এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • ২০১৯ নির্বাচন ইত্যাদি

    pi
    নাটক | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৬৫৭৯৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | ১৬ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:২৭379225
  • PM | ১৬ এপ্রিল ২০১৯ ১৭:৫১379227
  • Lok Sabha elections 2019: Bangladeshi actor Ferdous campaigns for Trinamool, Home Ministry frowns
  • pi | ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ১৩:৩০379231
  • প্রাক্তন সি ই সি

  • S | ১৯ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:১৭379232
  • এটা একটা ইলেকশন হচ্ছে?
  • pi | ২০ এপ্রিল ২০১৯ ১৬:৩৭379235
  • এটা দেখেছেন কেউ?

    I request everyone to circulate the news that my husband,Arnab Roy,W.B.C.S(EXE) is missing since 18/4/2019 since 12.30 PM onwards while ON DUTY and I further want to clarify that HE WAS NOT SUFFERING FROM ANY KIND OF DEPRESSION AND WE HAVE A VERY HEALTHY AND HEARTY RELATION.
    I request all media persons to stop spreading rumours and gossips and help me to find him.
    I donot want anything except my husband right now and I shall go to the last extent to find him.
    I earnestly request everyone to share my post.
    I want my husband back.
  • pi | ২০ এপ্রিল ২০১৯ ১৬:৩৯379236
  • এটা পড়লাম।

    বয়েস কত হবে? ম্যাক্সিমাম ৩৪-৩৫।
    ঝকঝকে যুবক WBCS অফিসার।
    গোটা নদীয়ার ১০০ দিনের কাজের দায়িত্ব সামলেছেন।
    ছিলেন স্বাস্থ্যবিভাগের দায়িত্বে। প্লাস মিশন নির্মল বাংলার দায়িত্বে।
    জাস্ট এক বছর হলো বিয়ে হয়েছে।
    স্ত্রী প্রোবেশনে ডব্লুবিসিএস অফিসার। সাহসী কর্মতৎপর মহিলা।
    নদীয়াতেই পোস্টেড্।
    এই তরুণ অফিসার এই নির্বাচনে নদীয়ার ২ লোকসভা কেন্দ্রের
    ১৪টা বিধানসভা ক্ষেত্র সহ
    মুর্শিদাবাদের ১ টি ও বনগাঁর দুটি বিধানসভার
    সব, সমস্ত ইভিএম মেশিনের দায়িত্বে ছিলেন।
    কাল দুপুর দেড়টায় কৃষ্ণনগর বিপিসি পলিটেকনিক থেকে
    ফোনে কথা বলতে বলতে বেরিয়ে আসেন।
    তারপর উধাও।
    হাই সিকিউরিটি জোন। ওখানেই ইভিএম রাখা।
    নদিয়ার জেনারেল অবজার্ভার, পুলিশ অবজার্ভার ওখানেই।
    উধাও? নিখোঁজ ? ৩৬ ঘন্টা হয়ে গেলো ?
    না রাজকুমার রায় না। তবে ইনিও রায়।
    অর্ণব রায়।

    আতঙ্কিত লাগছে। কী হচ্ছে এখানে?
    কিছু বলুন?
    এটা তো পঞ্চায়েত নয়, সাধারণ নির্বাচন।
    সারা দেশের ভোট।
    কিছু বলুন প্লিজ।
    // বিপুল ভট্টাচার্যের পোস্ট থেকে নেওয়া
  • Du | ২০ এপ্রিল ২০১৯ ১৯:৫১379237
  • উধাও হয়ে যাচ্ছে সব কিছুই। চিন্তা ভাবনা সংবেদনশীলতা গলার আওয়াজ। নির্বাচনে অফিসার নিখোঁজ হবেন এটা স্বাভাবিক হয়ে যচ্ছে।
  • বাজারী হাগজের কমেন্ট | ২১ এপ্রিল ২০১৯ ০৮:৫৫379238
  • BB • a day ago

    Keep your licensed self security with you ..TMC will loose so they will attack and will not allow to VOTE.. That is why people will not be able to come and VOTE.

    BB • a day ago

    This is MAMATa's democracy in West BENGAL. Just like ISLAM if you do not support you willl be killed. If you do not support TMC you will not be allowed to VOTE. put her and her supporters in jail.


    Reply

    Share ›



    Avatar
    BB • a day ago

    Mamata is going to loose election. So all Pakistanis are worried. They want to make India a Pakistan so they are attacking BJP.. West Bengal has lot of Pakistani police officers so they will support pakistanis but not INDIAN BJP. I will suggest keep your own safety with you. Keep your licensed gun with you. No body mainly WB goverment Mamata or EC or WB HC will not suoport INDIAN BJP for sure. They will put some BJP workers in Jail saying it was a party dispute. Mamata will be gone if all BOOTHS have CRPF...but if 20% booth is not covered by CRPF then BJP will loose.
  • pi | ২১ এপ্রিল ২০১৯ ০৯:৫১379239
  • অনিশা যশ,

    I would again like to clarify that my husband Arnab Roy, Deputy Magistrate and Deputy Collector went missing on 18.04.2019 while on duty.I am also a Deputy Magistrate and Deputy Collector,so I have accompanied him both in office and while in home.
    WE HAVE NO PERSONAL ISSUES AND WE ARE A VERY HAPPILY MARRIED COUPLE.
    I request all media persons that stop spreading rumours of personal cause etc.
    All I want is my husband back.He is all I need.
    Pls I request all people to assist me to search him.Pls cooperate with me and stop spreading rumours.
  • PT | ২৪ এপ্রিল ২০১৯ ১২:৫০379240
  • "...........মমতা দিদি আমার জন্য প্রতি বছর উপহার পাঠান। একটি বা দু’টি কুর্তা পাঠান এবং সেটা উনি নিজে পছন্দ করে কেনেন। ...........পর্যবেক্ষরাও তাই মমতার সঙ্গে বন্ধুত্বের বার্তা প্রকাশ্যে নিয়ে আসার পিছনে রাজনীতির ইঙ্গিত পাচ্ছেন।’’
    https://www.anandabazar.com/national/lok-sabha-election-2019-mamata-sends-me-gifts-says-pm-modi-in-interview-with-akshay-kumar-dgtl-1.984011
  • #10YearsChallenge | ২৬ এপ্রিল ২০১৯ ২০:৩১379242
  • pp | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৫:৩২379243
  • সহজ কথাডা বোঝেন না ক্যান মাথার তলায় ছাতাটা নাই তাই সইরা গেছে। ছাপোর্টার গন ঐ রকমই।
  • PT | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:৪৬379244
  • ভোটের এই ব্যস্ততার মধ্যে এনার জন্য কোন মোমবাতি মিছিল কিংবা ক্ষমা প্রার্থনা? ঢপবাজ বুজীরা লিখবেন নাকি দু-এক লাইন?

    "আপনি কি সত্যিই তাপসী মালিককে ধর্ষণ-খুন করেছিলেন?

    সিপিএমের এত নেতা থাকতে কেন আপনার বিরুদ্ধেই এই অভিযোগ উঠল?

    কাউকে এমন প্রশ্ন করলে ক্ষেপে ওঠাই স্বাভাবিক। কিন্তু তিনি এতটুকু রাগলেন না। মুচকি হেসে বললেন, ‘তাপসী মালিকের খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর এ রকম অনেক অপমান সহ্য করতে হয়েছে। জেলে ঢোকার পর প্রথম দিকে কয়েদিরাও আমাকে অনেক কটু কথা বলত। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে আদালতে কোনও প্রমাণ দিতে পারেনি সিবিআই। নিম্ন আদালত দোষী সাব্যস্ত করলেও হাইকোর্ট জামিন দিয়েছে। আমার জামিন খারিজে সিবিআইয়ের আবেদন সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়েছে। আপিল মামলায় হাইকোর্টের শুনানিতে সিবিআইয়ের আইনজীবী দিনের পর দিন গরহাজির থাকছেন।’ "
    http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=48042&boxid=37323
  • রঞ্জন | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১০:৩১379246
  • আসল কথা হল তাপসী মালিক নামে কোন মহিলা ধর্ষিতা এবং খুন হন নি। সবই বাজারী মিডিয়ার এবং বুজীদের অপপ্রচার! নেতাই হত্যাকান্ডেও সিপিএম নেতাদের মিথ্যে মিথ্যি বদনাম করা হয়েছে।
    প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর আদৌ সমঝোতা এক্সপ্রেস,কান্ডে যুক্ত ছিল না। কোর্ট বেকসুর খালাস দিয়েছে। প্রসিকিউশন কোন প্রমাণ দিতে পারে নি।
    গুজরাতে তুলসীরাম প্রজাপতি ও আরেকটি মুসলিম তরুণীকে আদৌ ফেক এনকাউন্টারে মারা হয় নি। সত্যের জয় হয়েছে, দায়িত্বশীল পুলিশ অফিসাররা আসলে মোদীকে হত্যার জন্যে পাকিস্তান পাঠানো একটি টেররিস্ট গ্যাং বাস্ট করেছিলেন।
    গুজরাতে মোদী ও অমিত শাহ রাজধর্ম পালন করেছিলেন। সুপ্রীম কোর্টেও ওঁরা খালাস। সেসব কথা উঠলে ওঁরাও রেগে যান না, মুচকি হাসেন। ওঁদেরও কত অপমান সহ্য করতে হয়েছে। মোদীর ভিসা ক্যানসেল হয়েছিল, এখন বড় বড় দেশগুলো জিভ কেটে আবার দিয়েছে।
    বঙ্গে সারদা-নারদা সব বিরোধীদের অপপ্রচার। বিজেপি প্রায়োজিত স্টিং অপারেশন। এই তো ভাগ্নে মদন ছাড়া পেয়ে আবার ভোটে দাঁড়িয়েছে, পদ্মে মুকুল ধরেছে। মিডিয়া ও বিরোধীরা খামোকা হল্লা করে আদালতের ও সরকারের সময় নষ্ট করল। শেষে কয় গাছি কেশ উৎপাটিত হইল? আসলে সারদায় গরীব জনতার সর্বনাশ হয় নি। তারা সবাই কন্যাশ্রী, বঙ্গশ্রী, স্বাস্থ্যশ্রী পেয়ে সুখে আছে, মাননীয়ার সংগে আছে। এসব হতশ্রী বিরোধীকুলের অপপ্রচার।
    রাজ্য সভার মাননীয় সদস্য উদীয়মান বুদ্ধিজীবি বাগ্মী আগমার্কা মার্ক্সিস্ট ভদ্রলোককে এক গভীর চক্রান্তের ফলে খামোকা বদনাম করে পার্টি থেকে তাড়ানো হোল। এখন তিনি তৃণমূল স্তরে জনগণের মধ্যে কাজ করছেন।
  • এই হলো গিয়ে ব্যাপার | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১০:৩৯379247
  • সিপিএমের ডিসগ্রান্টলড ভোটাররাই বিজেপির অক্সিজেন ও হোস্ট বডি। তাঁরা বিজেপিকে ভোট দিচ্ছেন কারণ তারা মনে করেন,

    ১. সিপিএম এই বাজারে কোনো রাজনৈতিক কার্যকারীতা হারিয়েছে।

    ২. কংগ্রেস সিপিএমের শুন্যস্থান নিতে পারবে না/পারছে না।

    অতএব

    ৩. তৃনমূলকে ভোটে শায়েস্তা করতে হলে বিজেপিকে ভোট দিতে হবে

    ৪. তাঁদের অনেকেই লালপার্টিকে ভোট দিলে বা সরাসরি রাজনীতি করলেও ব্যক্তিগতভাবে অনেক প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাভাবনা করেছেন। বিজেপি যখন প.ব. তেপলিটিক্যাল ফ্যাক্টর ছিল না, তখন ভোট নষ্ট হবে বলে বিজেপিকে ভোট দেন নি। এখন ভোট দিলে রাজনৈতিক মানচিত্র পালটাবে ভেবে উৎসাহের সাথে বিজেপিকে ভোট দিচ্ছেন।
  • PT | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১১:০৩379248
  • "আসল কথা হল তাপসী মালিক নামে কোন মহিলা ধর্ষিতা এবং খুন হন নি। সবই বাজারী মিডিয়ার এবং বুজীদের অপপ্রচার! নেতাই হত্যাকান্ডেও সিপিএম নেতাদের মিথ্যে মিথ্যি বদনাম করা হয়েছে।"

    এঁরাই বোধ্হয় রিজানুরের মৃত্যুকে অথবা ধনঞ্জয়ের ফাঁসি নিয়ে কেঁদে আকুল হন!!

    কি অসাধারণ দক্ষতায় তাপসী মালিক প্রসঙ্গে নেতাই টেনে আনা হল "সিপিএম" শব্দটি ব্যবহার করার জন্য!!
  • dc | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১১:০৬379249
  • কিন্তু সিপিএম সমর্থকরা বিজেপিকে ভোট দিচ্ছে, এ সত্যি অবাক কান্ড।
  • তাই নাকি? | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১২:০৩379250
  • বিজেপি, এবং খুবই অর্থবহ ভাবে তৃণমূল (কোথাও এলাকার বাইরে থেকে অচেনা মুখ এনে, কোথাও তৃণমূলে গিয়ে ঠিক সুবিধা করতে না পেরে বিজেপিতে ঢোকা মুখ হয়ে), ২টো কথা খুব সুক্ষ ভাবে রটাচ্ছে বামেদের যে অংশে ভোট বেশি সেই সমস্ত অঞ্চলে।

    ১) বামেদের কে ভোট দিয়ে ভোট নষ্ট। তৃণমূল কে হারাতে পারবে না। বিজেপি কে দাও।
    ২) বামেদের এক অংশ নাকি বলছে, বামেরাই আসবে, কিন্তু আগে বিজেপি আসতে হবে তার জন্য।

    এই পোস্টটা করা, এই দুটো মিথ্যে কে চিহ্নিত করে সত্যিটা বলা প্রয়োজন বলে। রোজ আমাদের ভোটারদের এটা বোঝাতে হচ্ছে, তাই এখানেও কথা গুলো সরাসরি বলা জরুরি।

    ১) বামেরা যদি তৃণমূল কে হারাতে না পারে, কেউ পারবে নাঃ
    কোন আবেগের বক্তব্য নয়, অঙ্কের হিসেব।
    এখনো অবধি বিজেপির সর্বোচ্চ ভোট শতাংশ বাংলায় ১৮%, ২০১৪সাল। সেবার ভোটে যে জিনিস গুলো কাজ করেছিল, সেগুলো ক্রমান্বয়ে হল,
    ই) বামেরা সদ্য বিপর্যস্ত।
    ২০০৮এর পঞ্চায়েত থেকে যে অবক্ষয় শুরু হয়েছিল তা চলছে তখনও, ২০১১র পর তৃণমূলের সন্ত্রাস লাগামছাড়া। সবে ৩ বছর তখন। আজ যারা বিজেপি বিজেপি করছে, মমতাকে কথায় কথায় খিস্তি করছে, তারা তখন মমতা বলতে অজ্ঞান। ২০১৩র পঞ্চায়েত, ২০১৪র লোকসভা নির্বাচন যখন হয়েছে, সারা রাজ্যে কয়েক হাজার পার্টি অফিস খোলার লোক নেই, অথবা লোক থাকলেও খুলতে গেলে মার খেতে হবে। সেই পরিস্থিতিতে বামেদের ভোট দাঁড়িয়েছিল সর্বনিম্ন ২৯%।
    ইই) প্রবল মোদি হাওয়া ও ঈট সেল।
    সবে স্মার্টফোন বেরিয়েছে বাজারে। কেবিল নেট আর ইফি এর দৌলতে নেটটা সবে গ্রামিন ও মফস্বল ভারতের অংশ হয়ে উঠতে শুরু করেছে। রাজনীতির বাজারে এলো নতুন টার্ম ঈট সেল। তারা প্রচার শুরু করল সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম কে টার্গেট করে। অন্যান্য রাজনৈতিক দল গুলো তখনও এসব নিয়ে ভাবা শুরু করলেও, করে ওঠা হয় নি। ফল দাঁড়ালো জীবনে খাতা খুলতে না পারা জায়গাতেও বিজেপি জিতে গেল।
    এই প্রধান দুটো কারণে ২০১৪তে ১৮% ভোট বাংলায় পেয়েছিল।
    এর পর বাংলা অনেক কিছু দেখেছে। ২০১৬র টান টান উত্তেজনার ভোট। যে ভোট বাম-কংগ্রেস জোট, তৃণমূলকে খাদের কিনারে দাঁড় করিয়েছিল এতটাই, যে তৃণমূলিরা ভয়ে মুখ খোলা বন্ধ করে দিয়েছিল। সেবারের ভোটে, লোকে বলে, বামেদের ভোট কংগ্রেসে পড়লেও কংগ্রেসের ভোট বামেরা পায়নি। সব সিটে প্রার্থী না দিয়েও সেবার বামেদের ভোট শতাংশ ছিল ৩১%। বিজেপির ১১% (তখনও মোদি হাওয়া তুঙ্গে, এমনকি ডিমনিটাইসেশনে অবধি হয় নি)।

    এবার আসি হিসেবে। এবারের লড়াই ত্রিমুখী। মানে প্রায় ১০০% সিটে। লড়াই তৃণমূল-বাম-বিজেপি। বিজেপি কে তৃতীয়পক্ষ হয়ে উঠতে সাহায্য করছে তৃণমূল, এর ব্যাখ্যায় পরে আসছি, তবে যে ভাবেই হোক, ভোটটা হচ্ছে ত্রিমুখী। খুব অল্প ক্ষেত্রে বিশেষত মালদা ও মুর্শিদাবাদে লড়াই চতুর্মুখি।
    অর্থাৎ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জেতার জন্য কোন কেন্দ্রের ৩৩শতাংশ বা তার আসে পাশে ভোট পেলেই চলবে।
    তাহলে এই ত্রিমুখী লড়াইয়ে সুবিধা সব থেকে বেশি কার? হ্যাঁ, তৃণমূলের। কারণ শাসক থাকার দরুন, ও শাসকের থেকে সুবিধা নিতে পা চাটা অংশের দরুন, প্রবল তৃণমূল বিরোধিতা রাজ্যে তৈরি হওয়ায়, ভোট কমলেও প্রায় ৩৫% ভোট তারা পেতেই পারে। বরং তার বেশি পেলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। লড়াই যদি শুধু বাম তৃণমূল হত, বর্তমান প্রবল তৃণমূল বিরোধিতার হাওয়ার ফায়দা তুলে টক্কর দিতে পারবে বামেরা, শুধু টক্কর দিতে নয়, রাজ্যের তৃণমূল বিরোধী প্রায় ৫৫-৬৫% ভোটের ৩৮-৪০% পেয়ে খুবই ভালো ভাবে তৃণমূল কে হারাতে পারত। এবং বর্তমান পরিস্থিতিতেও তৃণমূলের ভয় সেটাই। তৃণমূল জানে তাদের বাঁচার একমাত্র রাস্তা আছে, যদি তৃণমূল বিরোধী ভোট ভাগ হয় এমন ভাবে যাতে বামেদের ভোট ৩০% পার না হয়। ঠিক এই জন্যই বামেদের অধ্যুষিত অঞ্চলে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আর্জি। কারণ তৃণমূল জানে, সব থেকে ভালো সময়েও ১৮% ভোট পাওয়া বিজেপি এখনকার সময়ে দাঁড়িয়ে ১৮% অবধিও পৌঁছাতে পারবে না। তবুও শেষ দিকে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ঢোকার হিরিকে ২০১৬ র ১১% বেড়ে দ্বিগুণ হলেও ২২%র বেশি হচ্ছে না। অর্থাৎ, ভোটের আগে লোককে যদি বোঝানো যায়, বামেদের ভোট দেওয়া ভোট নষ্ট, বিজেপি টে দাও, তাতে লোকসভা কেন্দ্রগুলির চিত্র দাঁড়াবে সার্বিক ভাবে,
    তৃণমূল- ৩৫-৩৭%
    বামেরা- ২৯-৩২%
    বিজেপি- ১৮-২২%
    কংগ্রেস- ৭-১০%
    অন্যান্য-৩-৬%
    অর্থাৎ, বিজেপি যাই ভোট পাক, তৃণমূল কে টপকানোর ক্ষেত্রে তাদের থেকে বামেদের বেশি সম্ভবনা। আর বামেরা যদি না টপকাতে পারে, বিজেপির ভোট খাতায় কলমে বাড়লেও তৃণমূল বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিজয়ী হচ্ছে।

    অন্যদিকে, তৃণমূলের ভোট পেয়েও, বামেদের ভোট যদি ভাঙাতে না পারে, সামান্য ভোট শতাংশের পরিবর্তনে চিত্রটা দাঁড়াবে,
    তৃণমূল- ৩৫-৩৭%
    বামেরা- ৩২-৩৫%
    বিজেপি-১৬-১৮%
    কংগ্রেস- ৭-১০%
    অন্যান্য- ৩-৬%
    যেখানে বেশির ভাগ সিটে তৃণমূল কে চেপে ধরে সম্ভব।

    ২) তৃণমূল কে বাঁচাতে পারে একমাত্র বিজেপি। বামেদের পাগলা কুকুরে কামড়ায় নি, যে মনে করবে তৃণমূল কে তাড়াতে আগে বিজেপি কে লাগবে। বামেরা কোন গা ছাড়া দুর্নীতি বেসড তৃণমূল নয় যেখানে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া কোন শিক্ষা পাওয়া যায় না। বামেরা একটি সংগঠিত রাজনৈতিক এন্টিটি। যাদের প্রত্যেক সদস্য, এমনকি সমর্থক অবধি তৃণমূল ও বিজেপির কোন আলাদা অস্তিত্ব নেই। দুজনেরই পৃষ্ঠ পোষক R, এরা ১৯৯৮ থেকে জোট শরিক ও এখনো সেটিং করে চলছে। এবং এরকম অবস্থা যদি তৈরি হয়, ণ্ডা কে সরকারে আনতে মমতা ব্যানার্জির সমর্থনের প্রয়োজন, মমতা ব্যানার্জি সমর্থন দেবেন। ২০২১এও তৃণমূল কে বাঁচাতে পারে বিজেপিই। তাই দুবার ভাববেন না তৃণমূল সুপ্রিমো। সারদা কান্ড ভোটের আগে মিটিংয়ে মনে পড়ে। ৫ বছর খই ভাজা হয় তারপর। নারদা কান্ডে এথিক্স কমিটির বৈঠক বসে না। শিশির বাজরিয়ার বাড়িতে মিটিং করে কোচবিহার ও ব্যারাকপুর সিট দুটো ছেড়ে রেখে ৩৪-৬ সেটিং করে খেলতে নেমেছে দুই দলই। যারা বিজেপি বিজেপি করে নাচছে, তারাও হয়ত জানে না, তাদের সিটটা তৃণমূল কে বেঁচে দিয়েছে গেরুয়া নেতারা। যে ভাবে ২০১৬য় দিলীপ ঘোষের সিটের বদলে তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিল বাকি রাজ্যের R। এদের চরিত্রও এক। বরং তৃণমূল শিশুই। বাংলায় পঞ্চায়েতে ৩৬% সিট তৃণমূল, ত্রিপুরায় বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতে যেতে ৯২% আসন। বিজেপি কে ভোট দিয়ে তৃণমূল কে হারানোর চেষ্টা করা অনেকটা, পুড়ে যাওয়া জায়গায় আগুন লাগিয়ে ট্রিটমেন্ট করছি বলার মত।

    বাংলায় বামেদের বিকল্প হতে পারে একমাত্র উন্নততর বামফ্রন্ট। আর কিচ্ছু নয়।

    সবটাই বললাম, বলার হয়ত আরো অনেক কিছু থাকতে পারে, আপনার জানারও কিছু থাকতে পারে। জিগ্যেস করুন। যথা সাধ্য উত্তর দেব।

    তবে আবেদন একটাই, বিজেপি কে ভোট দিয়ে, তৃণমূল কে সুবিধা পাইয়ে দিয়ে, রাজ্যকে আরো ৫০ বছর পিছিয়ে দেবেন না।
  • PT | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১২:০৮379251
  • "নাগপুরের ইচ্ছাফুল/পচ্চিম্বঙ্গে তিনোমুল"-সেই কব্বে থেকে বলছি।
    যাহোক আপাততঃ গোপনে প্রেরিত কুর্তা পাজামা ও সন্দেশের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।
  • রঞ্জন | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১৩:৪২379252
  • কোন সন্দেহ নেই যে দুটো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে তা হিন্দি বলয়ের ইডিয়মে 'এক নাগনাথ তো দুসরা সাঁপনাথ'। একটা আরেকটার চেয়ে উন্নত বিকল্প নয়।
    কিন্তু গত নির্বাচনেই কি দেখা যায় নি যে তিনোদের ভোট প্রতিশত প্রায় অপরিবর্তিত; কিন্তু যতটুকু বামেদের কমেছে প্রায় ততটুকু পদ্মফুলে বেড়েছে। এবার তিনোদেরও কিছু ভোট পদ্মে পড়বে মনে হয়। ক্ষমতায় থাকলেও ওদের ভয় চোখে পড়ছে।
    দুই, চাইলেই কি সব পাওয়া যায় ?
    জনতাকে দোষ দেবার আগে ভাবুন শিশির বাজোরিয়ারা কি কয়েক বছর আগেও আলিমুদ্দিন আলো করে বসে ত্থাকতেন না ? রাজস্থানে তিনটে সিট পাওয়ার আনন্দে কি পার্টি থেকে অফিসিয়ালি কমঃ শিশির কে ধন্যাবাদ দেওয়া হয় নি ?
    এখন আপনাদের বড় কৃষক নেতা কমঃ খগেন মূর্মু (সিটিং এম এল এ) এবার বিজেপির প্রার্থী কি না ? তেমনি মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন বিধায়িকা এবার ঘাসফুলের প্রার্থী কি না ?
    আসলে কম্যুনিস্ট পার্টি শক্তিশালী হয় গণ আন্দোলনের জোরে। এর-ওর-তার সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গঠনের মধ্যে দিয়ে নয়।
    গোটা ভারতের প্রেক্ষিতে ভাবুন। কেন অন্ধ্রে,বিহারে, পাঞ্জাবে কম্যুনিস্ট আন্দোলন জমি হারিয়েছে?
    আসলে বিজেপির ফেকু ন্যারেটিভ ( জঙ্গি রাষ্ট্রবাদ, মেজরিটারিয়ান ধার্মিক শ্লোগান, রাস্তাঘাট চাকরির প্রতিশ্রুতি, কালো টাকা উদ্ধার) এর পালটা বিকল্প ন্যারেটিভ দরকার। সেটা লেফটকেই করতে হবে। একটা ইলেকশান হারা কি জেতা বড় কোথা নয়, আসল হোল দীর্ঘকালীন জমি উদ্ধার করা।
    দেখা যাচ্ছে, জনতা নয়, পার্টির মধ্যেই ইডিওলজিক্যাল ভিত্তি বড্ড ভাসা ভাসা, স্কিন ডিপ।
    নইলে ঋতব্রত যান তিনো দলে? হলদিয়ার লক্ষ্মণ শেঠ সদলবলে তিনদল ঘুরে কংগ্রেসে আশ্রয় নেন? এম এল এ ছায়া বেরা, দেবেন বিশ্বাস তিনোদলে যান?
    অসুখ অনেক গভীরে। খালি প্যারাসিটামলে হবে না।
  • PT | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১৩:৪৮379253
  • এতো খুব হাই লেভেলের তাত্বিকতা হল। সুহৃদ দত্তের ইনসাফ চেয়ে জন্য এট্টু কান্নাকাটি হবেনা?
  • রঞ্জন রায় | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১৩:৫৯379254
  • যার যা কাজ!
    কান্নাকাটির অনেক বড় দিন আসিতেছে।
    তাত্ত্বিকতা একটু দরকার, অন্ততঃ কম্যুনিস্ট আন্দোলনের জন্যে, কান্নাকাটি নয়।
  • PT | ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ১৪:০৭379255
  • "এর পালটা বিকল্প ন্যারেটিভ দরকার। সেটা লেফটকেই করতে হবে।"
    উরিত্তারা!! ঘুম ভেঙেছে?
    তিনোদের অনশন মঞ্চে বিজেপি নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে পন্ডিতেরা ব্যক্তিগতভাবে কে কি অব্স্থান নিয়েছিলেন সেসব এট্টু জানা যাবে? বামেদের শক্তি কমিয়ে দেওয়াটাই তো সেই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল। তার পরে সেই সমর্থন কোন দিকে গেল তাই নিয়ে এখন কান্নাকাটি কেন?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন