5>

    <
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন