এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:৩৯510333
  • মেয়েরা ভালো পড়াশোনা করতে পারেনা এটা মনে হয় ঠিক ঐভাবে বলতে চাওয়া হয়নি। ভালো করলেও সমস্যা হলো একটা বয়েসের পর গরিব বা মধ্যবিত্ত বাপ্ মায়েরা পড়ার থেকে মেয়ের বিয়ে দেওয়া টাকে বেশি ইম্পরট্যান্ট মনে করে ন্যান। তার জন্যে সোশ্যাল প্রেসার, টাকা বা রিসোর্সের অভাব, মেয়েদের সেফটি - অনেক কিছুই ফ্যাক্টর কাজ করে। এগুলো শহরের থেকে গ্রামের দিকে আরো বেশি রেলিভেন্ট। ইন্ডিয়াতে %-ধরলে মেয়েদের আন্ডার এজ ম্যারেজ খুব বেশি।
     
    উচ্চবিত্ত বিজ্ঞেস ​​​​​​​ঘরেও ​​​​​​​মেয়েদের ​​​​​​​আন্ডার ​​​​​​​এজ ​​​​​​​বিয়ে হয়ে ​​​​​​​যেতে ​​​​​​​দেখেছি। ​​​​​​​সেগুলো ​​​​​​​আবার ​​​​​​​বিজনেস ​​​​​​​ডিলস ​​​​​​​প্রায়। ​​​​​​​ছেলে ​​​​​​​মেয়ের ​​​​​​​পছন্দ ​​​​​​​বিশেষ ​​​​​​​ম্যাটার ​​​​​​​করে ​​​​​​​না। তবে %- হিসেবে ​​​​​​​ওগুলো ​​​​​​​আর ​​​​​​​কত হবে।
     
    ছেলেদের আন্ডার এজ ম্যারেজ ডাটা নেই, কিন্তু ওটা নিয়ে লেখা লেখি তো চোখে পড়েনা বিশেষ।
  • &/ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:৩১510332
  • আমি একেবারে আগাগোড়া দেখেছি মেয়েদের ক্ষেত্রে সবাই বলছে "বর আসবে এক্ষুনি, নিয়ে যাবে তক্ষুনি"। সে মেয়ে পড়াশোনায় ভালো বা মন্দ যাই হোক।
    আমাদের কয়েক ব্যাচ আগের দুই দিদি, পড়াশোনায় দুজনেই ভালো, ক্লাসে ফার্স্ট সেকেন্ড হত দু'জনেই, বাড়ির পরিবেশও বিদ্যোৎসাহী, বেশ ধনী অভিজাত পরিবার, একজনের মা শিক্ষিকা---সেই দুজনের ক্ষেত্রেই কলেজ শেষ করা মাত্র বিয়ে হয়ে গেল। বিয়ের পর নো চাকরি, সন্তানধারণ পালন ও মানুষ করা।
  • kk | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:২৫510331
  • a'র এই কথাগুলো -- " ইন্ডিভিজুয়াল ভ্যারিয়েশন থাকতেই পারে, কিন্তু ইন জেনরাল মেয়েরা ভাল পড়াশুনো করতে পারে না, বা দরকার নেই, বা কোন ফিউচার নেই এরকম মানসিকতা আমি স্কুল লাইফে দেখিনি "
    আমারও এটাই অভিজ্ঞতা। আমি কিন্তু মফস্বলী শহরেই বড় হয়েছি। হয়তো মফস্বল টু মফস্বলও ভেরিয়েশন আছে।
  • র২হ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:১২510330
    • পলিটিশিয়ান| ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:০৮
    • এবং নিজের ইচ্ছে থাকার ব্যাপারটা জেন্ডারের সাথে কোরিলেটেড নয়।
    ঠিক।
     
    যদিও মেয়েদের জন্যে ব্যাপার স্যাপার অনেক বেশি কঠিন, অনযরকমও; তুলনা চলে না। কিন্তু ওটাও আছে।
  • র২হ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:০৯510329
  • তবে একেবারে গ্রাম বা প্রথম প্রজন্মের স্কুল পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে হতেই পারে অন্যরকম ছিল।
    আমাদেরই এক মেধাবী সহপাঠিনীকে তার শিক্ষক বাবা সুযোগ পাওয়ার পরও ভিনরাজ্যে ইন্জিনিয়ারিং পড়তে পাঠায়নি, মেয়ে বলে। তবে সেটা ব্যতিক্রমী ও নিন্দিত ব্যাপার ছিল। যদিও পরে সে উচ্চশিক্ষা করেছিল বিজ্ঞান নিয়েই। মা বাবার সংসারের দায়িত্বও নিয়েছিল।
  • পলিটিশিয়ান | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:০৮510328
  • এবং নিজের ইচ্ছে থাকার ব্যাপারটা জেন্ডারের সাথে কোরিলেটেড নয়।
     
    র২হ | 63.119.204.210 | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:০৫51032
  • র২হ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:০৫510327
  • @ a | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:২৮
    আমিও সেরকম দেখেছি। অভিজাত কিছু না। তবে পড়াশুনোয় খারাপ হলে মেয়েদের বিয়ে আর ছেলেদের উঞ্ছবৃত্তি।
     
    পলিটিশিয়ান | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:২৬
    সেতো ওই সানি ধাপামাগারেসা। নিজের বিন্দুমাত্র ইচ্ছে না থাকার পরেও চণ্ডীমন্ডপের অভাবে কফি হাউসে নিরুদ্যম রাজা উজির বধের বদলে রণ রক্ত সফলতার কুম্ভীপাকে পিশিং অ্যান্ড পিশিং।
  • &/ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:৫৫510326
  • নামডাকওয়ালা স্কুল নিশ্চয়।
  • a | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:৫০510325
  • অভিজাত একেবারেই না, ঐ যে বল্লাম মধ্যবিত্ত, নব্য আর প্রগতিশীল
  • &/ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:৩৩510324
  • চতুর্মাত্রিক, আছেন? দেখেছেন ঠিক আগের সপ্তাহে যা বলছিলেন, এই কিস্তিতে তাই হাজির। সেই আঙুলকাটা জ্ঞাতিভাই এসে হাজির, কেষ্টার সঙ্গে খুব লড়ছে। ঃ-)
  • &/ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:৩১510323
  • কলকাতার অভিজাত স্কুলের কথা সত্যিই আলাদা। মফস্বলের বা গ্রামের স্কুলের ও সেখানকার পরিবেশের সঙ্গে তুলনা ---করা যায় না আসলে।
  • a | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:২৮510322
  • মফস্বলী কথাটা এখানে জরুরি মনে হয়। কারণ আমি শহর কলকাতার মধ্যবিত্ত কিন্তু কো-এড স্কুল থেকে মাধ্যমিক দিয়েছি ২৫ বছর আগে। প্রথম আর দ্বিতীয় স্থানাধিকারী ছিল দুটি মেয়ে, আর আমরা জানতাম ওরা দুর্দান্ত কিছু করবে।
     
    তছারাও পড়াশুনো সুযোগ সুবিধা চিন্তা ভাবনাতে আমাদের মত মধ্যমেধার ছাত্র ছাত্রীদের ভিতর কোন মেজর তফাত কোনদিন বোধ করিনি। ইন্ডিভিজুয়াল ভ্যারিয়েশন থাকতেই পারে, কিন্তু ইন জেনরাল মেয়েরা ভাল পড়াশুনো করতে পারে না, বা দরকার নেই, বা কোন ফিউচার নেই এরকম মানসিকতা আমি স্কুল লাইফে দেখিনি
  • পলিটিশিয়ান | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:২৬510321
  • শুধু মেয়েরা কেন, ছেলেরাও কি সমানাধিকার নিয়ে খুব মাথা ঘামায়? অল্প বয়সে আমার ফ্যান্টাসি ছিল বাবার হোটেল চিরস্থায়ী হোক। বাবা গালাগালি যথেষ্টই দিত। সেসবে খুব একটা কান না দিলেই হত। কানে জল ঢুকল তখনকার প্রেমিকা একদিন আচ্ছা করে দেওয়ায়। সামারি হল সে যদি চাকরি করেও তো তাতে তার নিজের সাধ আহ্লাদের খরচ চলবে। যে ছেলে বউ খাওয়াবে না তার বিয়ে না করাই উচিত। তারপর সে মেয়ের সাথে কেটে গেল। কিন্তু কদিন বাদেই বাবার একটা ছোট করে স্ট্রোক। কানে জল গেল বউ খাওয়াবে না, বাবা চিরকাল থাকবে না, কিছু একটা করতে হবে। কিন্তু বাবা যদি চিরকাল খাওয়াত তো আমি কাজ করার কথা স্বপ্নেও ভাবতাম না। যতই লাথি ঝাঁটা খাই।
     
    তো মেয়েদের ব্যাপারটা বুঝি। বর আওয়াজ মারে, কিছুটা দাসত্বও করায়। কিন্তু অধিকাংশ পরিবারেই মারধর করেনা। তার বিনিময়ে খাওয়া পরা, বেশ কিছুটা সাধ আহ্লাদ। আমি পেলে কিন্তু হাউস হাজব্যান্ড হতে রাজী হয়ে যেতাম। অপমান সহ্য করেও। বসের সামনে লোকে যেমন অপমান সহ্য করে। মাসমাইনে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জুটে যায় বলে।
  • Amit | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:১১510320
  • প্রকৃত ১০০-% ফ্রিডম অফ চয়েস আদতে কাঁঠালের আমসত্ত্ব। সব সোসাইটি তেই নানাভাবে প্রেসার ক্রিয়েট করা হয়। কোথাও ঘাড় ধরে হিজাব কোথাও ঘাড় ধরে বিয়ে আর কোথাও ঘাড় না ধরলেও চাদ্দিকে দেখে ডেটিং এর চাপ ইত্যাদি। আফটার অল একটা সমাজে থেকে, একটা ফ্যামিলি বা সোশ্যাল নর্মস এর মধ্যে ছোট থেকে বড়ো হয়ে উঠে কতটা আনপ্রেজুজুডিসড থাকা সম্ভব আর কমপ্লিট ফ্রিডম অফ চয়েস এক্সারসাইজ করা সম্ভব সেটাও একটা কোশ্নো।
     
    বাঁদর দের ​​​​​​​মধ্যেও ​​​​​​​তো ​​​​​​​কিছু কিছু সোশ্যাল ​​​​​​​বিহেভিয়ার ​​​​​​​দেখা ​​​​​​​যায়- যেমন বাচ্চা দের মা ছাড়াও গ্রূপ সাপোর্ট দেওয়া। ​​​​​​​সুতরাং ​​​​​​​গাছে ​​​​​​​ফিরে ​​​​​​​গেলেও ​​​​​​​শান্তি ​​​​​​​নেই তবে ​​​​​​​কেউ ​​​​​​​কেউ ​​​​​​​যে আন্তরিক চেষ্টা ​​​​​​​চালাচ্ছে ​​​​​​​সেটা তো আশেপাশে ​​​​​​​দেখাই ​​​​​​​যাচ্ছে রেগুলার।
     
    তার মধ্যেই যতটা পারে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালানো। যেমন এই যে একটা দেশে ভোট নিয়ে মেজরিটি ওপিনিয়ন নেওয়া- রেজাল্ট যাই হোক। সোজা ঘাড় ধরার চাইতে তো সেটা বেটার অপশন বলেই মনে হয়। এই ভোটই যদি ২০-৩০ বছর পরে আবার হয় হয়তো অন্য রেসাল্ট আসবে।
  • &/ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:০১510319
  • সেই বাউলের গানের মতন, 'নাই রে নাই রে নাই রে নাই'। ঃ-)
    শেষ পর্যন্ত হয়তো সবই ইন্ডিভিজুয়ালের লড়াই।কোনো কোনো সমাজে কিছু ভালো ভালো নিয়মনীতি আছে, আইন কানুন ভালো, সেসব মোটের উপরে মানানোর ব্যবস্থাও আছে, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় কিছু সহায়তা পাওয়া যায়---এই যা একটু আশার কথা।
  • র২হ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:৫৩510318
  • সেরকম হলে সেখানেও আসলে ফ্রিডম অফ চয়েস নেই, মোড়কটা রংচঙে।
     
    অন্য সমাজ তো জানি না, কাছে থেকে না দেখলে সবই পরস্মৈপদী। প্রকৃত ফ্রি চয়েসের পরে যদি কেউ হোম মেকিংকে নির্ঝঞ্ঝাট অপশন হিসেবে নেয়, তবে সেটা তার পছন্দ। যদি তার পেছনে সামাজিক নির্মান ও চাপ থাকে তাহলে ফ্রিডম অফ চয়েসে ভেজাল আছে।
    আমাদের সমাজে যেমন হোম মেকিং অপশনে অনেক সময়ই অনেক সমঝোতা, গ্লানি আর নিরুপায়তার আখ্যান বিরল না।
  • &/ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:৪৪510317
  • তারপরে দেখি "ও হরি, পইড়া মরি"। নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস----
    সমাজ সোজা কথা নয়। তথাকথিত ফ্রী ওয়ার্ল্ডেও মগজ ধোলাই সূক্ষ্মভাবে হওয়ায় মেয়েরা অনেকেই নিজেরাই ঠিক করে রেখেছে ট্রফির মতন এক হাত থেকে অন্য হাতে ঘুরতে পারলেই সার্থকতা। কোন অল্পবয়স থেকে বাধ্যতামূলক ডেটিং! যেন কারুর না কারুর হস্তগত হতেই হবে!
    অনেকরকম মানুষই তো আছে। অনেক কিশোরী মেয়ে এইরকম ব্যাপার সহ্য করতে পারে না, আত্মহত্যা পর্যন্ত করে। একজন মনোচিকিৎসকের লেখা বইতে পড়ছিলাম।
  • Amit | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:৩৮510316
  • ইন্ডিয়া তে মেয়েরা যারা নিম্নবিত্ত স্তর থেকে লড়াই করে উঠে আসে তারা অসাধারণ লড়াকু। ১স্ট ওয়ার্ল্ড এর দেশগুলোর সাথে কোনো তুলনাতেই আসেনা। আর তারা ব্যতিক্রমই। হাজারে বা লাখে একটা দুটোই হয়। বাকিরা জাস্ট হারিয়ে যায়। ওসব চয়েস টয়েস নয়।
  • &/ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:৩২510315
  • বেশ জটিল ব্যাপার। নিজে মফ্স্বলী মধ্যবিত্ত যে পরিবেশে বড় হয়েছি সেখানে মেয়েদের লেখাপড়াটুকু অনেকক্ষেত্রেই জাস্ট মেয়ে দেখিয়ে বিয়ে দিয়ে দেবার জন্য। পাত্রপক্ষ যাতে 'ও মা, বি এ পাসও করে নি?' এই বলে নাকচ না করতে পারে। মেয়েরা পড়াশোনা করে পাশ টাশ করে উপার্জন করবে, সেটা অনেকক্ষেত্রেই এখনও ভাবনার বাইরে। আর পিতৃমাতৃহীন অনাথা যারা আত্মীয়স্বজনের সংসারে মানুষ, তাদের তো পারলে বেড়াল পার করে দেয় বিয়ে দিয়ে। এদের ক্ষেত্রে (নিজের বাবামা থাকা মেয়েদের এবং অন্যের সংসারে মানুষ মেয়েদেরও) নিজস্ব চয়েস খুব একটা আছে বলে মনে হয় নি কোনোদিন। অনেক মেয়েকে দেখেছি স্বাভাবিক প্রেরণায় ক্লাস এইট নাইন থেকে প্রেম ট্রেম করতে( প্রায়শঃই কোচিং সহপাঠীর সঙ্গে), কিন্তু সেই প্রেম অ্যাপ্রুভ্ড হত না বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই। বাপমা ধমকে চমকে কখনও আড়ং ধোলাই দিয়ে মেয়েকে বাগে এনে তারপরে আঠেরো পার হলেই সম্বন্ধ করা পাত্রের হাতে তুলে দিতেন।
    ফ্রীডম অব চয়েস ছিল সেই পরিবেশে গল্পকথা।
    হ্যাঁ, দূর রূপকথার দেশের কাহিনি শোনার মতন শুনতাম মেয়েরা মহাকাশে যায়, বাস চালায় ট্রাক চালায় এরোপ্লেন চালায়, নানা জিনিস আবিষ্কার করে, বড় বড় প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে কাজ করে, উপদেষ্টা পরিষদে থাকে, আবার শ্রমিকের কাজও করে, কন্স্ট্রাকশনের কাজও করে--সবেতেই পূর্ণ মর্যাদা ও উপযুক্ত বেতন পায়। নির্ভয়ে তারা একা একা থাকতে পারে, যেকোনোরকম দায়িত্ব নিতে পারে। এসব সবই ছিল আমাদের কাছে ভিনগ্রহের কাহিনির মতন কিছু।
  • Amit | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:২৫510314
  • চয়েস তো অনেক কিছুই থাকে। কথাটা হলো ইকুয়ালিটির। কোনো দেশেই মেয়েদের আগ বাড়িয়ে একুয়াল রাইটস দেওয়া হয়নি। সব দেশেই সেটা পেতে লড়াই করতে হযেছে। ইনক্লুডিং ভোটিং রাইটস। কোথাও বেশি আর কোথাও একটু বা অনেকটাই কম।
     
    সেখানে ডেভেলপড দেশগুলোতে মেয়েরা যদি কম কাজের পক্ষে ভোট দেয় সেখানে সেই একোয়ালিটির জন্যে যারা লড়ছে তারা কিছুটা পিছিয়ে পড়ে আর কি। যেমন এখন যদি কোনো মেয়ে ইরানে হিজাবের পক্ষে চয়েস দেখাতে চায় তারা অন্তত যারা হিজাব না পড়তে চায় তাদের কাজটা আরো কঠিন করে দিচ্ছে।
     
    আর সামাজিক চাপ বলতে বাইরেও দেখি আমার অফিসেই - এখনেও মেয়েদের বাবা মা রা ২৫-৩০ হয়ে গেলেই বিয়ে করে সেটল হওয়ার জন্যে ঘ্যান ঘ্যান করে। এখানে সবাই আলাদা আলাদা থাকে বলে হয়তো সেটা রোজ রোজ শুনতে হয়না ইন্ডিয়া মতো একসাথে থাকার সুবাদে। কিন্তু খ্রীষ্টমাস ফ্যামিলি গ্যাদারিং এ শুনতেই হয় - এই যা তফাৎ।
  • র২হ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:৪৯510313
  • প্রকৃতই ফ্রিডম অফ চয়েস হলে তো এটাও একটা চয়েস।
     
    আমাদের দেশের ক্ষেত্রে যেমন বলা যায় এতে সত্যি চয়েসের থেকে সামাজিক চাপের ফ্যাক্টর বেশি জোরদার।
  • যোষিতা | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:০৭510312
  • যোষিতা | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:০৪510311
  • যোষিতা | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:০২510310
  • যোষিতা | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:৫৮510309
  • সেক্সওয়ার্কারদের রোজগারের মেয়াদ দীর্ঘস্থায়ী নয়। বড়জোর বিশ বছর। তারপর?
    পূর্ব ইয়োরোপে ঐ সময়ে অর্থাৎ ১৯৯১ এর আগে তো বটেই ধরা যাক ১৯৯৫-৯৬ অবধি একটা ট্রেন্ড ছিল যেন তেন প্রকারেণ ক্যাপিটালিস্ট দেশে চলে যাবার। মেয়েরা বিয়ে করতে চাইত ঐসব দেশের পুরুষদের। এটাই কারন। এরা কেউ সেক্স ওয়ার্কার নয়। প্রেমট্রেমও নয়। যেমন করে হোক ঝুলে পড়ো, তারপরে প্রেম হলে ভাল, বিয়েটা করতেই হবে। টানা দশ বছর দেখেছি। কেউ বিয়ে করে নিজের দেশে নিয়ে যায়, কেউ নিয়ে যায় না। কেউ সন্তানশুদ্ধু ছেড়ে রেখে যায়। রাশিয়ায় এরকম অনেক আছে। এ জিনিস ষাটের দশক থেকে শুরু হয়েছিল। সত্তর আশি নব্বইয়ের দশকে মাত্রাতিরিক্ত রকমের বেড়ে গেছল।
    এখন যেখানে থাকি সেখানেও অমন বৌ আছে অনেকের। এ নিয়ে সিনেমা পর্যন্ত হয়েছিল আশির দশকের শেষাশেষি। পরপর দুটো বিখ্যাত সিনেমা আছে।
    পূর্ব য়ুরোপের মেয়েদের যে করে হোক পশ্চিমে যাবৈর প্রবণতা। তারা দামি দামি জিনিস আর বিলাসবহুল জীবনের লোভে এরকম করত। শুধু হোস্টেল নয়, হোটেলের সামনে, রেস্টুরেন্টের ভেতরেও অপেক্ষা করত বিদেশী রাজপুত্রদের জন্য। প্রত্যেকেই সুন্দরী, উচ্চশিক্ষিত। তবুও।
  • Bratin Das | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:৫৪510308
  • Bratin Das | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:৫৩510307
  • আমি অমিতের সাথে একমত।
  • Amit | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:৩৮510306
  • ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:০৪ এর প্রশ্ন বা মন্তব্য টা জাস্ট ইডিওটিক মনে হলো।
  • পলিটিশিয়ান | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:৩৩510305
  • যোষিতা | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:১৭510304
  • বিয়েকে সারাজীবনের প্রোফেশন হিসেবে নিলে সমানাধিকার মিলবে না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত