এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৬৯২০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | 132.*.*.* | ২৯ জুন ২০১৫ ১২:৫০662719
  • পাই,
    এবার কিছু ঘটনা
    ==================
    ১) ৭/৭/১৯৭৫ঃ সিআরপিএফ জে এন ইউয়ের ক্যাম্পাসে ঢুকে ডরমিটরি ঘেরাও করে ৬০ জন ছাত্রকে তুলল; ১০ জন বেশ কয়েক মাস জেলে রইল।
    ২)১০/০৭/৭৫, বোম্বে ইউনিভার্সিটির টিচাররা এক জয়েন্ট পিটিশন দিলেন ইন্দিরাকে, তাতে জরুরী অবস্থার সমালোচনা করে তুলে নিতে বললেন। চার মাস পরে সমস্ত স্বাক্ষরকারীকে তুলে মিসা লাগিয়ে জেলে পোরা হল।
    ৩) ১১/৭/১৯৭৫, সংসদে জগজীবন রাম ইমার্জেন্সির সমর্থনে প্রস্তাব আনলেন। পাস হল। কিন্তু কোন খবরের কাগজে বিরোধী নেতাদের বক্তব্য (যেমন গোপালন, সোমনাথ চ্যাটার্জি, এইচ এম প্যাটেল ও এরা সেঝিয়ান) ছাপতে দেওয়া হল না। পাবলিক জানল যে বিনা বিরোধিতায় পাস হয়েছে।
    ৪)২২/৭/১৯৭৫ঃ রাজ্যসভা এমার্জেন্সি বিল পাস করল। দুই হাউসেই ৩৮তম সংশোধন পাস হল যাতে জরুরী অব্স্থার ঘোষণা ও মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ নিয়ে বিচারবিভাগীয় সমীক্ষা বে আইনী করে দেওয়া হল।
    ৫) ৩০ জন সাংসদ জেলে; রাষ্ট্রপতি ৩৮তম সংশোধনীতে হস্তাক্ষর করলেন।
    ৬) ২৪/১/১৯৭৬ঃ সংসদ একটি সংশোধনী অনুমোদন করল যাতে আদালতের মিসা-বন্দীদের কেস রিভিউ করার ক্ষমত কেড়ে নেওয়াঅ হল।
    ৭)২৮/৪/১৯৭৬ঃ রাইট টু লাইফ নিয়ে একটি ঘটনা ঘটল। সাতটি হাইকোর্টের রায় উল্টে দিয়ে সুপ্রীম কোর্ট ৪-১ ডিসিশনে ঘোষণা করল যে এমার্জেন্সিতে বন্দী হলে হাইকোর্টে হেবিয়াস কর্পাসের রিট লাগানো যাবে না। অর্থাৎ, কাউকে ধরে নিয়ে গিয়ে নিখোঁজ বা কোথায় আছে জানি না বললে যে হাইকোর্টে "বন্দীকে আদালতে হাজির কর" আদেশের জন্যে রিট লাগানো যায় তা বাতিল।
    বিখ্যাত বিচারক হংসরাজ মেহতা ডিসেন্ট নোট দিয়ে বলেছিলেন - সংবিধান প্রদত্ত রাইট টু লাইফ এবং ফ্রিডম প্রশাসনিক অর্ডারের অধীন নয়। তাঁকে সুপারসিড করে জুনিয়রকে চিফ জাস্টিস করা হল।
    ৮) ৩১ /১/৭৬ঃ ডিএমকে মন্ত্রীসভা বরখাস্ত করে বিধানসাভা ভেঙে দেওয়া হল। ৭০০ জন বন্দী।
    ৯) ১২/৩/৭৬ঃ গুজরাত বিধানসভা ভেঙে রাষ্ট্রপতি শাসন।
    ১০) নসবন্দীঃ
    =========
    ক) ১৮/১০/৭৬, মুজফরনগরে জবরদস্তি নসবন্দী করানোর বিরোধ করায় পুলিশের গুলিতে ৪৩ জন মারা গেল।
    খ) ৩০/১০/৭৬, ২৮ জন মিসাবন্দীকে বারানসী জেলে নির্জন সেলে রাখা হল-অপরাধ ভুখ হরতাল ও ইন্দিরা গান্ধীর বিরুদ্ধে শ্লোগান দেওয়া।
    গ) ৬/১১/৭৬ঃ বিশাল পুলিস বাহিনী ইউপির গাঁ থেকে ১৮০ জনকে বলপূর্বক নসবন্দী করাতে তুলে নিয়ে গেল।
    ১১) প্রেস/মিডিয়া
    =======
    ক) ২/৩/৭৬। সঞ্জয়ের কথায় গান না গাওয়ায় আকাশবণী কিশোর কুমারের গান বয়কট করল।
    খ) ২৪/৫/ঃ সরকার জানাল যে গুপ্ত সংগঠনের সাহিত্য বিলির জন্যে অন্ততঃ ৭০০০ লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
    গ)১১/৬/৭৬ঃ বিনোবা ভাবের আশ্রমে হানা দিয়ে পুলিস ওনার পত্রিকা মৈত্রী বজেয়াপ্ত করল। এছাড়া ছিল ওপিনিয়ন, হিম্মত, ফ্রিডম ফার্স্ট, স্রুজনা, ভুমিপুত্র, তুঘলক, স্বরাজ্য।
    ঘ) ১১/৬/৭৬ঃ বাজেয়াপ্ত হল সেমিনার, জনতা, সাধনা, কোয়েস্ট।
    ঙ) ১৬/৮/৭৬ঃ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের আটটি এডিশন বন্ধ করা হল।
    স্টেটসম্যাঅন ও আরও কিছু পত্রিকা নিউজ ব্ল্যাক করার প্রতিবাসে হয় প্রথম পেজ সাদা, নয় সম্পাদকীয় খালি রেখে ছাপতেন।

    ১২) বিদেশে প্রতিবাদ
    ===============
    ক) ২৬/১/১৯৭৬ঃ "অ্যালিয়ান্স এগেইন্স্ট ফ্যাসিস্ট ডিক্টেটরশিপ ইন ইন্ডিয়া" র নেতৃত্বে লন্ডনে ২০০০ লোকের প্রতিবাদ মিছিল বেরোল।
    খ) ৫/৩/৭৬ঃ অন্ততঃ ৮০ জন মার্কিন নোবেল লরিয়েট, অ্যাকাডেমিক্স ও পীস অ্যাক্টিভিস্ট ইন্দিরাকে বিবৃতি দিয়ে ফান্ডামেন্টাল রাইট স্থাপিত করতে অনুরোধ করলেন।
    গ)৩/৬/৭৬ঃ Internaational League of Human Rights ইউ এন এ ভারত সরকারের বন্দীদের টর্চার, বর্বরতা, খেতে না দেওয়া নীতি নিয়ে অভিযোগ করলেন।
    ঘ) ২০/৯/৭৬ঃ "ইন্ডিয়ান্স ফর ডেমোক্র্যাসি" ফিলাডেলফিয়ার লিবার্টি হল থেকে তাদের লং মার্চ শুরু করল, লক্ষ্য ১ অক্টোবর নাগাদ ইউ এন এর সামনে পৌঁছে প্রদর্শন।
    সেদিনই ভারত সরকারের হোম মিনিস্ট্রি জানাল যে ২২জন লোকসভার আর ১১ জন রাজ্যসভার সাংসদ জেলে বন্দী রয়েছেন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, স্টেটসম্যান ও ট্রিবিউনের সরকারি বিজ্ঞাপন দেওয়া বন্ধ হয়ে গেল।
    ১৩ ) জরুরী অব্স্থায় উজ্বল কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব
    ==========================
    ক) ২/১০/৭৬ঃ
    প্রাক্তন স্বাধীনতা সংগ্রামী আচার্য কৃপালনী, কামাথ ও সুশীলা নায়ার বন্দী হলেন।
    খ) ১/৫/৭৬ঃ জর্জ ফার্নান্ডেজের গোপন স্থান জানতে ভাই অস্কারকে লুরু থেকে বন্দী করে আকথ্য টর্চার করা হল।
    গ) ১০/৬/৭৬ঃ জর্জ ফার্নান্ডেজ ধরা পড়লেন কোলকাতা থেকে, হাতকড়ি পরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল। তাঁর বিরুদ্ধে বরোদা ডায়নামাইট ষড়যন্ত্র মামলা চালানো হল।
    ঘ) ১৬/৬/৭৬ঃ তিনজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতা উইলি ব্র্যান্ডট, অধ্যক্ষ, জার্মান সোশ্যাল ডেমোক্র্যাত পার্টি, অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর ব্রুনো ক্রেইস্কি এবং সুইডেনের প্রাইম মিনিস্টার ওলাফ পাম সংযুক্ত বয়ান জারী করে জেলে জর্জের ওপর অত্যাচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন।
    ঙ) ১০/৮/৭৬ঃ আর এক সাংসদ সুব্রাহ্মনিয়াম স্বামী আম্রিকাতে পালিয়ে গেছলেন। তখন বোধহয় উনি হার্ভার্ডে ইকনমিক্সের ভিজিটিং প্রফেসর ছিলেন। মাথায় গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে উনি ধুমকেতুর মত সংসদে হাজির হলেন, কিছু বললেন। তারপর আবার পুলিশকে ধোঁকা দিয়ে ফুরুৎ হয়ে গেলেন। প্রকট হলেন ইমার্জেন্সি উঠলে পরে।
  • pi | 24.*.*.* | ২৯ জুন ২০১৫ ২০:২০662721
  • অনেক ধন্যবাদ, রঞ্জনদা।
  • PT | 213.*.*.* | ২৯ জুন ২০১৫ ২২:৪৮662722
  • জরুরী অবস্থার প্রসঙ্গে পব-র প্রেক্ষিতে একটা জরুরী কথা এখানে লিখে রাখা ভাল।

    "একলা চলো রে" গানটিকে নিষিদ্ধ করা সহ পব-তে বাক স্বাধীনতা হরণকে যিনি শৈল্পিক রূপ দিয়েছিলেন, সেই শ্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বিপ্লবী বামেদের তাত্বিক সমর্থনের কারণে এখন শাসক দলের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। কবি, নাট্যকার, অভিনেতা, বিপ্লবী ইত্যাদিরা জরুরী অব্স্থার ৪০ বছরের জন্মাদিনে ভয়ে বা ভক্তিতে কেউই তাঁর নামটি পর্যন্ত উচ্চারণ করেননি।

    এবং এই জরুরী অব্স্থা জারী করার পেছনে শ্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের অবদানও অনুল্লেখিত রয়ে গেল। এসবই ইচ্ছাকৃত ভাবে হল না আঙুল পিছলে হয়ে গেল সেটা অবিশ্যি বোঝা মুশকিল।

    কাজেই জরুরী অব্স্থার ঐতিহাসিক শিক্ষা যে শুধুই কাগজে-কলমে ও বাইটে বাইটেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেল সে ব্যাপারে কোনই সন্দেহ নেই।
  • quark | 220.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ০৯:৩৫662723
  • উদিকে কেষ্ট আর তাপস সহজেই জামিন পেলেন আর চম্প্রমারিও নিতান্তই নির্দোষ!
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ১২:৫০662724
  • পিটি উবাচঃ
    " "তবে বুঝলাম যে জরুরী অবস্থার শিক্ষা শুধুই কাগজে কলমে।"
    আমার বক্তব্য শুধুই এইটুকু। সেটা আপনি কেন ব্যক্তিগত ভাবে নিচ্ছেন?

    -- বাজে কথা! আপনার বক্তব্য এইটুকুত হলে কোন কথাই ছিল না। আপনার বক্তব্যগুলোঃ

    ১)কিন্তু সাবধান।
    গত চার বছরে শুধু কতজন শিক্ষককে প্যাঁদানো হয়েছে সেসব নিয়ে কোন আন্দোলনের কথা ভুলেও ভাববেন না যেন!!
    ২) কাজেই জরুরী অব্স্থার ঐতিহাসিক শিক্ষা যে শুধুই কাগজে-কলমে ও বাইটে বাইটেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেল সে ব্যাপারে কোনই সন্দেহ নেই।
    ৩)"সেখানে পারস্পরিক বক্তব্যের মধ্যেই সীমিত থাকা শোভন।"
    হঠাৎ নতুন নাকি এই ফোরামে? খিস্তি দিয়ে ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে বাইটের পর বাইট-সেসব চোখে পড়েনি?

    আমার কথাঃ
    ১) এবং ২)-- বয়স্ক মানুষ কেন বাচ্চাদের মত কথা বলেন? গুরুর পাতায় আড্ডা দিতে যারা দুচারটে পলিটিক্যাল মত প্রকাশ করে (আপনি আমি সমেত) তারা কাগজ কলম ও বাইটের বাইরে কী করবে বলে আশা করেন? আন্দোলন করবে? কেন আশা করেন? আপনি করেছেন? অথচ অন্যদের কাঠগড়ায় তুলতে সবচেয়ে আগে মুখিয়ে থাকেন।
    আবার বলছি, এখানে রাজনৈতিক কথাবার্তা পারস্পরিক বক্তব্যের আলোচনা/সমর্থন/ বিরূপ সমালোচনার মধ্যে সীমিত থাকাই শোভন।
    ৩) আপনার চোখে পড়েনি যে যখনই বিপরীত চিন্তার লোককে ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমণ করা হয়েছে বা অশোভন কমেন্ট করা হয়েছে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রতিবাদ হয়েছে।
    চোখে পড়েনি যে আপনাকে যখনই কুৎসিত কথা বলা হয়েছে তখনই প্রতিবাদ করেছি? কয়দিন আগেও গৌতম দেবের শারীরিক কষ্ট নিয়ে ব্যঙ্গ করায় দময়ন্তী ও আমি প্রতিবাদ করেছি?
    আর এটা কি কথা? কেউ কেউ কখনও অভদ্র বা ব্যক্তিগত কথা বলেছে বলে আপনি আমিও তাই করব? কারো বক্তব্য ছেড়ে ব্যক্তিকে কটাক্ষ আপনাকে/আমাকে শোভা দেয় না বা তা দিয়ে নিজের ভুল আচরণ জাস্টিফাই করা যায় না, এটাই কথা।
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ১৩:১১662725
  • আজকে "অঘোষিত জরুরী অবস্থা"?
    তাহলে ঃ
    ১) কোন টিভি চ্যানেলে সরকারের সমালোচনা করা যেত না।
    ২) কোন পত্রিকায় সরকার বিরোধী খবর বের করা যেত না।
    ৩) অনুব্রত/তাপস বেল পেয়েছে! তবু চারদিকের চাপে পড়ে ক্রিমিনাল কেস করতে পুলিশ বাধ্য হয়েছে। সেই কেস কোর্টে চলবে।
    ৪) জরুরী অবস্থা হলে এই নালিশ কোন কোর্টে করা যেত না। যে করত সে জেলে যেত।
    ৫) প্রতিবাদ মিছিল বেরোচ্ছে। জরুরী অবস্থা হলে তার কথা কল্পনাও করা যেত না।
    ৬) মন্ত্রী জেলে আছে। জরুরী অব্স্থায় মন্ত্রী বাইরে থাকত,
    ৭) শাসক দলের আয়ব্যয়, মুখ্যমন্ত্রীর ছবি কারা কিনল সেই হিসেব (!!!) চাওয়া হচ্ছে। জরুরী অবস্থায় অকল্পনীয়।
    ৮) জরুরী অব্স্থা হলে যারা শাসকদল বা মুখ্যমন্ত্রীর আত্মীয় বা দলীয় নেতাদের ছড়ানোর ফুটেজ জোগাড় করে মিডিয়াকে দিচ্ছেন তারা গুম হয়ে যেত বা সন্দেহজনক ভাবে মারা যেত।
    ৯) ইমার্জেন্সির প্রাক্কালে বিখ্যাত নাগরওয়ালা কান্ড! যতদূর মনে পড়ছে কোন সরকারী ব্যাংকের অফিসার নাগরওয়ালা সম্ভবতঃ সঞ্জয় গান্ধীর দূরভাষিক নির্দেশে খুব বড় অ্যামাউন্ট বিনা ডকুমেন্ট নিয়ে দিয়ে দিয়েছিলেন। পরে মুশকিলে পড়েন। চারদিকে জানাজানি হয়ে গেলে ওকেই গ্রেফতার করে জেলে পোরা হয়। তারপর রহস্যজনক ভাবে জেলে মৃত্যু হয়।

    আজ বঙ্গে যা হাল তাতে এটা বলাই উচিত যে যেই আসুক, এরা যাক। এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। যেই আসুক, সিপিএম হলেও।
    কিন্তু আজ এমার্জেন্সি হলে আমি গুরুর পাতায় এই সব লিখতে পারতাম না।
    প্রয়াত ইন্দিরা গান্ধী অনেক বড় হীরক রাণী ছিলেন। দিদি তার সামান্য নকল মাত্র।
  • PT | 213.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ১৩:৩৬662726
  • কল্লোলদার লিংটা দেখুনঃ ওখানে "অঘোষিত জরুরী অবস্থা" কথাটি লেখা আছে। আর আপনি পব-র অবস্থা যেভাবে ডিফেন্ড করছেন সেইভাবে "৩৪ বছরের অপশাসন" বাক্যটি ব্যবহৃত হয়।

    আপনি কি তাহলে বলতে চাইছেন যে তিনো সরকার জথেষ্ট গনতান্ত্রিক উপায়ে রাজ্য চালাচ্ছে? নেতারা "পুলিশকে বোম মার," "রেপ করিয়ে দেব" বা "চোখ উপড়ে নেব" বলে দিব্য পার পেয়ে যাচ্ছে তাতে তো আপনি বেজায় সন্তুষ্ট মনে হচ্ছে!!

    জরুরী অবস্থার ৪০ বছর বাদে রাষ্ট্রর কাছে আপনার এইটুকুই আশা-প্রত্যাশা ছিল?

    "তারা কাগজ কলম ও বাইটের বাইরে কী করবে বলে আশা করেন?"
    কিছুই না। শুধু তাদের নিরপেক্ষতার ভান বা দাবী করাটা অসহ্য লাগে।
    যেমন কিনা সিদ্ধার্থ-সুব্রতর অবদান উল্লেখ না করে জরুরী অবস্থার আলোচনা হয় নাকি? যারা জরুরী অবস্থা দেখেনি তাদের কাছে তো অপসত্য বা অর্ধসত্য তথ্য যাবে।
  • quark | 24.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ১৫:২৬662727
  • পিটি-দা একটা কাজ করুন। রঞ্জন-দা যেমন ক'রে ১৩টা পয়েন্ট দিয়েছেন, আপনিও সিদ্ধার্থ,সুব্রত,প্রিয় দাসমুন্সীদের কার্যকলাপের লিস্ট দিয়ে দিন। সকলেরই কাজে লাগুক।

    আমরা তো সত্যিই অর্বাচীন। অবিশ্যি যদি মোটা মোটা বই পড়তে বলেন তো সে অন্য কথা।

    আর এ কথাটা ঠিক যে অন্যে গালি দেয় ব'লে আমিও গালি দেবো, আর তার প্রতিবাদ কল্লে বলব "ঐ ওপাড়ার কানু যে দিল, তখন তো কই কিছু বল্লেন না" এইটে মোটেও কাজের কথা নয়।
  • PT | 213.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ১৬:০৯662729
  • ১৩-টা পয়েন্টের তালিকা বানানোর দরকার নেই। এই দুটো নিয়ে নাড়াচাড়া করুন তাতেই হবে।

    ১) জরুরী অব্স্থার সময়ে পব-র তথ্য-সম্প্রচারণ মন্ত্রকের কল্যাণে রবীন্দ্রনাথের "একলা চল রে" গানটি নিষিদ্ধ ছিল।
    ২) ২০০৯ সালে জরুরী অবস্থার অন্যতম প্রধান পুরোহিত জানাচ্ছেনঃ "I want to be clear on this: I think the Emergency was perfect....... "
    http://www.outlookindia.com/article/i-think-the-emergency-was-perfect/262449

    ৪০ বছর-পূর্তি উৎসবে এসব নিয়ে কোথাও আলোচনা শুনেছেন বলে মনে পড়েছে?

    আর আমি গত কয়েক বছরে কি কি গালি দিয়েছি তার যদি একটা তালিকা বানিয়ে দেন তো উপকৃত হই।
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ১৯:৩৮662730
  • পিটি,
    ১)গায়ে পড়ে ঝগড়া করছেন কেন?
    কোথাও বলিনি যে আপনি গালি দিয়েছেন। গালি দেওয়ার কথা আপনিই তুলেছেন। বলেছি আপনি যে অন্যে গালি দিচ্ছে বলে কাঁদুনি গাইছেন সেসব রাজনৈতিক বক্তব্য রাখার সময়ে অপ্রাসঙ্গিক, ঠিক যা কোয়ার্ক বলেছেন।
    ২)বলেছি আপনাকে ব্যক্তিগত নোংরা কথা বললে বা আপনার নামে নোংরা টই খুললে আমার প্রতিবাদ আপনার চোখে পড়ে না কেন?
    এবং কোয়ার্ক যা বলেছেন--আপনি যা যা জানেন লিখুন না! কেন অমুকে ওটা লিখল না বলে কাঁদুনি গাইছেন!
    ৩) ইমার্জেন্সির পিরিয়ডে আমি ছত্তিশগড়ের কলেজের ছাত্র। যা যা মিছিল ধরপাকড় সবই হিন্দিবলয়ের। আপনি বঙ্গের ছবি দিন না! তাহলে সর্বাঙ্গসুন্দর হয়। খামোখা ঘ্যান ঘ্যান বন্ধ করুন।
    আমি উদাহরণ দিয়ে দেখিয়েছি যে আজকের বঙ্গে শাসক দলের যা খুল্লমখুল্লা দাদাগিরি চলছে (তাতে অনেক আগেই বলেছি, কালকেও লিখেছি--যে আসে আসুক, এরা যাক। এটা এখন গৌতম দেবও বলছেন) তার সঙ্গে ইন্দিরার জরুরী অব্স্থার কোন তুলনা চলে না। আমার বন্ধু কল্লোল বল্লেও না।
    আগে আমার পয়েন্টগুলো অসত্য সেটা তথ্য দিয়ে দেখান।
    তা না করে আপনি সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন যে "আপনি কি তাহলে বলতে চাইছেন যে তিনো সরকার জথেষ্ট গনতান্ত্রিক উপায়ে রাজ্য চালাচ্ছে? "
    আমি কি বলতে চাইছি তা খুব স্পষ্ট করে বলেই দিয়েছি, কোন চাইছি টাইছি নয়।
    ৪) আপনাকে অর্ধসত্যের জায়গায় পূর্ণসত্য বলতে কে বারন করেছে!
    আসলে আপনার বোধহয় বলার খুউব বেশি কিছু নেই। নইলে বলুন। কে বলেনি বলে ঘ্যান ঘ্যান করবেন না। ঢের হয়েছে।
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ২০:০২662731
  • বেঙ্গলের ইমার্জেন্সি নিয়ে কেন বলিনি? আগে একটু হিন্ট দিয়েছিলাম যে সেই সময়ে বাম রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকা খুব ভালো ছিল না।

    তো পিটি বললেন যে আমি নাকি সিলেক্টেড চর্চা করছি। সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের ভূমিকা নিয়ে বিশেষ কিছুই বলিনি।
    বেশ, পিটির দেওয়া লিং থেকে সিদ্ধার্থবাবুর ইন্দিরাকে পরামর্শ দিয়ে লেখা তিনটে চিঠির অংশ
    তুলে দিচ্ছিঃ

    ১)“Dear Indira,... I think Mr. Fakhruddin Ali Ahmed is our best bet. Apart from being a Muslim, he is also from the Eastern region, and we have never had a president from that region. He will be completely loyal and Mrs Ahmed is eminently presentable.... I think the CPI will fall in line in the end...

    ২)Dear Indira,

    I shall not be seeing you before you leave for Moscow. So here's wishing you 'Bon Voyage'. As I always say, "if you cannot be good, do be careful. Enjoy yourself - see all the ballets, let yourself go and examine the Russian way of life (not too intimately!!) but for Pete's sake do not come back as Indiraki Gandhikou!!!

    --সিপিআই, রাশিয়া ও ইমার্জেন্সি দেখলেন।
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ২০:০৭662732
  • এবার জরুরী অবস্থায় সিপিএম নেতৃত্বের কথা খোদ সিদ্ধার্থ রায়ের জবানীতে শুনুনঃ ( সব পিটির লিং থেকে)

    And then there were the arrests. For instance, I had declared that nobody would be arrested in Calcutta. I told (CPI-M’s) Jyotirmoy Basu (who was vociferous in Parliament on the Maruti issue), “Don’t go to Delhi.” But he went to Delhi and was arrested. The actual arrest took place when he came back to Calcutta at Howrah station. Jyoti Basu rang me up and said, “Manu (Ray’s pet name), all lies. You said nobody would be arrested. But Jyotirmoy has been arrested.” When I found out that the central government had arrested him, I had him released. And I told Jyotirmoy, who was a friend of mine, “Look, Jyotirmoy, don’t go to Delhi now.” But he told friends, “Indira wouldn’t have done anything, so when I was arrested in Calcutta, Indira was furious.” He said, “Manu ke diyechhe (She gave it to him). So I’m going to Delhi.” He went to Delhi. The day he reached, he was arrested!

    কোথায় জর্জ আর কোথায়?
  • sushrut sarakhel | 212.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ২০:৩৮662733
  • সর্বজনমান্য ডিডিদা Date:26 Jun 2015 -- 10:11 PM এরকম বলেছেন, " Three thousand CPI(M) workers were arrested in the name of an anti-rightist drive ব্লা ব্লা ব্লা। কোথাও বলানেই আমাদের পার্টীর নেতারা জেলে। উনি নিজেই পার্লামেন্টে কথা কইছেন।" (উনি অর্থাৎ এ কে গোপালন)

    এই হোলো লিং http://politicalaffairs.net/india-role-of-the-communists-in-the-restor
    ation-of-democracy/
  • PT | 213.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ২১:২২662734
  • সর্বভারতীয় জরুরী অবস্থার আলোচনা করবেন তার জন্য জঙ্গলমহল কিংবা তাজমহল যেখানেই থাকুন না কেন সিধু দাদাকে বাদ দিয়ে আলোচনার শুরুটাই তো হয়না!!

    আমার অতীত-বিহারে কোন আগ্রহ নেই। আমি জানতে চাই যে জরুরী অবস্থা থেকে আমরা কোন শিক্ষা নিয়েছি? ৪০ বছরের শিক্ষায় শিক্ষিতরা শুধু বেছে বেছে সিপিআই আর রাশিয়া দেখছেন ও দেখাছেন!! ভাগ্যিস লিংটা দিয়েছিলাম তাই না সিধু দাদাকে কোট করা গেল।

    সেই জরুরী অব্স্থা নামক বাঁদরামোর নেতার স্ব-ঘোষিত উত্তরসূরীকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য কারা তাত্বিক সওয়াল করেছে? সিধু রায় আর তার তরুণ তুর্কিরা পেঁদিয়ে বেন্দাবন দেখিয়ে দিয়েছিল নকশালদের। সেই তরুণ তুর্কিদের একজনের সঙ্গে একাসনে বসে সেই সব অতিবিপ্লবী বা তাদের উত্তরসূরীরা পব-র মানুষদের কাছে মিথ্যার পাহাড় তৈরি করেছে। এমনকি মানবতাবাদী কর্মিরা সেই দলের সঙ্গে গোপন মিটিং করেছে। এখন সবাই "চিনিতে পারিনি বঁধু" বলে কাঁদুনি গাইছেন!!

    তোবা, তোবা!! এনারা নাকি নিরপেক্ষ!!
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ৩০ জুন ২০১৫ ২৩:৩১662736
  • দুটো লিং।
    একটা পিটি দিলেন ঃ
    তাতে দেখা গেল সিধুবাবু নিজে বলছেন সিপিএম এর নামজাদা নেতারা কিভাবে বন্ধু মানুর সঙ্গে পরামর্শ করে গা বাঁচিয়েছেন। কিভাবে জ্যোতির্ময় বসু তাঁর পরামর্শ না শুনে দিল্লি যাওয়ায় অ্যারেস্ট হলেন।
    এবার আরেকটি লিংঃ
    ১)
    কোন তথ্য সমৃদ্ধ রিপোর্ট নয়। প্রয়াত অনিল বিশ্বাসের একটি রাজনৈতিক লেখা যাতে দেখানো হয়েছে ডিডির কোট করা গোপালনের বক্তৃতা। স্বীকার করা হয়েছে হিন্দি বলয়ে অন্য দলগুলোর সংযুক্ত আন্দোলন, রেলের স্ট্রাইক ও জয়প্রকাশ নারায়ণের আন্দোলনের কথা।
    ২) বামেদের নেতৃত্বে কোন গণ আন্দোলন বা স্ট্রাইক বা ডেপুটেশনের কোন খবর নেই। অনিল বিশ্বাস তখন নিজে বাইরে ছিলেন।
    ৩) কী আছে?
    ক)The Left remained riven with disunity. CPI jumped on the bandwagon of Indira Gandhi. The CPSU and other communist parties of some socialist countries openly supported Indira Gandhi.।
    আমি কোথায় এমার্জেন্সির সময় সোভিয়েত বা বিশ্ব কম্যুনিস্ট আন্দোলনের ভূমিকা নিয়ে আলাদা কিছু বলেছি?
    খ)Posing as a ‘socialist,’ Indira Gandhi indulged in reckless counter-democratic ploys to win elections in states like Bengal while also triumphing elsewhere.
    গ)The CPI(M) was self-critical about its inability to take part in the anti-Congress movements across the country.

    ৪)--তা হইলে কি খাড়াইল?
    ক) সিপিএম নিজে কোন এমার্জেন্সি বিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করেনি, (একটা স্ট্রাইক/বন্ধের নাম/ ডেপুটেশন?)।
    এমার্জেন্সি ঘোষণা হতেই সিপিএম এর রিজর্ভ ব্যাংক ও এজি বেঙ্গল ইউনিয়ন খোলাখুলি মিটিং করে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করে এবং তার নেতারা জেলে যায়। তারপর আর কোন ইউনিয়ন প্রতিবাদ করে বিবৃতি/আন্দোলনের কাছে যায় নি।
    বিরোধ সীমিত রয়েছে সংসদে গোপালনের ভাষণে। অন্য সমস্ত দল মিলে যখন মার্চ ১৯৭৫ এ ডেপুটেশন দিয়েছে তাতে যোগ দেয় নি। ( অনিলবাবুর রিপোর্ট)
    খ)বঙ্গে বড় নেতাদের মানুবাবু ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের খাতিরে বঙ্গে অ্যারেস্ট করবেন না বলে দিয়েছেন। (পিটির লিং)
    গ) সোভিয়েত সমেত সমস্ত বিশ্বের কমুনিস্ট দল ভারতে ইন্দিরাকে ওই সময়ে সমর্থন দিয়েছে। (অনিল বিশ্বাসের রিপোর্ট)।
    তাই জ্যোতির্ময় বসুঅকে বাদ দিয়ে অধিকাংশ অন্য দলের সাংসদ জেলে ছিলেন।
    ঘ) ভুগেছে কারা? গ্রাউন্ড লেভেলে সিপিএম কর্মীরা জেলে গিয়েছে এবং বেশ কিছু কংগ্রেস কর্মীও জেলে ফিয়েছে(গোপালনের সংসদে ভাষণ)।
    প্রকাশ্য আন্দোলন/প্রতিবাদ হয়েছে হিন্দি বলয়ে। দক্ষিণেও বিশেষ নয়।
    ঙ) এমার্জেন্সি উঠলে সমস্ত রাজ্যে (দক্ষিণ বাদে) কংগ্রেস পরাজিত। যে রাজ্যে যার সংগঠন সে সরকার গঠন করে। কেরালা, বঙ্গ ও ত্রিপুরায় প্রত্যাশিত ভাবেই বাম সরকার গঠিত হয়।
    একেই বড় উপলব্ধি বলে পার্টি কংগ্রেসে প্রস্তাব পাশ হয়।
  • PT | 213.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ০৮:২৭662737
  • "তাতে দেখা গেল সিধুবাবু নিজে বলছেন....
    "প্রয়াত অনিল বিশ্বাসের একটি রাজনৈতিক লেখা...."

    সিধুদার বক্তব্য-"নিজে বলেছেন"-অতএব শ্রীমদ্ভগবত গীতার তুল্য আর অনিল বিশ্বাসের লেখাটি -"নিজে লিখেছেন"-অতএব-"রাজনৈতিক"!!

    বোঝো!!!!!! এর নাম নিরপেক্ষতা!!!!!!!!!

    এদিকে জরুরী অব্স্থার থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে পব-র থেকে মানবাধিকার কমিশনটাই উঠে গেল।
  • কল্লোল | 135.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১২:০৭662740
  • শুধু জরুরী অবস্থা কেন? ১৯৭২-১৯৭৭ পর্যন্ত কুটোটি নাড়ে নি। সিপিএম ১৯৭২ একটা ভুখ মিছিল করেছিলো ওয়েলিংটন স্কোয়ার থেকে তারপর পুউরো স্পিকটি নট।
    বহুবার বলেছি একথা। অনেকে খুব চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলেন ৭২-৭৭ সিপিএমের আন্দোলনের খবর দেবেন। তা, সে সব আজও পাওয়া গেলো না।
  • PT | 213.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১২:৪৪662741
  • সেতো চল্লিশ বছর আগের কথা। তখন যেহেতু "কুটোটি নাড়ে নি," ধরে নিলাম এখনো কিছু করবে না। তাছাড়া এখন সিপিএম ৩০% ভোট পায়।
    তো এই যে এতগুলো প্রতিবাদী মানুষের খুন হল বা মানবাধিকার কমিশন উবে গেল গত চার বছরে পব থেকে তার জন্য বাকি বাঙালীরা কি করছে?
  • সুশ্রুত সরখেল | 212.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১২:৫৪662742
  • ডিডিদাইতো ৩০০০ সিপিএম সমর্থকের গ্রেপ্তার হওয়ার খবর দিলেন।
  • PT | 213.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১৩:৫৯662743
  • এটা এক ধরণের অব্সেশন যে নেতারা কেন জেলে যায়নি। সিপিআই তো সমর্থন জানিয়েছিল। কিন্তু অন্যান্য বাম নেতাদের গ্রেপ্তার না করে ইন্দিরা দুটো কাজ সেরেছিলেনঃ

    ১) ৩০০০ সমর্থককে জেলে পুরলে আরো ৩০০০ বসে যাবে। এই ধরণের চেন রিয়াকসনে আন্দোলনের মেরুদন্ডটাই ভেঙ্গে দেওয়া গেছিল। রেল স্ট্রাইকের সময়ে ফিয়ার সাইকোসিস নিয়ে কিভাবে দিন কাটত সেটা আমি বিলক্ষণ জানি।

    ২) নামী বাম নেতাদের জেলে পুরলে তার এফেক্ট রাশিয়া পর্যন্ত চলে যেত। সে সময়ে ইন্দিরা গান্ধীর বিশ্বরাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য রাশিয়ার সমর্থন খুব জরুরী ছিল।

    এইসব ব্যাখ্যা সারা বিশ্বের রাজনীতি সচেতন মানুষেরা জানে। শুধু এখানে যাঁরা লেখেন তাঁদের অনেকেরই জানা নেই।
  • quark | 24.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১৪:৪৬662744
  • "সিধুবাবু নিজে বলেছেন" টাতো পিটি-দার দেওয়া লিংক থেকেই। সিদ্ধার্থ রায়ের ভূমিকা বিষয়ে ঐ একটি প্রামাণ্য তথ্যই এখনো অবধি পাওয়া গেছে।
  • PT | 213.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১৪:৫৩662745
  • চল্লিশ বছর আগে কে কাকে সমর্থন করেছে বা গ্রেপ্তার হয়নি সেই লেবু চটকে এখন আর কি লাভ?

    আসলে আমরা অতীত বিলাসী। তাই তামাদি হয়ে যাওয়া বিষয় নিয়ে অহেতুক সময় ও বাইট ব্যয় করছি। সত্যি যদি জরুরী অবস্থা থেকে আমাদের নেতারা ও আমরা কোন শিক্ষা নিতাম তাহলে পব-র মানবাধিকার কমিশন উবে যেত না বা প্রতিবাদী মানুষের এইভাবে খুন হতেন না।
  • কল্লোল | 135.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১৫:১২662746
  • ইতিহাসের চর্চা করা অতীতবিলাসীতা সেটা আজই জানলাম। নেতারা শিক্ষা নেন নি সেতো ৩৮ বছর ধরেই দেখছি। এ আর নতুন কি?
    মানবাধিকার কর্মীরা সক্রিয় আছে। এটাই আশার। লিং-টিং দেওয়া আছে।
  • PT | 213.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১৬:১৯662747
  • হি, হি.......মানবাধিকর কর্মীরা "সক্রিয়" আছেন আর পব-র মানবাধিকার কমিশন লাটে উঠেছে!!
  • sm | 53.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১৬:৩৩662748
  • নামী বাম নেতাদের জেলে পুরলে তার এফেক্ট রাশিয়া পর্যন্ত চলে যেত। সে সময়ে ইন্দিরা গান্ধীর বিশ্বরাজনীতিতে টিকে থাকার জন্য রাশিয়ার সমর্থন খুব জরুরী ছিল।
    --পিটির এই পোস্ট টা পড়ে,পরশুরামের যুগে সান্ধ্যকালীন আড্ডার কথা মনে পড়ে গেল।চা, সিঙ্গারা সহযোগে যেন চাটুজ্যে মশাই বলছেন। হি হি হি।
  • কল্লোল | 135.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১৬:৫১662749
  • মানবাধিকার কমিশন লাটে ওঠায় মানবাধিকার কর্মীরা কিভাবে দায়ী?
    মানবাধিকার কমিশন চালায় সরকার, এতে মানবাধিকার কর্মীদের দায় কোথায়?

    এট্টু বিষদ হোক।
  • PT | 213.*.*.* | ০১ জুলাই ২০১৫ ১৮:১৮662751
  • sm কি বুঝে লিখলেন না না বুঝেই.....? ভারত ও রাশিয়ার ঐতিহাসিক সম্পক্ক নিয়ে এট্টু পড়াশুনো করতে হবে যে!!

    কল্লোলদা
    তুমি যাদের মানবাধিকার কর্মী বল তাদের ওপরে আমার বিন্দু মাত্র আস্থাও নেই (পব-তে কার আছে?)। ওরা আপনাতে আপনি মগ্ন। সে অন্য কথা।

    তবে ওদের আমি দায়ী করিনি। আর দায়ী করে হবেই বা কি? APDR যে তিনো, বিজেপি, মাও ইত্যাদিদের সকলের সঙ্গে মাখামাখি করে থাকত বছর চারেক আগে সে সকলেই জানে। তারা তাদের পছ্ন্দের সরকারের কতটাই বা সমালোচনা করতে পারে!!

    কিন্তু সরকারী মানবাধিকার কমিশন সক্রিয় না থাকলে মানবাধিকার কর্মীরা বিশেষ কিছু করতে পারেন বলে মনে হচ্ছে না। মানবাধিকার কর্মিরা প্রচন্ড সক্রিয় হলে "আক্রান্ত আমরা" বলে কিছু খুলতে হত না, এতদিনে অম্বিকেশের ৫০,০০০ টাকাও পেয়ে যাওয়ার কথা। আর সেই সব নিহত প্রতিবাদীদের কি গতি হল সে সব কথা আর নাই বা তুললাম!!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন