এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩০৯৩৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sm | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:৩০714338
  • সিম্পল!টিচার রা পড়ায় নি। না পড়িয়ে বেতন নিয়ে গেছে। আর ছাত্ররা দেদার ফাঁকি মেরেছে আর রাজনীতি, হোক কলরব, হোক শিল্প, হোক হাত তালি এসব চালিয়ে গেছে।
  • sm | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:৩৬714339
  • তবে, বিষয়টি ভাববার। খাতা রিভিউ একান্ত প্রয়োজন।
    শূন্য পেয়েছে কিনা সেটা জানাও জরুরী, আবার কেন শূন্য পেলো সেটা জানাও সমান গুরুত্ব পূর্ণ।
    ইংলিশ হনার্স এর মধ্যে শূন্য পাওয়া ক্যান্ডিডেট এর সংখ্যা সর্বাধিক।
    কে কে কোন মিডিয়ামের ব্যাক গ্রাউন্ড থেকে এসেছে সেটা নিয়েও তথ্য রাখা জরুরি।
  • PT | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১১:৩৩714340
  • হিসেবে এট্টু ভুল হয়েছে স্যার। হোক্কলরব JUতে ঘটেছিল। সুতরাং সেইসব ছাত্ররা বাদ। ওখানে পড়ানো ও পড়াশোনোর ব্যাপারটা আমি প্রতিদিনের হিসেবে জানি।

    খোঁজ নিলে দেখা যাবে যে এইস অকৃতকার্য ছাত্রদের বেশীর ভাগ কলেজই তিনোছাত্র পরিষদের দখলে। কাজেই তারা "হোক কলরব, হোক শিল্প, হোক হাত তালি" এসব মোট্টে চালিয়ে যায়নি। তাহলে লোকাল দাদারা তাদের ঠেঙিয়ে বেন্দাবন দেখিয়ে দিত।

    টিচাররা কলেজে না পড়ালেও প্রাইভেটে তো নিশ্চিত পড়িয়েছে। তাহলেও তো এই অবস্থা হওয়ার কথা নয়। কাজেই গত ৭ বছরে বাঙালীর মননটাই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে কিনা বা অন্ততঃ পচতে শুরু করেছে কিনা সেটা ভেবে দেখা দরকার।

    খবর পাচ্ছি যে ১০ বছরের পুরনো জলঙ্গী কলেজে নিয়মিত শিক্ষকের "মোট" সংখ্যা চার!!
  • dc | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১১:৩৫714341
  • গত ৭ বছরে না ৩৭ বছরে?
  • PT | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৩:৩৫714342
  • এই চিঠিটি বোধহয় ৭ ও ৩৭ এর ফারাক বুঝতে সাহায্য করবে আর অনার্সের ছাত্রের শূন্যপ্রাপ্তির কারণটাও খানিকটা ব্যাখ্যা করতে পারেঃ

    "যেখানে প্রায় প্রতিটি রাজ্য পার্শ্বশিক্ষকদের সম্মানজনক ভাতা প্রদান করছে, সেখানে পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রায় আট বছর ধরে কোনও রকম বেতন বৃদ্ধি না করে, একের পর এক কাজের বোঝা চাপিয়ে যাচ্ছে। এ রকম বৈষম্যমূলক আচরণের কারণটা কী? এই সামান্য টাকায় চলতে না পেরে একের পর এক পার্শ্বশিক্ষক আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। কেন সকলে নির্বিকার?"
    http://www.anandabazar.com/editorial/letters-to-the-editor/discussion-on-intolerance-in-society-1.749714?ref=letters-to-the-editor-new-stry
  • dc | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৩:৫১714343
  • কিন্তু এরকম কতো চিঠি তো ৩৭ বছর ধরেই বেরোচ্ছে!
  • PT | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৪:০২714344
  • ৩৭ না ৪১?
  • de | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৬:১৭714345


  • সংখ্যাতত্ত্বের বিচারে না গিয়ে এই ভয়াবহ অবস্থার থেকে বেরোনো যাবে কিকরে তা ভাবা দরকার!
  • de | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৬:১৯714346
  • যাঃ! এটা এই ছবিটার সাথে আসছে?

    দেখে মনে হচ্চে শূন্য পাওয়ার সেলিব্রেশন চলচে!
  • S | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০২:৪৮714349
  • আমিও ছবিটা দেখে কেমন ঘারড়ে গেলুম।
  • Atoz | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৪:১৫714350
  • আমি তো ছবিটা দেখে ভাবলাম ঐ টুপি মাথায় লোকটা ঘাগড়া পরা ছাত্রীকে পিঠ চাপড়ে দিচ্ছে বুঝি! ঃ-)
  • PT | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৮:০৯714352
  • স্বাধীন সংবাদপত্র আবাপর এতদিন কেন লাগল এই খবর ছাপাতে কে জানে!!
  • ms | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ২০:৫৬714354
  • টেবিল দেখলেই ইচ্ছে করে ক্যালকুলেটর নিয়ে বসি। পরিবর্তনের ফল পরিষ্কার।
  • PT | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ২০:৫৯714355
  • অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে একটা comparative scale পাওয়া যাবে?
  • ms | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ২১:৩৭714356
  • সেটাও দেখা যেতে পারে। ঐ পেজেই আছে। https://www.ibef.org/states/maharashtra.aspx মৌলিক পরিবর্তনের পরে যে গ্রোথ রেট কমেছে সেটা পরিষ্কার। এখন সেটা সর্বভারতীয় ঘটনা কিনা দেখা যায়। আমার তা মনে হয়না। তবে বলা যায়না!
  • cm | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ২০:২৬714357
  • এটাও থাক http://www.anandabazar.com/state/state-and-center-conflict-still-continues-over-gdp-1.750975?ref=hm-new-stry

    “২০১১-১২ সাল থেকে থেকে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের আর্থিক বৃদ্ধি এবং মোট অভ্যম্তরীণ উৎপাদন (এসজিপিডি)-এর কোনও তথ্য প্রকাশ করছে না। কেন্দ্র জানিয়ে দিয়েছে, আর্থিক বৃদ্ধি ও জিডিপি নিয়ে রাজ্যের একপেশে দাবির কোনও পোক্ত ভিত্তি নেই। ফলে তা মানবে না কেন্দ্র। সে জন্য ২০১৭-১৮-এর আর্থিক সমীক্ষায় সব রাজ্যের জিডিপি প্রকাশ করা হলেও, ব্যতিক্রম কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনও অবশ্য এ নিয়ে অনড়। কেন্দ্র না মানলেও নবান্ন প্রতি বছরই নিজের করা হিসেবই পেশ করে চলেছে। তাতে গত বছর রাজ্যের বৃদ্ধির হার দেখানো হয়েছে ১৫%। যা দেশের আর্থিক বৃদ্ধির প্রায় আড়াই গুণ।”
  • aranya | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০১:৩০714360
  • রূপকথার রাজ্য
  • aranya | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০১:৩০714358
  • ১৫% জিডিপি বৃদ্ধি :-))
  • dc | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৭:৩১714361
  • না হবার কি আছে? চতুর্দিকে তেলেভাজা, লাখ লাখ তেলেভাজা। যতো বানাচ্ছে ততো খাচ্ছে। যতো খাচ্ছে ততো অম্বল হচ্ছে। জিডিপি বাড়বে না তো কি?
  • S | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৭:৩৬714362
  • তাও তো ভাগ্যিস বুদ্ধি খরচ করে ভালো প্যাকেজিং করে বিক্রি করেনা, তাহলে আরো কত পার্সেন্ট যে জিডিপি বাড়তো সেই ভেবেই আমার তেলেভাজা খেতে মন চাইছে।

    আচ্ছা তেলেভাজা শিল্পে অটোমেশান আনা যায়্না।
  • dc | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৭:৪৩714363
  • অটোমেটিক তেলেভাজা :d

    উফ সকাল সকাল পেটে ব্যথা হয়ে গেল :d
  • T | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৭:৫১714364
  • তেলেভাজা লিটল ম্যাগাজিনের মতো। প্যাকেজিং আনলে জাত যাবে। ঃ)
  • PT | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:২০714365
  • এই জিডিপির হিসেবের মধ্যে বহিরাগত পকোড়া-শিল্প কি একেবারেই নেই?
  • PT | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৭:২৬714366
  • কোটি কোটি টাকা ঢালা হচ্ছে ক্লাবে, মেলায় ও উৎসবে। কলেজে শিক্ষক নেইঃ
    " পড়ুয়ারা ক্লাস করছেন না কেন ? .... রুটিন মেনে ক্লাস হয় না৷ কারণ শিক্ষক -শিক্ষিকাদের অনেকেই অনুপস্থিত থাকেন ৷ ..... ক্লাস না করার পিছনে আরও একটি কারণ উঠে আসছে৷ তা হল, বেশির ভাগ কলেজে অধিকাংশ বিভাগে স্থায়ী শিক্ষক নেই ৷ আংশিক সময়ের এবং অতিথি শিক্ষকদের দিয়ে কাজ চালানো হয় ৷ তাঁদের ক্লাসের সংখ্যা নিয়ে আবার বিস্তর নিয়মকানুন৷ ফলে পাঠ্যক্রমই শেষ হয় না ৷ দিনের পর দিন ক্লাস না হওয়ায় শেষে অনেক পড়ুয়াই উত্সাহ হারিয়ে কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দেন ৷"
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=37966&boxid=142334879
  • Atoz | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৭:৩৫714367
  • বেগুনী চপ ভাজতে পারে যাতে সেইজন্যেই ওই ব্যবস্থা করছে! কলেজে ফালতু সময় নষ্ট না করে মেলায় গিয়ে চপ ভাজল, উৎসবে পকোড়া ভাজল, তারপর ক্লাবে গিয়ে বক্স বাজিয়ে নাচল। মোগাম্বো খুশ!
  • cm | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১১:০১714368
  • লেখাপড়া শেখা মানে কি আর সেটা কেন জরুরী তা নিয়েও বোধহয় ভাবার দরকার রয়েছে। গরীবের ছেলে লেখাপড়া শিখে কি করবে তা কি জানে? শিক্ষা আনে চেতনা ইত্যাদি আবার মনে করানো প্রয়োজন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন