এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৫:২৫485657
  • এই বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস আমার প্রিয় সাবজেক্ট। হিটলার এর মেইন কেমফ ও পড়েছি। প্রথম যুদ্ধে জার্মানি হারার পরে ইকোনমিক দুর্দশা আর হারার লাঞ্ছনা এর মধ্যে দাঁড়িয়ে হিটলার জার্মান জাতিস্বত্তাকে দারুন ভাবে উটিলাইজ করেছিল ক্ষমতায় আসার জন্যে। পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, চেক সবকটা দেশে লোকাল জার্মান দের যে মার্জিনালাইশাসন করা হয়েছিল হারার পরে, তারাও প্রথমে নাত্সি রেজিম বা পরের জার্মান অকুপেশন কে সাপোর্ট করেছিল উইথ ওপেন আর্মস।এতে কোনো সন্দেহই নেই. হারানো প্রাইড কে উদ্ধার করার চিন্তা।


    আমার পয়েন্টটা হলো মেজরিটি জার্মান লোকজন কি ডাইরেক্ট ইহুদিদের গ্যাস চেম্বারে মারার সাপোর্ট করেছিল ? বা সবাই এভাবে মারা হবে জানতো বা ডাইরেক্টলি পার্টিসিপেট করতো ?তাহলে এতো গোপনে চালাতে হতো কেন ক্যাম্পগুলো ?


    তেমনই আজকের ইন্ডিয়া। মেজরিটি হিন্দু হয়তো ভাবে ইন্ডিয়াতে মুসলিমদের আগের সরকার গুলো বেশি তোল্লাই দিয়েছে। যেমন পাকিস্তানে বা বাংলাদেশে সমস্ত হিন্দুদের মেরে ধরে তাড়ানো হয়েছে তেমনই ইন্ডিয়ায় মুসলিম দের কে একটু টাইট দিয়ে রাখা হোক। তার মধ্যেও নানা ধরণের চিন্তাধারা আছে কিন্তু তাও মেজরিটি একটা কমন এজেন্ডায় এসে মোদিকে বা বিজেপিকে ভোট দিয়ে দেয়. কিন্তু সেই মেজরিটি লোকজন কি সরাসরি দাঙ্গায় অংশ নেয় ? সেখানে তো সেই কয়েকটা লুম্পেন রাই চড়ে বেড়ায়।


    যাকগে তালিবান থেকে অনেক বেলাইন হয়ে যাচ্ছে।

  • সে | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৫:১০485656
  • বাহ। তা বলে যে দেশটায় থাকেন সে দেশের ইতিহাস জানবেন না? দেশটার মানচিত্রে মাঝখানের স্টেটগুলো কেন স্ট্রেইটলাইন দিয়ে ভাগ করা সেটা জানবেন না? আবার আফ্রিকার দেশগুলোও ওরকম স্ট্রেইটলাইন দিয়ে কেন ভাগ করা সেসব প্রশ্ন ওঠে না মনে?


    পৃথিবীর অন্য অধিকাংশ দেশের সঙ্গে আপনার দেশটার মূল পার্থক্যটা কোথায় কোথায় সেসব জানতে ইচ্ছে হয় না?

  • :|: | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৫:০০485655
  • তারপর পরীমনির কী হলো?

  • &/ | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৪:৫৮485654
  • সে, হ্যাঁ সে তো ঠিক আছে, ইতিহাস পড়া আর গুগল টুগল করে নেওয়া যাবে। কিন্তু সেসব তো সাজানো গোছানো বানানো ইতিহাস। আসল ইতিহাস তো পাওয়া যায় না সেখানে। সেইজন্যেই তো অন্যত্র খোঁজা।

  • সে | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৪:৫৪485653
  • সোভিয়েত ঢোকার কিছু আগেই আবার অ্যামেরিকা মুজাহিদিনদের ঢুকিয়েছিল। তাদের ফান্ডিং অস্ত্র সাপ্লাই এসব আগেই করে রেখেছিল অ্যামেরিকা।


    অ্যান্ডর,


    একটু ইতিহাস পড়তে হবে তো। একটু গুগুল টুগুল ও ঘাঁটতে হবে তো।

  • সে | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৪:৫১485652
  • অমিত


    বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসটা ভাল করে পড়তে হবে। বিশ্বযুদ্ধ আসলে একটাই। মাঝের ঐ ২১ টা বছর ছিল জোট পরিবর্তন এবং ক্ষমতা তৈরি করার প্রস্তুতিপর্ব।


    হিটলার ক্ষমতায় এলে যে জার্মানি যুদ্ধ করতে ঝাঁপিয়ে পড়বে এবং যাবতীয় মানবেতর (Untermensch)কে দাস বানাবে তা স্পষ্ট ছিল তার এজেন্ডায়। তার লেখা বই তখন ঘরে ঘরে, বিয়েতে জন্মদিনে উপহার দিত লোকে মাইন কাম্ফ। আমার স্ট্রাগল।


    শুধু জারমানি নয় পূর্ব য়ুরোপের প্রায় সব দেশ তাকে সমর্থন করেছিল। পোল্যান্ডে কি এমনি এমনি আইসশুইৎসের ক্যাম্প বানাতে পেরেছিল?


    জনসমর্থন ছিল ব্যাপক। পরে যখন হারতে শুরু করে, যখন বিরোধী জোট বম্বিং করে তখন জিনিসটা অন্যরকম হতে শুরু করে। কিন্তু প্রথম তিনটে বছর বা আরেকটু বেশি সময় সবাই বেশ খুশি ছিল এই যুদ্ধ নিয়ে। কারন তারা জানত যে জার্মানি জিতবেই জিতবে।

  • &/ | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৪:৪৭485651
  • একটা স্বাধীন আধুনিক সমাজ, মহিলারা উচ্চশিক্ষিতা ও চাকরিবাকরি করছেন ---সেই সমাজে গিয়ে ঢুকে পড়ল সোভিয়েত। কী জ্বালা! কী দরকার ছিল ? যদি যুক্তি দেয় সাম্যবাদ শেখাবার জন্য, তাহলে বাইরে থেকেই সাপোর্ট দিয়ে তো সেটা করা যেত।

  • &/ | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৪:৪১485650
  • ফেসবুকের কিছু গ্রুপে দেখতাম হিন্দু মুসলমানে গালাগালি চলছে লাগাতার। সে মানে চব্বিশ ঘন্টা ননস্টপ। এ বলে আমায় দ্যাখ, ও বলে আমায় দ্যাখ। এ বলে তোরা সতীদাহ করতি, ও বলে তোরা বোনকে বিয়ে করিস। এ বলে তোদের কৃষ্ণ লম্পট, ও বলে তোদের নবী পেডোফাইল। এ বলে তোদের কোনো ইয়ে নেই, ও বলে তোদের কোনো ইয়ে নেই। কেউ সূচ্যগ্র মেদিনি ছাড়ে না।

  • সে | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৪:৪১485649
  • সোভিয়েতদের ঢুকে পড়বার অনেক আগে ষাটের দশকে আফগান মহিলারা অত্যন্ত আধুনিক জীবন যাপনে অভ্যস্থ ছিল। আমার আফগান বন্ধুদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলেছি। এরা প্রায় প্রত্যেকেই উচ্চশিক্ষিত এবং ওয়ার্কিং উইমেন ছিল। বহুবিবাহ শহরের দিকে ছিল না বললেই চলে।


    সোভিয়েত আমলে ৫ বার গেছি, খুবই মডার্ণ পোশাক আশাক। দেখে হিংসে হতো।


    সোভিয়েতরা চলে যাবার পরে গেছি একবার। তখন অরাজকতা শুরু হয়ে গেছে এবং মধ্যযুগীয় নিয়ম অত্যন্ত দ্রুতিতে কায়েম হচ্ছে। সেটা ছিল ট্রানজিশন ফেজ। তার ঠিক পরেই তালিবান শাসন কায়েম হলো।

  • Amit | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৪:৩৬485648
  • সেতো মোদী ও ভোটে জিতে এসেছে দুবার। তাবলে যারা তাকে ভোট দিয়েছে তারা সবাই কি গোরক্ষক ? আর এজেন্ডা বলতে একটা তো থাকে সামনে ভোটে জেতার জন্যে, আর আসলটা থাকে পেছনে। ম্যাংগো লোক যদ্দিনে সেটার নাগাল পায়, তদ্দিনে বাঁশটা অনেকটা ঢুকে গেছে। বের করতে গেলেও প্রচুর পেনফুল।

  • সে | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৪:৩০485647
  • হিটলার জনগনের ভোটে জিতে ক্ষমতায় এসেছিল। তার এজেন্ডা আগে থেকেই পাবলিক জানতো।

  • Amit | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৪:০৮485646
  • যেকোনো দেশে র বা ধর্মের এক্সট্রিমিষ্ট লুম্পেন এলিমেন্টস গুলো সবসময় মাইনোরিটি, কিন্তু এই জানোয়ার গুলোর হাতে আর্মস চলে এলে কনসিকোয়েন্স ডেঞ্জারাস হয়ে যেতে পারে বাকিদের জন্যে। সত্যি বলতে সাইলেন্ট মেজরিটি র ওপিনিয়ন ওসব জায়গায় কোথাও কিস্যু ম্যাটার করে না।


    হিটলারের জমানায় গান্ধী অনশন আন্দোলন দেখাতে গেলে সিম্পলি হাওয়া হয়ে যেত।

  • &/ | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৪:০৮485645
  • সোভিয়েত আমলে অবস্থা কীরকম ছিল আফগানিস্তানের? মানে স্কুল কলেজ, মেয়েদের অবস্থা ইত্যাদি ইত্যাদি?
    'বড়দি' র গলার টোনখানা শুনলেন? আমরাই সব। আমরাই সোভিয়েত খসাতে জঙ্গী বানাই, খসে গেলে আমরাই আবার জঙ্গী পেটাই, আমরাই গাছে তুলি, আমরাই মই কাড়ি। সব ব্যাটা দুদুভাতুরা বসে থাকে, আমরা গিয়ে খেলাই। সর্প হইয়া দংশাই, ওঝা হইয়া ঝাড়ি।
    এই বড়দি ভাগ্যিস পিছলে গেছেন। ইনি ক্ষমতায় এলে বৃন্দাবন দেখিয়ে দিতেন।

  • সে | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৩:৫৭485644
  • বীজ না থাকলে সার জলে কিছু হয় না। এর প্রমাণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। য়িহুদিবিদ্বেষ না থাকলে হিটলার একা কিছু করতে পারত না। ধর্ম নিয়ে ফ্যানাটিক হওয়া, কিংবা বিশেষ ধর্ম বা জলগোষ্ঠীর প্রতি বিদ্বেষকেই কাজে লাগানো হয়। য়িহুদিদের হাতে টাকা ছিল বিস্তর। তারা মহাজনী ব্যবসা করত। অন্যদিকে খৃষ্টধর্মে সুদের কারবার করা পাপ। তাই য়িহুদিদের প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষ জাগিয়ে তুলতে বেগ পেতে হয় নি।


    আফগানিস্তানের ক্ষেত্রে পুরো দেশের ৯৯ শতাংশ বা তারও বেশি মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী। কিন্তু কেউ কট্টরপন্থী কেউ আধুনিক।


    ভারতেও সব হিন্দু সমান গোঁড়ামিতে বিশ্বাসী নয়।

  • aranya | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৩:৫০485643
  • আমার এক বন্ধু আছে, সৈয়দ মহম্মদ নাসের। তার ছেলে-র সাথে কথা হয়, ওকে বলছিলাম ইসলামে সংস্কার দরকার - বিধর্মী মানেই শাস্তিযোগ্য নয়, মেয়েদের অধিকার ছেলেদের সমান - এসব নিয়ে তোমায় কাজ করতে হবে। তুমি সৈয়দ বংশীয়, তোমার কথা লোকে শুনবে

  • Amit | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৩:৪৬485642
  • সেই আর কি। বীজ যেখানে অলরেডি আছে, তাতে সার জল পড়লেই তরতর করে বাড়ে। বীজ না থাকলে সার জল ঢেলে কিচ্ছু কাজ হবেনা.

  • aranya | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৩:৪২485641
  • আমেরিকার বদামি, ​​​​​​​​​​​​​​ক্যাপিটালিজম -এর ​​​​​​​প্রভাব ইঃ ​​​​​​​আছে।


    আবার ইসলামের ​​​​​​​নিজস্ব রিগ্রেসিভ ​​​​​​​কিছু ​​​​​​​নিয়ম ​​​​​​​কানুন- ও ​​​​​​​আছে, ​​​​​​​যা ধর্মীয় মৌলবাদ প্রোমোট করে, এটাকে ​​​​​​​অস্বীকার ​​​​​​​করা ​​​​​​​যায় ​​​​​​​না। ​​​​​​​

  • Amit | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৩:৩৪485640
  • এটা একটা অদ্ভুত প্যারাডক্স. আমেরিকার তেল আর জেওপলিটিক্স দৌলতে বহু দেশ ফেঁসেছে। গুচ্ছ মিলিটান্ট জঙ্গি গ্রূপ তৈরী হয়েছে ওদের পয়সায়. আবার সেই জঙ্গি গুলোর হামলা সামলাতে সেই তাদেরকেই ডাক পড়ে। শাঁখের করাত কেস পুরো।


    যেমন ইন্দিরা গান্ধী ৭০ এ খালিস্তান সামলাতে ভিন্দ্রানওয়ালে কে এগিয়ে দিয়েছিলো পরে সেটাই পুরো ব্যাক ফায়ার করে নিজেই উড়ে গেলো। আগুন নিয়ে খেললে হাত পোড়ার রিস্ক তো থাকবেই .

  • aranya | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৩:৩১485639
  • সে, শুনলাম হিলারি-র কথা। কিন্তু এতো জানা কথা, নতুন কিছু নয়।


    অবশ্য হিলারি এটা প্রকাশ্যে বলছেন, সেটা ভাল

  • সে | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৩:২২485638
  • অরণ্য


    যে লিংকটি দিয়েছি মাত্র কয়েক মিনিটের ভিডিও। একটু দেখে নিন।

  • সে | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৩:২১485637
  • হিলারি ক্লিন্টনের নিজের স্বীকারোক্তির পর আর কীই বা বলার থাকে?

  • aranya | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০৩:১৬485636
  • 'ইতিপূর্বের তালিবান শাসনে একটি মেয়েও স্কুলে ছিল না। গত কুড়ি বছরে ৯০ লক্ষেরও বেশি আফগান মেয়েরা স্কুলে যেতে শুরু করেছিল। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, যে ‘হেরাত’ শহরের (যা ইতিমধ্যে তালিবান দখলে চলে গেছে) বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ভর্তির প্রায় ৫০%-ই ছিল মেয়েরা। এমন সব সাফল্যের খবর কিন্তু বাকি দুনিয়ার কাছে পৌঁছয়নি'


    -এটা সাহরা-র চিঠিতে ​​​​​​​দেখলাম। ​​​​​​​গ্লোবাল ​​​​​​​ক্যাপিটালিজম- এর ​​​​​​​মুখপাত্র ​​​​​​​আমেরিকা ​​​​​​​আফগানিস্তানে ​​​​​​​থাকাকালীন ​​​​​​​কিছু ​​​​​​​ভাল ​​​​​​​কাজও ​​​​​​​হয়েছিল ​​​​​​​তাহলে

  • Amit | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০২:৫৭485635
  • আমেরিকা থাকলেও বিপদ, না থাকলেও।

  • Amit | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০২:৫৬485633
  • আরে ১৯-২০ বছরের ছেলেরা কোথায় কি করে বেড়াচ্ছে, বাবা মা কি চাইলেই সামলাতে পারে নাকি ? আর তাদের নিজেদের ও তো প্রাণের ভয় আছে. এর মানে এই নয় যে তারা সবাই ইনোসেন্ট হয়তো তাদের অনেকেই সাপোর্টার। কিন্তু জেনেরালাইজ করা যায়না এভাবে।

  • সে | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০২:৫৫485632
  • এত সব জানার পরেও আমেরিকা কোন আক্কেলে আফগানিস্তান ছেড়ে চম্পট দিল?

  • সে | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০২:৫১485631
  • তালিবানরা তো কোনও পরিবারের ছেলে। তাদের বাপমায়েরা কী করে ছেলের এই বখে যাওয়া সহ্য করে? তাদের কোনও দায় নেই?

  • Amit | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০২:৪৮485630
  • সেতো ছেলেরা হোক বা সাধারণ লোক, কারা যে এই বর্বর গুলোকে আসলে সমর্থন করে তাও কোনোদিন জানা যায়না. কয়েকটা বন্দুক হাতে গুন্ডা কয়েকশো লোককে চুপ করিয়ে রাখতে পারে। নাহলে সুতিয়ায় বরুন বিশ্বাস রা মরে কেন ? জাস্ট একটা উদা ছোট স্কেলে।


    যখন প্রশ্ন ওঠে মেজরিটি সাধারণ লোক কেন লড়াই করেনা বা এসব জঙ্গিপনা মেনে নেয় ? নিজে বন্দুকের সামনে না দাঁড়ালে ওসব দূর থেকে বলা খুব সোজা.

  • aranya | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০২:৪৩485629
  • কিছু মিডিয়া আর্টিকল দেখছি - ১৫-র কম বয়সী মেয়েদের আর ৪৫-এর কম বয়সী বিধবাদের লিস্ট চেয়েছে তালিবান রা, 'Badakhshan' আর 'Takhar' - এ, তাদের যোদ্ধাদের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য। কাবুলের রাস্তায় কম বয়সী মেয়েদের হান্ট করা হচ্ছে, সেক্স স্লেভ বানানোর জন্য।

  • সে | ১৯ আগস্ট ২০২১ ০২:৩৫485628
  • নিশ্চয় মেয়েরা তালিবানদের সমর্থন করে না। তবে তালিবানদের মা বোন বউ টউরা কী মত পোষণ করে তা কোনওদিনও জানা যাবে না। তারা বস্তু মাত্র।

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত