S | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৫৭470117ভাই অমিত, তুমিই সামলাও। আমি আর সময় নষ্ট করবো না।
s | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৫৭470116না, ট্রাম্প নন-ইস্যু নয়। ট্রাম্প এমন একটা ইস্যু যে দু তিনশ বছরে একবার দেখা যায়। ট্রাম্প না থেকে মাইক পেন্স বা মিট রমনি ইভন টেড ক্রুজ প্রেসিডেন্ট হলেও এই ঘটনা ঘ্টত না।
S | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৫৭470115কিসব আজেবাজে কথাবার্তা চলছে এখানে।
&/ | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৫৫470114মনের কথা যখন জানেনই না, আগ বাড়িয়ে বলতে আসছেন কেন ? কুম্ভীরাশ্রু?
Politician | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৫৩470113একটা কথা বুঝুন ট্রাম্প আসলে নন ইস্যু। ইস্যু হল সিস্টেমে প্রচুর লোক আছে যারা মনে করে না এই সিস্টেমে তাদের কোন আশা আছে। এই সিস্টেমে ডেমোক্র্যাসি চলে কেঙ কয়ে?
অমিতকে
দেখুন আমরা মোটামুটি ভাল চাকরি বাকরি করি। যে লোকটাকে ওষুধ কিনব না খাবার কিনব ভাবতে হয় তার মনের কথা আমরা বুঝি না।
S | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৫১470112আজকেই তান্ডব করলো কেন? আগে বা পরে করলো না কেন? আজকে প্ল্যান করেই করা হয়েছে ইলেকটোরাল ভোট কাউন্ট আটকানোর জন্য। যাতে ভোটে হেরে গিয়েও ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট রাখা যায়।
এখন ধরা পড়ে গিয়ে গণতন্ত্রের আসল মানে, অ্যান্টিফা, দুপক্ষই সমান এইসব বস্তাপচা জাস্টিফিকেশান আসছে।
আজকে ট্রাম্পভক্তরা নিজেদের ট্রু কালার দেখিয়ে দিয়েছে।
lcm | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৫০470111এটা হয়ে ভাল হয়েছে, ছোট ছোট ঘটনাকে প্রশয় দিলে (ও তেমন কিছু না) আস্তে আস্তে পরে কি হতে পারে তার একটু নমুনা মাত্র।
ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির ইম্প্যাক্ট হিসেবে কিছু সিরিয়াস চেঞ্জ হওয়া উচিত - আর যদি তা না হয়, তাহলে এ তো সবে শুরু, আরও কত কি হবে কে জানে।
Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৪৫470110আমার প্রশ্ন কেও নিজেদের ডিসেনফ্র্যাঞ্চাইজড ভাবলেই একটা ডেমোক্রেসিতে ওপেন ভায়োলেন্স কোনোভাবে জাস্টিফাই করা যায় কি- ? মোনার্কি বা ডিকটেটরশীপ এর কথা বলছিনা
s | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৪৩470109হুম, তাহলে লাস্ট দুশো বছরে একবারও আফ্রিকান আমেরিকানদের ক্যাপিটল ব্রিচ করতে দেখা গেল না কেন?
S | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৪২470108কিন্তু তার মধ্যে একদলই ইলেকশান রেজাল্ট মেনে নিতে চায় না। এভিডেন্স ছাড়াই ফ্রডের অভিযোগ করে। ক্যাপিটলে গিয়ে তান্ডব করে। তারপরে অ্যান্টিফার নামে দোষ দেয়।
Politician | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৪১470107আফ্রিকান আমেরিকানরা তো ডিসেনফ্র্যাঞ্চাইজড বটেই। ডেমোক্র্যাটরা তাদের ভোট নেয় কিন্তু আর কিছু করেনা। তারা বছরের পর বছর ডিসেনফ্র্যাঞ্চাইজড থেকেই যায়।
আপনি বোধহয় ভাবছেন আমি শুধু ট্রাম্পের সাপোর্টারদের কথা বলছি। সেটা নয়।
lcm | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৪১470106অনেক বড়লোক ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেয়।
অনেক বড়লোক রিপাবলিকানদের ভোট দেয়।
Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৪০470105একদম ঠিক . সেই হিসেবে ইন্ডিয়াতে মাইনোরিটি বা দলিত দের যেভাবে ট্রিট করা হয় বা হচ্ছে, তারা নিজেদের ডিসেনফ্রাঞ্চাইসড ভাবলে তো তাদের এতদিনে গোটা দেশ জ্বালিয়ে দেওয়া উচিত ছিল, তাইতো ? তাই মনে করেন নিশ্চয় ?
lcm | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৪০470104সাদা গরীবরা রিপাবলিকানদের ভোট দিচ্ছে, তাদের আশা-ভরসা রিপাবলিকানরা।
কালো গরীবরা ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিচ্ছে, তাদের আশা-ভরসা ডেমোক্র্যাটরা।
S | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৩৮470103এতদিন ধরে যা যা বলে এসেছি, আজকে সবকিছুই প্রমাণ হয়ে গেল। লোকজন যতই হাবিজাবি প্রবন্ধ লিখে ট্রাম্পভক্তদের তান্ডব লেজিটিমাইজ করুক না কেন।
আমার বহু কোলিগ, বন্ধু আছে যাদের আয় অনেক। তারা ট্রাম্পভক্ত কেন? তারা কেন ইলেকশানের তিন সপ্তাহ পরে বলে যে ট্রাম্প যদি প্রেসিডেন্ট থেকে যায় ইত্যাদি।
s | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৩৭470102সেই হিসেবে সবথেকে বেশি ডিসেনফ্রাঞ্চাইসড হল আফ্রিকান আমেরিকানরা। তাদের মধ্যে তো ইন্সারেক্শান দেখা যাচ্ছে না। উল্টে তারা ব্যালট বক্সকে ইউজ করছে। কিন্তু ট্রাম্প সাপোর্টাররা হিংসার আশ্রয় নিচ্ছে। তাহলে তাদের জন্যে কিরকম ট্রিটমেন্ট হওয়া উচিৎ?
Politician | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৩৭470101থিওরিতে নিজেদের পার্টি বানানোর কথাটা খুব ভাল। কিন্তু সবাই জানে আজকে আমেরিকায় নিজের পার্টি বানানোর পথে ইনস্টিটিউশনাল বাধা অনেক।
Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৩৬470100এরকম কোন মাপার স্কেল কোথাও আছে কি ?
Politician | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৩৫470099আপনি যদি বলেন আমি েকে বা ওকে সাপোর্ট করছি তো বলতেই পারেন। আমার প্রশ্ন হল কত লোক ডিসেনফ্র্যাঞ্চাইজড থাকলে সেটাকে ডেমোক্র্যাসি বলে?
Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৩৪470098ডেমোক্রেসি তো এটাই বলে যে সিস্টেমের ভেতরে যদি মেজরিটি লোকের আশা না থাকে, তাহলে সেই আশা গুলো রিফ্লেক্ট করার জন্যে তো তাদের নিজেদের পলিটিকাল পার্টি বানানো উচিত বা এমন ক্যান্ডিডেটকে ভোট দেওয়া উচিত যে দাবিগুলো তুলবে।
নাকি একজন পাগল কে তাদের মেসিয়া বা লিডার বানিয়ে ভাঙচুর করা টাই আপনার সলুশন ?
Politician | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৩৩470097সিষ্টেমের ভেতরে যে সব মানুষের কোন আশা নেই তারাই ডিসেনফ্র্যাঞ্চাইজড।
S | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:৩৩470096পলিটিশিয়ান ইজ জাস্টিফায়িং রাইট উইঙ্গ টেররিজম ইউজিং লেফ্ট উইঙ্গ র্যাশনাল। এসব খাজা যুক্তি। শিক্ষা, স্বাস্থ্যের জন্য যদি এরা সত্যিই কেয়ার করতো, তাহলে ফ্রী কলেজ আর ওবামাকেয়ারের বিরোধীতা করতো না। রিপাব্লিকানদের ভোট দিতনা।
আজকে ডেমরা জিতেছে। একদল বলছে যে এই ইলেকশান মানিনা। ডেমরা জিতলেও ক্ষমতা আমাদের হাতে চাই। এবং সেটা করছে একদম রেসিস্ট মনোভাব থেকে। অন্যকিছু নয়। এরপরে কেউ যদি এক্সপেক্ট করে যে ডেমরা সেসব মেনে নিয়ে সক্কলের কথা ভাববে, সেটা নাইভিটি।
Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:২৯470095পলিটিশিয়ান, ডিসেনফ্র্যাঞ্চাইজড করে রাখার মানেটা ঠিক কি বোঝাতে চাইছেন ? সেটা একটু পরিষ্কার করে বলা যাবে ?
Politician | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:২৭470094ডিসএনফ্র্যাঞ্চাইজড মানে যে সব মানুষেরা বিশ্বাস করে না যে সিস্টেমের ভেতরে তাদের কোন আশা আছে।
ডেমোক্র্যাসির পিসফুল ট্রান্সফার অফ পাওয়ার তখনই কাজ করতে পারে যখন এরকম মানুষ সংখ্যায় কম হয়।
Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:২৬470093ইন ফ্যাক্ট আমেরিকান ডেমোক্রেটিক মডেল-এই আসলে গড়বড় আছে. ইলেক্টেড ডেমোক্রেসিতে একটা লোকের হাতে এতটা ক্ষমতা থাকাই উচিত নয়. এতদিন যে আর কয়েকটা হিটলার তৈরী হয়নি, সেটা জাস্ট ভাগ্যের জোরে।
s | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:২৫470092পলিটিশিয়ানের প্রশ্নের উত্তর হল ভোটে জেতার জন্যে ৪৯%। দেশ চালানোর জন্যে কত বলা মুশকিল।
যাই হোক, ট্রাম্পের কল্যাণে আজ মিচ ম্যাকনেলকেও গুড জব বলতে হচ্ছে। কখনো ভাবিনি এরকম দিন আসবে।
ডিসির লাগোয়া হওয়ার জন্যে আমার শহরেও কার্ফিউ জারি হয়েছে। আমার এক সহকর্মীর ফিয়ান্সে হিল স্টাফার। বেশ কিছুক্ষণ যোগাযোগ করতে পারছিল না দুপুরে। ঐ সময়্টা যে কি উৎকন্ঠায় কেটেছে।
আজকের ঘটনার সিলভার লাইনিং হল হোপফুলি ২০ তারিখের পর ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হবে। আর টেড ক্রুজ এবং ফেক পপুলিস্ট যশ হলির প্রেশিডেনশিয়াল অ্যাম্বিশনের এখানেই ইতি।
T | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:২৪470091আচ্ছা, গাড়ির বনেটের উপর কেউ নেচেছে? আর, চেয়ার ভাঙাভাঙিও হয়েছে আশা করি।
Politician | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:২৪470090কত লোককে ডিসএনফ্র্যাঞ্চাইজড রেখে ডেমোক্র্যাসি হওয়া যায়, সেটা আমার প্রশ্ন। প্রশ্নটা করলে যদি টেররিজমের সাপোর্টার হতে হয় তো হলাম। কিন্তু প্রশ্নটা থাকল।
Amit | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:২১470089ডিসেনফ্র্যাঞ্চাইজড করার কথাটা বুঝতে পারছিনা. ডেমোক্রেসি তে মেজরিটি রুল মানে তো মাইনোরিটি দের গলা টিপে দেওয়া নয় (যদিও তাই হয় অনেক দেশেই). ডেমোক্রেসি মানে ভোটে যারা ১-% বেশি ভোট পেয়েও জেতে তাদেরকে সুযোগ দেওয়া হয় চার বা পাঁচ বছর তাদের পলিসি ইমপ্লিমেন্টেশন এর জন্যে। যাতে সেটা একতরফা নাহয়ে যায় বা ফ্যাসিজম না হয়ে যায়, তার জন্যে চেক গেট আছে - হয় কংগ্রেস সিনেট বা লোকসভা + রাজ্যসভা ইত্যাদি।
এটাই এক্সপেকটেড পলিসি গুলো সবার জন্যেই যারা ভোট দিয়েছে শুধু তাদের নয়। এবার কোনো লিডার এর পোষা গুন্ডারা ভোটে হেরে যদি বলে ওই ভোটই আমি ম্যানিনা যেটাতে আমার পছন্দের লিডার জেতেনি, তাহলে তাদেরকে নিয়ে ঠিক কি করা উচিত ?
S | ০৭ জানুয়ারি ২০২১ ০৭:১৯470088পলিটিশিয়ান, you are justifying terrorism