এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ১২৫৪৪৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Guruchandali | ০৯ মার্চ ২০০৮ ১০:৩৯562111
  • ---------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা: এই সময়
    ---------------------------
  • S | ০৯ মার্চ ২০০৮ ১১:৩২562112
  • উত্তাল লিখেছো, অর্পণ। দুর্দান্ত।

    একটা ছোট্ট খিঁচ। বানানটা কি প্রথিতযশা, না, প্রোথিতযশা? আমার মনে হচ্ছে দ্বিতীয়টা, কিন্তু হাতের কাছে অভিধান নেই। কেউ কনফার্ম করতে পারবে?
  • d | ০৯ মার্চ ২০০৮ ১১:৪৫562113
  • ঠিক বানান হল প্রথিতযশা
  • Arpan | ০৯ মার্চ ২০০৮ ১৩:০৬562114
  • যদ্দূর মনে পড়ে প্রথিতযশা।

    প্রোথিত মানে গেঁথে দেওয়া।
  • ranjan roy | ০৯ মার্চ ২০০৮ ২১:৩৭562115
  • অর্পণ,
    তোমার হাতটা ছুঁলাম। যে কথাগুলো বলতে চাই, কিন্তু গুছিয়ে উঠতে পারিনি-- সব তোমার লেখায় চমৎকারভাবে ফুটে উঠলো।
  • Blank | ০৯ মার্চ ২০০৮ ২১:৪২562116
  • অপ্পন দার লেখা পড়ে Alejandro González এর সিনেমা গুলো মনে পরছে। অনেক গুলো আলাদা ঘটনা প্রথম থেকে বলতে বলতে এসে, শেষে সেগুলো কে জুড়ে দেওয়া। দারুন।
  • hanu | ১০ মার্চ ২০০৮ ০৩:০৩562117
  • এই সপ্তাহের বুলবুলভাজায় মুম্বই প্রসঙ্গ যেটা উঠেছে সেই সূত্র ধরে কয়েকটা কথা বলতে ইচ্ছে করছে।

    ১৯৬০ এর পয়লা মে মহারাষ্ট্র রাজ্যটি সরকারি ভাবে তৈরী হয়েছিল বম্বে কে রাজধানী করে। তার আগে প্রায় পাঁচ বছর টানা বম্বেকে মহারাষ্ট্রের অন্তর্গত করার দাবীতে ব্যাপক আন্দোলন হয়েছে। পাল্টা আন্দোলন হয়েছে গুজারাটেও। সেই আন্দোলনে মহারাষ্ট্রে যাঁরা আইডিয়োলোজিকাল নেতৃঙ্কেÄ ছিলেন যদ্দূর জানি তাঁর মধ্যে ছিলেন অনেকেই, সর্বজন শ্রদ্ধেয় কবি মহামতি আত্রে, কম্যুনিস্ট পার্টির পক্ষে এস এ ডাঙ্গে, গিরণ গাঁও এর শ্রমিক নেতৃঙ্কÄ ও ছিলেন মূলত: ডাঙ্গের সঙ্গে। এঁদের মধ্যে কম্যুনিস্ট সোশালিস্ট ন্যাশনালিস্ট অনেকেই ছিলেন। ৪২ এর একসক্লুশনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকেই সম্ভবত কম্যুনিস্টরা এই আন্দোলনের গণভিত্তি তৈরীতে সহযোগিতা করেন। সেই আন্দোলনে বাল থ্যাকারের পিতা প্রবন্ধকার থ্যাকারে ও ছিলেন। প্রবন্ধকার অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় বুদ্ধিজীবী, মারাঠি সংবাদপত্রের জগতে। এবং অমর শেখ নামে এক অসম্ভব জনপ্রিয় কবিয়াল ছিলেন সেই আন্দোলনে। গুলিটুলি চলেছিল, লোকজন মরেছিল শতাধিক, জনৈক মোরার্জি দেশাই গুলি চালানোর অর্ডার দেওয়ার মহৎ কাজটি করেন। কংগ্রেস রাজ্য নেতৃঙ্কÄ যথারীতি দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়। শ্রমিক আন্দোলনের জোর যেদিকে সেদিকে তাদের পক্ষে যাওয়া সম্ভব ছিল না, টেক্‌স্‌টাইল ইন্ডাস্ট্রি তে তখন কংগ্রেস দেউলিয়া রাজনীতির জন্য কোনঠাসা। আবার কেন্দ্রীয় নেতৃঙ্কেÄর ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রভিন্সিয়াল আন্দোলনে বেশি জোর দেয়া তাদের পক্ষে মুশকিল ছিল।

    এই আন্দোলন এক দিক থেকে দেখলে শিব সেনার 'মারাঠি মানুহুস' ধারণা টির পূর্বসূরী। তবু ইতিহাসকে চোখ ঠেরে লাভ নেই, কারণ এই আন্দোলনটির সত্যি ই একটি ব্যাপক গণভিত্তি ছিল। এবং এই আন্দোলন সফল হওয়ার পরে আর্থ সামাজিক ক¾ট্রাডিক্‌শন স্বাভাবিক ভাবেই থেমে থাকেনি। চীনের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে দেশপ্রেমের একটা জোয়ার ওঠে। বামবিরোধী রেটোরিক একটা জনপ্রিয়তা পায়। সিপি আই এর কর্মী নেতাদের উপরে আক্রমণ শুরু হয়। অনেক সিপিআই ঘেঁশা শ্রমিক নেতাদের ছেলেরা শিব সেনায় যোগ দেন। যাকে বলে শ্যাম্পেন মোমেন্ট! এই সময়েই শিব সেনার উত্থান। মারাঠা মানুস ক্যাম্পেন দিয়ে শুরু।
    কংগ্রেস প্রত্যক্ষ সমর্থন দিতে এগিয়ে আসেন। ওয়াই বি চবন এবং নায়েকের কংগ্রেস নেতৃঙ্কÄ এই জন্যে পরে সমালোচিত হয়েছেন, দলের বাইরে ও ভেতরে।

    প্রথমে দক্ষিন ভারতীয় ডাবওয়ালাদের ঠ্যাংআনো শুরু করেন শিব সেনা। যে সব এলাকায় সংগঠিত শ্রমিক আন্দোলন ছিল, যেমন টেক্সটাইল বেল্টে, গ্রান্ট রোডে, গিরণ গাঁও অঞ্চলে, এখন যেটা লোয়ার পারেল, সেই খানে মারামারি টা এক পক্ষে হয় নি। শিব সেনা কেন মালিক পক্ষের লোকেরাও সমঝে চলতো জনৈক কৃষ্‌ণ দেশাই কে। ইনি লাল বাওতা দের নেতা ছিলেন। মেনলি লেফট উইং স্ট্রীট ফাইটার। ইনি যখন খুন হয়ে যান, তার পরে শ্রমিক বেল্টে ঐরকম দুঁদে বামপন্থী নেতা আর আসেন নি। হি ওয়াজ আ লেজেন্ড। বই পড়ে যা জানছি।

    ১৯৬৫ নাগাদ মার্মিক বলে একটা পত্রিকায় শিব সেনা 'অ-মারাঠি' পদাধিকারি দের নাম প্রকাশ করতে থাকে এবং সরাসরি ভূমিপূত্র আন্দোলনের সরকারী সূচনা করে। এবং তখন থেকেই মিডল ক্লাস সমর্থন পাওয়ার চেষ্ট করে। কিন্তু অনেক সময় লেগেছে। এক দিনে সমর্থন আসে নি। তার নানা কারণের মধ্যে শিব সেনা কে শিক্ষিত লোকেরা থাগদের পার্টি হিসেবে দেখতেন। এমনকি হিন্দু মহাসভা বা আর এস এস এর সমর্থক রাও এই নতুন শক্তি টিকে বিশেষ সুনজরে দেখতেন না, কারণ অনেক থাকতে পারে, একই কনি্‌স্‌টত্যুএন্সি কে ভিত্তি করে এগোতে চাইছেন এটা একটা কারণ হতে পারে। এর পরেও কিন্তু বহুদিন অন্তত অর্গানাইজড লেবার পলিটিক্স এ অন্তত শিব সেনা কে লড়তে হয়েছে, সহজে এক্‌ছত্র আধিপত্য আসে নি।

    ১৯৮২-৮৩ তে দত্তা সামান্ত দের নেতৃঙ্কেÄ ঐক্যবদ্ধ টেক্সটাইল স্ট্রাইক যখন ১৮ মাস চলার পরে ব্যর্থ হয়, তার পর থেকেই শিব সেনার জয়জায়াকার। এবং ইন্ডাস্ট্রির চেহারাও বদলাতে থাকে, উৎপাদন শিল্প থেকে পরিষেবা শিল্পে বিবর্তন ও কিন্তু আর্বান আন্ডার্ক্লাসের মধ্যে শিবসেনার প্রভাব বাড়া আরেকটা কারণ। ১৯৮৫ তে প্রথম মিনুনিসিপালিটি নির্বাচন যেতেন শিব সেনা, মূলত বৃহন মুম্বই এলাকার ব্যাপক সমর্থনের জন্য।

    ১৯৯২ তে প্রথম দেখা যায় ব্যাপক মধ্যবিত্ত সমর্থন ও পাচ্চেন শিব সেনা, কারণ তদ্দিনে তাঁদের পলিটিক্স লেজিটিমাইজড। তাঁদের আইকোনোগ্রাফি ও লেজিটিমাইজড।

    রাজ থ্যাকারের সামনে উঙ্কÄল উদা অনেক।
  • Guruchandali | ১৬ মার্চ ২০০৮ ১৪:১০562118
  • ----------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা: আন্ধার বাতাস হেথা
    -----------------------------------------
  • S | ১৬ মার্চ ২০০৮ ২৩:২১562119
  • অ্যান ফ্র্যাঙ্ক সিনেমাটা দেখে উঠলাম এইমাত্র, হিস্ট্রি চ্যানেলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ইহুদী নির্যাতন, কনসে®¾ট্রশন ক্যাম্প, এই সংক্রান্ত সমস্ত বই সিনেমাতেই সেই এক দৃশ্য থাকে, সকলকে জামাকাপড় খুলিয়ে উলঙ্গ করে চুল কাটা হছে, চান করানো হচ্ছে।

    আজ দেখতে বসে হঠাৎ মনে হল, পাভলভ হাসপাতালের সেই বিবরণীরই যেন দৃশ্যরূপ দেখছি। খুব একটা তফাৎ নেই।

    বাম রাজত্বে নাৎসী ট্রিটমেন্টও চলে!
  • pragati | ১৭ মার্চ ২০০৮ ১০:০৪562121
  • অগ্নিশলাকাসম ঈদৃশ আলোচনাটির জন্য লেখককে অনেক সাধুবাদ...

    আমরা আশা হারাই নাই... কিন্তু কতদিন আর ক্ষিন্নপ্রাণ আশার পুঁটুলি বক্ষে ধারণ করিয়া কর্দমাক্ত পথ হাঁটিব?
    অক্ষিগোলকগুলি মুদিত, ভ্রান্ত, বিকৃতছায়ায় সমাছন্ন ... ইহারা কি অগ্নিশলাকার আঘাতে জাগিবে ?
  • dri | ২২ মার্চ ২০০৮ ০৪:৩১562122
  • আমার আবার সব কিছুই লেটে চলে। এতক্ষণে পড়া হল। বেশ হয়েছে। বিশেষ করে সমাজে পাগলের পোজিশানিংএর জায়গাটা।

    কিছুটা প্রাসঙ্গিক, একটা বই পড়লাম রিসেন্টলি। খাবলা খাবলা। ফুকোর 'ম্যাডনেস অ্যান্ড সিভিলাইজেশান'। এই ধরণের বই, বোঝাই যাচ্ছে, আমি কিনিনা। বইটা কুড়িয়ে পাওয়া। আমাদের লেটার বক্সের সামনে কেউ অনেক বই ডিসপোজ করে দিয়ে গেছিল। সেই পাহাড় নেড়েচেড়ে এই বইটা পেয়ে ভাবলাম, আমাদের সম্পাদকের গুরুদেব। একটু পড়েই দেখা যাক।

    বইটা টানা পড়া খুব শক্ত। বাদ দিয়ে বাদ দিয়ে পড়লাম। খুব খারাপ অনুবাদ। কিন্তু অসাধারণ ওয়ার্ক অফ স্কলারশিপ।

    ফুকো বলছেন, মানুষের ইতিহাসে এমন একটা সময় ছিল যখন 'পাগল'দের কনফাইন করার রীতি ছিল না। তারপর নগরের পত্তন হতে শুরু করল। এবং একটা সময় ইওরোপে কুষ্ঠ ভীষণভাবে ছড়ালো। তখন কুষ্ঠ রোগীদের কোয়ারান্টাইন করার জন্য অনেক অনেক কনফাইনমেন্ট বানানো হয়, এক ধরণের জেলখানা-কাম-হাসপাতাল টাইপ জিনিষ। কয়েক শতাব্দী পরে কুষ্ঠ রোগ ইওরোপ থেকে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল। আর কনফাইনমেন্টগুলো একদম ফাঁকা হয়ে গেল। এগুলো নিয়ে কি করা যায়, কি করা যায়। হঠাৎ শহুরে সমাজের মাথাদের মাথায় আইডিয়া খেলে গেল। এই পাগলগুলো হল নগর সভ্যতার নুইসেন্স। এরা শহরের রাস্তায় এলোমেলো ঘুরে বেড়ায় এবং হরেক গোল বাধায়। এদের ধরে গারদে পোরো। এই থেকে শুরু। মানুষকে 'পাগল' ব্র্যান্ড করে কনফাইনমেন্টে পোরা। তারপর ফুকোর অনেক অ্যানালিসিস আছে। পাগলাগারদের বিবর্তন। 'পাগল'দের দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার ইকনমিক্স, ইত্যাদি। এই ট্র্যাডিশান আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি।

    কারো কি জানা আছে মুঘল আমলে, বা তারও আগে হিন্দু রাজাদের আমলে পাগলাগারদের কি ফর্ম ছিল?

    ফুকোর লেখায় অবশ্য এই লেখার মত জেন্ডারের অ্যাঙ্গ্‌ল আমি পাইনি। থাকলেও আমি যে পোর্শানগুলো বাদ দিয়েছি তাতে আছে।
  • Guruchandali | ২৩ মার্চ ২০০৮ ১০:০৭562123
  • --------------------------------------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা: তিব্বতি রিফিউজি ক্যাম্পে আটচল্লিশ ঘন্টা
    ---------------------------------------------------------
  • I | ২৩ মার্চ ২০০৮ ২০:৫০562124
  • ভালো লেগেছে।
  • S | ২৪ মার্চ ২০০৮ ১০:৩৪562125
  • রঞ্জনদা জাস্ট অসা!
  • Guruchandali | ৩০ মার্চ ২০০৮ ১০:৪২562126
  • -----------------------------
    নতুন বুলবুলভাজা: বেসু প্রসঙ্গে
    ------------------------------
  • Suvajit | ৩০ মার্চ ২০০৮ ১৫:৩৭562127
  • সৈকতের লেখাকে দুহাত তুলে সমর্থন। তবে এই প্রসঙ্গে গত পাঁচ দশ বছরে ছাত্র ইউনিয়নের কি ভূমিকা সেটা একটু লিখলে ভাল হত। আমাদের সময়ে রাজনৈতিক রেশারেশি কখনো সখনো মারামারিও হয়েছে, কিন্তু ক্যাম্পাসে পুলিশ ঢোকার কথা কখনো চিন্তাও হয়নি। র‌্যাফ তো দূরস্থান। বেকসু যথেষ্ট শক্তিশালি ছিলো এবং কোনো ঝামেলাই হাতের বাইরে চলে যায়নি। ব্যক্তিগত ভাবে থার্ড ইয়ারে আমার রুমমেট ছিলো এস এফ আইয়ের ক্যান্ডিডেট আর আমি সি পি র। আজও আমরা দুজন অন্তরংগ বন্ধু।
    আর নেশা বলতে গেলে শুধু মদ কেন, গাঁজা, চরস, ফেন্সিডিল সব কিছুই বৃহদর্থে আমরা খেয়ে থাকতাম। এবং এর জন্য আমাদের কিছুমাত্র চরিত্র স্খালন হচ্ছে বলে মনে করতাম না।
  • Tim | ৩১ মার্চ ২০০৮ ০১:৪১562128
  • একটু ঘেঁটে গেলাম। কিছু কিছু জিনিস অনেকদিন ধরে চলছে, এবং সেগুলোর সাথে বর্তমান হাঙ্গামার কোন সম্পর্ক নেই বলেই সেসব বন্ধ করতে বলা যাবেনা? রেসিডেন্সিয়াল কলেজ হলেই বা, সেখানে পড়ছে তো আমাদের মতই কিছু (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে) সাধারণ ছেলেপুলে। উচ্চমাধ্যমিকের কয়েকমাসের মধ্যে কি তারা ভিনগ্রহের জীব হয়ে যায়?
    কর্তৃপক্ষের র‌্যাফ নামানো, বা যেকোনোরকম গার্জেনগিরি ও দমননীতি যেমন জঘন্য ও নিন্দাযোগ্য, ঠিক তেমনই খারাপ ""এরকমই হয়ে আসছে, অতএব চলতে দাও"" এই মনোভাব।
    খুব হাস্যকর লাগে যখন দেখি একই টেবিলের দুইপ্রান্তে দুইদল মানুষ, যাঁরা নিজেদের ""প্রাপ্তবয়স্ক"" বলেন, এবং অন্যপক্ষের কাছে সেইরকম আচরণ আশা করেন, তারা কাজের বেলায় চুড়ান্ত নাবালক।
    ম্যানেজমেন্টের কেউ কি বিদেশে এসে ঝোপে টর্চ মারবেন? বা, এই ছেলেমেয়েরাই পরে বিদেশে এসে কি কোনোদিন ক্যাম্পাসে মারামারি করবে? বা মদ খেয়ে হল্লা? করবে না, বা করলেও যথাযথ শাস্তি পাবে। সেটা কি ভিক্টোরিয়ান নিয়ম নাকি?
    কেমন যেন মনে হয়, গলদটা আরো গভীরে। আজকে যাঁরা কর্তৃপক্ষ, যাঁরা আরো বিভিন্ন রেসিডেন্সিয়াল কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান, তাঁরাও কিন্তু এই সিস্টেম থেকেই তৈরিই হয়েছেন। অনেকেই হয়ত খুব বেশিদিন আগের লোক না। এবং সেক্ষেত্রে পালস না বোঝার কথা তো নয়। বরং সেই পালসটাই ব্যাকফায়ার করছে না তো?

    বাকি ঈশানদা যা বললো, কর্তৃপক্ষের দাদাগিরি, সব পাপ ঢেকেঢুকে রাখা, মেনে নিতে দ্বিধা নেই। পুরোনো রোগ। তবে রোগই যখন, তখন ঠিকঠাক অ্যান্টিবায়োটিক না হলে সে তো যাবে না। এতদিন খুলে রেখে সংক্রমণ ছাড়া তো আর কিছুই পাওয়া যায় নি। চিকিৎসা হোক।
  • Blank | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১০:৫৪562129
  • মামু কেমন তাড়াহুড়ো করে নামিয়েছে এটা
  • a | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৩:২১562130
  • বেসু প্রসঙ্গে, মামু কিসুই বোঝেনি। না বেসুর পালস, না তাদের সমস্যা, না administration এর সমস্যা।

    আলাদা টই খুলবে কি কেউ?

    (আগে নিজের পরিচয়,আমি অয়ন। বি ই কলেজে SFI করতুম)
  • Arijit | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৩:৫৪562133
  • এতগুলো ছাত্র একসাথে আন্দোলন করছে বলেই সেটার কিছু মানে আছে - এটা ছাত্র অবস্থায় বলা যায়। তলিয়ে দেখলে যায় না। এখানেই মামুর গলদ রয়ে গেলো। এও এক ধরণের রেটরিক।

    বাবরি মসজিদের ঘটনার সময় এবং জাস্ট পরে পরে বেশ কিছুদিন কলেজ বন্ধ থাকে - তখন পরীক্ষা চলছিলো - সেগুলো বাতিল হয়। অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার ঠিক রাখতে কলেজ কর্তৃপক্ষ ক্রীসমাসের ছুটি কিছুদিন কমিয়ে জানুয়ারীর শুরুতে বাতিল হওয়া পরীক্ষা ফেলে। গোটা কলেজ এর বিরুদ্ধে মিছিলে নেমেছিলো - আমিও। ইস্যুটা আদৌ আন্দোলনযোগ্য ছিলো কি? জাস্ট গোটা কলেজ নেমেছিলো বলে?
  • Arijit | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৪:০৪562134
  • মোদ্দা কথাটা হল "ধুর' বলে কাউকে উড়িয়ে দেওয়াটাই ছেলেমানুষী হবে। স্পেশ্যালি এক্স-বিই কলেজীয়দের এই নিয়ে একটু ভাবনাচিন্তা করা উচিত রেটরিকের বাইরে বেরিয়ে।
  • san | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৫:৩৬562135
  • ইয়ে, মদ ও শরীর ঠিক ক্যালাকেলির জন্য দায়ী না হতে পারে, আর ব্রহ্মচর্য পালন করলেই যে কলেজ তপোবন হয়ে যাবে আর সেখানে হরিণশিশু চরবে এইরকম কোন ইলিউশন আমার অন্তত নেই। তবে মদ-বাওয়াল-শরীর কেন ছাত্রদের জন্য নিষিদ্ধ করাটা হাস্যকর - এর সঙ্গে বিইকলেজের ছেলেপুলে দুশো বছর ধরে কি মহান সংস্কৃতি ধারণ ও বাহন করে আসছে তার বেসিকালি কোন সম্পর্ক নেই - জাস্ট বিকজ বিইকলেজের সো-কলড সংস্কৃতি ঠিক এতোটাও ইম্পর্ট্যান্ট কিছু বস্তু নয় যে সেখানকার হনুদের পালস জেনে নিয়ে তবে ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশনকে যাত্রাপালা বা যুগোপযোগী আখ্যা দেয়া যাবে। এটা লেখার একটাই কারণ,আমার বোঝার ভুল কিনা জানিনা, বুলবুলভাজাটা থেকে আমার (ডি:, একান্তই আমার) চোখে নির্মম র‌্যাফ, ষড়যন্ত্রকারী কর্তৃপক্ষ ও উদাসীন প্রশাসন পেরিয়েও একটি আল্টিমেট মেসেজ ভেসে আসছে - এ হল বিই কলেজ বাওয়া, এখানে ডিসিপ্লিন মারিওনা -

    তো, বিই কলেজ বলেই বা আবাসিক বিই কলেজ বলেই আলাদাভাবে ট্রিটেড হওয়ার জন্য অত রোয়াবি দেখানোরও কিছু হয়নি। দ্যাটস অল। যে রোগের যে ওষুধ সেটাই পড়ুক, এ নিয়ে তো কারো দ্বিমত থাকার কথা না।
  • Arijit | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৫:৪৩562136
  • স্যান ছাত্রাবস্থা কাটিয়ে বড় হয়েছে।
    মামু এখনো কলেজের ছাত্রই রয়ে গেছে।
    আমি মাঝামাঝি কোথাও একটা ঝুলে আছি - অ্যাকাডেমিক পাবলিক, অভ্যেস যাবে কোথা?
  • d | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৫:৪৬562137
  • স্যানের কথার প্রতিটা অক্ষরের সাথে একমত। আমারও ঠিক এইরকম মনে হয়েছে।
  • Arijit | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৫:৪৮562138
  • অর্থাৎ দমুও বড় হইচে।

    ছাত্র সেন্টিমেন্টটাও বড় ফ্যাক্টর। আমি আদৌ মামুর সাথে একমত নই (কারণ আমি অল্প হলেও বড় হইচি) - কিন্তু দুটোর কোনোটাকেই ফেলে দিলে মুশকিল বাড়বে বই কমবে না।
  • san | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৭:৩৫562139
  • আরে ছাত্র সেন্টিমেন্ট অগ্রাহ্য করতে কে সাধাসাধি করছে? ডিসিপ্লিনারি কিছু অ্যাকশন নেয়া হয়েছে যেগুলো ঈশানের বা অন্য কারুর ইন জেনারাল হাস্যকর এবং মারামারির সঙ্গে সম্পর্কবিহীন মনে হয়েছে - এতে কোন চাপ নেই। আমার মোদ্দা কথা হল - বিইকলেজের ছেলেপুলের ওপরে ডিসিপ্লিন চাপানো একটি ধৃষ্টতা - কারণ বিই কলেজের পালসের সঙ্গে ওটা যায়না -এবং ব্রহ্মচর্য মহান বিই-ঐতিহ্যের পরিপন্থী তাই আপত্তিজনক - এই অদ্ভুত মেসেজটাকে বলে রোয়াবি। এইটা আমার কাছে আপত্তিজনক। এবং ইরিটেটিং।
  • shrabani | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৭:৪৮562140
  • কলেজের পড়ছে, তারা ছোটো বাচ্চা হতে যাবে কেন? তারা যথেষ্টই বড়।কলেজ প্রশাসনের সাথে সাথে তাদের কাছেও দায়িত্বশীল ব্যবহার কেন আশা করতে পারেনা লোকে? গাজোয়ারি কারোর কাছেই acceptable নয়, SU এর আড়ালেও নয়।
  • Arpan | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৮:১৪562141
  • ঈশান বেশ বকুনি খাচ্ছে। :-)

    আমার মনে হয় যে ঈশান যেটা বলতে চেয়েছে সেটা হল সমস্যার গভীরে কর্তৃপক্ষ ঢুকছেন না। মদ খাওয়া বন্ধ করলেই সেই সমস্যাগুলোর সমাধান হবে না। এর রুট কজ অ্যানালিসিস দরকার এবং সেটা কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক সম্প্রদায় এবং ছাত্রদের প্রতিনিধি এদের সবাইকে মিলেই সব তরফে একটা গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসতে হবে। সেটা রাতারাতি হবে না (এখন পরিস্থিতি যেখানে চলে গেছে)। তার জন্য আশু কিছু পদক্ষেপও নিতে হবে। যেমন নির্বাচনের মাধ্যমে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন করা। এইটা কেন বন্ধ সেটা বিশদে ঈশান লেখেনি, যেটার আমি মনে করি দরকার ছিল। অয়নও কিছু নতুন পয়েন্ট তুলে এনেছে। হয়ত কলেজের ছাত্রজীবনে থেকে বেরিয়ে এলে যে উপলব্ধিগুলো ওর হয়েছে।

    একটাই কথা, যাদবপুরেও মাল খেয়ে ব্যাপক বাওয়ালি হয়। শিক্ষকদের মধ্যেও রাজনীতির দলাদলি বেশ স্পষ্ট। ছাত্রছাত্রী ঠ্যাঙাতে পুলিশও নামাতে হয়। ঘোলা জলে বাইরের মাসল পাওয়ার ইউজ করেও ছাত্রদের উচিৎ শিক্ষা দেওয়া হয়। কিন্তু দুই-একজন বাদে বাকি শিক্ষকদের সম্পর্কে পড়ান না এই অভিযোগ মনে হয় না প্রাক্তনীরা কেউ করবে। ফেটসুর নির্বাচন হচ্ছে না ফি বছর এইটাও সেইখানে ভাবা যায় না। অবশ্য ভবিষ্যতে কী হবে সময়ই বলবে।
  • Arpan | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৮:১৬562142
  • * বেরিয়ে এসে
  • Arpan | ৩১ মার্চ ২০০৮ ১৮:২৭562144
  • আর একটা জিনিস মনে হল ঈশানের এই লেখাটি বুলবুলভাজা হলেও আদতে একটি কূটকচা৯। বেসু কর্তৃপক্ষের মত সেও সমস্যাগুলির ভেতরে না ঢুকে জাস্ট প্যাঁক দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে।

    মানছি "খবর' জোগাড় করা চাপের ব্যপার। এবং স্টকে যথেষ্ট কϾট্রবিশন না থাকলে সম্পাদককেই লাস্ট মিনিটে কলম ধরতে হয়। :-)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন