এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কি ভাবছেন সবাই(২)

    Ishan
    অন্যান্য | ১৮ অক্টোবর ২০০৬ | ৭৯২২৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Arijit | ২২ আগস্ট ২০০৮ ১২:০৬697441
  • তাপ্পর সেই সকল বুলডোজার দিয়ে আমরা একখান বুলডোজারল্যাণ্ড বানাবো - ডিগারল্যাণ্ডের মতন (http://www.diggerland.com) - শিশুরা সেখানে বুলডোজার চালিয়ে হাত পাকাবে। এন্টারটেনমেন্টকে এন্টারটেনমেন্ট, ভবিষ্যতের লক্ষ্যে ভোকেশনাল ট্রেনিংকে ট্রেনিং;-)
  • kallol | ২২ আগস্ট ২০০৮ ১৪:৫০697443
  • অ সারথী - অবশেষে কিচ্ছু পাচ্ছি না যে!
  • sarathi | ২২ আগস্ট ২০০৮ ১৪:৫৫697444
  • Link টা কাজ করছে না? NDTV র সাইটে দেখে নিন,

    খপরটা হল গিয়ে আপনার "ফোট বে" কাজে লেগেছে ;) টাটা চলে যাচ্ছে

    টা টা শিল্পায়ন
  • Arijit | ২২ আগস্ট ২০০৮ ১৫:০৮697445
  • ধুর - সেই আগের থ্রেট লেভেলেই তো আছে দেখলুম। এখনও যায় নাই।
  • sarathi | ২২ আগস্ট ২০০৮ ১৫:৩০697446
  • ভাল-খারাপ বিচার, রাজ্যের ভাবমুর্তি পরে মানুষ যখন চাইছেন না, না হওয়াই উচিত

    রতন টাটা আজকে বলছেন ভিলেন হয়ে থাকতে চান না, তাই অন্যত্র প্রজেক্ট

    সবচেয়ে বড় ভুল টাটারই, প: বঙ্গের মত রাজ্যে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত, তার ওপর সিপিএম ক্ষমতায় থাকার দরুণ কাছা ধরে টানার লোকের অভাব নেই

    পরিশেষে সরকার বাহাদুরের কাছে বিনীত আবেদন অস্ট্রেলিয়ার ক্যাঙারুর অনুকরণে অবিলম্বে "কাঁকড়া" বাংলার প্রতীক হিসেবে ঘোষণা হোক :)
  • Arijit | ২২ আগস্ট ২০০৮ ১৫:৪০697447
  • বাঙালী কাঁকড়ার গপ্পো আজ নতুন নাকি?

    যাকগে - এত কথা কোথায় দিয়েছে? ওই লিংকে তো এত কিছু দেখলাম না। ওটা দেখে তো সেই ডেফকন থ্রীই মনে হল - আর এই পোস্টটা পড়ে মনে হল ডেফকন ওয়ান হয়ে গেছে...
  • kallol | ২২ আগস্ট ২০০৮ ১৬:০৫697449
  • টাটারা ওখানে অনেক লগ্নী করে ফেলেছে। এত সস্তায় যাবে না। আর গেলেই বা কি। জমি তো টাটারই থাকছে। ওখানে টাটা বাগানবাড়ি বানালেই তো উন্নতি হুহু করে হবে।
  • sarathi | ২২ আগস্ট ২০০৮ ১৬:১৭697451
  • বাগানবাড়ি বা ফার্মহাউস যাই হোক না কেন, টাটার অন্য কোথায় পুন:লগ্নী করতে মনে হয় অসুবিধা হবে না

    তবে জমিহারা ছাড়া বাকি প্রকল্পবিরোধীরা এখন "সেলিব্রেট" করতে কার বাগানবাড়ি বা রুফটপে যায় সেটাই এখন দেখার
  • shyamal | ২২ আগস্ট ২০০৮ ১৬:২৫697452
  • এইটা গুরুচন্ডালির জনতার পড়া উচিৎ।
    http://timesofindia.indiatimes.com/opinions/3392371.cms দেখুন ভারতের লোক প:বঙ্গ, মমতা আর সিপিএম নিয়ে কি ভাবে।

    বলেছি না, এখন দাঁড়িয়েছে What India thinks today, Bengal thinks day after tomorrow
  • Arijit | ২২ আগস্ট ২০০৮ ১৬:৩১697453
  • কেন? একজন কত্ত সুন্দর সাট্টিফিকেট দিয়েছেন মমতাদিকে - আপনি দ্যাখেন নাই? RATAN TATA DO NOT GET 'RATTLED' CALL UP MAMATADI A FORCE TO RECKON WITH DISCUSS THE MATTER THREADBARE INSTEAD OF "HUSH HUSH " MEETING WITH SEN WHICH WILL CONFUSE THE ISSUE.BE DIPLOMATIC AND SIT WITH MAMATA SINCE SHE TOO IS PRO INDUSTRIALISATION - ওই লিংকেই আছে।

    ;-)
  • Arijit | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ০৯:২৭697454
  • http://www.anandabazar.com/rajya.htm - আলাদা করে লিংকগুলো দিলাম না। সেদিন যেটা বলেছিলাম - যে মমতার কিছুই যায় আসে না, সেটা নিজের মুখেই বলে ফেলেছে। শুধু জানতে ইচ্ছে করে যে ওর পরামর্শদাতারা কারা। কল্লোলদা বলতে গিয়েও চেপে গেলো।
  • kallol | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১০:৪৫697455
  • বুদ্ধ্বাবুর সাথে আলোচনায় যারা বসেছিলো, একজন পার্থ (তৃণমূল বিধায়ক), অন্যজন পরামর্শদাতাদের একজন। নামটা আবাপতে বেরিয়েছিলো। পূর্ণেন্দু বসু। আর কিছু বলবো না।
  • h | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১০:৫২697456
  • আমার আবার টাটা গোষ্ঠী, তৃণমূল, রাজ্য সরকার কারোর প্রতি ই কোনো সমবেদনা নাই। এমনকি কৃষীজীবী বা ভবিষ্যতের চাকুরিজীবী কারোর প্রতি ই নাই। সমবেদনাতে আমি ক্লান্ত। কেসটা অধিকারের। কর্পোর যদি সরকারী সাহায্য পাওয়ার অধিকার থেকে থাকে, তাইলে কৃষিজীবির ও আছে। পিরিয়ড। কর্পো যদি দরদাম করতে পারে, কৃষিজীবি কেন দরদাম করবে না। এবং পরিষ্কার মনে করি ২৪ তারিখের আন্দোলনের জোর কমানোর জন্য এইসব লেখা টেখা হচ্ছে। প্রস্তাবিত আন্দোলন টা যদিও ঢপের, কারণ অধিগ্রহণ আইনের যে বর্তমান স্ট্রাকচার তাতে জমি ফেরৎ হয় না। বিশেষ করে মালিকানা নিয়ে ডিসপুট থাকলে। তাইলে আন্দোলন করার মত বিষয় দুটো, এক অধিগ্রহণ আইন সংশোধন, দুই ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক সহ কৃষিজীবির সিরিয়াস ট্যানজিবল রিহ্যাব। ঢপের প্রতিশ্রুতি নয়। শিল্পের চলে যাব চলে যাব অভিমানী থ্রেট টা আর তৃণমূলের জমি ফেরতের দাবীটা দুটো ই মোটামুটি রাবিশ। নিগোশিয়েশন হোক। যে ব্যক্তি যতটা পারে বার্গেন করুক।

    তৃণমূলের প্রচুর ক¾ট্রাডিকশন রয়েছে। সেতো সিপিএম এর, রাজ্য সরকারের, আনন্দ বাজারের সকলেরি রয়েছে। কিন্তু তাই বলে রিহ্যাবের প্রশ্নে লোকে দাবী দাওয়া করবে না? এটা কোন কথা হল? জীবিকা কি চ্যাংড়ামো নাকি?
  • h | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:০১697457
  • কল্লোলদা, একটা অনুরোধ, হাতে প্রমাণ টমান থাকলে, আঁট ঘাট বেঁধে ল্যাম্পুনিং করুন। যদি ব্যক্তিগত গপ্প ছাড়া আর কিসু মেটেরিয়াল না থাকে, তাহলে আশা করবো নিজ দায়িঙ্কেÄ কথা বলবেন। আমি আপনাকে বা এই প্রসংগে উল্লিখিত কাউকেই চিনি না, চেনার দরকার আছে বলেও মনে করি না। কিন্তু একটাই অনুরোধ, অভিযোগ করতে গেলে, পাবলিক অভিযোগ করতে গেলে আরেকটু দায়িঙ্কÄ নিয়ে করুন। জেনেরালি আমি পাবলিক ফিগারদের সম্পর্কে গপ্পের বিরোধী। ধরুন আপনি মেমোয়ারে কিছু লিখলে সেই দায়িঙ্কÄ টা আপনার থাকে। কিন্তু এই খানে লিখলে গুরু র দায়িঙ্কÄ খানিকটা থেকে যায়, এটা মাথায় রাখবেন আশা করি। আমি গুরুর মালিক বা সম্পাদক নই, ইউজার মাত্র। অন্তত সৈকত/দমু দের মতামত নিয়ে ল্যাম্পুনিং করবেন। এটা অনুরোধ। যদিও কারোরি হয় তো কিসু এসে যায় না। অসংখ্য লোক বাজে বকে, পার্সোনাল মেমরি থেকে অনেকেই অনেক বাজে বকে যান অনেক সময়ে, কিন্তু আমি মনে করি, আপনি নিজে আর পাঁচটা লোক নন, এবং আপনি নিজেও গায়ক এবং বুদ্ধিজীবি হিসেবে একজন পাবলিক ফিগার। একটু ভেবে দেখ তে পারেন। না ভাবলে আপনার বা আমার অবশ্য কিসু এসে যায় না, তবে সৈকত বা দমুর এসে যায় কিনা একটু জিগিয়ে নেওয়া ভালো।
  • Arijit | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:১৩697459
  • বোধির ডিসপ্লেসমেন্ট সংক্রান্ত দাবিদাওয়া মেনে নিলেও একটা লুপে আটকে থাকা ছাড়া কিছুই হচ্ছে না। এর বিরোধী, ওর বিরোধী - বেশ ভালো কথা, তারপর? সল্যুশন কি?

    মমতার সল্যুশন ৪০০ একর ফেরত দিতে হবে।
    কয়েকজন বলেছেন টাটা যদি চলেও যায়, ওখানে অন্য কিছু হবে - এটা আরেকটা সল্যুশন।

    ওপরের দুটো আদৌ ঠিক না ভুল সেই তর্ক অনেক হয়েছে, আর আগ্রহ নেই।

    একটা সল্যুশন ভেবে দেখা যেতে পারে - মহারাষ্ট্রে রিলায়েন্স করেছে বলে শুনলাম - যাদের জমি নেওয়া হয়েছে, তাদের রিলায়েন্স ওই নতুন কোম্পানির ইক্যুইটি ইত্যাদি কিসব দিয়েছে/দেবে।
  • h | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:১৩697458
  • তবে লিগ্যালি মনে হয় একটা ক্যাচ আছে, যে টাকাই নেয় নি, তার জমি অধিরিহিত স্টেটাসে যাওয়ার আগে জমির ধর্মের পরিবর্তন করার অধিকার সরকারের কাছে আছে কিনা, এমনকি ১৮৯৪ এর এই ঢপের আইনেও আছে কিনা আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে। বেসিকালি রেটোরিকের কম্পিটিশন হছে, কাজের কাজ কিসু হচ্ছে না।
  • kallol | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:১৪697460
  • এমনিতে মমতার পরামর্শদাতা বলে কিছু হয় না। মমতা নিজের ছাড়া আর কারুর কথাই শোনেন না। তবে মাঝে মাঝে ওনার কিছু কিছু মানুষের উপর হঠাৎ একটা আস্থা তৈরী হয়। তখন তারা কিছু বললে অন্তত কথাটা শোনেন। করার সময় সেটা যে মানবেন তার কোনও মানে নেই।

    মমতার কিই বা এসে যায়। সে তো আর রজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নয়। তার আর কি দায়। যেমন সিপিএম এর দায় ছিলো না কংগ্রেসী বা যুক্তফ্রন্টের আমলেও অদ্ভুত সব ট্রেড ইউনিয়ানবাজী করার। আজ আর মমতাকে দোষ দিয়ে লাভ কি!
    আসলে কোন রাজনৈতিক নেতার বা দলের কি সত্যি কিছু এসে যায়? এতো জিনিসের দাম বেড়েছে। মানুষ হিমসিম খাচ্ছে। গ্যাসের দাম বাড়ে, পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ে - এরা একটা বন্ধ করে দায় সেরে ফেলে। কোনো লাগতার effective আন্দোলন কেউ করেছে ? সেই ৬০ এর দশকের খাদ্য আন্দোলন। তার পর সাধারণ মানুষের দাবীদাওয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কোন আন্দোলন করেছে? আমি নকশাল আন্দোলনকে মানুষের দাবীদাওয়ার আন্দোলন বলে মনে করি না। যেখানে যা হয়েছে, যতটুকু হয়েছে তা করেছে রাজনৈতিক দল বহির্ভূত সংগঠন/ব্যক্তি। সে নর্মদাই হোক, মনিপুরই হোক আর নন্দীগ্রামই হোক।
  • h | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:১৬697463
  • অবশ্য ডিসক্লেমার গুলো বোধ হয় দিয়েই রেখেসে। অতএব ফুত্তিসে নিন্দে মন্দ করা যেতে পারে। বোধায়। দু:খসে হলে বোধায় যায় ই, মরালি :-)
  • Arijit | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:১৭697464
  • শুধু পার্থ চ্যাটার্জী? মনে হয় না। সে নিজেও তো ব্যবসা করে - ডেসকন না কি যেন - সফটওয়্যার কনট্র্যাক্টিংএর ব্যবসা।

    কেউ খেয়াল করে দেখেছ কিনা জানি না (যদিও এটা এখানে বলা উচিত হচ্ছে কিনা তাও জানি না) - মমতার একটা বড় রকম গ্রুমিং হয়েছে। ১৯৮৪-৮৫ বা নব্বইয়ের দশকে যে মমতাকে দেখেছি, এ সে নয়। আগেরজন তুমুল চিলচিৎকার করে ঝগড়া করতো। এখনকার জন বেশ স্মিত হাসি দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে, এবং ক্যাচওয়ার্ড শুদ্ধু স্টেটমেন্ট দেয়। অনেকটাই প্রি-মেডিটেটেড, রিহার্সাল দেওয়া।

    আরো বড়সড় কেউ আছে - ব্যক্তি বা গোষ্ঠী।
  • kallol | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:২১697465
  • হ - বকুনি খেয়ে বড্ডো মরমে মরে আছি। কিন্তু বুঝতে পারছি না কোথায় কি করলুম। পার্থ চ্যাটার্জি আর পূর্ণেন্দু বসু তৃণমূলের হয়ে আলোচনায় বসবে - এটাতো কাগজেই বের হয়েছে। আমি আর তো কিছু বলিনি।
  • h | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:২২697466
  • লুপ নয় গিঁট। খুব স্বাভাবিক। আমার চাগরি নিয়ে হঠাৎ করে রাজ্যের স্বার্থে আমারে পাঁচ একর ঊর্বর জমি দিলে, আমি ফোটো অপরচুনিটির শর্তে তাতে রাজি হব কি? পেশা পরিবর্তন অত সহজ, যেখানে অন্যান্য ওয়েলফেয়ারের ব্যবস্থা শূন্য! সমস্যাটা গিঁট। সমস্যাটার জন্য কেউ একক ভাবে দায়ী নয়। ঠিকাছে। কিন্তু যারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তারাও তো দায়ী নয়। তাদের একমাত্র মেনস্ট্রীম এজেন্সী হয়ে দাঁড়িয়েছেন মমতা, ঘটনা চক্রে, কোনো ক্রেডিবিলিটি না থাকা সঙ্কেÄও। তো কি করা যাবে, মমতার ভূমিকার সমালোচনা যতখুশি করলেও তো মানুষের অধিকার টা নিয়ে চ্যাংড়ামো করা যায় না।
  • Arijit | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:২৩697467
  • এদ্দিন শুধু মামু পাঠান ছিলো, ক্রমশ: বোধিও সেই দিকে যাচ্ছে। শুধু দাড়িটাই যা নেই। মানে ছিলো না - এই সেদিন অবধি।
  • h | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:২৫697468
  • কল্লোলদা, আমার সার্মন দেওয়া অভ্যেস আছে, কারণ আমি জাতে পাদ্রী;-) সরি, দেখা হল মসলা বিনিময় হবে :-)
  • kallol | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:২৯697469
  • কেউ ঐ ৪০০ একর জমির মালিক/কর্মীদের সাথে বসছে না। বসলে একটা সমাধান বের হতই। আর কারুর কোন দায় না থাকতে পারে ওঁদের আছে। ফলে ওঁদের সাথে আলোচনা অনেক বেশী কাজের হতো।
  • h | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:৩১697470
  • দেখ বস, আমি নকশাল নই, আমি পোমো ও নই। আমি একজন পাতি ওল্ড ফ্যাশন্ড মার্কসিস্ট। পাতি ভদ্দরনোক। অতি পরিচিত ব্যক্তি এই ভূখন্ডে। পিসিযোশীর আমলের মৃত ভদ্দরনোক। ওয়েলফেয়ার পন্থী। তাতে আমার বা মার্ক্সের বা শ্রমজীবি জনসাধারণের বা সোশাল জাস্টিসের আন্দোলনের কিছু যায় আসে না। কর্পো দুনিয়ার তো গেছেই। কিন্তু কর্পো- অভিমানের ডোজটা আমি জাস্ট নিতে পারছি না। পুদিনহারা বাড়ন্ত।
  • kallol | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১১:৩২697471
  • হ -
    না:, শুধু মশলায় হবে না। মাল-মশলা হলে চলবে।
  • Ishan | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১২:১১697472
  • অজ্জিতও একটা লুপের মধ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছে। দেশে-বিদেশে। :)

    তবে টাটার অভিমানের গপ্পো শুনে আমিও যথেষ্ট আনন্দ পেয়েছি। এইসব বালখিল্যের মতো প্রেসার গেম। :)
  • r | ২৩ আগস্ট ২০০৮ ১৩:৪৪697474
  • আমার মনে হয় না আপাতত: সিঙ্গুর সমস্যা আপাতত: যে জায়গায় দাঁড়িয়ে তার সাথে শিল্পায়ন-উচ্ছেদ-পুনর্বাসন ইত্যাদি এতরকম মৌলিক সমস্যার কোনো সম্পর্ক আছে। শ্রমিকদের মেরেধরে তাড়িয়ে দেওয়ার স্ট্র্যাটেজি অনেক আগেই নেওয়া যেত। নেওয়া হয় নি। এই স্ট্র্যাটেজি নেওয়া হয়েছে ইউ পি এ সরকারের পতন, সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেসের গাঁটছড়া বাঁধা, অমর সিংহের কলকাতাভ্রমণ ও সদ্যজাগরিত ভগিনীপ্রেমের উচ্চকিত ঘোষণার পরে। টাটা ছাড়া আরও একটি শিল্পগোষ্ঠী পশ্চিমবঙ্গে বিরোধিতার সম্মুখীন হচ্ছে- মুকেশ আম্বানির গ্রুপ। এর সাথে আজ সকালে প্রকাশিত ভিডিওকন গোষ্ঠীর মালিক বেণুগোপাল ধুত ও মাহিন্দ্র মাহিন্দ্রার মালিকের মন্তব্যগুলো উল্লেখযোগ্য। উল্লেখযোগ্য, মারুতি গ্রুপের সেল্‌স ক্যাম্পে কৃষিজমি রক্ষা সমিতি কর্তাদের সক্রিয় সহযোগিতা। পুরোটা বুঝতে গেলে সর্বভারতীয় শিল্পমহল ও রাজনৈতিক মহলের পরিপ্রেক্ষিতটা জরুরী।

    সিঙ্গুরের ক্ষেত্রে আপাতত: যেটা চলছে সেটা হল জমির দাম বাড়াবার লড়াই। মমতা একসময় "সিঙ্গুরে কারখানা হবে না" থেকে চারশ একরের দাবীতে নামতে বাধ্য হয়েছেন। তার কারণ, প্রথমেই যদি কারখানা বন্ধ হয়ে যেত তাহলে আজ সিঙ্গুরে জমির যে দাম উঠেছে সেই দাম উঠত না। এখন কারখানা যে পর্যায়ে এবং রাজ্য সরকারের কাছে পুরো ব্যাপরটা যেরকম প্রেস্টিজ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাতে কারখানা পুরো বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। অতএব, ঐ চারশ (বস্তুত:, তিনশর কিছু বেশি) একর নিয়ে নেগোসিয়েশন করা অনেক লাভজনক। সরকার প্রতি একর যে দাম দিয়েছেন, তা বাজারদরের থেকে অনেক কম। ঐ চারশ একর ফেরৎ পেলে ঐ জমি এখন বাজারের দামে বিক্রি করা যাবে, যা এখন আকাশছোঁয়া। তথাকথিত "অনিচ্ছুক" কৃষকদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যাঁরা নিজেদের অন্য জমি চড়া বাজারের দামে বিক্রি করেছেন। টাটার কারখানার ক্ষেত্রে যাঁরা জমি দিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা জমির বিক্রয়মূল্য ম্যাক্সিমাইজ করার সুযোগ নেন নি। এই তথাকথিত "অনিচ্ছুক" জমির মালিকেরা সেই সুযোগ নিচ্ছেন। এটা তাঙ্কিÄক অর্থনীতির খুব চেনা উপপাদ্য- দর কষাকষিতে যে যত ধৈর্য্য ও লম্বা দৌড়ে টিঁকে থাকার ক্ষমতা দেখাতে পারবে, তার লভ্যাংশও তত বেশি হবে (দ্রষ্টব্য রুবিনস্টাইনের বার্গেনিং থিওরেম)। এই দরকষাকষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মূলত: কিছু জমির মালিকের এজেন্টের কাজ করছেন। যেভাবে রাজ্য সরকার টাটার এজেন্টের কাজ করেছে।

    টাটার দিকের গল্পটাও খুব পরিষ্কার। টাটার দিকে থেকে প্রথমত: প্রচুর বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং দ্বিতীয়ত: টাটার কাছে এই প্রোজেক্টের গুরুত্ব অপরিসীম- আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিতেও। কাজেই টাটা যেভাবে হোক নিজেদের প্রোজেক্ট বাঁচাবার চেষ্টা করছে- সিম্প্‌ল ব্যবসার যুক্তি। সেই বাঁচানোর চেষ্টার মধ্যে একটা হল চলে যাবার হুমকি দেওয়া। দুর্ভাগ্যবশত: যে কোনো বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জুড়ে থাকে কিছু না-অর্থনৈতিক হিসেব- সেন্টিমেন্ট, ফীল-গুড ফ্যাক্টর ইত্যাদি- শেয়ার বাজার থেকে গাড়ি কারখানা অবধি। সেইক্ষেত্রে টাটার গাড়ি কারখানার মত হাই-পাবলিসিটি, বিগ-টিকেট ইনভেস্টমেন্ট চলে যেতে বাধ্য হলে তার প্রভাব বিনিয়োগ সেন্টিমেন্টের উপর পড়তে বাধ্য। এর মধ্যেই মহারাষ্ট্র, উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার টাটাকে নিজেদের প্রস্তাব দিয়ে ফেলেছে। টাটা নিজেদের প্রোজেক্টের এই বিশিষ্টতার ব্যাপারে পুরোপুরি সজাগ, অতএব এই হুমকি। অন্যান্য অনেক প্রোজেক্টেই এই হুমকি কাজ করত না- কাটোয়া তাপবিদ্যুৎ কারখানা বা বারাসাত-রায়চল এক্সপ্রেসওয়ে জনস্বার্থের দিক থেকে অনেক বেশি জরুরী হলেও, সেইক্ষেত্রে কোনো হুমকিই কোনো কাজ করবে না। প্রথমবারের হুমকি ইতোমধ্যেই কাজ করেছে- তৃণমূল কংগ্রেস যেখানে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরের সব বৈঠক বয়কট করে, তাঁরাও বৈঠকের টেবিলে বসতে বাধ্য হয়েছে। দ্বিতীয়বারের হুমকি কতটা কাজ করে, সেটাই দেখার।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন